Tag: ওমর সানী

  • শাকিব বুবলী নিশো মিম মাহফুজ ও সিয়ামের ছবি নিয়ে যা বললেন ওমর সানী 

    আসন্ন ঈদে একসঙ্গে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বেশ কয়েকটি ছবি। ছবিগুলোকে সামনে রেখে সবাইকে অভিনন্দনবার্তা জানিয়েছেন একসময়ের জনপ্রিয় নায়ক ওমর সানী। নিজের ফেসবুক আইডিতে ভিডিওবার্তাটি প্রকাশ করেছেন তিনি। 

    ক্যাপশনে ওমর সানী লিখেছেন, কুরবানীর ঈদের ছবি নিয়ে আমার মতবাদ, সবাইকে আগাম অভিনন্দন আরো এগিয়ে যাক আমাদের চলচ্চিত্র সব ছবি সুপারহিট হোক। 

    চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন সূত্র থেকে জানা গেছে, এখন পর্যন্ত আটটি ছবি মুক্তির মিছিলে আছে। ছবিগুলো হলো হিমেল আশরাফের ‘প্রিয়তমা’, রায়হান রাফীর ‘সুড়ঙ্গ’, দীপংকর দীপনের ‘অন্তর্জাল’, চয়নিকা চৌধুরীর ‘প্রহেলিকা’ ও ‘কাগজের বউ’, বন্ধন বিশ্বাসের ‘লাল শাড়ি’, সৈকত নাসিরের ‘ক্যাসিনো’, মনতাজুর রাহমান আকবরের ‘জিম্মি’। 

    ভিডিওবার্তায় ওমর সানী বলেন, ‘এবারের ঈদে মুক্তি পেতে যাওয়া প্রতিটি ছবি নিয়ে আমি ভীষণ উত্তেজিত। আমার ব্যক্তিগত চাওয়া, প্রতিটি ছবি ভালো ব্যবসা করবে। সব সময় তো দেখি, একজনের রাজত্ব, এই বিষয়টা আর চাই না। রাজত্ব সবাই মিলে করবে। এতে একটা প্রতিযোগিতা হবে। ঈদও জমজমাট হবে।’

    ওমর সানী দীর্ঘদিন অভিনয়ে নেই। তিনি এখন রেস্টুরেন্ট ব্যবসায় বেশি মনোযোগী। দিনের বেশির ভাগ সময় রেস্তোরাঁয় কাটে তার। তবে চলচ্চিত্রের মানুষ, তাই চলচ্চিত্রের যাবতীয় খোঁজখবরও রাখেন তিনি। তাই তো ঈদে মুক্তি পেতে যাওয়া এতগুলোর ছবির খবরে নিজের সন্তুষ্টির কথাও জানালেন তিনি। 

    বিশেষ করে ‘সুড়ঙ্গ’, ‘অন্তর্জাল’, ‘প্রহেলিকা’ এবং ‘প্রিয়তমা’ ছবির ব্যাপারে তার আগ্রহ বেশি। একে একে এই চারটি ছবি নিয়ে নিজের মতামতও দিলেন তিনি। জানালেন, শাকিব খান, মাহফুজ আহমেদ, আফরান নিশো, মিম, শবনম বুবলী, সিয়ামদের নিয়ে তার পর্যবেক্ষণ।

    দুই দশকের বেশি সময় ধরে টেলিভিশন নাটকে অভিনয় করছেন আফরান নিশো। অভিনয় করেছেন ওয়েব সিরিজ আর ওয়েব ফিল্মেও। এবারই প্রথম বড় পর্দায় অভিষেক ঘটছে তার। নিশোর অভিষেক ছবি ‘সুড়ঙ্গ’ নিয়ে ওমর সানীর আশাবাদ অনেক বেশি বলে জানালেন। 

    বললেন, ‘আমি ভীষণভাবে আশাবাদী “সুড়ঙ্গে”র ব্যাপারে; কারণ, আফরান নিশো একজন অসাধারণ অভিনেতা। আমি দীর্ঘদিন যাবৎ তাকে দেখছি। যখন নাটক প্রযোজনা করতাম, তখন আমার প্রযোজিত একটি নাটকের অভিনেতা ছিল। এখন তো সে অসাধারণ কাজ করছে। “সুড়ঙ্গ” ছবির পরিচালকও আমার খুব প্রিয়। এরই মধ্যে  টিজার ও ট্রেলার দেখলাম, অসাধারণ। চিন্তাই করা যায় না। এই প্রথম একটি ছবির পরিচালক, কিছুই বুঝতে দেয়নি। কিছু কিছু ছবির ক্ষেত্রে টিজার-ট্রেলার দেখলেই তো বলে দেওয়া যায় ছবিটি কেমন—এটার ক্ষেত্রে তা হয়নি।’

    ‘বিশ্বসুন্দরী’ চলচ্চিত্রের পর বড় পর্দায় আবার আসছেন চয়নিকা চৌধুরী। তার এবারের ছবির নাম ‘প্রহেলিকা’। এই ছবির মাধ্যমে দীর্ঘদিন পর মাহফুজ আহমেদকে বড় পর্দায় দেখা যাবে। তার বিপরীতে আছেন শবনম বুবলী। 

    এই বিষয়টি মনে করে ওমর সানী বলেন, ‘মাহফুজ আমাদের সমসাময়িক অভিনেতা। আমার ছোট ভাইতুল্য। অসাধারণ ব্যক্তিত্ব। একজন জাত শিল্পী বলতে যা বোঝায়, সেটাই মাহফুজ। ছবিটার গানের অংশ দেখেছি, বুবলীর সঙ্গে। ও, বুবলীর ব্যাপারে বলতে হয়। যদিও তাঁর পূর্ণাঙ্গ কোনো ছবি এখনো দেখিনি। এটা যদিও আমার ব্যর্থতা। তারপরও আমার মনে হয় অসাধারণ শিল্পী হতে যাচ্ছে সে। আমার অভিনয়শিল্পী বন্ধুরাও তাঁর ব্যাপারে পজিটিভ বলে। আমিও পজিটিভ দেখতে চাই তোমাকে।’

    ঈদে ‘অন্তর্জাল’ ছবিটি মুক্তি দেওয়ার কথা রয়েছে পরিচালক দীপংকর দীপনের। এটি সাইবার থ্রিলার সিনেমা। বাংলাদেশের বিরুদ্ধে বিদেশি অপশক্তির ষড়যন্ত্র, সাইবার হামলা আর সেটিকে মোকাবিলার গল্প উঠে আসবে এতে। অভিনয় করেছেন সিয়াম আহমেদ, মিম, সুনেরাহ প্রমুখ। 

    এই ছবি প্রসঙ্গে ওমর সানী বললেন, ‘অন্তর্জাল’–এ সিয়াম ও মিমকে দেখলাম। এই পরিচালকের একটা ছবিও সাইন করছিলাম। সাইনিং মানিও নিয়েছিলাম। অসাধারণ এই পরিচালকের ছবির কাজটা করতে পারিনি। হয়তো সামনে হবে। এই ছবির টিজার দেখলাম, অসাধারণ মনে হয়েছে।’

    এবারের ঈদে মুক্তি পাবে শাকিব খানের ‘প্রিয়তমা’। এই ছবিতে শাকিবের বিপরীতে অভিনয় করেছেন কলকাতার ইধিকা পাল। হিমেল আশরাফ পরিচালিত এটি দ্বিতীয় চলচ্চিত্র। এর আগে তিনি ‘সুলতানা বিবিয়ানা’ নামের একটি ছবি নির্মাণ করেছেন। কথায় কথায় এই ছবির প্রসঙ্গেও কথা বললেন ওমর সানী। 

    তিনি এভাবেই বললেন, ‘তারপর আসি শাকিবের ছবিতে। শাকিবের বিষয়ে কথা নাই–বা বললাম। সে তো অসাধারণ বাংলা চলচ্চিত্রের শিল্পী। ছবিতে শাকিবের লুকটা দুর্দান্ত মনে হয়েছে। পরিচালক মন দিয়ে কাজ করছে, সেটা বোঝাই যায়। “প্রিয়তমা” ছবিটা ভালো হবে। আমার মনে হয়, দুর্দান্ত একটা ফর্মে থাকবে। নায়িকার ব্যাপারে কিছু বলতে চাই না। আমি আশাবাদী এই ছবিটা নিয়ে।’

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • ফের এক হলেন রাজ-পরীমনি, যা বললেন ওমর সানী

    তিন অভিনেত্রীর ছবি ও ভিডিও ফাঁসের ঘটনায় বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন বলে জানান চিত্রনায়িকা পরীমিনি ও অভিনেতা শরিফুল রাজ। তবে একমাত্র ছেলে রাজ্যের দশ মাস পূর্ণ হওয়া উপলক্ষ্যে আয়োজিত অনুষ্ঠানের মাধ্যমে যেন ‘বিচ্ছেদ’র অবসান হলো এই জুটির। তাদের ফের এক হওয়াতে এবার মুখ খুললেন ঢাকাই চলচ্চিত্রের একসময়ের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওমর সানী।

    শনিবার ছিল তারকাজুটির ছেলে রাজ্যের ১০ মাস পূর্ণ হওয়ার দিন। কেক কেটে দিনটি উদযাপন করেন তারা। এ সময় পাশে অভিনেত্রীর নানাও ছিলেন। স্বামী রাজের সঙ্গে ছেলের বিশেষ দিনটি উদযাপনের ভিডিও-ও সোশ্যালে প্রকাশ করেছেন নায়িকা পরী।

    তারকা দম্পতিকে ‘বিচ্ছেদ’ প্রসঙ্গ কাটিয়ে ফের একসঙ্গে দেখে আবেগী হয়ে পড়েছেন ভক্ত-শুভাকাঙ্ক্ষী। একই সঙ্গে আবেগী হয়ে পড়েছেন চিত্রনায়ক ওমর সানী। তাইতো অসুস্থ শরীরেও বিষয়টি নিয়ে সামাজিকমাধ্যমে একটি পোস্ট দিয়েছেন তিনি।

    রোববার ওমর সানী ফেসবুকে লিখেছেন, ‘এই অসুস্থ অবস্থায় তোমাদের এক হওয়া দেখে…। (পরীমনি, রাজ) দোয়া করি সারা জীবন একসঙ্গে থাকো।’

    এর আগে অন্য এক পোস্টে তিনি লেখেন, ‘অসুস্থতায় দোয়া চাওয়া উচিত। তাই সবাই দোয়া করবেন।’ তবে এ অভিনেতা কোন রোগে আক্রান্ত তা জানাননি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঢাকা-১৭ আসনে নির্বাচনে অংশ নেওয়া প্রসঙ্গে জানালেন ফেরদৌস

    সদ্যপ্রয়াত কিংবদন্তি অভিনেতা আকবর হোসেন খান পাঠান ফারুক ঢাকা-১৭ আসনের সংসদ সদস্য ছিলেন। তার প্রয়াণে আসনটি শূন্য হয়ে যায়। এ শূন্য আসনে অভিনেতা ফেরদৌসের নির্বাচন করার সম্ভাবনার কথা শোনা যাচ্ছিল। মূলত চিত্রনায়ক ওমর সানী একাধিকবার ফেরদৌসের নাম প্রস্তাব করে নিজের অভিমত প্রকাশ করেন।

    ঢাকা-১৭ আসনে নির্বাচন করার সম্ভাবনা নিয়ে বৃহস্পতিবার ফেরদৌস বলেন, ওমর সানী ভাই আমার নাম বলেছেন, কোথাও প্রস্তাব করেননি। তিনি নিজের অভিমত প্রকাশ করেছেন। এ অধিকার তো তার আছে। তিনি বলতেই পারেন। এ বিষয়ে তো আমার বলার কিছু থাকতে পারে না।

    ফারুকের শূন্য আসনে প্রার্থী হওয়ার ইচ্ছে আছে কিনা- জবাবে ফেরদৌস বলেন, বিষয়টি নিয়ে কিছু বলার নেই।

    তবে এটা অনুমান করা যায়, একান্তই যদি দলীয় সিদ্ধান্ত আসে সেক্ষেত্রে হয়তো তিনি অমত করবেন না।

    এদিকে গণমাধ্যমে খবর এসেছে, প্রায় ১৫ বছর পর নিজ গ্রামে বুধবার গিয়েছেন চিত্রনায়ক ফেরদৌস। এদিন দুপুর ১২টার দিকে কুমিল্লার কাপাশকান্দি এলাকায় পৌঁছান এই নায়ক। এ সময় তাকে একনজর দেখার জন্য ভিড় করেন স্থানীয়রা।

    ফেরদৌস বলেন, এটা ঠিক নয়। আমি সর্বশেষ ২০১৬ সালে গিয়েছিলাম। ওখানে আমার আত্মীয়স্বজন কেউ থাকে না, যার ফলে যাওয়া হয় না; কিন্তু একটা স্কুলের সভাপতি আমি। নিয়োগের সময় যাওয়াটা একান্তই দরকার।

    জানা গেছে, ফেরদৌস তার বাবার প্রতিষ্ঠিত কাপাশকান্দি মডেল একাডেমির ম্যানেজিং কমিটির সভাপতির পদে রয়েছেন। প্রতিষ্ঠানটিতে প্রধান শিক্ষকসহ তিনজনকে নিয়োগ প্রক্রিয়ার ব্যাপারেই তার সেখানে যাওয়া।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ওমর সানীকে নিয়ে ফেসবুকে যা লিখলেন অভিনেত্রী নূতন

    সম্প্রতি ‘প্রিয়তমা’ শব্দটির ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে অভিনেত্রী অঞ্জনার সঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কথা চালাচালি হয় অভিনেত্রী নূতনের। এরই প্রতিক্রিয়ায় ওমর সানীকে বুদ্ধিজীবী খেতাব দেওয়ার দাবি জানিয়ে বৃহস্পতিবার দুপুরে ফেসবুকে একটি দীর্ঘ পোস্ট দেন চিত্রনায়িকা নূতন। 

    ওমর সানী নায়ক নাকি মৌসুমীর জামাই, এমন প্রশ্নের উদ্রেকও ঘটেছে নূতনের ফেসবুক পোস্টে। দীর্ঘ পোস্টের একাংশে মৌসুমীকে বিয়ের খেসারত দিতে হচ্ছে ওমর সানীকে- এমনটাই উল্লেখ করেন তিনি।

    নূতন লেখেন- সানীর জীবনে সবচেয়ে বড় পরিবর্তন ও প্রভাব আসে যখন সে মৌসুমীকে বিয়ে করে। মৌসুমীকে বিয়ের পরদিন উজ্জ্বল চলচ্চিত্রের ক্যারিয়ার আর সানীর খানিকটা পড়ে যাওয়া ক্যারিয়ার সামাল দিতে না পেরে মানসিকভাবে দ্বিধায় পড়ে যায়। যার খেসারত সে মানসিকভাবেই প্রতিনিয়ত দিচ্ছে। তাকে অনেক চড়াই-উতরাই পার হতে হয়েছে।

    এই অভিনেত্রী ওমর সানীর পরিচয় খুঁজতে গিয়ে বলেন, যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সে মানসিকতার খেসারত বা ভালোবাসা দেখানোর জন্য নিজের কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা স্বঘোষিত মেধাবী দাবি করে বারবার খেই হারিয়ে ফেলছে। মাঝে মাঝে আমার মনে হয়, ওমর সানী কি ফিল্ম হিরো না মৌসুমীর জামাই? সে কি অভিনেতা না বুদ্ধিজীবী? সে কি আইনজীবী না বিচারক? নিজের কাছে সে কী বা নিজেকে সে কী ভাবে তা হয়তো সময়ই বলে দেবে বা প্রকাশ পাবে।

    প্রিয়তমা প্রসঙ্গ অবতারণা করে বলেন, কিভাবে এই নামকরণ আসছে তার বিস্তারিত আমার জানা নেই। তবে সানীর থেকে এই চিন্তা এলে তাকে বুদ্ধিজীবী খেতাব দেওয়ার দাবি জানানো যেতে পারে। কারণ আমি সানীর লেখা দেখেই এ নামকরণের সঙ্গে পরিচিত হলাম। প্রিয়তমা কী? এর সংজ্ঞা কী? আদৌ এ নামের কোনো ব্যাখ্যা আছে কিনা? তা আমার জানা নেই। তবে ‘সানীর’ নামকরণের ফর্দ দেখে মনে হলো- ওই একই (যাহা ফাইভ তাহাই পাঁচ)।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘প্রিয়তমা’ নিয়ে এবার মুখ খুললেন ওমর সানী

    নব্বই দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক ওমর সানী সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সক্রিয়। সেখানে প্রায়ই ব্যক্তিজীবন, ক্যারিয়ার এবং চলচ্চিত্র সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইস্যুতে কথা বলতে দেখা যায় তাকে। এ কারণে মাঝে মাঝে শিরোনামেও জায়গা করে নেন তিনি।

    এবার এ নায়ক ‘প্রিয়তমা’ বলতে কী বোঝেন, সেই বিষয়ে খোলামেলা কথা বললেন। মঙ্গলবার দিবাগত রাত প্রায় ২টার ফেসবুক ভেরিফায়েড প্রোফাইলে এক স্ট্যাটাসে কথা বলেন তিনি।

    ওমর সানী লেখেন, ‘প্রিয়তমা বলতে আমি এইভাবে বুঝি যেমন বাংলায় সুচিত্রা সেন, কবরী, শাবানা, ববিতা, মৌসুমী, শাবনুর, পূর্ণিমা—আমি এভাবেই ভাবছি। আর এখন কি দেখছি, এই হচ্ছে প্রিয়তমা? এত মধুর নামের সঙ্গে মধুর ভাবনা দরকার।’

    এদিকে ওমর সানীর ‘প্রিয়তমা’ প্রসঙ্গে অনেকে ঢালিউড সুপারস্টার শাকিব খানের নতুন সিনেমা ‘প্রিয়তমা’র মিল খুঁজছেন। শাকিবের এ সিনেমায় নায়িকার চরিত্রে থাকবেন কলকাতার অভিনেত্রী ইধিকা পাল। যিনি টেলিভিশন ধারাবাহিকের পরিচিত মুখ।

    ‘প্রিয়তমা’ সিনেমায় নায়িকা হিসেবে ইধিকা পালকে মেনে নিতে পারছেন না অনেক বাংলা সিনেমাপ্রেমীরা। তাদের মতে, প্রিয়তমা হওয়ার জন্য ইধিকার সৌন্দর্য যথেষ্ট নয়। এ কারণে অনেকের ধারণা, ওমর সানীর স্ট্যাটাসটি শাকিবের ‘প্রিয়তমা’ সিনেমার নায়িকাকে নিয়ে দেওয়া।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ ভাইরাল হতে চায় না: ওমর সানী

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যথেষ্ট নিয়মিত ওমর সানী। বিভিন্ন বিষয়ে নিজের মতামত প্রকাশ করেন তিনি। এবারও তাই করলেন। তবে নিজের ফেসবুকে না। একটি অনলাইন গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে। কারা ভাইরাল হতে চায় এ প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে সানী জানান, সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ ভাইরাল হতে চায় না।

    তিনি বলেন, ‘কোনো সুস্থ মস্তিষ্কের মানুষ ভাইরাল হতে চায় না। শিক্ষিত মানুষ, পরিবেশের মানুষ, সভ্যসমাজের মানুষ, ভালো পরিবারের ছেলেমেয়ে ভাইরাল হতে চায় না। যারা একটু থার্ড ক্লাস, পরিবার নেই, পরিজন নেই, তারাই ভাইরাল হতে চায়।’

    তিনি আরও বলেন, ‘এখন কথায় কথায় ভাইরাল। ভাইরাল শব্দটা নির্দিষ্ট করে দেওয়া উচিত।’ 

    এ সময় সবার প্রতি ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় এ অভিনেতা অনুরোধ করেন, ‘আপনাদের কাছে আমার অনুরোধ— আপনারা আমাদের সঙ্গে একই ধরনের ভাইরাল হতে চান, এমন হতে চান, এগুলো বলবেন না। এগুলো বলবেন বস্তিতে গিয়ে!’

    একসময় পর্দা কাঁপিয়েছেন ওমর সানী। ছিলেন নব্বই দশকের সুপারস্টার। তবে আজকাল অভিনয়ের চেয়ে বেশি ব্যস্ত থাকেন নিজের ব্যবসা নিয়ে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মৌসুমী এখন কেন সব কিছু ডিলিট করবেন: ওমর সানী

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা মৌসুমীর শেষ ইচ্ছা গুলো নিয়ে অনেকে সমালোচনা করছে, আবার অনেকে সম্মান জানাচ্ছে।

    rnrn

    এবার এই ইস্যুতে কথা বলেছেন মৌসুমীর জীবনসঙ্গ ওমর সানী। তিনি গণমাধ্যমকে বলেছেন, মৌসুমী জীবনের শেষ কিছু ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছেন। এটিকে বিভিন্ন জন বিভিন্নভাবে নিচ্ছেন। অনেকেই বলছেন, এখনই মৌসুমী সব কিছু বন্ধ করেন না কেন? সব কিছু ডিলিট করেন না কেন? আমার প্রশ্ন— এখন কেন করবেন? তিনি তো বলেছেন মৃত্যুর পর। তবে মৌসুমী যা বলেছেন চমৎকার বলেছেন।

    rnrn

    ওমর সানীর ভাষ্য, মৌসুমী বলেছেন, ‘আমার যখন মৃত্যু হবে, তখন যেন আমার লাশটা কেউ না দেখে। ক্ষমা চেয়েছেন। হজে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছেন। এটাকে আমি স্বাগত জানাই। ’

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, আমিও ক্ষমা চাইতে পারি। কারণ আমি তো পৃথিবীতে সারাজীবন থাকব না। আমিও চাই, পৃথিবীতে থেকে সুন্দরভাবে বিদায় নিতে হবে। যেখানে রাসুল (স) বিদায় নিয়েছেন, সেখানে আমাদেরও বিদায় নিতে হবে। তবে মৌসুমী হৃদয়ে যে ধর্মীয় অনুভূতি তৈরি হয়েছে, এতে আমি সাকসেস বলে মনে করি।  

    rnrn

    মৌসুমীর হজে যাওয়ার প্রসঙ্গে টেনে ওমর সানী বলেন, ওমরাহ করেছি। আগামীতে পুরো পরিবার নিয়ে হজে যাওয়ার ইচ্ছা আছে।

    rnrn

    এর আগে মৌসুমীর লাশ না দেখার আকুতি নিয়ে কথা বলেছেন বিশিষ্ট আলেম শায়খ আহমাদুল্লাহ। এ ছাড়া মৌসুমীর হজ এবং শেষ ইচ্ছা নিয়ে কথা বলেছেন পরিচালক মালেক আফসারী। পরে ইসলামি গবেষক ড. মিজানুর রহমান আজহারীও কথা বলেছিলেন।

    rnrn

     

    বিনোদন ডেস্ক

  • মৌসুমীর শেষ ইচ্ছা নিয়ে হইচই, এবার মুখ খুললেন ওমর সানী

    ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়িকা মৌসুমী। সম্প্রতি তার জীবনের কিছু ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন তিনি। সেটা নিয়ে চলচ্চিত্র পরিচালক, ইসলামি বক্তাসহ বিভিন্ন শ্রেণির মানুষ কথা বলেছেন। মৌসুমীর কথাগুলো নিয়ে সমালোচনা হচ্ছে। অনেকে তার ইচ্ছার প্রতি সম্মানও জানিয়েছেন।

    rnrn

    এবার এই ইস্যুতে কথা বলেছেন মৌসুমীর জীবনসঙ্গ ওমর সানী। তিনি গণমাধ্যমকে বলেছেন, মৌসুমী জীবনের শেষ কিছু ইচ্ছার কথা প্রকাশ করেছেন। এটিকে বিভিন্ন জন বিভিন্নভাবে নিচ্ছেন। অনেকেই বলছেন, এখনই মৌসুমী সব কিছু বন্ধ করেন না কেন? সব কিছু ডিলিট করেন না কেন? আমার প্রশ্ন— এখন কেন করবেন? তিনি তো বলেছেন মৃত্যুর পর। তবে মৌসুমী যা বলেছেন চমৎকার বলেছেন।

    rnrn

    ওমর সানীর ভাষ্য, মৌসুমী বলেছেন, ‘আমার যখন মৃত্যু হবে, তখন যেন আমার লাশটা কেউ না দেখে। ক্ষমা চেয়েছেন। হজে যাওয়ার ইচ্ছা পোষণ করেছেন। এটাকে আমি স্বাগত জানাই। ’

    rnrn

    তিনি আরও বলেন, আমিও ক্ষমা চাইতে পারি। কারণ আমি তো পৃথিবীতে সারাজীবন থাকব না। আমিও চাই, পৃথিবীতে থেকে সুন্দরভাবে বিদায় নিতে হবে। যেখানে রাসুল (স) বিদায় নিয়েছেন, সেখানে আমাদেরও বিদায় নিতে হবে। তবে মৌসুমী হৃদয়ে যে ধর্মীয় অনুভূতি তৈরি হয়েছে, এতে আমি সাকসেস বলে মনে করি।  

    rnrn

    মৌসুমীর হজে যাওয়ার প্রসঙ্গে টেনে ওমর সানী বলেন, ওমরাহ করেছি। আগামীতে পুরো পরিবার নিয়ে হজে যাওয়ার ইচ্ছা আছে।

    rnrn

    এর আগে মৌসুমীর লাশ না দেখার আকুতি নিয়ে কথা বলেছেন বিশিষ্ট আলেম শায়খ আহমাদুল্লাহ। এ ছাড়া মৌসুমীর হজ এবং শেষ ইচ্ছা নিয়ে কথা বলেছেন পরিচালক মালেক আফসারী। পরে ইসলামি গবেষক ড. মিজানুর রহমান আজহারীও কথা বলেছিলেন।

    rnrn

     

    বিনোদন ডেস্ক

  • হিরো আলমের হয়ে মামুনুর রশীদকে যা বললেন ওমর সানী

    অভিনয়শিল্পী সংঘের একটি অনুষ্ঠানে নাট্যব্যক্তিত্ব মামুনুর রশীদ হিরো আলমকে নিয়ে সম্প্রতি একটি মন্তব্য করেন। এ মন্তব্য নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে তুমুল আলোচনা-সমালোচনা।

    মামুনুর রশীদ বলেন, আমরা একটা রুচির দুর্ভিক্ষের মধ্যে পড়ে গেছি। সেখান থেকে হিরো আলমের মতো একটা লোকের উত্থান হয়েছে। যে উত্থান কুরুচি, কুশিক্ষা ও অপসংস্কৃতির উত্থান। এই উত্থান কীভাবে রোধ করা যাবে, এটা যেমন রাজনৈতিক সমস্যা, তেমনি আমাদের সাংস্কৃতিক সমস্যাও।

    এবার এ মন্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানালেন চিত্রনায়ক ওমর সানী।

    আলোচিত কনটেন্ট ক্রিয়েটর হিরো আলমের পক্ষ নিয়ে মঙ্গলবার বিকাল সোয়া ৫টার দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি স্ট্যাটাস দিয়েছেন ওমর সানী।

    তিনি লেখেন— ‘শুধু আলমের নাম নিলেন বড় ভাই মামুনুর রশীদ, এ রকম তো সংগীতে আছে, অভিনয়ে আছে, কলাতে আছে, লেখনীতে আছে, রাজনীতির মঞ্চে আছে, ওনাদের নাম নিতে ভয় লাগে, শুধু পাইছেন মাটির গন্ধওয়ালা হিরো আলমকে। আর ওনারা আতর মাখে, তাই নাম নেন নাই বড় ভাই (স্যার)।’

    এদিকে মামুনুর রশীদের মন্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব হয়েছেন হিরো আলম। সোমবার রাতে ফেসবুক লাইভে তিনি মামুনুর রশীদের উদ্দেশে বলেন, মানুষের রুচি কেন নষ্ট হবে। কয়টা লোকের রুচি আছে, সংসদে যারা তাদের কয়জনের লেখাপড়া আছে। ১৮ কোটি লোক থাকতে আমাকে নিয়ে কেন রুচিতে বাধে আপনাদের। হিরো আলমকে মেরে ফেলে দেন। মেরে না ফেলে দিলে কেউ থামাতে পারবেন না।

    বিনোদন ডেস্ক