Tag: ঐশ্বরিয়া

  • বচ্চন পরিবারের সুনাম নিয়ে হাইকোর্টের প্রশ্ন

    অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের মেয়ে আরাধ্যা বচ্চনের স্বাস্থ্য ও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে ভুয়া ও বিভ্রান্তিকর ভিডিও প্রকাশের অভিযোগের মামলায় গুরুত্বপূর্ণ কিছু আইনি প্রশ্ন তুলেছেন দিল্লি হাইকোর্ট। 

    আদালত জানতে চেয়েছে, কোনো পরিবারের নামের সঙ্গে যুক্ত সুনাম কি প্রজন্মের পর প্রজন্ম উত্তরাধিকারসূত্রে বহমান থাকে এবং থাকলে তা কতদূর পর্যন্ত কার্যকর হয়?

    ২০২৩ সালে আরাধ্যা বচ্চন একাধিক ইউটিউব চ্যানেলের বিরুদ্ধে দিল্লি হাইকোর্টে মামলা করেন। তার অভিযোগ ছিল, তার স্বাস্থ্য নিয়ে সম্পূর্ণ মিথ্যা তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে। বিভিন্ন ভিডিওতে তাকে গুরুতর অসুস্থ এবং হাসপাতালে ভর্তি বলে দাবি করা হয়। এমনকি একটি ভিডিওতে তার মৃত্যুরও মিথ্যা দাবি করা হয়েছিল। এসব ভিডিওর মাধ্যমে তার ব্যক্তিগত গোপনীয়তা ও মর্যাদা ক্ষুণ্ন করা হচ্ছে বলে অভিযোগ করা হয়।

    বৃহস্পতিবার মামলার শুনানিতে বিচারপতি অনুপ জে ভাম্ভানি বলেন, কোনো পণ্য বা সেবার সঙ্গে যুক্ত ট্রেডমার্কের মূল্য ও সুনাম যেমন থাকে, একজন ব্যক্তির ক্ষেত্রে বিষয়টি কিছুটা ভিন্ন। এ সময় তিনি প্রশ্ন তোলেন, কোনো পারিবারিক নামের সঙ্গে যদি ট্রেডমার্কের মতো সুনাম যুক্ত থাকে, তাহলে সেই সুনাম প্রজন্মের কতদূর পর্যন্ত বহাল থাকে।

    আদালত আরও জানতে চান, পরিবারের কোনো সদস্যের অর্জন, খ্যাতি বা নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে সাফল্যের কারণে যে পারিবারিক সুনাম তৈরি হয়, সেটি পরবর্তী প্রজন্মের সদস্যদের ক্ষেত্রেও একইভাবে প্রযোজ্য কি না।

    আরাধ্যার পক্ষে আইনজীবী প্রবীণ আনন্দ যুক্তি দেন, বচ্চন পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ন করা বা তা ব্যবহার করে সুবিধা নেওয়ার যেকোনো প্রচেষ্টা বন্ধ করা প্রয়োজন। তিনি বলেন, পরিবারের ছবি ব্যবহার করে মিথ্যা খবর ছড়ানো হচ্ছে এবং এসব প্রতিবেদনের সঙ্গে বচ্চন নামটিও জড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

    এর আগে ২০২৩ সালের ২০ এপ্রিল দিল্লি হাইকোর্ট একাধিক ইউটিউব চ্যানেলকে আরাধ্যার স্বাস্থ্য নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো থেকে বিরত থাকার নির্দেশ দিয়েছিলেন। আদালত বলেছিলেন, একটি শিশুর স্বাস্থ্য নিয়ে মিথ্যা তথ্য ছড়ানো অত্যন্ত গুরুতর বিষয় এবং এ ধরনের কর্মকাণ্ড কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়।

    আদালত আরও পর্যবেক্ষণ করেছিলেন, প্রতিটি শিশুর সম্মান ও মর্যাদার সঙ্গে বেঁচে থাকার অধিকার রয়েছে। শিশুর স্বাস্থ্য সম্পর্কে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো আইনের দৃষ্টিতে সম্পূর্ণ অসহনীয় বলেও মন্তব্য করেছিলেন বিচারপতি।

    মামলাটি আগামী সেপ্টেম্বরে ফের শুনানির জন্য তালিকাভুক্ত হয়েছে। আরাধ্যার পক্ষ থেকে তার বাবা অভিষেক বচ্চন আদালতে আবেদন করেন। মামলায় বচ্চন পরিবারের ব্যক্তিগত তথ্য ও মর্যাদা রক্ষার বিষয়টিও গুরুত্ব পেয়েছে।

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়ার ইমেজ ধসিয়ে দিতে চেয়েছিলেন কে?

    সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের সৌন্দর্য ও মাধুর্যে মুগ্ধ অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী। একটা সময় বলিউডে বহিরাগত ছিলেন তিনি। তবে সেখান থেকে জায়গা করে নিয়েছিলেন ইন্ডাস্ট্রিতে।

    কিন্তু তার ভাবমূর্তি ধ্বংস করতে চেয়েছিলেন এক পরিচালক। কে তিনি? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সে কথাই জানালেন পরিচালক সুভাষ ঘাই।

    সুভাষ ঘাই পরিচালিত ‘তাল’ সিনেমা ২৭ বছর পূর্ণ করল। সেই সিনেমা নিয়ে কথা বলেছেন পরিচালক। বিশেষ করে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে মানসীর চরিত্রে নেওয়ার আগে যে ঝুঁকি নিয়েছিলেন তিনি, তা নিয়েই কথা বলেছেন সুভাষ ঘাই।

    ‘তাল’ সিনেমায় মানসী এমন এক তরুণী, যে ছোট শহর থেকে উঠে আসে। তার জীবনে রয়েছে— নাচ। আর আছে প্রতিভা, আবেগ এবং নিজের পরিচয় তৈরি করার লড়াই। অথচ অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন তখন মূলত সৌন্দর্য ও গ্ল্যামার জগতের পরিচিত মুখ। বিশ্বসুন্দরী খেতাব জয়ের পর তার ভাবমূর্তি ছিল সৌন্দর্যকেন্দ্রিক। সুভাষ তার সিনেমায় ‘বিশ্বসুন্দরী’কে চাননি। তিনি চেয়েছিলেন এমন এক অভিনেত্রী, যিনি সারল্য ফুটিয়ে তুলতে পারবেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ঐশ্বরিয়াকে প্রস্তাব দেওয়ার সময়ে তাই পরিচালক তাকে স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন— চরিত্রের প্রয়োজনে তার পরিচিত ভাবমূর্তি পুরোপুরি ভেঙে দিতে হবে। সুভাষ ঘাই বলেন, আমি ওকে বলেছিলাম— তোমার ভাবমূর্তিটা আমাকে ধ্বংস করতে হবে। কিন্তু প্রথম এক ঘণ্টায় তুমি কোনো প্রসাধনী ব্যবহার করতে পারবে না। ঐশ্বরিয়া সঙ্গে সঙ্গে রাজি হয়ে বলেছিলেন— হ্যাঁ, আপনি যা বলবেন, আমি তাই করব।

    উল্লেখ্য, আসছে ‘তাল’ সিনেমার সিক্যুয়েল ‘তাল ২’। এর চিত্রনাট্য প্রায় সম্পূর্ণ বলে জানিয়েছেন পরিচালক সুভাষ ঘাই। তবে সিক্যুয়েল নিয়েও তার অবস্থান স্পষ্ট। ‘তাল’ তারকানির্ভর সিনেমা হতে পারে না। প্রথম সিনেমায় তিনি অভিনেতাদের তারকা পরিচয়কে সামনে রাখেননি। সেই চরিত্রের মধ্য দিয়েই অভিনেতাদের আরও বড় হয়ে ওঠার সুযোগ দিয়েছিলেন তিনি। ‘তাল ২’ সিনেমার ক্ষেত্রেও সেই নীতিতেই অটল থাকতে চান পরিচালক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৭ হাজার মুক্তায় সাজানো গাউনে নজর কাড়লেন ঐশ্বরিয়া

    কান চলচ্চিত্র উৎসব মানেই যেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের ফ্যাশন-জাদুর নতুন অধ্যায়। বিশ্বের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ এই চলচ্চিত্র উৎসবের লাল গালিচায় বছরের পর বছর ধরে নিজের ব্যতিক্রমী উপস্থিতি দিয়ে দর্শক ও ফ্যাশন সমালোচকদের দৃষ্টি কাড়ছেন তিনি। ২০২৬ সালেও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

    এবারের কানে নীল ঝলমলে মারমেড গাউন থেকে শুরু করে নাটকীয় সাদা ট্যাক্সিডো লুকে নজর কেড়েছিলেন সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী। তবে উৎসব শেষ হওয়ার পর আন্তর্জাতিক ফ্যাশন হাউস টনি ওয়ার্ড কতুর প্রকাশ করেছে তার আরেকটি অদেখা লুক, যা এখন ফ্যাশনপ্রেমীদের আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে।

    প্রকাশিত ছবিতে ঐশ্বরিয়াকে দেখা গেছে আইভরি-সাদা রঙের এক স্ট্র্যাপলেস গাউনে। প্রথম দেখায় যেন কোনো রূপকথার রাজকন্যার আবির্ভাব। রাজকীয়তা, আধুনিকতা ও শিল্পসম্মত নকশার সমন্বয়ে তৈরি পোশাকটির পুরো বডিসজুড়ে বসানো হয়েছিল সাত হাজারেরও বেশি মুক্তা। আলো পড়ার সঙ্গে সঙ্গে সেগুলো তৈরি করছিল ঝলমলে ঢেউয়ের মতো অপূর্ব প্রতিফলন।

    গাউনটির বিশেষ আকর্ষণ ছিল হাতে তৈরি মুক্তার সূক্ষ্ম কারুকাজ। প্রতিটি মুক্তা এমনভাবে বসানো হয়েছে, যেন সমুদ্রের ঢেউয়ের ধারাবাহিক গতিময়তা ফুটে ওঠে। ত্রিমাত্রিক এই নকশা পোশাকটিকে দিয়েছে ভাস্কর্যের মতো সৌন্দর্য। অতিরিক্ত অলংকরণের পরিবর্তে সূক্ষ্ম শিল্পকর্মকে প্রাধান্য দেওয়ায় এটি ‘কোয়ায়েট লাক্সারি’র একটি উজ্জ্বল উদাহরণ হয়ে উঠেছে।

    পোশাকটির নাটকীয় আবহ আরও বাড়িয়েছে বিশাল আইভরি সিল্ক ট্যাফেটা ড্রেপিং। প্রায় ৪০ মিটার সিল্ক ব্যবহার করে কাঁধজুড়ে তৈরি করা হয়েছে ভলিউমিনাস রাফল, যা দূর থেকে ফুলের পাপড়ির মতো দেখায়। এই ভাস্কর্যধর্মী নকশাই পুরো লুকে এনে দিয়েছে হাই-ফ্যাশনের অনন্য মাত্রা। লেবাননের খ্যাতিমান ডিজাইনার টনি ওয়ার্ডের কারিগরি দক্ষতারও এটি একটি উজ্জ্বল নিদর্শন।

    জানা গেছে, গাউনটি তৈরি করতে সময় লেগেছে প্রায় ৬০০ ঘণ্টা। প্রতিটি ভাঁজ, প্রতিটি মুক্তা এবং প্রতিটি সেলাইয়ে ফুটে উঠেছে হাউট কতুরের সূক্ষ্ম নান্দনিকতা ও নিখুঁত কারুশিল্প।

    এত সমৃদ্ধ একটি পোশাকের সঙ্গে ঐশ্বরিয়া বেছে নিয়েছেন সংযত স্টাইলিং। ভারী অলংকারের পরিবর্তে তিনি পরেছিলেন মিনিমাল ডায়মন্ড জুয়েলারি—লম্বা হিরার ঝুমকা ও একটি স্টেটমেন্ট ডায়মন্ড রিং। ফলে গাউনের সৌন্দর্যই থেকেছে লুকের মূল আকর্ষণ।

    মেকআপেও ছিল পরিমিতির ছাপ। উজ্জ্বল ত্বক, হালকা শিমারি আইশ্যাডো, নিখুঁত আইলাইনার, ঘন পাপড়ি এবং নরম নিউড-গোলাপি ঠোঁটের সমন্বয়ে তৈরি হয়েছিল সফট গ্ল্যাম লুক। অতিরিক্ত কনট্যুর বা গাঢ় রঙের ব্যবহার এড়িয়ে প্রাকৃতিক সৌন্দর্যকেই প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে।   

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    চুলে ছিল ঐশ্বরিয়ার পরিচিত সিগনেচার স্টাইল। সাইড পার্ট করা সফট ওয়েভি হেয়ারস্টাইল পুরো লুকে যোগ করেছে ক্লাসিক হলিউড গ্ল্যামারের আবহ।

    বর্তমান ফ্যাশন জগতে যেখানে মিনিমালিজম ও স্টেটমেন্ট কতুর সমান জনপ্রিয়, সেখানে ঐশ্বরিয়ার এই লুক দুই ধারারই নিখুঁত সমন্বয় হিসেবে প্রশংসা কুড়িয়েছে। গাউনের বিশাল ভলিউম, মুক্তার সূক্ষ্ম কারুকাজ এবং সংযত স্টাইলিং আবারও মনে করিয়ে দিয়েছে—বিলাসিতা মানেই অতিরিক্ত জাঁকজমক নয়; বরং নিখুঁত কারিগরি দক্ষতা ও পরিশীলিত উপস্থাপনাই প্রকৃত সৌন্দর্যের পরিচয়।

    কান চলচ্চিত্র উৎসবের ইতিহাসে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের নাম দীর্ঘদিন ধরেই স্টাইল আইকন হিসেবে উচ্চারিত হয়ে আসছে। ২০২৬ সালের এই অদেখা কতুর লুক সেই মর্যাদাকে আরও দৃঢ় করেছে। রেড কার্পেটের আনুষ্ঠানিকতা শেষ হলেও তার ফ্যাশন-আবেদনের জাদু যে এখনও সমানভাবে আলোচিত হতে পারে, সেটিই যেন প্রমাণ করেছে এই বিশেষ উপস্থিতি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়ার মুকুটে নয়া পালক, ফের কেন চর্চায় অভিনেত্রী?

    কান উৎসব অসম্পূর্ণ তার উপস্থিতি ছাড়া। পঞ্চাশোর্ধ সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের গ্ল্যামারের ছটায় আজও মুগ্ধ আট থেকে আশি। কেন বিশ্বমঞ্চে এতটা প্রাসঙ্গিক তিনি, আবার প্রমাণ করলেন কান উৎসবে রাই সুন্দরী।

    বলিপাড়ার অলিগলিতে কান পাতলেই শোনা যায়, এখন বলি অভিনেতা অভিষেক বচ্চন আর ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সম্পর্কের টানাপোড়েন নিয়ে নানাবিধ গুঞ্জন। বচ্চন পরিবারের অন্দরে ঠিক কী চলছে, তা নিয়ে জল্পনার শেষ নেই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝেও। তবে এসব পারিবারিক জল্পনাকে তুড়ি মেরে উড়িয়ে দিয়ে বিশ্বমঞ্চে আবারও নিজের রাজকীয় আধিপত্য প্রমাণ করলেন সাবেক এ বিশ্বসুন্দরী।

    জে ডব্লিউ ম্যারিয়টের মতো বিলাসবহুল আন্তর্জাতিক হোটেল চেইনের গ্লোবাল ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হয়ে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন বুঝিয়ে দিলেন— রাই সুন্দরীর গ্লোবাল ব্র্যান্ড ভ্যালু আজও আকাশছোঁয়া। আর অভিনেত্রীর এই নয়া আন্তর্জাতিক সাফল্যের পরই নেটপাড়ায় নতুন করে শুরু হয়ে গেছে স্বামী-স্ত্রীর সম্পত্তির তুলনামূলক ব্যবধান।

    একক সম্পত্তির নিরিখে অভিষেক বচ্চনের চেয়ে নাকি কয়েক গুণ এগিয়ে রয়েছেন ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। কান চলচ্চিত্র উৎসবের রেড কার্পেট থেকে শুরু করে লরিয়াল কিংবা লঞ্জিনের মতো ব্র্যান্ডের বিশ্বজনীন মুখ হওয়ার সুবাদে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের একক উপার্জন বলিপাড়ার বহু প্রথম সারির নায়ককেও টক্কর দেয়। জে ডব্লিউ ম্যারিয়টের এই নতুন চুক্তি তার ঝুলিতে আসার পর আর্থিক গ্রাফ যে আরও উঁচুতে চড়ল, তা বলাই বাহুল্য। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ঐশ্বরিয়ার আনুমানিক মোট সম্পত্তি প্রায় ৮০০ থেকে ৮৫০ কোটি টাকা। অন্যদিকে অভিষেক বচ্চনের একক সম্পত্তির পরিমাণ ২৮০ কোটির আশপাশে।

    অভিষেক বচ্চনের নিজস্ব উপার্জনের বড় একটি অংশ আসে তার অভিনীত সিনেমা, ওটিটি প্রজেক্ট এবং নায়কের মালিকানাধীন প্রো-কাবাডি টিম ‘জয়পুর পিঙ্ক প্যান্থার্স’ ও আইএসএল ফুটবল টিম ‘চেন্নাইয়িন এফসি’ থেকে। 

    বচ্চন পরিবারের অমিতাভ বচ্চনের বিপুল সম্পত্তি কিংবা ঐতিহ্যবাহী বাংলো ‘জলসা’র উত্তরাধিকারী হিসেবে অভিষেকের ভবিষ্যৎ আর্থিক ভিত্তি অত্যন্ত সুদৃঢ় হলেও স্রেফ নিজস্ব একক উপার্জনের খতিয়ানে স্ত্রী ঐশ্বরিয়া প্রায় তিনগুণ এগিয়ে।

    ঐশ্বরিয়ার এই বিপুল আয়ের বেশিরভাগই আসে তার দীর্ঘকালীন আন্তর্জাতিক ব্র্যান্ড চুক্তিগুলো থেকে। নতুন জে ডব্লিউ ম্যারিয়টের ক্যাম্পেন তার গ্লোবাল ব্র্যান্ড ভ্যালুকে এক ধাক্কায় আরও অনেকখানি বাড়িয়ে দিয়েছে। বলিপাড়ার বোদ্ধাদের মতে, অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার ব্যক্তিগত সম্পর্কের সমীকরণ যাই হোক না কেন, গ্ল্যামার দুনিয়ার বাণিজ্যিক সাম্রাজ্যে রাই সুন্দরী যে আজও একচ্ছত্র রানি, এ খবর যেন সেটাই আরও একবার প্রমাণ করে দিল। 

    ১৯৯৪ সালে বিশ্বসুন্দরীর খেতাব জেতার পর হিন্দি ও তামিল সিনেমার অন্যতম প্রভাবশালী ব্যক্তিত্ব হয়ে ওঠা ঐশ্বরিয়ার ক্যারিয়ারের এতগুলো বছর পেরিয়েও যে তার গ্ল্যামার আর আন্তর্জাতিক চাহিদা একফোঁটাও কমতে দেননি, জে ডব্লিউ ম্যারিয়টের এই মেগা ঘোষণাই তার সবচেয়ে বড় প্রমাণ!

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে ট্রল, মাধুরীর কড়া জবাব

    কান চলচ্চিত্র উৎসবে অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাইয়ের উপস্থিতি এবং তার পোশাক নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলা ক্রমাগত কটাক্ষ ও বডি-শেমিংয়ের বিরুদ্ধে এবার সোচ্চার হলেন বলিউড ডান্সিং কুইন মাধুরী দীক্ষিত। 

    ঐশ্বরিয়ার পাশে দাঁড়িয়ে মাধুরী স্পষ্ট ভাষায় জানিয়েছেন, ভারতীয় সিনেমা এবং বিশ্বমঞ্চে ঐশ্বরিয়ার অবদানকে কেবল তার বাহ্যিক চেহারা, বয়স বা শারীরিক গঠনের মাপকাঠিতে বিচার করা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না।

    সম্প্রতি নিজের নতুন নেটফ্লিক্স ছবি ‘মা বহেন’-এর প্রচারের ফাঁকে সংবাদসংস্থা পিটিআইয়ের সঙ্গে আলাপকালে এ বিষয়ে মুখ খোলেন মাধুরী। তিনি জোর দিয়ে বলেন, একজন মানুষের পরিচয় তার শারীরিক সৌন্দর্যের চেয়ে অনেক বেশি গভীর। 

    ঐশ্বরিয়ার বিশ্বব্যাপী সাফল্যকে সম্মান জানিয়ে মাধুরী বলেন, ‘ও বিগত ২০ বছর ধরে কানের রেড কার্পেটে যাচ্ছে। ও পুরো দেশকে গর্বিত করেছে এবং ও একজন গ্লোবাল স্টার। মিস ওয়ার্ল্ড হিসেবে দেশের জন্য ওর অবদান অপরিসীম। আপনি ওকে ওজনের মেশিনের কোনো সংখ্যা, পোশাকের সাইজ কিংবা ক্যালেন্ডারের বয়সের সংখ্যা দিয়ে বিচার করতে পারেন না। ওর কৃতিত্বকে এতটা ছোট করা যায় না। ও দেখতেও যেমন সুন্দর, ভেতর থেকেও ঠিক ততটাই সুন্দর।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এই ধরনের ট্রলিং বা বডি-শেমিংয়ের ফলে সমাজের এবং বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের ওপর যে মারাত্মক নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে, তা নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মাধুরী। 

    তিনি বলেন, ‘মানুষের বোঝা উচিত, এ ধরনের মন্তব্য করে আমরা আজকের তরুণ প্রজন্মের কাছে কী বার্তা পাঠাচ্ছি? আমরা কি এই শেখাচ্ছি যে একজন মানুষের যোগ্যতা কেবল তার বাহ্যিক রূপের ওপর নির্ভর করে, তার অর্জনের ওপর নয়? এটা সম্পূর্ণ ভুল একটি বার্তা।’ 

    মাধুরী আরও যোগ করেন যে, সমালোচনা বা কটু কথা বলার মতো মানুষ আগেও ছিল। কিন্তু অতীতে সাধারণ মানুষের কাছে তারকাদের সরাসরি আক্রমণ করার মতো কোনো মাধ্যম বা প্ল্যাটফর্ম ছিল না। আজ সোশ্যাল মিডিয়ার হাত ধরে সেই সুযোগ চলে আসায় মানুষ এর অপব্যবহার করছে। 

    ২০০২ সালে সঞ্জয় লীলা বানসালীর ‘দেবদাস’ চলচ্চিত্রের প্রতিনিধিত্ব করতে প্রথমবার কানের মর্যাদাপূর্ণ রেড কার্পেটে পা রাখেন ঐশ্বরিয়া রাই। এরপর থেকে গত দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি এই আন্তর্জাতিক মঞ্চে ভারতের অন্যতম প্রধান মুখ। প্রতি বছরই বিশ্ব গণমাধ্যম এবং ভক্তদের নজর থাকে এই বিশ্বসুন্দরীর দিকে। 

    কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত, আন্তর্জাতিক স্তরে দেশের নাম উজ্জ্বল করার পরও গত কয়েক বছরে বারবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বয়সজনিত কটাক্ষ ও বডি-শেমিংয়ের শিকার হতে হয়েছে তাকে। তবে ঐশ্বরিয়া সাধারণত এই ধরনের ট্রলিং নিয়ে জনসমক্ষে কখনোই তেমন কোনো প্রতিক্রিয়া দেখান না। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কান উৎসবের ফ্যাশন সাম্রাজ্যে সেরা ঐশ্বরিয়া, নজর কাড়লেন সাদা টাক্সেডো লুকে

    ৭৯তম কান চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপনী আয়োজনে হাজির হয়েছিলেন ‘কুইন অব কান’খ্যাত সাবেক বিশ্বসুন্দরী বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন।  কানের মঞ্চে উপস্থিতি সবার নজর কেড়ে নিলেন তিনি। এবার ঐশ্বরিয়া বেছে নিলেন একেবারে ভিন্নধর্মী সাদা টাক্সেডো লুক। স্টাইলিশ সেই পোশাকের সঙ্গে পালকের বোয়া আর নতুন হেয়ারস্টাইল মিলিয়ে রেড কার্পেটে উপস্থিতি হয়ে উঠল এক অনন্যা অপরূপী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। তার এই লুক ইতোমধ্যেই ফ্যাশন দুনিয়ায় সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে আলোচনার ঝড় ওঠে। আবারও কানের উৎসব মঞ্চে উপস্থিতি প্রমাণ করলেন তিনি এখনো কেন সেরা। 

    সাবেক এ বিশ্বসুন্দরীর পালকের বোয়া কাস্টম পোশাকটি তৈরি করেছেন চীনা ডিজাইনার চেনি চ্যান। স্টাইলিংয়ের দায়িত্বে ছিলেন ভারতীয় সেলিব্রিটি স্টাইলিস্ট মোহিত রাই ও তার দল। গহনায় ছিল যুক্তরাজ্যের হাসানজাদেহ জুয়েলারি। সম্প্রতি ভোগ ম্যাগাজিনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ডিজাইনার চেনি চ্যান বলেন, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের ওপর সাদা রঙ সবসময়ই দারুণ লাগে। তার ‘তাল’, ‘মহব্বতে’ ও ‘দেবদাস’-এর আইকনিক লুকগুলো থেকেই আমি অনুপ্রাণিত হয়েছি।

    ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ভারি গহনা ব্যবহার করেননি। তিনি বেছে নিয়েছেন সাদা পিপ-টো পাম্পস ও ডায়মন্ড রিং। তবে সবচেয়ে বেশি নজর কেড়েছে তার বারগান্ডি রঙের খোলা চুল। সফট ব্লোআউট ওয়েভে সাজানো সেই হেয়ারস্টাইলকে অনেকেই বলছেন তার সাম্প্রতিক সময়ের সেরা লুকগুলোর একটি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আর অভিনেত্রীর মেকআপে ছিল গাঢ় প্লাম লিপস্টিক, উইংড আইলাইনার, শিমারি আইশ্যাডো, হাইলাইটার ও সফট ব্রোঞ্জারের নিখুঁত ব্যবহার। সব মিলিয়ে কান উৎসবের শেষ দিনে ঐশ্বরিয়া যেন আবারও নিজের ফ্যাশন সাম্রাজ্যের শক্ত অবস্থান জানিয়ে দিলেন। এ ছাড়া বিশেষ টাক্সেডোতে ছিল ঝলমলে সিকুইন, ক্রিস্টাল-খচিত বোতাম এবং স্তরযুক্ত নচ ল্যাপেল। জ্যাকেটের প্যাডেড শোল্ডার, ফুল স্লিভ এবং কাফে লেস ট্রিম পুরো লুকে যোগ করেছে নাটকীয়তা। কোমরে ফিটিং কাট তার ফিগারকে আরও সুন্দরভাবে ফুটিয়ে তুলেছে। 

    জ্যাকেটের ভেতরে অভিনেত্রী পরেছিলেন সাদা বুস্টিয়ার, যেখানে ছিল লেস এমব্রয়ডারির কাজ। সঙ্গে ছিল সিলভার সিকুইন-খচিত ফ্লেয়ার প্যান্ট। পুরো লুককে আরও আলাদা করেছে পালক দিয়ে তৈরি টেকসই বোয়া ও ক্যাট-ইয়ার স্টাইলের শাল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে তুলনা ও সালমানের নায়িকা হওয়া নিয়ে মুখ খুললেন অভিনেত্রী

    বলিউডে পা রাখার পর থেকেই একটি তকমা তার নামের পাশে স্থায়ী হয়ে গেছে—তিনি দেখতে অবিকল ঐশ্বরিয়া রায় বচ্চনের মতো। ‘লাকি: নো টাইম ফর লাভ’ সিনেমা দিয়ে রাতারাতি আলোচনায় আসা সেই স্নেহা উল্লাল এবার মুখ খুলেছেন সুপারস্টার সালমান খানের বিপরীতে তার আকস্মিক অভিষেক এবং ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে সেই বহুল আলোচিত তুলনা নিয়ে।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে স্নেহা জানিয়েছেন, অভিনয় জগতে আসার কোনো পরিকল্পনাই তার ছিল না। জীবনের সবচেয়ে কঠিন একটি সময়ের মধ্য দিয়ে যাওয়ার সময় ভাগ্যচক্রে তিনি সিনেমায় চলে আসেন।

    আলফানিওন স্টুডিওজকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে স্নেহা বলেন, আমি তখন মাত্র দশম শ্রেণি পাশ করে কলেজে ভর্তি হয়েছি। ওই সময় সালমান খানের বোন অর্পিতা খানের বন্ধুরা আমাকে প্রথম নোটিশ করে। যখন সিনেমার প্রস্তাব আসে, ব্যক্তিগতভাবে আমি খুব খারাপ সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছিলাম। আমার মা তখন ক্যানসারের চিকিৎসাধীন ছিলেন।

    তিনি আরও বলেন, আমাদের বাড়ির পরিবেশ তখন বেশ বিষাদময় ছিল। পরিবারের সবার মন ভালো করতেই আমি ‘লাকি’ সিনেমায় অভিনয় করতে রাজি হই। আমার মা ভ্রমণ করতে ভালোবাসতেন, আর সিনেমার শুটিং ছিল দেশের বাইরে। তাই অফারটি লুফে নিই। আমি অভিনয়ে আগ্রহী ছিলাম কি ছিলাম না, তার চেয়ে বড় কথা এই একটি সিদ্ধান্ত আমার জীবনের অনেক কিছু বদলে দিয়েছিল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ২০০৫ সালে যখন সিনেমাটি মুক্তি পায়, স্নেহার বয়স ছিল মাত্র ১৭ বছর, আর সালমান খানের বয়স ছিল ৩৯।

    ৩৮ বছর বয়সি এই অভিনেত্রী স্বীকার করেন, রাতারাতি পাওয়া এই তারকাখ্যাতি তার জীবনে এক ধরনের টানাপোড়েন তৈরি করেছিল। স্নেহা বলেন, এই খ্যাতি আমার স্বাধীনতা, আমার কলেজ জীবন কেড়ে নিয়েছিল। আমি আমার কৈশোর বা ২০-এর কোঠার সোনালী দিনগুলো উপভোগ করতে পারিনি। ১৬ বছর বয়স থেকে এক রাতেই আমি প্রাপ্তবয়স্কদের দুনিয়ায় ঢুকে পড়েছিলাম। এটা একটা বড় আপস ছিল। তখন না বুঝলেও, এখন বুঝি। তবে সালমান খান আমার খুব ভালো দেখভাল করেছিলেন।

    সাক্ষাৎকারে স্বাভাবিকভাবেই উঠে আসে ঐশ্বরিয়া রায়ের সঙ্গে তার চেহারার মিলের প্রসঙ্গটি। ‘হাম দিল দে চুকে সানাম’ সিনেমার পর সালমান খানের সঙ্গে ঐশ্বরিয়ার বহুল আলোচিত বিচ্ছেদের কারণেই মূলত স্নেহার এ আগমনকে ভিন্ন চোখে দেখেছিল দর্শক ও মিডিয়া।

    তবে এ তুলনা নিয়ে কখনোই মাথা ঘামাননি স্নেহা। তিনি বলেন, ঐশ্বরিয়া রায় যখন মিস ওয়ার্ল্ড হয়েছিলেন, তখন থেকেই আশেপাশের মানুষ বলত যে আমাকে দেখতে নাকি তার মতো লাগে। পরে পিআর (জনসংযোগ) কৌশলও সেভাবে কাজ করেছে। আর যেহেতু আমি সালমান খানের বিপরীতে অভিষেক করেছি, তাই মানুষ সহজেই দুইয়ে দুইয়ে চার মিলিয়ে নিয়েছে। কিন্তু এসব আমাকে কখনো প্রভাবিত করেনি। এসব বোঝার জন্য তখন আমি অনেক ছোট ছিলাম।

    বলিউডের পর দক্ষিণী সিনেমাতেও কাজ করেছেন স্নেহা। এখন তিনি আবারও হিন্দি সিনেমায় ফেরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। স্নেহা বলেন, আমি এ ইন্ডাস্ট্রির ভালো মানুষদের সঙ্গে সুসম্পর্ক তৈরি করতে চাই। একজন অভিনেত্রী হিসেবে আমি নিজেকে কোন উচ্চতায় দেখতে চাই, তা নিয়ে এখন আমার স্পষ্ট ধারণা আছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কান প্রচারণায় ঐশ্বরিয়ার অনুপস্থিতি ঘিরে বিতর্ক

    ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে ছাড়া নতুন ল’রিয়েল প্যারিসের কান চলচ্চিত্র উৎসবের প্রচারণা প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। ভক্তদের অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন, কানের সবচেয়ে পরিচিত ভারতীয় মুখগুলোর একজন হওয়া সত্ত্বেও কেন এই প্রচারণায় রাখা হয়নি ঐশ্বরিয়াকে।

    ২০২৬ সালের কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালকে সামনে রেখে ১০ মে প্রকাশিত ভিডিওটিতে কানের একটি হোটেল ভবনের গায়ে বিশাল প্রচারণামূলক পোস্টার লাগানোর দৃশ্য দেখানো হয়। সেখানে দেখা যায় আলিয়া ভাট, ভায়োলা ডেভিস, ইভা লনগোরিয়া এবং হেলেন মিরেনের মতো তারকাদের।

    ভিডিওর ক্যাপশনে লেখা ছিল- অ্যান্ড অ্যাকশন! কানের সবচেয়ে আইকনিক ভবনটি উৎসবের সাজে সেজে উঠছে।

    ভিডিওটি প্রকাশের পরপরই ইনস্টাগ্রাম ও এক্সে ভক্তরা মন্তব্য করতে শুরু করেন— ঐশ্বরিয়া কোথায়?

    অনেকের মতে, ঐশ্বরিয়ার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক ও উপস্থিতির কথা বিবেচনায় নিলে তার অনুপস্থিতি বেশ বিস্ময়কর। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি লো’রিয়েল প্যারিসের প্রতিনিধিত্ব করে আসছেন। ২০০৩ সালে তিনি ব্র্যান্ডটির বৈশ্বিক শুভেচ্ছাদূত হন এবং এরপর থেকে ২০টির বেশি বার কান উৎসবে অংশ নিয়েছেন। বছরের পর বছর ধরে তিনি কানের লাল গালিচার অন্যতম আলোচিত ও সবচেয়ে বেশি আলোকচিত্রীদের নজর কাড়া ভারতীয় তারকায় পরিণত হয়েছেন। ফলে নতুন প্রচারণায় তার অনুপস্থিতি সহজেই ভক্তদের চোখে পড়ে।

    অন্যদিকে নতুন প্রচারণায় বিশেষভাবে জায়গা পেয়েছেন আলিয়া। এই অভিনেত্রী টানা দ্বিতীয়বারের মতো ব্র্যান্ডটির বৈশ্বিক শুভেচ্ছাদূত হিসেবে কানে অংশ নিচ্ছেন। প্রচারণায় তার দৃশ্যমান উপস্থিতির কারণে অনলাইনে তুলনাও শুরু হয়েছে। কেউ কেউ মনে করছেন, ব্র্যান্ডটি হয়ত ধীরে ধীরে অপেক্ষাকৃত তরুণ শুভেচ্ছাদূতদের দিকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে।

    পরবর্তীতে ল’রিয়েল প্যারিস এক বিবৃতিতে জানায়, এ বছর কানে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করবেন ঐশ্বরিয়া, আলিয়া এবং অদিতি রাও হায়দারি। যদিও এই ঘোষণার পর কিছুটা জল্পনা কমেছে, তবুও প্রথম প্রচারণামূলক ভিডিওতে ঐশ্বরিয়ার অনুপস্থিতি নিয়ে আলোচনা থামেনি।

    সূত্র- সামা

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘ঐশ্বরিয়ার পাশে হাঁটতে ভয় লাগে’

    বেশ কয়েক বছর বড়পর্দায় সরাসরি দেখা না গেলেও, ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে কেন্দ্র করে দর্শকের উৎসাহ কমে না। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তার এবং অভিষেক বচ্চনের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নানা আলোচনা-সমালোচনা হয়েছে। তারা সবসময়ই সচরাচর নীরব থেকেছেন।

    কয়েক মাস আগে ঐশ্বরিয়ার মেয়ে আরাধ্যার স্কুল অনুষ্ঠানে পুরো পরিবার হাজির হয়ে সকল সমালোচকের মুখ বন্ধ করেছিলেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক প্রকাশ করেছেন, লাল গালিচায় ঐশ্বরিয়ার পাশে দাঁড়ালে তিনি নিজেকে ‘কাঠের গুঁড়ির মতো’ অনুভব করেন।

    অভিষেক বলেন, প্রিমিয়ারে সর্বজিৎ–এর লাল গালিচায় হাঁটতে গিয়ে তিনি ভীষণ অস্বস্তি বোধ করেন। ঐশ্বরিয়া অত্যন্ত প্রফেশনাল, তাই তিনি কী করবেন তা সহজেই বুঝে যান, আর তার পাশে নিজেকে অদ্ভুত ও অনভ্যস্ত মনে হয় অভিষেকের। তাই তিনি প্রায়ই পকেট হাতে রেখে দাঁড়ান।

    চিত্রগ্রাহকরা মাঝে মাঝে রসিকতা করে বলেন, ‘কেন হাসছেন না?’ তবে অভিষেকের অভিজ্ঞতা অনুযায়ী, ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে দাঁড়ালে তিনি শুধু নিজেকে ছোট মনে করেন এবং এই কারণে লাল গালিচার মুহূর্তটি তার জন্য চাপের হয়ে ওঠে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়া নিজের সিদ্ধান্ত নিজেই নেন: অভিষেক

    বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের বিচ্ছেদ নিয়ে বছর দেড়েক ধরে চলছে আলোচনা-সমালোচনা। তবে এ বিষয়ে বরাবরই নীরব ছিলেন এ তারকা যুগল। কিছুদিন আগে দুজনই জানিয়েছেন তাদের মধ্যে সুসম্পর্ক রয়েছে। এবার স্ত্রীর নিয়ে মন্তব্য করে বাহবা কুড়ালেন অভিষেক।

    দীর্ঘদিন বড়পর্দার বাইরে আছেন অভিনেত্রী। বেছে বেছে কাজ করছেন। এককথায় বলা যায়, কাজ কমিয়ে দিয়েছেন তিনি। শেষবার অভিনেত্রীকে দেখা গেছে ২০২৩ সালে ‘পোন্নিয়ান সেলভান ২’ সিনেমায়। তবু ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনকে নিয়ে উৎসাহের অন্ত নেই সিনেপ্রেমী দর্শকদের। 

    সেই সময় তার অভিনয়ের প্রশংসা হয় সর্বত্র। তখনই সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের একটি অংশ অভিষেকের কাছে অনুরোধ জানান, ঐশ্বরিয়া যাতে আরও বেশি বেশি সিনেমায় কাজ করেন তার অনুমতি দিন। আর তাতেই অভিষেক বলেন, আমি ওকে অনুমতি দেওয়ার কেউ নই। ওর নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেয়। আর যে কাজ করতে ও ভালোবাসে সেখানে আমার অনুমতির প্রশ্নই নেই।    

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিষেকের এহেন মন্তব্য মন জয় করে নিয়ে নেটিজেনরা। স্বামী হিসেবে তিনি একেবারে ঐশ্বরিয়ার যোগ্য সে বিষয় সহমত প্রকাশ করেন অনেকেই।

    গত কয়েক বছর ধরে তার ও অভিষেক বচ্চনের ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও কাটাছেঁড়া হয়েছে বারবার। তাদের দাম্পত্যজীবন নিয়ে নানা কথা রটেছে। তবু নীরব ছিলেন তারা। এবার সাবেক বিশ্বসুন্দরীকে নিয়ে মন্তব্য করে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে সেরা স্বামীর বাহবা কুড়ালেন অভিনেতা।

    বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় জিতে বলিউডে প্রবেশ করেছিলেন অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। মাত্র কয়েক বছরের মধ্যে বলিপাড়ায় প্রথম সারির অভিনেত্রী হয়ে ওঠেন তিনি। যদিও একটা সময়ে স্বেচ্ছায় এ কর্মব্যস্ত জীবন থেকে মুখ ফিরিয়ে নেন ঐশ্বরিয়া। তা নিয়ে কোনো রকমের কোনো নিরাপত্তাহীনতায় ভোগেন না তিনি। 

    অভিনেত্রী বলেন, আমার মধ্যে কোনো দিনই কোনো নিরাপত্তাহীনতা ছিল না। আমার মেয়েকে বড় করার দায়িত্ব রয়েছে। এ ছাড়া স্বামীকে সময় দিচ্ছিলাম। তাই এ ধরনের জিনিস মাথায় আসে না। আর জীবনের প্রতি আমার দৃষ্টিভঙ্গিও সম্পূর্ণ আলাদা।

    বিনোদন ডেস্ক