Tag: ঐশ্বরিয়া রাই

  • ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে সালমান ও বিবেকের প্রেম নিয়ে নতুন তথ্য দিলেন ভারতীয় সাংবাদিক

    বলিউড তারকা সালমান খান এবং ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সম্পর্ক বলিপাড়ার ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়। তাদের সম্পর্ক ছিল খুব আলোচিত ও অনেকটা বিতর্কিত। ১৯৯৯ সালে ছবি ‘হাম দিল দে চুকে সনম’ এর মাধ্যমে তাদের সম্পর্কের শুরু হয়। ঐশ্বরিয়া ও সালমান খান পর্দায় একসঙ্গে দুর্দান্ত অভিনয় করেছেন এবং তার পর থেকেই তাদের মধ্যে ঘনিষ্ঠতা বাড়তে থাকে।

    তবে, তাদের সম্পর্কের শুরুটা ছিল বেশ রোমান্টিক, কিন্তু কিছু সময় পরে তা তিক্ততার দিকে এগোতে থাকে। সালমান খান ঐশ্বরিয়ার প্রতি তার বেশ দখলদারি মনোভাব এবং নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করতে শুরু করেন। এর ফলে ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সঙ্গে সম্পর্কের মধ্যে অশান্তি সৃষ্টি হয়। ২০০২ সালের পরে তারা আলাদা হয়ে যান।

    তার পরেই নাকি বিবেক ওবেরয়ের সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। এ খবর ছড়ানোর পরে বিবেকের কাছে নাকি সালমানের তরফ থেকে হুমকিও গিয়েছিল। তবে সেই সম্পর্কও টেকেনি। এই নিয়ে আজও জল্পনা চলে। সম্প্রতি মুম্বাইয়ের এক সাংবাদিক এ বিষয়ে বিস্ফোরক এক দাবি করেছেন।

    ঐশ্বরিয়া ও বিবেকের মধ্যে নাকি কখনো তেমন সম্পর্ক গড়েই ওঠেনি। এ খবর স্রেফ গুজব বলে দাবি সাংবাদিকের। আর এই গুজবের কারণেই আরও দূরত্ব বাড়ে সালমান ও ঐশ্বরিয়ার মধ্যে, এমনও জানিয়েছেন সেই সাংবাদিক। এত দিন ধরে যে খবর ছ়ড়ানো হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা বলে দাবি তার। সেই সাংবাদিকের কথায়, ‘বলা হয়, সালমান খানের পরে ঐশ্বরিয়া সম্পর্কে জড়িয়েছিলেন বিবেক ওবেরয়ের সঙ্গে। এ খবর সর্বৈব মিথ্যে।’

    তা হলে কেন সালমান ও ঐশ্বরিয়ার বিচ্ছেদ হয়েছিল? সাংবাদিক জানিয়েছেন, ঐশ্বরিয়ার বাবা-মা এই সম্পর্ক নিয়ে ধন্দে ছিলেন। সাংবাদিক বলেছেন, ‘তারা ভাবতেন, হয়তো মেয়ের সঙ্গে শুধু প্রেম নিয়ে রঙ্গরসিকতা করছেন সালমান খান।’ তবে এ ঘটনার অন্য আর একটা দিকও শোনা যায়।

    সেই সময়ে নাকি ঐশ্বরিয়াকে বিয়ে করে থিতু হতে চেয়েছিলেন সালমান। কিন্তু রাজি ছিলেন না অভিনেত্রী। তিনি কাজে মনোযোগ দিতে চেয়েছিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কন্যা আরাধ্যার প্রভাব অভিষেক বচ্চনের সিনেমায়

    গত বছর অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ও অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের বিবাহবিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন— বলিপাড়ার এমন খবরে নেটিজেনদের মাঝে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় ওঠে। কিন্তু বছরের শেষ মুহূর্তে এসে নিজেরাই সেই জল্পনায় পানি ঢেলে দেন। বচ্চন দম্পতি দিব্যি আছেন। আরাধ্যার স্কুলের অনুষ্ঠানে থেকেই ফের ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে নিয়েছেন অভিষেক-ঐশ্বরিয়া। তবে এ নিয়ে কোনো প্রতিক্রিয়াই দেননি এ তারকা দম্পতি।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অভিষেক বচ্চন জানিয়েছেন, কন্যা আরাধ্যার বড় প্রভাব রয়েছে তার জীবনে। এমনকি কাজের জগতেও মেয়ের বড় প্রভাব রয়েছে। ‘বি হ্যাপি’ নামে একটি সিনেমাতে অভিনয় করেছেন অভিষেক বচ্চন। এ সিনেমায় একাকী বাবার ভূমিকায় অভিনয় করেছেন অভিনেতা। কন্যার সঙ্গে বাবার সমীকরণ তুলে ধরা হয়েছে এ সিনেমায়। এখানেই আরাধ্যার সঙ্গে তার সম্পর্ক বড় ভূমিকা পালন করেছে। 

    অভিষেক বলেন, বাস্তবের সঙ্গে যোগ তৈরি করা গেলে, সিনেমার চরিত্র আরও ভালো করে ফুটিয়ে তোলা সহজ হয়ে ওঠে। বাস্তবের অভিজ্ঞতা থেকে আবেগ ফুটিয়ে তোলা সহজ।

    বর্তমানে আরাধ্যার বয়স ১৩। এমনই বয়সের এক কিশোরীর বাবার চরিত্রে দেখা যাবে অভিষেক বচ্চনকে। জুনিয়র বচ্চন এ প্রসঙ্গে বলেন, অভিনেতা হিসেবে আমরা সবাই সবসময়ে ব্যক্তিগত জীবনের সঙ্গে যোগ খোঁজার চেষ্টা করি। বাস্তবের অভিজ্ঞতার সঙ্গে মিল খুঁজে পেলে অভিনয় আরও সহজ হয়ে ওঠে। নিখুঁতভাবে চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলা সম্ভব হয়।

    এ সিনেমাতে অভিষেকের কন্যার চরিত্রে অভিনয় করেছে ইনায়ত ভার্মা। ‘লুডো’ সিনেমাতেও অভিষেকের কন্যার চরিত্রে অভিনয় করেছিল ইনায়ত। এ ছাড়া এ সিনেমায় আরও আছেন নোরা ফাতেহি, হারলিন শেঠি, জনি লিভার প্রমুখ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে হলিউড সিনেমায় অভিনয়ে রাজি হননি ঐশ্বরিয়া

    বলিউডের পাশাপাশি হলিউডের সিনেমায়ও অভিনয় করেছেন ঐশ্বরিয়ার রাই। কিন্তু ক্যারিয়ারে তিনি হলিউডের একটি সিনেমায় অভিনয়ের সিদ্ধান্ত বাতিল করেছিলেন এ কারণে, সিনেমার গল্পে চুম্বনের দৃশ্য ছিল। 

    পরে সে সিনেমায় অভিনয় করেছেন অ্যাঞ্জেলিনা জোলি এবং সেটি সুপারহিটও হয়েছিল। সিনেমার নাম ‘মিস্টার অ্যান্ড মিসেস স্মিথ’। 

    ২০০৫ সালে মুক্তি পাওয়া এ সিনেমা প্রায় ৪০০০ কোটি টাকার ব্যবসা করেছিল। পরিচালনা করেছিলেন ডগ লিম্যান। ভারতীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, সিনেমায় কিছু চুম্বন দৃশ্য এবং অন্তরঙ্গ দৃশ্যের কারণে অভিনয় করতে রাজি হননি ঐশ্বরিয়া। পরে অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সঙ্গে ব্র্যাড পিট অভিনয় করেছেন। এটি একটি রোমান্টিক অ্যাকশন সিনেমা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিচ্ছেদ গুঞ্জন উড়িয়ে বিয়েবাড়িতে ম্যাচিং পোশাকে অভিষেক-ঐশ্বর্য

    ঐশ্বরিয়া রাই এবং অভিষেক বচ্চন মধ্যে ডিভোর্সের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছিল ২০২৪ সালের জুলাই মাস থেকে। অনন্ত আম্বানির বিয়ের অনুষ্ঠানের পর থেকেই এই বিষয়টা প্রকাশ্যে আসা শুরু হয়েছিল।

    কেউ বলেছেন এই দম্পতির মধ্যে তৃতীয় ব্যক্তি ঢুকে পড়েছেন। কেউ বলেছেন শাশুড়ি জয়ার সঙ্গে রাই সুন্দরীর সম্পর্ক ভালো না। আবার কারোর কথায়, ননদের কারণেই শ্বশুরবাড়ি থেকে আলাদা থাকছেন ঐশ্বরিয়া। সম্পত্তি নিয়ে নাকি ঝগড়া?

    যদিও এসব গুঞ্জন উড়িয়ে দিয়ে গত বছরের শেষে আরাধ্যা বচ্চনের স্কুলের বার্ষিক ঐশ্বরিয়ার সঙ্গেই পৌঁছেছিলেন অভিতাভ-অভিষেক। তারপর আবার সপরিবারে ঘুরতেও গিয়েছিলেন তারা। আর এবার পরিচালক আশুতোষ গোয়ারিকরের ছেলের বিয়েতে একসঙ্গেই পৌঁছালেন অভিষেক-ঐশ্বরিয়া। সেখানে আবার তাদের পোশাকেও ছিল ম্যাচিং রঙ।

    অভিষের পরেছিলেন আইভরি রঙের গলাবন্ধ। আর ঐশ্বরিয়া ওই রঙেরই আনারকলি ড্রেস পরেছিলেন। সুন্দর এই মুহূর্তটি ভাইরাল হয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। জানা যাচ্ছে, বৃন্দাবন মন্দিরে যাওয়ার আমন্ত্রণও পেয়েছেন এই দম্পতি।

    শুধু তাই নয়, বিয়েবাড়িতে নতুন বর-কনে কোনার্ক গোয়ারিকর ও নিয়তি কানাকিয়ারসহ অন্যান্য আরও অনেকের সঙ্গেই পোজ দিতে দেখা যায় ঐশ্বরিয়া-অভিষেককে। 

    এদিকে অভিষেক-ঐশ্বরিয়াকে একসঙ্গে দেখে নেটপাড়ায় কমেন্টের বন্যা বয়ে গেছে। একজন লিখেছেন, ‘অবশেষে তারা এক হলেন।’ কেউ লিখেছেন, ‘যাক, ঝগড়া মিটেছে তাহলে!’ একজন কটাক্ষ করে লিখেছেন, ‘কারা যেন বলছিলেন ওদের ডিভোর্স হবে! কেউ কেউ তো অভিষেকের দ্বিতীয় বিয়ের কথাও ভেবে ফেললেন!’

    বিনোদন ডেস্ক

  • বেস্টফ্রেন্ড থেকে শত্রু, যে কারণে ভেঙে যায় রানি-ঐশ্বর্যর সম্পর্ক

    বলিউড মানেই রঙের খেলা। এই রঙিন জগৎটিতে নাকি বন্ধুত্ব আর প্রতারণা একই সঙ্গে চলে। তারই একটা বড় উদাহরণ বলিউডের দুই জনপ্রিয় অভিনেত্রী রানি মুখোপাধ্যায় ও ঐশ্বরিয়া রাই। একটা সময় তারা নাকি ছিলেন বেস্টফ্রেন্ড। প্রকাশ্যে তেমনই দাবি করতেন দুজনে। 

    কিন্তু বিপত্তিটা বাঁধে নাকি অভিষেক বচ্চনকে নিয়ে। অভিষেকের সঙ্গে এক সময় নাকি প্রেম ছিল রানির। সে সব নিয়ে মিডিয়ার সামনে মুখও খুলেছিলেন রানি।

    তবে অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া রাই বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নেওয়াতেই নাকি মন ভেঙেছিল বাঙালি মেয়ে রানি মুখোপাধ্যায়ের। অনেকেরই ধারণা, বচ্চন পরিবারের বৌমা হওয়ার বেজায় শখ ছিল রানির। তা না হতে পারাতেই সম্পর্ক ক্রমশ আলগা হয়। 

    রানি ও ঐশ্বরিয়ার সম্পর্ক খারাপ হতে শুরু করে বহুদিন ধরেই। সালটা ২০০২। সে সময় মুক্তি পেয়েছিল ‘চালতে চালতে’। ছবিতে ছিলেন শাহরুখ খান ও রানি। তবে রানি কিন্তু পরিচালকের প্রথম পছন্দ ছিলেন না। ভাবা হয়েছিল ঐশ্বরিয়াকেই। সেই মতো শুরু হয়ে যায় শুটিংও। তবে কিছুদিন শুটিং করার পর সরে আসেন ঐশ্বরিয়া।

    শোনা যায়, শাহরুখের সঙ্গে ঐশ্বরিয়ার রসায়ন নাকি ভালোভাবে নেননি তার সেই সময়ের প্রেমিক সালমান খান। সেটে গিয়ে শাহরুখ ও পুরো টিমের সঙ্গে ব্যাপক ঝামেলা হয়েছিল সালমানের। এতটাই বাড়াবাড়ি হয় যে সেই ছবি থেকে সরে আসতে বাধ্য হন ঐশ্বরিয়া; তার জায়গায় নেওয়া হয় রানিকে। 

    রানি ও ঐশ্বরিয়া ছিলেন বন্ধু। তার ছেড়ে যাওয়া ছবি রানি করছেন জেনেই নাকি মন খারাপ হয় অভিনেত্রীর। রানির সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দেন তিনি। সম্পর্ক খারাপ হওয়ার সূত্রপাত সেখানেই। এখানেই শেষ নয়, পরবর্তীতে যখন ঐশ্বরিয়া ও অভিষেক বিয়ে করেন তখন আমন্ত্রণ জানানো হয়নি রানিকে। 

    বেশ কিছু বছর আগে ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে এক সাক্ষাৎকারে মুখ খুলেছিলেন রানি। বলেছিলেন, ‘আমার কিন্তু ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে সমস্যা নেই। ওর থাকতে পারে। সে নিজেই আমার সঙ্গে কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছে। তবে আশা রাখছি সামনাসামনি দেখা হলে সব মিটে যাবে।’

    এরপর বহুবার সামনাসামনি দেখা হয়েছে তাদের। তবে সমস্যা মেটেনি। আজও দূরত্ব বজায় রেখে চলেন বলিউডের এই দুই সুন্দরী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিষেকের ছোটবেলার ছবি শেয়ার করে যা লিখলেন ঐশ্বরিয়া

    ২০২৪ সালে বলিউডের অন্যতম চর্চিত বিষয় ছিল অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার জুটি। তাদের বিচ্ছেদের গুঞ্জন রীতিমতো স্তম্ভিত করেছিল ভক্তদের। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে অনেক সম্পর্ক আবারও ঠিক হয়ে যায়। এই তারকা দম্পতির ক্ষেত্রেও হয়ত তেমনটাই ঘটেছে। অভিষেকের জন্মদিনে ঐশ্বরিয়ার শুভেচ্ছা নিন্দুকদের খানিক জবাব বলা চলে। তবে এ যেমন তেমন শুভেচ্ছা নয়, একেবারে অভিনেতার ছোটবেলার সুন্দর মুহূর্ত তুলে ধরেছেন সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী

    ৪৯ বছরে পা দিলেন অভিষেক। তাই তো দিনভর ভক্ত থেকে সেলিব্রিটি, সামাজিক মাধ্যমে একের পর এক শুভেচ্ছাবার্তা পেয়েছেন অভিষেক। তবে সবার নজর ছিল ঐশ্বরিয়ার দিকে। তার পক্ষ থেকে কী বিশেষ বার্তা আসে, সেইদিকে। বেলাশেষে সেই প্রতীক্ষার অবসান ঘটে। অভিষেকের শৈশবেরে এটি ছবি শেয়ার করে ভালোবাসায় জানান দিলেন রাই সুন্দরী। সুস্বাস্থ্য, সুন্দর জীবনের প্রার্থনাও করলেন।

    পোস্ট করা ছবিতে দেখা যায়, সাদাকালো ছবিতে দেখা যাচ্ছে, একটা খেলনা গাড়ির উপরে বসে রয়েছেন অভিনেতা। ঐশ্বরিয়া লিখলেন, ‘জন্মদিনের অনেক শুভেচ্ছা। সুখ, সমৃদ্ধি, সুস্বাস্থ্য, ভালোবাসা ও তোমার জীবনে আলোর কামনা করি। ঈশ্বর মঙ্গল করুন।’ ঐশ্বরিয়ার পোস্ট করা ছবিটি মুহূর্তে ভাইরাল সামাজিক মাধ্যমে। সবাই ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন।

    তবে শুধু অভিষেকের জন্মদিনে নয়। গত অক্টোবরে অমিতাভ বচ্চনের জন্মদিনেও সামাজিক মাধ্যমে বিগ বি-কে শুভেচ্ছা জানাতে দেখা গেছে ঐশ্বরিয়াকে। এমনকি, মেয়ে আরাধ্যার জন্মদিনও একসঙ্গেই পালন করেছেন দম্পতি। শুধু ঐশ্বরিয়া একাই নন, নানা চর্চা মাঝেও স্ত্রীর জন্মদিনেও সোশ্যাল মিডিয়ায় শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন অভিষেক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘সৌন্দর্য দুদিনের’, পুত্রবধূকে অমিতাভ

    বলিউড কুইন ঐশ্বরিয়া রাই ৫১’তে পা রেখেছেন কিছুদিন আগে। তবে এ বয়সেও নিজের লাবণ্য ধরে রখেছেন তিনি। সমালোচকরা বয়সজনিত মেদ বাড়ার কারণে অভিনেত্রীর সমালোচনা করলেও তার রূপ-সৌন্দর্যকে অস্বীকার করতে পারেননি। এই বয়সেও একটুও আকর্ষণ কমেনি সাবেক এই বিশ্বসুন্দরীর। নীল চোখের চাহনি আর মনোমুগ্ধকর হাসি আজও তার অনুরাগীদের মোহিত করে। 

    যদিও এখন সিনেমায় কাজ প্রায় বন্ধ করে দিয়েছেন ঐশ্বরিয়া। মেয়ে আরাধ্যা বচ্চনের দায়িত্ব নিয়েই রুপালি পর্দা থেকে দূরে আছেন তিনি। তবে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অনুষ্ঠানে তার উজ্জ্বল উপস্থিতি চোখে পড়ে ঠিকই।

    গত বছর থেকেই বচ্চন পরিবারের অন্দরমহল নিয়ে নানা গুঞ্জন চলছিল। শোনা যায়, ঐশ্বরিয়া ও অভিষেক বিচ্ছেদের পথে পা বাড়াতে চলেছেন। তবে তাদের পারিবারিক সমস্যা নিয়ে প্রশ্ন উঠলেও, ২০২৪ সাল শেষ হওয়ার আগেই সেই জল্পনাকে নস্যাৎ করেছেন তারা। 

    তবে সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে তার শ্বশুর বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনের একটি মন্তব্যে বচ্চন পরিবারের সদস্যদের মধ্যে দ্বন্দ্বের বিষয়টি নিয়ে আবারও আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

    সম্প্রতি ‘কৌন বানেগা ক্রোড়পতি ১৬’-এর সঞ্চালকের দায়িত্ব পালন করছেন অমিতাভ বচ্চন। দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে প্রতিযোগীরা আসেন এই রিয়্যালিটি শোতে। এরই এক পর্বে অমিতাভের সামনে উপস্থিত হন ঐশ্বরিয়ার এক ক্ষুদে ভক্ত।

    অনুষ্ঠানে সেই কিশোরী অমিতাভের কাছে ঐশ্বরিয়ার রূপের রহস্য জানতে চেয়ে বলেন, ঐশ্বরিয়া রাই তো খুব সুন্দর, তাই না! আপনি তো তার সঙ্গে থাকেন। তার কাছ থেকে জেনে তার সৌন্দর্যের কোনো টিপস দিতে পারবেন?

    অমিতাভ তখন বলেন, ‘আমরা জানি তিনি সুন্দরী। কিন্তু বাইরের সৌন্দর্য তো দু’দিনের। আজ আছে কাল নেই। তবে মনের সৌন্দর্য চিরদিন থেকে যায়।

    এক কিশোরীর প্রশ্নের উত্তরে এমন কথা বলার পর থেকেই অমিতাভকে নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে। আসলে তিনি কী বলতে চেয়েছেন? শুধুই কী নাতনির বয়সি কিশোরীকে নৈতিক শিক্ষা দিয়েছেন, নাকি তার কথার মধ্যে অন্য কিছু ছিল? তবে কী এখনো মনোমালিন্য চলছে ঐশ্বরিয়া রাইয়ের সঙ্গে বচ্চন পরিবারের? এমন প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে ভক্ত-দর্শকদের মনে।

    অনলাইন ডেস্ক

  • ‘আমি কাউকে সরাই না, যে যার মতো আসে থাকে শেষে চলে যায়’

    এরই নাম বুঝি প্রেম। এরই নাম ভালোবাসা। সাক্ষাৎ নেই দুই যুগেরও বেশি। অথচ এখনো রয়েছে মনে, এখনো ছবি রয়েছে মুঠোফোনে। তবু অপেক্ষার অন্ত নেই। একের পর এক প্রেম। তারপরও বলিউডের ভাইজানখ্যাত অভিনেতা সালমান খানের অস্তিত্ব জুড়ে আছে শুধুই একটি নাম— সাবেক বিশ্বসুন্দরী ও অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই। 

    সম্প্রতি এসব কথা সদ্য ফাঁস করে দিয়েছেন বন্ধু বলিউডের মিস্টার পারফেকশনিস্ট অভিনেতা আমির খান। ‘বিগ বস ১৮’-এর মঞ্চে পর্দার দুই সহ-অভিনেতা মুখোমুখি। তাদের পর্দাভাগেরও অনেক বছর পার হয়েছে। তবু সখ্য রয়ে গেছে, বন্ধুত্ব রয়েছে। সেই সুবাদেই বন্ধুর ফোন ঘাঁটছিলেন মিস্টার পারফেকশনিস্ট। তখনই তার চোখে পড়ে তিনি (ঐশ্বরিয়া) রয়ে গেছেন। শুধুই ছবিতে নয়, ফোনকল লিস্টেও! নিয়মিত নাকি ডাক আসে তার, এখনো।

    সামাজিকমাধ্যমে উঁকি দিলেই এখনো তারা যত্রতত্র-সর্বত্র! প্রেম থাক না থাক—ভক্ত-অনুরাগীরা মন থেকে এখনো চান— মিলন হোক সালমান-ঐশ্বরিয়ার। সেই আকাঙ্ক্ষা থেকেই কখনো দুজনের ছবি জুড়ে যায়। কখনো দুজনের আলাদা ঝলক প্রযুক্তির কৌশলে একাকার! 

    প্রতিযোগিতার মঞ্চ থেকে সেই আকাশ-কুসুম কল্পনাকেই কি উসকে দিলেন আমির খান? এর জবাব মেলেনি। তবে আমিরের উসকানির জবাবে ভাইজান অকপট উত্তর দিলেন— আমি কাউকে সরাই না। যেতে দিই না। যে যার মতো করে আসে, থাকে এবং নিজেরাই আবার চলে যায়। 

    সালমান জানান, না সরালেও এতজনের মধ্যে একজনকে তিনিই নাকি ‘ব্লক’ করেছেন। ‘বড্ড জ্বালায়’, মৃদু অনুযোগ সালমানের। তারপরই সতর্ক— আমির যে ফোন ঘাঁটতে ঘাঁটতে সব প্রকাশ্যে এনে ফেলছেন।

    পুরোটাই চিত্রনাট্যের কারসাজি। এই ফোন ঘাঁটা, প্রেমিকা নিয়ে দুই বন্ধুর খুনসুটি— সব। তবু ওই বিশেষ জনের নাম শুনলেই ৬০ ছুঁই ছুঁই সালমানের চোখে প্রেম ছলকে যায়, এখনো! ক্যামেরার চোখেও ধুলা দিতে পারেন না তিনি। প্রেমিকা অন্য কারও ঘরনি— তার পরও ‘ভাই’ কেবল রাইয়েরই ‘জান’ হয়ে থেকে গেলেন আজও।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আরাধ্যার জন্য শুধু ঐশ্বরিয়া নয়, বাবা-মায়ের ওপর আস্থা অভিষেকের

    বলিউড অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ও অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের সম্পর্ক নিয়ে গত বছর বেশ সরগরম ছিল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। এ নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে ছিল আলোচনা-সমালোচনা। সত্যি কি আলাদা থাকছেন এ দম্পতি? এমন আলোচনায় উঠে এসেছে অভিষেক বচ্চনের পরকীয়া চর্চাও। তবে নিন্দুকদের এর মধ্যেই মুখে ছাই ঢেলে দিয়েছেন অভিনেতা। মেয়ে-স্ত্রীর হাত ধরে ছুটি কাটিয়ে ফিরেছেন অভিষেক। এর মাঝেই কেমন রয়েছে তাদের একমাত্র কন্যা আরাধ্যা? কীভাবে তার দেখাশোনা করেন অভিভাবকরা— প্রশ্ন ওঠে বারবার। 

    মাত্র ১৩ বছর বয়সেই প্রচারের তীব্র আলো আরাধ্যার ওপর। গত এক বছরে বেশিরভাগ সময়ই কিশোরী আরাধ্যাকে দেখা গেছে তার মায়ের সঙ্গে। একদিকে বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনের নাতনি, অন্যদিকে সাবেক বিশ্বসুন্দরীর কন্যা— এ দুইয়ে মিলে আরাধ্যার ওপর প্রত্যাশার চাপ একটু বেশিই। কীভাবে তাকে সামলান অভিভাবকরা? সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সে কথাই জানিয়েছেন বাবা অভিষেক বচ্চন। 

    অভিনেতা যা শিখেছেন সবই তার বাবা-মায়ের কাছ থেকে। সবসময় যে বলে বলে শেখানো হয়েছে তা নয়; বরং তাদের জীবন-যাপন থেকেই শিখেছেন। নিজের মেয়ের মধ্যেও সেই মূল্যবোধগুলো গড়ে দিতে চান তিনি। 

    অভিষেক বলেন, আমি আসলে কে? এই খোঁজ করতে করতেই জীবন কেটে যায়। কিন্তু এই সময়কালে কিছু মূল্যবোধ থাকা প্রয়োজন। আর যদি কেউ এই মূল্যবোধের জন্য আপনাকে মনে রাখে, এই মূল্যবোধ যদি আপনার পরিচিতি হয়ে ওঠে, তা হলেই বুঝতে হবে— আপনার জীবন সফল। আমি এই শিক্ষায় বড় হয়েছি। বাবা-মাকে দেখে শিখেছি।  আর আমি আশা করি— আমিও আমার মেয়েকে এমন শিক্ষাই দিতে পারব।

    এ অভিনেতা বলেন, তবে সবসময় অভিভাবকরাই যে সেরা শিক্ষক হয়ে উঠবেন, তা মনে করি না। তিনি বলেন, আমি মনে করি না বাবা-মা সবসময় সেরা শিক্ষক হয়ে উঠবেন। সন্তানের ক্ষেত্রে আমাদের আবেগ অনেক সময়ই আমাদের ধ্যানধারণার দ্বারা প্রভাবিত হয়। আমার মনে হয় অভিভাবকরা দৃষ্টান্ত স্থাপন করে শিক্ষা দিতে পারেন। 

    এ প্রসঙ্গেই অভিষেক তুলে আনেন নিজের বাবা-মায়ের কথা। তিনি বলেন, আমি যা শিখেছি সবটাই আমার বাবা-মাকে দেখে। সব ওরা আমাকে বলে বলে দেননি। বরং ওরা আমাকে নিজের সিদ্ধান্ত নিজে নেওয়ার স্বাধীনতা দিয়েছিলেন। কিন্তু আজও আমি কোথাও থমকে গেলে, বসে ভাবি— এই পরিস্থিতিতে আমার বাবা থাকলে কী করতেন?

    অভিষেক নিজেকে নিজের বাবার জায়গায় দেখতে চান। সে কথা স্পষ্টই জানিয়েছেন তিনি। অমিতাভ বচ্চন ৮২ বছর বয়সেও সকাল ৭টায় শুটিং শুরু করেন। এই দৃষ্টান্তকেই নিজের জীবনের পাথেয় করতে চান অভিষেক। অভিনেতা বলেন, তিনি চান তার যখন ৮২ বছর বয়স হবে, তার মেয়েও যেন একইভাবে তাকে নিয়ে গর্ববোধ করতে পারে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাবা-মাকে একসঙ্গে পেয়ে এয়ারপোর্টে এ কী কাণ্ড করল আরাধ্যা!

    ২০২৪ সাল জুড়ে সংবাদের শিরোনামে থেকেছে অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার ডিভোর্স চর্চা। গত বছর আম্বানীদের বিয়ের অনুষ্ঠানে বচ্চন পরিবারের সঙ্গে ছিলেন না ঐশ্বরিয়া। তিনি মেয়ে আরাধ্যাকে নিয়ে আলাদাভাবে অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন। সেই ঘটনার পর থেকেই জোরেশোরে শুরু হয় এই দম্পতির বিচ্ছেদের চর্চা। যা নিয়ে বছরজুড়েই সরগরম ছিল বলিউডপাড়া।

    তবে এতো আলোচনা-সমালোচনার পরও ডিভোর্স নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন দুজনেই। কিন্তু নতুন বছরের শুরুতেই খুশির জোয়ারে ভাসছেন রাই সুন্দরীর ভক্তরা। কারণ শনিবার ভোরে মুম্বাই এয়ারপোর্টে একফ্রেমে পাওয়া গেল অভিষেক-ঐশ্বরিয়াকে। 

    মাত্র কয়েকদিন আগে আরাধ্যা জন্মদিন ছিল। তবে ওদিন তাকে ইউস করতে দেখা যায়নি বচ্চন পরিবারের কাউকেই। তবে সম্প্রতি আরাধ্যার স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানে হাজির হয়েছিলেন অভিষেক-অমিতাভ। শুধু তাই নয়, এবার মেয়ে-বউকে নিয়েই বিদেশে বর্ষবরণও করেছেন অভিষেক। সবশেষ এয়ারপোর্টে তিনজনকে একসঙ্গে দেখে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলছে অ্যাশ-অভির ভক্তরা। 

    এদিন সকালে নববর্ষের ছুটি কাটিয়ে বাড়ি ফেরার সময় সামাজিক মাধ্যমে বচ্চন দম্পতির ভিডিও ভাইরাল হয়। অভিষেক প্রথমে এয়ারপোর্টের গেট দিয়ে বেরিয়ে আসেন, পিছনে ঐশ্বরিয়া ও আরাধ্যা। পাপারাজ্জিদের নববর্ষের শুভেচ্ছা জানানোর সময় তিনজনেই হাসিমুখে গাড়িতে উঠলেন। 

    এয়ারপোর্টের ওই ভিডিওতে দেখা যায়, আরাধ্যা বচ্চন বেশ উৎফুল্ল। গেটের বাইরে এসে মায়ের হাত জাপটে ধরেন আরাধ্যা। খানিকবাদে বডিগার্ডের সঙ্গে টক্কর এড়াতেই লাফিয়ে উঠেন ঐশ্বরিয়া ১৩ বছরের মেয়ে। এরপর দেখা যায়, বউ মেয়ের জন্য গাড়ির দরজা খুলে দেন অভিষেক। 

    ভিডিওটির মন্তব্যে অনেক নেটিজেন দাবি করছেন, আরাধ্যা আনন্দের চোটেই লাফাচ্ছে, কারণ দীর্ঘদিন পর বাবা-মার সঙ্গে একটি সুখী পরিবারের মতো ছুটি কাটাতে গিয়েছিল সে। সেই ঘোর এখনো কাটেনি। 

    অভিষেককে শেষবার সুজিত সরকারের ছবি আই ওয়ান্ট টু টক (২০২৪)-এ। যা বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। এরপরে মুক্তি পাবে অভিষেকের হাউসফুল ৫ রয়েছে। এদিকে, ভক্তরা অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন রাই সুন্দরীর পরবর্তী প্রোজেক্টের জন্য। পোন্নিয়িন সেলভান: ২ (২০২৩) এর পরে এখনো নতুন কাজের ঘোষণা দেননি ঐশ্বর্য।

    বিনোদন ডেস্ক