Tag: আসিফ আকবর

  • খালেদা জিয়ার ত্যাগ-সংগ্রাম প্রজন্মকে প্রেরণা জোগাবে: আসিফ আকবর

    সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর বলেছেন, সফল জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তিতে জেগে উঠেছে নতুন বাংলাদেশ।  রাজনৈতিক বিভাজনের বাইরে বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের মানুষের স্মৃতিতে ঐক্যের প্রতীক হিসেবে চিরঅম্লান থাকবেন। তার ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস যুগে যুগে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে প্রেরণা জোগাবে।

    শুক্রবার (৭ আগস্ট) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন।

    পোস্টে আসিফ আকবর লিখেছেন, সফল জুলাই বিপ্লবের দুই বছর পূর্তিতে জেগেছে নতুন বাংলাদেশ। স্বদেশি দানবের বিরুদ্ধে ছাত্র-জনতার ঐতিহাসিক বিজয়ে ১ হাজার ৪০০ বীর জুলাই শহীদ এবং ৩০ হাজার আহত জুলাই যোদ্ধার প্রতি বিনম্র শ্রদ্ধা। অত্যাচারী, খুনি, লুটেরা ও দেশদ্রোহী ফ্যাসিস্টরূপী দানবীয় শক্তির বিরুদ্ধে মুক্তিকামী জনতার বহু আকাঙ্ক্ষিত বিজয়ের নাম জুলাই বিপ্লব। বাংলাদেশ আজ অনুশোচনাহীন, অসভ্য ও বর্বর পলাতক ফ্যাসিস্টের খপ্পর থেকে রাজনৈতিক পরাধীনতার শৃঙ্খলমুক্ত।

    তিনি আরও লেখেন, অনুভূতির প্রতিটি অনুরণনে বাজতেই থাকে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কথাগুলো। ফ্যাসিস্টকে উদ্দেশ করে তিনি বলেছিলেন, ওদের হাতে গোলামির জিঞ্জির, আমাদের হাতে স্বাধীনতার পতাকা। দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্বের প্রশ্নে বেগম জিয়ার মতো আপসহীন দৃঢ়তা আজ বিরাজমান জেন-জি প্রজন্মের অস্তিত্বে।

    আসিফ আকবর বলেন, তিনি বলেছিলেন, দেশের বাইরে আমার কোনো ঠিকানা নেই। এই দেশ, এই দেশের মাটি ও মানুষই আমার ঠিকানা। তিনি শায়িত হয়েছেন এই মাটিতেই। বেগম জিয়ার জানাজায় বিস্ফোরিত হয়েছে সর্বস্তরের মানুষের আবেগ। তিনি বিদায় নিয়েছেন গর্বিত বিজয়ীর মতোই।

    পোস্টের শেষাংশে তিনি লেখেন, রাজনৈতিক বিভাজনের বাইরে বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের মানুষের স্মৃতিতে ঐক্যের প্রতীক হিসেবে চিরঅম্লান থাকবেন। তার ত্যাগ ও সংগ্রামের ইতিহাস যুগে যুগে প্রজন্মের পর প্রজন্মকে প্রেরণা জোগাবে। ম্যাডাম, আপনি সফল। এই দেশের তারুণ্য আপনার আপসহীনতাকে অন্তরে ধারণ করে। আর কোনো শৃঙ্খলে আবদ্ধ হবে না বাংলাদেশ। আপনি এ দেশের আপামর জনতার হৃদয়ে দ্রোহের অগ্নিমশাল হয়ে জ্বলবেন অনন্তকাল। বিনম্র শ্রদ্ধা, প্রিয় দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া। আপনার কাছ থেকে শেখা ইস্পাত-কঠিন দেশপ্রেম ভোলার মতো নয়। আপনাকেও কোনো দিন ভুলব না। ভালোবাসা অবিরাম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রাণ দেবে তারুণ্য, ভুগবে পরিবার, সুবিধা নেবে এলিট শ্রেণি: আসিফ

    দেশের রাজনীতি, অর্থনীতি ও সামাজিক অবক্ষয়ের চিত্র তুলে ধরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। ছোটখাটো চুরি ও অনিয়মের খবর গণমাধ্যমে ব্যাপকভাবে প্রকাশ পেলেও লুটেরা গোষ্ঠীর দেশবিরোধী কর্মকাণ্ড নিয়ে তেমন আলোচনা হয় না বলে দাবি করেছেন তিনি।

    এ ছাড়া সাফ ফুটবলের নেতৃত্ব, বাংলাদেশ ফুটবল ফেডারেশন (বাফুফে) এবং ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের কার্যক্রম নিয়েও সমালোচনা করেন তিনি। তার দাবি, এসব বিষয় ‘একই সূত্রে গাঁথা পুরোনো নকশার অংশ’।

    সোমবার (৩ আগস্ট) সন্ধ্যায় সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এসব মন্তব্য করেন আসিফ আকবর।

    পোস্টে তিনি লেখেন, স্কুলের টিফিন সরানোর অপরাধে এক শিক্ষককে পাকড়াও ও হেনস্তা করা হয়। পত্রিকা আর সোশ্যাল মিডিয়ায় অহরহ ছোটখাটো চুরি ও অন্যায়ের খবর খুব ফলাও করে প্রচার করা হয়। নড়ে ওঠে তথাকথিত নেটিজেনরা, পাবলিক রিঅ্যাকশনও থাকে খুব তীব্র। সামান্য খাবার চুরির অপরাধে এ দেশে পিটিয়ে মেরে ফেলা হয় মানুষ কিংবা বোবা প্রাণী।

    তিনি আরও লেখেন, ওদিকে লুটেরা গোষ্ঠী লুটেই যাচ্ছে দেশটাকে। রাজনীতিকে হাতিয়ার বানিয়ে দেশটাকে খোকলা করে এরাই আবার হয়ে যায় জনপ্রতিনিধি। সাধারণ জনতাই তাদের নেতা বানায়, অভিভাবক বানায়, প্রতিশ্রুতির ফাঁদে পড়ে পেছনে পেছনে ঘোরে আর ‘আমার ভাই, তোমার ভাই’ বলে চিৎকার করে। তারাই আন্দোলন-সংগ্রাম করে ত্যাগী ও মজলুম হয়, পরে তারাই আবার নিজেদের তৈরি ফ্রাঙ্কেনস্টাইনকে নেতার পদ ফিরিয়ে দিয়ে প্যাদানি খায়।

    আসিফ বলেন, এই চক্রেই চলছে বাংলাদেশের রাজনীতি ও সমাজব্যবস্থা। উচ্চশিক্ষিত চর্বিওয়ালারা জানে চুরির সব অভিনব কৌশল, কাঙালের দল সেই কৌশলের ফাঁদে পড়ে লোভী হয়ে ওঠে; তারাই আবার সেই চোরকে দেয় প্রাতিষ্ঠানিক অবয়ব।

    পোস্টে ১৯৫৬ সালের ৩ আগস্ট মুক্তিপ্রাপ্ত প্রথম সবাক বাংলা চলচ্চিত্র ‘মুখ ও মুখোশ’-এর প্রসঙ্গও উল্লেখ করেন তিনি। পাশাপাশি ২০২৪ সালের ৩ আগস্টের একটি রাজনৈতিক ঘটনার সঙ্গে তুলনা টেনে নিজের মতামত তুলে ধরেন।

    তিনি বলেন, কয়েক দিন আগে দেখলাম, সাফ ফুটবলের বসও হলেন সেই ফ্যাসিস্টেরই রেপ্লিকা। নির্বাচিত বাফুফে আর অথর্ব ক্রীড়া মন্ত্রণালয় ‘স্পিকটি নট’। খুব হিসাব কষে চলছে তাদের নতুন নির্বাক ছবির শুটিং। এগুলো সাধারণ কোনো ঘটনা নয়, একই সূত্রে গাঁথা পুরোনো ডিজাইন।

    নিজের পোস্টের শেষাংশে আসিফ লেখেন, এই দেশের মানুষের শত্রুর প্রয়োজন নেই, নিজেদের বিনাশে নিজেরাই যথেষ্ট। বিষাক্ত কালচারাল ফ্যাসিস্ট আর তেলের মতো ভেসে থাকা কিছু দালাল মিডিয়া দেশের অভ্যন্তরের ফ্রন্টলাইন শত্রু। এই সত্যটা বুঝলে ভালো, না বুঝলে পরিস্থিতি একই রকম আছে, সমস্যার কিছু নেই। প্রাণ দেবে তারুণ্য, ভুগবে তার পরিবার, এনজয় করবে এলিট শ্রেণি, আর হাততালি দেবে কাঙালের দল—এটাই নিয়ম।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিনোদনকে ষষ্ঠ মৌলিক চাহিদা হিসেবে স্বীকৃতি চাইলেন আসিফ

    মানুষের মধ্যে হিংস্রতা, জিঘাংসা ও হতাশার জন্ম দেয় বিনোদনের অভাব। একই সঙ্গে শিশুদের মানসিক বিকাশে বিনোদনের কোনো বিকল্প নেই বলে মন্তব্য করেছেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। বিনোদনের বহুমুখী গুরুত্ব বিবেচনায় তিনি বলেন, বাংলাদেশে এটিকে ষষ্ঠ মৌলিক চাহিদা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া জরুরি।

    মঙ্গলবার (১৬ জুন) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব কথা বলেন। পোস্টে তিনি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের ব্যান্ড সংগীতের প্রতি অবদানের বিষয়টিও তুলে ধরেন।

    আসিফ আকবর লেখেন, জনবহুল বাংলাদেশে ষষ্ঠ মৌলিক চাহিদা হিসেবে বিনোদনকে স্বীকৃতি দেওয়াটা জরুরি বলে মনে করি। দেশে মানুষের বিনোদনের বড় সংকট রয়েছে। খেলাধুলা ও সংস্কৃতিচর্চার মাধ্যমে মননশীলতার বিকাশ ঘটানো সারা বিশ্বে সবচেয়ে কার্যকর পন্থা।

    ব্যান্ড সংগীতে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের অবদানের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, ১৯৭৯-৮০ সালে তিনি চট্টগ্রামের সংগীতশিল্পীদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলেন। সেখানে উপস্থিত অনেকেই পরবর্তীতে দেশবরেণ্য তারকায় পরিণত হন। শহীদ জিয়া দেশীয় বাদ্যযন্ত্রের পাশাপাশি পশ্চিমা বাদ্যযন্ত্রের চর্চার ওপর গুরুত্ব দেন এবং আমদানি কর সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করেন। এর ফলে নব্বইয়ের দশকে ব্যান্ড সংগীতে বিপ্লব ঘটে।

    বর্তমান সরকারকে ধন্যবাদ জানিয়ে পশ্চিমা বাদ্যযন্ত্রের গুরুত্বও তুলে ধরেন তিনি। আসিফ বলেন, ২০২৬-২৭ অর্থবছরের বাজেটে পূর্বে আরোপিত ৫ শতাংশ শুল্ক সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা হয়েছে। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) সংগীতের ভৌতিক পরিস্থিতি থেকে বাঁচতে পশ্চিমা বাদ্যযন্ত্রের চর্চাও প্রয়োজন, যা আমাদের সংগীতের ভিত্তিকে আরও শক্তিশালী করবে।

    বিশ্বের সঙ্গে সমানতালে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, চলমান ফুটবল বিশ্বকাপে অংশ নেওয়া ৪৮টি দেশের মধ্যে ১৩টি দেশই মুসলিম। বিশ্বের প্রায় সব মুসলিম দেশেই সংগীত, খেলাধুলা ও সাংস্কৃতিক চর্চা নিয়মিত হয়। তাই পশ্চাৎপদতার দিকে ধাবিত না হয়ে বিশ্বের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করেই দেশকে সমৃদ্ধ করতে হবে।

    বিনোদনের উন্নয়নে সরকারের প্রতি আশা প্রকাশ করে আসিফ আকবর বলেন, আমাদের শিশুদের মৌলিক অধিকার বিনোদন। সুস্থ ও সমৃদ্ধ জাতি গঠনে বিনোদনের কোনো বিকল্প নেই। আশা করি বর্তমান সরকার মহাপরিকল্পনার মাধ্যমে সারা দেশে শক্তিশালী ও টেকসই সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সূচনা করবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজধানীর ৩ টার্মিনাল অপসারণের সিদ্ধান্ত ফাইলবন্দি না করার দাবি আসিফ আকবরের

    রাজধানীর সড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং দীর্ঘদিনের যানজট সমস্যার সমাধানে রাজধানীর সায়েদাবাদ, গুলিস্তান ও মহাখালী টার্মিনালের বাসের ডিপো সরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। এদিকে রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ এই ৩ টার্মিনাল অপসারণটি নষ্ট সিস্টেমের কঙ্কালে যেন সিদ্ধান্তটি ফাইলবন্দি না হয় বলে মন্তব্য করেছেন কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবর।

    সোমবার (১৫ জুন) সামাজিক মাধ্যম নিজ ভেরিফায়েড ফেসবুক আইডিতে একটি পোস্ট দিয়েছেন।

    পোস্টে তিনি লিখেছেন, সোজা রাস্তা জটিল হয়ে যায় টার্মিনালের এই বাস ডিপো গুলোর জন‍্য। সেই কিশোর বয়স থেকেই প্রত‍্যক্ষ ভূক্তভোগী হিসেবে এই অসহ‍্য যন্ত্রনা থেকে মুক্তি চাই। অতীতের মত নষ্ট সিস্টেমের কঙ্কালে যেন এই জনগূরুত্বসম্পন্ন সিদ্ধান্তটি ফাইলবন্দি না হয়ে যায়- এটাই আমাদের দাবি। 

    তিনি লেখেন, মহাসড়কে যানবাহন চলাচলে বিশৃঙ্খলা রোধে দ্রুত কার্যকর ব‍্যবস্থা গ্রহণ প্রয়োজন। অনিয়ন্ত্রিত টেসলা (ব‍্যাটারি চালিত অটো রিক্সা) গলি থেকে হাইওয়েতে অপ্রতিরোধ‍্য হয়ে উঠেছে। অদক্ষ চালকদের কারনে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা, আহত এবং নিহত হচ্ছে মানুষ। এদের না আছে লাইসেন্স, না আছে সড়কের নিয়ম মানার কোনো আগ্রহ। ভুক্তভোগী কেউ প্রতিবাদ করলে আবার জোটবদ্ধ হয়ে গন্ডগোল শুরু করে। জনগণের ভোটে নির্বাচিত সরকারের কাছে চাওয়া সড়ক- মহাসড়কে শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনুন প্লিজ। 

    সর্বশেষে এই কণ্ঠশিল্পী লেখেন, একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকেও ডিসিপ্লিনের আওতায় নিয়ে আসতে হবে। আমরা নিজেরাই আইন মানতে চাই না। অনিয়মকারীদের অর্থদন্ডের আওতায় নিলেই রোড ট্রাফিক সিস্টেমে শৃঙ্খলা ফিরে আসবে, যার কিছু নমুনা ঢাকার রাস্তায় দৃশ‍্যমান। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীকে ধন‍্যবাদ জনবান্ধব সিদ্ধান্তের জন‍্য। ভালবাসা অবিরাম।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • সন্তানকে জোর করে আর্জেন্টিনা-ব্রাজিলের সমর্থক বানাবেন না: আসিফ

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খোলামেলা মত প্রকাশের জন্য পরিচিত সংগীতশিল্পী আসিফ আকবর। প্রায়ই সমসাময়িক নানা ইস্যুতে নিজের ভাবনা তুলে ধরেন তিনি। সম্প্রতি বিশ্বকাপে কোনো দলকে সমর্থন দেওয়ার বিষয়টি যেন শিশুদের উপর চাপিয়ে দেওয়া না হয় সে সম্পর্কে অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে সচেতনতার বার্তা দিয়েছেন আসিফ। 

    বৃহস্পতিবার (১১ জুন) বাংলাদেশ সময় মধ্যরাত থেকে শুরু হয়েছে বিশ্বকাপ ফুটবলের ২৩তম আসর। গোটা বিশ্বের মতো বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীরাও এই উন্মাদনায় মেতে উঠেছে। এর মধ্যে আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিলের সমর্থকদের উচ্ছ্বাস যেন একটু বেশিই। বাংলাদেশে এই দুদলের সমর্থকদের সংখ্যাও অন্য যে কোনো দলের থেকে বেশি। তাদের মধ্যে আবেগ, উচ্ছ্বাস ও প্রতিদ্বন্দ্বিতাও দীর্ঘদিনের। প্রতিনিয়ত কথার লড়াইয়ের পাশাপাশি মাঝেমধ্যে তা অনেক বাড়াবাড়ি পর্যায়েও পৌঁছে যায়। 

    তবে আসিফের মতামত, শিশুরা কোন দল সমর্থন করবে এটা যেন অভিভাবকরা তাদের উপর চাপিয়ে না দেন। নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি অভিভাবকদের উদ্দেশে বলেন, সন্তানদের ওপর নিজেদের পছন্দ চাপিয়ে না দিয়ে তাদের নিজস্ব পছন্দ-অপছন্দকে সম্মান জানানো উচিত। 

    ফেসবুক স্ট্যাটাসে আসিফ আকবর লিখেছেন, ‘আপনার সন্তানকে জোর করে আর্জেন্টিনা কিংবা ব্রাজিলের সমর্থক বানাবেন না। তাদের পছন্দকে সমর্থন দিন।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আসিফের এই স্ট্যাটাসটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ সাড়া ফেলেছে। মন্তব্যের ঘরে তার এই বক্তব্যের সঙ্গে অনেককেই সহমত পোষণ করতে দেখা গেছে। ফুটবলকে কেন্দ্র করে বাংলাদেশে প্রায়ই আর্জেন্টিনা ও ব্রাজিল সমর্থকদের মধ্যে মজার খুনসুটি দেখা যায়। অনেক পরিবারেই বাবা-মা বা বড় ভাইবোনদের পছন্দের দল অনুসরণ করে ছোটরাও সমর্থক হয়ে ওঠে। তবে আসিফের মতে, এক্ষেত্রে শিশুদের ওপর কোনো ধরনের চাপ প্রয়োগ করা উচিত নয়। 

    আসিফের ওই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে একজন মন্তব্য করেছেন, ‘একদম ঠিক কথা বলেছেন আসিফ ভাই কারণ আমি ব্রাজিল করি আর আমার ছেলে আর্জেন্টিনা সমর্থন করে।’ আরেকজন লিখেছেন, ‘নিজের মত চাপিয়ে নয়, তাদের নিজস্ব পছন্দ গড়ে ওঠার সুযোগ দেওয়াই প্রকৃত অভিভাবকত্ব।’ 

    আসিফ আকবরের এই বক্তব্যকে অনেকেই কেবল ফুটবল সমর্থনের প্রসঙ্গ হিসেবে দেখছেন না; বরং এটি সন্তানদের মতামত, পছন্দ ও ব্যক্তিস্বাধীনতাকে সম্মান করার একটি বৃহত্তর বার্তা বলেও মনে করছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘প্লিজ অবুঝ প্রাণীটার প্রতি রহম করুন’, আলোচিত সেই মহিষ প্রসঙ্গে আসিফ

    বাংলা গানের জনপ্রিয় শিল্পী আসিফ আকবর বরাবরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব থাকেন। ক্যারিয়ারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও চলমান নানা ইস্যুতে নিজের মতামত ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে দেখা যায় তাকে। 

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বহুল আলোচিত অ্যালবিনো জাতের মহিষ যেটির অদ্ভুত সাদা রং ও মাথার বিশেষ ধরনের চুলের কারণে ‘ডোনাল্ড ট্রাম্প’ নামকরণ করা হয়েছিল, সেটি নিয়ে আবেগঘন প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন এই সংগীতশিল্পী। 

    ফেসবুকে সাম্প্রতিক এক পোস্টে চিড়িয়াখানায় থাকা ওই মহিষটির বর্তমান অবস্থান নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশের পাশাপাশি প্রাণিটির প্রতি মানবিক আচরণের আকুতি জানান তিনি। 

    শনিবার (৬ জুন) এক ফেসবুক পোস্টে আসিফ লিখেছেন, ‘এই বাফেলো’টার জন্য মানুষের নরম মন কাঁদছে। দেশে কত দুঃসহ ঘটনাই তো ঘটছে! আরও অসহ্য অনেক কিছুই হবে! এ মহিষটা তো জানে না তার দোষ কী! সে একটা আদুরে পরিবেশে বেড়ে উঠেছে, ভবিষ্যৎ জানি না।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বর্তমানে রাজধানীর জাতীয় চিড়িয়াখানায় থাকা এই মহিষটিকে খামারির কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানিয়ে সংগীতশিল্পী আরও বলেন, ‘অনেক মারপ্যাঁচের মধ্যেও তার জীবনটা যেহেতু এখনো আছে, প্লিজ তাকে খামারির কাছে পৌঁছে দিন। সরকারের কাছে বিনীত অনুরোধ রইল, প্লিজ এ অবুঝ প্রাণিটার প্রতি রহম করুন। মানুষের মনের ছোট্ট অনুভূতিগুলোও বেঁচে থাকুক। প্লিজ!’ 

    জানা যায়, বর্তমানে আলোচিত এই অ্যালবিনো জাতের মহিষটি জাতীয় চিড়িয়াখানার ৭ নম্বর শেডে রাখা হয়েছে। চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, অতিরিক্ত জনসমাগম ও সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা এড়াতে এবং বিরল প্রাণী হিসেবে সংরক্ষণের জন্য কেরানীগঞ্জ থেকে মহিষটিকে সেখানে স্থানান্তর করা হয়। 

    চিড়িয়াখানা কর্তৃপক্ষ আরও জানায়, প্রথমে মহিষটিকে কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয় এবং পরে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা, পরিচর্যা ও খাবারের ব্যবস্থা করা হয়। বর্তমানে প্রাণীটি পর্যবেক্ষণে রয়েছে এবং সুস্থ আছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছোট্ট মেয়ের যে কথায় আসিফের নতুন উপলব্ধি!

    বাংলা গানের যুবরাজ আসিফ আকবর বরাবরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব থাকেন। ক্যারিয়ারের পাশাপাশি ব্যক্তিগত ও চলমান নানা ইস্যুতে নিজের মতামত ভক্ত-অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগ করে নিতে দেখা যায় তাকে।  

    সম্প্রতি তার ছোট মেয়ে আইদাহ্ আসিফ রঙ্গনের একটি চমকপ্রদ প্রশ্ন এবং তা থেকে নিজের আত্মোপলব্ধির বিষয়টি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া একটি পোস্টে তুলে ধরেছেন আসিফ আকবর। 

    বৃহস্পতিবার (৪ জুন) মেয়ের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে আসিফ লিখেছেন, ‘আইদাহ্ তার রুমে বেগমের সঙ্গে সময় পার করছে। আমি রুমে ঢুকে তাকে সালাম দিলাম। আইদাহ্ সালামের উত্তর দিয়েই জিজ্ঞেস করল- হোয়াট ইজ ইউর নেম বাবা? 

    প্রশ্নটা শুনেই আমি একটু হতচকিত হয়ে আস্তে করে বললাম- মাই নেম ইজ আসিফ আকবর। আইদাহ্ শক্ত কন্ঠে বলে উঠলো- নো, আল্লাহু আকবর ইজ ফাইনাল। ইউ আর অনলি আসিফ বাবা!’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মাত্র চার বছর বয়সী মেয়ের মুখে এমন কথা শুনে যে আসিফ ভীষণ অবাক হয়েছেন, সেটাও উল্লেখ করেছেন এই কণ্ঠশিল্পী। পাশাপাশি ভবিষ্যতে তার ছোট্ট মেয়ে আরও সুসজ্জিতভাবে বেড়ে উঠবে বলেও আশা ব্যক্ত করেন। 

    মেয়ের প্রশ্নের প্রেক্ষিতে নিজের শৈশবে শোনা লর্ড ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটি কৌতুক নিয়েও স্মৃতি রোমন্থন করেন শ্রোতাপ্রিয় এই সংগীতশিল্পী। আসিফ বলেন, ‘ছোটবেলায় লর্ড ভানু বন্দ্যোপাধ্যায়ের একটা কৌতুক শুনেছিলাম। এক ব্যক্তির শিক্ষা-দীক্ষার বহর অনেক বেশি হয়ে গেছে। তিনি আরও আরও পড়তে চান। 

    লর্ড ভানু তার বক্তব্য শুনে বলেছিলেন- এবার গিয়ে কেজিতে (কিন্ডারগার্টেন) ভর্তি হোন, তাহলে আপনার শিক্ষা-দীক্ষা কমপ্লিট হবে। সে সময় বিষয়টা কৌতুক মনে হলেও গত কয়েক দশকের রাজনৈতিক ভামদের লেফট রাইট দেখে বুঝতে পারছি, এখন আসলে এটাই বাস্তবতা! কেজি থেকেই শুরু করতে হবে!’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আসিফ আকবরের সঙ্গে প্রিসিলার ‘আপত্তিকর ছবি’ নিয়ে যা জানা গেল

    সংগীতশিল্পী ও বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড পরিচালক আসিফ আকবরের সঙ্গে সম্প্রতি প্রবাসী বাংলাদেশি অ্যাক্টিভিস্ট প্রিসিলা ফাতেমার আপত্তিকর একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি বলে দাবি করেছে তথ্য যাচাই সংস্থা রিউমর স্ক্যানার।

    মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সংস্থাটির প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়।

    প্রতিবেদনে সংস্থাটি উল্লেখ করে, রিউমর স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে প্রিসিলা ফাতেমা ও আসিফ আকবরের প্রচারিত ছবিটি আসল নয় বলে নিশ্চিত হয়েছে তারা। প্রকৃতপক্ষে এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার সহায়তায় তাদের ভিন্ন একটি ছবিকে সম্পাদনা করে আলোচিত এই ছবিটি তৈরি করা হয়েছে বলে প্রতিবেদনে জানানো হয়।

    আলোচিত ছবিটির বিষয়ে অনুসন্ধানে গণমাধ্যম কিংবা কোনো নির্ভরযোগ্য সূত্রে উক্ত ছবির সন্ধান পাওয়া যায়নি বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করে রিউমর স্ক্যানার।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রতিবেদন থেকে আরও জানা যায়, গত ১৮ মার্চ আসিফ আকবর নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে তার এবং প্রিসিলার একটি ছবি পোস্ট করেছিলেন। সেটি পর্যালোচনা করে আলোচিত ছবিটির সঙ্গে উক্ত ছবির পারিপার্শ্বিক অবস্থা ও তাদের দুজনের অঙ্গভঙ্গির মিল রয়েছে বলে জানায় রিউমর স্ক্যানার। সংস্থাটির ধারণা, উক্ত ছবিটি সম্পাদনার মাধ্যমেই ভুয়া সেই ছবিটি তৈরি করা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে আরও জানানো হয়, ফেসবুকে আসিফ-প্রিসিলার ছড়িয়ে পড়া ছবিটি এআই দিয়ে তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা ৮৯.৩ শতাংশ। এ থেকে নিশ্চিত হওয়া যাচ্ছে, উক্ত ছবিটি এআই বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা প্রযুক্তির সহায়তায় সম্পাদনার মাধ্যমে তৈরি করা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আসিফ আকবরকে নিয়ে যে কথা বললেন মিল্টন খন্দকার

    বিনোদন জগতের সংগীতাঙ্গনের খ্যাতিমান গীতিকার, সুরকার ও সংগীত পরিচালক মিল্টন খন্দকার সংগীতশিল্পী আসিফ আকবরকে নিয়ে একটি চমকপ্রদ তথ্য দিয়েছেন। সেই সঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে একটি আবেগঘন অভিজ্ঞতা শেয়ার করে নিয়েছেন তিনি।

    সংগীতের যুবরাজ আসিফ আকবরের জন্মদিন উপলক্ষ্যে সামাজিক মাধ্যমে দেওয়া একটি পোস্ট ভক্ত-অনুরাগীদের বেশ মুগ্ধ করেছে। সেই পোস্টে সংগীত পরিচালক মিল্টন খন্দকার ফিরে যান প্রায় দুই যুগ আগের এক স্মৃতিতে। সেই সময় যশোর অঞ্চলের এক মেধাবী স্কুলশিক্ষার্থীর কিডনি সমস্যার চিকিৎসার জন্য আয়োজন করা হয়েছিল একটি চ্যারিটি শো। সেই শিক্ষার্থীর চিকিৎসার ব্যয় বহন করতে স্থানীয়ভাবে এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল, যেখানে জনপ্রিয় কোনো শিল্পীকে আনার পরিকল্পনা ছিল আয়োজকদের।

    অনুষ্ঠানের আয়োজকদের পক্ষ থেকে আসিফ আকবরকে অনুষ্ঠানে অংশ নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছিল। সেই দায়িত্ব পড়ে মিল্টন খন্দকারের ওপর। তিনি চিঠির মাধ্যমে বিষয়টি শিল্পীর কাছে পৌঁছে দেন। তবে চিঠি পাওয়ার পর প্রথম দিকে আসিফ আকবরের পক্ষ থেকে অতিরিক্ত সম্মানী দাবি করা হয়েছিল। সেই সঙ্গে কিছু শর্ত জুড়ে দেওয়া হয়েছিল। এতে আয়োজকদের মধ্যে কিছুটা অস্বস্তি এবং হতাশা পরিলক্ষিত হয়।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পোস্টে মিল্টন খন্দকার আরও লিখেছেন, সেই সময় ছোটভাইয়েরা তার কাছে এসে বিষয়টি জানালে তিনি কিছুটা বিস্মিত হন। এমনকি বিকল্প শিল্পী নেওয়ার কথাও ভাবা হচ্ছিল। কিন্তু অনুষ্ঠান আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, স্থানীয় একজন প্রভাবশালী ব্যক্তির (এমপি) ইচ্ছা— অনুষ্ঠানে আসিফ আকবরই থাকবেন।

    পরে নির্ধারিত দিনে সেই চ্যারিটি শো অনুষ্ঠিত হয়। তবে ঘটনার মোড় ঘুরে যায় অনুষ্ঠানের মঞ্চেই। গায়ক আসিফ আকবর তার দলবল নিয়ে সময়মতো উপস্থিত হন এবং স্বাভাবিকভাবেই গান পরিবেশন করেন।

    সব কিছুই পরিকল্পনা অনুযায়ী এগোতে থাকে। কিন্তু অনুষ্ঠানের একপর্যায়ে মঞ্চে উঠে তিনি ডাক দেন অসুস্থ শিক্ষার্থীর মাকে। সেই সঙ্গে উপস্থিত এমপি, ডিসিসহ অন্যান্য অতিথিকেও মঞ্চে আমন্ত্রণ জানান। এরপর সবার সামনে নিজের পারিশ্রমিক এবং তার সঙ্গে থাকা সংগীতশিল্পীদের সম্মানীসহ পুরো অর্থ তুলে দেন সেই শিক্ষার্থীর মায়ের হাতে। নিজের জন্য এক পয়সাও রাখেননি তিনি।

    এ ঘটনার বর্ণনা করতে গিয়ে সংগীত পরিচালক বলেন, সেই সময় উপস্থিত দর্শকরা করতালিতে ফেটে পড়েন। পুরো স্টেডিয়ামজুড়ে তৈরি হয় আবেগঘন এক পরিবেশ। অনেকেই চোখের পানি ধরে রাখতে পারেননি। তিনি বলেন, আসিফ আকবর ভালোভাবেই জানতেন যে, অনেক সময় চ্যারিটি শোর সংগৃহীত অর্থ প্রকৃত প্রাপকের হাতে পৌঁছায় না। আর সে কারণেই তিনি সবার সামনে সরাসরি অর্থ তুলে দেন, যাতে কোনো ধরনের অনিয়ম বা অর্থ আত্মসাতের সুযোগ না থাকে।

    মিল্টন খন্দকার বলেন, শুধু অর্থ তুলে দেওয়াই নয়, ওই অর্থ যেন সঠিকভাবে শিক্ষার্থীর চিকিৎসার কাজে ব্যয় হয়, সেই বিষয়েও উপস্থিত এমপি ও ডিসি কর্মকর্তাদের প্রতি বিশেষভাবে অনুরোধ জানান এ সংগীতশিল্পী।

    তিনি বলেন, অনুষ্ঠান শেষে আসিফ আকবর আয়োজকদের ডেকে বলেন— জীবনে প্রথমবার ‘উস্তাদের’ কাছ থেকে পাওয়া চিঠির মর্যাদা রাখতেই তিনি এমনটি করেছেন। ভবিষ্যতে আরও অনেক কিছু করার ইচ্ছার কথাও জানান তিনি।

    এ সংগীত পরিচালক সংগীতের যুবরাজের স্মৃতিচারণ করতে গিয়ে নিজেই আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। মিল্টন খন্দকার বলেন, সেই দিনের ঘটনা আজও তাকে গর্বিত করে এবং সম্মানীত করে। একজন শিল্পীর মধ্যে এমন মানবিকতা বিরল বলেও মন্তব্য করেন এ সুরকার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গানে ব্যর্থ হলে যে পেশায় যেতেন আসিফ আকবর

    কোটি সংগীতপ্রেমীর প্রিয় কণ্ঠশিল্পী আসিফ আকবরের জন্মদিন আজ (২৫ মার্চ)।  ১৯৭২ সালে কুমিল্লার এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে আজকের এই দিনে তিনি জন্মগ্রহণ করেন।

    গান গেয়ে কোটি মানুষের হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া ‘বাংলা গানের যুবরাজ’ হিসেবে খ্যাত এই শিল্পীর সংগীতে পথচলা মোটেই সহজ ছিল না। সংগ্রাম, অধ্যবসায় এবং নিজের স্বপ্নের প্রতি অদম্য মনোভাবের এক অনন্য উদাহরণ যেন তার জীবনের গল্প।

    বাংলা গানের জনপ্রিয় এই শিল্পীর সংগীত জীবনে কোনো প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা ছিল না, কোনো শাস্ত্রীয় তালিম ছিল না। বরং পছন্দের শিল্পীদের গান শুনে, নিজস্ব চর্চা আর অধ্যবসায়ের জোরেই তিনি নিজেকে তৈরি করেছেন। নিজের প্রতিভাকে কাজে লাগিয়ে কোটি ভক্তের হৃদয়ে ঠাঁই করে নিয়েছেন তিনি।

    ১৯৯৭ সালের ১৫ অক্টোবর স্বপ্ন নিয়ে ঢাকায় পা রাখেন আসিফ আকবর। লক্ষ্য ছিল সাউন্ডের ব্যবসা শুরু করা এবং সংগীত জগতে নিজের পরিচয় তৈরি করা। প্রথম দিকে ডেমো ভয়েস দেওয়া, ছোটখাটো কাজ-এসব দিয়েই চলতে হয়েছিল তাকে।

    আসিফ এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, ‘আমি শওকত আলী ইমন ভাইয়ের সহকারী হিসেবে কাজ করেছি প্রায় এক বছর। তিনি সিনেমার গানে আমাকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন। এরপর ইথুন বাবু অডিও অ্যালবামের প্রস্তাব দেন। যদি সেই অ্যালবাম সাড়া না ফেলত, আমি চা বাগানে চাকরি করতাম। সব সময় বিকল্প রাখি।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এই কথা থেকেই তার সংগ্রাম, পরিকল্পনা ও বাস্তবতার সঙ্গে মোকাবেলার মনোভাব প্রকাশ পায়।

    তবে আসিফের সংগীত ক্যারিয়ারের মোড় ঘুরে যায় ২০০১ সালে প্রকাশিত ‘ও প্রিয়া তুমি কোথায়’ অ্যালবামটি মুক্তির মধ্য দিয়ে। অ্যালবামটি সেসময়ে ৬০ লাখেরও বেশি কপি বিক্রি হয়ে দেশের অডিও ইন্ডাস্ট্রিতে এক অনন্য রেকর্ড তৈরি করেছিল।

    এক অ্যালবামেই তার জীবন বদলে গেলেও এর পেছনে ছিল কঠিন সংগ্রামের দিন। পকেটে মাত্র ১০ টাকা, অসুস্থ সন্তান, সংসারের চাপ-সব মিলিয়ে তখন জীবন ছিল অনিশ্চয়তায় ভরা। সেই সময় আসিফের পাশে দাঁড়িয়েছিলেন ইথুন বাবু। এই সংগীতশিল্পী নিজেই বলেন, ‘অসহায় অবস্থায় মানুষ খড়কুটো খোঁজে। সেই সময় আমি বাবু ভাইকে পেয়েছিলাম।’

    ক্যাসেটের যুগে গান গেয়ে জনপ্রিয়তার শিখরে পৌঁছানো আসিফ বর্তমান ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম-এর সময়েও নিজের স্থান ধরে রেখেছেন। ইউটিউবসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে তার গান মিলিয়ন মিলিয়ন ভিউ পাচ্ছে। নতুন প্রজন্মের শিল্পীরাও তার গান কাভার করে প্রশংসায় ভাসছেন।

    গানের বাইরেও সামাজিক, রাজনৈতিকসহ দেশের নানা ইস্যুতে বরাবরই নিজের মতামত তুলে ধরতে দেখা যায় তাকে। 

    প্রিয় সংগীতশিল্পীর বিশেষ এই দিনকে ঘিরে তার ভক্ত-অনুরাগীরা সামাজিক মাধ্যমে তার প্রতি ভালোবাসা ব্যক্ত করছেন। শৈশবে যার গান শুনে বড় হয়েছেন সেই আসিফ আকবরকে নিয়ে সেসময়ের নানা স্মৃতিচারণা সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক