Tag: আদালত

  • শাড়ি নিয়ে প্রতারণা মামলায় জামিন পেলেন তানজিন তিশা

    অনলাইন ফ্যাশন পেজ থেকে শাড়ি নেওয়ার পর মূল্য পরিশোধ ও প্রচারের প্রতিশ্রুতি রক্ষা না করার অভিযোগে করা প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের মামলায় জামিন পেয়েছেন ছোটপর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। 

    বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুয়েল রানার আদালতে আত্মসমর্পণ করলে জামিন পান তিনি। এদিন সকাল ১১টা ২৫ মিনিটে আদালতে মামলাটির শুনানি শুরু হয়। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। 

    এর আগে গত ১২ জুলাই তাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন আদালত। 

    এর আগে, ২০২৫ সালের ৫ নভেম্বর ‘অ্যাপোনিয়া ফ্যাশন’ প্রতিষ্ঠানের এক্সিকিউটিভ মো. আমিনুল ইসলাম ঢাকার আদালতে তিশার বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন। 

    মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, অনলাইন ফ্যাশন পেজ ‘অ্যাপোনিয়া’ থেকে প্রায় ২৮ হাজার ৮০০ টাকা মূল্যের একটি শাড়ি সংগ্রহ করেন তানজিন তিশা। শাড়িটির প্রচারণা চালানো এবং মূল্য পরিশোধের আশ্বাস দেওয়া হলেও পরে তিনি যোগাযোগ বন্ধ করে দেন বলে মামলায় অভিযোগ করা হয়। এরই প্রেক্ষিতে তার বিরুদ্ধে প্রতারণা ও বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে মামলা করা হয়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তবে অভিযোগ ওঠার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া বক্তব্যে এই অভিনেত্রী দাবি করেছিলেন, শাড়িটি তাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়েছিল। তাই এর মূল্য পরিশোধের কোনো প্রশ্ন ছিল না। 

    এ ঘটনায় দায়ের করা মামলার পর ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশকে (ডিবি) তদন্তের নির্দেশ দেন আদালত। পরে ডিবির দেওয়া তদন্ত প্রতিবেদন আমলে নিয়ে তানজিন তিশার বিরুদ্ধে সমন জারি করেন আদালত এবং তাকে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। 

    সমনের নির্দেশ অনুযায়ী বৃহস্পতিবার (১৩ আগস্ট) আদালতে হাজির হয়ে জামিনের আবেদন করেন অভিনেত্রী তিশা। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘পুষ্পা’ দেখতে গিয়ে নারীর মৃত্যু, আল্লুকে আদালতে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির জনপ্রিয় সুপারস্টার আল্লু অর্জুন হায়দরাবাদের একটি আদালতে সশরীরে হাজির হওয়ার নোটিশ পেয়েছেন। ২০২৪ সালের ডিসেম্বর মাসে তার অভিনীত ‘পুষ্পা টু: দ্য রুল’ সিনেমার প্রিমিয়ার শোতে হুড়োহুড়িতে পদদলিত হয়ে এক নারীর মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলায় আগামী সোমবার তাকে আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

    ২০২৪ সালের ৫ ডিসেম্বর বহুল আলোচিত সিনেমা ‘পুষ্পা টু: দ্য রুল’ মুক্তি পায়। এর আগের দিন ৪ ডিসেম্বর হায়দরাবাদের সন্ধ্যা থিয়েটারে সিনেমাটির প্রিমিয়ার শোর আয়োজন করা হয়। সেখানে উপস্থিত ছিলেন অভিনেতা আল্লু অর্জুন। প্রিয় তারকাকে একনজর দেখতে সেখানে হাজির হয়েছিলেন হাজার হাজার ভক্ত-অনুরাগী। একপর্যায়ে অতিরিক্ত ভিড়ের মধ্যে হুড়োহুড়ি শুরু হলে রেবতী নামে এক নারী পদদলিত হয়ে মারা যান। ওই ঘটনায় রেবতীর ৯ বছর বয়সী ছেলে তেজও গুরুতর আহত হয়ে দীর্ঘদিন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। 

    এরপরই ভুক্তভোগী পরিবার অভিনেতার বিরুদ্ধে মামলা করে। এরপর ১৩ ডিসেম্বর সেই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে আল্লু অর্জুনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। যদিও সেদিনই তেলেঙ্গানা হাইকোর্ট তার জামিন মঞ্জুর করেন। তবে আইনি প্রক্রিয়ার কারণে তাকে একরাত পুলিশ হেফাজতে কাটাতে হয়েছিল।

    সম্প্রতি হায়দরাবাদের আদালতের কাছে সেই দুর্ঘটনার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছে পুলিশ। জমা পড়া ওই চার্জশিটে আল্লু অর্জুনের পাশাপাশি তার ব্যক্তিগত ব্যবস্থাপক, স্টাফ, আটজন বাউন্সার এবং প্রেক্ষাগৃহের মালিকসহ মোট ২০ জনকে অভিযুক্ত করা হয়েছে। এই চার্জশিটের ভিত্তিতেই আদালত তাদের সবাইকে তলব করেছে এবং আগামী সপ্তাহ থেকে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচারপ্রক্রিয়া শুরু হতে যাচ্ছে।

    এদিকে তদন্তকারীর দাবি, অভিনেতা আল্লু অর্জুন প্রেক্ষাগৃহে আসবেন জেনেও সন্ধ্যা থিয়েটার কর্তৃপক্ষ দর্শকদের সামাল দিতে পর্যাপ্ত নিরাপত্তাব্যবস্থা নেয়নি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঝুঁকি জেনেও দেশে ফিরে বিচারের মুখোমুখি ইরানি নির্মাতা

    উস্কানিমূলক প্রচারণার অভিযোগে চলতি সপ্তাহেই তেহরানের একটি আদালতে হাজির হতে যাচ্ছেন বিশ্বখ্যাত ও অস্কার মনোনীত ইরানি চলচ্চিত্র নির্মাতা জাফর পানাহি। সোমবার (১৮ মে) ইরানের স্থানীয় গণমাধ্যম এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

    আধা-সরকারি সংবাদ সংস্থা আইএসএনএ-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, বুধবার (২০ মে) তেহরানের বিপ্লবী আদালতে এই মামলার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। গত ৩০ মার্চ দীর্ঘ প্রবাস জীবন শেষে ইরানে ফিরে আসার পর তার বিরুদ্ধে এই আইনি প্রক্রিয়া শুরু হলো। 

    গত বছর কান চলচ্চিত্র উৎসবে সর্বোচ্চ পুরস্কার ‘পাম দ’র’ জয়ী এবং তার সদ্য মুক্তিপ্রাপ্ত চলচ্চিত্র ‘ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট’-এর জন্য অস্কারে মনোনীত এই পরিচালককে গত ডিসেম্বর মাসে তার অনুপস্থিতিতেই সাজা শুনিয়েছিল আদালত। ইরানের ধর্মীয় নেতৃত্বের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগে তাকে এক বছরের কারাদণ্ড এবং দুই বছরের জন্য দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছিল।

    পরবর্তীতে পানাহির আইনজীবীরা এই রায়ের বিরুদ্ধে আপিল করলে আদালত নতুন এই শুনানির দিন ধার্য করে। 

    আইএসএনএ-র প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এই মামলার বিচারকার্য পরিচালনা করবেন বিচারক ইমান আফশারি। এর আগেও রাজনৈতিক ভিন্নমতাবলম্বীদের কঠোর সাজা দেওয়ার ট্র্যাক রেকর্ড রয়েছে তার। এমনকি মানবাধিকার সংস্থাগুলোর আপত্তির মুখে ইমান আফশারির ওপর ইউরোপীয় ইউনিয়ন পূর্বেই নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছিল। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এমন এক সময়ে এই শুনানি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে, যখন ফ্রান্সে বিশ্ববিখ্যাত কান চলচ্চিত্র উৎসব চলছে—যেখানে জাফর পানাহির চলচ্চিত্র ও সৃষ্টিশীলতা আন্তর্জাতিক মহলে বরাবরের মতোই ব্যাপক মনোযোগ আকর্ষণ করছে। 

    তবে শুনানির দিন এই পরিচালক সশরীরে আদালতে উপস্থিত হবেন কিনা, তা এখনও স্পষ্ট নয়। গত ফেব্রুয়ারি মাসের পর থেকে তাকে তার ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে কোনো পোস্ট করতেও দেখা যায়নি। 

    জাফর পানাহির জন্য ইরানের আইনি চাপ বা কারাবরণ নতুন কিছু নয়। এর আগেও তাকে বিভিন্ন মেয়াদে দেশটিতে জেল খাটতে হয়েছে। তা সত্ত্বেও তিনি বারবার ইরানকে নিজের একমাত্র আবাসস্থল হিসেবে ঘোষণা করেছেন। আইনি পরিণতির কথা জেনেও দেশে ফেরার সিদ্ধান্তে অটল ছিলেন তিনি। 

    উল্লেখ্য, জাফর পানাহির সর্বশেষ চলচ্চিত্র ‘ইট ওয়াজ জাস্ট অ্যান অ্যাক্সিডেন্ট’ মূলত একটি রাজনৈতিক মনস্তাত্ত্বিক ড্রামা। এর গল্পে দেখা যায়, বেশ কিছু চরিত্র এমন একজন ব্যক্তির মুখোমুখি হয়, যাকে তারা একসময় কারাগারে নিজেদের নির্যাতনকারী বলে বিশ্বাস করত। চলচ্চিত্র বিশ্লেষকদের মতে, এই গল্পের সঙ্গে পানাহির নিজস্ব কারাজীবনের অভিজ্ঞতার গভীর মিল রয়েছে।

    চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে ইরানে সরকারবিরোধী আন্দোলনের সময় তিনি অত্যন্ত সোচ্চার ছিলেন এবং রাষ্ট্রীয় নিপীড়নের বিরুদ্ধে প্রথম সারির সমালোচকদের একজন ছিলেন তিনি।

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে আন্তর্জাতিক সংবাদ সংস্থা এএফপি-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে পানাহি মন্তব্য করেছিলেন, বর্তমান সরকার জনগণের কাছে বৈধতা হারিয়েছে। তবে দেশে ফেরার ব্যাপারে নিজের দৃঢ় অবস্থান জানিয়ে তিনি বলেছিলেন, ‘যাই ঘটুক না কেন, আমি ইরানেই ফিরব। কারণ এটিই আমার ঘর।’ 

    সূত্র: নিউজ১৮ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ে করেছেন সেই মনিকা, বর কে?

    কয়েকদিন আগে ঢাকার সড়কে এক পথচারীকে মারধরের ঘটনায় ভাইরাল হয়েছিলেন রুশ বংশোদ্ভূত মডেল মনিকা কবির। ঘটনাটি আদালত পর্যন্তও গড়ায়। বহুল আলোচিত সেই মডেল এবার বাংলাদেশেই বিয়ে করেছেন।

    নিজের ভেরিফায়েড সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টে একটি ভিডিও পোস্ট করে মনিকা বিয়ের খবরটি জানান। ওই ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি উল্লেখ করেন, ‘আমরা বিয়ে করেছি।’

    মনিকা বাংলাদেশের তরুণ ওয়াহিদ জামানের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন। প্রকাশিত ভিডিওতে দেখা যায়, ঘরোয়া আয়োজনের মধ্যে তারা একে অপরকে মালা পরাচ্ছেন। ভিডিওজুড়ে তাদের হাসি-ঠাট্টা ও আনন্দময় মুহূর্ত ফুটে উঠেছে। সাম্প্রতিক আলোচনার রেশ না কাটতেই মনিকার এই খবর দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।

    মনিকার বিয়েকে ঘিরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখা দিয়েছে নানা প্রতিক্রিয়া। অনেকেই তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন, আবার কেউ কেউ ভিন্ন প্রশ্ন তুলেছেন। কারো কারো মন্তব্য—বাংলাদেশি পাসপোর্ট পাওয়ার উদ্দেশ্যেই কি তিনি একজন বাংলাদেশিকে বিয়ে করেছেন? এটি কি সত্যিকারের সম্পর্ক, নাকি নাগরিকত্ব পাওয়ার লক্ষ্যে করা কোনো চুক্তিভিত্তিক বিয়ে—এমন সন্দেহও প্রকাশ করছেন অনেকে।

    কয়েকদিন আগে রাজধানীর সড়কে এক পথচারীকে হেনস্তার অভিযোগে মনিকা কবিরের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। এ সময় তিনি দেশের বিভিন্ন স্থানীয় ব্র্যান্ডের সঙ্গে কাজ করছিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত, আদালতের দ্বারস্থ রণবীর

    ‘কান্তারা-২’ সিনেমা ও কর্নাটকের স্থানীয় দৈব ঐতিহ্য নিয়ে মন্তব্য করাকে কেন্দ্র করে আইনি জটিলতায় পড়েছেন বলিউড তারকা রণবীর সিং। ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাতের অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার এফআইআর বাতিল চেয়ে তিনি কর্ণাটক হাইকোর্টে আবেদন করেছেন। বিষয়টি এখন আদালতের শুনানির অপেক্ষায় রয়েছে। খবর এনডিটিভির।

    গত বছরের ২৮ নভেম্বর গোয়ায় অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব ‘ইন্টারন্যাশনাল ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অব ইন্ডিয়া’ (ইফি)-এর সমাপনী অনুষ্ঠানে রণবীর সিংয়ের একটি পরিবেশনা ও বক্তব্য ঘিরেই এই বিতর্কের সূত্রপাত। 

    বেঙ্গালুরুর আইনজীবী প্রশান্ত মেথাল অভিযোগ করেন, ওই অনুষ্ঠানে রণবীর পঞ্জুরলি ও গুলিগা দৈবের অভিব্যক্তি অনুকরণ করেন এবং পবিত্র ‘চাভুন্ডি দৈব’-কে ‘মেয়ে ভূত’ বলে উল্লেখ করেন। ২ ডিসেম্বর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিও দেখে তিনি বিষয়টি জানতে পারেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উপকূলীয় কর্ণাটকে ‘চাভুন্ডি দৈব’ দেবীশক্তির প্রতীক হিসেবে পূজিত হন। অভিযোগে বলা হয়, তাকে ‘ভূত’ হিসেবে উল্লেখ এবং বিকৃতভাবে উপস্থাপন করায় ভক্তদের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত লেগেছে। 

    এ ঘটনার পর ২৭ ডিসেম্বর রণবীর সিংয়ের বিরুদ্ধে ব্যক্তিগত অভিযোগ দায়ের করা হয়। আদালতের নির্দেশে ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে বেঙ্গালুরুর হাই গ্রাউন্ডস থানায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ১৯৬, ২৯৯ ও ৩০২ ধারায় তার বিরুদ্ধে মামলা রুজু করা হয়।

    মামলাটি বর্তমানে বেঙ্গালুরুর প্রথম অতিরিক্ত মুখ্য মহানগর ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে বিচারাধীন রয়েছে। আগামী ৮ এপ্রিল এ মামলার শুনানির তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে। এফআইআর বাতিলের মাধ্যমে আইনি জটিলতা থেকে মুক্তি পেতেই কর্ণাটক হাইকোর্টে আবেদন করেছেন এ অভিনেতা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিনা অনুমতিতে সংলাপ ব্যবহার বন্ধ করতে আদালতে শত্রুঘ্ন সিনহা

    এমন কিছু সংলাপ আছে, যা সিনেমার জনপ্রিয়তাকেও হার মানিয়ে দেয়। গুরুগম্ভীর গলায় বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহার বলা একাক্ষরী গর্জন সেই ‘খামোশ’ এখনো কানে বাজে অনেকের।

    ১৯৭৮ সালে ‘বিশ্বনাথ’ সিনেমায় এ সংলাপ বলেছিলেন অভিনেতা। সিনেমার কথা বোধহয় সবাই ভুলে গেছেন। গল্পে-আড্ডায় তো বটেই— এই সংলাপ আজও ব্য়বহার হয় নানা সিনেমা-সিরিজে। ঠিক এ বিষয়টিতেই আপত্তি তুলেছেন শত্রুঘ্ন সিনহা। বিনা অনুমতিতে সেই সংলাপ ব্যবহার বন্ধ করতে আদালতে গেলেন তিনি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মুম্বাই হাইকোর্টে মামলা করেছেন অভিনেতা। মামলাটি হয়েছে শত্রুঘ্নর ছেলে লভ সিনহার মাধ্যমে। অভিনেতার অভিযোগ— তার সংলাপ তো বটেই, সেই সঙ্গে সিনেমা-কণ্ঠস্বরও হামেশাই নানা প্ল্যাটফর্মে ব্যবহার করা হচ্ছে। সেসব কন্টেন্টের বাণিজ্যিক ভাবেও দারুণ ব্যবসা হচ্ছে। শত্রুঘ্ন আদালতকে জানিয়েছেন, কোনো ক্ষেত্রেই তার অনুমতি নেওয়া হয় না।

    মামলায় মেটা, এক্স, গুগলসহ আন্তর্জাতিক টেক সংস্থা, ই-কমার্স সংস্থা, ভারতের ইলেকট্রনিক্স ও তথ্য প্রযুক্তি মন্ত্রক এবং টেলিকম বিভাগেরও নাম উল্লেখ করা হয়েছে। কোনো সংস্থা কিংবা ব্যক্তি যাতে তার অনুমতি ছাড়া ‘খামোশ’ শব্দটি ব্যবহার করতে না পারে, সে বিষয়ে আদালতের সাহায্য চেয়েছেন অভিনেতা শত্রুঘ্ন সিনহা। ২০ কোটি টাকার ক্ষতিপূরণও চেয়েছেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আরাধ্যাকে নিয়ে ‘টানাটানি’, নীরবতা ভেঙে যা বললেন ঐশ্বরিয়া

    ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন থেকে শুরু করে বিগবি অমিতাভ বচ্চনের কোনো ছবি কিংবা ভিডিও বিনা অনুমতিতে গণমাধ্যমে ব্যবহার করা যাবে না। ব্যক্তি অধিকার রক্ষার আর্জি জানিয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন এ বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী। 

    বচ্চন পরিবারের পক্ষেই রায় দেন দিল্লির উচ্চ আদালত। এবার সামাজিক মাধ্যমে অভিষেককন্যা আরাধ্যা বচ্চনকে নিয়ে শুরু হয়েছে ‘টানাটানি’। যদিও তার ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে বরাবর নীরব থেকেছেন অভিনেত্রী। তবে মেয়ে আরাধ্যাকে নিয়ে নেটিজেনদের মন্তব্যের ছয়লাপ দেখে চুপ থাকতে পারলেন না মা ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন।

    এ সাবেক বিশ্বসুন্দরী বলেন, যে কোনো মানুষেরই উচিত নির্দিষ্ট সময়ের পর সামাজিক মাধ্যম থেকে দূরত্ব বজায় রাখা। শুধু তাই নয়, তিনি নিজেও সামাজিক মাধ্যমে খুব মেপে মেপে পোস্ট দেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আরাধ্যার নাম নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে রয়েছে একাধিক অ্যাকাউন্ট। সেখানে নিয়মিত দেওয়া হচ্ছে তারকাকন্যার ছবি এবং তাকে নিয়ে নানান পোস্ট। সম্প্রতি একটি অনুষ্ঠানে এসে ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন বলেন, আরাধ্যার সামাজিক মাধ্যমে কোনো অ্যাকাউন্ট নেই। যেসব প্রোফাইল রয়েছে, তা একেবারেই ভুয়া অ্যাকাউন্ট।

    অভিনেত্রী বলেন, আমি জানি, আপনারা আমাকে, আমার স্বামী অভিষেকসহ আমাদের গোটা পরিবারকে ভালোবাসেন। তাই আমাদের নিয়ে আপনাদের আগ্রহ থাকাটা স্বাভাবিক। কিন্তু যা রটবে তা সবসময় বিশ্বাস করবেন না। আমার মেয়ে আরাধ্যা সামাজিক মাধ্যমেই নেই বলে জানান ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আদালতে আত্মসমর্পণ মেহজাবীন চৌধুরীর

    গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির পর মডেল ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরী আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছেন। রোববার (১৬ নভেম্বর) বিকালে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এ হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন তারা।

    এর আগে পারিবারিক ব্যবসায় পার্টনার করার আশ্বাস দিয়ে ২৭ লাখ টাকা নেওয়ার পর তা আত্মসাৎ ছাড়াও ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে বাদী আমিরুল ইসলামের করা মামলায় ঢাকার একটি আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

    অনলাইনে আমার নাম ব্যবহার করে কিছু ভিত্তিহীন ‘মামলা’ সংক্রান্ত খবর ছড়িয়ে পড়ছে। আমার সকল সাংবাদিক সহকর্মীদের প্রতি অনুরোধ, দয়া করে কোনো প্রকার যাচাইহীন ও সত্যতা-বিহীন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকুন।

    মডেল ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী

    ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা তানিয়া গত ১০ নভেম্বর তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। মামলার বাদী আমিরুল ইসলাম রোববার গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির তথ্য নিশ্চিত করেন।

    আমিরুল বলেন, গত ১০ নভেম্বর মামলার আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার দিন ঠিক থাকলেও তারা আসেনি। এজন্য আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে।

    গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামি ১৮ ডিসেম্বর দিন ঠিক করেছে আদালত।

    মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, আমিরুল ইসলামের সঙ্গে দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে মেহজাবীন চৌধুরীর নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থে এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময়ে ২৭ লাখ টাকা দেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় আমিরুল ইসলাম বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে আজকে দিব, কালকে দিবো বলে দীর্ঘদিন কালক্ষেপন করে।

    পরবর্তীতে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকালে পাওনা টাকা চাইতে যান তিনি। তাকে ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো অজ্ঞাতনামা ৪/৫ জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তারা বলেন ‘এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না। তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলব’।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এসব কথা বলে তারা আমিরুলকে জীবননাশের হুমকি ধামকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য পরামর্শ দেয়।

    এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম গত ২৪ মার্চ বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেন।

    এদিকে গ্রেফতারি পরোয়ানার খবর উড়িয়ে দিয়েছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন।

    অভিনেত্রী তার ফেসবুকে এক পোস্টে লিখেছেন, ‘অনলাইনে আমার নাম ব্যবহার করে কিছু ভিত্তিহীন ‘মামলা’ সংক্রান্ত খবর ছড়িয়ে পড়ছে। আমার সকল সাংবাদিক সহকর্মীদের প্রতি অনুরোধ, দয়া করে কোনো প্রকার যাচাইহীন ও সত্যতা-বিহীন সংবাদ প্রকাশ থেকে বিরত থাকুন।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমান শাহকে নিয়ে লেখা বই নিষিদ্ধ হওয়ার কারণ জানা গেল

    সাংবাদিক রবি আরমানের লেখা বহুল আলোচিত ও সমালোচিত গ্রন্থ—‘সালমান শাহ, নক্ষত্রের আত্মহত্যা’ নামের একটি গ্রন্থ প্রকাশিত হলে দেশজুড়ে হৈচৈ পড়ে যায়। এ বই প্রকাশিত হওয়ার মাত্র কয়েক দিন পরেই বাজার থেকে বইটি নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়।

    ১৯৯৭ সালে প্রকাশিত এ বই বাজারে আসার কয়েক দিনের মধ্যেই নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়। কারণ, বইটিতে সালমান শাহর মৃত্যু ‘আত্মহত্যা’ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছিল।

    সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী বইটি প্রকাশের পরই এর বিরুদ্ধে আপত্তি জানান। তিনি দাবি করেন, বইটিতে প্রকাশিত তথ্য মিথ্যা ও মানহানিকর। এরপর তিনি লেখক ও প্রকাশকের বিরুদ্ধে আদালতে মামলা করেন। আদালত মামলা গ্রহণ করে বইটির বিক্রি ও বিতরণ নিষিদ্ধ করার নির্দেশ দেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আদালতের নির্দেশের পর বাজার থেকে বইটি বাজেয়াপ্ত করা হয়। ফলে খুব অল্প সময়ের মধ্যেই এটি সংগ্রহের অযোগ্য এক ‘বিতর্কিত দলিল’ হয়ে ওঠে।

    বইটির প্রচ্ছদের পেছনে লেখা ছিল এক আবেগঘন ভূমিকা—“আমাদের সিনেমার বাগানে একটি ফুল ফুটেছিল—সুবাসিত ও উজ্জ্বল। নাম তার সালমান শাহ। চন্দ্রালোকে ভেসে যাওয়া সেই সফল ও উচ্ছল যুবকের দেহে বিঁধেছিল গোপন এক বিষকাঁটা। অন্তর্লীন যাতনায় নীল হয়ে এক শুভ্রসকালে হঠাৎ সে আত্মদংশনে হারিয়ে যায়। তারপর সেই বাগানে পাখিরা আর গান গায় না, ফুল ফোটে না, বাতাসে ভাসে বিষাদের একটানা করুণ সুর।”

    এরপর লেখা ছিল— ‘দুর্ভেদ্য রহস্যের পর্দা সরিয়ে সালমানচরিতের সেই গোপনগাঁথা উঠে এসেছে এক অন্তরঙ্গজনের সাহসী কলমে। ঢাকার সিনেমা বলয়ের এক উজ্জ্বল সময় ও সেই সময়ের মহানায়ক সালমান শাহকে ঘিরে এটি এক বিরল দলিল।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুই সন্তানের অসুস্থতায় আদালতে হাজির হননি পরীমনি

    শ্লীলতাহানির মামলার সাক্ষ্যগ্রহণে হাজির হতে পারেননি চিত্রনায়িকা পরীমনি। তার দুই সন্তান অসুস্থ থাকায় তার আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী আদালতের কাছে সময় চেয়ে আবেদন করেন।

    আবেদনের পর, ঢাকার নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-৯-এর বিচারক শাহিনা হক সিদ্দিকা পরীমনির সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন তারিখ আগামী বছরের ১০ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করেছেন।

    পরীমনির আইনজীবী নীলাঞ্জনা রিফাত জানান, পরীমনির দুই সন্তানকে টিকা দেওয়ায় তারা কিছুটা অসুস্থ হয়ে পড়েছে। তাই পরীমনি নির্ধারিত সময়ে আদালতে হাজির হতে পারেননি এবং তার পক্ষে সময়ের আবেদন করা হয়েছিল। আদালত আবেদন মঞ্জুর করেছেন।

    মামলার আসামি নাসির উদ্দিন, তুহিন সিদ্দিকী অমি ও শহীদুল আলম। মামলার সূত্রে জানা যায়, ২০২১ সালের ১৪ জুন ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে পরীমনি নাসির উদ্দিন মাহমুদ ও তার বন্ধু অমির নাম উল্লেখ করে এবং চারজনকে অজ্ঞাতপরিচয় আসামি করে সাভার থানায় মামলা দায়ের করেন। তদন্ত শেষে ওই বছরের ৬ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কামাল হোসেন আদালতে নাসিরসহ তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেন।

    ২০২২ সালের ১৮ মে আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদালত বিচার শুরু করার আদেশ দেন। পরীমনির আংশিক জবানবন্দির মাধ্যমে ২৯ নভেম্বর সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হয়।

    গত বছরের ২৪ জুলাই আদালতে জবানবন্দি দিতে ইতস্ততাবোধ করলে, পরীমনির আইনজীবী ক্যামেরা ট্রায়ালের মাধ্যমে সাক্ষ্য গ্রহণের আবেদন করেন। আদালত তা মঞ্জুর করেন এবং ২২ সেপ্টেম্বর পরীমনির জবানবন্দি রেকর্ড শেষ হয়।

    বিনোদন ডেস্ক