Tag: ঐশ্বরিয়া রাই

  • মেয়ে আরাধ্যার জন্য কত টাকায় দুবাইয়ে বিলাসবহুল বাড়ি কিনলেন অভিষেক-ঐশ্বরিয়া!

    বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই ও অভিনেতা অভিষেক বচ্চনের দাম্পত্য জীবন বছর দেড়েক ধরেই আলোচনায় রয়েছে। মাঝে গুঞ্জন ছড়ায়, এই দম্পতির বিচ্ছেদ হয়ছে। তবে এসব গুঞ্জনে চটোপঘাত করে ১৮তম বিবাহবার্ষিকীতে স্বামী-কন্যাকে নিয়ে ছবি দিয়ে ঐশ্বরিয়া স্পষ্ট করে দেন- তারা একসঙ্গেই আছেন।

    ২০০৭ সালে বিয়ের সম্পর্কে আবদ্ধ হন ঐশ্বরিয়া ও অভিষেক। ২০১১ সালে জন্ম আরাধ্যার। তার পর থেকেই অভিনয়ের কাজ কমিয়ে দেন ঐশ্বরিয়া। তার ধ্যানজ্ঞান হয়ে ওঠে মেয়ে। মাস কয়েক আগেই ১৩ বছরে পা দিয়েছে আরাধ্যা। মেয়ের জন্য নতুন করে ভাবতে শুরু করেছেন অভিভাবকেরা।

    যদিও বছর দশেক আগেই মেয়ের জন্য দুবাইয়ে বিলাসবহুল একটি সম্পত্তি কেনেন বচ্চন দম্পতি। যার অন্দরে রয়েছে গল্‌ফ খেলার মাঠ, বিরাট বাগান, ঝর্না, বিশাল পুল-সহ যাবতীয় আধুনিক ব্যবস্থাপনা।

    ২০১৫ সালে দুবাইয়ে এই বাড়ি কিনেছিলেন ঐশ্বরিয়া ও অভিষেক। দুবাইয়ের জুমেইরা গল্‌ফ এস্টেটে তারকা দম্পতির বিলাসবহুল বাড়ি রয়েছে। এই বাড়ির দামও আকাশছোঁয়া। 

    এক ঘনিষ্ঠ সূত্রের মতে, এই বাড়ির দাম ১৬ কোটি টাকা। বাড়িতে রয়েছে উন্নত মানের সুইমিং পুল। রান্নাঘরও তৈরি উন্নত প্রযুক্তিতে। তবে বাড়ির সবচেয়ে আকর্ষণীয় স্থান হল হোম থিয়েটার। দুবাইয়ের এই একই এলাকায় বাড়ি রয়েছে শাহরুখ খান, শিল্পা শেঠি, অনন্ত অম্বানীদেরও। 

    ব্যক্তিগত সম্পত্তির দিক থেকে অভিষেকের চেয়ে এগিয়ে ঐশ্বরিয়া। অভিনেত্রীর মোট সম্পত্তির পরিমাণ ৭৭৬ কোটি। অন্য দিকে অভিষেক ২৮০ কোটি টাকার সম্পত্তির অধিকারী। তবে শুধু দুবাই নয়, অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার মুম্বাইয়ে নিজেদের বাড়ি ছাড়াও একাধিক সম্পত্তি রয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিছানায় রাগ নিয়ে শুতে যাওয়া যাবে না— এই শর্ত মেনে চলেন অভিষেক-ঐশ্বর্য

    ২০০৭ সালে বিয়ে করে সুখের সংসার গড়েন সাবেক বিশ্বসুন্দরী বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও অভিনেতা অভিষেক বচ্চন। বিয়ের ঠিক তিন বছর পর দম্পতি জানিয়েছিলেন— এমন একটি দিনও নেই, যেদিন তারা ঝগড়া করেন না। কিন্তু কীভাবে এই অশান্তি সামলে উঠে একসঙ্গে থাকেন এ দম্পতি? 

    মনে রাগ নিয়ে কিংবা অশান্তি নিয়ে রাতে ঘুমাতে যাওয়া যায় না। বিছানায় যাওয়ার আগেই সব মিটমাট করে নিতে হয়। এ নিয়মটি তখন থেকেই মেনে আসছেন এ দম্পতি।

     সেই সাক্ষাৎকারে আরও এক প্রশ্ন করা হয়েছিল— ঝগড়া হলে কে আগে ক্ষমা চান? উত্তরে অভিষেক বলেছিলেন—আমিই ক্ষমা চাই সবার আগে। নারীরা কখনো আগে ক্ষমা চায় না। তবে আমাদের একটা নিয়ম রয়েছে— মিটমাট না করে ঘুমাতে যাওয়া যাবে না। আসলে আমরা আগে ক্ষমা চেয়ে মিটিয়ে নিই। কারণ আমাদের ঘুম পেয়ে যায়।

    ২০২৪ সালে ছড়িয়ে পড়েছিল ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও অভিষেক বচ্চনের বিচ্ছেদের খবর। বলিপাড়া ছাড়াও সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে চলে আলোচনা-সমালোচনা। কখনো তৃতীয় ব্যক্তির প্রবেশ, আবার কখনো বনিবনার অভাব— নানা কারণ উঠে এসেছিল এ প্রসঙ্গে। সেই জল্পনায় নিজেরাই পানি ঢেলেছেন এ তারকা দম্পতি। তবে একটা সময়ে ঐশ্বরিয়া ও অভিষেক নিজেরাই জানিয়েছিলেন— তাদের ঘরে নিত্যকলহ।

    ঐশ্বরিয়া বলেছিলেন, আমরা রোজ ঝগড়া করি। সঙ্গে সঙ্গে অভিষেক জানিয়েছিলেন— ঝগড়া হলেও তা খুব গুরুতর জায়গায় পৌঁছায় না। তিনি বলেছিলেন, আসলে ঠিক ঝগড়া নয়; আমাদের মধ্যে নানা বিষয়ে মতের অমিল হয়। স্বাস্থ্যকর তর্কাতর্কি হয়। না হলে তো একঘেয়েমি এসে যেত।

    দাম্পত্যে স্বচ্ছতা থাকা খুবই জরুরি বলে মনে করেন অভিষেক বচ্চন। সৎভাবে খোলামেলা আলোচনা করলে তবেই দাম্পত্য সুখের হয়। আর যে কোনো স্বামী-স্ত্রীর মধ্যেই কথা কাটাকাটি লেগে থাকে বলে মনে করেন অভিষেক। তবে মনোমালিন্য হলেও তা মিটমাট করার ভিন্ন ধরন রয়েছে। এমনই মনে করেন অভিনেতা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়া আবারও মা হচ্ছেন? যা বললেন অভিষেক

    সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ২০০৭ সালে সাতপাকে বাঁধা পড়েন। তাদের ঘরে কন্যা আরাধ্যার আগমন ঘটে। সদ্য ১৩ বছরে পা দিয়েছে এ দম্পতির কন্যা। আরাধ্যার পর বচ্চন পরিবারে আর কোনো অতিথি আসেনি। এ কারণে বেশ কয়েকবার গুঞ্জন চাউর হয় যে, এবার কি তাহলে আরাধ্যার খেলার সঙ্গী আসতে চলেছে? 

    খোদ অভিষেককে প্রশ্নটা করেছিলেন অভিনেতা রিতেশ দেশমুখ। তার অনুষ্ঠান ‘কেস বনতা হ্যায়’-এ। 

    এদিকে ২০২৪ সালে ছড়িয়ে পড়ে ঐশ্বরিয়া ও অভিষেকের বিচ্ছেদের খবর। এরই পাশাপাশি উঠছে বচ্চন পরিবারের অন্দরের সমীকরণ নিয়ে নানা প্রশ্ন। আম্বানিদের বাড়ির বিয়ে থেকে যেন আরও স্পষ্ট হয় অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার ভাঙন। আলাদা আলাদা আসেন দুজনে। তারপর দুবাইয়ে এক অনুষ্ঠানে ‘বচ্চন’ পদবি ত্যাগ করে ঐশ্বরিয়া রাই নামে নিজেকে পরিচিত করেন বিশ্বের কাছে। বলিপাড়া ছাড়াও সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে চলে আলোচনা-সমালোচনা। কখনো তৃতীয় ব্যক্তির প্রবেশ—অভিনেত্রী নিমরত কৌর, আবার কখনো বনিবনার অভাব— নানা কারণ উঠে এসেছিল এ প্রসঙ্গ। পরে আরাধ্যার স্কুলের অনুষ্ঠানে একসঙ্গে ঐশ্বরিয়া-অভিষেকের উপস্থিতি সেই জল্পনায় পানি ঢেলে দেন এ তারকা দম্পতি।

     জানা গেছে, মেয়ের জন্যই নিজেদের ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে একসঙ্গে রয়েছেন তারা। কিন্তু রিতেশ বছরখানেক আগেই তার অনুষ্ঠানে জিজ্ঞেস করেছিলেন— আপনাদের বাড়িতে অমিতাভ, ঐশ্বরিয়া, আরাধ্যা, অভিষেকের নাম ইংরাজি ‘এ’ দিয়ে শুরু, শুধু জয়া বচ্চন ও শ্বেতা ছাড়া।  তাতেই অভিষেক বলেন, এটাই যেন প্রথা হয়ে গেছে। 

    অভিষেককে রিতেশ প্রশ্ন করেন— ‘জয়া আন্টি কোনো দোষ করেছিলেন? অভিনেতা বলেন, পরবর্তী প্রজন্মে এলে তখন হয়তো বদল হবে। রিতেশ পাল্টা জানতে চান, তবে আরাধ্যার পর নতুন অতিথি আসছে? অভিষেক অবশ্য প্রশ্ন শুনেই লাজুক হেসে বলেন, বয়সটা তো দেখতে হবে নাকি। রিতেশ বলেন, তোমার থেকে বয়সে বড়, সম্মান দাও সেটার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিষেকের সঙ্গে বিয়ের পর ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে অমিতাভের মন্তব্য ভাইরাল

    অমিতাভ বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন আজকাল আর সেভাবে একে অপরকে নিয়ে প্রকাশ্যে কিংবা সামাজিক মাধ্যমে কোনো কথা বলেন না। তবে তাদের একে অপরের সঙ্গে ছোট ছোট উপস্থিতি ও স্নেহের বিরল মুহুর্তই তাদের বন্ধনকে আরও স্পষ্ট করে দেয়। 

    গত ডিসেম্বরে মুম্বাইয়ে মেয়ে আরাধ্যার স্কুলের বার্ষিক অনুষ্ঠানে শ্বশুর অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে হাজির ছিলেন ঐশ্বরিয়াও। অনুরাগীদের চোখ এড়ায়নি যে সেই অনুষ্ঠানে রাই সুন্দরী তার শ্বশুরের হাত ধরে তাকে স্বাচ্ছন্দ্যে হাঁটতে সাহায্য করছিলেন।

    তবে শুধু পুত্রবধূ হিসাবে নয় ঐশ্বরিয়া তারও বহু আগে থেকে অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে এক ছবিতে অভিনয়ও করেছেন। তারা দুজনেই ‘মহব্বত’ ছবিতে স্ক্রিন শেয়ার করেছিলেন, যেখানে অমিতাভ তার বাবার চরিত্রে অভিনয় করেন। ছবির সেই চরিত্রে অমিতাভ বাইরে থেকে একজন কঠোর নিয়মানুবর্তি এবং একই সঙ্গে নিয়ম মেনে তিনি মেয়েকে মানুষ করেছিলেন।

    অভিষেকের সঙ্গে বিয়ের পর এক সাক্ষাৎকারে অমিতাভ বলেছিলেন, ঐশ্বরিয়া কত সহজে তাদের পরিবারের অংশ হয়ে উঠেছেন। ২০১৯ সালে একটি অনুষ্ঠানে কথা বলতে গিয়ে বিগ বি বলেছিলেন, ‘আমাদের জন্য আলাদা করে কিছুই বদলাইনি, মনে হচ্ছিল এক মেয়ে চলে গেছে এবং আরেকজন এসেছে।’

    অমিতাভ সবসময়ই নিজের মেয়ে শ্বেতা বচ্চন নন্দার প্রতি তার ভালোবাসার কথা প্রকাশ করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়াতেও তিনি শ্বেতার সঙ্গে ছবি শেয়ার করেন। তবে তিনি ঐশ্বরিয়ার প্রতিও ঠিক ততটাই স্নেহশীল, প্রায়শই জন্মদিন বা উৎসবে তার পারিবারিক ছবিতে সে বিষয়গুলোও ফুটে ওঠে।

    ২০২০ সালে, পুরো বচ্চন পরিবার- অমিতাভ, অভিষেক, ঐশ্বরিয়া এবং আরাধ্য কোভিড-১৯ এ আক্রান্ত হয়েছিলেন। ঐশ্বরিয়া ও আরাধ্যকে হাসপাতাল থেকে ছাড়ার পর আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন অমিতাভ। সেই সময় তিনি হিন্দিতে একটি টুইট করে লিখেছিলেন, ‘আপনি ছোট বিটিয়া অর বহু রানি কো হাসপাতল সে মুক্তি মিলনে পার মে রোক না পায়া আপনে আঁসু। প্রভু তেরি কৃপা আপার, অপ্রাম্পার। অর্থাৎ- আমার ছোট মেয়ে এবং পুত্রবধূকে হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেতে দেখে, আমি আমার কান্না থামাতে পারিনি)।

    এরপর ২০২৪ সালে ছড়িয়ে পড়ে বচ্চন পরিবারে ফাটলের গুঞ্জন। এমনকি অভিষেক-ঐশ্বরিয়ার ডিভোর্সের খবরও ছড়িয়ে পড়ে। যদিও বচ্চন বাড়ির কেউই এই গুজবের বিষয়ে কখনো কথা বলেননি এবং মর্যাদাপূর্ণ নীরবতা বজায় রেখেছিলেন। তবে ঐশ্বরিয়া, অমিতাভ এবং অভিষেক যখন ফের একসঙ্গে বিভিন্ন জায়গায় যেতে শুরু করেন, তখন এই গুঞ্জন থেমে যায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়ার প্রকাশ্যে প্রেম নিবেদন, এড়িয়ে গেলেন অভিষেক!

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিষেক বচ্চন ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের বারবার তাদের ব্যক্তিগত জীবন খবরের শিরোনামে উঠে আসে। গত বছর সামাজিক মাধ্যমে তাদের বিচ্ছেদের খবর নিয়ে নানান আলোচনা-সমালোচনা হয়। তবে সেই খবর যে একেবারেই মিথ্যা ছিল, তা প্রমাণ করে দেন এ দম্পতি। একাধিক অনুষ্ঠানে তাদের দেখা গেছে খোশমেজাজেই। কিন্তু এর মধ্যেই আবার নতুন করে বিতর্ক শুরু। এবার জানা গেল, স্বামীর প্রতি প্রকাশ্যে প্রেম প্রকাশ করার পরও স্ত্রী ঐশ্বরিয়াকে সম্পূর্ণ এড়িয়ে গেলেন অভিষেক? কিন্তু কেন? 

    সামাজিক মাধ্যমে একটি ভিডিও ঘিরেই এ সমস্যার সূত্রপাত। অভিষেক ও অমিতাভ বচ্চনের সঙ্গে প্রথম ভ্রমণের অভিজ্ঞতা শেয়ার করে নিতে দেখা যায় ঐশ্বরিয়াকে। ভিডিওটি পুরোনো হলেও নতুন করে ছড়িয়েছে সামাজিক মাধ্যমে। অভিনেত্রী সেই ভিডিওতে অভিষেকের প্রশংসা করছিলেন। এমনকি জুনিয়র বচ্চনের প্রতি প্রেমও প্রকাশ পায় ঐশ্বরিয়ার কথায়। কিন্তু অভিষেক নাকি সম্পূর্ণ এড়িয়ে যান অভিনেত্রীকে। কোনো গুরুত্বই নাকি দেননি তিনি সাবেক বিশ্বসুন্দরীকে।

    ঐশ্বরিয়া বলেছিলেন, এই প্রথম আমার ভালোবাসা, অর্থাৎ আমার স্বামীর সঙ্গে আমার প্রথম ভ্রমণ। ওটা ওর প্রথম বিশ্বভ্রমণ ছিল। এই ভ্রমণের কথা আমার সারাজীবন মনে থাকবে। কারণ আমরা একসঙ্গে গিয়েছিলাম। তিনি বলেন, এই ভ্রমণের অভিজ্ঞতা আমার কাছে আরও বিশেষ। কারণ আমার শ্বশুর-শাশুড়িও গিয়েছিলেন। 

    ঐশ্বরিয়া যখন অভিষেকের ভূয়সী প্রশংসায় পঞ্চমুখ, তখন অভিনেতা নাকি নির্বিকার ছিলেন। এই দেখে এক নিন্দুক মন্তব্য করে বলেন, ঐশ্বরিয়া কত ভালো ভালো কথা বলছে অভিষেকের জন্য। আর অভিনেতার মুখটা দেখুন। নিজেকে কি রাজা ভাবেন? ঐশ্বরিয়ার জন্য খারাপ লাগে।

    আরেক নিন্দুক কটাক্ষের সুরে বলেন, আরে ভাই, সামান্য হাসতে তো পারেন। এভাবে মূর্তির মতো দাঁড়িয়ে থাকতে আপনাকে কে বলেছে?

    উল্লেখ্য, ২০০৭ সালে বিয়ে করেছিলেন অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া। তার আগে ‘গুরু’ ছবির শুটিংয়ের সময় থেকে তাদের প্রেম শুরু। ২০১১ সালে তাদের কোলে আসে আরাধ্যা।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • টানা ফ্লপেও দমে যাননি ঐশ্বরিয়া

    বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতার মঞ্চে সেরার মুকুট পরে বিশ্বকে তাক লাগিয়ে দিয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া রাই। সেটার ছাপ রেখেছেন বলিউডেও। রূপের মাধুরী দিয়ে মাতিয়েছেন ইন্ডাস্ট্রি, দর্শক। দীর্ঘ ক্যারিয়ারে উপহার দিয়েছেন অনেকগুলো হিট সিনেমা। কিন্তু জানেন কী, ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে তার অভিনীত ১০টি সিনেমা ফ্লপ হয়েছিল। 

    ওই সময় অনেকটা হতাশও হয়ে পড়েছিলেন অভিনেত্রী। কিন্তু ভেঙে পড়েননি। সবচেয়ে বড় কথা, টানা দশটি ফ্লপ থাকা সত্ত্বেও তার উপর নির্মাতা-প্রযোজকরা আস্থা রেখেছিলেন। সেই আস্থার মর্যাদাও পরে রেখেছেন ঐশ্বরিয়া। কাজ পেয়েছেন বলেই নিজের জাত চেনাতে সক্ষম হয়েছেন। তবে পাঠকমনে নিশ্চয়ই প্রশ্ন জেগেছে, কোন সেই দশ সিনেমা, যা ক্যারিয়ারের শুরুতে বিশ্বসুন্দরীর ঘুম কেড়ে নিয়েছিল। 

    তালিকার শুরুতে আছে ১৯৯৭ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ‘অউর পেয়ার হো গেয়া’। এতে ঐশ্বরিয়ার নায়ক ছিলেন ববি দেওল। মুক্তির পর সিনেমাটি আশানুরূপ সাফল্য পায়নি। বক্স অফিসে মুখ থুবড়ে পড়ে। 

    এরপর ২০০০ সালে অভিষেক বচ্চনের সঙ্গে ‘ঢাই অক্ষর প্রেম কি’ সিনেমায় জুটি বেঁধেছিলেন। কিন্তু দর্শকের মনে নাড়া দিতে পারেননি।  রোমান্টিক ঘরানার এ সিনেমাটিও বক্স অফিসে ব্যর্থ হয়। ওই সময় গোবিন্দ ছিল হিট নায়ক। তার বিপরীতে 

    ঐশ্বরিয়াকে কাস্ট করে নির্মিত হয় ‘আলবেলা’। একেবারে ভিন্নরকম গল্প দিয়েও সিনেমাটি দর্শক টানতে ব্যর্থ হয়। পরের সিনেমার নায়ক অর্জুন রামপাল অবশ্য তেমন হিট কেউ নন। তবু তার সঙ্গে ‘দিল কা রিস্তা’ নিয়েও আশাবাদ ছিল অনেক বেশি। কিন্তু বিধিবাম, এ সিনেমায় প্রিয়াংশু চট্টোপাধ্যায়, রাখি গুলজার, পরেশ রাওয়ালের মতো অভিনয়শিল্পীরা থাকা সত্ত্বেও সিনেমাটি বক্স অফিসে ফ্লপ। ২০০৩ সালে ফের জুটি বাঁধেন অভিষেকের সঙ্গে। কিন্তু এ নায়ক যে তার জন্য শুধুই বোঝা হবেন সেটা কেন জানতো! ওই বছর ‘কুছ না কাহো’ দিয়েও কোনো সুবিধা করতে পারেননি ঐশ্বরিয়া। অভিষেকের পাশাপাশি এ সিনেমায় ছিল আরবাজ খানের উপস্থিতি।

    বলিউডে পলিটিক্সের শিকার বলে দাবি করা অভিনেতা বিবেক ওবেরয়ের সঙ্গে নিজের ভাগ্য পরীক্ষা করেছিলেন ঐশ্বরিয়া। অভিনয় করেছিলেন ‘কিউ হো গেয়া না’-তে। এ সিনেমায় অভিনয় করতে গিয়েই বিবেকের সঙ্গে প্রেম হয় ঐশ্বরিয়ার। কিন্তু প্রেম এবং সিনেমা, কোনোটাই শেষ পর্যন্ত সাফল্যের মুখ দেখেনি। এরপর জানা সত্ত্বেও নির্মাতারা আবারও তাকে জুড়ে দেন অভিষেকের সঙ্গে। আগে দু’বার ফ্লপের খাতায় নাম লেখানোর পরও ‘উমরাও জান’ সিনেমায় অভিষেক-ঐশ্বরিয়া জুটি বাঁধেন। কিন্তু ব্যর্থতার হ্যাটট্রিক যে তাদের জন্য অপেক্ষা করছে, সেটা কী কেই বা জানতো! 

    তবে এ সিনেমায় এশ্বরিয়ার  অভিনয় ছিল চোখে পড়ার মতো। বলিউডের বর্তমান টানা ফ্লপ নায়ক অক্ষয় কুমার। অথচ তিনি ছিলেন একসময়ের টানা হিট অভিনেতা। সেই অক্ষয়ের সঙ্গেও ভাগ্য পরীক্ষায় ক্যারিয়ারের শুরুতে নেমেছিলেন ঐশ্বরিয়া। অভিনয় করেছেন ‘অ্যাকশন রিপ্লে’ নামে একটি সিনেমায়। ২০১০ সালে কমেডির মোড়কে নির্মিত এই সিনেমাটিও বক্স অফিসে ফ্লপ হয়। 

    বলিউডের সবচেয়ে হ্যান্ডসাম নায়ক ঋত্বিক রোশানের সঙ্গে ২০১০ সালে ‘গুজারিস’ সিনেমায় অভিনয় করেছিলেন অ্যাশ। সঞ্জয়লীলা বানশালি এ সিনেমার পরিচালক। স্বভাবতই আশাবাদের পাল্লাটা ছিল অনেক ভারি। কিন্তু সিনেমা পরিচালক, নায়িকা কিংবা নায়ক-কারও ভক্তদেরই ভালো লাগেনি। ফলাফল, বক্স অফিসে ফ্লপ। তালিকার দশ নাম্বার সিনেমা ‘ফানে খান’। এটি একটি মিউজিক্যাল সিনেমা। মুক্তি পায় ২০১৮ সালে। ডাচ সিনেমা ‘এভরিবডি ইজ ফেমাস’র রিমেক এটি। এ সিনেমা দিয়ে পড়তি ক্যারিয়ারের চাকা ঘোরাতে চেয়েছিলেন ঐশ্বরিয়া। কিন্তু পারেননি। বক্স অফিসে ব্যর্থ হয় এটিও। এরপর ঐশ্বরিয়া অবশ্য আরও কোনো সিনেমা দিয়ে আলোচনায় আসতে পারেননি। কারণ, পৃথিবীজুড়ে করোনার হামলা, কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়া এবং পরবর্তীতে শুরু হলে নতুনদের দাপটে ঐশ্বরিয়াকে ব্যস্ত থাকতে হয়েছে ঘর সংসারের কাজে। গত বছর একটি সিনেমা দিয়ে ফিরলেও সেটা মোটেও দর্শকদের মনে দাগ কাটেনি। 

    আনন্দনগর ডেস্ক

  • ‘নিজের অস্তিত্বকে খাটো করে জীবনে কোনো কাজ করব না’

    বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন নাকি সব কথা চুপচাপ শুনে নেন। তারপর সেই সব কথা তার নিজের মধ্যেই থেকে যায়! বাইরে বেরোয় না। ছেলের বউ সম্পর্কে কয়েক বছর আগে এমনই মন্তব্য করেছিলেন স্বয়ং জয়া বচ্চন। 

    তখন তিনি বলেছিলেন, বৌমা বাড়ি এসে কন্যা শ্বেতার জায়গা যেন পূরণ করে দিয়েছেন। পাশাপাশি তিনি এ-ও বলেছিলেন, পারিবারিক জমায়েতে ঐশ্বরিয়া অতিরিক্ত কথা বলে না। ও খুব ভালো করে জানে কারা বচ্চন পরিবারের ভালো বন্ধু।

    পুত্রবধূকে নিয়ে এমন প্রশংসা করেন জয়া নিজেই। যদিও তখন সদ্য বিয়ে হয়েছে ঐশ্বরিয়া-অভিষেকের, প্রায় ১৭ বছর আগের কথা। তখনই নাকি শ্বশুরবাড়ির মন রাখার জন্য কিছু করতে পারবেন না বলে সাফ জানিয়ে দেন সাবেক এই বিশ্বসুন্দরী।

    গত কয়েক মাস ধরেই অভিষেক বচ্চন এবং ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের মধ্যে বিচ্ছেদ নিয়ে চর্চা তুঙ্গে। মাস কয়েক আগে শোনা যায়, ঐশ্বরিয়া তার মেয়ে আরাধ্যাকে নিয়ে বচ্চনদের বাড়ি ছেড়ে চলে যান। ওঠেন নিজের মায়ের কাছে। 

    ঐশ্বরিয়া বরাবরই নিজের অবস্থান পরিষ্কার রেখেছেন সকলের সামনে। বিয়ের পরই তাকে প্রশ্ন করা হয়, শ্বশুরবাড়ির যোগ্য বৌ হতে কিংবা সন্তানের জন্য নিজের আত্মত্যাগ করবেন কি না! তাতেই অভিনেত্রী সাফ জানান, নিজের অস্তিত্বকে খাটো করে জীবনে কোনো কাজ করবেন না।

    যদিও ২০১১ সালে মেয়ে আরাধ্যার জন্মের পর থেকেই কাজ কমিয়ে দিয়েছেন। অভিনেত্রীর জীবন এখন মেয়েকে ঘিরেই যেন আবর্তিত। সন্তান মানুষ করার প্রায় পুরো দায়ভার নিজের কাঁধে নিয়েছেন। মা হিসেবে ঐশ্বরিয়া যে অসাধারণ, সে কথা অভিষেক নিজেই বলেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের পর নিজেকে হারিয়ে ফেলার কোনো প্রশ্নই ওঠে না

    বলিউডের জনপ্রিয় তারকা দম্পতি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই ২০০৭ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। এর পরপরই তারা একটি বৈশ্বিক ট্যুরে বের হন, যার নাম ছিল ‘আনফরগেটেবলস’। সেই ট্যুরের একটি প্রেস কনফারেন্সে একজন রিপোর্টার ঐশ্বরিয়াকে প্রশ্ন করেন, ‘আমরা কি আপনাকে বিয়ে ও সন্তানদের কারণে হারিয়ে ফেলব?’

    এমন প্রশ্নে ঐশ্বরিয়ার ব্যাপক হাসি পায়। হেসে হেসে তিনি বলেন, ‘আমি সন্তানদের জন্য মুখিয়ে আছি, আমি বিবাহিত জীবন উপভোগ করছি, এতে নিজেকে হারিয়ে ফেলার কোনো প্রশ্নই আসে না।’

    বছর কয়েক আগে অভিষেক বচ্চন ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই দেওয়া এক সাক্ষাতকারে জানান, কিভাবে ঐশ্বরিয়া স্বেচ্ছায় মাতৃত্বকে গ্রহণ করেছিলেন এবং কিভাবে তিনি তাদের কন্যা আরাধ্যার জন্য একজন ‘সুপারমম’। 

    সাক্ষাতকারে অভিষেক বলেন, ‘যখন ও মা হলো, তখন তার ক্যারিয়ার দ্বিতীয় সারিতে চলে গেল। আজ সে আরাধ্যর জন্য সবকিছু করে। সে একজন সুপারমম। এখনো মানুষ তাকে পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দরী নারী বলে উল্লেখ করে এবং আমি জানি, সে এই ভালোবাসার জন্য অত্যন্ত কৃতজ্ঞ। সে তার ভক্তদের মূল্য দেয় এবং তার ক্যারিয়ার থেকে পাওয়া প্রশংসা ও চমকগুলো উপভোগ করে। ব্যস্ত ভ্রমণসূচি বা অদ্ভুত সময়ে কাজের চাপের মধ্যেও আমি কখনো তাকে বিমানের সামনের সিট বা পেছনের সিট, মারুতি বা মার্সিডিজ নিয়ে অভিযোগ করতে শুনিনি।’

    ২০১১ সালে মেয়ে আরাধ্যা জন্মের পর থেকে কাজের পরিমাণ কমিয়ে দিয়েছেন ঐশ্বরিয়া। এরপর থেকে তিনি কেবল সেই কাজগুলোই করছেন যেগুলোর জন্য তিনি সত্যিই অনুপ্রাণিত বোধ করেন এবং সেগুলোর জন্য আরাধ্যার পাশে না থেকে শুটিং সেটে যাওয়াটা সার্থক মনে করেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়ার মুখ থেকে যে বাক্যটি শুনলেই দুশ্চিন্তায় পড়ে যান অভিষেক

    প্রায় এক বছর ধরে জল্পনা চলেছিল বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন। শুরুটা হয়েছিল অনন্ত আম্বানী ও রাধিকা মার্চেন্টের বিয়ের আসর থেকে। এরপর থেকে বেশ কিছুদিন একসঙ্গে দেখা যায়নি এ দম্পতিকে। তবে মাঝে মেয়ে আরাধ্যার জন্মদিন নাকি একসঙ্গেই উদ্যাপন করেছিলেন তারা। 

    এরপর আবার আরাধ্যার স্কুলের অনুষ্ঠানে একসঙ্গে হাজির হন বচ্চন দম্পতি। সেখানে জল্পনার অবসান ঘটিয়ে তারকা জুটি এই বার্তাই দেন যে, দিব্যি একসঙ্গে রয়েছেন তারা। 

    বিয়ের প্রায় ১৭ বছর পার করে ফেলেছেন একসঙ্গে কিন্তু এখনো নাকি ঐশ্বরিয়ার ফোন এলেই বুক কাঁপে অভিষেকের।

    সম্প্রতি একটি পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত ছিলেন অভিষেক। সেখানে নিজের সদ্য মুক্তি পাওয়া ‘আই ওয়ান্ট টু টক’ ছবির জন্য পুরস্কৃত হন। আর সেই অনুষ্ঠানেই তাকে জিজ্ঞেস করা হয়, বাস্তব জীবনে কার কাছ থেকে এই চারটি বাক্য, অর্থাৎ ‘আমি কথা বলতে চাই’ শুনলে বেশ চাপেই পড়ে যান জুনিয়র বচ্চন। 

    তাতেই অভিনেতা সাফ বলেন, ‘যখনই আমার স্ত্রী ঐশ্বরিয়া ফোন করে বলেন তিনি কিছু বলতে চান, আমি খুব দুশ্চিন্তায় পড়ে যাই!’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়ার ফোন এলেই চাপে থাকেন অভিষেক!

    বলিউডের তারকা দম্পতি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই। মাস কয়েক আগে গুঞ্জন ছড়ায় বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন তারা।  তবে নিন্দুকের মুখে ছাই দিয়ে তারা জানালেন, কোনো দূরত্ব নয় এখনো কাছাকাছি আছেন উভয়েই। অভিষেক স্ত্রীকে এখনো এতটা ভয় পান যে, ঐশ্বরিয়ার ফোন এলে চাপে পড়ে যান। 

    সম্প্রতি শো-শা রিল অ্যাওয়ার্ডে ‘আই ওয়ান্ট টু টক’ সিনেমার জন্য সেরা অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছেন অভিষেক বচ্চন। সেই মঞ্চেই তিনি স্ত্রী ঐশ্বরিয়া সম্পর্কে এ কথা বলেন। 

    অনুষ্ঠানে অর্জুন কাপুরের সঙ্গে অভিষেকের মজার একটি কথপোকথন নজর কেড়েছে সবার।  এসময় জুনিয়র বচ্চন অর্জুনকে বিয়ে নিয়ে টিপস দেন। শুধু তাই নয় তিনি জানান, ঐশ্বরিয়া থেকে তিনি ফোন পেলেই ভয় পেয়ে যান। চাপে পড়েন। কিন্তু কেন এমনটা হয়?

    এদিন এই অ্যাওয়ার্ডের মঞ্চে অর্জুন কাপুর অভিষেককে জিজ্ঞেস করেন, কে সেই ব্যক্তি যিনি অভিষেককে ‘আমি তোমার সঙ্গে কথা বলতে চাই’ বললেই অভিনেতা চাপে পড়ে যান? 

    জবাবে অভিনেতা বলেন, ‘তোমার এখনো বিয়ে হয়নি না? যখন হবে তখন তুমি এটার উত্তর পেয়ে যাবে।’ অভিষেকের এই কথা শুনে হেসে গড়িয়ে পড়েন সকলে। বলাই বাহুল্য অভিনেতা যে এদিন তার স্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে কথাটা বলেছেন।

    বিষয়টি ব্যাখ্যা করে তিনি আরও বলেন, ‘যখন তুমি তোমার স্ত্রীর থেকে ফোন পাবে আর তাকে বলতে শুনবে যে আমার তোমার সঙ্গে কিছু কথা আছে তখনই বুঝে যেও যে তুমি বিপদে পড়েছ।’

    এদিন সেরা অভিনেতার পুরস্কার হাতে নিয়ে অভিষেক বচ্চন বলেন, ‘এটা আমার প্রথম সেরা অভিনেতার পুরস্কার। আমি সম্মানীয় জুরিকে ধন্যবাদ জানাচ্ছি, আমাকে এই পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করার জন্য। কিন্তু এই ছবিতে আমার গোটা পারফরমেন্সের ক্রেডিট সুজিত সরকারের (পরিচালক)। উনি এই দুর্দান্ত ছবিটি বানিয়েছেন।’

    বিনোদন ডেস্ক