Tag: আত্মহত্যা

  • সামনে এলো অভিনেত্রী রিধির চাঞ্চল্যকর তথ্য

    রাজধানী থেকে অভিনেত্রী ও মডেল রিধিকা রিধির মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে এসেছে। 

    প্রেমঘটিত বিষয় নিয়ে ঝগড়ার জেরে শনিবার (১৫ আগস্ট) ভোরে রিধি নিজেকে শেষ করেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ। 

    ওই সময় কথিত প্রেমিককে ভিডিও কলে রেখেই এই অভিনেত্রী আত্মহত্যা করেন বলেও দাবি করেছেন পরিবারের সদস্যরা।

    পরিবারের সদস্যদের বরাতে ভাটারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাজহারুল ইসলাম জানিয়েছেন, রিধির একজনের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল। শনিবার ভোরে ওই ব্যক্তির সঙ্গে ভিডিও কলে তার কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তাকে ভিডিও কলে রেখেই রিধি আত্মহত্যা করে থাকতে পারেন বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। 

    তবে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন ও ঘটনার তদন্তের পরই এই অভিনেত্রীর মৃত্যুর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে।

    ভাটারা থানার উপপরিদর্শক (এসআই) ওয়াদুদ জানিয়েছেন, অভিনেত্রী রিধির পরিবারের কাছ থেকে পাওয়া তার জাতীয় পরিচয়পত্রে নাম লীনা আক্তার। পুলিশ তার পরিবারের সদস্যদের কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহের পাশাপাশি রিধির সঙ্গে ওই ব্যক্তির সম্পর্ক ও মৃত্যুর আগে তাদের মধ্যে কী ঘটেছিল, সেসব বিষয়েও তদন্ত করছে।

    এর আগে শনিবার ভোরে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ঝুলন্ত অবস্থায় অভিনেত্রী ও মডেল রিধিকা রিধির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। মডেলিংয়ের মাধ্যমে শোবিজে পরিচিতি পান তিনি। পরবর্তী সময়ে অভিনয়েও নিয়মিত কাজ করেন। 

    বেশ কয়েকটি নাটকে অভিনয় করে দর্শকদের নজরে আসেন এই অভিনেত্রী। তার অভিনীত নাটকের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ‘এখানে মানুষ বিক্রি হয়’, ‘বহুরূপী’, ‘ডাবল হানিমুন’ ও ‘সুন্দরী’।

    এ ছাড়া সোশ্যাল মিডিয়াতেও বেশ সক্রিয় ছিলেন রিধিকা রিধি। বিভিন্ন সময় তিনি তার কাজের ছবি প্রকাশ করতেন।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • যে কারণে আত্মহত্যার কথা ভেবেছিলেন ব্র্যাড পিট

    ২০১৬ সালে অভিনেত্রী অ্যাঞ্জেলিনা জোলির সঙ্গে বিচ্ছেদের পর জীবনের অত্যন্ত কঠিন ও বেদনাদায়ক এক পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছিলেন হলিউড তারকা ব্র্যাড পিট। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে ৬২ বছর বয়সি এই অভিনেতা প্রকাশ করেছেন, সেই সময়ে তিনি প্রচণ্ড মানসিক কষ্টে ভুগছিলেন এবং তার মনে আত্মহত্যার চিন্তাও এসেছিল। 

    আমেরিকান সাময়িকী এসকোয়ার-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ব্র্যাড পিট অকপটে জানান, জীবনের ওই নির্দিষ্ট একটি সময় ছাড়া তিনি কখনো এতটা মানসিকভাবে ভেঙে পড়েননি। 

    অভিনেতা বলেন, ‘আমি একটি ছোট সময় ছাড়া কখনো আত্মহত্যাপ্রবণ ছিলাম না। কিন্তু ওই নির্দিষ্ট সময়টিতে আমার মনে হয়েছিল, আমি আর পারছি না—সামনে এগোনোর কোনো পথ খুঁজে পাচ্ছিলাম না।’ 

    মানসিক কষ্টের তীব্রতা বর্ণনা করতে গিয়ে পিট ব্যাখ্যা করেন, তার নিজের ক্ষতি করার কোনো উদ্দেশ্য না থাকলেও, যিনি প্রচণ্ড মানসিক যন্ত্রণায় ভোগেন, তিনি কেন মৃত্যুকে একধরনের ‘মুক্তি’ হিসেবে দেখেন—তা তিনি উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পিট বলেন, ‘তখন কষ্টটা এতটাই দমবন্ধ করা ছিল যে, আমি হয়তো সে অনুযায়ী কাজ করতাম না; কিন্তু মনের ভেতর মাথার ভেতরে গুলির সেই হিমশীতল অনুভূতিটা পাচ্ছিলাম, আর মনে হচ্ছিল এটাই যেন মুক্তি।’ 

    তিনি জানান, এসব চিন্তা মূলত মানসিক যন্ত্রণা থেকে রেহাই পাওয়ার তীব্র আকাঙ্ক্ষা থেকেই সৃষ্টি হয়েছিল, নিজের ক্ষতি করার ইচ্ছা থেকে নয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তার বেঁচে থাকার আত্মরক্ষামূলক অনুভূতিই জয়ী হয়। ব্র্যাড পিটের ভাষায়, ‘আমি তখন ভাবলাম, ‘ওহ, আচ্ছা, এবার আমি বুঝতে পারছি।’ আমি আত্মহত্যাকে বুঝতে পেরেছিলাম এই অর্থে যে—এটা কেবলই কষ্ট থেকে মুক্তির এক ব্যাকুল প্রচেষ্টা।’ 

    সাক্ষাৎকারে যখন জানতে চাওয়া হয়, এই কঠিন সময়টার পেছনে সন্তান সম্পর্কিত কোনো বিষয় জড়িয়ে ছিল কিনা, তখন পিট সংক্ষিপ্ত উত্তর দিয়ে বলেন, ‘পারিবারিক বিষয়।’ 

    তিনি এ বিষয়ে বিস্তারিত আর কথা বলতে রাজি হননি এবং যোগ করেন, ‘পারিবারিক বিষয়। আমরা এটার এখানেই ইতি টানতে পারি।’ 

    উল্লেখ্য, ‘মি. অ্যান্ড মিসেস স্মিথ’ সিনেমার সেটে ব্র্যাড পিট ও অ্যাঞ্জেলিনা জোলির পরিচয় হয়। পরবর্তীতে তারা বিয়েও করেন। তাদের ছয়টি সন্তান রয়েছে। কিন্তু ২০১৬ সালে জোলি বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করলে এবং সন্তানদের একক জিম্মাদারি দাবি করলে এই জুটির সম্পর্কের ইতি ঘটে। দীর্ঘ আইনি প্রক্রিয়ার পর ২০১৯ সালে আদালতের রায়ে তারা আইনগতভাবে সিঙ্গেল মর্যাদা পান এবং ২০২৪ সালের ডিসেম্বরে তাদের বিচ্ছেদ চূড়ান্ত নিষ্পত্তিতে পৌঁছায়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে মায়ের মৃত্যুর পর আত্মহত্যার চেষ্টা করেছিলেন গোবিন্দ

    বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা গোবিন্দ তার জীবনের অন্যতম কঠিন ও অন্ধকার অধ্যায়ের স্মৃতিচারণ করেছেন। প্রখ্যাত শাস্ত্রীয় সঙ্গীতশিল্পী ও অভিনেত্রী মা নির্মলা দেবীর মৃত্যুর পর তিনি এতটাই ভেঙে পড়েছিলেন যে, মায়ের সঙ্গে আবার দেখা পাওয়ার আশায় নর্মদা নদীর জলে নেমে জীবন শেষ করার পথ বেছে নিতে চেয়েছিলেন এই অভিনেতা। 

    ভারতীয় সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ১৯৯৬ সালের সেই দুঃসহ শোকের দিনগুলোর কথা শেয়ার করেন গোবিন্দ। তিনি বলেন, ‘আমি চরম কষ্টের মধ্যে ছিলাম। সেই সময় মনে হয়েছিল আমার জীবনের সবকিছু এখানেই শেষ।’ 

    উল্লেখ্য, গোবিন্দর মা নির্মলা দেবী ১৯৯৬ সালের ১৫ জুন ৬৯ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন। 

    মায়ের প্রয়াণের পর নিজেকে সামলাতে না পেরে গোবিন্দ নর্মদা নদীর তীরে চলে যান। তিনি বলেন, ‘আমি ভেবেছিলাম নদীর গভীরে আরও কিছুটা এগিয়ে গেলে হয়তো মায়ের সঙ্গে আমার আবার দেখা হবে। তাই আমি পানির মধ্যে হাঁটতে শুরু করি।’ 

    উক্ত ঘটনাটি আত্মহত্যার চেষ্টা ছিল কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে গোবিন্দ বলেন, ‘একপ্রকার তাই। মায়ের প্রতি আমার ভীষণ টান ও গভীর ভালোবাসা ছিল। বিশ্ব হয়তো একে ‘আত্মহত্যা’র মতো শব্দ দিয়ে ব্যাখ্যা করবে, কিন্তু আমরা বিষয়টিকে এভাবে দেখি না। জীবন কখনো শেষ হয়ে যায় না, তা কেবল নতুন রূপ ধারণ করে।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পানিতে নেমে যাওয়ার পর নদীর তীরে উপস্থিত রাম কুণ্ডল নামের এক সাধু তাকে দেখতে পান এবং ডাক দেন। গোবিন্দ স্মরণ করে বলেন, ‘তিনি আমাকে ডেকে আমার দিকে এগিয়ে এলেন। আমি পানি থেকে উঠে আসার পর তিনি জিজ্ঞেস করলেন, ‘কী হয়েছে গোবিন্দ?’ তার সেই প্রশ্নটি আমার চেতনা ফিরিয়ে আনে।’ 

    সেই মুহূর্তটি অভিনেতাকে নিজের ভুল উপলব্ধি করতে সাহায্য করে। তিনি বলেন, ‘আমি বুঝতে পেরেছিলাম যে আমি ভুল কিছু করছিলাম। সেই দিন আমি বড় একটি শিক্ষা পেয়েছিলাম—আমাকে আমার সন্তানদের জন্য বেঁচে থাকতে হবে।’ এই দুঃসহ মানসিক অবস্থা থেকে পুরোপুরি বের হয়ে আসতে অভিনেতার প্রায় ১০ থেকে ১৫ দিন সময় লেগেছিল।

    মায়ের মৃত্যু গোবিন্দার ক্যারিয়ার ও জীবন দর্শনে এক গভীর প্রভাব ফেলেছিল। চলচ্চিত্র ও তারকাখ্যাতি নিয়ে তিনি বলেন, ‘সিনেমা আমার কাছে খেলনার মতো। ঈশ্বরকে সাক্ষী রেখে বলছি, এতে কেউ ক্ষুব্ধ হলে ক্ষমা করবেন… তবে আমি বিশ্বাস করি অভিনয়, খ্যাতি, হিরোইজম—এসবই ওপরওয়ালার দান। আমরা কেবল ঈশ্বরের দেওয়া ভূমিকায় অভিনয় করে যাচ্ছি।’ 

    নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন সম্পর্কে এই তারকা বলেন, ‘আমার কাছে প্রকৃত সাফল্য বলতে কোনো বড় সুপারস্টার হওয়া নয়, বরং আমার মায়ের স্বপ্নগুলো পূরণ করতে পারাটাই ছিল আসল অর্জন। ২১ বছর বয়সে পৌঁছালে তার ছেলে গোবিন্দ কী কী অর্জন করবে—মা যেসব স্বপ্ন দেখতেন, তা পূরণ করা ও পরিবারের সেবা করাই ছিল আমার জীবনের আসল ‘হিরোইজম’।’ 

    বর্তমানে গোবিন্দা তার নতুন চলচ্চিত্র ‘রূপা’র প্রচারণার কাজে ব্যস্ত রয়েছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • জামিন নামঞ্জুর, কারাগারে অভিনেতা জাহের আলভী

    স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরা আত্মহত্যার প্ররোচনায় অভিযোগে করা মামলায় ছোটপর্দার অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে জাহের আলভীকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত। 

    বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) দুপুরে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দিনের আদালতে আত্মসমর্পণ করে আইনজীবীদের মাধ্যমে জামিন আবেদন করেন আলভী। শুনানি শেষে দুপুর আড়াইটার দিকে আবেদন নামঞ্জুর করে আদালত তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

    রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদ তথ্যটি নিশ্চিত করেছেন। 

    অভিনেতার জামিন আবেদনে উল্লেখ করা হয়, আসামি এই ঘটনার সঙ্গে কোনোভাবেই সম্পৃক্ত নন। প্রেমের বিয়ে করার কারণে বাদী শুধু ব্যক্তিগত জিদ ও প্রতিহিংসার বশবর্তী হয়ে হয়রানিমূলকভাবে মামলাটি দায়ের করেন। মামলার এজাহারে তার বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কোনো অভিযোগ নেই। 

    আরও বলা হয়, আসামি গুরুতর অসুস্থ। ক্রনিক অ্যাজমা ব্রঙ্কাইটিস বা গুরুতর হাঁপানি রোগে ভুগছেন। 

    গত ১৩ জুন আসামি অ্যাজমা এট্যাক হয়ে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে বক্ষব্যাধি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগে নেওয়া হয়। আসামির বর্তমান শারীরিক অবস্থায় কোনোভাবেই বন্ধ জায়গায় বা জেল-হাজতে আটক রাখা সমীচীন হবে না। যা কিনা তার শ্বাসরোধ হয়ে মৃত্যু পর্যন্ত ঘটানোর সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য জামিনে মুক্তি দিয়ে ন্যায় বিচার নিশ্চিত করা অনিবার্য। 

    মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি মিরপুরের ডিওএইচএসের বাসা থেকে সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই দিন রাতেই মামলা করেন ইকরার বাবা কবির হায়াত খান। দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’ বলে মামলায় অভিযোগ করেন তিনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) আসামি পক্ষের আইনজীবী ঢাকা বারের সভাপতি আনোয়ার জাহিদ ভূইয়াসহ অনেকেই আলভীর পক্ষে জামিন চেয়ে শুনানি করেন। বাদীপক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। উভয় পক্ষের শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন। 

    প্রসঙ্গত, আলভী ও ইকরা ২০১০ সালে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। এই মামলায় গত ৪ জুন জাহের আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছিলেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আত্মসমর্পণ করলেন জাহের আলভী

    ছোটপর্দার অভিনেতা নিয়ামত উল্লাহ ভূঁইয়া ওরফে জাহের আলভী স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধারের ঘটনায় দায়ের করা মামলায় আত্মসমর্পণ করেছেন। তিনি জামিনের আবেদনও করেছেন বলে জানা গেছে।  

    বৃহস্পতিবার (১৮ জুন) ঢাকার মহানগর হাকিম কামাল উদ্দীনের আদালতে তার পক্ষে আইনজীবী শেখ রোবায়েত ইসলাম জামিন আবেদন করেন। আদালত সূত্রে জানা গেছে, পরে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী হারুন অর রশীদের উপস্থিতিতে এ বিষয়ে শুনানি অনুষ্ঠিত হয়। 

    মামলার নথি অনুযায়ী, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস এলাকার বাসা থেকে আফরা ইভনাথ ইকরাকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। পরিবারের সদস্যরা তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। 

    ঘটনার পর পুলিশ আলামত সংগ্রহ ও সুরতহাল রিপোর্ট প্রস্তুত করে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ ঘটনায় নিহত ইকরার বাবা কবির হায়াত খান বাদী হয়ে মামলা করেন। মামলায় দীর্ঘদিনের পারিবারিক কলহ ও নির্যাতনের কারণে ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হন’ বলে অভিযোগ করা হয়। 

    এ মামলার প্রায় ৪ মাস পর আত্মসমর্পণ করেছেন অভিনেতা আলভী। 

    অভিযুক্ত জাহের আলভীর পক্ষ থেকে আদালতে বলা হয়, তিনি ঘটনার দিন কাজের সূত্রে বিদেশে অবস্থান করছিলেন। স্ত্রীর মৃত্যুর সঙ্গে কোনোভাবে তিনি জড়িত নন। তার স্ত্রীর আত্মহত্যার পেছনে তার বিরুদ্ধে আনা সব অভিযোগ ভিত্তিহীন। 

    এই অভিনেতার জামিনের পক্ষে আদালতে আরও বলা হয়, এ দম্পতির একটি শিশু সন্তান রয়েছে এবং তিনি পরিবারের একমাত্র উপার্জনকারী ব্যক্তি। 

    উল্লেখ্য, এই আত্মহত্যা মামলার পর অভিনেতা জাহের আলভী বিদেশে অবস্থান করলেও পরবর্তীতে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী তিনি দেশে ফিরে আসেন ও আত্মসমর্পণ করেন। এই একই মামলায় অভিনেতার মা নাসরিন সুলতানাও আত্মসমর্পণ করে জামিন পান। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্ত্রীর বিরুদ্ধে আলভীর অভিযোগ প্রসঙ্গে যা বললেন তিশা

    স্ত্রী আফরা ইভনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার পর সব মহল থেকে ব্যাপক সমালোচনার মুখে পড়েন অভিনেতা জাহের আলভী। যদিও স্ত্রীর প্রয়াণের প্রথম দিকে শোক আর আবেগের কথা বলেছিলেন এই অভিনেতা।

    তবে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে স্ত্রীকে নিয়ে বেশ কিছু বিস্ফোরক অভিযোগ তুলেছেন তিনি। এত অল্প সময়ের মধ্যেই বক্তব্যের সুর বদলে ফেলে ফের তীব্র বিতর্কের মুখে পড়েছেন আলভী।

    শুক্রবার (৬ মার্চ) রাত ১১টা ৩৫ মিনিটে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া দীর্ঘ এক স্ট্যাটাসে এটিকে নিজের ‘শেষ পোস্ট’ উল্লেখ করে আলভী দাবি করেন, এ ঘটনায় তাকে ফাঁসানো হচ্ছে। এছাড়া প্রয়াত স্ত্রীকে নিয়ে জাহের আলভী দাবি করেন, ‘তার স্ত্রী সিগারেট, গাঁজা ও মদ্যপান করতেন।’ শুধু তা-ই নয়, ইকরার বিরুদ্ধে পরকীয়ার অভিযোগও তোলেন তিনি।

    আলভী তার পোস্টে আরও দাবি করেছেন, তিনি থাকা সত্ত্বেও ২০১০ সালে আফরা ইভনাথ খান ইকরা অন্য এক ব্যক্তিকে বিয়ে করেছিলেন। এমনকি বাসরও করেছিলেন বলে উল্লেখ করেন তিনি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    যদিও একজন প্রয়াত মানুষ যে কিনা তার সন্তানের মা তার বিরুদ্ধে এসব মানহানিকর অভিযোগ তোলা নৈতিকভাবে প্রশ্নবিদ্ধ উল্লেখ করে নেটিজেনদের উল্টো তোপের মুখে পড়েছেন আলভী।  নেটিজেনরা পোস্টটি শেয়ার করে নানারকম মন্তব্য করছেন।

    এই অভিনেতার সাম্প্রতিক স্ট্যাটাসকে ঘিরে এবার মুখ খুললেন ছোটপর্দার নিয়মিত মুখ অভিনেত্রী তাসনুভা তিশা। আরেক অভিনেত্রী রিমু রোজা খন্দকারের একটি পোস্ট শেয়ার করে আলভীর উদ্দেশে তিশা লেখেন, ‘আমি মনে করি, এখনই সময় এসেছে আলভীর উচিত যিনি আমাদের মাঝে নেই, তার সম্পর্কে বাজে কথা বলা বন্ধ করা।

    অন্তত সেই নারীর প্রতি ন্যূনতম সম্মান দেখানো উচিত, যিনি তার সন্তানের মা। এখন তারা খুব নোংরা খেলা খেলছে। এটা এখনই বন্ধ হওয়া উচিত।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ব্যক্তিগত চ্যাটের ৪৪টি স্ক্রিনশট প্রকাশ করে যা বললেন তিথি

    অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী আফরা ইবনাথ খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় যে কয়টি নাম নিয়ে বিতর্ক উঠেছে তার মধ্যে অন্যতম ইফফাত আরা তিথি। এই ঘটনার পর ইকরার পরিবার ও বান্ধবীরাও দাবি করেন, আলভীর সঙ্গে অভিনেত্রী তিথির সম্পর্কের জেরেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন ইকরা।

    নেপাল থেকে দেশে ফিরে অভিনেতার সঙ্গে তার ‘সম্পর্ক’ প্রসঙ্গে তিথি নিজেও মুখ খুলেছিলেন। এবার ইকরার মৃত্যুকে ঘিরে চলমান বিতর্কে নিজের নাম জড়ানোর বিষয়ে ফেসবুকে একটি পোস্ট দিলেন এ অভিনেত্রী।  ওই পোস্টে তিনি দাবি করেছেন, আলভীর সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে যেসব অভিযোগ উঠেছে, সেগুলো ‘ভুল ব্যাখ্যা’ ও ‘অপপ্রচার’।

    বুধবার (৪ মার্চ) বিকালে নিজের ফেসবুক আইডিতে দীর্ঘ এক পোস্টে ইকরার সঙ্গে ব্যক্তিগত চ্যাটের ৪০টিরও বেশি স্ক্রিনশট প্রকাশ করেন তিথি। সেগুলো প্রকাশ করে তিনি লেখেন, ‘ভেবেছিলাম, এগুলো জনসমক্ষে প্রকাশ করব না। প্রশাসনের প্রয়োজন হলে সেখানে দেব, সবার সম্মান রক্ষার্থে। কিন্তু আমাকে যেভাবে উত্ত্যক্ত করা হচ্ছে, আর চুপ থাকা গেল না। ইতোমধ্যে কিছু জায়গায় আমি অডিও বক্তব্য দিয়েছি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নিজেরা খুব সাধু সাজতেছেন, আপনারা কি সেটার আমলনামাও আছে।’

    তিথি দাবি করেন, আলভীর সঙ্গে তার সম্পর্ক নিয়ে যে অভিযোগ উঠেছে তা ভিত্তিহীন। পোস্টে ‘ইকরার সঙ্গে তার স্বাভাবিক যোগাযোগ ছিল’ দাবি করে তিথি জানান, ইকরার সঙ্গে তার নিয়মিত ও স্বাভাবিক কথাবার্তা হতো। পারিবারিক অশান্তি, ব্যক্তিগত হতাশা ও ডিপ্রেশনের বিষয়েও ইকরা বিভিন্ন সময় তার সঙ্গে কথা বলেছেন।

    স্ক্রিনশটগুলো প্রকাশ করে তিথি বলেন, ‘‘কারো সংসার ভাঙার ইচ্ছা আমার ছিল না। ও কয়েকবারই আমাকে বলেছে, সে আমেরিকা চলে যাবে। তখন আমি বরাবরই বলেছি, ‘চাইলেও যেতে পারবে না, তুমি আলভীকে ভালোবাসো, তুমি তার কুইন।’ তাহলে আত্মহত্যার জন্য আমি কিভাবে উসকানি দেব? যাই বলেন, এটা বলতে পারেন না যে আমি ওকে নিজের জীবন নেওয়ার জন্য উস্কে দিয়েছি। সে তার নিজের জীবন নিজে নিয়েছে, সন্তানটার কথা একটাবার মা হয়ে ভাবলে আজকে এই জীবনটা থাকত।”

    অভিনেত্রীর পোস্টে ইকরার পরিবারের প্রসঙ্গও উঠে আসে। তার দাবি, ইকরা নিজেই পরিবারের সঙ্গে দূরত্ব ও মানসিক কষ্টের কথা লিখেছিলেন। এ বিষয়ে তিথি লেখেন, ‘একটা মেয়ে যত যা–ই হোক নিজের বাবা–মাকে নিয়ে তো মিথ্যা বলবে না। আমি ওনাদের দোষ দিচ্ছি না। কিন্তু ইকরার মনে ওর পরিবার নিয়েও কষ্ট ছিল।

    ওর ফিল হতো যে ওর পরিবার ওকে নিজের হালে ছেড়ে দিয়েছে। স্পষ্ট লিখেছে যে ২০১৮ সালে একবার ও আলাদা হয়ে গিয়েছিল এবং ওর বাবাকে বলেছিল যে ওকে বিদেশে পাঠিয়ে দিতে কিন্তু ওনারা সাপোর্ট করে নাই। সেই থেকে ওর মনে একটা ক্ষোভ তাদের নিয়ে, যা থেকে এরপর আর কোনো দিন সে মুখ ফুটে কিছু বলে নাই।’

    পোস্টে তিথি আরও লেখেন- যদি তার কিছু হয়ে যায়, তাহলে সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো যেন বিষয়টি তদন্ত করে।

    দীর্ঘ পোস্টের শেষাংশে ইকরার আত্মার মাগফিরাত কামনা করে তিথি লেখেন, ‘আল্লাহ ওকে ভালো রাখুক। শান্তিতে রাখুক। ওর এই চিরনিদ্রা শান্তির হোক। আর দূর থেকেই রিযিককে এত দোয়া করুক, যাতে রিযিকের জীবনটা সুন্দর হয়।’

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি নাটকের শুটিংয়ের জন্য আলভী ও তিথি নেপালে যান। ২৭ ফেব্রুয়ারি ছিল তিথির জন্মদিন। বিনোদন অঙ্গনে গুঞ্জন ছড়ায়—তিথির জন্মদিন উদযাপনের উদ্দেশ্যেই নেপালে শুটিংয়ের আয়োজন করা হয়েছিল। তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করেছেন আলভী। ২৮ ফেব্রুয়ারি ইকরা মারা যান। এর পর থেকেই আলভী ও তিথির সম্পর্ক নিয়ে আলোচনা আরও তীব্র হয়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • দেশে ফিরেছেন আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলায় অভিযুক্ত অভিনেত্রী তিথি

    অভিনেতা জাহের আলভীর স্ত্রী ইকরার আত্মহত্যার প্ররোচনা মামলার অন্যতম অভিযুক্ত অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথি নেপাল থেকে দেশে ফিরেছেন। বিষয়টি অভিনেত্রী নিজেই গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন।

    দেশে ফেরার কথা জানিয়ে তিথি বলেন, ‘অনেকেই অভিযোগ করছেন ‘আলভী তার স্ত্রীকে শেষ দেখা দেখতে আসেননি, তার গার্লফ্রেন্ডকে নিয়ে নেপালে ঘুমিয়ে আছে’-এটা ভুল কথা। আমি পুরো টিমের সঙ্গে সোমবার (২ মার্চ) দেশে এসেছি। যেদিন ইকরা আত্মহত্যা করে ওই দিন একটা টিকিটের জন্য অনেক জায়গায় ফোন দেওয়া হয়েছে। প্রথম দিন কোথাও টিকিট পাওয়া যায়নি। পরের দিনের টিকিট ব্যবস্থা করে টিমের সবাই দেশে ফিরেছি।’

    এদিকে শোবিজে অনেক দিন ধরেই গুঞ্জন ছিল, সহশিল্পী ইফফাত আরা তিথির সঙ্গে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছেন জাহের আলভী। ইকরার আত্মহত্যার পর তার বান্ধবীরাও দাবি করেন, আলভী ও তিথির পরকীয়ার কারণেই মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছিলেন ইকরা, যা তাকে আত্মহত্যার পথে ঠেলে দিয়েছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অবশ্য আলভীকে বরাবরই নিজের ‘ভালো বন্ধু’ বলে এসেছেন এই অভিনেত্রী। অভিনেতার সঙ্গে প্রেমের গুঞ্জন প্রসঙ্গে তিথি বলেন, তার (আলভী) সঙ্গে আমি দীর্ঘদিন ধরে কাজ করছি। কোনো অফিসে যখন আপনার কলিগ থাকে, আপনি যখন তার সঙ্গে চার-পাঁচ বছর অফিস করবেন, তখন আপনার সঙ্গে তার ভালো বন্ধুত্ব হতেই পারে। আমি আগেও বলেছি যে, ইন্ডাস্ট্রিতে আলভী আমার সবচেয়ে ভালো বন্ধু।

    উল্লেখ্য, শনিবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুপুর পৌনে ১২টায় গলায় দড়ি দেওয়া অবস্থায় পরিবারের সদস্যরা অভিনেতা আলভীর স্ত্রী ইকরাকে উদ্ধার করেন। এরপর কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    এই ঘটনায় আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে ইতোমধ্যে রাজধানীর পল্লবী থানায় জাহের আলভী, তার মা ও তিথির বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে। মামলায় প্রধান আসামি করা হয়েছে অভিনেতা জাহের আলভীকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আলভীর বিরুদ্ধে ১৫ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন জমার নির্দেশ

    বাসা থেকে স্ত্রীর ঝুলন্ত লাশ উদ্ধারের ঘটনায় ছোট পর্দার অভিনেতা যাহের আলভীসহ দুই আসামির নামে আত্মহত্যায় প্ররোচণার মামলায় ১৫ এপ্রিলের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে নির্দেশ দিয়েছে আদালত। রোববার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট কামাল উদ্দীন এ আদেশ দেন।

    সোমবার প্রসিকিউশন পুলিশের এসআই সাইফুল ইসলাম বলেন, রোববার বিকালে মামলার এজাহার আসে। আদালত তা গ্রহণ করে ১৫ এপ্রিল প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দিয়েছে।

    মামলার আরেক আসামি হলেন- আলভীর মা নাসরিন সুলতানা শিউলি।

    শনিবার দুপুরে মিরপুর ডিওএইচএস এলাকায় যাহের আলভীর বাসা থেকে তার স্ত্রী আফরা ইবনাত ইকরার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করা হয়।

    স্ত্রীর মৃত্যুর এই ঘটনাকে ‘আত্মহত্যা’ বলছেন অভিনেতা যাহের আলভী। শুটিংয়ে জন্য বর্তমানে নেপালে থাকা এই অভিনেতা ফেইসবুকে পোস্ট দিয়ে স্ত্রীর ‘আত্মহত্যা করার’ খবর দেন।

    সেদিন রাতেই পল্লবী থানায় ‘আত্মহত্যার প্ররোচনার’ অভিযোগ এনে মামলাটি করেন ইকরার মামা শেখ তানভীর আহমেদ।

    মামার অভিযোগ, দীর্ঘদিনের ‘পারিবারিক কলহ ও বিভিন্ন ধরনের নির্যাতনের কারণেই’ তার ভাগনি ইকরা আত্মহত্যা করতে ‘বাধ্য হয়েছেন’।

    লাশ উদ্ধারের পর পুলিশ জানিয়েছিল, শনিবার দুপুর পৌনে ১২টার দিকে বাসার সিলিং ফ্যানের সঙ্গে ওড়না দিয়ে গলায় ফাঁস দেওয়া অবস্থায় ইকরাকে উদ্ধার করেন পরিবারের সদস্যরা। পরে বাসার মালিকসহ স্বজনরা মিলে তাকে কুর্মিটোলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

    পরে পুলিশ খবর পেয়ে কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে লাশের সুরতহাল রিপোর্ট করাসহ বাসা থেকে বিভিন্ন আলামত সংগ্রহ করে।

    ইকরার লাশ উদ্ধারের পর ফেইসবুকের পোস্টে অভিনেতা আলভী লিখেছিলেন, আজ দুপুরে মিরপুর ডিওএইচএসের বাসায় আমার স্ত্রী ইকরা আত্মহত্যা করেছে। আমি নেপালে শুটিংয়ে ছিলাম। খবরটা শোনার পর থেকে কথা বলার মত অবস্থায় নেই। আমি বুঝতে পারছি না আমাদের সন্তান আর আমার কথা না ভেবে সে কেন এভাবে চলে গেল।

    আলভী ও ইকরা বিয়ে করেন ২০১০ সালে; তাদের সংসারে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে।

    অনলাইন ডেস্ক

  • ইকরার মৃত্যুতে আলভীসহ এক অভিনেত্রীর নামে মামলা

    আফরা ইবনাত খান ইকরার আত্মহত্যার ঘটনায় তার স্বামী অভিনেতা জাহের আলভী ও অভিনেত্রী ইফফাত আরা তিথির নামে আত্মহত্যা প্ররোচনার মামলা করা হয়েছে। রোববার (১ মার্চ) পল্লবী থানায় এ মামলা করা হয়।

    বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন পল্লবী থানার ওসি এ কে এম আলমগীর জাহান। জানা যায়, মামলায় আলভী ও তার মাসহ পরিবারের কয়েকজনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে।

    ওসি বলেন, অভিযোগ পাওয়ার পর তা গ্রহণ করে নিয়মিত মামলা হিসেবে নথিভুক্ত করা হয়েছে। ঘটনার বিভিন্ন দিক খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যে প্রাথমিক তদন্ত শুরু হয়েছে এবং সংশ্লিষ্টদের জিজ্ঞাসাবাদের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি জানান, আত্মহত্যার প্ররোচনার অভিযোগে মামলা হয়েছে। আসামিরা পলাতক।

    দীর্ঘ ১৫ বছরের দাম্পত্য জীবনে স্বামীর পরকীয়া ও অমানুষিক নির্যাতনের অভিযোগ সামনে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইকরার ব্যক্তিগত চ্যাট ফাঁস হয়। এরপর থেকেই বিষয়টি ঘিরে দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়েছে।

    ২০১০ সালের ৯ নভেম্বর ভালোবেসে গোপনে বিয়ে করেন আলভী ও ইকরা। তাদের সংসারে এক পুত্রসন্তান রয়েছে।

    এদিকে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, আত্মহত্যার ঘটনার পেছনে পারিবারিক অশান্তি, মানসিক চাপ বা অন্য কোনো কারণ রয়েছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হবে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদনসহ অন্যান্য আলামত বিশ্লেষণ করে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হবে।  

    বিনোদন ডেস্ক