Tag: ইত্যাদি

  • ঠাকুরগাঁওয়ে ‘ইত্যাদি’র শুটিংয়ে হট্টগোল, যা বললেন হানিফ সংকেত

    দেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র শুটিংয়ে সম্প্রতি হট্টগোলের ঘটনা ঘটেছে। ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈলের টংকনাথ জমিদারবাড়িতে শুটিং শুরুর কিছু সময় পর দর্শকসারিতে চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনার কয়েকটি ভিডিও ক্লিপ ফেসবুক ও ইউটিউবে ছড়িয়ে পড়ে। অবশেষে শুটিংয়ে হট্টগোলের বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন ‘ইত্যাদি’র উপস্থাপক হানিফ সংকেত।

    দেশের একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপে সে ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরেছেন জনপ্রিয় এই উপস্থাপক ও গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব। তিনি বলেন, ‘অনুষ্ঠানের আগে আমরা আট হাজার প্রবেশ পাস দিয়েছি। ওখানে কিন্তু আর্মি, পুলিশ সবাই ছিল। যখনই আমরা অনুষ্ঠান শুরু করলাম। দর্শক তালি দিল।’

    তিনি নিজে মঞ্চ উঠতেই হট্টগোল শুরু হয় জানিয়ে এই উপস্থাপক যোগ করেন, ‘যেই আমি মঞ্চে এলাম, শুনলাম, চারদিক থেকে তিন কিলোমিটারের মতো রাস্তা প্যাকড। পাঁচ লাখের অধিক লোক। এত মানুষকে আমি কোথায় বসতে দেব। লোকজন করল কি, বাঁশের ব্যারিকেড ছিল, তা ভেঙে ঝাঁপিয়ে পড়ল। তখন তো ম্যাসাকার অবস্থা। ওখানে নারী আছেন, শিশু আছে, আছেন বিভিন্ন বয়সী মানুষ। এরপর হাউকাউ শুরু হয়ে গেল। পুলিশ থামানোর চেষ্টা করছে, আমিও করছি। অস্থির অবস্থা। কেউ কেউ চেয়ার–ছোড়াছুড়ি করছে।’

    ‘আমি তখন প্রশাসনকে ডেকে বললাম, এভাবে অনুষ্ঠান করা যাবে না। মানুষ শান্ত হোক, তারপর অনুষ্ঠান শুরু করব। আপাতত আমরা অনুষ্ঠান কিছু সময়ের জন্য বন্ধ রাখি। আমরাও অনুষ্ঠানের দৃশ্যধারণ বন্ধ করে দিয়ে লাইট বন্ধ করে দিলাম। জানিয়ে দিলাম, অনুষ্ঠান আপাতত হচ্ছে না। আপনারা শান্ত হন। এ-ও অনুরোধ করেছি, চলে যান। পরবর্তী সময় আমরা চিন্তা করব কী করা যায়। লোক যেতে তিন ঘণ্টা লেগে গেল’-বলেন হানিফ সংকেত।

    সন্ধ্যা সাড়ে সাতটা থেকে আটটার মধ্যে এই ঘটনার সূত্রপাত হয় জানিয়ে জনপ্রিয় এই গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব বলেন, ‘আমরা অনুষ্ঠান শুরু করি সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টায়। সাড়ে সাতটা কি আটটার সময় ঘটনার সূত্রপাত, যখন আমি মঞ্চে উঠলাম। ওঠার পর যখন কথা বললাম, তখনই বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। এরপর একটা নাচ করলাম। তারপর রবি চৌধুরী ও লিজার গানের অর্ধেকটা করলাম, তখন সেকেন্ড বিশৃঙ্খলা শুরু হয়। এক থেকে দেড় ঘণ্টা অনুষ্ঠানের দৃশ্যধারণ বন্ধ রেখে রাত সাড়ে ৯টা কি ১০টার দিকে আবার শুরু করেছি। দিবাগত রাত সাড়ে ১২টা পর্যন্ত শুটিং করেছি। এখানকার স্থানীয় লোকজন খুবই আন্তরিক। তারা এই অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার জন্য দুঃখ প্রকাশ করেছেন। লজ্জিত হয়েছেন।’

    তবে এমন ঘটনা এবারই প্রথম নয়। এর আগে ময়মনসিংহের ত্রিশাল, পঞ্চগড়ের তেতুলিয়ায়ও ‘ইত্যাদি’র শুটিংয়ের সময় অতিরিক্ত জনসমাগমের কারণে শুটিংয়ে বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি হয় তৈরি বলে জানান হানিফ সংকেত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মোংলায় ধারণকৃত ইত্যাদি ছিল তথ্যসমৃদ্ধ

    বাংলাদেশ টেলিভিশনে প্রচারিত ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’ শুরু থেকেই তথ্যসমৃদ্ধ ও জনপ্রিয়। একই জনপ্রিয়তা ধরে রেখে তিন দশকেরও বেশি সময় পার করেছেন অনুষ্ঠানটি। সম্প্রতি অনুষ্ঠানটির প্রচারিত একটি পর্বের মাধ্যমে এর নির্মাতা হানিফ সংকেত আবারও প্রমাণ করলেন, ইত্যাদির বিকল্প একমাত্র ইত্যাদিই। এ পর্বটি ধারণ করা হয়েছিল বাগেরহাট জেলার মোংলা বন্দরে। 

    ২০০৯ সাল পর্যন্ত ইউনেস্কো বাংলাদেশের তিনটি স্থানকে বিশ্ব-ঐতিহ্যস্থল হিসাবে ঘোষণা করেছে। এর মধ্যে দুটিই হচ্ছে বাগেরহাটে। মসজিদ শহর বাগেরহাট বিশ্ব সাংস্কৃতিক ঐতিহ্যভুক্ত প্রত্নস্থল এবং সুন্দরবন বিশ্ব প্রাকৃতিক ঐতিহ্যভুক্ত পৃথিবীর বৃহত্তম ম্যানগ্রোভ বন। 

    এসব ঐতিহ্যবাহী স্থানগুলো দারুণভাবে তুলে ধরা হয়েছে এবারের ইত্যাদিতে। দেখানো হয়েছে হজরত খানজাহান এবং তার গড়া ঐতিহাসিক ষাটগম্বুজ মসজিদ, বিভিন্ন দীঘি, তার বসতভিটা এবং মাজার। খানজাহানের তৈরি দেশের সবচেয়ে প্রাচীন রাস্তার (৬০০ বছর আগে) সঙ্গে এখনকার তৈরি রাস্তার তুলনা করে দেখা গেছে পুরোনো এবং পাতলা হওয়া সত্ত্বেও তখনকার ইটগুলো কত অক্ষত। অনুষ্ঠানে সুন্দরবনের বিভিন্ন আকর্ষণীয় স্থানের ওপর কয়েকটি প্রতিবেদন ছিল বেশ তথ্যসমৃদ্ধ।

    চিঠিপত্র বিভাগে রুমিছা বেগমের প্রতিবেদন এবং আর্থিক অনুদান, কুমিরের কামড়ে নিহত ঢাংমারী গ্রামের মোশারফ গাজীর দরিদ্র পরিবারকে অনুদানসহ প্রতিবেদনগুলো ছিল হৃদয়স্পর্শী। এছাড়া সংবাদ সম্মেলনের নামে কিছু সাংবাদিকের রাজনৈতিক নেতাদের চাটুকারী করা, ঘুসখোর এবং হাজার হাজার কোটি টাকা চুরি করা, ঋণ করে টাকা ফেরত না দেওয়া, ব্যাংক ডাকাতসহ বাজারের দ্রব্যমূল্যবৃদ্ধির সিন্ডিকেটসহ বিভিন্ন সমসাময়িক বিষয়ে নাট্যাংশ ছিল তীর্যক এবং উপভোগ্য। নানি-নাতির আলাপ এবারও ছিল উপভোগ্য।

    বাগেরহাটকে নিয়ে রচিত শতাধিক শিক্ষার্থীর নৃত্যগীত, রাজিকের ম্যাজিক, নাসির ও সানজিদা রিমির গানও দর্শকরা উপভোগ করেছেন। দর্শক পর্বে লোক বাদ্যযন্ত্রনির্ভর সংগীত প্রতিযোগিতাটি আমাদের সংগীত শিকড়ের কথাই স্মরণ করিয়ে দেয়। পৃথিবীর সর্বোচ্চ গিরিখাত গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের ওপর হানিফ সংকেতের রিপোর্টিং দারুণ হয়েছে। সবকিছু মিলিয়ে বরাবরের মতোই ইত্যাদি ছিল অনবদ্য।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সুন্দরবনের প্রবেশদ্বারে ধারণকৃত ইত্যাদির প্রচার আজ

    জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র নতুন একটি পর্ব ধারণ করা হয়েছে সুন্দরবনের প্রবেশদ্বার হিসাবে খ্যাত পুরাকীর্তি সমৃদ্ধ নগরী বাগেরহাটে। নির্মাতা প্রতিষ্ঠান ফাগুন অডিও ভিশন জানিয়েছে, অনুষ্ঠানের শুরুতেই রয়েছে বাগেরহাটকে নিয়ে মনিরুজ্জামান পলাশের কথায় একটি পরিচিতিমূলক গানের সঙ্গে নৃত্য।

    গানটির সুর করেছেন হানিফ সংকেত এবং সংগীত আয়োজন করেছেন মেহেদী। কণ্ঠ দিয়েছেন রাজীব, অয়ন, তানজিনা রুমা ও এমেলী। আরও একটি গান গেয়েছেন বাগেরহাটেরই সন্তান কণ্ঠশিল্পী নাসির ও সানজিদা রিমি। দর্শক পর্বে অংশগ্রহণ করেন বাগেরহাটের জনপ্রিয় লোক বাদ্যযন্ত্রশিল্পী নিখিল কৃষ্ণ মজুমদার ও তার কয়েকজন শিক্ষার্থী। যথারীতি এবারের পর্বেও রয়েছে কয়েকটি প্রতিবেদন।

    সুন্দরবন, মোংলা সমুদ্র বন্দরসহ বাগেরহাটের বিভিন্ন দর্শনীয়, আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্র ও প্রত্নসম্পদ এবং হজরত খানজাহানের অসংখ্য কীর্তিশোভিত স্থান ও স্থাপনার ওপর প্রতিবেদন। আরও রয়েছে বাগেরহাটের একদল নারী, যারা ফেলনাসামগ্রী কাজে লাগিয়ে নানা উপকরণ তৈরি করেন, তাদের নিয়ে প্রতিবেদন। বাগেরহাটের ঢাংমারী গ্রামের অধিকাংশ মানুষেরই জীবিকার প্রধান উৎস সুন্দরবন। নিষিদ্ধ সময়েও কেউ কেউ সুন্দরবনে প্রবেশ করে নানা ধরনের বিপদের সম্মুখীন হন, কেউ কেউ মৃত্যুবরণও করেন, এ বিষয় নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন।

    বিদেশি প্রতিবেদন পর্বে রয়েছে যুক্তরাষ্ট্রের অ্যারিজোনা রাজ্যের উত্তর দিকে অবস্থিত গ্র্যান্ড ক্যানিয়নের ওপর একটি তথ্যবহুল প্রতিবেদন। অনুষ্ঠানে জাদু প্রদর্শন করেন ম্যাজিক রাজিক। চিঠিপত্র বিভাগে বাগেরহাটের এক ব্যতিক্রমী নারী উদ্যোক্তার জীবন সংগ্রামের চিত্র তুলে ধরা হয়।

    এছাড়া বাগেরহাটের মঞ্চে সমসাময়িক বিভিন্ন বিষয় ও প্রসঙ্গ নিয়ে সামাজিক অসংগতি ও সমাজ সংস্কারের ওপর রয়েছে একাধিক নাট্যাংশ। অনুষ্ঠানটি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। এটি আজ বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর প্রচার হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইকোপার্কের ‘ইত্যাদি’ আজ রাতে পুনঃপ্রচার

    ইত্যাদি বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় টেলিভিশন ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান। ১৯৯০-এর দশকে শুরু হওয়া এই অনুষ্ঠানটি বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় অনুষ্ঠান হিসাবে স্থান করে নিয়েছে। এ অনুষ্ঠানটি প্রধান আকর্ষণীয় দিক হলো সমাজের নানা অসঙ্গতিকে বিদ্রুপ ও রসময় করে উপস্থাপন করা।

    এছাড়া এ অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তুলে ধরে হয় দেশে ইতিহাস, ঐতিহ্য, সভ্যতা, সংস্কৃতি, প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ঘেরা স্থানগুলোয় গিয়ে ধারণ করা হয় ‘ইত্যাদি’র মূল অনুষ্ঠান। 

    তারই ধারাবাহিকতায় শেরপুরের নালিতাবাড়ী উপজেলার গারো পাহাড় এলাকায় অবস্থিত মধুটিলা ইকোপার্কে ধারণ করা হয়েছে এবারের পর্ব। ৬ সেপ্টেম্বর বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচারিত হয় ‘ইত্যাদি’। অনুষ্ঠানটির রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। ‘ইত্যাদি’র সেই পর্ব আজ রাত আটটার বাংলা সংবাদের পর বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে পুনঃপ্রচার করা হবে।

    ফাগুন অডিও ভিশন এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, জুলাই মাসের শুরুর দিকেই ধারণ করা হয় অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্ব। নালিতাবাড়ীতে ধারণ করা অনুষ্ঠানটিতে অংশ নিতে ৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরের উপজেলা থেকেও দর্শকেরা আসেন।

    এবারের অনুষ্ঠানে শেরপুরের পালাগানের শিল্পী তারা বয়াতী ও পান্থ কানাই লোকধারার একটি সংগীত পরিবেশন করেছেন। গানটির কথা লিখেছেন কবির বকুল। এ ছাড়া শেরপুর নিয়ে মনিরুজ্জামান পলাশের কথায় একটি পরিচিতিমূলক গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেছেন শেরপুরেরই শতাধিক বাঙালি ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নৃত্যশিল্পী। দর্শক পর্বে শেরপুরকেন্দ্রিক প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে উপস্থিত দর্শকের মধ্য থেকে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের চারজন দর্শক নির্বাচন করা হয়। দ্বিতীয় পর্বে নির্বাচিত দর্শকদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী অনিমেষ রায়।

    শেরপুরের বিভিন্ন দর্শনীয়, আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র ও প্রত্নসম্পদের ওপর প্রতিবেদন ছাড়াও এখানকার জিআই পণ্য তুলসীমালা চাল এবং ধান-গবেষক চাটকিয়া গ্রামের কৃষক সেন্টু কুমার হাজংয়ের ওপর রয়েছে একটি প্রতিবেদন। বিদেশি প্রতিবেদন পর্বে রয়েছে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অবস্থিত চীনের কেন্দ্রীয় টেলিভিশন ভবন, চায়না টাওয়ার ও চীনের মহাপ্রাচীরের ওপর প্রতিবেদন।

    এছাড়া যথারীতি সমসাময়িক বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে রয়েছে নানি-নাতির পর্ব। প্রতিবারের মতো এবারও রয়েছে বিভিন্ন সামাজিক অসংগতি ও সমাজসংস্কারের ওপর সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে বেশ কিছু নাট্যাংশ। এতে সোলায়মান খোকা, জিয়াউল হাসান, সুভাশীষ ভৌমিক, মাসুম বাশার, জিল্লুর রহমান, শবনম পারভীন, আঞ্জুমান আরা বকুল, আমিন আজাদ, মুকিত জাকারিয়া। আনন্দ খালেদ, তারিক স্বপন, জামিল হোসেন, জাহিদ শিকদার, সাদিয়া তানজিন, আনোয়ারুল আলম সজল, বেলাল আহমেদ মুরাদ, সঞ্জীব আহমেদ, সিয়াম নাসির, নিপু, কামাল বায়েজীদ, সাবরিনা নিসা, নাদিয়া হক, সুবর্ণা মজুমদার, মতিউর রহমান, আনোয়ার শাহী, বিনয় ভদ্র, বিলু বড়ুয়া, সুজাত শিমুল, তাসনোভা নিঝুম প্রমুখ শিল্পী অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন পর্বে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘ইত্যাদি’ এবার শেরপুরের গারো পাহাড়ে

    জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’। এর এবারের পর্ব ধারণ করা হয়েছে শেরপুরে। শেরপুর জেলার নালিতাবাড়ী উপজেলার গারো পাহাড় এলাকায় অবস্থিত দৃষ্টিনন্দন মধুটিলা ইকোপার্কে এ অনুষ্ঠানের মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে। সীমান্তবর্তী এই পার্কে রয়েছে সবুজের সমারোহ। এখানে বিভিন্ন প্রজাতির গাছ দিয়ে মোড়ানো মঞ্চে ধারণ করা হয় এ পর্ব।

    rnrn

    ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। 

    rnrn

    ইত্যাদির নির্মাণ প্রতিষ্ঠান ফাগুন অডিও ভিশনের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে। 

    rnrn

    এতে বলা হয়েছে, আগামীকাল শুক্রবার রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর ইত্যাদির এ পর্ব একযোগে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচারিত হবে। 

    rnrn

    অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্ব ধারণ করা হয় জুলাই মাসের শুরুর দিকে। গত ২৬ জুলাই এ অনুষ্ঠান প্রচারের কথা থাকলেও বিদ্যমান পরিস্থিতির কারণে প্রচার করা যায়নি। 

    rnrn

    ইতিহাস, ঐতিহ্য, সভ্যতা, সংস্কৃতি, প্রত্নসম্পদ, মুক্তিযুদ্ধের গৌরবময় স্থান, আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র, প্রাকৃতিক সৌন্দর্য ও জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো সম্পর্কে জানাতে দেশের বিভিন্ন স্থানে গিয়ে ‘ইত্যাদি’ ধারণ করা হয়। নালিতাবাড়ীতে ধারণ হলেও দর্শকরা আসেন ৫০ থেকে ১০০ কিলোমিটার দূরের বিভিন্ন উপজেলা থেকে। 

    rnrn

    এবারের অনুষ্ঠানে শেরপুরের পালাগানের শিল্পী তারা বয়াতী এবং পান্থ কানাই একটি ভিন্ন রকম লোকসংগীত পরিবেশন করেছেন। গানটির কথা লিখেছেন কবির বকুল। 

    rnrn

    মনিরুজ্জামান পলাশের কথায় শেরপুর জেলার পরিচিতিমূলক গানের সঙ্গে নৃত্য পরিবেশন করেছেন শেরপুরের স্থানীয় শতাধিক বাঙালি ও ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠীর নৃত্যশিল্পী। নাচটির কোরিওগ্রাফি করেছেন কমল কান্তি পাল, কণ্ঠ দিয়েছেন রাজীব ও তানজিনা রুমা। 

    rnrn

    দুটি গানেরই সুর করেছেন হানিফ সংকেত এবং সংগীতায়োজন করেছেন মেহেদী।

    rnrn

    দর্শক পর্বের নিয়ম অনুযায়ী ধারণ স্থান শেরপুর জেলা ঘিরে প্রশ্নোত্তরের মাধ্যমে উপস্থিত দর্শকের মধ্য থেকে বিভিন্ন সম্প্রদায়ের চারজন দর্শক নির্বাচন করা হয়। দ্বিতীয় পর্বে নির্বাচিত দর্শকদের সঙ্গে অংশগ্রহণ করেন বৃহত্তর ময়মনসিংহের সংগীতশিল্পী অনিমেষ রায়।

    rnrn

    শিকড়সন্ধানী ‘ইত্যাদি’ সব সময়ই দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল থেকে প্রচারবিমুখ, জনকল্যাণে নিবেদিত মানুষদের তুলে ধরার পাশাপাশি প্রত্যন্ত অঞ্চলের অচেনা-অজানা বিষয় ও তথ্যভিত্তিক শিক্ষামূলক প্রতিবেদন প্রচার করে আসছে। সেই ধারাবাহিকতায় এবারের পর্বেও রয়েছে কয়েকটি প্রতিবেদন।

    rnrn

    এ পর্বে শেরপুরের ওপর একটি তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন রয়েছে। শেরপুরের বিভিন্ন দর্শনীয়, আকর্ষণীয় পর্যটনকেন্দ্র ও প্রত্নসম্পদের ওপর প্রতিবেদন ছাড়াও এখানকার জিআই পণ্য তুলসীমালা চাল ও ধান–গবেষক চাটকিয়া গ্রামের কৃষক সেন্টু কুমার হাজংয়ের ওপর রয়েছে একটি প্রতিবেদন।

    rnrn

    সহিদুল ইসলামের এক অপ্রচলিত শখের দুর্লভ সংগ্রহের ওপর রয়েছে একটি প্রতিবেদন। শেরপুরে হাতি-মানুষের ‘দ্বন্দ্ব’ দীর্ঘদিনের। এ বিষয়েই ইত্যাদির এবারের পর্বে রয়েছে একটি তথ্যভিত্তিক অনুসন্ধানী প্রতিবেদন। 

    rnrn

    বিদেশি প্রতিবেদন পর্বে রয়েছে চীনের রাজধানী বেইজিংয়ে অবস্থিত চীনের কেন্দ্রীয় টেলিভিশন ভবন, চায়না টাওয়ার ও বিশ্বের মহাবিস্ময় চীনের মহাপ্রাচীরের ওপর একটি তথ্যবহুল প্রতিবেদন।

    rnrn

    এ ছাড়া শেরপুরের মঞ্চে যথারীতি সমসাময়িক বিভিন্ন প্রসঙ্গ নিয়ে রয়েছে নানি-নাতির কথার মাতামাতি। এ ছাড়া প্রতিবারের মতো এবারও রয়েছে বিভিন্ন সামাজিক অসংগতি ও সমাজ সংস্কারের ওপর সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে বেশ কিছু নাট্যাংশ। নাটক এখন নামে আটক, ফুড ব্লগার, প্রেমে ভিউর প্রভাব, ভিক্ষাবৃত্তিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার প্রয়োগ, স্বামীর অবৈধ আয়ের দায়, দুর্নীতির গতি ও নীতির দুর্গতি, চোরের মন ছাগল ছাগল, স্বামী চেনার সহজ উপায়, মুখোমুখি দাতা ও গ্রহীতাসহ বিভিন্ন বিষয়ের ওপর রয়েছে বেশ কয়েকটি নাট্যাংশ।

    rnrn

    এবারের ইত্যাদিতে সোলায়মান খোকা, জিয়াউল হাসান, সুভাশীষ ভৌমিক, মাসুম বাশার, জিল্লুর রহমান, শবনম পারভীন, আঞ্জুমান আরা বকুল, আমিন আজাদ, মুকিত জাকারিয়া, আনন্দ খালেদ, তারিক স্বপন, জামিল হোসেন, জাহিদ শিকদার, সাদিয়া তানজিন, আনোয়ারুল আলম সজল, বেলাল আহমেদ মুরাদ, সঞ্জীব আহমেদ, সিয়াম নাসির, নিপু, কামাল বায়েজীদ, সাবরিনা নিসা, নাদিয়া হক, সুবর্ণা মজুমদার, মতিউর রহমান, আনোয়ার শাহী, বিনয় ভদ্র, বিলু বড়ুয়া, সুজাত শিমুল, তাসনোভা নিঝুম প্রমুখ শিল্পী অংশ নিয়েছেন বিভিন্ন পর্বে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জনপ্রিয় ম্যাগাজিন ‘ইত্যাদি’ এবার গারো পাহাড়ে

    ইত্যাদির মঞ্চ নির্মাণ করা হয়েছে শেরপুরের গারো পাহাড়ের মধুটিলা ইকো পার্কের ভেতরে। আগামীকাল ১৬ জুলাই জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠানটির এবারের পর্ব সেখানে ধারণ করা হবে।

    rnrn

    জানা গেছে, শেরপুরের ইতিহাস, ঐতিহ্য, বিভিন্ন প্রত্ননিদর্শন, মুক্তিযুদ্ধের বিভিন্ন স্মৃতিচিহ্ন এবং কীর্তিমান ব্যক্তিদের ওপর তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন থাকবে এবারের ইত্যাদি অনুষ্ঠানে।

    rnrn

    ইত্যাদির প্রতিটি পর্বই অনুষ্ঠানের মূল পরিকল্পনার সঙ্গে সংগতি রেখে সমসাময়িক বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে তৈরি করা হয় বলেই দর্শকরা প্রতিটি বিষয়ে বৈচিত্র্য ও আলাদা স্বাদ খুঁজে পান। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। থাকছে ইত্যাদির জমকালো আয়োজন এবং দারুণ সব বিষয়।

    rnrn

    বরাবরের মতো ‘ইত্যাদি’ রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মেট্রোরেল ডিপোতে ধারণকৃত ‘ইত্যাদি’ আবারও দেখা যাবে আজ

    রাজধানী উত্তরার দিয়াবাড়ি মেট্রোরেলের প্রধান ডিপোতে ধারণকৃত জনপ্রিয় ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘ইত্যাদি’র একটি পর্ব আজ পুনঃপ্রচার হবে। ২০২১ সালের ১৬ জুলাই ধারণ করা এ অনুষ্ঠানে করোনার কারণে স্বাস্থ্যবিধি মেনে কোনো দর্শককে আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। সে হিসাবে এটিই ছিল ইত্যাদির দর্শক শূন্য প্রথম অনুষ্ঠান। এ পর্বে গান রয়েছে দুটি। সাবিনা ইয়াসমিন গেয়েছেন একটি দেশাত্মবোধক গান। গানটির কোরিওগ্রাফিতে অংশগ্রহণ করেছেন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানির কজন স্থপতি ও প্রকৌশলী। সংগৃহীত কথা ও সুরে ইত্যাদির এ পর্বে শিল্পী তসিবার জন্য একটি গান নুতনভাবে রেকর্ড করা হয়।

    rnrn

    গানটির র‌্যাপ অংশ গেয়েছেন মাহমুদুল হাসান। এছাড়া রয়েছে মেট্রোরেলের ইতিহাস, অগ্রগতির বিভিন্ন কারিগরি দিক, সুবিধাগুলোর ওপর তিনটি তথ্যভিত্তিক প্রতিবেদন। যেখানে রয়েছে তুরাগ নদী দিয়ে প্রথম কোচ আসা, স্টেশন ও রেললাইন নির্মাণ কাজ, কারখানায় থাকাকালীন মেট্রোরেলের বিভিন্ন অংশের সঙ্গে পরিচয় পর্ব।

    rnrn

    আরও দেখা যাবে নাটোরের বড়াইগ্রাম উপজেলার প্রকৌশলী মো. আমিনউল্লাহর ওপর একটি উদ্বুদ্ধকরণ প্রতিবেদন। বিদেশি প্রতিবেদন পর্বে রয়েছে গ্রিসে ধারণকৃত অলিম্পিক স্টেডিয়ামের প্রায় তিন হাজার বছরের পুরোনো ইতিহাস থেকে বর্তমান ইতিহাস। নিয়মিত পর্ব হিসাবে এবারও যথারীতি রয়েছে দর্শকপর্ব, মামা-ভাগ্নে, নানি-নাতি ও চিঠিপত্র পর্ব। এছাড়া বিভিন্ন সামাজিক অসংগতি ও সমসাময়িক ঘটনা নিয়ে রয়েছে বেশ কটি বিদ্রুপাত্মক নাট্যাংশ। বরাবরের মতো ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। অনুষ্ঠানটি বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর একযোগে প্রচার হবে।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • ঈদের ইত্যাদিতে যা যা থাকছে

    ঈদের বাড়তি আনন্দ নিয়ে দর্শকের সামনে আসছে হানিফ সংকেতের ‘ইত্যাদি’। ঈদের পরদিন রাত আটটার বাংলা সংবাদের পর বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচারিত হবে জনপ্রিয় অনুষ্ঠানটি।

    rnrn

    অনুষ্ঠানটি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। অনুষ্ঠানটি নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন। এবার পুরো আয়োজন ধারণ করা হয়েছে মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে।

    rnrn

    শুরুতে ‘রমজানের ঐ রোজার শেষে এল খুশীর ঈদ’ পরিবেশন করবেন এই প্রজন্মের ৩৫ নজরুল সংগীতশিল্পী। সংগীতায়োজন করেছেন মেহেদি। 

    rnrn

    ‘জীবনের সব সুখ’ শিরোনামে বাপ্পা মজুমদার ও ইমরান মাহমুদুলের একটি গান থাকছে। গানটি লিখেছেন লিটন অধিকারী রিন্টু। 

    rnrn

    ‘রঙে রঙে রঙিন হব’ শিরোনামে আরেকটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন সংগীতশিল্পী তাহসান খান ও অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। গানটি লিখেছেন কবির বকুল। দুই গানের সুর ও সংগীত করেছেন ইমরান মাহমুদুল।

    rnrn

    প্রয়াত সংগীতশিল্পী খালিদ হাসান মিলুর দুই সন্তান প্রতীক হাসান ও প্রীতম হাসানের একটি গান থাকছে। গানটির কথা লিখেছেন কবির বকুল, সুর ও সংগীতায়োজন করেছেন প্রীতম হাসান। নাচ পরিবেশন করবেন নৃত্যজুটি শিবলী মহম্মদ ও শামীম আরা নীপা। 

    rnrn

    হানিফ সংকেতের সার্বিক তত্ত্বাবধানে নাচটির সংগীত পরিচালনা করেছেন তরুণ সংগীত পরিচালক আকাশ মাহমুদ।

    rnrn

    দুটি মিউজিক্যাল ড্রামাতে অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, আজিজুল হাকিম, সাবেরী আলম, আল মামুন, ইন্তেখাব দিনার ও সারিকা সাবরিন। একটি নাটিকায় অংশ নিয়েছেন মীর সাব্বির ও নাসির উদ্দিন খান। তানিয়া আহমেদের পরিচালনায় থাকছে আরেকটি নাটিকা। সিয়াম আহমেদ ও মেহজাবীন চৌধুরীর একটি গানের তালে নাচও থাকছে। গানটি সংগীতায়োজন করেছেন মেহেদি। কণ্ঠ দিয়েছেন পুলক অধিকারী ও নোশিন তাবাসসুম স্মরণ। নৃত্য পরিচালনা করেছেন ইভান শাহরিয়ার সোহাগ ও মামুন। এর বাইরে নানা–নাতিসহ নিয়মিত আয়োজন থাকবে।

    rnrn

    দুটি ভিন্ন বিষয় নিয়ে বক্তব্যধর্মী মিউজিক্যাল ড্রামা দেখা যাবে এবার। একটিতে চার জন অভিভাবকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, আজিজুল হাকিম, সাবেরী আলম ও আল মামুন। আরেকটি মিউজিক্যাল ড্রামায় স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইন্তেখাব দিনার ও সারিকা সাবরিন। 

    rnrn

    একটি মজাদার নাটিকায় অংশ নিয়েছেন মীর সাব্বির ও নাসির উদ্দিন খান। এই দুই অভিনেতার মনোজ্ঞ ও রসালো অভিনয়ে ফুটে উঠেছে বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার বিভিন্ন সমস্যা। 

    rnrn

    তথাকথিত ভাইরাল সেলিব্রেটিদের বিভিন্ন কার্যকলাপ নিয়ে ‘ইত্যাদি’র মঞ্চে দর্শকদের সামনে নির্মিত একটি নাটিকায় অভিনয় করেছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কজন নাট্যপ্রেমী শিক্ষার্থী, আর এই পর্বটি পরিচালনা করেছেন তানিয়া আহমেদ।

    rnrn

    শুধু প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে অনুষ্ঠান ধারণই নয়-প্রায় দুই যুগ ধরে ‘ইত্যাদি’তে বিদেশি নাগরিকদের দিয়েও আমাদের লোকজ সংস্কৃতি, বিভিন্ন গ্রামীণ খেলাধুলা, ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে নিয়মিতভাবে তুলে ধরা হচ্ছে। এবারও থাকছে পর্বটি। 

    rnrn

    প্রতিবারই ‘ইত্যাদি’র দর্শক নির্বাচন প্রক্রিয়া থাকে ভিন্ন রকম। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ব্যতিক্রমী উপকরণের মাধ্যমে নির্বাচিত ৩ জন দর্শকের মুখোমুখি হয়েছেন বরেণ্য অভিনেতা আবুল হায়াত।

    rnrn

    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঈদ ‘ইত্যাদি’ সাজানো হলো যেভাবে

    প্রতি বছরের মতো এবারও ঈদ আনন্দের সঙ্গে দর্শকদের জন্য বাড়তি আনন্দ নিয়ে আসছে হানিফ সংকেতের ‘ইত্যাদি’। এবার পুরো আয়োজন ধারণ করা হয়েছে মিরপুর শহীদ সোহরাওয়ার্দী ইনডোর স্টেডিয়ামে।

    rnrn

    এবারও শুরুটা হচ্ছে- ‘ও মন রমজানের ওই রোজার শেষে এলো খুশির ঈদ’ গানটি দিয়ে। গত তিন দশক ধরেই হাজার হাজার মানুষ নিয়ে ঢাকায় ও দেশের বিভিন্ন স্থানে বিভিন্ন আঙ্গিকে এই গানটি পরিবেশন করে আসছে। 

    rnrn

    একসময় এই গানটি অবহেলিত থাকলেও এখন ঈদের সময় সব চ্যানেলেই এই গানটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রচার করা হয়। নানা শ্রেণি-পেশার মানুষের অংশগ্রহণের ধারাবাহিকতায় এবারে এই গানটি পরিবেশন করবেন প্রখ্যাত নজরুলসংগীত শিল্পীদের সঙ্গে এই প্রজন্মের প্রায় ৩৫ জন শিল্পী। 

    rnrn

    এছাড়াও নৃত্যে-ছন্দে-আনন্দে দুই শতাধিক শিক্ষার্থী একই রকম পোশাক ও রঙবেরঙের উপকরণ নিয়ে এই গানের চিত্রায়ণে অংশ নিয়েছেন। সবার সম্মিলিত বর্ণিল পরিবেশনা ও হাজার হাজার দর্শকের অংশগ্রহণে পুরো স্টেডিয়ামে এক উৎসবের আমেজ সৃষ্টি হয়েছিল। গানটির সংগীতায়োজন করেছেন মেহেদি।

    rnrn

    এবারের ‘ইত্যাদি’তে গাইবেন এই প্রজন্মের ক’জন জনপ্রিয় শিল্পী। ‘জীবনের সব সুখ’ শিরোনামে বাপ্পা মজুমদারের সঙ্গে একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন ইমরান মাহমুদুল।  ‘রঙে রঙে রঙিন হবো’ শিরোনামে আরেকটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন তাহসান খান এবং তাসনিয়া ফারিণ।

    rnrn

    এবারের আসরে ফোক ও আধুনিক এই দুই ধারার সমন্বয়ে তৈরি একটি গানে কণ্ঠ দিয়েছেন প্রয়াত সংগীতশিল্পী খালিদ হাসান মিলুর দুই সন্তান প্রতীক হাসান ও প্রীতম হাসান। গানটিতে এই দুই ভাইয়ের সঙ্গে অংশ নিয়েছেন ৮ জন তরুণ বিট বক্সার।

    rnrn

    এবারের নাচের বিষয় সেকাল আর একালের বিয়ে। নাচটি পরিবেশন করেন দেশের খ্যাতিমান নৃত্যজুটি শিবলী মোহাম্মদ ও শামীম আরা নিপা। তাদের সঙ্গে ছিলেন দেড় শতাধিক নৃত্য ও অভিনয়শিল্পী। নাচটির সংগীত পরিচালনা করেছেন আকাশ মাহমুদ।

    rnrn

    দুটি ভিন্ন বিষয় নিয়ে বক্তব্যধর্মী মিউজিক্যাল ড্রামা দেখা যাবে এবার। একটিতে চার জন অভিভাবকের চরিত্রে অভিনয় করেছেন শহীদুজ্জামান সেলিম, আজিজুল হাকিম, সাবেরী আলম ও আল মামুন। আরেকটি মিউজিক্যাল ড্রামায় স্বামী-স্ত্রীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইন্তেখাব দিনার ও সারিকা সাবরিন। 

    rnrn

    একটি মজাদার নাটিকায় অংশ নিয়েছেন মীর সাব্বির ও নাসির উদ্দিন খান। এই দুই অভিনেতার মনোজ্ঞ ও রসালো অভিনয়ে ফুটে উঠেছে বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার বিভিন্ন সমস্যা। 

    rnrn

    তথাকথিত ভাইরাল সেলিব্রেটিদের বিভিন্ন কার্যকলাপ নিয়ে ‘ইত্যাদি’র মঞ্চে দর্শকদের সামনে নির্মিত একটি নাটিকায় অভিনয় করেছেন বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের কজন নাট্যপ্রেমী শিক্ষার্থী, আর এই পর্বটি পরিচালনা করেছেন তানিয়া আহমেদ।

    rnrn

    শুধু প্রত্যন্ত অঞ্চলে গিয়ে অনুষ্ঠান ধারণই নয়-প্রায় দুই যুগ ধরে ‘ইত্যাদি’তে বিদেশি নাগরিকদের দিয়েও আমাদের লোকজ সংস্কৃতি, বিভিন্ন গ্রামীণ খেলাধুলা, ইতিহাস ও ঐতিহ্যকে নিয়মিতভাবে তুলে ধরা হচ্ছে। এবারও থাকছে পর্বটি। 

    rnrn

    প্রতিবারই ‘ইত্যাদি’র দর্শক নির্বাচন প্রক্রিয়া থাকে ভিন্ন রকম। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। ব্যতিক্রমী উপকরণের মাধ্যমে নির্বাচিত ৩ জন দর্শকের মুখোমুখি হয়েছেন বরেণ্য অভিনেতা আবুল হায়াত।

    rnrn

    এবারের ঈদেও রয়েছে নাতি আর নানি, শোনা যাবে নাতির ভুল ধরার বাণী। এছাড়াও রয়েছে ঈদকে ঘিরে ডজনখানেক বিদ্রূপাত্মক রসালো নাট্যাংশ। দান-অনুদানে অনিয়ম, সংগীতের সেকাল-একাল-ক্রান্তিকাল, ঘুষ-অন্যায় নাকি অন্য আয়, অপাত্র-সুপাত্র এবং বিয়ের ভালো-মন্দ ও ভূত-ভবিষ্যৎ, কাপড়ে মাপের ফাঁপরে পড়ে, প্রেমিক-প্রেমিকা নাকি স্বামী-স্ত্রী কারা সুখী, জীবনের গল্প নিয়ে নাটকে আটক নায়কসহ বিভিন্ন বিষয়ে আরও কয়েকটি নাট্যাংশ রয়েছে। 

    rnrn

    ‘ইত্যাদি’র নিয়মিত অভিনয় শিল্পীদের পাশাপাশি এসব পর্বে অভিনয় করেছেন দেশের শীর্ষস্থানীয় অভিনয় শিল্পীরা। শিল্প নির্দেশনা করেছেন যথারীতি মুকিমূল আনোয়ার মুকিম। পরিচালকের সহকারী হিসাবে ছিলেন রানা সরকার ও মামুন মোহাম্মদ।

    rnrn

    ‘ইত্যাদি’ রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত। নির্মাণ করেছে ফাগুন অডিও ভিশন, স্পন্সর করেছে কেয়া কসমেটিকস লিমিটেড। ঈদের বিশেষ ইত্যাদি একযোগে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচারিত হবে ঈদের পরদিন রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ইত্যাদিতে একসঙ্গে দেখা যাবে সিয়াম-মেহজাবীনকে

    ইত্যাদি অনুষ্ঠানে প্রতিটি বিষয়ই খুঁজে পাওয়া যায় সমসাময়িক প্রসঙ্গ— গান, অভিনয়, নৃত্য। তেমনি পরিবেশিত হয় দলীয় সংগীতের একটি পর্ব। 

    rnrn

    এবারের দলীয় সংগীতের বিষয় মোবাইলের বিভিন্ন অ্যাপসের ব্যবহার নিয়ে। এই পর্বে অংশগ্রহণ করেছেন নায়ক সিয়াম আহমেদ ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। গানটির সংগীতায়োজন করেছেন মেহেদি। 

    rnrn

    গানে কণ্ঠ দিয়েছেন পুলক অধিকারী ও নোশিন তাবাসসুম স্মরণ। নৃত্য পরিচালনা করেছেন ইভান শাহরিয়ার সোহাগ ও মামুন।

    rnrn

    প্রতিবারের মতো এবারও ঈদের বিশেষ ইত্যাদি একযোগে বিটিভি ও বিটিভি ওয়ার্ল্ডে প্রচারিত হবে ঈদের পর দিন রাত ৮টার বাংলা সংবাদের পর। ইত্যাদি রচনা, পরিচালনা ও উপস্থাপনা করেছেন হানিফ সংকেত।
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক