Tag: আদালত

  • পরীমনির জামিন

    বোট ক্লাবের সভাপতি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদের দায়ের করা হত্যাচেষ্টা মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির এক দিনের মাথায় জামিন পেয়েছেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি। এদিন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন চাইলে আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

    সোমবার সকালে ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে আসেন তিনি। 

    তার পক্ষে অ্যাডভোকেট নীলাঞ্জনা রিফাত সুরভী জামিন চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে ঢাকার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. জুনাইদের আদালত তার জামিন মঞ্জুর করেন।

    এর আগে গতকাল আসামি পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে এ মামলায় বিচার শুরুর আদেশ দিয়েছেন আদালত। একইসঙ্গে তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

    গত বছর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই ঢাকা জেলার পরিদর্শক মো. মনির হোসেন ঢাকার চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমের বিরুদ্ধে মারধর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে মর্মে প্রতিবেদন দাখিল করেন। তবে আরেক আসামি ফাতেমা তুজ জান্নাত বনির বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া যায়নি। 

    পরবর্তীতে ১৮ এপ্রিল ঢাকার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এম সাইফুল ইসলামের আদালত পিবিআইয়ের দেয়া তদন্ত প্রতিবেদন গ্রহণ করেন আদালত। একইসঙ্গে পরীমনি ও তার কস্টিউম ডিজাইনার জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিমকে আদালতে হাজির হতে সমন জারি করেন। এরপর তারা ২৫ জুন ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে হাজির হয়ে জামিন পান।

    এর আগে ২০২১ সালের ৬ জুলাই ঢাকার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট রাজীব হাসানের আদালতে বোট ক্লাবের সভাপতি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিন মাহমুদ বাদী হয়ে পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে এ মামলা করেন।

    এ মামলার অন্য দুই আসামি হলেন- পরীমনির সহযোগী ফাতেমা তুজ জান্নাত বনি ও জুনায়েদ বোগদাদী জিমি ওরফে জিম।

    মামলায় নাসিরউদ্দিন উল্লেখ করেন, পরীমনি ও তার সহযোগীরা অ্যালকোহল সেবনে অভ্যস্ত। তারা সুযোগ বুঝে বিভিন্ন নামীদামি ক্লাবে ঢুকে অ্যালকোহল পান করেন এবং পার্সেল নিয়ে মূল্য পরিশোধ করেন না। পরীমনি তার পরিচিত পুলিশ কর্মকর্তাদের দিয়ে মিথ্যা মামলা করিয়ে হয়রানির ভয় দেখান। ২০২১ সালের ৯ জুন রাত ১২টার পর আসামিরা সাভারের বোট ক্লাবে ঢোকেন এবং দ্বিতীয় তলার ওয়াশরুম ব্যবহার করেন। পরে তারা ক্লাবের ভেতরে বসে অ্যালকোহল পান করেন।

    এতে আরও বলা হয়, বাদী (নাসির উদ্দিন মাহমুদ) ও তার সহযোগী শাহ শহিদুল আলম রাত ১টা ১৫ মিনিটে যখন ক্লাব ত্যাগ করছিলেন, তখন পরীমনি উদ্দেশ্যমূলকভাবে নাসিরকে ডাক দেন। তাদের সঙ্গে কিছু সময় বসারও অনুরোধ করেন। এক পর্যায়ে পরীমনি অশ্লীল অঙ্গভঙ্গির মাধ্যমে নাসিরকে আকৃষ্ট করার চেষ্টা করেন এবং একটি ব্লু লেবেল অ্যালকোহলের বোতল বিনামূল্যে পার্সেল দেওয়ার জন্য চাপ দেন। নাসির উদ্দিন এতে রাজি না হওয়ায় পরীমনি তাকে গালমন্দ করেন। নাসির এবং আসামিদের মধ্যে বাদানুবাদের এক পর্যায়ে পরীমনি বাদীর দিকে একটি সারভিং গ্লাস ছুড়ে মারেন এবং হাতে থাকা মোবাইল ফোনও ছুড়ে মারেন। এতে নাসির মাথায় এবং বুকে আঘাতপ্রাপ্ত হন।

    বাদী মামলায় আরও উল্লেখ করেন, পরীমনি ও তার সহযোগীরা তাকে (নাসির উদ্দিনকে) মারধর ও হত্যার হুমকি দিয়েছেন ও বোট ক্লাবে ভাঙচুর করেছেন। এ ঘটনা ধামাচাপা দেওয়ার জন্য পরীমনি সাভার থানায় বাদী নাসির উদ্দিনসহ দুজনের বিরুদ্ধে ধর্ষণচেষ্টা ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে মামলা করেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জেল থেকে বের হয়ে যা বললেন আল্লু অর্জুন

    হায়দরাবাদে ‘পুষ্পা ২: দ্য রুল’ ছবির প্রিমিয়ারের সময় এক নারীর মৃত্যুর ঘটনায় অভিনেতা আল্লু অর্জুনকে অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছেন তেলঙ্গানা হাইকোর্ট। ৫০ হাজার ভারতীয় রুপির বন্ডে তার অন্তর্বর্তী জামিন মঞ্জুর করা হয়েছে।

    এর আগে হায়দরাবাদের নিম্ন আদালত আল্লুকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছিলেন। গ্রেফতারকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে এফআইআর খারিজের আবেদন নিয়ে হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন অভিনেতা। সেখানে তার জামিন আবেদন মঞ্জুর হয়েছে।

    শুক্রবার সকালে আল্লুকে বাড়ি থেকে গ্রেফতার করা হয়। আল্লুসহ মোট সাতজনের বিরুদ্ধে এফআইআর করা হয়েছিল। অভিনেতার পাশাপাশি আরও দুজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাদের মধ্যে রয়েছেন সন্ধ্যা থিয়েটারের মালিকও। বাকি অভিযুক্তদেরও অন্তর্বর্তী জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।

    শনিবার (১৪ ডিসেম্বর) সকালে জেল থেকে বেরিয়ে আল্লু অর্জুন বলেন, ‘ আমি দুঃখিত, শোকাহত। আইনকে সম্মান করি, তদন্তে সহযোগিতা করব।’

    অভিনেতা বলেন, ‘মৃত নারীর পরিবারের প্রতি আমি সমব্যথিত। পুরো ঘটনায় খুবই শোকাহত। দেশের আইনকে সম্মান করি। কথা দিচ্ছি এই দুর্ঘটনার তদন্তে সব সাহায্য করব।’

    এদিকে আল্লুর বিরুদ্ধে দায়ের করা মামলা তুলে নেওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করেছেন মৃত নারী স্বামী ভাস্কর। তিনি গণমাধ্যমকে বলেন, ‘মামলা তুলে নিতে প্রস্তুত আমি। আল্লু অর্জুনের গ্রেফতার হওয়ার খবর জানতাম না। আর সেদিন পদপিষ্ট হয়ে আমার স্ত্রীর মৃত্যুর নেপথ্যে ওর তো কোনো হাত নেই।’

    নারীর মৃত্যুর ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও বার্তায় শোক প্রকাশ করেছিলেন আল্লু। মৃতার পরিবারকে তিনি ২৫ লাখ রুপিরও দেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। আর আহত শিশুর চিকিৎসার দায়িত্বও নিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৪০ কেজি গাঁজাসহ জনপ্রিয় অভিনেত্রী আটক

    নেটফ্লিক্সের ‘টু হট টু হ্যান্ডেল’ তারকা ওলগা বেডনারস্কা ৪০ কেজি গাঁজাসহ ধরা পড়েছেন। যার বাজারমূল্য বাংলাদেশি মূল্যে দুই কোটি টাকারও বেশি। নেটফ্লিক্সের ‘টু হট টু হ্যান্ডেল’ শো দিয়ে তারকাখ্যাতি পাওয়া এই তারকা যুক্তরাজ্যে ক্লাস বি মাদক আমদানির নিষেধাজ্ঞা ভঙ্গের অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত হয়েছেন। 

    এই রিয়ালিটি টিভি তারকা এরই মধ্যে আদালতে ৪০ কেজি গাঁজা যুক্তরাজ্যে নিয়ে আসার চেষ্টা করার কথা স্বীকার করেছেন।

    বেডনারস্কাকে অক্টোবর মাসে ম্যানচেস্টার এয়ারপোর্টে থাইল্যান্ড থেকে আসা একটি ফ্লাইট থেকে নামার পর আটক করা হয়। যেখানে কর্মকর্তারা দুটি স্যুটকেসে এক লাখ ৫৭ হাজার ইউরো মূল্যের ‘ক্লাস বি’ মাদক শনাক্ত করেন। বাংলাদেশি টাকায় এর মূল্য প্রায় দুই কোটি ৩৭ লাখ টাকারও বেশি।

    গ্রেফতারের পর বেশ কয়েক সপ্তাহ হেফাজতে থাকার পর আদালত সিদ্ধান্ত নেয়, তাকে ১৫ দিন পুনর্বাসন কার্যক্রমে অংশ নিতে হবে।

    তাকে ২০ মাসের অস্থায়ী সাজাও দেওয়া হয়। সেই সাজায় উল্লেখ করা হয়েছে, অভিনেত্রী যদি ২০২৬ সালের নভেম্বরের মধ্যে কোনো অপরাধ করেন, তবে তাকে ২০ মাস জেল খাটতে হবে।

    বেডনারস্কা আদালতে দাবি করেন, তাকে একজন বলেছিল কিছু ডিজাইনার ঘড়ি এবং কাপড় যুক্তরাজ্যে নিয়ে যেতে হবে। সে জন্য তাকে ১৮ হাজার ইউরো এবং ফ্লাইটের খরচ দেওয়া হবে।

    এর মধ্যে মাদক আছে তা জানতেন না তিনি। তার এই বক্তব্যের পরিপ্রেক্ষিতে বিচারক তাকে বলেন, ‘আপনি এমন একজনের ওপর বিশ্বাস রেখেছিলেন, যাকে আপনি খুব ভালোভাবে জানতেন না। এটাও একটা অন্যায়। আপনি মাদক পাচারে সরাসরি যুক্ত হয়েছেন। নিজে লাভবান হওয়ার আশায় যাছাই না করেই অবৈধ জিনিস বহন করেছেন।’

    ডেইলি মেইলের প্রতিবেনে বলা হয়েছে, যখন অভিনেত্রীকে এয়ারপোর্টে আটক করা হয়, তখন তিনিস স্যুটকেসের কোডও জানতেন না। প্রায় ১৬ হাজার ইউরোর ঋণে ডুবে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তিনি তার আয় থেকে বেশি খরচ করতেন। ঋণ থেকে বাঁচার জন্যই তিনি অন্যের জিনিস আনা-নেওয়ার সঙ্গে যুক্ত হয়ে পড়েন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে আদালতকে যা বললেন শমী কায়সার

    রাজধানীর উত্তরাপূর্ব থানার হত্যাচেষ্টা মামলায় ই-কমার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশের (ই-ক্যাব) সাবেক সভাপতি ও অভিনেত্রী শমী কায়সারের তিন দিনের রিমান্ডের আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

    বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. সাইফুজ্জামান এই আদেশ দেন। ঢাকার সিএমএম আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা শমী কায়সারকে হাজির করে ৭ দিন রিমান্ডে নিতে চেয়ে আবেদন করেন। শুনানি শেষে বিচারক রিমান্ডের এই আদেশ দেন। 

    এদিন আদালতে শমী কায়সারকে রিমান্ডে নেওয়ার শুনানি করেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী ওমর ফারুক ফারুকী।

    রিমান্ড শুনানির সময় অভিনেত্রী শমী কায়সার বলেছেন, ‘আমি ফ্যাসিস্ট হাসিনার সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলাম না। কোনো ধরনের অর্থ দেইনি। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেটা অন্যায়। আমি কখনো কাউকে নিয়ে কটাক্ষ করিনি।’ 

    শমী কায়সার আরও বলেন, ‘আমি ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে ছিলাম। এছাড়া ১৮ জুলাইয়ের যেদিনের ঘটনায় আমার বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। সেদিন আমি ই-ক্যাবের মিটিংয়ে ছিলাম। সারা দেশে ইন্টারনেট বন্ধ হওয়ায় তা যেন দ্রুত চালু করা হয় সে বিষয়ে আমরা সরকারকে অবহিত করি। আন্দোলনে এতো মানুষের মৃত্যু আমি মেনে নিতে পারিনি।’

    এদিন শমী কায়সারের আইনজীবী কারাগারে ডিভিশনের আবেদন করলে বিচারক তা নাকচ করে দেন। তবে তিনি অসুস্থ থাকলে যথাযথ চিকিৎসার জন্য কর্তৃপক্ষকে নির্দেশনা দেন।

    গতকাল মঙ্গলবার দিনগত রাতে রাজধানীর উত্তরার ৪নং সেক্টরের ৬নং রোডের ৫৩নং বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করা হয়।

    জানা গেছে , বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন চলাকালে গত ১৮ জুলাই ইশতিয়াক মাহমুদ নামে এক ব্যবসায়ীসহ অন্যান্যরা কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করেন। উত্তরা পূর্ব থানার ৪নং সেক্টরের আজমপুর নওয়াব হাবিবুল্লাহ হাই স্কুলের সামনে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ হামলা চালায় ও গুলিবর্ষণ করে। এ সময় ইশতিয়াকের পেটে গুলি লাগে। তিনি এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা গ্রহণ করেন। এ ঘটনায় গত ২৯ সেপ্টেম্বর ইশতিয়াক মাহমুদ বাদী হয়ে উত্তরা পূর্ব থানায় হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলা দায়ের করেন। মামলায় সাবেক আইজিপি চৌধুরী আব্দুল্লাহ আল মামুনসহ ১২৬ জনকে আসামি করা হয়। এ মামলায় এজাহারভুক্ত আসামি শমী কায়সার। 

    শমী কায়সার আওয়ামী লীগের মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক উপ-কমিটির সদস্য ছিলেন। এ ছাড়া, ২০২৪-র নির্বাচনে ফেনী-৩ আসনে আওয়ামী লীগের সমর্থন চেয়ে মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করেছিলেন। তবে আসনটি থেকে মনোনয়ন পাননি তিনি। অভিনয় থেকে বিরতি নেওয়ার পর আওয়ামী লীগের রাজনীতি করার পাশাপাশি দীর্ঘদিন তিনি ই-ক্যাবের সভাপতি ছিলেন। 

    গত ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হলে ১৪ আগস্ট ই-ক্যাবের সভাপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন শমী কায়সার।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • এবার কোটা আন্দোলন নিয়ে সরব মেহজাবীন, যা বললেন

    এবার কোনো সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে সরব হয়েছেন টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। কাজ ও পরিবারের বাইরে রাষ্ট্র এবং সমাজ নিয়ে যার খুব একটা মাথাব্যথা নেই। তিনি এবার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন কড়া প্রতিবাদী হয়ে। তুলে ধরলেন কুরআন-হাদিসের তথ্যও।

    rnrn

    বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দীর্ঘ এক লেখা পোস্ট করেছেন। মেহজাবীনের পুরো লেখাটি যুগান্তরের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

    rnrn

    ছোটবেলা থেকে জেনেছি, পরিবার-সমাজ-রাষ্ট্র নারীর গায়ে হাত তোলা সমর্থন করে না। আমাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থও কখনও নারীর প্রতি সহিংসতা শেখায়নি। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমরা নারীদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো’। হাদিসে বলা হয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক ভালো মানুষ তারাই, যারা নারীদের সঙ্গে সদাচরণ করে’। 

    rnrn

    অথচ আমাদের দুর্ভাগ্য, গণমাধ্যম বা সামাজিকমাধ্যমে আজকাল এর ভিন্ন চিত্র, মর্মান্তিক সব ভিডিও দেখতে হচ্ছে। একজন নয়, দুইজন নয়, আমারই অসংখ্য বোনের ওপর নির্বিকার ভঙ্গিতে হামলা চালানো হচ্ছে, রক্তাক্ত করা হচ্ছে। কী নির্মম, কী নৃশংস! ন্যায়-অন্যায়ের প্রসঙ্গে পরে আসছি। তবে আমার অবস্থান থেকে বলব- সর্বোচ্চ কোনো যুক্তির অজুহাতেও নারীর প্রতি এই সহিংসতা মেনে নেওয়া যায় না। ‘না’ মানে ‘না’; কখনও না। ছাত্র-ছাত্রীরা কি-ই বা করেছিল? তারা তাদের অধিকারের ব্যাপারে সোচ্চার হয়েছিল। কোটা সংস্কারের দাবি তুলেছিল। তাই তো? একটি গণতান্ত্রিক দেশে স্বাধিকারের দাবি যে কেউ তুলতে পারে। কিন্তু তাই বলে নারীর গায়ে হাত তোলা, ‘আবু সাঈদ’-এর মতো সম্ভাবনাময় তরুণকে হত্যা করা- এসব কি সভ্যতার পর্যায়ে পড়ে? সমাধানের অন্য কোনো উপায় কি ছিল না? গুলি কেন করতে হলো? 

    rnrn

    পরিস্থিতি হয়তো আজ কিংবা কাল স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কিন্তু যে মায়ের বুক খালি হলো, যে পরিবারের মুখের হাসি চলে গেল, আমরা কি সেই শূন্যতা অন্য কিছুর বিনিময়ে পূর্ণ করতে পারব? কখনও না। তাছাড়া ইতিহাস সাক্ষী, শক্তি যত বড়ই হোক, ছাত্র সমাজের ওপর চড়াও হয়ে যুগে যুগে কেউ কখনও কিছুই অর্জন করতে পারেনি। তাহলে কেন এই ব্যর্থ আস্ফালন? মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ কিংবা আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আমরা সবসময়ই বুকের ভেতর লালন করি। আমরা গর্ব করি বীর মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের প্রাণের বিনিময়ে আমাদের একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছিলেন। কিন্তু এই দেশে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করা যাবে না, অধিকারের দাবি তোলা যাবে না, সবকিছুর ঊর্ধ্বে যোগ্যতার পরিচয়টাকেই সবচেয়ে বড় করে দেখা যাবে না, প্রশাসনের চাওয়া-পাওয়ার বিরুদ্ধে গেলেই হামলার শিকার হতে হবে, অকাতরে অকাল প্রাণ বিলিয়ে দিতে হবে-এমন বাংলাদেশের স্বপ্ন কি আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেখেছিলেন? আমার মনে হয় না।

    rnrn

    দ্রব্যমূল্যর ঊর্ধ্বগতি, প্রশ্নপত্র ফাঁস থেকে দুর্নীতি-প্রায় সব ইস্যুতেই তো আমরা চুপ থাকি। রক্ষক ভক্ষক হয়ে গেলেও আমরা নীরবে সয়ে যাই। অপেক্ষা করি, হয়তো একটা না একটা সমাধান আসবে। আজ না হলেও দুদিন পরে আসবে। অন্যান্য ইস্যুতে আমরা সামাজিকমাধ্যমেও এতটা সোচ্চার হই না। তাহলে ইদানীং কেন হচ্ছি? কেন কোটা সংস্কার ইস্যুতে দলমত নির্বিশেষে আমাদের মতো সাধারণ জনগণ সরকারের পদক্ষেপের নিন্দা করছি? কারণ একটাই, কোটা সংস্কার এখন সময়ের দাবি। যত দ্রুত সম্ভব এর সমাধান জরুরি। ভুলে গেলে চলবে না, আমরা এই সাধারণ জনগণই কিন্তু মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু, উড়াল সেতু ইত্যাদি সরকারের অনেক যুগান্তকারী সাফল্যে গর্বিত হয়ে হাততালি দিয়েছিলাম। গালভরা প্রশংসা করেছিলাম। সামাজিকমাধ্যমে সরব হয়েছিলাম। নিশ্চয়ই ছাত্র-ছাত্রীদের দাবি মেনে কোটা সংস্কার হবার পর আমরা পুনরায় সরকারের পাশে দাঁড়াব। এক পক্ষ হয়ে দেশের সব সমস্যার সমাধান করার জন্য সরকারকে সহযোগিতা করব। সবাই মিলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।
    rn  
    rnঅর্থাৎ সব কথার শেষ কথা, ছাত্ররা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। দমিয়ে না রেখে তাদের যৌক্তিক দাবিতে সমর্থন দেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সর্বোচ্চ আদালতের কাছে আমি মেহজাবীন চৌধুরী আকুল আবেদন করছি। আমার বিশ্বাস, আমরা নিরাশ হবো না।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • আদালতে নিপুণের রিট, কড়া বার্তা মিশার

    বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচিত কমিটি মিশা সওদাগর-মনোয়ার হোসেন ডিপজল প্যানেলের ফল স্থগিত চেয়ে আদালতে রিট করেছেন পরাজিত প্রার্থী চিত্রনায়িকা নিপুণ আক্তার। 

    তিনি ২০২৪-২৫ দ্বিবার্ষিক মেয়াদে সাধারণ সম্পাদক পদে প্রার্থী হয়েছিলেন। বুধবার আদালতে রিট করেছেন এ নায়িকা।

    মিশা-ডিপজল প্যানেল কমিটি স্থগিত চেয়ে রিট করা নিয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেছেন খল-অভিনেতা মিশা সওদাগর। 

    নিপুণকে উদ্দেশ করে এ অভিনেতা, সংবিধানকে যিনি ক্ষতবিক্ষত করেছেন, তাকে পুঙ্খানুঙ্খভাবে বুঝিয়ে দেব শিল্পী সমিতির সংগঠন কী? এবার শিল্পী সমিতির সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক কে? এবার এই সংগঠনের ক্যাবিনেটটা কী? পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে জেনে যাবেন।

    এর আগে আদালতে রিট করা প্রসঙ্গে বুধবার সন্ধ্যায় নিপুণ জানান, ভোটের রাতের অনিয়মের অনেক প্রমাণই রয়েছে তার কাছে। অভিযোগ করে তিনি বলেন, নির্বাচন কমিশন বাতিল হওয়া ভোটের সংখ্যা সঠিকটি দেননি। আমার জানামতে ৮১টি ভোট বাতিল হয়েছে। কিন্তু তারা ভোট বাতিল দেখিয়েছে ৪১টি। আর এ ব্যাপারে আমার প্যানেলকে নির্বাচন কমিশন স্পষ্ট কিছুই জানায়নি।

    প্রসঙ্গত, গত ১৯ এপ্রিল চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির ২০২৪-২০২৬ মেয়াদি নির্বাচনের ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হয়। নির্বাচনে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক পদসহ অধিকাংশ পদেই জয়লাভ করে মিশা সওদাগর-মনোয়ার হোসেন ডিপজল পরিষদ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেত্রী ‘পলাতক’, অবিলম্বে গ্রেফতারের নির্দেশ আদালতের

    ফের বিপাকে সাবেক সংসদ ও অভিনেত্রী জয়া প্রদা। এবার তাকে পলাতক ঘোষণা করেছেন আদালত। শুধু তাই নয়, অবিলম্বে গ্রেফতার করে আগামী ৬ মার্চের মধ্যে হাজির করার নির্দেশনাও দেওয়া হয়। 

    মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) উত্তরপ্রদেশের রামপুরের একটি আদালত এ নির্দেশ দিয়েছেন।

    জয়া প্রদার বিরুদ্ধে লোকসভা নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ রয়েছে। সিনিয়র প্রসিকিউশন অফিসার অমরনাথ তিওয়ারি গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন, ২০১৯ সালে লোকসভা নির্বাচনের সময় আচরণবিধি লঙ্ঘনের জন্য এই সাবেক সংসদ সদস্যের বিরুদ্ধে দুটি মামলা হয়। এর পর একাধিকবার তাকে হাজিরার নির্দেশ দেন বিশেষ এমপি-এমএলএ কোর্ট। তবে অভিনেত্রী হাজিরা দেননি। যে কারণে তার বিরুদ্ধে মোট ৭ বার জামিন অযোগ্য গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়। তার পরেও তাকে আদালতে হাজির করতে পারেনি পুলিশ। 

    আদালতকে পুলিশ জানিয়েছে, জয়া বারবার গ্রেফতারি এড়িয়ে যাচ্ছেন। তার সবকটি ফোন বন্ধ পাওয়া গেছে বারবার। এ বিষয়টি আদালতে উঠলে বিচারক শোভিত বনসাল জয়া প্রদাকে পলাতক ঘোষণা করেন। রামপুরের পুলিশ সুপারকে বিচারক নির্দেশ দেন আগামী ৬ মার্চের মধ্যে তাকে গ্রেফতার করে আদালতে হাজির করতে হবে।

    এর আগে সিনেমা হল কর্মীদের দায়ের করা মামলায় জয়া প্রদাকে জেল ও জরিমানার নির্দেশ দিয়েছিলেন আদালত। ২০২৩ সালের আগস্টে এই সাবেক সংসদ সদস্যকে ৬ মাসের কারাদণ্ডে দণ্ডিত করেছিলেন চেন্নাইয়ের আদালত। এই প্রদেশে জয়ার মালিকানাধীন একটি সিনেমা হল রয়েছে। যেটির নাম ‘রাম কুমার ও রাজা বাবু’। এমপ্লয়িজ স্টেট ইন্স্যুরেন্স (ইএসআই) না পেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন সেই হলের কর্মীরা। পাশাপাশি অভিনেত্রীকে একবার ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছিল। চেন্নাইয়ের এক থিয়েটার কর্মচারীর দায়ের করা মামলায় এই শাস্তি পেয়েছিলেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, ২০০৪ ও ২০০৯ সালে সমাজবাদী পার্টির টিকিটে লোকসভার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন জয়া প্রদা। পরে দল থেকে তিনি বহিষ্কৃত হন। এর পর ২০১৯ সালে বিজেপির প্রার্থী হয়ে ফের নির্বাচনে লড়েছিলেন। তবে তিনি নির্বাচনে পরাজিত হন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অবশেষে সশরীরে আদালতে হাজির হলেন নুসরাত

    কলকাতার চাঞ্চল্যকর ফ্ল্যাট প্রতারণা–কাণ্ডে অবশেষে আজ শনিবার আলিপুর আদালতে হাজির হলেন অভিনেত্রী ও সংসদ সদস্য নুসরাত জাহান। 

    এর আগে নুসরাত ভারতের আর্থিক দুর্নীতি-সংক্রান্ত তদন্তকারী সংস্থা এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেটের (ইডি) ডাকে সাড়া দিয়ে তাদের দপ্তরেও হাজির হয়েছিলেন। 

     পরবর্তী সময়ে নুসরাতকে আলিপুরের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেওয়া হলেও নুসরাত সেখানে হাজির না হয়ে জেলা জজ আদালতে আবেদন করেন।

     জজ আদালত তখন আদালতের নির্দেশ বহাল রেখে তাকে আলিপুরের আদালতে হাজির হওয়ার নির্দেশ দেন। সেই নির্দেশের পরিপ্রেক্ষিতে শনিবার নুসরাত আলিপুরের আদালতে হাজিরা দেন।

    ২০১৪ সালে ‘সেভেন্থ সেন্সেস ইনফ্রাস্ট্রাকচার প্রাইভেট লিমিটেড’ নামে এক সংস্থার ডিরেক্টর থাকাকালীন কর্মীদের ফ্ল্যাট দেওয়ার নাম করে নুসরাতের বিরুদ্ধে টাকা নেওয়ার অভিযোগ ওঠে। যে অর্থ নেওয়া হয়েছিল, তার হিসাব দেননি নুসরাত। সেই টাকা তিনি নয়ছয় করেছেন বলে অভিযোগ ওঠে। গত বছর গড়িয়াহাট থানায় নুসরাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন প্রতিশ্রুতি পাওয়া ব্যক্তিরা। 

    পরে বিজেপি নেতা শঙ্কুদেব পাণ্ডার নেতৃত্বে তারা সল্টলেকের সিজিও কমপ্লেক্সে গিয়ে ইডি দপ্তরে তারকা সাংসদের বিরুদ্ধে আর্থিক প্রতারণার অভিযোগ জানান। 

    এর মধ্যে নুসরাত পাম অ্যাভিনিউয়ে একটি ফ্ল্যাট কেনেন। ব্যাংককর্মীরা গড়িয়াহাট থানায় নুসরাতের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেন। 

    আদালত স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিল, আদালতকক্ষে সশরীরে হাজিরা দিতে হবে বসিরহাটের তৃণমূল সাংসদকে। ফ্ল্যাট প্রতারণা মামলায় অবশেষে প্রকাশ্যে তৃণমূল সাংসদ নুসরত জাহান।

    আরও পড়ুন: 

                         

    আলিপুর জাজেস কোর্টে  চারদিনের মধ্যে হাজিরা দিলেন তিনি। যদিও এদিন তার হাজিরার দিন ছিল না বলেই জানা যাচ্ছে। আগামী ২৪ জানুয়ারি অভিনেত্রীকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু, এদিনই তিনি চলে এসেছিলেন আদালতে।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • আদালতে আত্মসমর্পণ করলেন সালমানের নায়িকা জেরিন

    বলিউড অভিনেত্রী জেরিন খান আত্মসমর্পণ করেছেন ভারতের শিয়ালদহ আদালতে। সোমবার (১১ ডিসেম্বর) আদালতের অতিরিক্ত মুখ্য বিচার বিভাগীয় বিচারক শুভজিৎ রক্ষিতের এজলাসে হাজিরা দিয়েছেন তিনি। হাজিরা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন এবং জামিন আবেদন করলে শর্তসাপেক্ষে জামিন দেওয়া হয় তাকে।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর, ২০১৮ সালে কালীপূজার সময় কলকাতা ও আশপাশের কয়েকটি এলাকায় পূজার অনুষ্ঠানে যাওয়ার কথা ছিল জেরিনের। এ জন্য ম্যানেজারের মাধ্যমে ১২ লাখ টাকা অগ্রিম নিলেও শেষ পর্যন্ত অনুষ্ঠানে যাননি তিনি। পরে তার বিরুদ্ধে মামলা করে ইভেন্ট ম্যানেজমেন্ট সংস্থা।

    বলিউড নায়িকার বিরুদ্ধে অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে চার্জশিট দাখিল করে নারকেলডাঙা থানা। ওই মামলায় গত সেপ্টেম্বরে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছিল অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে। এর পর সোমবার আদালতে হাজিরা দিয়ে আত্মসমর্পণ করেন সালমান খানের ‘বীর’ সিনেমার অভিনেত্রী।

    এদিন আদালতে বলি তারকার জামিনের জন্য আবেদন করেন তার আইনজীবী পবন আগরওয়াল। দু’পক্ষের বক্তব্য শোনার পর ৩০ হাজার টাকা ব্যক্তিগত বন্ডে জেরিনের জামিন মঞ্জুর করেন বিচারক। সঙ্গে শর্তজুড়ে দেন— আদালতের অগ্রিম অনুমতি ছাড়া দেশের বাইরে যেতে পারবেন না।

    আগামী ২৬ ডিসেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করা হয়েছে। ওই দিন তারকাকে আদালতে সশরীরে হাজিরা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আদালতের কাঠগড়ায় শাকিরা, ৮ বছরের কারাদণ্ড চান প্রসিকিউটররা

    ২০১২ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে স্পেনে বসবাস করার সময় আয়কর বাবদ ১৪.৫ মিলিয়ন ইউরো (১৫.৭৪ মিলিয়ন মার্কিন ডলার) ফাঁকি দিয়েছেন কলাম্বিয়ান পপ তারকা শাকিরা। এ অভিযোগে সোমবার বার্সেলোনার আদালতে শুনানির মুখোমুখি হন শাকিরাকে।

    রয়টার্স জানিয়েছে, মামলার শুনানি চলবে আগামী ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এ সময়ের মধ্যে মোট ১২টি শুনানিতে শাকিরাকে জেরা করা হতে পারে।

    বিচারক হোসে ম্যানুয়েল দেল আমো সানচেজের নেতৃত্বে তিন সদস্যের একটি প্যানেল শাকিরার কর ফাঁকির মামলা শুনবে। মামলা চলাকালে ১০০ জনের বেশি সাক্ষ্য নেওয়ার কথা রয়েছে।

    শাকিরার দাবি, তার বিরুদ্ধে কর ফাঁকির এ মামলা হওয়ার আগে তার কাছে কর অফিসের যা পাওনা ছিল, তা তিনি পরিশোধ করেছিলেন।

    শাকিরা বলেন, যে সময়ের কর ফাঁকির কথা বলা হচ্ছে, তিনি তখন স্পেনে বসবাস করতেন না। ২০১২ থেকে পরের কয়েক বছর তিনি ‘যাযাবর জীবন’ যাপন করেছেন।

    কর ফাঁকির ওই অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য স্পেনের প্রসিকিউটররা শাকিরাকে এর আগে একটি প্রস্তাব দিয়েছিলেন। কিন্তু সেটি তিনি প্রত্যাখ্যান করায় তার বিরুদ্ধে ১৪.৫ মিলিয়ন ইউরো কর ফাঁকির অভিযোগ এনে মামলা করা হয়।

    পাওনা কর ফেরত চাওয়ার পাশপাশি আইন লঙ্ঘন করায় শাকিরার ৮ বছরের কারাদণ্ড চেয়েছেন প্রসিকিউটররা।

    মামলার অভিযোগ, ২০১২-১৪ সময়ে শাকিরা বছরের অর্ধেকের বেশি সময় স্পেনে থাকতেন। ২০১২ সালের মে মাসে বার্সেলোনায় তিনি যে বাড়ি কিনেছিলেন সেখানে থাকত তার পরিবার।

    ২০১০ সালে ফুটবল বিশ্বকাপের থিম সং ‘ওয়াকা ওয়াকা’ গেয়ে আলো ছড়ানো এই পপ তারকার ৮ কোটির বেশি রেকর্ড বিক্রি হয়েছে বিশ্বজুড়ে, যার মধ্যে ‘হিপস ডোন্ট লাই’র মতো হিট অ্যালবামও ছিল।

    গত বছর ফুটবলার জেরার্ড পিকের সঙ্গে ১২ বছরের সম্পর্কের ইতি টানেন শাকিরা।

    বিচ্ছেদের আগে পিকের বার্সেলোনার বাড়িতে ছিলেন শাকিরা। কিছুদিন আগে সেই বাড়ি ছেড়ে দিয়ে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রে। দুই সন্তান নিয়ে এখন তিনি থাকেন মিয়ামিতে।

    যুগান্তর প্রতিবেদন