Tag: ঐশ্বরিয়া

  • আজ ৫২-তে পা সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাইয়ের

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন আজ ৫১ পেরিয়ে ৫২-তে পা দিলেন। কিন্তু অনন্য সৌন্দর্যের প্রতীক এ অভিনেত্রীকে দেখে তা বোঝার উপায় নেই যে, তার বয়স নির্দিষ্ট একটা জায়গায় দাঁড়িয়ে। সৌন্দর্য, মাধুর্য আর আত্মবিশ্বাস মিলিয়ে এখনো যেন নব্বই দশকের সেই হম্বিতম্বি তরুণী ঐশ্বরিয়া রাই। বয়স বাড়ছে, কিন্তু দীপ্তি কমছে না। ঐশ্বরিয়া প্রমাণ করেছেন, সত্যিকারের সৌন্দর্য কখনো ম্লান হয় না, তা থেকে যায় চোখে ও মননে আর অনুপ্রেরণায়।

    অভিনেত্রীর ৫১ পেরিয়ে গেলেও সময় যেন তাকে স্পর্শই করতে পারেনি। সৌন্দর্য ও আত্মবিশ্বাসে তিনি এখনো নতুন প্রজন্মের অনুপ্রেরণা—আইকোনিক। সৌন্দর্যের সংজ্ঞা সময়ের সঙ্গে বদলায়, কিন্তু কিছু নাম সময়কেও হার মানিয়ে দেয়। ঠিক তেমনই ‘ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন’। তার জন্মদিনে সামাজিক মাধ্যমে শুভেচ্ছার বন্যা বইছে, ভক্তরা বলছেন— ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন, সময় তোমার কাছে হার মানিয়েছে।

    ১৯৯৭ সালে তামিল নির্মাতা মনিরত্নমের ‘ইরুভার’ সিনেমায় অভিনয়ের মাধ্যমে বড়পর্দায় অভিষেক হয় এ সাবেক বিশ্বসুন্দরীর। একই বছর বলিউডে আত্মপ্রকাশ ‘ওর পেয়ার হো গয়া’ সিনেমায়। শুরুটা ছিল খানিক মৃদু, কিন্তু ১৯৯৯ সালে ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ তাকে পৌঁছে দেয় বলিউডের প্রথম সারিতে। এরপর একে একে ‘তাল’, ‘দেবদাস’, ‘জোধা আকবর’, ‘গুরু’, ‘ধূম ২’, ‘রেইনকোট’ সিনেমায় অভিনয়ের নৈপুণ্যে প্রমাণ করেন, তিনি কেবল রূপের নয়, প্রতিভারও প্রতীক। বিশেষ করে ‘দেবদাস’-এ পারো চরিত্রে তার অনবদ্য অভিনয় আজও দর্শকদের হৃদয়ে ঝড় ওঠে।

    দক্ষিণী-বলিউডের সীমা ছাড়িয়ে একসময় আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও প্রতিষ্ঠা পেয়েছেন ঐশ্বরিয়া রাই। ‘ব্রাইড অ্যান্ড প্রেজুডিস’, ‘দ্য পিঙ্ক প্যান্থার ২’র মতো হলিউড প্রজেক্টে কাজ করেছেন তিনি। কান চলচ্চিত্র উৎসবে তিনি দীর্ঘদিন ধরে ভারতের মুখ হয়ে উঠেছেন। তার রেড কার্পেট উপস্থিতি এখন এক ঐতিহ্যের প্রতীক। 

    এ ছাড়া ঐশ্বরিয়া লরিয়েল প্যারিসের গ্লোবাল অ্যাম্বাসেডর হিসেবেও পরিচিত। পাশাপাশি মানবিক কর্মকাণ্ডেও সক্রিয় তিনি। তার প্রতিষ্ঠিত ‘ঐশ্বরিয়া রাই ফাউন্ডেশন’ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ও অসহায় শিশুদের নিয়ে কাজ করে আসছে দীর্ঘদিন ধরে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উল্লেখ্য, কর্নাটকের মঙ্গলুরুতে জন্ম ঐশ্বরিয়া রাইয়ের। ছোটবেলায় স্বপ্ন ছিল স্থপতি হওয়ার, কিন্তু ভাগ্য লিখেছিল অন্য গল্প। নব্বই দশকের শুরুতে বিজ্ঞাপনচিত্র আর মডেলিং দিয়ে যাত্রা শুরু তার। ১৯৯৪ সালে মিস ওয়ার্ল্ড খেতাব জয় করে রাতারাতি আলোচনায় আসেন তিনি। সেই থেকে শুরু হয় তারকাখ্যাতির পথচলা। ২০০৭ সালে ঐশ্বরিয়া বিয়ে করেন বলিউড তারকা অভিষেক বচ্চনকে। কিংবদন্তি অমিতাভ বচ্চনের পুত্রবধূ হিসেবে তিনি যোগ দেন বলিউডের সবচেয়ে সম্মানজনক পরিবারগুলোর একটিতে। ২০১১ সালে জন্ম নেয় তাদের কন্যা আরাধ্যা বচ্চন। সংসার, মাতৃত্ব ও ক্যারিয়ার— সবকিছুই তিনি সামলাচ্ছেন সমান দক্ষতায়।

    মাতৃত্বের পর কিছু দিন বিরতি নিলেও ঐশ্বরিয়া ফিরে এসেছেন আরও উজ্জ্বল রূপে। ‘জজবা’, ‘সর্বজিত’, ‘অ্যায় দিল হ্যায় মুশকিল’, এবং সাম্প্রতিক ‘পোন্নিয়িন সেলভান’ সিরিজে তার পর্দা-উপস্থিতি দর্শকদের মুগ্ধ করেছে। মণিরত্নমের এই দক্ষিণী কাহিনিতে নন্দিনী চরিত্রে তার উজ্জ্বল উপস্থিতি প্রমাণ করেছে—অভিনয়ে তিনি আগের মতোই অনবদ্য।

    ঐশ্বরিয়া শুধু সুন্দর মুখ নয়, বরং এক অনুপ্রেরণার নাম। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, সৌন্দর্য মানে নিখুঁত হওয়া নয়, বরং নিজের অসম্পূর্ণতাকেও ভালোবাসা। এ দৃষ্টিভঙ্গিই তাকে আলাদা করেছে। তার চোখে মুগ্ধতা, কথায় সংযম, আর আচরণে অনুগ্রহ— সব মিলিয়ে তিনি সৌন্দর্যের এক জীবন্ত প্রতিমূর্তি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়ার জন্য ‘দেবদাস’ থেকে বাদ পড়েছিলেন সালমান খান

    বলিউডের অন্যতম আলোচিত ও চর্চিত জুটি ছিলেন সালমান খান ও ঐশ্বরিয়া রাই। এ দু’জনার প্রেমকাহিনী সিনেমার গল্পকেও হার মানিয়েছে অনেক ক্ষেত্রে। কথিত আছে, ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদের কারণেই সালমান এখনও ‘ব্যাচেলর’। আর বিয়ে করবেন নাও বলে জানিয়েছেন সাম্প্রতিক এক সাক্ষাৎকারে। 

    যদিও ঐশ্বরিয়া প্রায় দেড় দশকেরও বেশি সময় আগেই অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে সাত পাকে বাঁধা পড়েছেন। কিন্তু সালমান এখনও একা। এখনও এই জুটির প্রেম কাহিনি অনেকের চর্চায় রয়েছে। সম্প্রতি বলিউডের সংগীত পরিচালক ইসমাইল দরবার আবারও তাদের প্রেম কাহিনি সামনে এনেছেন। বলেছেন, সঞ্জয়লীলা বানশালির ‘দেবদাস’ সিনেমায় শাহরুখ নয়, সালমানই ছিলেন কাস্টিং। কিন্তু ঐশ্বরিয়ার কারণেই সালমানকে বাদ দিতে বাধ্য হন বানশালি।

    ভারতীয় গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সালমান খান ও ঐশ্বর্য রাইয়ের ঝগড়া এবং সঞ্জয় লীলা বনসালির সঙ্গে নিজের মতবিরোধ নিয়ে কথা বলেছেন এই সংগীত পরিচালক। ইসমাইল মূলত বানশালির সঙ্গে তার বিরোধের কথা বলতে গিয়েই সালমান ও ঐশ্বরিয়ার প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন আলোচনায়। ‘হাম দিল দে চুকে সনম’সহ অনেক সিনেমায় বানশালির সঙ্গে কাজ করেছেন ইসমাইল। কিন্তু নেটফ্লিক্সের সিরিজ ‘হীরামান্দি’ চলাকালিন, তাদের পেশাদার সম্পর্কের মধ্যে ফাটল দেখা দেয়। এরপর বানশালির সঙ্গে আর কাজ করেননি ইসমাইল। 

    তিনি জানান, ‘দেবদাস’ সিনেমায় শাহরুখ নন, বনশালির প্রথম পছন্দ ছিলেন সালমান খান। কিন্তু ঐশ্বরিয়াকে পার্বতীর চরিত্রে কাস্ট করায় সালমানকে বাদ দিতে বাধ্য হন পরিচালক। এর জেরেই মূলত বানশালির সঙ্গে সালমানের বিরোধ তৈরি হয়। সেই বিরোধ আজও মেটেনি। একই কারণে বানশালি সিনেমায় আরও কোনোদিন কাজও করেননি বলিউড ভাইজান। ঐশ্বরিয়ার প্রাক্তন প্রেমিক হওয়ার জন্যই কী সালমানকে বাদ দিয়েছিলেন বানশালি? 

    ইসমাইল এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, ‘তাদের ঝগড়ার খবর গণমাধ্যমে নিয়মিত শিরোনাম ছিল তখন। আমাদেরও খুব খারাপ লাগছিল। তাদের সম্পর্ক এতটাই ঘনিষ্ট ছিল যে, নিজেদের মধ্যে লড়াই করা উচিত ছিল না। কিন্তু এখন এসব বিষয় পুরোনো হয়ে গেছে। সালমান বুদ্ধিমান, তাই তিনি কখনো এসব নিয়ে কথা বলেন না’। 

    এটা ঠিক যে, ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর সালমান অনেকটা এলোমেলো ছিলেন। প্রেমিকাকে নিয়েই শাহরুখের সঙ্গে তৈরি হয়েছিল বিরোধ। দীর্ঘ বছর পর সেটা অবশ্য এখন মিটে গেছে। শাহরুখের সিনেমায় ক্যামিও হয়ে ধরা দিয়েছেন সালমান। শাহরুখও দেখা দিয়েছেন সালমানের সিনেমায়। 

    আনন্দনগর ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়ার প্রতিদ্বন্দ্বী এখন সিনেমা-সংসার ছেড়ে সন্ন্যাসিনী

    নব্বইয়ের দশকে মডেলিং ও অভিনয়ের জগতে আলোড়ন তোলা বর্ণাঢ্য অভিনেত্রী বরখা মাদান একসময় ছিলেন বলিউডের অন্যতম পরিচিত মুখ। এমনকি অনেকেই তাঁকে ঐশ্বরিয়া রাইয়ের প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে দেখতেন। সুস্মিতা সেনের সঙ্গেও প্রতিযোগিতা করে নিজেকে প্রমাণ করেছিলেন তিনি। কিন্তু ২০১২ সালে সবাইকে চমকে দিয়ে বরখা গ্ল্যামার ও সিনেমার ঝলমলে দুনিয়া ছেড়ে শান্তি ও ধ্যানমগ্ন জীবনের পথ বেছে নেন। বর্তমানে তিনি একজন বৌদ্ধ সন্ন্যাসিনী।

    ভারতের পাঞ্জাব প্রদেশে জন্ম নেওয়া বরখা শৈশব থেকেই নাচ, শিল্প ও আধ্যাত্মিকতার প্রতি গভীর অনুরাগী ছিলেন। ১৯৯৪ সালে তিনি ‘ফেমিনা মিস ইন্ডিয়া’ প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। যদিও মূল খেতাবটি জিততে পারেননি, তবে ‘মিস ট্যুরিজম ইন্ডিয়া’ খেতাব অর্জন করে আন্তর্জাতিক মিস ট্যুরিজম প্রতিযোগিতায় ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেন এবং সেখানে তৃতীয় রানার-আপ হন। এই সাফল্য তাকে মডেলিং জগতে বিশেষ পরিচিতি এনে দেয়। এরপর তিনি নিয়মিত বিজ্ঞাপন, র‌্যাম্প শো ও প্রিন্ট ক্যাম্পেইনে কাজ শুরু করেন।

    ১৯৯৬ সালে অক্ষয় কুমার, রেখা ও রাভিনা ট্যান্ডনের সঙ্গে ‘খিলাড়িদের খিলাড়ি’ চলচ্চিত্রে বলিউডে তার অভিষেক হয়। যদিও ছবিতে তার পর্দায় উপস্থিতি ছিল সীমিত, তবে সৌন্দর্য ও সাবলীল অভিনয়ে নজর কাড়েন দর্শকদের। পরবর্তীতে তিনি একাধিক হিন্দি চলচ্চিত্র ও টেলিভিশন ধারাবাহিকে অভিনয় করেন। বিশেষভাবে রাম গোপাল বর্মা পরিচালিত হরর থ্রিলার ‘ভূত’ (২০০৩)-এ তাঁর অভিনয় ব্যাপক প্রশংসিত হয়। টেলিভিশনে তিনি ‘১৮৫৭ ক্রান্তি’, ‘সাস বহু এবং সেনসেক্স’সহ বিভিন্ন জনপ্রিয় ধারাবাহিকে কাজ করেছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনয়ের পাশাপাশি বরখা নিজস্ব প্রযোজনা সংস্থা ‘গোল্ডেন গেট এলএলসি’ প্রতিষ্ঠা করেন এবং ‘সোচ লো’ ও ‘সুরখাব’ নামের দুটি চলচ্চিত্র প্রযোজনা করেন। তবে এই সাফল্যের মাঝেও তার মধ্যে শান্তি ও আত্মিক পরিপূর্ণতার এক গভীর অনুসন্ধান জন্ম নেয়। ধ্যান ও আধ্যাত্মিকতার প্রতি আগ্রহ বাড়তে থাকে, আর অবশেষে ২০১২ সালের নভেম্বর মাসে তিনি দক্ষিণ ভারতের সেরা জে মঠে লামা জোপা রিনপোচের তত্ত্বাবধানে বৌদ্ধ ভিক্ষুণী হন।

    ভিক্ষুণী হওয়ার পর তার নতুন নাম দেওয়া হয় ভেনারেবল গ্যালটেন সামতেন, যার অর্থ ‘যিনি শান্তিতে বাস করেন’। সেই থেকে বরখা মাদান গ্ল্যামার ও খ্যাতির জীবন থেকে সরে এসে শান্তি, দয়া ও বৌদ্ধ শিক্ষার পথে চলছেন। বর্তমানে তিনি নিয়মিত ধ্যান শিবির, আধ্যাত্মিক আলোচনা ও মানবিক কার্যক্রমে যুক্ত থাকেন। তার এই রূপান্তর ও যাত্রা বহু মানুষকে অনুপ্রাণিত করছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়া-ক্যাটরিনার সঙ্গে বিচ্ছেদ, প্রথমবার মুখ খুললেন সালমান খান

    বলিউড সুপারস্টার সালমান খান প্রথমবারের মতো নিজের অতীত প্রেমের সম্পর্ক নিয়ে খোলামেলা কথা বলেছেন। ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও ক্যাটরিনা কাইফের সঙ্গে সম্পর্ক ভাঙার কারণ নিয়ে বহুদিন ধরে নানা গুঞ্জন থাকলেও এবার নিজেই সেই বিষয়ে মুখ খুললেন তিনি।

    সম্প্রতি কাজল ও টুইঙ্কল খান্নার টকশো তে এসব কথা জানান সালমান। নিজের প্রেম জীবনের কথা বলতে গিয়ে সালমান বলেন, ‘যখন সম্পর্কে একজন সঙ্গী অন্যজনের তুলনায় দ্রুত সাফল্য পায়, তখন সম্পর্কের ভেতর সমস্যার শুরু হয়। কোনো একজন নিরাপত্তাহীনতায় ভোগে।’

    সালমান আরও বলেন, ‘সম্পর্কে টিকে থাকতে হলে দুজনেরই একসঙ্গে এগোতে হবে। কাউকে যেন অন্যজনের ঘাড়ে নিশ্বাস ফেলতে না হয়।’

    বলিউডে দীর্ঘদিন ধরে গুঞ্জন ছিল, খারাপ ব্যবহারের কারণেই ঐশ্বরিয়া ও ক্যাটরিনার সঙ্গে সালমানের সম্পর্ক ভেঙেছিল। কিন্তু অভিনেতার এই বক্তব্যে ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, আসল কারণ হয়তো ক্যারিয়ারের উচ্চতা ও পারস্পরিক অনিরাপত্তা।

    উল্লেখ্য, সালমান খানের জীবনে একাধিকবার সম্পর্ক এলেও কোনোটিই পরিণতি পায়নি। সংগীততা বিজলানির সঙ্গে তার বিয়ের প্রস্তুতিও একসময় চূড়ান্ত হয়েছিল। এমনকি কার্ড ছাপা পর্যন্ত হয়েছিল, কিন্তু শেষ মুহূর্তে সেটিও ভেঙে যায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইউটিউবের বিরুদ্ধে মামলা করলেন অভিষেক-ঐশ্বরিয়া

    বলিউডের জনপ্রিয় তারকা
    দম্পতি সাবেক বিশ্বসুন্দরী অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন
    অভিষেক বচ্চন
    ইউটিউবের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। মামলায়
    গুগলসহ অন্যদের কাছ
    থেকে চার লাখ
    ৫০ হাজার ডলার,
    যা বাংলাদেশি মুদ্রায় চার কোটি
    টাকা ক্ষতিপূরণ দাবি
    করেছেন তারা। সেই
    সঙ্গে ধরনের
    ডিপফেক ভিডিও শেয়ার
    করার ওপর স্থায়ী
    নিষেধাজ্ঞা চেয়ে
    আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন
    তারকা দম্পতি।

    একটি
    গণমাধ্যমের প্রতিবেদন সূত্রে জানা
    গেছে, মানহানিকর
    বিভ্রান্তিকর কন্টেন্ট প্রচারের অভিযোগে তারা প্ল্যাটফর্ম ইউটিউব এবং
    এর মূল সংস্থা
    গুগলের বিরুদ্ধে মামলা
    করেছেন। অভিষেক
    ঐশ্বরিয়ার অভিযোগের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে
    ইউটিউবে প্রচারিত শত
    শত লিঙ্ক এবং
    স্ক্রিনশট, যেখানে
    এআইয়ের মাধ্যমে তৈরি
    ভিডিওতে তাদের নিয়ে
    ভয়াবহ’, ‘যৌন উসকানিমূলকএবংকাল্পনিকবিষয়বস্তু দেখানো
    হয়েছে।

    আদালতে
    দেওয়া মামলায় তারা
    উল্লেখ করেছেন, ইউটিউবে এমন একাধিক
    ভিডিও পাওয়া যায়,
    যেখানে তাদের ছবি
    কণ্ঠস্বর ব্যবহার করে ভুয়া,
    বিভ্রান্তিকর এবং
    মানহানিকর উপায়ে
    চিত্রিত করা হয়েছে।
    এর উদাহরণ হিসেবে
    আবেদনেঅভিষেক বচ্চন
    হঠাৎ কোনো চলচ্চিত্র অভিনেত্রীকে চুম্বন
    করছেনবাঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন
    এবং সালমান খান
    একসঙ্গে ডিনার করছেন‘—এমন
    মনগড়া ভিডিওর কথা
    উল্লেখ করা হয়েছে।

    আবেদনকারী তারকা দম্পতি
    যুক্তি দিয়েছেন,
    জাতীয় ভিডিওগুলো কেবল
    তাদের সুনামকেই আঘাত
    করছে না, বরং
    এটি তাদের গোপনীয়তার মৌলিক অধিকারেরও মারাত্মক লঙ্ঘন
    করছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমানের বিরুদ্ধে সেই ঘটনায় বিবেকের আফসোস!

    সাবেক বিশ্বসুন্দরী বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সঙ্গে সম্পর্ক এবং তাকে কেন্দ্র করে সালমান খানের বিরুদ্ধে দ্রুত অভিযোগ এনেছিলেন অভিনেতা বিবেক ওবেরয়। ২০০৩ সালে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি, যা বলিউড থেকে শুরু করে সিনেমাপ্রেমী দর্শকদের মনে  এক গভীর দাগ কেটে যায়। 

    সালমান খানের সঙ্গে ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পরপরই গুঞ্জন ওঠে বিবেক ওবেরয়ের সঙ্গে অভিনেত্রীর গভীর সম্পর্কের কথা। তাতেই ভাইজানের কাছ থেকে লাগাতার হুমকি পান অভিনেতা। এরপরই সংবাদ সম্মেলন করেন বিবেক। 

    সেই ঘটনার প্রায় দুই দশক পর এবার সেই ‘অপরিণত’ সিদ্ধান্তের জন্য আফসোস করেন অভিনেতা। তবে এই প্রেমকাহিনি মোড় নেয় এক ভয়াবহ বিতর্কের দিকে, যখন বিবেক ওবেরয়ে এক সংবাদ সম্মেলন ডেকে অভিযোগ করে বলেন, সালমান খান নাকি তাকে ও ঐশ্বরিয়াকে হুমকি দিচ্ছেন। এ পদক্ষেপের ফলে তিনি আর সেভাবে ঘুরে দাঁড়াতে পারেননি।

    সেই সময় হৃদয় ভাঙার ভয়, একাকীত্ব এবং মানসিক কষ্টের কথা উল্লেখ করে অভিনেতা বলেন, ‘হৃদয় ভাঙার ভয় নিয়ে বাঁচতে চাই না। কারণ আমি সেটি ইতোমধ্যে অনুভব করেছি। সেই ভয়, সেই একাকীত্ব, সেই অন্তর্মুখী জীবন— ভীষণ কঠিন এবং কষ্টদায়ক।

    তবে এবার দীর্ঘদিন পর এ অভিনেতার দৃষ্টিভঙ্গি বদলেছে। সেই বিতর্কিত ঘটনা এখন তিনি দেখেন ঈশ্বরের দেওয়া এক সহনশীলতার পরীক্ষা হিসেবে। বিবেক ওবেরয় বলেন, বিপদ যখন আসে, তখন তাকে অনেক বড় মনে হয়। কিন্তু ঈশ্বরের চোখে তা তুচ্ছ কারণ। তিনি মানুষকে আরও শক্তিশালী করতে চান বলে জানান এ অভিনেতা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আমার কথা কী বলব, সমাজ তো ঐশ্বরিয়াকেও ছাড়েনি’

    বলিউড অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর কথায় কথায় সমালোচিত হন। তা সত্ত্বেও মতামত দেওয়া বন্ধ করেন না তিনি। রাজনৈতিক মতপ্রকাশ করে, আবার কখনো বা ভিন্নধর্মে বিয়ে করে সমালোচিত হয়েছেন অভিনেত্রী। এমনকি সন্তানধারণের পরও চেহারায় পরিবর্তন আসার জন্যও কটাক্ষের শিকার হয়েছেন তিনি। তবে এর পাল্টা জবাবও দিয়েছেন অভিনেত্রী স্বরা।

    যদিও বেশ কয়েক বছর ধরে সিনেমা জগতের বাইরেই রয়েছেন স্বরা ভাস্কর। কোনো সিনেমায় সেভাবে তাকে দেখা যায়নি। তাই অভিনেত্রীকে কটাক্ষ করে নিন্দুকেরা বলেন, মা হওয়ার পর স্বরা এত ওজন বাড়িয়ে ফেলেছেন বলেই আর কাজ পাচ্ছেন না। 

    আর নিন্দুকদের পাল্টা প্রশ্ন করে বসেন স্বরা—অভিনেত্রীদেরও কি সবসময়ে ‘আওয়ার গ্লাস’-এর মতোই চেহারা হতে হবে? তিনি বলেন, এ ধরনের ধারণা খুবই যন্ত্রণাদায়ক। সমাজের এই মনোভাবের প্রভাব পড়ে নারীর শরীর এবং মনের ওপরে। তারা মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হন। ফলে মা হওয়ার পর আবার স্বাভাবিক ছন্দে ফিরতে অসুবিধা হয়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    স্বরা বলেন, অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার পর নানাভাবে কটাক্ষের শিকার হয়েছি আমি। কিন্তু আমার এমন কোনো বাসনা নেই যে, আমাকে দেখে মনে হয়— আমি মা হইনি।

    এর আগে এক সাক্ষাৎকারে স্বরা ভাস্কর বলেছিলেন, আমাকে নিয়ে বহুবার বহু সমালোচনা হয়েছে। মাতৃত্বের পর আমার চেহারা নিয়েও হয়েছে। কিন্তু আমি শুধু আমার কথা আলাদা করে কী বলব! সমাজ তো ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকেও ছাড়েনি!

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে কন্য রাবিয়ার জন্ম দেন অভিনেত্রী স্বরা ভাস্কর। এর পরে ওজন বৃদ্ধি পায় অভিনেত্রীর। সেই ছবি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে তাকে নানা কুকথা শুনতে হয়েছে। স্বরার শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত সিনেমা ‘শির কোর্মা’। তার ঠিক আগেই ‘বীর দি ওয়েডিং’ সিনেমায় অভিনয় করে সমালোচিত হয়েছিলেন স্বরা। সেখানে স্বমেহনের দৃশ্যে দেখা গিয়েছিল তাকে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কোন দুর্বলতার কারণে সুস্মিতার কাছে হেরে যান ঐশ্বরিয়া?

    বলিউড অভিনেত্রী সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন আন্তর্জাতিক মঞ্চে অনায়াসে ইংরেজি ভাষায় সাক্ষাৎকার দিয়ে থাকেন। তার ইংরেজি শব্দকোষ ও উচ্চারণ বিশেষভাবে প্রশংসিত। শুধু বাহ্যিক সৌন্দর্যই নয়, তার ব্যক্তিত্ব ও কথা বলার ধরনেও মুগ্ধ অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী। কিন্তু শুরুর দিকে ইংরেজি ভাষায় আত্মবিশ্বাসী ছিলেন না ঐশ্বরিয়া। 

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমনটিই জানিয়েছেন বিজ্ঞাপন জগতের কিংবদন্তি পরিচালক প্রহ্লাদ কক্কড়।

    সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় বিশ্বসুন্দরীর খেতাব পেয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই। তাকে ছাড়িয়ে গিয়ে সেই একই প্রতিযোগিতায় মিস ওয়ার্ল্ড বিজয়ী হয়েছিলেন অভিনেত্রী সুস্মিতা সেন। সেদিন নাকি বেশ বিষণ্ণ ছিলেন ঐশ্বরিয়া। এ প্রসঙ্গে প্রহ্লাদ বলেন, প্রশ্নোত্তর পর্বে ঐশ্বরিয়ার থেকে বেশি নম্বর পেয়েছিলেন সুস্মিতা সেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ঐশ্বরিয়া নাকি প্রথমে নিজের মাতৃভাষায় উত্তর দেওয়ার কথা ভাবছিলেন এবং সেটা ইংরেজিতে অনুবাদ করে বলার চেষ্টা করছিলেন। প্রহ্লাদ বলেন, কর্মজীবনের শুরুর দিকে ইংরেজিতে স্বচ্ছন্দে কথা বলার আত্মবিশ্বাস ছিল না তার মধ্যে। তুলু বা হিন্দি ভাষায় কথা বলতেই ও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করত। 

    এ পরিচালক বলেন, ইংরেজিতে ও কম কথা বলতে চাইত। তাই সবাই ভাবত— ও নাক উঁচু। কিন্তু আসলে ও ভয় পেত, যদি ও ঠিক করে নিজের কথা বলে উঠতে না পারে। 

    তিনি বলেন, ঐশ্বরিয়ার আত্মবিশ্বাসের অভাব ছিল। সেই সময়ে ‘হিল’ তোলা জুতা পরার অভ্যাস ছিল না ঐশ্বরিয়ার। কিন্তু প্রতিযোগিতায় ‘হিল’ তোলা জুতা পরতে হয় তাকে। যার ফলে উত্তর দেওয়ার সময়ে মনোযোগ দিতে পারছিলেন না অভিনেত্রী। বারবার কথা বলতে গিয়ে হোঁচট খাচ্ছিলেন তিনি। প্রহ্লাদ বলেন, কম কথা বললেও, পরে নীরবেই নিজের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করেছিলেন অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমান-ঐশ্বরিয়ার সম্পর্কের গোপন বিষয় প্রকাশ্যে আনলেন প্রতিবেশীরা

    বলিউড সুপারস্টার সালমান খান ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সম্পর্ক একসময় বলিপাড়ায় ছিল ওপেনসিক্রেট। ইতিহাসে সবচেয়ে আলোচিত প্রেম-বিচ্ছেদ কাহিনি এটি। 

    যদিও এ তারকা জুটির প্রেমের সূচনা হয়েছিল পর্দার আড়ালেই। তবে সময়ে গড়িয়ে একসময় আলোচনায় আসে ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ সিনেমার মাধ্যমে। সেই সিনেমার রোমান্স যেন বাস্তব জীবনের প্রতিচ্ছবি হয়ে উঠেছিল। 

    অথচ সেই রূপকথার প্রেমই একসময় রূপ নেয় বিষাদে। সম্পর্ক ভেঙে যাওয়ার পর শুধু ব্যক্তিজীবন নয়, কর্মজীবনেও কঠিন আঘাত সহ্য করতে হয়েছিল এ সাবেক বিশ্বসুন্দরীকে।

    সালমান-ঐশ্বরিয়ার সম্পর্ক প্রসঙ্গে ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ সিনেমার সহ-অভিনেত্রী স্মিতা জয়কর সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে বলেন, ওদের প্রেম পর্দাতেও ফুটে উঠেছিল। সিনেমার সাফল্যে তা বড় ভূমিকা রেখেছিল। 

    তবে অন্য সহ-অভিনেত্রী শিবা চাড্ডা ভিন্ন অভিজ্ঞতার কথা বলেছেন। তিনি বলেন, শুটিং সেটে সালমানের মেজাজি স্বভাব বহুবার দেখেছি। একবার ক্ষেপে গিয়ে হুট করে সেট ছেড়ে বেরিয়ে যান। এমনকি এক ক্লাইম্যাক্স দৃশ্যে আমাকে আলিঙ্গন করার কথা ছিল, তিনি তা করতে অস্বীকার করেন। শুটিং বন্ধ হয়ে যায়, পরে বানসালি এসে তাকে বোঝান।

    ঐশ্বরিয়ার প্রতিবেশী পরিচালক প্রহ্লাদ কাক্কড় ছিলেন অভিনেত্রীর ঘনিষ্ঠজন। ঐশ্বরিয়ার মায়ের একই ভবনে থাকতেন তিনি। সম্পর্কের শুরুর দিক থেকে ক্যারিয়ারের উত্থান—সবকিছু কাছ থেকে দেখেছেন তিনি। 

    এ বিজ্ঞাপন জগতের কিংবদন্তি বলেন, সালমান খান ছিলেন ভীষণ আক্রমণাত্মক। ঐশ্বরিয়ার ওপর প্রভাব বিস্তার করতে চাইতেন। আমি একই ভবনে থাকতাম, সবকিছু শুনতাম-দেখতাম। ঝগড়া, চিৎকার— এমনকি দেয়ালে মাথা ঠোকা…। এগুলো নিয়মিত ছিল। 

    তিনি বলেন, সম্পর্ক আসলে অনেক আগেই ভেঙে গিয়েছিল, শুধু ঘোষণাটা পরে এসেছে। বিচ্ছেদটা সবার মধ্যে স্বস্তি এনেছিল—ঐশ্বরিয়ার, তার বাবা-মায়ের, এমনকি সালমানেরও।

    ঐশ্বরিয়ার জন্য সবচেয়ে বড় আঘাত এসেছিল বলিউড থেকে। প্রহ্লাদ বলেন, ঐশ্বরিয়া ভীষণ কষ্ট পেয়েছিল। বিচ্ছেদ নিয়ে ওর ততটা দুঃখ ছিল না, বরং আঘাত পেয়েছিল। কারণ ইন্ডাস্ট্রি পুরোপুরি সালমানের পাশে দাঁড়িয়েছিল। তাকে যেন একঘরে করে দেওয়া হয়েছিল।

    এ পরিচালক বলেন, আজকের ঐশ্বরিয়া রাই—একজন বিশ্বসুন্দরী, সফল অভিনেত্রী, জনপ্রিয় ব্র্যান্ডের শুভেচ্ছাদূত, আবার এক সন্তানের মা। প্রহ্লাদ বলেন, সম্পর্ক ভাঙনের পর যে মানসিক আঘাত তিনি পেয়েছিলেন, তা এখনো কোথাও না কোথাও রয়ে গেছে। হয়তো সে কারণেই আগের মতো নিয়মিত পর্দায় আসেন না অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়া-অভিষেকের বিচ্ছেদ গুঞ্জনের মধ্যে যে তথ্য দিলেন নির্মাতা

    বলিউডের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি ঐশ্বরিয়া রায়-অভিষেক বচ্চন। এই তারকাদের দাম্পত্য জীবনের টানাপোড়েন নিয়ে বেশ কিছুদিন ধরেই কানাঘুষা চলছে। 

    বিশেষ করে তাদের একসঙ্গে উপস্থিতি কমে যাওয়া এবং অভিষেকের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিবাহবিচ্ছেদ–সম্পর্কিত একটি পোস্ট। ওই পোস্টে লাইক দেওয়ার ঘটনাকে কেন্দ্র করে সেই জল্পনা আরও জোরালো হয়েছিল।

    তবে সম্প্রতি চলচ্চিত্র নির্মাতা প্রহ্লাদ কাক্কার এই গুঞ্জনকে একেবারে ভিত্তিহীন বলে দাবি করেছেন। ভারতীয় গণমাধ্যম ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানা যায়। সম্প্রতি প্রহ্লাদ কাক্কার হাজির হন ভিকি ললওয়ানির একটি পোডকাস্টে। সেখানেই ঐশ্বরিয়া রায়–অভিষেকের বিষয়ে নতুন তথ্য দিয়েছেন তিনি। মুম্বাইয়ে ঐশ্বরিয়ার মায়ের বাড়ির পাশেই থাকেন প্রহ্লাদ কাক্কার। তাই অভিনেত্রীর সঙ্গে তার দেখাও হয়। 

    তিনি জানান, ঐশ্বরিয়া প্রায় দিনই তার মায়ের বাড়িতে যান। তার মা অসুস্থ থাকায় এবং স্কুলে মেয়ে আরাধ্যা বচ্চনকে নিয়ে যাওয়ার সময়ের ফাঁকা কিছু ঘণ্টা কাটানোর জন্য তিনি মায়ের সঙ্গে থাকেন। তারপর মেয়েকে নিয়ে সোজা বাড়ি ফিরে যান। এতে কোনো বিচ্ছেদের বা পারিবারিক সমস্যা নেই। তাদের বিচ্ছেদ নিয়ে অযথা ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।

    বচ্চন পরিবারের সঙ্গে অভিনেত্রীর দূরত্বের গুঞ্জন সম্পর্কেও প্রহ্লাদ বলেন, লোকেরা বলে- ঐশ্বরিয়া বচ্চন বাড়ি ছেড়ে মায়ের সঙ্গে থাকছেন। এসব নিছক গুজব। রোববার বা ছুটির দিনে তিনি মায়ের বাড়িতে যান না। মাঝে মধ্যে অভিষেকও মায়ের সঙ্গে দেখতে যান। তাহলে বলাই যায়, এর মধ্যে আলাদা হয়ে যাওয়ার মতো কিছু নেই।

    প্রহ্লাদের কথায়, তারা কখনও গুজবের জবাব দেন না। সবসময় মর্যাদা রক্ষা করেছেন। এটিই তাদের শক্তি।

    প্রসঙ্গত, ২০০৭ সালের ২০ এপ্রিলে বিয়ে করেন ঐশ্বরিয়া-অভিষেক। ২০১১ সালে তাদের একমাত্র কন্যা আরাধ্যর জন্ম। ২০২৪ সালে অনন্ত আম্বানির বিয়েতে ঐশ্বরিয়া এবং তার মেয়ে পরিবারের বাকি সদস্যদের থেকে আলাদাভাবে উপস্থিত হওয়ায় বিচ্ছেদের গুজব আরও বাড়ে। তবে তারা সেই গুজবের কোনো মন্তব্য করেননি।

    বিনোদন ডেস্ক