Tag: কঙ্গনা রানাউত

  • নারীদের যারা অসম্মান করে, তারা দানব ছাড়া আর কিছু নয়: কঙ্গনা

    বাড়ির একাংশ ভেঙে ফেলার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি ভিডিও পোস্ট করেছিলেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। সেই পোস্টে তিনি উদ্ধব ঠাকরের সরকারের উদ্দেশে উগরে দিয়েছিলেন ক্ষোভ। কঙ্গনা বলেছিলেন— উদ্ধব ঠাকরে, আপনি কী ভাবছেন ‘মুভি মাফিয়া’দের সঙ্গে হাত মিলিয়ে আমার বাড়ি ভেঙে আপনি বিরাট বড় প্রতিশোধ নিলেন? আজ আমার ঘর ভেঙেছে। কাল তোর অহঙ্কার ভঙ্গ হবে। সময় বলে দেবে সবটা। মনে রাখবেন। পরিস্থিতি সব সময় এক রকম থাকে না।

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, মহারাষ্ট্র বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পরই উদযাপনে মেতেছেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। নির্বাচনে পরাজিত উদ্ধব ঠাকরের দল। বিপুল ভোটে এগিয়ে জয়ী হয়েছে বিজেপি-শিবসেনা (একনাথ শিন্দে)-এনসিপির (অজিত পওয়ার) জোট। উদ্ধব ঠাকরের হারের পর কঙ্গনার ভক্ত-অনুরাগীরা মনে করিয়ে দিয়েছেন ২০২০ সালের একটি ঘটনা।

    সেই বছর মুম্বাইয়ে বেআইনি নির্মাণের অভিযোগে অভিনেত্রীর বাড়ির কিছু অংশ ভেঙে ফেলে বিএমসি (বৃহন্মুম্বই মিউনিসিপ্যাল করপোরেশন)। বিষয়টি নিয়ে সুর চড়িয়েছিলেন কঙ্গনা। আর মহারাষ্ট্রের তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী উদ্ধব ঠাকরেকে শাপশাপান্তও করেছিলেন অভিনেত্রী। তাকে হেনস্তা করার পাল্টা অভিযোগ এনেছিলেন বলিউডের কুইন। খোঁচা দিয়ে বলেছিলেন— মুম্বাইতে গণতন্ত্রের মৃত্যু হয়েছে।

    এবার মহারাষ্ট্র বিধানসভার ফল প্রকাশের পর কঙ্গনা মনে করেন, উদ্ধব তার কর্মফল ভোগ করছেন। সোমবার সংবাদ সংস্থাকে এ অভিনেত্রী বলেন, আমি আশা করেছিলাম, এমনই ফল হবে। ইতিহাস সাক্ষী থাকবে, দানব ও দৈত্যকে আমরা কীভাবে চিনলাম। নারীদের যারা অসম্মান করেন, তারা দানব ছাড়া আর কিছু নয়।

    কঙ্গনা আরও বলেন, ওরা আমার বাড়ি ভেঙেছিল। আমাকে গালাগাল করেছিল। তাই এই ফলাফল তো হওয়ারই ছিল। ওরা ঠিক-ভুলের মধ্যে পার্থক্য বুঝতে পারে না, সেটাই প্রমাণ হলো।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ওর উচ্চতাই আমি পেয়েছি, প্রিয়জনকে হারিয়ে শোকাচ্ছন্ন কঙ্গনা

    বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের পরিবারে অঘটন। দিদিমাকে হারালেন অভিনেত্রী। গত শুক্রবার প্রয়াত হন কঙ্গনার দিদিমা। এরপর থেকে শোকাচ্ছন্ন সংসদ সদস্য ও অভিনেত্রী। সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেই এ খবর প্রকাশ্যে এনেছেন তিনি।

    দিদিমার সঙ্গে একটি পুরোনো ছবিও শেয়ার করে নেন কঙ্গনা রানাউত। সেই ছবিতে দেখা যাচ্ছে, হেসে লুটিয়ে পড়ছেন কঙ্গনা ও তার দিদিমা। বোঝাই যায়, এক টুকরো সুখের স্মৃতি শেয়ার করে নিয়েছেন অভিনেত্রী। সেই ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন— গতরাতে আমার দিদিমা ইন্দ্রানী ঠাকুর প্রয়াত হয়েছেন। গোটা পরিবার শোকাচ্ছন্ন। দয়া করে প্রার্থনা করবেন।

    আরও একটি পোস্টে কঙ্গনা লিখেছেন— কয়েক দিন আগেই দিদিমা ওর ঘর পরিষ্কার করছিলেন। কিন্তু তার পরই দিদিমার ব্রেন স্ট্রোক হয়। সেই থেকে তিনি শয্যাশায়ী। তিনি বলেন, দিদিমাকে এ অবস্থায় দেখা আমার জন্য খুবই যন্ত্রণাদায়ক ছিল। অসাধারণ জীবনযাপন করতেন তিনি। আমাদের সবার অনুপ্রেরণা ছিলেন দিদিমা। আমাদের সত্তায় সবসময়ে তিনি থাকবেন। আমাদের উপস্থিতিতেই ওকে সব সময়ে স্মরণ করব।

    আরও একটি ছবিতে দেখা যাচ্ছে, শয্যাশায়ী দিদিমার পাশে বসে রয়েছেন কঙ্গনা। অভিনেত্রী লিখেছেন— অসাধারণ নারী ছিলেন আমার দিদিমা। পাঁচ সন্তান ছিল তার। সীমিত অর্থনৈতিক ক্ষমতা সত্ত্বেও সবাইকে যাতে ভালো করে পড়াশোনা শেখাতে পারেন, সেদিকে খেয়াল রেখেছিলেন। বিবাহিত মেয়েদের ক্যারিয়ার ও কাজের দিকেও নজর ছিল তার। নিজের সন্তানদের নিয়ে খুব গর্বিত ছিলেন তিনি। কঙ্গনা বলেন,  ওর উচ্চতা ছিল ৫ ফুট ৮ ইঞ্চি। পাহাড়ি নারীদের এমন উচ্চতা হয় না। আমি ওরই উচ্চতা পেয়েছি। ওর মতোই সুস্বাস্থ্যের অধিকারী হয়েছি। ১০০ বছরেরও বেশি বয়স হওয়ার পরও নিজের সব কাজ করতেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কমলা হ্যারিসের হারের কারণ জানালেন কঙ্গনা

    পেনসিলভানিয়া, নর্থ ক্যারোলাইনা ও জর্জিয়ার মতো গুরুত্বপূর্ণ ব্যাটলগ্রাউন্ড রাজ্যগুলো দখল করে কমলা হ্যারিসকে হারিয়ে ঐতিহাসিক জয় ডোনাল্ড ট্রাম্পের। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের মসনদে ফের ট্রাম্পের অবতারণা। এখন শুধু ৪৭তম প্রেসিডেন্ট পদে ট্রাম্পের শপথ নেওয়া সময়ের অপেক্ষা। 

    মঙ্গলবার রাতে ভোটের ফলাফল আসতে শুরু করায় বেশ কয়েকজন বলিউড সেলিব্রিটিও সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। তাদের মধ্যে ছিলেন বলিউড অভিনেত্রী-রাজনীতিবিদ কঙ্গনা রানাওয়াত, যিনি ইন্টারনেটে ‘সেরা মিম’ শেয়ার করেন। ইলন মাস্কের সঙ্গে গেরুয়া বসনে ডোনাল্ড ট্রাম্পের সমাবেশের একটি AI দ্বারা তৈরি ছবি শেয়ার করে নেন বলিউডের কুইন। 

    কঙ্গনা তার এক্স হ্যান্ডেলে মিমটি শেয়ার করে লেখেন, আজ ইন্টারনেটের সেরা মিম। অভিনন্দন ডোনাল্ড ট্রাম্প।’

    এদিকে চলতি বছরের শুরুর দিকে পেনসিলভেনিয়ার এক সমাবেশে ট্রাম্পকে হত্যা চেষ্টা করা হয়। সেই ছবি ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী। কঙ্গনা লেখেন, আমি এই সময় আমেরিকা থাকলে ট্রাম্পকেই ভোট দিতাম। গুলি লাগার পর উঠে দাঁড়িয়ে ভাষণ শেষ করেছেন যে ভাবে, এক কথায় ‘টোটাল কিলার’।

    অপরদিকে কমলা হ্যারিস এবং তার প্রচারে সেলিব্রিটিদের উপস্থিতি নিয়ে কটাক্ষ করেছেন তিনি। তিনি লেখেন, আপনি কি জানেন যে এই ক্লাউনরা যখন তাকে সমর্থন করেছিল তখন কমলার রেটিং মারাত্মকভাবে হ্রাস পেয়েছিল, লোকেরা ভেবেছিল যে তিনি এই জাতীয় লোকদের সঙ্গে ঘুরে বেড়ানোর জন্যই তুচ্ছ, চঞ্চল এবং অবিশ্বস্ত’।

    ডোনাল্ড ট্রাম্পের কাছে কমলা হ্যারিসের পরাজয়ের প্রতিক্রিয়া জানান অমিতাভ বচ্চনও । হিন্দিতে তিনি লেখেন, ‘হেরে গেলে কী হবে? আমরা জয়ের জন্য আমাদের লক্ষ্য নির্ধারণ করেছি! আমরা যদি জিততে থাকতাম তাহলে কীভাবে আমরা আমাদের লক্ষ্য স্থির করতে পারতাম!

    কাশ্মীর ফাইলসের পরিচালক বিবেক রঞ্জন অগ্নিহোত্রী টুইটে লিখেছেন, ভারতীয় প্রেক্ষাপটে আমি ডানপন্থী, কিন্তু যারা গর্ভপাতের অধিকারের বিরোধিতা করে এবং বন্দুককে সমর্থন করে তাদের আমি কখনই সমর্থন করতে পারি না। বাকি সব ঠিকঠাক আছে’। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মার্কিন নির্বাচনে যোগ দিতে পারলে কী করতেন কঙ্গনা?

    আর মাত্র কিছু সময়ের অপেক্ষা। এরপরই মার্কিনিরা পেতে যাচ্ছে তাদের ৪৭তম প্রেসিডেন্ট। এবারের নির্বাচন বৈশ্বিক নানা ইস্যুতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই তো গোটা পৃথিবীর চোখ ছিল এই নির্বাচনকে ঘিরে। 

    তবে নানা কারণে এবারের মার্কিন নির্বাচন গুরুত্বপূর্ণ ছিল ভারতীয়দের কাছে। যারা ফলে ভোটের মাঠে ভারতীয় বংশোদ্ভূত আমেরিকানদের তৎপরতা ছিল চোখে পড়ার মতো। পাঁচ বছর আগে ট্রাম্প যখন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ছিলেন, তখনই ভারতীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার সখ্য প্রকাশ পেয়েছিল।

    অন্যদিকে ডেমোক্র্যাটিক পার্টির প্রেসিডেন্ট প্রার্থী কমলা হ্যারিস হলেন ভারতীয় বংশোদ্ভূত। যার ফলে দুই অংশে কমবেশি আগ্রহ ছিল ভারতীয়দের। তবে ক্ষমতাসীন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বসহ দলটির কর্মী-সমর্থকরা প্রথম থেকেই ট্রাম্পকে সমর্থন দিয়ে আসছেন।

    এরই আবহে বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত খোলাখুলি সমর্থন জানালেন ট্রাম্পকে। তাকে ‘টোটাল কিলার’-এর আখ্যা দিয়ে প্রশংসায় ভাসালেন কঙ্গনা। সমাজিক মাধ্যমে ট্রাম্পের ছবি শেয়ার করে তিনি জানালেন এই মুহূর্তে আমেরিকায় থাকলে কী করতেন?

    কঙ্গনা নিজের ইনস্টাগ্রামে পেনসিলভানিয়ার সমাবেশে ট্রাম্পের গুলিবিদ্ধ হওয়ার ছবি দিয়ে লিখেন, আমি এই সময় আমেরিকা থাকলে ট্রাম্পকে ভোট দিতাম। গুলি লাগার পর উঠে দাঁড়িয়ে ভাষণ শেষ করেছেন যেভাবে, এক কথায় ‘টোটাল কিলার’। 

    চলতি বছর জুলাই মাসে নির্বাচনী প্রচারে গিয়ে গুলি লাগে ট্রাম্পের। পেনসিলভেনিয়ার বাটলারের একটি সভায় গিয়েছিলেন ট্রাম্প। তার কথা শোনার জন্য প্রচুর মানুষের জমায়েত হয়েছিল। মঞ্চে উঠে কথা বলতে শুরু করেন ট্রাম্প। তখনই গুলি ছোড়া হয় বলে অভিযোগ। দেখা যায়, ট্রাম্পের ডান দিকের কানের পাশ থেকে রক্ত বেরোচ্ছে। তার মুখেও রক্তের দাগ দেখা যায়। 

    তবু উঠে দাঁড়িয়ে হাত মুঠো করে আকাশের দিকে ছোড়েন ট্রাম্প। সেই ছবি নিমেষে ভাইরাল হয় নেটদুনিয়ায়। সভায় উপস্থিত বাকিরাও নিচু হয়ে বসে পড়েন। দ্রুত সেখান থেকে ট্রাম্পকে সরিয়ে নিয়ে যান তার নিরাপত্তারক্ষীরা। তবে ট্রাম্পের সেই ছবি যেভাবে ছড়িয়ে পড়ে নেটদুনিয়ায় তাতে সেই ছবি দিয়ে টি-শার্ট ও বিক্রি হয় আমেরিকায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কঙ্গনার ‘ইমার্জেন্সি’ নিয়ে কেন এতো আলোচনা, কী আছে এতে?

    নানা নাটকীয়তার পর অবশেষে মুক্তি পাচ্ছে বিজেপির এমপি, বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের বহুল চর্চিত সিনেমা ‘ইমার্জেন্সি’ ছবিটি। সিনেমাটির মুক্তিকে ঘিরে আইনি জটিলতা কাটার ইঙ্গিত মিলেছে। কঙ্গনা দাবি করেছেন, সেন্সর বোর্ড তাদের ছবিকে ছাড়পত্র দিয়েছে।

    বৃহস্পতিবার সমাজিক মাধ্যমে কঙ্গনা জানিয়েছেন, সেন্সর বোর্ডের পক্ষ থেকে ‘ইমার্জেন্সি’কে ছাড়পত্র দেওয়া হয়েছে। ইনস্টাগ্রামের স্টোরিতে কঙ্গনা লিখেন, আমরা আমাদের ছবি ‘ইমার্জেন্সি’র জন্য সেন্সর বোর্ডের পক্ষ থেকে ছাড়পত্র হাতে পেয়েছি। খুব শিগগিরই আমরা ছবি মুক্তির দিন ঘোষণা করব। আপনাদের ধৈর্য্য এবং সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ।

    এই ছবিতে ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর চরিত্রে দেখা যাবে কঙ্গনাকে। সিনেমাটির চিত্রনাট্য লিখেছেন তিনিই। কঙ্গনার এই ছবি শিখ ভাবাবেগে আঘাত করেছে বলে অভিযোগ শিরোমণি অকালি দলের। এমনকি, এই ছবির জন্য নাকি হুমকিও পেয়েছেন অভিনেত্রী। ৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল কঙ্গনা পরিচালিত এই ছবিটি। কিন্তু ছবিমুক্তির ওপর স্থগিতাদেশ দেয় আদালত।

    এরপর সেন্সর বোর্ডের সঙ্গে নির্মাতাদের দীর্ঘ বিবাদ চলে আদালতে। কঙ্গনা অভিযোগ করেন, সেন্সর বোর্ড অহেতুক তাদের ছবিকে ছাড়পত্র দিচ্ছে না। এর আগে আদালত ছবির ছাড়পত্র প্রসঙ্গে সিবিএফসি (সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন)-কে ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সিদ্ধান্ত গ্রহণের নির্দেশ দেয়। 

    বিপরীতে সেন্সর বোর্ডের তরফে আইনজীবী অভিনব চন্দ্রচূড় আদালতে জানান, ছবিটিকে ছাড়পত্র দেওয়া যেতে পারে। তবে, সে ক্ষেত্রে কিছু দৃশ্যে কাঁচি চালাতে হবে।

    এখন সেন্সর বোর্ড ছবিটিকে অক্ষত অবস্থায় মুক্তির ছাড়পত্র দিয়েছে, নাকি নির্মাতাদের কয়েকটি দৃশ্য পরিবর্তন করতে হয়েছে, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে ছবিটি যে মুক্তি পাবে, তা জেনে খুশি কঙ্গনার অনুরাগীরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার নাকি প্রেমে ফিরতে চান কঙ্গনা

    বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপির মান্ডির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবসময় বিতর্কে জড়িয়ে থাকেন। এ নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে সমালোচনার ঝড় ওঠে। 

    এ বিতর্কের রানি ফের বিতর্কে জড়াতে অরুচি জানিয়েছে, এবার প্রেমে ফেরা যাক— উদ্যাপনের আবহে বুঝি এমনই ভাবনা কঙ্গনার মনে উঁকি দিয়েছে? এবার ‘তনু ওয়েডস মনু ৩’ ছবিতে থাকার কথা জানিয়েছে একটি প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে। আর কঙ্গনার সঙ্গী অবশ্যই থাকছেন মাধবন।

    কিছুই অসম্ভব নয়। কারণ বিজেপি বিধায়ক কঙ্গনা রানাউতের মর্জি বোঝা দায়। এই তিনি ‘ইমার্জেন্সি’ ছবির কারণে বিতর্কের মধ্যমণি, সেই তিনিই নাকি ফের যাবতীয় তর্ক সরিয়ে রোমান্টিক মেজাজে ফিরতে চলেছেন। সৌজন্যে আনন্দ এলো রাইয়ের ‘তনু ওয়েডস মনু ৩’ ছবি। উৎসবের আবহে প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে এ ঘোষণা স্বাভাবিকভাবেই কঙ্গনার অভিনয়ের অনুরাগীদের মন ভালো করে দিয়েছে।

    কারা থাকবেন ফ্র্যাঞ্চাইজ়ির তৃতীয় পর্বে? পরিচালক-প্রযোজকের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় জানানো হয়েছে, কঙ্গনার সঙ্গী আর মাধবন অবশ্যই থাকছেন। থাকবেন আগের দুই পর্বের অভিনেতারাও। একই সঙ্গে এই প্রজন্মকে জুড়তে এখনকার কিছু জনপ্রিয় মুখও জায়গা করে নেবেন। তৃতীয় পর্বের গল্প লিখতে আনন্দকে সহযোগিতা করেছেন হিমাংশু শর্মা। 

    এর আগে ২০২৩ সালে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে শোনা গিয়েছিল, ‘তনু ওয়েডস মনু ৩’ আসছে। যদিও আনন্দের মুখ থেকে কোনো কথা কেউ শোনেননি। পাশাপাশি তিনি করবেন না, এমন বক্তব্যও কাউকে জানাননি।

    আরও জানা গেছে, ছবিটি সম্ভবত আগামী বছর শুটিং ফ্লোরে যাবে। তার আগে রাই ‘তেরে ইশক মে’ ছবির শুটিং শেষ করবেন। এ ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করছেন ধনুশ। তবে ‘তনু ওয়েডস মনু ৩’ নিয়ে আনন্দ ঘোষণা করলেও ‘বিতর্কের রানি’র মুখ থেকে এখনো কিছু শোনা যায়নি। বলিউড আপাতত তার বক্তব্য শোনার জন্য মুখিয়ে।

    সম্প্রতি মহাত্মা গান্ধী ও লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পোস্ট করে নতুন বিতর্ক উসকে দিয়ে ছিলেন কঙ্গনা রানাউত। এ বিতর্কের রানি শাস্ত্রীর ১২০তম জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন। কংগ্রেসের দাবি— জাতির জনক হিসেবে মহাত্মা গান্ধীর মর্যাদা হ্রাস পেয়েছে। নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে পোস্ট করে কঙ্গনা রানাউত লিখেছেন— দেশের কোনো বাবা হয় না, লাল (সন্তান) হয়, ধন্য এই ভারতমাতার সন্তানরা।

    এর পরই শুরু হয় বিতর্ক। ইনস্টাগ্রাম পোস্টে মান্ডির এ সংসদ সদস্য দেশে গান্ধীর স্বচ্ছতার উত্তরাধিকার বহন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কৃতিত্ব দিয়েছেন। এর ফলে কংগ্রেসের তরফ থেকে একাধিক আক্রমণাত্মক পোস্ট এসেছে কঙ্গনা রানাউতের বিরুদ্ধে। অনেকেই তার মন্তব্যকে অশ্লীল ও নিন্দনীয় বলে অভিহিত করেছেন। 

    কংগ্রেস নেত্রী সুপ্রিয়া শ্রীনাতে এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন— বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকীতে তাকে অশ্লীল কটাক্ষ করেছেন। গডসে উপাসকরা বাপু এবং শাস্ত্রীজির মধ্যে পার্থক্য টানেন। নরেন্দ্র মোদি কি তার দলের নতুন গডসে ভক্তকে আন্তরিকভাবে ক্ষমা করবেন? জাতির পিতা আছেন, পুত্র আছেন, শহিদ আছেন— সবারই সম্মান প্রাপ্য। 

    পাঞ্জাবের বর্ষীয়ান বিজেপি নেত্রী মনোরঞ্জন কালিয়াও গান্ধীর জয়ন্তী নিয়ে কঙ্গনার মন্তব্যের সমালোচনা করে বলেছেন, রাজনীতি তার ক্ষেত্র নয়।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা এক ভিডিওতে কালিয়া বলেন, গান্ধীজির ১৫৫তম জন্মবার্ষিকীতে কঙ্গনা রানাউতের করা মন্তব্যের নিন্দা করছি। স্বল্প রাজনৈতিক জীবনে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভ্যাস গড়ে তুলেছেন তিনি। রাজনীতি তার জন্য নয়। রাজনীতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কথা বলার আগে ভাবতে হবে— তার বিতর্কিত মন্তব্য দলের জন্য অশান্তি ডেকে আনছে।

    কৃষি আইন প্রত্যাহারের পক্ষে সওয়াল করেও সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন কঙ্গনা রানাউত। কঙ্গনা যদিও জানিয়েছেন, তার মন্তব্য ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) আদর্শকে প্রতিফলিত করে না।

    এদিকে কঙ্গনা রানাউত অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতেও পা রেখেছেন। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকে রাজনীতির সফর শুরু হয়েছে কঙ্গনা রানাউতের। তবে বিতর্কের কারণে শিরোনামে আসা তার কাছে নতুন কিছু নয়। এ জন্য তাকে ঠোঁটকাটা অভিনেত্রী বলা হয়ে থাকে। বিটাউনেও নানা মন্তব্য করে বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি। পরিণতির কথা না ভেবেই একাধিকবার নানা মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন কঙ্গনা। নিজেই স্বীকার করেছেন, তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে— এমন ক্ষমতা কারও নেই।

    একটি সংবাদমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, কেউ আমাকে কখনো কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এ অধিকার আমি কাউকে দিইনি। আমার নিজের পছন্দ-অপছন্দের জন্য কেউ কথা শোনাবে বা তির্যক মন্তব্য করবে— এমন অধিকার কারও নেই।

    উল্লেখ্য, কঙ্গনা রানাউত পরিচালিত ও অভিনীত ‘ইমার্জেন্সি’ সিনেমা আইনি জটিলতায় পড়ে সেন্সর বোর্ডে আটকা আছে।  সিনেমাটি নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে সামাজিকমাধ্যমে। ট্রেলার মুক্তির পর থেকেই এটি নিয়ে কয়েকটি শিখ গোষ্ঠী প্রতিবাদ জানায়। এ সিনেমা শিখ ধর্মের অনুসারীদের ভাবাবেগে আঘাত করেছে বলে জানায় শিখ গোষ্ঠী। ফলে সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) থেকে সবুজ সংকেত পাওয়া যায়নি। ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত ২১ মাসের জরুরি অবস্থা জারি করা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ওপর ভিত্তি করে এ সিনেমা তৈরি করেছিলেন কঙ্গনা রানাউত। 

    ‘ইমার্জেন্সি’ ছবিতে কঙ্গনা রানাউত ছাড়াও থাকছেন অনুপম খের, মহিমা চৌধুরী, মিলিন্দ সোমান, শ্রেয়স তালপাড়ে প্রমুখ। থাকছেন প্রয়াত অভিনেতা সতীশ কৌশিকও। জি স্টুডিওজ এবং মণিকর্নিকা ফিল্মস এ ছবিটি প্রযোজনা করেছে। ভারতের অন্যতম অশান্ত সময়কে তুলে ধরা হয়েছে এ ছবিটিতে। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত লিখেছেন, ‘ভারাক্রান্ত মন নিয়ে জানাচ্ছি— আমার পরিচালিত সিনেমা ‘ইমার্জেন্সি’ মুক্তির সময় পিছিয়েছে। এখনো সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্রের অপেক্ষায় রয়েছি। সিনেমাটি আগামীতে কবে মুক্তি পাবে, তা জানিয়ে দেওয়া হবে। বিষয়টি বোঝার জন্য এবং ধৈর্য ধরার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • কোনো দৃশ্য বাদ পড়বে না, সেন্সর বোর্ডকে কঙ্গনা

    বলিউড অভিনেত্রী তথা চলচ্চিত্র নির্মাতা ও সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউতের ছবি ‘ইমার্জেন্সি’ মুক্তি নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই চলছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। এ ছবি নিয়ে একের পর এক সমস্যা লেগেই আছে। গত ৬ সেপ্টেম্বর মুক্তির কথা থাকলেও আটকে দেওয়া হয় সিনেমাটি। 

    যদিও সেন্সর বোর্ড আদালতে স্পষ্ট জানিয়েছে— কিছু দৃশ্য বাদ না দিলে ছবিটি মুক্তির জন্য গ্রিন সিগন্যাল দেওয়া হবে না। কঙ্গনা শুক্রবার এ প্রসঙ্গে জানান, ইমার্জেন্সিতে কোনো কাটছাঁট করা হবে না। সেন্সর বোর্ড ছবিটি থেকে ১৩টি দৃশ্য বাদ দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে। তবে এই পরামর্শগুলো একেবারেই যথোপযুক্ত নয় বলে জানান কঙ্গনা রানাউত। 

    সিনেমার বিভিন্ন দৃশ্য বাদ প্রসঙ্গে বলিউড অভিনেত্রী জানিয়ে দিয়েছেন— ইমার্জেন্সির কোনো দৃশ্য সেন্সর বোর্ডের কথা অনুযায়ী বাদ যাবে না। কারণ এগুলোকে তিনি অনুপযুক্ত বলেই মনে করেন।

    ইমার্জেন্সিতে কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন কঙ্গনা রানাউত। ইন্দিরা গান্ধীর ভূমিকায় দেখা যাবে এ অভিনেত্রীকে। কঙ্গনা এ ছবির পরিচালক ও সহপ্রযোজকও। তিনি স্পষ্টতই জানিয়েছেন, তার টিম সিনেমার সত্যতা বজায় রাখতে বদ্ধপরিকর। তাই এ বিষয়টির মধ্যে কোনোভাবে তিনি হস্তক্ষেপ করবেন না।

    কঙ্গনা বলেন, আমরা কিছু দৃশ্য কাট করার পরামর্শ পেয়েছি। তবে এই পরামর্শগুলোর মধ্যে কিছু বিষয় বেশ অন্যায্য বলেও মনে হয়েছে। মজার বিষয় হলো— বেশ কিছু ইতিহাসবিদ এবং পরিচালনা কমিটির সদস্যরা আমাদের সিনেমাটিকে যথেষ্ট বিশ্বাসযোগ্য বলে মনে করছেন। তিনি সত্যের প্রতি অটল থাকার জন্য প্রশংসা করেছেন। তাদের সমর্থন অনেকাংশে উৎসাহ বাড়িয়েছে।

    মান্ডির বিজেপির সংসদ সদস্য আরও বলেন, ‘সিনেমাটি প্রশংসা করে অনেকেই গল্পটিকে প্রাপ্য সম্মান দিয়েছেন। তবু আমরা আমাদের পা মাটিতে রেখেছি। এবং আমরা চলচ্চিত্রের বিষয়বস্তু রক্ষা করতে প্রস্তুত।’

    শিরোমণি আকালি দলসহ শিখ সংগঠনগুলো ‘ইমার্জেন্সি’ নিয়ে ভীষণভাবে আপত্তি জানিয়েছে। ছবিতে শিখ সম্প্রদায়কে ভুলভাবে উপস্থাপনা করা হয়েছে এবং ঐতিহাসিক তথ্য ভুলভাবে দেখানো হয়েছে বলে অভিযোগ। এর আগে ছবিটি ৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও সেন্ট্রাল বোর্ড অফ ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) থেকে ছাড়পত্র না পাওয়ায় আটকে রয়েছে। নির্মাতারা এ বিষয়ে বোম্বে হাইকোর্টে আবেদন করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আর্থিক ক্ষতির মধ্যেও কেন এত বড় খরচ করে বসলেন কঙ্গনা

    নতুন রেঞ্জ রোভার গাড়ির সামনে নিজের ভাইপোকে কোলে নিয়ে ছবি তোলেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। সেই ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করতেই মুহূর্তে ভাইরাল। 

    কঙ্গনার নতুন গাড়ির ছবি ভাইরাল হতেই নেটিজেনরা অবাক। কারণ কঙ্গনার ‘ইমার্জেন্সি’ ছবি মুক্তি স্থগিত হওয়ায় আর্থিক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছিলেন তিনি। এর মধ্যেই অভিনেত্রী কীভাবে ফের গাড়ি কিনলেন, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন তারা।

    চলতি বছর ৬ সেপ্টেম্বর মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল কঙ্গনা রানাউতের ছবি ‘ইমার্জেন্সি’র। কিন্তু আইনি জটে আটকে গেছে সেই ছবি। এ ছবির পরিচালক ও প্রযোজক কঙ্গনাই। বিপাকে পড়ে মুম্বাইয়ের পালি হিলের বাড়ি বিক্রি করতে হয়েছে তাকে। ৩২ কোটি টাকা দিয়ে এই বাড়ি বিক্রি করেছেন তিনি। এর মধ্যেই একটি নতুন গাড়ি কিনেছেন এ অভিনেত্রী।

    হিমাচলে নিজের বাড়িতে রয়েছেন কঙ্গনা, সেখানেই নতুন একটি গাড়ি কিনেছেন তিনি। নতুন এই রেঞ্জ রোভার গাড়ির সামনে নিজের ভাইপোকে কোলে নিয়ে ছবি তোলেন এ অভিনেত্রী। জানা যাচ্ছে, এই বিলাসবহুল ও উন্নত প্রযুক্তিসম্পন্ন গাড়ির দাম ৩ কোটি টাকা। নতুন গাড়িকে পূজা করে বাড়িতে স্বাগত জানিয়েছে কঙ্গনার পরিবার।

    কিছু দিন আগে মুম্বাইয়ের পালি হিলের বাড়ি বিক্রি করেছেন এ ঠোঁটকাটা অভিনেত্রী। ২০১৭ সালে ২০ কোটি টাকা দিয়ে এই বাড়ি কিনেছিলেন তিনি। বাড়ির বিক্রির কারণ হিসাবে কঙ্গনা সংবাদমাধ্যমকে বলেছিলেন— এটাই স্বাভাবিক। আমি ছবিটা বানাতে চেয়েছিলাম। আমার যাবতীয় সম্পত্তি দিয়ে দিয়েছি এই ছবিটার জন্য। আসলে সম্পত্তি তো বিপদেই কাজে লাগে। কঙ্গনার বহু-প্রতীক্ষিত এই ছবি শেষ পর্যন্ত কবে মুক্তি পাবে, তা এখনো জানা যায়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আলোচিত সেই বিল ফেরানোর দাবি তুলে বিপাকে কঙ্গনা

    সংসদ সদস্য হওয়ার পর থেকে একের পর এক বিতর্কে জড়িয়েছেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। নিজের দল বিজেপিকেও বিড়ম্বনাতে ফেলছেন কয়েকবার। এবার হরিয়ানা নির্বাচনের প্রাক্কালে কৃষি আইন নিয়ে মুখ খোলায় দল তার বক্তব্যের সঙ্গে দ্বিমত পোষণ করেছে। এতে বিপাকে পড়েছেন অভিনেত্রী। 

    সম্প্রতি তিনটি কৃষি আইন ফিরিয়ে আনার দাবি করেছেন কঙ্গনা। আর কঙ্গনার এমন দাবি ঘিরে চরমে উঠেছে রাজনীতির মাঠ। তবে তার দলের তরফ থেকে বলা হয়েছে, বিজেপির হয়ে এই ধরনের মন্তব্য করার কোনো এখতিয়ার নেই কঙ্গনার। 

    কয়েকদিন আগেই নিজের চলচ্চিত্র ‘ইমারজেন্সি’র প্রচারে গিয়ে কৃষক আন্দোলন নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্য করেছিলেন কঙ্গনা। 

    তিনি বলেছিলেন, কৃষকদের ওই আন্দোলন বাংলাদেশের মতো পরিস্থিতি ডেকে আনেছিল। তিনি আরও দাবি করেছিলেন, কৃষকদের আন্দোলনস্থলে মৃতদেহ ঝুলছিল এবং সেখানে ধর্ষণের ঘটনা ঘটছিল। 

    সেই মন্তব্যের জেরে তাকে দলের ভর্ৎসনার শিকার হতে হয়েছিল। দলের সর্বভারতীয় সভাপতি জেপি নাড্ডা কঙ্গনাকে ডেকে পাঠিয়েছিলেন এবং বিবৃতি প্রকাশ করে জানানো হয়েছিল, কঙ্গনার মন্তব্য দল সমর্থন করে না। আর সেই বিতর্কের রেশ কাটতে না কাটতেই তিন বিতর্কিত কৃষি আইন ফিরিয়ে আনার দাবি তুলে নতুন করে দলকে অস্বস্তিতে ফেললেন কঙ্গনা। 

    মঙ্গলবার নিজের নির্বাচনি কেন্দ্র মান্ডিতে কঙ্গনা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে তিনটি কৃষি আইন ফিরিয়ে আনার পক্ষে কথা বলেন। আর কংগ্রেস সামাজিক মাধ্যমে তার সেই ভিডিও পোস্ট করে। যার ফলে মুহুর্তেই ছড়িয়ে পরে এই ভিডিওটি।

    তবে এর পরপরই ওই ভিডিও বার্তা প্রকাশ করে বিজেপির তরফ থেকে দলীয় মুখপাত্র গৌরব ভাটিয়াকে বলতে হয়, কঙ্গনার সেই বক্তব্য দলের অবস্থানকে ব্যাখ্যা করে না। 

    তিনি বলেন, কেন্দ্রীয় সরকারের প্রত্যাহার করা কৃষি বিল সম্পর্কে বিজেপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউতের বিবৃতি ভাইরাল হচ্ছে সামাজিক মাধ্যমগুলোতে। আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই যে, এই বক্তব্যটি তার ব্যক্তিগত। কঙ্গনা রানাউত বিজেপির পক্ষে এই ধরনের বিবৃতি দেওয়ার জন্য অনুমোদিত নন এবং এই কৃষি বিল নিয়ে বিজেপির দৃষ্টিভঙ্গি বা অবস্থান ভিন্ন। আমরা তার এই বিবৃতি প্রত্যাখ্যান করছি।

    পরে গৌরবের সেই ভিডিও বার্তা রিটুইট করে যেন কিছুটা অভিমানী হয়েই কঙ্গনা লেখেন, কৃষক আইন সম্পর্কে আমার মতামত সম্পূর্ণরূপেই ব্যক্তিগত এবং এই বিল নিয়ে দলের অবস্থান আমি তুলে ধরিনি। ধন্যবাদ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যৌন হেনস্তা, এবার নায়কদের নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য কঙ্গনার

    ফের বলিউডের নায়কদের নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য কঙ্গনা রানাউতের। বলিউড নিয়ে মন্তব্য করে প্রায়ই সংবাদ শিরোনামে উঠে আসেন এই অভিনেত্রী। এবার সরাসরি বলিউড পাড়ার নায়কদের বিরুদ্ধেই নতুন অভিযোগ আনলেন তিনি। 

    বিজেপির সংসদ সদস্য এই অভিনেত্রীর অভিযোগ, বলিউডের বেশ কিছু নায়ক নারী অভিনেত্রীদের নানাভাবে হেনস্তা করেন। চলচ্চিত্র জগতে নারীরা মোটেও নিরাপদ নন বলে দাবি তার। 

    ভারতীয় একটি সংবাদমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে কঙ্গনা বলেন, আপনারা জানেন, এই নায়কেরা কীভাবে নারী অভিনেত্রীদের হেনস্তা করেন! নারীদের তারা বাড়ির নৈশভোজে আমন্ত্রণ জানান। যে কোনো উপায়ে তারা নারীদের বাড়িতে ডাকতে চান। 

    সম্প্রতি ভারতের মালয়ালম চলচ্চিত্র জগতে একের এক অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজকের বিরুদ্ধে উঠতে শুরু করেছে যৌন হেনস্তার বিস্তর অভিযোগ। তার ভিত্তিতে জাস্টিস হেমা কমিশন যে রিপোর্ট পেশ করেছেন তা স্তম্ভিত করেছে গোটা ভারতকে। তোলপাড় চলচ্চিত্র জগৎ। তারই ঢেউ লেগেছে বাংলা চলচ্চিত্র জগতেও। 

    টলিউডে অনেক অভিনেত্রীই এখন আঙুল তুলছেন পুরুষ সহকর্মীদের বিরুদ্ধে। তবে বলিউডে এখনও কোনো অভিযোগ প্রকাশ্যে আসেনি। যদিও এর আগে তনুশ্রী দত্ত অভিযোগ তুলেছিলেন। 

    এছাড়া ধর্ষণ প্রসঙ্গে মুখ খুলেছিলেন প্রয়াত নৃত্যপরিচালক সরোজ খানও। এমন আবহে কঙ্গনার বক্তব্য নতুন করে বিতর্ক উসকে দিতে পারে বলে মনে করছে সংশ্লিষ্ট মহল। 

    কর্মস্থলে নারীদের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন কঙ্গনা। তার কথায়, আমরা সকলেই জানি, আমরা নারীদের সম্মান করি না। চলচ্চিত্র জগতেও কোনো ব্যতিক্রম নেই। কলেজের ছেলেরাও নারীদের নিয়ে বিরূপ মন্তব্য করে। সিনেমার নায়কেরাও একই রকম। আমরা সকলেই জানি, এক জন নারীর সঙ্গে তার কর্মস্থলে কেমন আচরণ করা হয়। 

    প্রয়াত নৃত্যশিল্পী সরোজ খান এক সময় ধর্ষণ প্রসঙ্গে মুখ খুলেছিলেন। সেই প্রসঙ্গও উঠে আসে কঙ্গনার কথায়। তিনি বলেন, এক সময়ে সরোজ খানকেও ইন্ডাস্ট্রিতে যৌন হেনস্তা ও ধর্ষণ নিয়ে প্রশ্ন করা হয়েছিল। তিনি বলেছিলেন, ধর্ষণ করা হয় ঠিকই। আবার এরাই মুখে খাবারটাও তুলে দেয়। চলচ্চিত্র জগতের মেয়েদের অবস্থা ঠিক এমনই। 

    কঙ্গনা এখন তার আসন্ন ছবি ‘ইমার্জেন্সি’নিয়ে ব্যস্ত। ছাড়পত্র পেতে অভিনেত্রীকে বেগ পেতে হচ্ছে। ছবির পরিচালক ও প্রযোজক কঙ্গনাই। এমনকি, চিত্রনাট্যও তাঁর নিজেরই লেখা। কবে মুক্তি পাবে এই ছবি তা এখনও জানা যায়নি। 

    বিনোদন ডেস্ক