Tag: ঐশ্বরিয়া

  • ‘আমি খান হইনি, বচ্চন’ সালমানের বিষয়ে প্রশ্নে জবাব ঐশ্বরিয়ার

    কফি উইথ করণের প্রতিটি পর্বে আলাদা ক্লাইমেক্স ও রসায়ন থাকে। দর্শকরা অপেক্ষা নিয়ে বসে থাকেন করণ জোহরের পরিকল্পনা ও উপস্থাপনায় নির্মিত এই মজার শোর জন্য। প্রতিটি পর্বে দর্শকরা ভিন্ন কিছু খুঁজে পান।  

    rnrn

    করণ জোহর একেকজন সেলিব্রিটি ডেকে এনে আনন্দে ভাসিয়ে দেন দর্শকদের। এতে স্থান পায় সেলিব্রিটিদের ব্যক্তিগত জীবন, প্রেম, ভালোবাসা ও বিরহ। অতিথিরা অনেক সময় করণের প্রশ্নে বিব্রতও হন। তবু তার ডাকে আসেন। কারণ এই শোকে করণ অনন্য উচ্চতায় নিয়ে গেছেন।

    rnrn

    সম্প্রতি কফি উইথ করণে এসেছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই ও অভিষেক বচ্চন দম্পতি। বিয়ের পর এই প্রথম তারা করণের অনুষ্ঠানে এসেছিলেন। ঐশ্বরিয়াকে পেয়ে বিতর্ক উসকে দেওয়ার চেষ্টা করেন করণ! 

    rnrn

    করণ একটি চমকে দেওয়া প্রশ্ন করেছিলেন অভিষেক-ঐশ্বর্যকে। ‘সর্বকালের সেরা খান’-এর নাম উচ্চারণ করতে বলেন তিনি। দিলেন চারটি নামের বিকল্পও। 

    rnrn

    বলিউডের খানদের মধ্যে থেকে চারজনের নাম বলেছিলেন করণ। শাহরুখ, সাইফ আলি, আমির এবং সালমান খান। এই প্রশ্ন কিছুটা আঘাত করেছিল অভিষেককে। তিনি শোয়ে তর্ক জুড়েছিলেন। ‘বলিউডে তো আরও অনেক অভিনেতা রয়েছেন, তাদের কথা হচ্ছে না কেন!’

    rnrn

    পরিস্থিতি সামাল দেন ঐশ্বরিয়া রাই। অনুষ্ঠানের ভিডিওতে দেখা যায়, ঐশ্বরিয়া স্বামীর পক্ষ নিয়ে বলেন, বলিউডে সর্বকালের দাপটের বিচারে বচ্চন সাম্রাজ্যের নামটাই আসে।

    rnrn

    তার তাৎপর্যপূর্ণ উত্তর ছিল— ‘আমরা, বচ্চনরাই সর্বকালের সেরা, এবং আমিও খান নই, বচ্চন।’

    rnrn

    দর্শক-সমালোচকরা মনে করছেন, সালমান খানের সাবেক প্রেয়সী রাই সুন্দরী তার সঙ্গে তিক্ত সম্পর্কের কারণেই নাম নিতে চাননি সালমানের। বরং বুঝিয়ে দিয়েছিলেন, বচ্চন পরিবারের অংশ হতে পেরে তিনি খুবই সুখী।

    rnrn

    প্রসঙ্গত, ১৯৯৯ সালে ‘হম দিল দে চুকে সনম’-এর সেটে প্রথম দেখা হয়েছিল সালমান-ঐশ্বর্যের। এর কিছু দিনের মধ্যে সাবেক মিস ইউনিভার্সের প্রেমে পড়েন বলিউড সুপারস্টার। তাদের ডেট করতেও দেখা যায়। এ নিয়ে বলিউডপাড়ায় বহু গুঞ্জন ডালপালা মেলে। একটা সময় বলিউড বাদশাহ শাহরুখ খান সালমানের পক্ষে ঐশ্বরিয়ার পরিবারে বিয়ের প্রস্তাব নিয়ে যান।

    rnrn

    প্লেবয় সালমানের সঙ্গে অবশ্য ঐশ্বরিয়ার এই প্রেম বেশি দিন টিকেনি। ২০০২ সালে তাদের সম্পর্ক ভেঙে যায়। ২০০৭ সালে অভিষেক প্রেমপ্রস্তাব দেন রাই সুন্দরীকে। ওই বছরই বচ্চন পরিবারের বধূ হয়ে আসেন ঐশ্বর্য।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বহু বছর পর এক ফ্রেমে সালমান-ঐশ্বরিয়া, ছবি ভাইরাল

    সালমান খান ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের প্রেমের কথা কার না জানা। তাদের বিচ্ছেদ নিয়েও কম চর্চা হয়নি। এমনকি সালমানের বিরুদ্ধে শারীরিক নির্যাতনের অভিযোগও এনেছিলেন ঐশ্বরিয়া। তারা বলিউডের অংশ হলেও পরস্পরকে যতটা সম্ভব এড়িয়ে চলতেন।  

    rnrn

    তবে গত শনিবার ভারতীয় ধনকুবের মুকেশ আম্বানির পার্টিতে একফ্রমে বন্দি হন সাবেক এই যুগল। সঙ্গে অ্যাশের কন্যাও ছিল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ইতিমধ্যেই ভাইরাল সেই ছবিটি। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

    rnrn

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ‘নীতা মুকেশ আম্বানি কালচালার সেন্টারে’ পার্টির দ্বিতীয় দিনও হাজির হয়েছিলেন সালমান-শাহরুখরা। হলিউড তারকা টম হল্যান্ড, জেন্ডেয়ার সঙ্গে ছবির জন্য পোজ দিচ্ছিলেন তারা। সেই ছবিতে ধরা দেন হোস্ট নীতা আম্বানিও। ভাইরাল এই ছবিটি লক্ষ্য করলে স্পষ্টই দেখা যাবে ছবির একেবারে বাম দিকে মেয়ে আরাধ্যাকে নিয়ে দাঁড়িয়ে রয়েছেন ঐশ্বরিয়া।  

    rnrn

    এদিন কালো রংয়ের সারারায় সেজেছিলেন ঐশ্বরিয়া। আরাধ্যার দেখা মিলল সোনালি সালোয়ার স্যুটে।  অন্যদিকে সবুজ রংয়ের ব্লেজার আর ম্যাচিং প্যান্টে পার্টির শোভা বাড়ান ‘ভাইজান’। 

    rnrn

    ছবিটি ভাইরাল হওয়ার পর একজন লিখেছেন, ‘একফ্রেমে সালমান-ঐশ্বরিয়াকে দাঁড় করানোর ক্ষমতা শুরু লিজেন্ড নীতা আম্বানিরই আছে’। 

    rnrn

    অন্য একজন লিখেছেন, ‘ক্যামেরাম্যানের প্রশংসা না করে থাকা যাচ্ছে না, সালমান-ঐশ্বরিয়াকে একফ্রেমে বন্দি করা! অসাধারণ কীর্তি’। অনেকেই এই ফ্রেম দেখে বিশ্বাসই করতে পারছেন না যে সালমান-ঐশ্বরিয়া অজান্তে হলেও একসঙ্গে লেন্সবন্দি হয়েছেন!

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়ার দিক থেকে চোখ ফেরাতে পারতেন না অক্ষয়

    rnএক সময়ের সহশিল্পী বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাইয়ের দিক থেকে চোখ সরাতে পারতেন না বলিউড স্টার অক্ষয় খান্না। এ কথাটি অক্ষয় জানিয়েছিলেন করণ জোহরকে। করণের ‘চ্যাট শোতে’ অক্ষয়ের বলা ওই কথা নিয়ে প্রতিবেদন করেছে ভারতের জনপ্রিয় গণমাধ্যম এনডিটিভি।

    rnrn

    করণকে অক্ষয় বলেন, তার (ঐশ্বরিয়া) দিকে তাকানোর পর চোখ সরাতে পারতাম না। যা অত্যন্ত বিব্রতকর। মানুষের ‘তাকিয়ে' থাকার বিষয়টি নিয়ে ঐশ্বরিয়া হয়ত অভ্যস্ত ছিলেন; কিন্তু আমি কারও দিক থেকে চোখ সরিয়ে নিতে পারছি না- এ ব্যাপারটায় আমি অভ্যস্ত নই।

    rnrn

    নব্বইয় দশকের অভিনেতা অক্ষয় খান্না ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন ‘তাল' এবং ‘আ আব লাউত চলেন' সিনেমায়। এর মধ্যে ১৯৯৯ সালে মুক্তি পাওয়া নির্মাতা সুভাষ ঘাইয়ের ‘তাল' জনপ্রিয় হয় এর গানের জন্য।  

    rnrn

     ‘তাল’ এবং ‘আ আব লাউত চলেন’ ছাড়া আর কোনো সিনেমায় অক্ষয় ও ঐশ্বরিয়া একসাথে কাজ করেননি।

    rnrn

    ঐশ্বরিয়াকে আগামীতে মণিরত্নমের তামিল সিনেমা ‘পোন্নিয়িন সেলভান ২’-এ দেখা যাবে। ২৮ এপ্রিল মুক্তি পেতে চলা সিনেমাটিতে ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে অভিনয় করেছেন দক্ষিণী সিনেমার নায়ক ত্রিশা কৃষ্ণন, বিক্রম, জয়ম রবি এবং কার্তি।

    rnrn

    অন্যদিকে অক্ষয়কে শেষবার দেখা গেছে অজয় দেবগণ, টাবু, শ্রিয়া সরণের সঙ্গে ‘দৃশ্যম-২’ সিনেমায়।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাহরুখের ৫ সিনেমা থেকে বাদ পড়ার কারণ আজও জানেন না ঐশ্বরিয়া

    ‘দেবদাস’, ‘মহাব্বতে’সহ আরও কয়েকটি সিনেমাকে ‘হিট’ করেছিলেন বলিউডের দুই তারকা শাহরুখ খান ও ঐশ্বরিয়া রাই। কিন্তু ‘বীর জারা’, ‘চলতে চলতে’সহ মোট পাঁচটি সিনেমায় নায়িকার ভূমিকা থেকে ঐশ্বরিয়াকে বাদ দিয়েছিলেন শাহরুখ। 

    rnrn

    আর ওইসব সিনেমায় শাহরুখ কেবল নায়ক নন, ছিলেন প্রযোজকও। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার।

    rnrn

    তবে ঐশ্বরিয়া আজও জানেন না, সিনেমা থেকে তার বাদ পড়ার কারণ কী। অন্যদিকে শাহরুখ বলেছেন, এর পেছনে কারণ অবশ্যই আছে। কিন্তু সেই কারণ তিনি জানাতে চান না। 

    rnrn

    টাইমস অব ইন্ডিয়া প্রকাশ করেছে হিন্দি সিনেমার এককালের অভিনেত্রী সিমি গারেওয়ালকে দেওয়া ঐশ্বরিয়ার পুরনো একটি সাক্ষাৎকার।

    rnrn

    সেখানে সিমি জানতে চান, ঐশ্বরিয়াকে কেন এবং কয়টি সিনেমা থেকে বাদ দিয়েছিলেন শাহরুখ।

    rnrn

    উত্তরে ঐশ্বরিয়া বলেন, কীভাবে উত্তর দেব, জানি না। হ্যাঁ আমাদের একসঙ্গে অনেক সিনেমায় কাজ করার কথা ছিল। যতদূর জানি, পাঁচটি ছবি থেকে আমার নাম কাটিয়ে দেওয়া হয়। কিন্তু এর কারণ আমাকে জানানো হয়নি। আমি উত্তর পাইনি আজ পর্যন্ত।

    rnrn

    ঐশ্বরিয়া জানান, একের পর এক সিনেমা থেকে বাদ পড়ায় তিনি স্বাভাবিকভাবেই কষ্ট পেয়েছিলেন। কিন্তু কোনো দিন এ বিষয়ে শাহরুখকে তিনি প্রশ্ন করেননি।

    rnrn

    পরবর্তীতে ইন্ডিয়া টুডেকে শাহরুখ বলেছিলেন, কারও সঙ্গে ভালো কাজ করার পরও অন্য কোনো কাজ থেকে তাকে বাদ দেওয়াটা কঠিন কাজ। আমাকে সেই কাজটি করতে হয়েছিল। ব্যক্তিগতভাব আমি মনে করি কাজটা ভুল হয়েছিল। কিন্তু প্রযোজক হিসেবে মনে করি এর পেছনে কারণ ছিল। আর এ জন্য ঐশ্বরিয়ার কাছে আমি ক্ষমাও চেয়েছিলাম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরিশ্রমের ফসল মাদাম তুসোতেও জমা করেছেন ঐশ্বরিয়া

    মিস ওয়ার্ল্ড প্রতিযোগিতার ইতিহাসে ৭২ জন সুন্দরী নির্বাচিত হয়েছিলেন। তাদের মধ্যে আঙুলে গোনা কয়েকজনের নামই পাঠকের মনে থাকতে পারে। ভারতের পাঁচ সুন্দরীর মধ্যে সবচেয়ে আলোচিত নাম ঐশ্বরিয়া রাই। কম যাননি প্রিয়াংকা চোপড়াও। ভারতের অন্য তিন সুন্দরী রিটা ফারিয়া, ডায়ানা হেইডেন আর যুক্তামুখির নাম আলোচিত ছিল কিছুদিন। এরপর হাওয়া; কিন্তু অনন্য মিস ওয়ার্ল্ড হয়ে ওঠেন ঐশ্বরিয়া।

    rnrn

    ১৯৯৪ সালে মিস ওয়ার্ল্ডের মুকুট পরার পর থেকেই ভারতের ঘরে ঘরে পরিচিতি পান ঐশ্বরিয়া। নিজেকে প্রমাণ করেন বলিউড চলচ্চিত্রের একজন অপরিহার্য অভিনেত্রী হিসাবে। উপহার দেন গুরু, যোধা আকবর, এনথিরানের মতো আইকনিক ছবিগুলো। বহু বিজ্ঞাপনের আকর্ষণীয় মডেল হয়ে সৌন্দর্যের প্রমাণ দিয়েছেন ২১ বছর বয়সে মিস ওয়ার্ল্ড নির্বাচিত হওয়া অ্যাশ। অভিনয় করেছেন ৪০টিরও বেশি চলচ্চিত্রে। বছরের পর বছর ধরে তিনি বিশ্বব্যাপী আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র প্ল্যাটফর্মে প্রতিনিধিত্ব করেছেন ভারতীয় চলচ্চিত্রের।

    rnrn

    ঐশ্বরিয়ার জন্ম ১৯৭৩ সালের ১ নভেম্বর ভারতের কর্নাটকের ব্যাঙ্গালুরুতে। জন্মগতভাবেই বনেদি পরিবারের এ সুন্দরী নবম শ্রেণিতে পড়াকালীনই মডেল হয়েছিলেন বিজ্ঞাপনে। মিস ওয়ার্ল্ড নির্বাচিত হওয়ার আগেই প্রতিষ্ঠিত হয়েছিলেন মডেল আইকন হিসাবে। বিশেষ করে ১৯৯৩ সালে আমির খানের সঙ্গে জুটিবদ্ধ হয়ে কাজ করা পেপসির বিজ্ঞাপনটি নতুন পালক জুড়ে দিয়েছিল অ্যাশের ক্যারিয়ারে।

    rnrn

    ঐশ্বরিয়ার চলচ্চিত্র ক্যারিয়ার শুরু ১৯৯৭ সালে পরিচালক মণিরত্নমের তামিল ছবি ‘ইরুভার’-এর মধ্য দিয়ে। বলিউডে তার প্রথম ছবি ‘আওর পেয়ার হো গায়া’। তবে ব্যাপক পরিচিতি আসে সঞ্জয়লীলা বানসালির ‘হাম দিল দে চুকে সানাম’ দিয়ে। এরপর বড় সাফল্য আসে বানসালির ‘দেবদাস’ ছবির মধ্য দিয়ে। এ ছবিতে পার্বতী রূপে ছিলেন অনবদ্য। 

    rnrn

    ভার্সেটাইল অভিনেত্রী হিসাবে নিজেকে তিনি প্রমাণ করলেন ঋতুপর্ণ ঘোষ পরিচালিত বাংলা ছবি ‘চোখের বালি’র বিনোদিনী হয়ে। এরপর প্রতিভার দ্যুতি ছড়িয়েছেন ‘রেইনকোট’, ‘জোশ’, ‘কুছ না কাহো’, ‘খাকি’ চলচ্চিত্রেও। ২০০৬ সালে জনপ্রিয় সিরিজ ধুম-এ এসে ভক্তদের তাক লাগিয়ে দেন অ্যাশ।

    rnrn

    প্রতিভার মূল্যায়ন পেয়েছেন একাধিকবার। ১৯৯৯ এবং ২০০২ সালে ‘হাম দিল দে চুকে সানাম’ এবং ‘দেবদাস’ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য পেয়েছেন ফিল্মফেয়ার অ্যাওয়ার্ডে ‘সেরা অভিনেত্রী’র পুরস্কার। ‘মোহাব্বতে’ সিনেমার জন্য হয়েছেন সেরা ‘সহ-অভিনেত্রী’। ২০০৯ সালে তার অসামান্য অভিনয় দক্ষতার কারণে তিনি ভারত সরকারের কাছ থেকে পদ্মশ্রী সম্মাননা অর্জন করেন।

    rnrn

    ঐশ্বরিয়া রাই প্রথম ভারতীয় হিসাবে ২০০৩ সালে কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে জুরিতে ছিলেন। শ্বশুর অমিতাভ বচ্চনের পর তিনি ছিলেন মাদাম তুসোতে স্থান পাওয়া দ্বিতীয় ভারতীয়। 

    rnrn

    বিগ বি’র ছেলে অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে বিয়ের পর শ্বশুরবাড়ির ভাগ্নেদের কাছে নতুন নাম পেয়েছিলেন গুল্ল মামি। শরীর ঠিক রাখার ক্ষেত্রে কোনো ডায়েটিংয়ে বিশ্বাসী নন, খাবারের প্রতি দুর্বল অ্যাশ। তবে প্রক্রিয়াজাত খাবার একেবারে এড়িয়ে চলেন। গুরু চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সময়ই অভিষেকের প্রেমে পড়েন ঐশ্বরিয়া। 

    rnrn

    আর তা প্রকাশ করেন ২০০৭ সালে, অপরাহ উইনফ্রের একটি শোতে। নিউইয়র্কে একটি সিনেমার শুটিংয়ের সময় তারা পরস্পর আংটি বদল করেছিলেন। ২০০৭ সালের ২০ এপ্রিল ঐশ্বরিয়া বিয়ে করেন বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চনকে। বিয়ের পর ঐশ্বরিয়ার নামের সঙ্গে বচ্চন যুক্ত হয়। ২০১১ সালে অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার ঘর আলো করে আসে একমাত্র কন্যাসন্তান আরাধ্য। বর্তমানে স্বামী-সন্তান ও শ্বশুর-শাশুড়িকে নিয়ে বেশ সুখেই দিন কাটাচ্ছেন অ্যাশ।
    rn 

    সেলিম কামাল 

  • বচ্চন পরিবারের বিদ্যার দৌঁড় কতদূর?

    বলিউডের মানেই গ্লামার আর গ্লামার। বি-টাউনের অভিনেতা-অভিনেত্রীদের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভক্ত-শুভানুধ্যায়ীদের আগ্রহের কমতি নেই। পোশাকে আশাকে আটসাট থাকলেও অনেক বলিউড অভিনেতা-অভিনেত্রীদের বিদ্যার দৌঁড় খুব একটা না।

    rnrn

    ভারতের ঐতিহাসিক কাপুর পরিবারের অনেকেই আছেন যারা স্কুলের গণ্ডিই পার হতে পারেন নি। কাপুরদের কথা এলেই বচ্চনদের কথাও এসে যায়। বচ্চনরাও কি কাপুরদের মতই?  আসুন দেখে নেওয়া যাক বচ্চনদের পড়াশোনার দৌঁড় কত? হিন্দুস্তান টাইমসের খবরে উঠে এসেছে এ তথ্য।

    rnrn

    অমিতাভ থেকে জয়া, শ্বেতা বচ্চন হোক কি অভিষেক-ঐশ্বরিয়া, কোন তারকা কী করছেন তা নিয়ে উৎসাহ কম হয় না কখনও।

    rnrn

    বলিউডের শাহেনশাহ বলা হয় অমিতাভ বচ্চনকে।  তিনি নৈনিতালের শেরউড স্কুল থেকে পাশ করে ভর্তি হন দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের করোরি মাল কলেজে। সেখান থেকে বিএসসি পাস কোর্স করেন তিনি।

    rnrn

    জয়া বচ্চন ভোপালের সেন্ট জোসেফ কনভেন্ট স্কুলে পড়েন। এরপর স্নাতক ডিগ্রি নেন পুনের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন ইনস্টিটিউট অফ ইন্ডিয়া থেকে।

    rnrn

    অভিষেক বচ্চন প্রথমে মুম্বইয়ের বিখ্যাত যমুনাবাই নার্সারি স্কুলে পড়েছিলেন। এরপর বোম্বে স্কটিশ স্কুল ও  নিউ দিল্লির মডার্ন স্কুল লেখাপড়া করেন তিনি। সবশেষে সুইজারল্যান্ডের আইগলন কলেজ। সেখান থেকে বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে সিনেমা নিয়ে পড়াশোনা করতে যান। তবে সেখানে কোর্স না শেষ করেই দেশে ফিরে আসেন পরিবারের আর্থিক সমস্যার কারণে।

    rnrn

    বচ্চন পরিবারের ছেলেবউ হয়ে আসেন বিশ্ব সুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই। মুম্বইয়ের আর্য বিদ্যামন্দির হাইস্কুলে পড়াশোনা করেন তিনি। সেখান থেকে জয়হিন্দ কলেজ ও মাটুঙ্গার ডিজি রূপারেল কলেজও পড়াশোনা করেন। এরপর রচনা সংসদ একাডেমি অফ  আর্কিটেকচারে ভর্তি হন। তবে মডেলিং করার জন্য মাঝপথেই ছেড়ে দেন পড়াশোনা।

    rnrn

    অমিতাভ কন্যা শ্বেতা যমুনাবাই নার্সারি স্কুলে পড়েন। সুইজারল্যান্ড থেকে স্কুলিং শেষ করে চলে যান বোস্টন বিশ্ববিদ্যালয়ে। সেখানে গ্র্যাজুয়েশন শেষ করেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে মন ছুঁয়ে যাওয়া ভিডিও শেয়ার করলেন অভিষেক

    ১৬ বছর আগে ১২ জানুয়ারি বড় পর্দায় মুক্তি পেয়েছিল ‘গুরু’। ছবির পরিচালক ছিলেন মণিরত্নম। সিনেমাটি তখন বক্স অফিসে সাড়া ফেলেছিল।

    rnrn

    স্মৃতির সরণিতে হেঁটে নেটমাধ্যমের পাতায় একটি ভিডিও শেয়ার করলেন বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চন। এই ছবিতে ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সঙ্গে জুটি বেঁধেছিলেন তিনি। ভিডিওটি এখন আলোচনায়। খবর হিন্দুস্তান টাইমসের।

    rnrn

    ‘১৬ বছর পেরোলেও গুরুকান্ত দেশাই এখনও হৃদয়ের কাছাকাছি!’, এই ক্যাপশন লিখে ‘গুরু’ ছবি থেকে নিজের ঝলক শেয়ার করেছেন অভিষেক। 

    rnrn

    নেটিজেনরাও ভিডিওর কমেন্ট বক্সে ভালোবাসা উজাড় করেছেন। ছবিতে অভিনয় করেছেন মিঠুন চক্রবর্তী, অভিষেক বচ্চন, ঐশ্বরিয়া রাই, আর্য বব্বর, আর মাধবন এবং বিদ্যা বালান৷ 

    rnrn

    ছবির ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক এবং সাউন্ডট্রাকের দায়িত্বে ছিলেন এ আর রহমান।

    rnrn

    ২০০৭ সালের ১২ জানুয়ারি কানাডার টরন্টোতে এলগিন থিয়েটারে ছবিটি মুক্তি পেয়েছিল। মুক্তির পর এটি কানাডায় মূলধারার আন্তর্জাতিক প্রিমিয়ারের প্রথম ভারতীয় সিনেমা পরিণত হয়। 

    rnrn

    রজার নায়ার প্রোডাকশন কানাডার জন্য স্বত্ব অধিগ্রহণ করে এবং কানাডার টরন্টোতে বেশিরভাগ অভিনেতা-অভিনেত্রী এবং কলাকুশলীদের নিয়ে একটি প্রিমিয়ার অনুষ্ঠিত হয়। 

    rnrn

    এই ছবির প্রিমিয়ার চলাকালীনই অভিষেক তার রাই-সুন্দরীকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন হোটেলের বারান্দায়! অপরাহ উইনফ্রেকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক নিজেই ফাঁস করেন এ গল্প। 

    rnrn

    সালটা ২০০৭। নিউইয়র্কে নিজেদের ছবি ‘গুরু’র প্রচারে গিয়েছিলেন অভিষেক-ঐশ্বয়া। এক রাতে হোটেলের বারান্দায় বসেই অভিষেকের মনে হয়, ঐশ্বরিয়ার সঙ্গেই নিজের জীবনটা কাটিয়ে দিতে চান তিনি। 

    rnrn

    অভিষেক ঐশ্বরিয়াকে প্রোপোজ করেছিলেন ছবির সেট থেকে নেওয়া এক আংটি পরিয়ে! হোটেলের বারান্দায় হাঁটু গেড়ে বসে ঐশ্বরিয়াকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়েছিলেন জুনিয়র বি। 

    rnrn

    ‘গুরু’-র আংটিতেই আজীবনের জন্য বাঁধা পড়ে গেলেন দু’জনে। অমূল্য সেই আংটি নাকি প্রযোজক-পরিচালকের কাছ থেকে চেয়ে নিজের কাছে রেখে দিয়েছেন অভিষেক! তাই 'গুরু' ছবিটা ঐশ্বরিয়া এবং অভিষেকের কাছে বিশেষ।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক