Tag: ওমর সানী

  • তারেক রহমানকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে চাই: ওমর সানি

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের ঢাকা-১৭ আসনে ভোটাধিকার প্রয়োগ করেছেন চিত্রনায়ক ওমর সানি। 

    বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) সকাল ১১টায় গুলশানের মানারাত ঢাকা ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের ভোটকেন্দ্রে ভোট দিয়েছেন তিনি।

    ভোট প্রদান শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমার জন্মের পর থেকেই নেতা হিসেবে আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান সাহেবকে দেখেছি। এরপর সবার নেত্রী বেগম খালেদা জিয়া আসলেন। তার নেতৃত্ব দেখলাম। এখন উনাদের পুত্র তারেক রহমান সাহেব আসছেন। তিনি আমাদের সমসাময়িক নেতা। বয়সে কিছুটা সিনিয়র আমাদের। কিন্তু তিনি আমাদের সোনালী প্রজন্মের মানুষ। আমি উনাকেই প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দেখতে চাই।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ওমর সানি আরও বলেন, ‘তিনি আগে কি বলেছেন, করেছেন জানিনা। কিন্তু এবার যখন এলেন আমি অনেক চেষ্টা করছিলাম উনার ভুল ধরতে। পারিনি। তিনি সামান্য একটা বিড়াল থেকে শুরু করে মানুষ ও দেশ নিয়ে যে জ্ঞান প্রকাশ করেছেন আমি মুগ্ধ। আর উনার মেয়ে জাইমাকে তো মনে হয় আমারই মেয়ে।’

    এসময় তিনি শান্তি, সমৃদ্ধির একটি বাংলাদেশ প্রত্যাশা করেন।

    এর আগে ধানের শীষের জন্য বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের প্রচারণায় সরব ছিলেন ওমর সানি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মৌসুমীর সঙ্গে ডিভোর্সের গুঞ্জনে ক্ষুব্ধ ওমর সানী যা বললেন

    পর্দার জনপ্রিয় জুটি হলেও বাস্তব জীবনে দীর্ঘদিন ধরে দুই দেশে আলাদা থাকছেন চিত্রনায়ক ওমর সানী ও অভিনেত্রী মৌসুমী। ওমর সানী থাকেন বাংলাদেশে, আর মৌসুমী প্রায় দুই বছর ধরে অবস্থান করছেন যুক্তরাষ্ট্রে। এ দূরত্বকে ঘিরে বেশ কিছুদিন ধরেই তাদের দাম্পত্য সম্পর্ক নিয়ে নানা গুঞ্জন ও প্রশ্ন উঠছে। কেউ কেউ তো প্রকাশ্যেই তাদের বিচ্ছেদের কথা বলছেন। এসব মন্তব্যে বিরক্তি প্রকাশ করেছেন ওমর সানী।

    সম্প্রতি আবারও এমন প্রশ্নের মুখে পড়ে কড়া প্রতিক্রিয়া জানান এই অভিনেতা। তার ভাষায়, অসভ্যের মতো কিছু মানুষ মনে করে আমরা আলাদা হয়ে গেছি।

    কিছুদিন আগে একটি চলচ্চিত্র-সংক্রান্ত অনুষ্ঠানে অংশ নিয়ে ওমর সানী বলেন, তারা নাকি আলাদা হয়ে গেছেন—এমন নানা কথা তিনি নিয়মিতই শোনেন। তবে এসব মন্তব্য নিয়ে তিনি বা তার পরিবার চিন্তিত নন। তার মতে, কিছু মানুষের মানসিকতাই এমন, যারা অকারণ গুজব ছড়াতে ভালোবাসে।

    সম্প্রতি একটি পডকাস্টে হাজির হয়েও একই ধরনের প্রশ্নের মুখোমুখি হন ওমর সানী। একসঙ্গে আছেন কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, অনেকেই নিজেকে জ্যোতিষী ভাবতে শুরু করেছেন। কেউ হাত দেখে ভবিষ্যৎ বলে, কেউ আবার ডিভোর্স লেটার দেখার আগ্রহ প্রকাশ করেন। এসব বিষয়ে আর কিছু বলার নেই বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিভিন্ন সময় জানা গেছে, মৌসুমী বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকত্ব পাওয়ার প্রক্রিয়ার মধ্যে রয়েছেন। সে কারণেই তিনি দীর্ঘদিন ধরে সেখানে অবস্থান করছেন। এদিকে ওমর সানীরও যুক্তরাষ্ট্রে যাওয়ার কথা ছিল, কিন্তু ভিসার মেয়াদ শেষ হয়ে যাওয়ায় যেতে পারেননি। বর্তমানে তিনি নতুন করে ভিসার জন্য আবেদন করেছেন।

    পডকাস্টে মৌসুমীর যুক্তরাষ্ট্রে থাকার কারণ আরও স্পষ্ট করে ব্যাখ্যা করেন ওমর সানী। তিনি বলেন, তার শাশুড়ি দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ। মায়ের পাশে থাকার জন্যই মূলত মৌসুমী যুক্তরাষ্ট্রে রয়েছেন। সেখানে তাদের মেয়েও আছে, যাদের দেখাশোনাও তার কাছে অগ্রাধিকার।

    ওমর সানীর ভাষায়, যেকোনো পরিবারের ক্ষেত্রেই এই সময়গুলো গুরুত্বপূর্ণ, আর অনেক সময় ত্যাগ স্বীকার করতেই হয়। তিনি জানান, মৌসুমী মায়ের জন্য অনেক কষ্ট করছে এবং এসব বিষয় নিয়ে তারা প্রতিদিনই নিজেদের পারিবারিক ফেসবুক গ্রুপে কথা বলেন। খুব শিগগিরই তাদের দেখা হবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রহস্যময়ী ফেসবুক পোস্টে কাকে ইঙ্গিত করলেন ওমর সানী?

    ঢাকাই ছবির একসময়ের জনপ্রিয় নায়ক ওমর সানী। এখন অভিনয়ে অনিয়মিত হলেও সামাজিক মাধ্যমে নানা ইস্যুতে সবসময়ই সরব থাকেন তিনি। এবার সামাজিক মাধ্যমে এই অভিনেতার এক রহস্যময়ী পোস্ট নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। 

    বর্তমানে নিজের ব্যবসা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করা ওমর সানি বুধবার (২১ জানুয়ারি) দিবাগত রাতে ফেসবুকে চিত্রনায়িকা মুক্তিকে ট্যাগ দিয়ে একটি পোস্ট করেছেন। পোস্টে স্পষ্ট করে কিছু না বললেও বোঝা গেছে যে, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সাধারণ সম্পাদককে খুঁজছেন তিনি। 

    পোস্টে অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তিকে ট্যাগ করে অভিনেতা লেখেন, ‘কিরে তোর সাধারণ সম্পাদক কই, দেখলাম না?’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জবাবে পোস্টের মন্তব্যের ঘরে মুক্তি লিখেছেন, আপনি তো আমাকে কখনো তুই করে বলেন না ওমর সানী ভাই, কার ট্যাগ কাকে করেছেন।’ এর প্রতিউত্তরে সানি লেখেন, ‘তুমি তো আর প্রেসিডেন্ট না। তুমি তো আলো, চাঁদের আলো।’ 

    উল্লেখ্য, ধারণা করা হচ্ছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও অভিনেতা ডিপজলকে ইঙ্গিত করেই ওমর সানী এই পোস্টটি করেছেন। ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পর থেকে ফেসবুক পোস্টে সক্রিয় থাকা ব্যতীত ডিপজলকে প্রকাশ্যে কোনো অনুষ্ঠান বা শিল্পী সমিতির কার্যক্রমে দেখা যায়নি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আসিফের সমালোচনার কড়া জবাব দিলেন ওমর সানী

    গত মাসে দেশের ফুটবল ও ফুটবলারদের নিয়ে মন্তব্য করে সমালোচনার মুখে পড়েন সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। সেই সময় অনেক ফুটবলার ও নেটিজেন তার বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করেন। জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওমর সানীও সামাজিক মাধ্যমে প্রতিক্রিয়া জানান।

    সম্প্রতি এক পডকাস্টে এই প্রসঙ্গ তোলেন উপস্থাপক। সেখানে ওমর সানীকে ‘সহজ-সরল’, ‘চাপ বিক্রি করা মানুষ’ এবং ‘নারীশাসিত পুরুষ’ বলে মন্তব্য করেন আসিফ। ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও সমালোচনার সুরে কথা বলেন তিনি।

    যদিও কথার শেষে ‘আই লাভ হিম’ বলে নরম হওয়ার চেষ্টা করেন গায়ক। তবে এসব মন্তব্য ভালোভাবে নেননি ওমর সানী। সোমবার সকালে নিজের ফেসবুকে দেওয়া ভিডিও বার্তায় তিনি আসিফকে কড়া জবাব দেন। 

    সানী বলেন, ‘আমি ব্যক্তিগতভাবে ওর কোনো বদনাম করিনি। পরিবার বা ব্যক্তিজীবন নিয়ে এক শব্দও বলিনি। আমি শুধু চেয়ারের কথা বলেছিলাম। কিন্তু উনি টেলিভিশনে আমার ব্যক্তিজীবন নিয়ে কথা বলেছেন-এটা গ্রহণযোগ্য নয়।’

    আরও ক্ষুব্ধ হয়ে তিনি বলেন, ‘আসিফ, তুই গিয়ে মৌসুমীকে জিজ্ঞেস কর আমি কোথায় দাঁড়িয়ে আছি। ব্যক্তি জীবন নিয়ে তোর কথা বলার দরকার নেই। আমাকে নিয়ে কথা বল, ফুটবল নিয়ে বল, চেয়ার নিয়ে বল। কিন্তু পরিবার নিয়ে নয়।’

    ভিডিও বার্তার এক পর্যায়ে হাত তুলে গায়ককে উদ্দেশ্য করে তিনি বলেন, ‘হাতটা দেখছস? আজ আমি ঢাকা সিটিতে আছি, সাহস থাকলে সামনে এসে কথা বল।’

    সবশেষে সানী বলেন, তোর কোনো ব্যক্তিত্ব আছে? মৌসুমী আর আমার সামনে দাঁড়িয়ে কথা বলতে পারবি? ভালো হ, ভদ্র হ। আল্লাহ তোকে সম্মান দিয়েছে। এগুলো ধরে রাখ।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমার বুকটা আবার খালি হয়ে গেল: ওমর সানী

    বাংলা চলচ্চিত্রের বর্ষীয়ান নির্মাতা শেখ নজরুল ইসলাম আর নেই। ‘চাঁদের আলো’ সিনেমার এই পরিচালক শনিবার (২২ নভেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে রাজধানীর ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। 

    তার মৃত্যু সংবাদে চলচ্চিত্রাঙ্গনে শোকের ছায়া নেমেছে। বিশেষ করে গভীরভাবে শোক প্রকাশ করেছেন জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওমর সানী।

    অভিনয় জীবনের শুরুতেই শেখ নজরুল ইসলামের হাত ধরেই আলোচনায় এসেছিলেন ওমর সানী। নব্বইয়ের দশকের অন্যতম স্মরণীয় সিনেমা ‘চাঁদের আলো’-তে প্রথমবার বড়পর্দায় দেখা যায় তাকে। এতে তার সহশিল্পী ছিলেন মুক্তি। ১৯৯৩ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত এ সিনেমার গান ‘তুমি আমার চাঁদ, আমি চাঁদেরই আলো’ এখনো দর্শকের মনে অমলিন হয়ে আছে।

    নির্মাতার মৃত্যু সংবাদে নিজের আবেগ ফেসবুকে প্রকাশ করেছেন ওমর সানী। তিনি লিখেছেন- আমার ওস্তাদ না ফেরার দেশে চলে গেলেন। আল্লাহ তাকে জান্নাত নসিব করুন। আমার মনে হচ্ছে, আমার বাবা, আমার শ্বশুর, প্রিয়জনদের পর আমার বুকটা আবার খালি হয়ে গেল। 

    কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে তিনি আরও লেখেন- শেখ নজরুল ইসলাম একটি ইতিহাস, একটি চলচ্চিত্র। আমার মতো এক অধম ওমর সানীকে তিনি আবিষ্কার করেছিলেন। আমি আপনার কাছে কৃতজ্ঞ, ওস্তাদ। সবাই দোয়া করবেন।

    শেখ নজরুল ইসলাম ১৯৩৫ সালের ৭ নভেম্বর নাটোরের কালিগঞ্জ থানার পিপরুল গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বাংলায় স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করার পর জহির রায়হান ও খান আতাউর রহমানের সহকারী হিসেবে চলচ্চিত্রে যোগ দেন। ১৯৭৪ সালে ‘চাবুক’ দিয়ে পরিচালক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন এবং এরপর বহু জনপ্রিয় ও সফল চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পরিবার সূত্র জানায়, ১৬ নভেম্বর তিনি স্ট্রোকে আক্রান্ত হয়ে ধানমন্ডির ইবনে সিনা হাসপাতালের আইসিইউতে ভর্তি হন। ৪৮ ঘণ্টা পর্যবেক্ষণে রাখার পরও শারীরিক অবস্থার উন্নতি হয়নি। রোববার (২৩ নভেম্বর) নিজ জেলা নাটোরে জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তার লাশ দাফন করা হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ওমর সানীর ক্যারিয়ার ধ্বংসের ৩টি কারণ জানালেন পরিচালক

    অভিনেতা ওমর সানী ঢালিউড সুপারস্টার হয়েও ক্যারিয়ার ধ্বংস হয়ে যায়। পরিচালক ও অভিনেতা রবিউল ইসলাম রাজ বলেছেন, আজ অভিনেতা ওমর সানীর তিনটি ভুলের কারণে ক্যারিয়ার ধ্বংস হয়েছে।

    ওমর সানীর সঙ্গে শওকত জামিল পরিচালিত ‘চালবাজ’ সিনেমায় সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করেছিলেন রবিউল ইসলাম রাজ। মনোয়ার খোকন পরিচালিত ‘গরিবের রানী’ সিনেমাতেও কাজ করেন তিনি।

    এ ছাড়া ওমর সানী অভিনীত পিএ কাজল পরিচালিত ‘বাঁচাও দেশ’ সিনেমায় খলচরিত্রে অভিনয় করেছিলেন। সেই জনপ্রিয় অভিনেতাকে নিয়ে এবার তিন ভুলে ক্যারিয়ার ধ্বংসের কথা জানালেন পরিচালক।

    যে তিনটি কারণ হলো— আমজাদ হোসেনের সঙ্গে বেয়াদবি, আহমেদ আলী মণ্ডলকে চড় মারা এবং মৌসুমীকে বিয়ে করা।

    রবিউল ইসলাম রাজ বলেন, ‘অভিনেতা, লেখক ও চলচ্চিত্র পরিচালক আমজাদ হোসেন ব্যতিক্রমধর্মী একজন নির্মাতা ছিলেন। ১৯৯৩ সালের শেষের দিকে একজন সন্ত্রাসী সিনেমার মহরত অনুষ্ঠানের দিনে আমজাদ হোসেনের সঙ্গে একটি ছোট্ট বেয়াদবি করেন ওমর সানী। সে কারণে দুদিন শুটিং করার পরে তাকে বাদ দেওয়া হয়।’

    দ্বিতীয় ঘটনা প্রসঙ্গে পরিচালক বলেন, নায়িকা মৌসুমী প্রযোজিত এবং মনোয়ার খোকন পরিচালিত গরিবের রানী সিনেমায় আহমেদ আলী মণ্ডল ছিলেন প্রধান সহকারী পরিচালক। আর সেই সিনেমায় নায়ক ছিলেন ওমর সানী। শুটিং চলছিল নারায়ণগঞ্জের পাগলা পপুলার স্টুডিওতে। সেখানেই নায়ক ওমর সানী আহমেদ আলী মণ্ডলকে চড় মারেন। তিনি বলেন, যে কারণে সহকারী পরিচালক সমিতি (সিডাব) সিদ্ধান্ত নিয়েছিল—নায়ক ওমর সানী যেসব সিনেমায় কাজ করবে, সেই সিনেমায় কোনো সহকারী পরিচালক কাজ করবে না সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

    এ নির্মাতা বলেন, তখন পরিচালক সমিতির নেতৃত্বে ওমর সানীকে উঁচু একটি ঘোড়ার ওপর উঠিয়ে এফডিসির মধ্যে সবার সামনে হাতজোড় করে মাফ চাওয়ান এবং সমাধান করে দেন।

    রবিউল ইসলাম রাজ বলেন, আর তৃতীয় কারণ হচ্ছে—১৯৯৬ সালের ২ আগস্ট নায়ক ওমর সানী নায়িকা মৌসুমীকে বিয়ে করেন। এতে বহু সিনেমা ব্যবসায়িক দিক দিয়ে ক্ষতিগ্রস্ত হয়।  যে কারণে প্রযোজক ও পরিচালকদের মন খারাপ হয়ে যায় নায়ক ওমর সানীর ওপর।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য ওমর সানীর

    সাম্প্রতিক সময়ে বিভিন্ন অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান ঘিরে সমালোচনা বড় আকার ধারণ করেছে। এসব অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়া কথিত মডেল-অভিনেত্রীদের পোশাককে কেন্দ্র করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমসহ সাংস্কৃতিক মহলে চলছে সমালোচনা।

    এ বিষয়ে প্রথমেই প্রতিবাদ করেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির কার্যনির্বাহী সদস্য ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী রুমানা ইসলাম মুক্তি। মুক্তির পোস্ট সামাজিকমাধ্যমে ব্যাপক সাড়া ফেলে।

    অসংখ্য শিল্পী, সাংবাদিক ও দর্শক তার বক্তব্যের সঙ্গে একমত পোষণ করেন। 

    এখানেই শেষ নয়, ‘চাঁদের আলো’ সিনেমার নায়িকা রুমানা ইসলাম মুক্তির পর এবার সিনেমাটির নায়ক ওমর সানী একই প্রসঙ্গে ফেসবুকে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। এসব আয়োজনে দেখা যায় দেশের শোবিজ তারকাদের। অতিথি বা পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি হিসেবে অংশগ্রহণ করতে আগ্রহী অভিনয়শিল্পীরা ৩০ হাজার, ৫০ হাজার, এমনকি এক লাখ টাকা পর্যন্ত প্রদান করেন বলে অভিযোগ জনপ্রিয় নায়ক ওমর সানীর।

    বুধবার (১৭ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ১১টার দিকে নিজের ফেসবুকে এক পোস্টে অ্যাওয়ার্ড বাণিজ্য নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন ওমর সানী। ফেসবুক পোস্টে তিনি লেখেন- ‘আপনারা কারা এ ধরনের পুরস্কার অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে যান? পুরস্কার নেওয়ার জন্য ৩০ হাজার, ৫০ হাজার, কখনো ১ লাখ টাকা দেন! তাদের লোভের কারণেই এমন অনুষ্ঠান হয়। দেশের জনসংখ্যা বেশি চিটার-বাটপাড়ও বেশি।’

    এর আগে অনেকবার অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান নিয়ে বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন ওমর সানী।

    অভিনেতা লিখেছিলেন- কিসের ভিত্তিতে পুরস্কার দিচ্ছেন? আর আপনি কিসের ভিত্তিতে পুরস্কার নিচ্ছেন—নিজেকে প্রশ্ন করেছেন?

    ক্ষুব্ধ হয়ে ওমর সানী লেখেন- একটা ফাইজলামি শুরু হয়েছে। শুধু শোডাউন।

    দুই বছর আগে পুরস্কার প্রদান অনুষ্ঠান নিয়ে ওমর সানী সামাজিকমাধ্যমে লিখেছিলেন- অ্যাওয়ার্ড-বাণিজ্য চলছে প্রায় ৮০ শতাংশ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে। অফার ছিল আমাদের দুজনের, কিন্তু যাইনি। যখন ফিল করব যাওয়া উচিত, তখন দেখা যাবে। আমাদের যাওয়া নিয়ে কিছু যায়-আসে না, কিন্তু তার পরও বলব, অ্যাওয়ার্ড-বাণিজ্য চলছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৩ মাস পর পপির সেই মন্তব্যের জবাব দিলেন ওমর সানী

    দীর্ঘ কয়েক বছর ধরেই সিনেমায় নেই চিত্রনায়িকা সাদিকা পারভীন পপি। সিনেমাসংশ্লিষ্ট কারও সঙ্গেই রাখেননি যোগাযোগ। নিজেকে আড়ালেই রেখেছিলেন এ অভিনেত্রী। এই আড়ালে থাকার কারণে মিডিয়ায় একসময় চাউর হয়েছিল বিয়ে করে সংসারি হয়েছেন অভিনেত্রী। 

    অবশ্য সে গুঞ্জনই পরবর্তীতে সত্যি হয়। গত ফেব্রুয়ারি মাসে আড়াল ভেঙে প্রকাশ্যে আসেন তিনি। সেসময় পপি জানান, অনেকদিন আগেই বিয়ে করেছেন এবং একটি পুত্রসস্তানেরও মা হয়েছেন। আসলে পপির এ আড়াল ভাঙার কারণ ছিল জমিজমা নিয়ে পরিবারের সঙ্গে তার দ্বন্দ্বের জের। এ সময় সিনেমায় আর অভিনয় করবেন না বলেও জানান এ অভিনেত্রী। ‘সিনেমার জন্যই তার অনেক বদনাম হয়েছে’-এমন একটি মন্তব্যও তখন করেছিলেন পপি। তাই সিনেমায় আর অভিনয় করতে চান না। স্বামী-সন্তান নিয়েই থাকতে চান। সম্প্রতি তার এ মন্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করেন নব্বই দশকের চিত্রনায়ক ওমর সানী। 

    পপির এ মন্তব্য প্রসঙ্গে সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, পপির এ ধরনের কথা বলা উচিত নয়। অভিনেত্রীর সমালোচনা করে সানী বলেন, ‘পপির এ মন্তব্যের জন্য আমি তাকে স্টুপিড (বোকা) বলব। আমি ওর দুলাভাই, আমার ওকে শাসন করার অধিকার আছে। সে এভাবে যদি বলে থাকে তাহলে আমি বলব, সে অবশ্যই নিজেকে ছোট করেছে।’ 

    তিনি আরও বলেন, ‘পপি কি হাজার হাজার কোটি টাকার মালিকের মেয়ে নাকি যে, সিনেমা নিয়ে এসব কথা বলবে। পপি নায়িকা না হলে কে চিনত? তার স্বামী বিয়েও করত না। ও মন্তব্যটি করে সিনেমাকে ছোট করেছে। আমি বলব তাকে এসব আবেগি, ফাজলামো কথা না বলতে।’

    এদিকে গত ফেব্রুয়ারিতে প্রকাশ্যে এসে কয়েকদফা সাংবাদিকদের মুখোমুখিও হয়েছিলেন পপি। এরপর ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে এক মাসের মতো কয়েকবার প্রকাশ্যে আসেন। কিন্তু এরপরই হুট করে আবারও অন্তরালে চলে যান। মার্চ মাস থেকেই ফের যোগাযোগ বন্ধ করে দেন এ অভিনেত্রী। পপির আড়াল থাকার কারণে আটকে আছে কয়েকটি সিনেমা। এর মধ্যে রয়েছে রাজু আলীম ও মাসুমা তানি পরিচালিত ‘ভালোবাসার প্রজাপতি’ ও আরিফুর জামান আরিফের ‘কাঠগড়ায় শরৎচন্দ্র’ সিনেমা দুটি।

    প্রসঙ্গত, সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘আমার ঘর আমার বেহেশত’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে বড়পর্দায় পা রাখলেও পপির প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘কুলি’। এখন পর্যন্ত প্রায় দেড় শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। অভিনয়ের স্বীকৃতিস্বরূপ ‘মেঘের কোলে রোদ’, ‘কি জাদু করিলা’, ‘গঙ্গাযাত্রা’ সিনেমার জন্য শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসাবে তিনবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে ভূষিত হয়েছেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পপি নায়িকা না হলে তার স্বামীও তাকে বিয়ে করত না: ওমর সানী

    একসময়ের ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিকা পারভিন পপি দীর্ঘদিন সিনেমা থেকে বিরত রয়েছেন। একাধিক জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত এ অভিনেত্রী কয়েক বছর ধরে হঠাৎ করেই নিজেকে আড়াল করে রাখেন। সম্প্রতি পৈতৃক সম্পত্তি নিয়ে ঝামেলা হওয়ায় প্রকাশ্যে আসেন তিনি।

    এদিকে সামাজিক মাধ্যমে পপির একটি মন্তব্য বেশ ঘুরপাক খাচ্ছে। যেখানে তিনি মন্তব্য করে বলেছেন—চলচ্চিত্র করার কারণে তার অনেক বদনাম হয়েছে। তাই এখন চলচ্চিত্রকে বিদায় জানিয়ে স্বামী, সন্তান ও সংসার নিয়েই থাকতে চান পপি।

    পপি কি হাজার হাজার কোটি টাকার মালিকের মেয়ে নাকি যে, সিনেমা নিয়ে এসব কথা বলবে। পপি নায়িকা না হলে তাকে কে চিনত? তার স্বামীও তাকে বিয়ে করত না। তিনি বলেন, ওই মন্তব্য করে সিনেমাকে ছোট করেছে। আমি বলব, তাকে এসব আবেগী ও ফাজলামো কথা না বলতে। ওর জন্য সবসময় ভালোবাসা থাকবে। 

    অভিনেতা ওমর সানী

     

    অভিনেত্রীর এমন মন্তব্যে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সময়ের আলোচিত অভিনেতা ওমর সানী। সম্প্রতি একটি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বলেন, পপি যদি এ মন্তব্য করে থাকে, তাহলে আমি তাকে স্টুপিড বলব। 

    ওমর সানী বলেন, আমি ওর দুলাভাই, আমার ওকে শাসন করার অধিকার আছে। সে এভাবে যদি বলে থাকে, তাহলে আমি বলব— সে অবশ্যই নিজেকে ছোট করেছে।

    ‘কুলি’খ্যাত এ অভিনেতা বলেন, পপি কি হাজার হাজার কোটি টাকার মালিকের মেয়ে নাকি যে, সিনেমা নিয়ে এসব কথা বলবে। পপি নায়িকা না হলে তাকে কে চিনত? তার স্বামীও তাকে বিয়ে করত না। তিনি বলেন, ওই মন্তব্য করে সিনেমাকে ছোট করেছে। আমি বলব, তাকে এসব আবেগী ও ফাজলামো কথা না বলতে। ওর জন্য সবসময় ভালোবাসা থাকবে। 

    ওমর সানী আরও বলেন, আর হ্যাঁ, সুসময় না হোক খারাপ সময় আমাকে ডাকলে অবশ্যই তার পাশে আমাকে পাবে সে। 

    উল্লেখ্য, ১৯৯৭ সালে সোহানুর রহমান সোহান পরিচালিত ‘আমার ঘর আমার বেহেশত’ সিনেমায় অভিনয়ের মধ্য দিয়ে ঢালিউডে পা রাখেন পপি। কিন্তু তার প্রথম মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ছিল ‘কুলি’। তার বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন ওমর সানী। এরপর আর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি পপিকে। এ সিনেমাটি সেই সময়ে ৭ কোটি টাকা ব্যবসা করে মাইলফলক অর্জন করে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিল্পী সমিতি নিয়ে অমিত হাসানের বিস্ফোরক পোস্ট, সমর্থন ওমর সানীর

    ঢাকাইয়া চলচিত্রের নিয়মিত মুখ ছিলেন অমিত হাসান। তবে দীর্ঘদিন ধরে বড়
    পর্দায় দেখা যাচ্ছে না তাকে। এ অভিনেতা করেছেন শিল্পী সমিতির নির্বাচনও। তবে শিল্পী
    সমিতি নিয়েই বিস্ফোরক পোস্ট দিয়েছেন তিনি।

    সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েডে ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে এক পোস্টে অমিত
    হাসান লেখেন, ‘শিল্পী সমিতি আছে কিন্তু শিল্পী নাই।’ অমিত হাসানের এই পোস্টে সমর্থন
    দিয়েছেন অভিনেতা ওমর সানী। পোস্টের কমেন্টে সহমত জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘একদম সত্যি, ভালো
    বলছিস।’

    ওই কমেন্টের পর গণমাধ্যমে কথা বলেন ওমর সানি। এ সময় শিল্পী সমিতি নিয়ে
    নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি।

    এ অভিনেতা বলেন, ‘এমন দুরবস্থা কোনো দিন কল্পনাও করিনি। জায়েদ খান সমিতিতে
    এসে যা ইচ্ছা তাই করেছে। নিপুণ জোর করে দায়িত্ব পালন করেছে। শিল্পী সমিতি ঘিরে কোটি
    টাকার খেলা হয়েছে। সঙ্গে ছিল নানা রকম নোংরামি। এসব দেখে আমাদের মতো শিল্পীদের লজ্জায়
    মুখ লুকাতে হয়েছে। বলতে পারেন, শিল্পী হিসেবে আমাদের একরকম মেরে ফেলা হয়েছে।’

    এক সময় ওমর সানী নিজেও ছিলেন শিল্পী সমিতির দায়িত্বে। এখন আর কোনো সম্পর্ক
    রাখতে চান না তিনি। এ অভিনেতা বলেন, ‘আমি চাই, সমিতি থেকে আমার সদস্যপদ বাতিল করে দেওয়া
    হোক। নির্বাচনের সময় আমাকে ও মৌসুমীকে ঘিরে নানা প্রশ্ন ওঠে, যা খুবই বিব্রতকর।’

    ওমর সানী বলেন, ‘কিংবদন্তি রাজ্জাক আঙ্কেল, কবরী আপা, হুমায়ুন ফরিদী,
    ফারুক ভাইয়ের মতো মানুষেরা এখন আর নেই। আলমগীর, রুবেল, রোজিনা, আমিন খান, বাপ্পারাজ-কেউ
    সিনেমায় নেই। জুনিয়ররাও কাজ পাচ্ছেন না। সিনিয়র শিল্পীরা অবহেলিত।’

    শেষে যোগ করেন, ‘আমরা মরে গেলে সব শেষ। তখন শিল্পী সমিতি শুরু হবে ডি
    গ্রেড শিল্পী দিয়ে, আগে যেটা ছিল এ প্লাস ক্যাটাগরির।’

    বিনোদন ডেস্ক