Tag: ইত্যাদি

  • পতেঙ্গায় ধারণ করা ইত্যাদির বিশেষ পর্বের পুনঃপ্রচার আজ

    ২০২১ সালে ধারণ করা ইত্যাদির একটি বিশেষ পর্ব পুনঃপ্রচার করা হবে আজ (শুক্রবার) রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর। বন্দর নগরী চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত বাংলাদেশ নেভাল একাডেমিতে এই পর্ব ধারণ করা হয়েছিল। 

    rnrn

    এই পর্বে রয়েছে দুটি গান। বাংলাদেশ নৌবাহিনীকে নিয়ে রচিত একটি গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেছেন বাংলাদেশ নৌবাহিনী স্কুল অ্যান্ড কলেজের শতাধিক শিক্ষার্থী। গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন নৌ সদস্য সৌরভ, মেহেদী, পিয়াল ও আনুভা। 

    rnrn

    মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার গৌরব নিয়ে একটি দেশাত্মবোধক গান গেয়েছেন রবি চৌধুরী ও নৌবাহিনীর লেফটেন্যান্ট সাদিয়া। গানের সঙ্গে যন্ত্রসংগীতে অংশ নিয়েছেন নৌবাহিনীর অর্কেস্ট্রা দল। 

    rnrn

    দুটি গানের কথা লিখেছেন গীতিকবি মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান। সুর করেছেন হানিফ সংকেত এবং সংগীতায়োজন করেছেন মেহেদী। 

    rnrn

    ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। একযোগে পুনঃপ্রচার হবে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে। 

    rnrn

    এবারের অনুষ্ঠানে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ নেভাল একাডেমির ইতিহাস, ঐতিহ্যের ওপর দুটি তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন। 

    rnrn

    ঝরেপড়া শিশুদের জন্য মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক গাজী সালেহ উদ্দিনের খোলা একটি নৈতিক স্কুলের ওপর প্রতিবেদন রয়েছে অনুষ্ঠানে। রয়েছে গুড় তৈরি, গুড়ের মান ও বিক্রির ওপর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। 

    rnrn

    পাখি প্রেমের ওপর, বিভিন্ন সামাজিক কর্মকাণ্ডের ওপর এবং হাতে লেখা পত্রিকার ওপর রয়েছে হৃদয়স্পর্শী প্রতিবেদন। এছাড়াও সভ্যতা ও গণতন্ত্রের জন্মভূমি এথেন্সের আগোরার ওপর তথ্যভিত্তিক বিদেশি প্রতিবেদনের সঙ্গে এই পর্বে রয়েছে আরও অনেক প্রতিবেদন।

    rnrn

    অনুষ্ঠানে দর্শক পর্ব, নানি-নাতি, চিঠিপত্রসহ বিভিন্ন সামাজিক অসঙ্গতি ও সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে কয়েকটি বিদ্রূপাত্মক নাট্যাংশ রয়েছে। 

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • মৌলভীবাজারে চিত্রায়িত হলো এবারের ইত্যাদি

    দর্শকপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র নতুন একটি পর্ব ধারণ করা হলো চায়ের রাজধানীখ্যাত মৌলভীবাজার কমলগঞ্জে অবস্থিত কুরমা চা বাগান আবৃত মাঠে। অনুষ্ঠানটি ধারণ করা হয় ১৫ ডিসেম্বর। 

    rnrn

    প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান ফাগুন অডিও ভিশন জানিয়েছে, এবারের পর্বে মৌলভীবাজারের সন্তান কণ্ঠশিল্পী সেলিম চৌধুরী ও সিলেটের সন্তান তসিবা আঞ্চলিক ভাষায় একটি ভিন্নরকম প্রেমের গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। গানটির কথা লিখেছেন রামাচরণ, সুর করেছেন আকাশ মাহমুদ। 

    rnrn

    এছাড়া মনিরুজ্জামান পলাশের কথায়, হানিফ সংকেতের সুরে এবং মেহেদির সংগীতায়োজনে একটি গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেছেন স্থানীয় শতাধিক নৃত্যশিল্পী। নাচটির কোরিওগ্রাফি করেছেন খাজা সালাউদ্দিন ঝন্টু, কণ্ঠ দিয়েছেন পুলক, তানজিনা রুমা, মোমিন বিশ্বাস ও নোশিন তাবাসসুম স্মরণ। 
    rnদর্শকপর্বের প্রশ্নোত্তরও ছিল মৌলভীবাজারকে ঘিরেই। যথারীতি এবারের পর্বেও রয়েছে কয়েকটি প্রতিবেদন। 

    rnrn

    এগুলো হলো মৌলভীবাজারের ওপর একটি তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন, ব্যতিক্রমী পলিথিনের হাটের ওপর জনসচেতনতামূলক প্রতিবেদন ও একজন আদর্শ মায়ের হৃদয়ছোঁয়া স্বপ্নের গল্প, মুক্তিযুদ্ধের তথ্যচিত্র ও স্মারক সংগ্রাহক হিসাবে পরিচিত শ্রীমঙ্গলের বিকুল চক্রবর্তীর কার্যক্রম নিয়ে প্রতিবেদন। এবারের বিদেশি প্রতিবেদন পর্বে রয়েছে দক্ষিণ কোরিয়ার রাজধানী সিউলে অবস্থিত ‘এন সিউল টাওয়ার’-এর বিস্তারিত তথ্য। 

    rnrn

    যথারীতি সমসাময়িক বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে রয়েছে নানি-নাতির কথার মাতামাতি। এছাড়া নিয়মিত অন্যান্য পর্বসহ রয়েছে বিভিন্ন সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে বেশ কিছু নাট্যাংশ। 

    rnrn

    বরাবরের মতো ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। এটি বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে ২৯ ডিসেম্বর রাত ৮টার বাংলা সংবাদের প্রচার হবে।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • বরাবরের মতোই ইত্যাদি ছিল উপভোগ্য

    গত তিন দশক ধরেই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি ধারণ করছেন নন্দিত নির্মাতা হানিফ সংকেত। আর এজন্য দেশের আনাচে কানাচে ছুটে বেড়াচ্ছে ইত্যাদির টিম। তুলে ধরছে অজানা অদেখা বিষয়। গত ২৯ সেপ্টেম্বর প্রচারিত নেত্রকোণার অনুষ্ঠানটিও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

    rnrn

    নেত্রকোণায় যে এত নৈসর্গিক দৃশ্য-হাওর-বাঁওড়, কীর্তিমান ব্যক্তিত্ব, অসাধারণ সব সাংস্কৃতিক স্থাপনা রয়েছে ইত্যাদির এ পর্বটি না দেখলে দর্শকরা তা জানতেই পারতেন না। বাউল সাধক উকিল মুন্সির স্মৃতিস্তম্ভ, কবিগুরুর একান্ত সহচর শৈলজারঞ্জন মজুমদারের স্মৃতির উদ্দেশ্যে নির্মিত সাংস্কৃতিক কেন্দ্র, কবি নির্মলেন্দু গুণ ও প্রখ্যাত কথা সাহিত্যিক প্রয়াত হুমায়ূন আহমদের পৈতৃক ভিটা- সবকিছুই হানিফ সংকেত চমৎকারভাবে তুলে ধরেছেন। 

    rnrn

    অনুষ্ঠানের শুরুতেই কয়েকশত নৃত্যশিল্পীর অংশগ্রহণে পরিবেশিত নৃত্যটি ছিল বর্ণাঢ্য। দুই পালাকার কুদ্দুস বয়াতি ও ইসলাম উদ্দিন পালাকারের ভিন্ন রূপে সংগীত উপস্থাপন- এসবই ইত্যাদির বৈশিষ্ট্য। সোমেশ্বরী নদীর মহাশোলের গল্প কে না শুনেছে কিন্তু দেখেনি কেউ। নেত্রকোণার ইত্যাদিতে মানুষের সেই স্বাদও মিটিয়েছেন হানিফ সংকেত।  ট্রেনে পাথর ছোড়ার বিরুদ্ধে জনসচেতনতা সৃষ্টির বিষয়টি ছিল প্রশংসনীয়। 

    rnrn

    এবারের প্রায় প্রতিটি নাট্যাংশই ছিলো অত্যন্ত বাস্তবধর্মী। টেলিভিশন নিয়ে করা নাটিকা, খাবারের সেলফি তোলার জন্য নিজের সন্তানকে খেতে না দেয়া, ছোটরা অভিভাবকদের ভুল ধরা, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ফার্স্টফুডের দোকানের সংখ্যা বাড়া, পরিবেশগত কারণে শরীরে বিভিন্ন রোগব্যাধি হওয়া- প্রতিটি বিষয়ই যেন মানুষের মনের কথা। দীর্ঘদিন পর শব্দ সৈনিক মলয় কুমার গাঙ্গুলীকে দেখে দর্শক মনে ভালোলাগার সৃষ্টি হয়েছে। 

    rnrn

    অনুষ্ঠানের শেষে ছিল মুক্তির বন্ধু অমলেন্দু কুমার দাশের উপর একটি চমৎকার প্রতিবেদন। এবারের পর্বে উপস্থিত শিক্ষাবিদ অধ্যাপক যতীন সরকার যথার্থই বলেছেন, ‘ইত্যাদি যে অত্যন্ত চমৎকার একটি অনুষ্ঠান এই বিষয়ে কোন সন্দেহ নাই। কিন্তু ইত্যাদিতে যে বক্তব্যগুলো বলা হয়, সেইগুলি কতজন ধারণ করতে পারে সেই ব্যাপারে আমার সন্দেহ আছে। এই বক্তব্যগুলো যাতে ধারণ করতে পারে সেজন্য আমাদের শিক্ষা ব্যবস্থার মধ্যে যদি পরিবর্তন না আসে তাইলে এটা হবে না।’

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • যা থাকছে এবারের ‘ইত্যাদি’তে

    এবারের আয়োজনে নেত্রকোনার সন্তান কুদ্দুস বয়াতি এবং ইসলাম উদ্দিন পালাকার যৌথভাবে তাদের পরিচিত ঢঙে নেত্রকোনা অঞ্চলের দুটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। গানটির সংগীতায়োজন করেছেন মেহেদি।

    আরও পড়ুন 

    এ ছাড়া নেত্রকোনা নিয়ে মোহাম্মদ রফিকউজ্জামানের কথায়, হানিফ সংকেতের সুরে একটি গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেছেন বিজয়পুরের স্থানীয় দুই শতাধিক গারো, হাজং এবং বাঙালি নৃত্যশিল্পী। গানটি চিত্রায়ণ করা হয়েছে দুর্গাপুরের নানা স্থানে।

    ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। তিনি বলেন, ‘এবার ইত্যাদির মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছিল নেত্রকোনার বিজয়পুরে সাদামাটির পাহাড়ের সামনে। সবুজ বনানী, পাহাড় আর অসাধারণ নৈসর্গিক দৃশ্যের সঙ্গে সংগতি রেখে সাজানো হয় মঞ্চটি। 

    অধিকাংশ সময়ই রাতের আলোকিত মঞ্চে ইত্যাদি ধারণ করা হলেও এই স্থানের নৈসর্গিক রূপ রাতের বেলায় দেখানো সম্ভব নয় বলে এবার দিনের আলোর পড়ন্ত আভায় ইত্যাদির চিত্র ধারণ শুরু হয়।’

    তিনি আরও বলেন, ‘গত ১৩ সেপ্টেম্বর ইত্যাদি ধারণ উপলক্ষ্যে নেত্রকোনায় ছিল উৎসবের আমেজ। অনুষ্ঠানস্থল ঘিরে বসেছিল জমজমাট মেলা। অত্যন্ত সুশৃঙ্খলভাবে লাইনে দাঁড়িয়ে স্থানীয় প্রশাসন ও সাধারণ মানুষের স্বতঃস্ফূর্ত সহযোগিতায় দুপুর ২টা থেকেই আমন্ত্রিত অতিথিরা অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করতে শুরু করেন। 

    কিছুক্ষণের মধ্যেই কানায় কানায় পূর্ণ হয়ে যায় অনুষ্ঠানস্থল। আমন্ত্রিত দর্শক ছাড়াও অর্ধ লক্ষাধিক মানুষ আশপাশের পাহাড়, গাছ ও লেকের পাড়ে দাঁড়িয়ে ইত্যাদির ধারণ উপভোগ করেন।’

    ইত্যাদির এ পর্ব বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচারিত হবে আগামী ২৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইত্যাদি জাগিয়ে তোলে বিবেকবোধ

    তিন যুগেরও বেশি সময় ধরে দর্শকের কাছে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’। অনুষ্ঠানটির প্রতিটি পর্বই তথ্যবহুল ও উপভোগ্য। সে ধারবাহিকতা এবারের পর্বেও দেখা গেছে। এবারের ইত্যাদি ধারণ করা হয়েছে মুন্সীগঞ্জের প্রত্ননিদর্শন মোগল দুর্গ ইদ্রাকপুর কেল্লার সামনে। বাহারি আয়োজন দেখে মনে হয়েছে শত শত বছরের নিরব কেল্লা যেন মানুষের কলকাকলীতে আবারও জেগে উঠেছে। আর এটি সম্ভব হয়েছে বরেণ্য নির্মাতা ও উপস্থাপক হানিফ সংকেতের কারণে। অনুষ্ঠানের শুরুতেই মুন্সীগঞ্জকে নিয়ে ছিল একটি তথ্যসমৃদ্ধ প্রতিবেদন। ইত্যাদির এ গবেষণালব্ধ জেলাভিত্তিক প্রতিবেদনগুলো প্রতিটি জেলাকেই দর্শকদের কাছে জীবন্ত করে তোলে। পরপরই স্থানীয় নৃত্যশিল্পীদের স্বতঃস্ফূর্ত নৃত্যছন্দে পরিবেশিত মুন্সীগঞ্জের পরিচিতিমূলক গানটিতে তুলে ধরা হয়েছে মুন্সীগঞ্জের অপরূপ রূপ। যা ছিল মনোমুগ্ধকর।

    rnrn

    এবারের ইত্যাদিতে গান ছিল দুটি। একটি গেয়েছেন মুন্সীগঞ্জের সন্তান জনপ্রিয় অভিনেতা ও সংগীতশিল্পী তাহসান খান। স্বভাবজাতভাবেই চমৎকার পরিবেশনায় দর্শকদের মাতিয়ে তোলেন তাহসান। ভালো লেগেছে কক্সবাজারের তিনজন সৈকত শিশু জাহিদ, বাদশা ও শাহজাহানের গাওয়া আবদুল আলীমের গাওয়া ‘পরের জায়গা পরের জমিন’ পল্লীগীতিটি। বরাবরের মতো এবারের ইত্যাদির প্রতিটি নাটিকাই ছিল বেশ তীর্যক ও সচেতনতামূলক। এবার গান, নাটক, ওটিটি, সিনেমাতে অশ্লীলতার বিরুদ্ধে বেশকিছু নাটিকা ছিল। সবই সচেতনতাবৃদ্ধিতে ভূমিকা পালন করবে বলে বিশ্বাস। প্রশংসনীয় ছিল অফিসের শপথ বাক্য ও বস-কর্মচারীর তৈলবিষয়ক নাটিকাটি। স্বাস্থ্য সুরক্ষায় সচেতনতার ওপর জনসচেতনতামূলক নাটিকাটি ছিল অত্যন্ত সময়োপযোগী। এবারের পর্বে কৃষকদের নিয়ে একটি অসাধারণ নাটিকা করা হয়েছে। প্রশংসিত হয়েছে অনলাইন অফলাইন সম্পর্কিত নাটিকা, নানি-নাতির পর্ব, লেক মিশিগানের ওপর তথ্যবহুল প্রতিবেদন।

    rnrn

    এবারের দর্শকপর্বটিও ছিল বেশ উপভোগ্য। এ পর্বে অতিথি ছিলেন মুন্সীগঞ্জেরই সন্তান সংগীতশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ ও বালাম। দর্শকদের নিয়ে তারা পরিবেশন করেন আশির দশকের কিছু জনপ্রিয় গান। যা ছিল উপভোগ্য। উপহার হিসাবে পাওয়া গাছের চারা নিয়ে অনেক দর্শকই খুব যত্ন করে রোপণ করেন নিজের বাড়ির আঙ্গিনায় কিংবা অন্য স্থানে। তেমনি দুজন দর্শককে দেখানো হলো যারা ২০ বছর আগে ইত্যাদি থেকে পাওয়া চারা রোপণ করেছিলেন, যা আজ বৃক্ষে পরিণত হয়েছে। সবশেষে ছিল বড়শিতে গাঁথা চার বোনের জীবন। যারা দীর্ঘ ৪০ বছর ধরে বড়শি দিয়ে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করেন। ইত্যাদির ক্যামেরায় আন্ধারমানিক নদীতে ভেলায় ভেসে চার বোনের মাছ ধরার দৃশ্য দেখে অনেকেই আবেগাপ্লুত হয়েছেন। তাদের হাতে দুই লাখ টাকা তুলে দিয়েছেন হানিফ সংকেত এবং এসব মানুষদের প্রতি সমব্যথী হওয়ার আহ্বান জানিয়ে শেষ করেছেন এবারের ইত্যাদি। এভাবেই প্রতিটি ইত্যাদি আমাদের বিবেকের দরজায় কড়া নাড়ে, জাগিয়ে তোলে বিবেক বোধ।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • পুকুরের মধ্যে তৈরি মঞ্চে এবারের ইত্যাদি!

    দেশকে জানতে ও জানাতে প্রতিনিয়ত ইত্যাদি যাচ্ছে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলে। তারই ধারাবাহিকতায় এবারের পর্ব ধারণ করা হয়েছে পদ্মা-মেঘনা-ধলেশ্বরী-ইছামতি নদী বিধৌত মুন্সীগঞ্জে। মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে ইছামতি নদীর তীরে ঐতিহ্যবাহী প্রত্ন নিদর্শন ইদ্রাকপুর কেল্লার সামনে-পুকুরের মাঝখানে।

    rnrn

    কেল্লার আদলে তৈরি করা হয়েছে দৃষ্টিনন্দন ভাসমান মঞ্চ। দূর থেকে দেখে মনে হচ্ছিল কেল্লার সামনে আর একটি ভাসমান কেল্লা। অনুষ্ঠানটি ধারণ করা হয় ১৪ জুলাই।

    rnrn

    প্রযোজনা সূত্রে জানা গেছে, এবারের অনুষ্ঠানে মুন্সীগঞ্জের সন্তান জনপ্রিয় শিল্পী তাহসান পরিবেশন করেছেন একটি নতুন গান। গানটির কথা লিখেছেন কবির বকুল, সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন সাজিদ সরকার। 

    rnrn

    লোকগানের সম্রাট আবদুল আলীমের গাওয়া একটি গান নতুন সংগীতায়োজনে গেয়েছেন সৈকত শিশু জাহিদ, বাদশা ও শাহজাহান। গানটির সংগীতায়োজন করেছেন আকাশ মাহমুদ। এছাড়া রয়েছে মুন্সীগঞ্জ জেলাকে নিয়ে একটি পরিচিতিমূলক গানের সঙ্গে স্থানীয় প্রায় শতাধিক নৃত্যশিল্পীর নাচ। গানটির কথা লিখেছেন কবির বকুল ও সুর করেছেন হানিফ সংকেত, সংগীতায়োজন করেছেন মেহেদি, কণ্ঠ দিয়েছেন পুলক ও তানজিনা রুমা।

    rnrn

    নৃত্য পরিচালনা করেছেন মনিরুল ইসলাম মুকুল। দর্শকপর্বে মুন্সীগঞ্জকে ঘিরে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে উপস্থিত দর্শকের মাঝ থেকে চারজনকে নির্বাচন করা হয়। ২য় পর্বে নির্বাচিত দর্শকদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেছেন মুন্সীগঞ্জেরই সন্তান জনপ্রিয় পপশিল্পী ফেরদৌস ওয়াহিদ এবং বালাম। নির্বাচিত দর্শক এবং আমন্ত্রিত শিল্পীদ্বয় গেয়েছেন ফেরদৌস ওয়াহিদের একটি জনপ্রিয় গানসহ তার প্রয়াত চার বন্ধু আজম খান, ফিরোজ সাঁই, ফকির আলমগীর এবং পিলু মমতাজের একটি করে জনপ্রিয় গানের অংশবিশেষ। অনুষ্ঠানে নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কে সবার সচেতনতা বৃদ্ধি নাটিকায় অভিনয় করেছেন মীর সাব্বির, শাহেদ আলী ও শামীম আহমেদ। 

    rnrn

    এছাড়া থাকছে মুন্সীগঞ্জের ইতিহাস, ঐতিহ্য, বিভিন্ন প্রত্ন নিদর্শন এবং কীর্তিমান ব্যক্তিদের ওপর তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন। আরও রয়েছে মুন্সীগঞ্জের ঐতিহ্যে পরিণত হওয়া টিনের ঘর নিয়ে একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, বরগুনা জেলার তালতলী উপজেলার একটি গ্রামের চার বোনের জীবনচিত্র। বিদেশি পর্বে রয়েছে আমেরিকার শিকাগো শহরের ওপর একটি প্রতিবেদন। অনুষ্ঠানে রয়েছে প্রবাসী জাদুশিল্পী ফারহানুল ইসলামের জাদু। 

    rnrn

    এছাড়া রয়েছে নানি-নাতির কথার মাতামাতি, টেলিভিশনে ‘বিকৃত উচ্চারণ’ এবং ‘ভাষা ব্যঙ্গ’, ভিউ দিয়ে শিল্পীর মান বিচার, সততার শিক্ষা, অনলাইন যেখানে অফলাইন, তৈল বনাম ভাগ্যগুণ, কৃষকের কথা, অপ্রিয় সত্যসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর রয়েছে কয়েকটি নাট্যাংশ। বরাবরের মতো অনুষ্ঠানটি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। 

    rnrn

    এ পর্বটি একযোগে আগামী ২৮ জুলাই বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর প্রচার হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঈদ ইত্যাদিতে যা থাকছে এবার

    ঈদে বাড়তি আনন্দ দেয় ইত্যাদি।বিনোদনমূলক এই অনুষ্ঠানটি প্রতি বছর ঈদুল ফিতরের পরদিন ৮টার সংবাদের পর বিটিভিতে প্রচার হয়।

    rnrn

    প্রতি বছরের মত এবারও ঈদের ইত্যাদি দর্শকদের আগ্রহের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে। 

    rnrn

    তিন দশক ধরে অনুষ্ঠানটি নির্মাণ ও উপস্থাপনা করে আসছেন জনপ্রিয় উপস্থাপক হানিফ সংকেত।

    rnrn

    নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফাগুন অডিওভিশন সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, ‘ও মন রমজানের ঐ রোজার শেষে এলো খুশীর ঈদ’ গানটি দিয়ে এবারও ঈদের ইত্যাদি শুরু হবে। 

    rnrn

    গত তিন দশক ধরেই হাজারো মানুষ নিয়ে ঢাকায় ও দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন আঙ্গিকে এ গান পরিবেশন করা হচ্ছে। এবার গানটি পরিবেশন করবেন দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আসা অর্ধশতাধিক হুইল চেয়ার ব্যবহারকারী শারীরিক প্রতিবন্ধী অদম্য মানুষ। তাদের সঙ্গে একই রকম পোশাক ও রঙিন উপকরণ নিয়ে অর্ধ শতাধিক শিক্ষার্থী ও স্টেডিয়ামের কয়েক হাজার দর্শক এ গানের চিত্রায়নে অংশ নিয়েছেন।

    rnrn

    ঈদ ইত্যাদিতে এবার একটি দেশাত্মবোধক গানে কণ্ঠ দিয়েছেন দেশসেরা গায়িকা সাবিনা ইয়াসমিন। এ গানের চিত্রায়নে খ্যাতনামা এ শিল্পীর সঙ্গে অংশ নিয়েছেন নারী ফুটবল ও ক্রিকেট দল।

    rnrn

    'পতাকার লাল সূর্যটা মাগো, প্রতিটি হৃদয়ে জ্বেলে দাও’ শিরোনামে গানটির কথা লিখেছেন মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান। সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন তরুণ সুরকার আকাশ মাহমুদ। 

    rnrn

    গানটির চিত্রায়নে সাবিনা ইয়াসমিন ও খেলোয়াড়দের সঙ্গে কোরিওগ্রাফিতে অংশ নিয়েছে শতাধিক নৃত্যশিল্পী। কোরিওগ্রাফি করেছেন মনিরুল ইসলাম মুকুল।

    rnrn

    ঈদ ইত্যাদিতে ছন্দে ছন্দে ব্যতিক্রমী আড্ডার আলোচনায় অংশ নিয়েছেন তারকা অভিনেতা শহীদুজ্জামান সেলিম, আজিজুল হাকিম, মীর সাব্বির ও শাহরিয়ার নাজিম জয়।

    rnrn

    নির্মাতা প্রতিষ্ঠানটি জানায়, সামাজিক অবক্ষয়ের বিরুদ্ধে সচেতনতামূলক প্রচারের অংশ হিসেবে থাকছে জনপ্রিয় তিনজন তারকা আজমেরী হক বাঁধন, সাবিলা নূর ও নাজিফা তুষির তিনটি বিষয়ে অভিনয়।

    rnrn

    মিউজিক্যাল ড্রামায় দেখা যাবে তিনটি ভিন্ন বিষয়, যেখানে অভিনয় করেছেন রিচি সোলায়মান, প্রাণ রায়, আব্দুন নূর সজল, সারিকা সাবরিন, রাশেদ মামুন অপু, রিমু রোজা খন্দকার, কাইফ ও জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী রবি চৌধুরী।

    rnrn

    ছোটবেলায় ‘আদর্শলিপি’ কিংবা ‘বাল্যশিক্ষা’য় পড়া কিছু নীতিবাক্য নিয়ে তৈরি করা হয়েছে এবারের দলীয় সঙ্গীত। এ পর্বে অংশ নিয়েছেন অভিনেতা মাহফুজ আহমেদ ও চিত্রনায়িকা বুবলী। তাদের সঙ্গে থাকছেন ইত্যাদির নিয়মিত নৃত্যশিল্পী দল।

    rnrn

    ব্যতিক্রমী উপায়ে এবার নির্বাচিত চারজন দর্শকের মুখোমুখি হয়েছেন অভিনেতা জাহিদ হাসান।

    rnrn

    এছাড়া নাতি আর নানির কথোপকথনসহ নিয়মিত আয়োজনের পাশাপাশি নতুন সংযোজন।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঈদের ইত্যাদিতে থাকছে নারী ফুটবল ও ক্রিকেট টিম

    দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ইত্যাদি। প্রচারের ৩৪ বছরেও মানুষের মনে এখনো ইত্যাদির জায়গা আছে আগের মতো। বিষয়বৈচিত্র্য আর বিনোদন, দুটোই হাত ধরাধরি করে চলে অনুষ্ঠানটিতে। প্রতি বছরের মতো ঈদুল ফিতরেও প্রচার হবে ইত্যাদি। 

    rnrn

    ঈদ উপলক্ষে নির্মিত ইত্যাদির চমকানো সব বিষয়ের মধ্যে একটি বিশেষ পর্ব হচ্ছে দেশাত্মবোধক গান। এই দেশের গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন সাবিনা ইয়াসমিন। তার সঙ্গে ইত্যাদির আমন্ত্রণে অংশ নিয়েছেন বাংলাদেশ নারী ফুটবল দল এবং বাংলাদেশ নারী ক্রিকেট দল।

    rnrn

    ফাগুন অডিও ভিশন এক মেইলে জানায়, খেলোয়াড়দের সবাই অত্যন্ত আন্তরিকতার সঙ্গে গানটির ধারণ কাজে সহযোগিতা করেছেন। মিরপুর ইনডোর স্টেডিয়ামে কয়েক হাজার দর্শকের স্বতঃস্ফর্ত করতালির মধ্য দিয়ে গানটি ধারণ করা হয়। খেলোয়াড়দের দেখে পুরো স্টেডিয়ামজুড়ে দর্শকরা ‘বাংলাদেশ-বাংলাদেশ’ ধ্বনিতে মুখরিত হয়ে উঠে।

    rnrn

    ‘পতাকার লাল সুর্যটা মাগো, প্রতিটি হৃদয়ে জ্বেলে দাও’ শিরোনামে গানটির কথা লিখেছেন গীতিকার মোহাম্মদ রফিকউজ্জামান, সুর ও সংগীত পরিচালনা করেছেন তরুণ সুরকার আকাশ মাহমুদ। 

    rnrn

    ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন, স্পন্সর করেছে কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড। প্রতিবারের মত এবারও ঈদের বিশেষ ইত্যাদি ঈদের পরদিন একযোগে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডের ঈদ অনুষ্ঠানমালায় প্রচারিত হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দর্শক আগ্রহের শীর্ষে বছর শেষে প্রচারিত ইত্যাদির ফেনী পর্ব

    গত ৩০ ডিসেম্বর প্রচার হলো দর্শকপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’। এ পর্বটি ধারণ করা হয়েছিল ফেনীর ঐতিহ্যবাহী সরকারি পাইলট উচ্চবিদ্যালয়ের মাঠে। 

    rnrn

    বরেণ্য নির্মাতা হানিফ সংকেত অনুষ্ঠানের শুরুতে জানালেন, ইত্যাদি এ বছর ৩৫-এ পা দিয়েছে। এই সাড়ে তিন দশকের দীর্ঘ পথচলায় একটি অনুষ্ঠান এখনো দর্শকদের কাছে সমান প্রিয়। প্রতিটি ইত্যাদির ইউটিউব ট্রেন্ডিং সেটাই প্রমাণ করে। 

    rnrn

    দেশীয় সংস্কৃতি লালনের জন্য, যাবতীয় অসঙ্গতির বিরুদ্ধে আপসহীন ভূমিকার জন্য, মানুষকে দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করার জন্য, যা কিছু ভালো তার পক্ষে অবস্থান নেওয়ার জন্য, আর যা কিছু খারাপ তা বর্জনের জন্য এবং ইত্যাদির দায়বোধের জন্য এ অনুষ্ঠানটি আজো সব শ্রেণিপেশার মানুষের কাছে জনপ্রিয়। কোনটা ঠিক, কোনটা ঠিক নয়, কোনটা উচিত, কোনটা উচিত নয়-এসব সম্পর্কে ইত্যাদি দর্শকদের সচেতন করে। তারই প্রমাণ পাওয়া গেল এ পর্বে প্রচারিত মায়ের হাতে তৈরি শীতের পিঠা ও যান্ত্রিক পিঠার নাটিকাটিতে।

    rnrn

    rnঅজ্ঞান পার্টির হাত থেকে বাঁচতে হলে কী করতে হবে, আজকাল নেতা এবং চামচাদের তোষামোদপ্রিয়তা ও এর খারাপ দিক, বিভিন্ন স্থানে দালালদের কর্মতৎপরতা ও তাদের হাত থেকে বাঁচার উপায়, মোবাইল ফোনের ভয়াবহ সংক্রমণ ও আমাদের করণীয়, ইউটিউব কন্টেন্টের ক্ষতিকর দিক, ইউটিউবে ব্যবসা বনাম কর্তব্য, অসহনশীল মানুষ ও তার পরিনাম ইত্যাদি বিষয়ে নির্মিত নাটিকাগুলো ছিল যেমন উপভোগ্য তেমনি বক্তব্যধর্মী। ভালো লেগেছে ফেনীর নৃত্য শিল্পীদের অংশগ্রহণে ফেনীকে নিয়ে করা বর্ণাঢ্য সংগীত। চমৎকার কথা ও সুরে অসাধারণ গেয়েছেন ইত্যাদিখ্যাত শিল্পী পান্থ কানাই ও ডলি সায়ন্তনী।

    rnrn

    ইত্যাদির নিয়মিত আয়োজন দর্শক পর্বে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে দর্শক নির্বাচন ছিল শিক্ষণীয়। আর দ্বিতীয় পর্বে নব্বই দশকের জনপ্রিয় শিল্পী ও ফেনীর কন্যা শমী কায়সারের সঙ্গে হানিফ সংকেতের সমকালীন টিভি নায়িকা ও টিভি নাটক নিয়ে কথোপকথন ছিল এ সময়ের শিল্পী, গল্পকারদের জন্য শিক্ষণীয়। গনির বাজারের অখ্যাত, দরিদ্র গনি মিয়াকে তার নামে করা বাজারে দোকান করার ব্যবস্থা করে দিল ইত্যাদি। এ জন্য হানিফ সংকেত ও কেয়া কসমেটিকস ধন্যবাদ পেতেই পারেন।

    rnrn

    সাইকেলে চড়ে মানুষকে পরিবেশ রক্ষায় উদ্বুদ্ধ করা রাষ্ট্রবিজ্ঞানের প্রভাষক রফিকুল হাসানকে নিয়ে করা প্রতিবেদনটি পরিবেশ রক্ষায় মানুষকে সচেতন করবে। ভালো লেগেছে সীমান্ত পিলারের এ পাশ ওপাশে বসবাসকারী দুই দেশের নাগরিকদের আত্মীয়তার সুদৃঢ় বন্ধন। প্রতিবেদনটি বেশ উপভোগ্য ছিল। বিশ্বসেরা ক্লিনিক মেয়ো ক্লিনিকের প্রতিবেদনটিও ছিল বেশ শিক্ষণীয়। নানি-নাতি পর্বে নাতি যথার্থই বলেছে, নানা রূপের, নানা আচরণের মানুষ রয়েছে, যাদের অনেকেই অমানুষ। সেখান থেকে সত্যিকারের মানুষ খুঁজে বের করা বেশ কঠিনই।

    rnrn

    সবশেষে মঞ্জিলা আক্তার মিমির ওপর করা প্রতিবেদনটি ছিল বেশ হৃদয়ছোঁয়া ও অনুপ্রেরণামূলক। প্রচারবিমুখ মঞ্জিলা আক্তারের কর্মকাণ্ড আমাদের অনেকেরই চোখ খুলে দেবে। আর এখানেই ইত্যাদির সার্থকতা।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক