Tag: আত্মহত্যা

  • আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যায় যা বললেন তার বান্ধবী

    অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত খান ইকরার আত্মহত্যাকে ঘিরে ব্যাপক জল্পনা সৃষ্টি হয়েছে। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টার দিকে রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

    প্রাথমিকভাবে ঘটনাটি আত্মহত্যা বলে ধারণা করছে পুলিশ। এদিকে এই ঘটনার পর ইকরার পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ উঠেছে, জাহের আলভীর এক সহকর্মী অভিনয়শিল্পীর সঙ্গে পরকীয়ার জেরেই মানসিক চাপে পড়ে আত্মহননের পথ বেছে নিতে পারেন ইকরা।

    এবার এ নিয়ে মুখ খুলেছেন আফরা ইবনাত খান ইকরার ঘনিষ্ঠ বান্ধবী সামিয়া আলম। তিনি মনে করেন, ইকরা আত্মহত্যা করার মতো মানুষ ছিলেন না। ইকরা, সামিয়া আলম ও খাদিজা লুপিন— এই তিনজনের বন্ধুত্ব ১১ বছরের বলে জানা যায়। তাদের একটি ফেসবুক গ্রুপে নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। ঘটনার দিন সকালেও সেখানে তাদের কথা হয়েছিল বলে জানান সামিয়া।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি (সামিয়া) বলেন, ‘আমরা ২৪ ঘণ্টাই এই গ্রুপে কানেক্টেড থাকি। ১০টা ৪৬ মিনিটে ইকরা মেসেজ করল যে নেপাল যাবে। ওই মেয়ের (আলভীর সহশিল্পী) চুল টেনে ছিঁড়বে। আমরা ভাবলাম যে এখন ওর মাথা গরম আছে। তাই বললাম, ঠিক আছে, তুই যাইস।

    এদিকে গতকাল সন্ধ্যায় ইকরার ডিওএইচএসের বাসায় আমাদের ইফতারের দাওয়াত ছিল। ইকরাকে শান্ত করার জন্য আমরা লিখলাম, আচ্ছা তুই যাইস, ঠিকাছে, ইফতারের অনুষ্ঠান শেষ করে যাইস। ওর বেশ কিছুদিন ধরে মাথা ঠিক নাই। তাই আমরা ওকে এটা-ওটা বলে শান্ত রাখার চেষ্টা করছি। গতকাল ১০টা ৪৬ মিনিটের পর এরপর সে আর কিছুই লেখেনি। দুপুর ১টা ২৭ মিনিটে লুপিন নক করে বলল, তুই কই। এর মধ্যে তো যা হওয়ার তো হয়ে গেছে!’

    আলভীর সহকারী অর্কর কাছ থেকে আত্মহত্যার খবরটি নিশ্চিত হন সামিয়া। তিনি আরও জানান, ঘটনার সময় ইকরার সন্তান রিজিক বাসায় ছিল এবং ইকরার সঙ্গে আলভী ফোনে কথা বলছিল।

    তার বান্ধবী আত্মহননের মতো সিদ্ধান্ত নেওয়ার মেয়ে না জানিয়ে সামিয়া আরও বলেন, ‘যত দূর জানি, ইকরা এরই মধ্যে রুম শিফট করেছে। আলভীর বাংলাদেশে আসার পর তারা একটা সিদ্ধান্তে যাওয়ার কথা। বলছিল, ‘আমি আলভীকে ডিভোর্স দিয়ে দেব।’ বন্ধুদের মধ্যে আলাপ যা হয় আরকি। এরপর একটা ব্যবসা শুরু করবে। রিজিককে ওর বাবার কাছে রাখবে নাকি ওর কাছে—কিভাবে কী করবে, এসব নিয়েও আলাপ করেছে। এটা আমরা নিশ্চিত, ইকরা মোটেও সুইসাইড করার মতো মেয়ে না। ওই সময়টায় ফোনে আলভী কী এমন বলেছিল যে ইকরা তা সহ্যই করতে পারেনি! আমরা আসলে কেউই কিছুই জানি না। এটা অবশ্যই জানা দরকার।’

    রোববার (১ মার্চ) রাজধানীর শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতাল মর্গে ইকরার ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, মরদেহ ময়মনসিংহের ভালুকার রানদিয়া গ্রামে তার নানাবাড়িতে দাফন করা হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তমার খোলা চিঠি, ‘ভালোবাসার মানুষ প্রতিষ্ঠিত হয়ে প্রথমে ওই মেয়েটিকেই ঠকায়’

    ছোটপর্দার নিয়মিত মুখ অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরা শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় আত্মহত্যা করেন। এদিন সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে বিষয়টি নিশ্চিত করেন আলভী।

    ইকরার আত্মহত্যার খবর সামনে আসার পর শোবিজ অঙ্গনে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। খবরটি প্রকাশের পর থেকেই নেটিজেনরা সামাজিক মাধ্যমে শোকপ্রকাশ করছেন। এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে এবার ইকরাকে উদ্দেশ্য করে ফেসবুকে খোলাচিঠি লিখেছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তমা মির্জা।

    দাম্পত্য জীবনে তারকা খ্যাতির আড়ালে ভালোবাসা না অবহেলা? কেন এমন জীবন বেছে নিলেন জাহের আলভীর স্ত্রী- সেই প্রশ্ন তুলেছেন ঢালিউড অভিনেত্রী। তমা লিখেছেন, ‘একটা মেয়ে যখন কাউকে ভালোবাসে সে তার ভালোবাসার মানুষটার শূন্য পকেট হলেও তাকে ভালোবাসে। তার পাশে থাকে, তার সাহস জোগায়, জীবনে অনেক দূর এগিয়ে যেতে উৎসাহ দেয়, পুরো পৃথিবীর সাথে যুদ্ধ করে কিন্তু ভালোবাসার মানুষটার হাত ছাড়ে না।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কিন্তু সেই মানুষটির জীবনে সফলতা এলে সবার প্রথমে ভালোবাসার মানুষটিকে ঠকায় বলে মনে করেন তমা। অভিনেত্রী লেখেন, ‘আর সেই মানুষটা যখনই জীবনে সফলতা পায়, পূর্ণতা পায়, প্রতিষ্ঠিত হয় সবার প্রথম ওই মেয়েটাকেই ঠকায়, প্রতারণা করে, অবহেলা করে, কষ্ট দেয়, তুচ্ছ তাচ্ছিল্য করে, প্রতিনিয়ত মানুষিক যন্ত্রণা দেয়।’

    তমা আরও লেখেন, ‘একটা মেয়ে সব মেনে নিতে পারে, সহ্য করতে পারে; কিন্তু তার ভালোবাসার মানুষের এই বদলে যাওয়া চেহারা মানতে পারে না, তখন জীবনটা অর্থহীন হয়ে যায়, নিজের কাছে জীবনের কাছে সে হেরে যায়। সবকিছু থেকে নিজেকে মুক্ত করে ওই মানুষটাকে মুক্তি দিয়ে সবার থেকে দূরে চলে যায়।’

    ‘যদিও এই চলে যাওয়াতে ওই মানুষটার জীবন থেমে থাকে না, কোনো উপলব্ধি হয় কিনা তাও আমার জানা নেই। শুধু এটুকু বলতে পারি মেয়েটা বেঁচে থেকে যে যন্ত্রণা বয়ে বেড়াচ্ছিল হয়তো তার থেকে একটু কম যন্ত্রণার জায়গা সে খুঁজে নিয়েছে,’ যোগ করেন তমা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেতা আলভীর প্ররোচনায় আত্মহত্যা করেন তার স্ত্রী

    ‘তুই মরলেও আমার কিছু যায় আসে না, তোর যা মন চায়, তুই কর’। মায়ের প্ররোচনায় ছোটপর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভী প্রায়ই স্ত্রীকে এমন উসকানিমূলক কথাবার্তা বলতেন।

    আলভীর এমন উসকানিমূলক কথাবার্তায় প্ররোচিত হয়ে তার স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরা আত্মহত্যার পথ বেছে নিয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে।

    রোববার মৃত ইকরার পিতা কবির হায়াত খান রাজধানীর পল্লবী থানায় একটি আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা করেন।

    মামলার আসামিরা হলেন- অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে জাহের আলভী ও তার মা নাসরিন সুলতানা শিউলী।

    গত শনিবার দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার এভিনিউ-২ এর ১৭ নম্বর রোডের একটি বাড়িতে অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।

    মামলার এজাহারে ভিকটিমের পিতা উল্লেখ করেন, মামলার প্রধান আসামি জাহের আলভীর সঙ্গে তার মেয়ে ইকরার ২০১৩ সালে প্রেমের সম্পর্কে বিয়ে হয়। দাম্পত্য জীবনে তাদের ৫ বছরের একটি পুত্রসন্তান রয়েছে। বিয়ের পর জাহের আলভী তার মা শিউলীর প্ররোচনায় স্ত্রী ইকরাকে মানসিক নির্যাতন করতেন। ভিকটিমের পিতা বিয়য়টি জানতে পেরে শিউলীর মাধ্যমে পারিবারিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করলেও শিউলী তাদের কথায় কর্ণপাত করেনি।

    প্রায় ২ বছর আগে ইকরা জানতে পারেন- তার স্বামী আলভী অজ্ঞাতনামা এক নারীর সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত। এ ঘটনায় স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে মনোমালিন্যের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ইকরাকে তাদের জীবন থেকে সরে যাওয়ার জন্য বিভিন্নভাবে প্ররোচনা করেন জাহের আলভী ও তার মা শিউলী। এমনকি ভিকটিমকে গালিগালাজ, অপমান ও বিভিন্ন ধরনের উসকানিমূলক কথাবার্তা বলে তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করেন।

    আলভী তার স্ত্রীকে প্রায়ই বলতেন, ‘তুই মরলেও আমার কিছু যায় আসে না। তোর যা মন চায়, তুই কর।’ একপর্যায়ে  মামলার আসামিদের অপমান, অবহেলা ও উসকানিমূলক কথাবার্তা সহ্য করতে না পেরে আত্মহত্যার পথ বেছে নেন ইকরা।

    পল্লবী থানার ওসি একেএম আলমগীর জাহান বলেন, আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। আসামিরা পলাতক।

    মিরপুর (ঢাকা) প্রতিনিধি

  • আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যার নেপথ্যে কী?

    ছোটপর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।

    ঘটনার সময় শুটিংয়ের কাজে নেপালে ছিলেন এ অভিনেতা। সেখান থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে স্ত্রীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন তিনি।

    পোস্টে আলভী জানান, তিনি এখন নেপালে শুটিং করছেন। খবরটি শোনার পর তিনি মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছেন। দ্রুত ঢাকা ফেরার চেষ্টা করছেন, ফিরে এসে সবার সঙ্গে এ বিষয়ে কথা বলবেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে স্ত্রীর মৃত্যুর ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নানা আলোচনা ও জল্পনা ছড়িয়ে পড়ে।  ঘটনার এক দিন আগে নিজের ফেসবুকে একটি পোস্ট করেছিলেন জাহের আলভী। সেখানে তিনি লিখেছিলেন, ‘ভুল করলে মাফ মেলে, কিন্তু মুক্তি মেলে না।’

    সেই পোস্টের মন্তব্যের ঘরে ইকরাও তার প্রতিক্রিয়া জানিয়েছিলেন। আলভীর করা ওই পোস্টে ইকরার মন্তব্য, ‘অভিনন্দন! ভুল করলে মাফ মেলে না, মুক্তিও মিলে না। ভুল স্বীকার করতে পারলা! আমিন! আমার আমিকে মুক্তি করে দিলাম, আবার কাটছ কেন!’

    সাম্প্রতিক সময়ে অভিনেতা আলভী ও তার স্ত্রীর এই পোস্ট ও মন্তব্যকে ঘিরেই নেটিজেনদের মাঝে নানা জল্পনার সৃষ্টি হয়েছে। এসবের প্রেক্ষিতে শোনা যাচ্ছে, দাম্পত্য জীবনে তাদের মনোমালিন্য চলছিল।

    উল্লেখ্য, ২০১০ সালে ভালোবেসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন জাহের আলভী ও আফরা ইবনাত ইকরা। তাদের ঘরে একটি পুত্রসন্তান আছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগে যা পোস্ট করেন জাহের আলভীর স্ত্রী

    অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরা শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টায় মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় আত্মহত্যা করেছেন। মিরপুর পল্লবী থানার ওসি বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

    স্ত্রীর মৃত্যুর খবরটি অভিনেতা জাহের আলভী নিজেও নিশ্চিত করেছেন। বর্তমানে শুটিংয়ের কাজে নেপালে অবস্থান করা এই অভিনেতা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে স্ত্রীর মৃত্যুর খবর জানান।

    এর আগে শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা ৫৩ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে একটি পোস্ট শেয়ার করেছিলেন ইকরা। মৃত্যুর কয়েক ঘণ্টা আগেও স্বাভাবিকভাবেই অনলাইনে উপস্থিতি ছিলেন তিনি, যা দেখে অনেকেই বিস্ময় প্রকাশ করছেন। কী কারণে এমন আত্মাহত্যার সিদ্ধান্ত তা নিয়ে তৈরি হয়েছে নানা প্রশ্ন।

    পাঠকদের জন্য অভিনেতার স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরার শেষ পোস্টটি হুবহু তুলে ধরা হল।

    আমার বোনের মাতৃত্বযাত্রার এক তিক্ত অভিজ্ঞতা। অক্টোবর ২০২৪, শুনুন তার মুখ থেকেই- ২০২৪ সালের ১৩ই অক্টোবর—দিনটি আমার জীবনের এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায়ের সূচনা করে। সেদিন ৩২ সপ্তাহে হঠাৎ আমার ওয়াটার ব্রেক হয়। দ্রুত আমি লালমাটিয়ায় অবস্থিত মাদার কেয়ার হাসপাতালের উদ্দেশ্যে রওনা হই, যেখানে পুরো প্রেগন্যান্সি জুড়ে আমি ডা. সেলিনা খানের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নিয়ে আসছিলাম।

    হাসপাতালে পৌঁছানোর পর তারা আমাকে পরীক্ষা করে দ্রুত ভর্তি করে নেয়। কিন্তু তখন জানতে পারি, ডা. সেলিনা খান জরুরি একটি অপারেশনের কারণে দুই থেকে তিন দিনের ছুটিতে আছেন। পরিস্থিতি সম্পর্কে জানতে চাইলে আমাকে জানানো হয় যে ওয়াটার ব্রেক হওয়ায় একটি আল্ট্রাসাউন্ড করা জরুরি।

    কিন্তু অবাক করার মতো বিষয় হল—সেই সময় হাসপাতালে কোনো আল্ট্রাসাউন্ড টেকনিশিয়ান উপস্থিত ছিলেন না। যিনি আল্ট্রাসাউন্ড করেন, তাকে ফোন করে ডাকা হয়।

    অনেক অনুরোধের পর তিনি হাসপাতালে আসার আগে আমার কাছ থেকে আগাম যাতায়াত ভাড়া দাবি করেন। একজন ভর্তি রোগী হিসেবে এই পরিস্থিতি আমার জন্য ছিল অত্যন্ত বিব্রতকর ও মানসিকভাবে কষ্টদায়ক। তবুও জরুরিতার কথা ভেবে অনুরোধ করে তাকে আসতে রাজি করাই। পরে আল্ট্রাসাউন্ড করে জানানো হয় যে ভেতরের পানি তখনও অক্ষত রয়েছে।

    এরপর আমাকে দোতলায় একটি বেডে শুইয়ে রাখা হয়। স্যালাইন চলতে থাকে, এবং বলা হয় যতটা সম্ভব নড়াচড়া না করতে। ক্যাথেটার পরানো অবস্থায় আমি সম্পূর্ণ শয্যাশায়ী হয়ে পড়ি।

    ১৪ ও ১৫ অক্টোবর—এই দুই দিন কোনো পুনরায় আল্ট্রাসাউন্ড বা স্পষ্ট মেডিকেল আপডেট আমাকে দেওয়া হয়নি। আমার শারীরিক অবস্থা কী, আমাকে বাড়ি যেতে দেওয়া হবে কি না, নাকি ডেলিভারির প্রস্তুতি নিতে হবে—এসব বিষয়ে কোনো পরিষ্কার তথ্য পাইনি। অনিশ্চয়তা ও উদ্বেগের মধ্যে দিন দুটি কেটেছে।

    ১৬ই অক্টোবর যা ঘটলো, তা ছিল আমার কল্পনার বাইরে। আমাকে দোতলা থেকে তিনজন স্টাফ কাঁধে ভর দিয়ে হুইলচেয়ারে করে নিচে নামান। এমনভাবে একজন সম্ভাব্য সিজারিয়ান রোগীকে স্থানান্তর করা অত্যন্ত অস্বাভাবিক ও অস্বস্তিকর মনে হয়েছে আমার কাছে।

    পরে আল্ট্রাসাউন্ড করে জানানো হয়—আমার শরীরে আর কোনো অ্যামনিয়োটিক ফ্লুইড নেই; জরুরি ভিত্তিতে সিজারিয়ান অপারেশন করতে হবে। সেই সময় ডা. সেলিনা খান উপস্থিত ছিলেন।

    আমরা জানতে চাই—হাসপাতালে কি এনআইসিইউ সুবিধা আছে? যদি নবজাতকের বিশেষ যত্ন প্রয়োজন হয় তবে কী হবে? উত্তরে বলা হয়, এখানে এনআইসিইউ নেই; প্রয়োজনে পাশের হাসপাতালে নেওয়া হবে।

    একজন মা হিসেবে আমার উদ্বেগ ছিল স্বাভাবিক—মা ও শিশু আলাদা হাসপাতালে থাকলে জটিলতা তৈরি হতে পারে। তখন আমাদের জানানো হয়, চাইলে আমরা অন্য হাসপাতালে চলে যেতে পারি।

    কিন্তু প্রশ্ন হল—যদি এমন গুরুত্বপূর্ণ সুবিধা এখানে না থাকে, তবে আমাকে আগেই কেন জানানো হয়নি? কেন দুই দিন ধরে আমাকে অনিশ্চয়তার মধ্যে রাখা হলো? কেন একটি মা ও শিশু হাসপাতালে আল্ট্রাসাউন্ড সার্ভিস নিয়মিতভাবে উপস্থিত থাকবে না?

    আরও উদ্বেগজনক বিষয় ছিল—এর আগে যখন এনআইসিইউ সম্পর্কে জানতে চেয়েছিলাম, তখন আমাকে বলা হয়েছিল, “কিছু হবে না, এনআইসিইউ লাগবে না।” চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় এমন আশ্বাস কি যথেষ্ট?

    ডা. সেলিনা খান নিঃসন্দেহে একজন দক্ষ ও সুনামধন্য চিকিৎসক। তবে তিনি যখন উপস্থিত ছিলেন না, তখন হাসপাতাল ব্যবস্থাপনার দায়িত্ব ছিল রোগীর যথাযথ পর্যবেক্ষণ, স্বচ্ছ তথ্য প্রদান ও প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নিশ্চিত করা। সেই জায়গায় আমি অবহেলা ও সমন্বয়ের অভাব অনুভব করেছি।

    এই দুই দিন যদি আমার বা আমার সন্তানের কোনো বড় ক্ষতি হতো—তাহলে দায়ভার কে নিত? এই পরিস্থিতির মধ্যে অবশেষে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয় আমাকে অন্য হাসপাতালে স্থানান্তর করার।

    সকালবেলা জরুরি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিসের মাধ্যমে আমাকে দ্রুত গ্রিন লাইফ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানে ডা. সারোয়াত জাহান জুবায়রা ম্যাম এর তত্ত্বাবধানে আমাকে অত্যন্ত মানবিক ও পেশাদারভাবে গ্রহণ করা হয়। প্রয়োজনীয় সব তথ্য নিয়ে দ্রুত ফর্ম পূরণ করে আমাকে ভর্তি করা হয়। মাত্র পাঁচ থেকে দশ মিনিটের মধ্যেই ওটি প্রস্তুত ছিল।

    ডা. জুবায়রা ম্যাম জরুরি সিজারিয়ান ডেলিভারির মাধ্যমে আমাকে একটি ফুটফুটে কন্যা সন্তানের মা হওয়ার সৌভাগ্য দেন আলহামদুলিল্লাহ। সেই মুহূর্তের দ্রুত সিদ্ধান্ত, দক্ষতা এবং মানবিক আচরণ আমার এবং আমার সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করেছে।

    আমি বিশ্বাস করি, তিনি যদি সেই সময় জরুরি সহায়তা না দিতেন, তাহলে হয়তো পরিস্থিতি ভিন্ন হতে পারত। আমি ডা. জুবায়রা ম্যাম এর প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। তাঁর পেশাদারিত্ব, দ্রুততা এবং মানবিকতা আমার জীবনের এক সংকটময় মুহূর্তকে আশীর্বাদে পরিণত করেছে।

    আমি হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের কাছে বিনীত অনুরোধ জানাই—রোগী ব্যবস্থাপনা, জরুরি সেবা, তথ্য প্রদান এবং অবকাঠামোগত প্রস্তুতির বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল ও স্বচ্ছ হোন। একজন মা যখন প্রসবের জন্য হাসপাতালে যান, তখন তিনি শুধু চিকিৎসা নয়—নিরাপত্তা, নিশ্চয়তা ও মানবিক আচরণ প্রত্যাশা করেন।

    আমার এই অভিজ্ঞতা শেয়ার করার উদ্দেশ্য কাউকে ছোট করা নয়; বরং ভবিষ্যতে যেন আর কোনো মা এমন অনিশ্চয়তা ও মানসিক কষ্টের মধ্যে না পড়েন—সেই সচেতনতা তৈরি করা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উল্লেখ্য, এই পোস্টটি মূলত এডভোকেট রাকা ফরহাতের। তিনি শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) বিকালে এই পোস্টটি করেছিলেন। রাকার ওই পোস্টটিও নিজের টাইমলাইনে গতকাল শেয়ার করেছিলেন ইকরা। কিন্তু আজ আর তিনি পৃথিবীতে নেই।

    এদিকে পারিবারিক সূত্র জানায়, দুপুর দেড়টার দিকে বাসায় এ ঘটনা ঘটে। পরে বিষয়টি টের পেয়ে স্বজনরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেন। তবে ঘটনার পেছনের কারণ সম্পর্কে এখনো কিছু জানা যায়নি। প্রসঙ্গত, ২০১০ সালে ভালোবেসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন জাহের আলভী ও আফরা ইবনাত ইকরা।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্ত্রীর আত্মহত্যা প্রসঙ্গে মুখ খুললেন জাহের আলভী

    ছোটপর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টার দিকে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে।  এই তথ্য অভিনেতার শ্বশুরবাড়ি সূত্রে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

    এবার স্ত্রীর মৃত্যুর খবরটি নিশ্চিত করলেন জাহের আলভী নিজেই। বর্তমানে শুটিংয়ের কাজে নেপালে অবস্থান করছেন এই অভিনেতা। সেখান থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে স্ত্রীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেন তিনি।

    পোস্টে অভিনেতা লেখেন, ‘আজ দুপুরে মিরপুর ডিওএইচএস-এর বাসায় আমার স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছে। আমি নেপালে শুটিংরত ছিলাম ।খবরটা শোনার পর থেকে কথা বলার মতো অবস্থায় নেই। আমি বুঝতে পারছি না আমাদের সন্তান আর আমার কথা না ভেবে সে কেন এভাবে চলে গেল।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শিগগিরই ঢাকায় ফিরে এ নিয়ে কথা বলবেন জানিয়ে তিনি লেখেন, ‘শুভাকাঙ্ক্ষী ও সাংবাদিক ভাইদের অনুরোধ করছি, আমাকে একটু সময় দিন। আমি দ্রুত ঢাকা ফেরার চেষ্টা করছি, ফিরে সবার সঙ্গে কথা বলব। ততক্ষণ পর্যন্ত এই শোকের মুহূর্তে আমাকে এবং আমার পরিবারকে একটু মানসিক স্বস্তি দিন।’

    পোস্টের শেষাংশে তাদের সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে কোনো প্রকার বিভ্রান্তিকর তথ্য না ছড়ানোর অনুরোধ জানান তিনি। উল্লেখ্য, ২০১০ সালে ভালোবেসে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন জাহের আলভী ও আফরা ইবনাত ইকরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রীর আত্মহত্যা

    অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছেন। অভিনেতার শ্বশুরবাড়ি থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে।

    শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর দেড়টায় মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার একটি বাসায় এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি বেশ চাঞ্চল্যের জন্ম দিয়েছে।

    কেন ইকরা আত্মহত্যা করেছেন সেই বিষয়ে কোনো তথ্য এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।     

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জানা গেছে, অভিনেতা জাহের আলভী বর্তমানে নেপালে আছেন। তিনিও খবর পেয়েছেন। তবে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত থাকায় তিনি গণমাধ্যমে মুখ খুলেননি।

    ২০১০ সালে ভালোবেসে বিয়ে করেছিলেন আলভী ও ইকরা।  

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্ত্রীর পর মেয়েকে হারালেন জনপ্রিয় হলিউড তারকা

    জনপ্রিয় কৌতুকাভিনেতা মার্টিন শর্টের পরিবারে নেমে এসেছে গভীর শোকের ছায়া। সম্প্রতি তার মেয়ে ক্যাথরিন হার্টলি শর্ট না ফেরার দেশে পাড়ি জমিয়েছেন। তার বয়স হয়েছিল ৪২ বছর। 

    প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, তিনি আত্মহত্যা করেছেন।

    পরিবারের পক্ষ থেকে একজন মুখপাত্র এক বিবৃতিতে জানিয়েছেন, ‘আমরা গভীর দুঃখের সঙ্গে ক্যাথরিন হার্টলি শর্টের চলে যাওয়ার খবরটি নিশ্চিত করছি। শর্ট পরিবার এই অপূরণীয় ক্ষতিতে বিধ্বস্ত এবং এই কঠিন সময়ে সবার কাছে গোপনীয়তা রক্ষা করার অনুরোধ জানাচ্ছে।’

    ‘ক্যাথরিন সবার কাছে অত্যন্ত প্রিয় ছিলেন এবং তিনি পৃথিবীতে যে আনন্দ ও আলো ছড়িয়েছেন, তার মাধ্যমে তিনি চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবেন।’

    এই ঘটনায় লস অ্যাঞ্জেলেস পুলিশ বিভাগ গত সোমবার (২৩ ফেব্রুয়ারি) স্থানীয় সময় সন্ধ্যার পরে ক্যাথরিনের হলিউড হিলসের বাসভবনে উপস্থিত হয়। পুলিশের একজন মুখপাত্র জানিয়েছেন, একটি সম্ভাব্য আত্মহত্যার কল পেয়ে অফিসাররা সেখানে যান এবং একটি তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করেন। এটি বর্তমানে তদন্তাধীন রয়েছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শর্ট পরিবারের পূর্বের ট্র্যাজেডি 

    এই ঘটনাটি ‘অনলি মার্ডারস ইন দ্য বিল্ডিং’-খ্যাত তারকা মার্টিন শর্টের জন্য আরও একটি বড় ধাক্কা। এর আগে ২০১০ সালে তিনি তার স্ত্রী ন্যান্সি ডলম্যানকে হারান, যিনি দীর্ঘ ৩০ বছর শর্টের জীবনসঙ্গিনী ছিলেন এবং ক্যানসারে আক্রান্ত হয়ে মারা যান। মার্টিন শর্ট (৭৫) এবং তার প্রয়াত স্ত্রী ন্যান্সি তিন সন্তান—ক্যাথরিন, অলিভার (৩৯) এবং হেনরিকে (৩৬) দত্তক নিয়েছিলেন।

    এর আগে ২০২৪ সালে এক সাক্ষাৎকারে স্ত্রীর প্রয়াণ নিয়ে শর্ট বলেছিলেন, ‘এটি ছিল চরম ভয়াবহ এবং অত্যন্ত দুঃখজনক। আমি তখন আমার সন্তানদের যা বলেছিলাম তা হলো— আমি বিশ্বাস করি মা আমাদের আত্মার মধ্যে মিশে আছেন।’

    ক্যাথরিনের জীবন ও কর্ম 

    ক্যাথরিন একজন পেশাদার সমাজকর্মী হিসেবে লস অ্যাঞ্জেলেসে কর্মরত ছিলেন। তিনি ২০০৬ সালে নিউইয়র্ক বিশ্ববিদ্যালয় থেকে মনোবিজ্ঞান এবং জেন্ডার ও যৌনতা বিষয়ে স্নাতক সম্পন্ন করেন। পরবর্তীতে ২০১০ সালে ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া থেকে সমাজকর্মে মাস্টার্স ডিগ্রি অর্জন করেন।

    তিনি ‘ব্রিং চেঞ্জ ২ মাইন্ড’ নামক একটি দাতব্য সংস্থার সঙ্গেও যুক্ত ছিলেন, যা মানসিক স্বাস্থ্যের সামাজিক কলঙ্ক দূর করতে কাজ করে। বাবার আকাশচুম্বী খ্যাতি থাকা সত্ত্বেও ক্যাথরিন প্রচারের আড়ালে থাকতেই পছন্দ করতেন। ২০২১ সালে একটি প্রি-এমি পার্টিতে শেষবার তাকে তার বাবার সঙ্গে জনসমক্ষে দেখা গিয়েছিল। 

    সূত্র: নিউজ ডটকম 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আত্মহত্যা করেছেন জনপ্রিয় মার্কিন অভিনেত্রী পামেলা

    জনপ্রিয় মার্কিন টেলিভিশন সিরিজ ‘বেওয়াচ’ ও ‘নাইট রাইডার’র অভিনেত্রী পামেলা বাখ আত্মহত্যা করেছেন। স্থানীয় সময় বুধবার (৫ মার্চ) হলিউড হিলসের বাড়ি থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়। 

    লস অ্যাঞ্জেলেসের মেডিকেল এক্সামিনার অফিস বলছে, ‘আত্মহত্যার’ পর গত বুধবার ৬২ বছর বয়সি পামেলা বাখের মৃতদেহ উদ্ধার করা হয়েছে তার হলিউড হিলসের বাড়ি থেকে।

    নব্বই দশকের জনপ্রিয় টিভি সিরিজ ‘বেওয়াচের অভিনেতা ডেভিড হ্যাসেলহফের সাবেক স্ত্রী ছিলেন বাখ। সাবেক স্ত্রীর মৃত্যুর খবর জানিয়ে এক বিবৃতিকে অভিনেতা হ্যাসেলহফ বলেছেন, ‘পামেলার মৃত্যুতে আমাদের পরিবার শোকাহত। ’

    হ্যাসেলহফ বলেছেন, ‘শোকের এই সময় পাড়ি দেওয়া তাদের জন্য কঠিন। বিষয়টি নিয়ে নীরবতা পালনের জন্য আমি বিনীতভাবে অনুরোধ করছি। ’

    ১৯৬২ সালে ওকলাহোমার টুলসায় জন্ম নেওয়া বাখের অভিনয় জীবন শুরু ১৯৭০ সালে শিশু শিল্পী হিসেবে। বিশ্বজুড়ে সাড়া জাগানো আশির দশকের আরেকটি টেলিভিশন সিরিজ ‘নাইট রাইডারে’ অভিনয়ের সময় পামেলা ও হ্যাসেলহফের পরিচয় হয়। ১৯৮৯ সালে দুজনে বিয়ে করেন। ২০০৬ সালে এই দম্পতির বিচ্ছেদের আগে তারা একসাথে ‘বেওয়াচেও’ কাজ করেছেন। তাদের দুই কন্যা সন্তান আছেন।

    বাখের মনে রাখা কাজগুলোর মধ্যে আরও আছে, ‘সোপ অপেরা দ্য ইয় অ্যান্ড দ্য রেস্টলেস’, ‘চিয়ার্স’, ‘দ্য ফল গাই’, ‘টিজে হুকার’, ‘সুপারবয়’ এবং ‘ভাইপার’।

    সোশাল মিডিয়াতেও বাখের সক্রিয়তা সর্বশেষ দেখা গেছে চলতি বছর শুরুর আগে। ইনস্টাগ্রামে ২০২৫ সালকে স্বাগত জানিয়ে পোস্ট দিয়েছিলেন তিনি ওই সময়ে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্ত্রীর অত্যাচারে স্বামীর আত্মহত্যা, যাকে দায়ী করলেন কঙ্গনা

    বেঙ্গালুরুতে তথ্যপ্রযুক্তি চাকরিজীবী অতুল সুভাষের মৃত্যুর ঘটনায় স্তম্ভিত গোটা দেশ। স্ত্রীর করা বিবাহবিচ্ছেদের ‘মিথ্যা’ মামলায় হাজিরা দিতে অন্তত ৪০ বার বেঙ্গালুরু থেকে জৌনপুর গেছেন অতুল সুভাষ। জানিয়েছে মৃত যুবকের পরিবার। যুবকের স্ত্রী নিকিতা সিংহানিয়ার বিরুদ্ধে উঠেছে আত্মহত্যায় প্ররোচনা দেওয়ার অভিযোগ। এ ঘটনায় এবার মন্তব্য করে বিতর্ক তৈরি করলেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, এ ঘটনায় নারীবাদের প্রসঙ্গ টেনে এনেছেন বিজেপি নেত্রী তথা বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। তিনি বলেছেন, পুরো দেশের কাছে এ ঘটনা বড় ধাক্কা। ওর ভিডিও সত্যিই হৃদয়বিদারক। ভারতীয় সংস্কৃতি মেনে বিয়ে হলে সব কিছু ঠিক থাকে। এসবের জন্য দায়ী বামপন্থা বা ভুয়া নারীবাদের চরম নিন্দা করি। কোটি কোটি টাকা নেওয়া হচ্ছিল। এ তো ওই যুবকের ক্ষমতার বাইরে ছিল। চাপে পড়ে ওকে এই পদক্ষেপ নিতে হলো।

    অভিযোগকারী বা নির্যাতিতা সঠিক বলছেন কিনা— এসব ক্ষেত্রে তাও খতিয়ে দেখা উচিত বলে মনে করে অভিনেত্রী বলেন, এই একজন নারীকে অবশ্য উদাহরণ হিসাবে গণ্য করাই উচিত নয়। যেসব নারীর সঙ্গে সত্যিই প্রতারণা করা হয়, তাদের ঘটনাগুলোকে আমরা একেবারেই অস্বীকার করতে পারি না। কারণ ৯৯ শতাংশ বিবাহবিচ্ছেদে পুরুষদেরই দোষ থাকে।

    এই মন্তব্যে চটেছেন বিপুলসংখ্যক নেটিজেন। তারা মানতে নারাজ, ৯৯ শতাংশ বিবাহবিচ্ছেদে পুরুষদেরই দোষ থাকে। এক নেটিজেন বলেছেন— এমন মানুষের থেকে প্রতিক্রিয়া নেওয়াই উচিত নয়। ইনি নিজেই একজন শোষণকারী। ওর নিজেরই বলা ৯৯.৯৯ শতাংশ ঘটনা মিথ্যা।

    অতুল সুভাষের মৃত্যুর ঘটনায় তার স্ত্রী ছাড়াও শ্যালক ও শাশুড়ির বিরুদ্ধেও অভিযোগ করা হয়েছে। মৃত যুবক উত্তরপ্রদেশের বাসিন্দা। বেঙ্গালুরুতে একটি তথ্যপ্রযুক্তি সংস্থায় কাজ করার সুবাদে সেখানেই থাকতেন তিনি। অতুলের স্ত্রীও চাকরিজীবী ছিলেন। তবে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা চালকালীন মাসিক ৪০ হাজার টাকা খোরপোশ দিতে হতো অতুলকে। এর পরও অতুলের স্ত্রী ও তার পরিবার আরও ২-৪ লাখ টাকা দাবি করছিলেন বলে অভিযোগ। অতুলের বিরুদ্ধে উত্তরপ্রদেশের আদালতে মামলাও করেছিলেন স্ত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক