Tag: অমিতাভ বচ্চন

  • কেবিসিতে ৭ কোটি টাকা জিতলে যা করবেন অভিষেক বচ্চন

    বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চনের সঞ্চালনায় ভারতের জনপ্রিয় রিয়্যালিটি শো ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’-কেবিসি। কেবিসি ১৬ সিজনে আগামী পর্বে দেখা যাবে অভিনেতা অভিষেক বচ্চন, সুজিত সরকার ও লেখক অর্জুন সেনকে। 

    ‘আই ওয়ান্ট টু টক’-ছবির প্রচারে এবার এই গেম শো-তে হাজির হতে চলেছেন এ তিনজন। সেখানেই ৭ কোটি টাকা জিতলে তারা তা দিয়ে ঠিক কে কী করতে চান সে কথাই জানিয়েছেন কেবিসির অনুষ্ঠানে।

    লেখক অর্জুন সেন বলেন, ৭ কোটি টাকা জিতলে এয়ার ফোর্স ওয়াইভস ওয়েলফেয়ার অ্যাসোসিয়েশনের হয়ে খেলার ইচ্ছা রয়েছে আমার। পরিচালক সুজিত সরকার রাস্তার কুকুরদের সহায়তাকারী একটি এনজিও মানালি স্ট্রেসকে সাহায্য করার কথা জানিয়েছেন। তবে ৭ কোটি দিয়ে কী করতে চান সে কথা বললেন অভিষেক বচ্চন?

    কিছুটা রসিকতা করে এ অভিনেতা বলেন, ‘আমি কৌন বনেগা ক্রোড়পতি র্যাপ পার্টি ফান্ডে খেলব।’ তিনি বলেন, ‘যদি আমরা ৭ কোটি টাকা প্রাইজমানি পাই, তাহলে আমি ঘোষণা করছি যে, আগামী দুদিন কোনো শুটিং করব না। আমরা সবাই ছুটি কাটাতে গোয়া যাচ্ছি।

    তার এ কথাতেই সবাই দ্বিধাবিভক্ত হয়ে পড়েন। এর পরই অভিষেক তার বাবার আইকনিক ‘৭ কোটি’র লাইনটি নকল করে বসেন।’ তার কাণ্ডে অমিতাভসহ সেটে উপস্থিত সবাই হাসতে শুরু করেন। 

    এই মজার মধ্যেই পারিবারিক ঐতিহ্যের কথা শেয়ার করে জুনিয়র বচ্চন বলেন, ‘আমার বাড়িতে পরিবারের সবাই একসঙ্গে খেতে বসেন, সেই সময় যদি কেউ কোনো প্রশ্ন করেন, তাহলে ছোটরা এভাবেই সম্মিলিতভাবে চিৎকার করে বলেন, ৭ ক্রোর।’ অভিষেকের এমন কাণ্ডে সবাই তখন হতবাক হোন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিষেকের কথা শুনেই ছলছল করে উঠল অমিতাভের চোখ

    এক ফ্রেমে আর সেভাবে দেখা যায় না ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও অভিষেক বচ্চনকে। যেন দুজনার দুটি পথ আলাদা হয়ে গেছে। অবশ্য এই বিষয়টি নিয়ে জল্পনা-কল্পনার অন্ত নেই। 

    এদিকে মেয়ে আরাধ্যা যেন মায়ের ছায়াসঙ্গী। ঐশ্বরিয়ার সঙ্গেই সারাক্ষণ দেখা যায় তাকে। এমন পরিস্থিতিতেই ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ শোয়ে গিয়ে বাবার গুরুত্ব বোঝালেন অভিষেক বচ্চন। আর ছেলের কথা শুনে ছলছল করে উঠল অমিতাভ বচ্চনের চোখ।

    সুজিত সরকারের নতুন সিনেমা ‘আই ওয়ান্ট টু টক’। ছবিতে অর্জুনের চরিত্রে অভিনয় করছেন অভিষেক। দুই কন্যাসন্তানের বাবা অর্জুন জীবনের এমন এক পর্যায়ে যেখানে সে শারীরিকভাবে অসুস্থ। আর এই অসুস্থতা তার জীবন দেখার দৃষ্টিভঙ্গী পালটে দেয়। 

    যাদের প্রতি অর্জুন অন্যায় করেছেন, তাদের কাছে গিয়ে এখন সে ক্ষমা চাইতে চায়। এই সিনেমার প্রচার করতেই পরিচালককে সঙ্গে নিয়ে ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ শোয়ে যান অভিষেক।

    মজা করতে ভালোবাসেন অভিষেক। কেবিসিতেও তার ব্যতিক্রম হল না। জানান, বাড়িতে সবাই যখন একসঙ্গে খাবার খাওয়া হয়, কেউ কোনো প্রশ্ন করলেই সমবেতভাবে ‘সাত কোটি’ (কেবিসির পুরস্কার) বলা হয়। হাসিমজা করতে করতেই আবেগপ্রবণ হয়ে যান অভিষেক। 

    অভিষেক জানান, তার বাবা সকাল সাড়ে ছটায় বাড়ি থেকে বেরিয়ে যান যাতে তারা নিশ্চিন্তে আটটা-নটা পর্যন্ত ঘুমোতে পারেন।

    এরপরই অভিষেক বলেন, একজন বাবা যে সন্তানের জন্য কতকিছু করেন তা নিয়ে কেউ বেশি কথা বললেন না। কিন্তু বাবা সবার অজান্তেই চুপচাপ নিজের দায়িত্ব পালন করেন। ছেলের এই কথাতেই অমিতাভের চোখে পানি চলে আসে। 

    আগামী ২২ নভেম্বর সিনেমা হলে মুক্তি পাবে ‘আই ওয়ান্ট টু টক’। শোনা যায়, এই ছবির জন্য অভিষককে শারীরিক গঠনের পরিবর্তনও করতে হয়েছে। ওজন বাড়িয়েছিলেন তারকা। অভিষেক ছাড়াও ছবিতে অন্যান্য চরিত্রে রয়েছেন অহল্যা বামরো, জনি লিভার, পার্ল দে, ক্রিস্টিন গড্ডার্ড।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অভিষেককে কেবিসিতে ডাকা ‘ভুল’ ছিল অমিতাভের

    বলিউড শাহেনশাহ অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিস্তর কাটাছেঁড়া চলছে। তারা নাকি একে ওপরকে ডিভোর্স অবধি দিয়ে ফেলেছেন। যদিও নিজেদের সম্পর্কের সমীকরণ নিয়ে একেবারেই মুখে কুলুপ এঁটেছেন অভিষেক ও ঐশ্বরিয়া। কিন্তু তাদের নিয়ে চুপ নেই নেটিজেনরা।  বিবাহবিচ্ছেদ সংক্রান্ত পোস্টে অভিষেকের লাইক করার চর্চা থেকে শুরু করে জন্মদিনে শুভেচ্ছা না জানানো— সবই রীতিমতো আলোড়ন সৃষ্টি করেছে বচ্চন পরিবারের এ বিষয়টি। 

    এরই মাঝে অভিনেত্রী নিমরত কৌরের সঙ্গে সম্পর্কের খবরও প্রকাশ্যে এসেছে। যদিও বচ্চন পরিবার এসব বিষয়েই স্পিকটি নট। সম্প্রতি ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি ১৬’-এ অংশ নিয়েছিলেন অভিষেক বচ্চন। যেখানে বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন বলতে বাধ্য হন— ছেলেকে ডেকেই ‘ভুল’ করেছেন তিনি।

    আগামী ছবি ‘আই ওয়ান্ট টু টক’-এর প্রচারের জন্য সুজিত সরকারের সঙ্গে দেখা গেছে অভিষেককে। ভিডিওতে দেখা গেছে অমিতাভ তার ছেলেকে শোতে দেখে তেমন খুশি নন। কারণ অভিষেক শোতে এসে তার বাবাকেই নকল করেছেন। অভিষেক বলেন, বাড়িতে ডিনারের সময় তার বাবা শোতে যেমন করে ‘৭ কোটি’ বলে চিৎকার করেন, তেমনই বাচ্চারা সবাই তাকে দেখে করে থাকেন।

    অভিষেক শোয়ে এসে অমিতাভ বচ্চনকে নকল করতে শুরু করেন। দর্শকরা সেই কাণ্ড দেখে হাসিতে ফেটে পড়েন। তিনি তার বাবাকে নানা সময়ে নকল করেছিলেন। ছেলের এমন কাণ্ড দেখে অমিতাভ বচ্চন বলেছিলেন— তাকে শোতে আমন্ত্রণ জানানো উচিত হয়নি এবং এখন তিনি তার এই সিদ্ধান্তের জন্য অনুশোচনা করছেন।

    প্রসঙ্গত, নিমরত ও অভিষেকের বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে নানা আলোচনা চলেছে এ মুহূর্তে। জল্পনা-কল্পনার মধ্যেই নিমরতকে লেখা অমিতাভের একটি চিঠিও প্রকাশ্যে এসেছে। চিঠিটি ২০২২ সালের। যেখানে ‘দসভি’ সিনেমার জন্য অভিনেতাকে নিমরতের প্রশংসা করতে দেখা গেছে। অমিতাভ বচ্চনের চিঠি পেয়ে ভীষণই খুশি অভিনেত্রী নিমরতও। তবে অভিষেককে নিয়ে চর্চার মাঝেই সবার মনে প্রশ্ন জেগেছে— এই চিঠি কি তবে ইঙ্গিতবাহী। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিমানবন্দরে অমিতাভের কাছে টাকা ধার চেয়েছিলেন রতন টাটা! কিন্তু কেন?

     দীর্ঘদিন ধরে অসুস্থ থাকার পর গত ৯ অক্টোবর মুম্বাইয়ের ব্রিজ ক্যান্ডি হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন ভারতের টাটা সাম্রাজ্যের অধিপতির রতন টাকা। শিল্প জগতের এই কিংবদন্তি মহীরুহের মতো সামলেছিলেন টাটার সাম্রাজ্য। শুধু শিল্পমহলে নয়, সবার কাছেই প্রিয় রতন টাটা। কেননা, এত বড় একজন ব্যক্তিত্ব হওয়া সত্ত্বেও তিনি সাধারণ জীবনযাপন করতেন। একজন ‘ট্রু জেন্টলম্যান’ বলতে যা বুঝায় তিনি ছিলেন তেমনই এক ব্যক্তিত্ব। 

    সম্প্রতি ‘কৌন বনেগা ক্রোড়পতি’ নামের একটি শো’ তে এই মানুষটির স্মৃতিচারণ করেছেন বলিউডের বিগ বি খ্যাত সুপারস্টার অমিতাভ বচ্চন।

    ওই অনুষ্ঠানে অতিথি হয়ে এসেছিলেন ফারহা খান ও বোমন ইরানি। তাদের সঙ্গে কথা বলতে গিয়ে অমিতাভ জানান, একবার লন্ডনে যাচ্ছিলেন তিনি। ঘটনাচক্রে তার সঙ্গে একই বিমানে রতন টাটাও লন্ডনে যাচ্ছিলেন। হিথরো বিমানবন্দরে পৌঁছানোর পর টাটা দেখেন, তাকে যে গাড়ি নিতে আসার কথা ছিল তা আসেনি। 

    কেন গাড়িটি আসলো না সে বিষয়ে জানতে ফোন করার প্রয়োজন ছিল তার। কিন্তু ফোন করার মতো অর্থ তখন টাটা সাম্রাজ্যের অধিপতির কাছে ছিল না।

    এরপরের ঘটনা সম্পর্কে বলতে গিয়ে অমিতাভ বললেন, ‘কিছুক্ষণ পর আমার কাছে এসে জিজ্ঞেস করল, অমিতাভ, আমি কি আপনার কাছ থেকে কিছু টাকা ধার করতে পারি? আমার কাছে ফোন করার টাকা নেই। 

    বিষয়টি জানিয়েই ফারহা-বোমনকে অমিতাভ বলেন, ‘আমি ভাবতেই পারিনি উনি এটা বলবেন’। 

    অমিতাভ জানান, রতন টাটার মতো মানুষ সচারচর হয় না। সত্যিই তিনি একজন জেন্টলম্যান ছিলেন। কী সাধারণ জীবনযাপন করতেন।

    ১৯৩৭ সালের ২৮ ডিসেম্বর মুম্বইয়ে পার্সি পরিবারে জন্ম রতন টাটার। ১০ বছর বয়সে মা-বাবা আলাদা হয়ে যান। নিজের এক ভাই রয়েছেন, জিমি টাটা। সৎভাইও আছে। বিদেশে স্নাতকত্তোর পাসের পর সাতের দশকে টাটা গ্রুপে ম্যানেজার স্তরের দায়িত্ব পান রতন টাটা। ১৯৯১ সালে জেআরডি টাটা টাটা সন্সের দায়িত্ব ছাড়েন। রতন টাটাকে নিজের উত্তরাধিকারী ঘোষণা করেন। প্রথমে তাকে নিয়ে সংস্থার অন্দরে আপত্তি ছিল কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তা মুছে যায়। ২১ বছর রতন টাটার হাতে টাটা গ্রুপের দায়িত্ব ছিল। সেই সময় আয় ও লাভ দুই-ই ৪০ থেকে ৫০ গুণ বৃদ্ধি পায়। ২০০০ সালে ‘পদ্মভূষণ’ সম্মান পান রতন টাটা। ২০০৮ সালে ‘পদ্ম বিভূষণ সম্মান’। এছাড়া দেশ-বিদেশের অজস্র সম্মান এসেছে তার ঝুলিতে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাহরুখকে নকল করলেন অমিতাভ!

    কৌন বনেগা ক্রোড়পতি সিজন ১৬ তে সম্প্রতি অমিতাভ বচ্চন শাহরুখ খানের জনপ্রিয় পোজ করে দেখালেন তাও তার হট সিটে বসে বসেই! আর সেটা দেখেই বাকরুদ্ধ হয়ে গিয়েছেন দর্শকরা। এই পোজ করেই কী বললেন বিগ বি?

    কৌন বনেগা ক্রোড়পতি সিজন ১৬ এর সাম্প্রতিকতম পর্বে গুজরাটের এক কাফটসম্যান হর্ষ উপাধ্যায় হট সিটে বসেন। তিনি এদিন ১২ লাখ ৫০ হাজার সহ ৮০ হাজার টাকা বোনাস নিয়ে বাড়ি যান। এরপর রাঁচির রশ্মি কুমারী হট সিটে আসেন।

    কিন্তু বিগ বি যখন তার নাম প্রথমে ঘোষণা করেন তিনি চুপচাপ বসেই থাকেন। ভাবেন বুঝি ভুল করে তার নাম ডেকেছেন সঞ্চালক। এরপর তিনি যখন সত্যিটা বুঝে হট সিটে আসেন তখন অমিতাভ বচ্চন বলেন, ‘আমি ভাবলাম আমি বোধহয় ভুল নাম ডেকেছি। কাঁদবেন না প্লিজ। তাহলে আমার চাকরিটাই চলে যাবে।’

    এরপর পেশায় ব্যাংকার এই প্রতিযোগীকে একাধিক প্রশ্ন করেন বিগ বি। সেখানেই শাহরুখ খানকে নিয়ে একটা প্রশ্ন করেন। তখনই তিনি তার সিটে বসে বসেই কিং খানের হাত ছড়ানো সেই বিখ্যাত পোজ করেন। তারপর শাহরুখের একটি ছবি দেখিয়ে তাকে বলতে শোনা যায়, ‘এই ছবি তার বাড়ি মান্নাতের সামনে লাখ লাখ দর্শনার্থীরা আসে শাহরুখের সঙ্গে দেখা করতে। সেটার জন্য একটা উঁচু মঞ্চ বানিয়ে ওখান দিয়ে এই পোজ দেয়। আর তাতেই লোক পাগল হয়ে যায়। ’ – হিন্দুস্তান টাইমস

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাবার কষ্টের কথা জানালেন অমিতাভ

    বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনকে পরিবারের কথা কখনই ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে সেভাবে শেয়ার করতে দেখা যায়নি। তার বাবা হরিবংশ রাই বচ্চন ছিলেন বিখ্যাত কবি— এ তথ্য অনেকেরই অজানা নয়। তবে সম্প্রতি নিজের পরিবার নিয়ে মুখ খুলতে দেখা গেল এ শক্তিমান অভিনেতাকে। 

    এমন কিছু অজানা কথা যা আগে কোনো দিনই শেয়ার করতে দেখা যায়নি এ শাহেনশাহকে। একবার নয়, দুবার বিয়ে করেছিলেন হরিবংশ রাই বচ্চন। এটি অনেকেরই অজানা। তার দ্বিতীয় স্ত্রী তেজি বচ্চনের সন্তান অমিতাভ। কী হয়েছিল হরিবংশের প্রথম স্ত্রীর? কেন পরিণতি হয়েছিল মৃত্যু, তা আড়ালে-আবডালেই ছিল এতদিন?

    আনন্দবাজারের প্রতিবেদন বলছে, হরিবংশ রাই বচ্চন প্রথম বিয়ে করেছিলেন শ্যামা বচ্চনকে। ১৯২৬ সালে ধুমধাম করে বিয়ে করেছিলেন তারা। সুখে ভরা বিবাহিত জীবন ছিল। সব কিছু ভালোই চলছিল। কিন্তু বিয়ের বেশ কিছু বছরের মধ্যেই আচমকাই টিবি অর্থাৎ যক্ষ্মায় আক্রান্ত হন তিনি। সেই সময় চিকিৎসাব্যবস্থা এতটাও উন্নত ছিল না। 

    হাজার চেষ্টা করেও শেষ রক্ষা হয়নি। অল্প কিছু দিনের মধ্যেই মারা যান শ্যামা। স্ত্রীর এমন মর্মান্তিক মৃত্যুর পর ভেঙে পড়েন হরিবংশ। সেই প্রসঙ্গ টেনে এনেই অমিতাভ বলেন, ‘আমার বাবার প্রথম স্ত্রী মারা গেলেন। এর পরেই অদ্ভুত এক অবস্থার মধ্যে চলে যান তিনি। হতাশা ক্রমশ গ্রাস করতে থাকে তাকে। সেই সময় যে যে কবিতা তিনি লিখেছিলেন, সেগুলো বিষাদ মাখা।’

    এমন পরিস্থিতিতে একটা সময় তেজি বচ্চনের সঙ্গে আলাপ হয় হরিবংশের। তেজির ভালোবাসায় ধরা দেন অমিতাভের বাবা। দ্বিতীয়বার বিয়ে করেন তিনি। বিয়ের এক বছরের মধ্যেই জন্ম হয় অমিতাভ বচ্চনের। জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত মা-বাবার প্রতি দায়িত্ব পালন করেছেন অমিতাভ। বৃদ্ধ বয়সে মুম্বাইয়ে নিজের কাছে এনে রাখতেও দ্বিধাবোধ করেননি তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমির খানের প্রশ্নবানে নাজেহাল অমিতাভ

    বলিউড মেগাস্টার অমিতাভ বচ্চন এবং কলকাতা শহরটির মধ্যে অদ্ভুত একটা সম্পর্ক রয়েছে। কেননা, এই শহরতলি থেকেই তার যাত্রাপথ শুরু হয়েছিল। কলকাতার বিভিন্ন জায়গায় পদচারণা ছিল এই কিংবদন্তী অভিনেতার। এক সময় কলকাতায় ঝালমুড়ি খেয়ে কাটিয়ে দিয়েছেন।

    কলকাতা শহরের সঙ্গে তার সম্পর্কের আরও বড় একটা দিক হলো তিনি এখানকার জামাই। জয়া বচ্চনের সঙ্গে বিয়ে হওয়ার পর থেকে তাকে বাঙালিদের একজন হিসেবে মনে করা হয়। শহরের খাবার থেকে পোশাক, সবকিছুতেই তার বেশ দখল। এসব নিয়েই অমিতাভকে প্রশ্ন ছুড়ে দিলেন আমির খান।

    অমিতাভের জন্মদিন উপলক্ষ্যে কৌন বানেগা ক্রোড়পতি অনুষ্ঠানে এসেছিলেন আমির খান। সেখানে অমিতাভের প্রতি প্রশ্ন রেখে আমির খান বলেন, আপনি কলকাতায় যখন থাকতেন, সন্ধ্যায় কাজের পরে কী করতেন?

    ইন্ডাস্ট্রিতে অ্যাংরি ইয়াং ম্যান নামে পরিচিত অমিতাভের নারী ফ্যান ছিল অনেক। প্রশ্নটি শুনেই যেন অদ্ভুত আচরণ করতে শুরু করলেন তিনি। কেন? প্রশ্ন শুনেই তিনি বলেন… হ্যাঁ, হুম। কিন্তু তাকে উত্তর দিতে দেখা যায় নি। কিন্তু, এটুকু পরিষ্কার, তিনি মজার ছলেই সবটা করেছেন।

    অমিতাভের অনেক বড় ভক্ত আমির, সেখানে এর প্রমাণ পর্যন্ত দিয়েছেন তিনি। কীভাবে?

    অমিতাভকে তিনি প্রশ্ন করেন, আপনি আপনার বিয়ের তারিখ বলতে পারবেন? এ প্রশ্নে যথারীতি সঠিক জবাব দেন অমিতাভ। কিন্তু আমির থামার পাত্র নন। তিনি সোজা বলে বসেন, আমার কাছে প্রমাণ আছে, এই দেখুন আপনার বিয়ের কার্ড। এটুকু দেখেই যেন আঁতকে ওঠেন অমিতাভ। বেশ অবাক হয়ে যান তিনি। এরপর আমিরকে প্রশংসায় ভাসান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শ্বশুরের জন্মদিনে মেয়ের ছবি দিয়ে যা চেয়ে নিলেন ঐশ্বরিয়া

    শুভ জন্মদিন পা-দাদাজি— ঈশ্বর সর্বদা তোমার মঙ্গল করুন।’ সঙ্গে ফুলের তোড়া, কেক ও লাল হৃদয় আর ইভিল আইয়ের ইমোজি ব্যবহার করে এ কথা বললেন বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন।

    অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই দম্পতির মাঝে এ মুহূর্তি সম্পর্কে নাকি বইছে শীতল স্রোত। গত কয়েক মাস ধরে বিবাহবিচ্ছেদের জল্পনা চলছে সর্বত্র। সামাজিক অনুষ্ঠানে যোগ দিলেও একত্রে প্রবেশ করছেন না তারা। তবে কি পরিবারেই ভাঙন ধরে গেছে?— এসব প্রশ্নের কোনো জবাব দেননি অভিষেক বচ্চন কিংবা ঐশ্বরিয়া রাই। 

    কিন্তু মেয়ে আরাধ্যাকে নিয়ে ঐশ্বরিয়া রাই যে আর বচ্চনবাড়িতে থাকছেন না তা নিয়ে কোনো সংশয় নেই। অমিতাভ বচ্চন বা জয়া বচ্চনের তরফে কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।

    যদিও শ্বশুরমশাইয়ের জন্মদিনে সামাজিকমাধ্যমে শুভেচ্ছা জানাতে ভোলেননি সাবেক এ বিশ্বসুন্দরী। তবে এবার শুধু নাতনির সঙ্গে পুরোনো ছবি দিয়েই শুভেচ্ছাবার্তা দিয়েছেন তিনি। 

    সামাজিকমাধ্যম ইনস্টাগ্রামে গতকাল শুক্রবার (১১ অক্টোবর) তিনি লিখেছেন—শুভ জন্মদিন পা-দাদাজি, ঈশ্বর সর্বদা তোমার মঙ্গল করুন। সঙ্গে ফুলের তোড়া, কেক ও লাল হৃদয় আর ইভিল আইয়ের ইমোজি ব্যবহার করেছেন তিনি।

    গত বৃহস্পতিবার ৮২ বছরে পা দিলেন বলিউডের শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন। সেই উপলক্ষ্যে সামাজিকমাধ্যমে তাকে শুভেচ্ছা জানান ঐশ্বরিয়া। যদিও বয়ান থেকে স্পষ্ট এই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন পৌত্রী আরাধ্যাই। সঙ্গের ছবিতেও ছোটবেলার আরাধ্যাকে দেখা যাচ্ছে ঠাকুরদাকে জড়িয়ে ধরে গোলাপ উপহার দিতে।

    ইদানীং ঐশ্বর্যাকে আর সামাজিকমাধ্যমে দেখাই যায় না। এর আগে তিনি ইনস্টাগ্রামে শেষ পোস্ট করেছিলেন ২৮ মে। সেটি ছিল একটি চলচ্চিত্র উৎসবের লাল গালিচার প্রস্তুতির ছবি। তার আগে ২৪ মে, নিজের মায়ের জন্মদিনে আরাধ্যা ও পরিবারের অন্য সদস্যদের সঙ্গে ছবি ভাগ করেছিলেন। তাই অনুরাগী ভক্তরা মন্তব্য বাক্সে লিখেছেন— আমরা আপনাকেও দেখতে চাই। নিজেরা ছবিও আপলোড করুন দয়া করে। 

    আবার কেউ লিখেছেন—দয়া করে নিয়মিত সামাজিকমাধ্যমে আসুন, আমরা আপনাকে চাই।

    এই পোস্টে উঠে এসেছে বিবাহবিচ্ছেদের প্রশ্নও। এক অনুরাগী লিখেছেন—তবে যে কেউ কেউ বলছিল আপনাদের বিচ্ছেদ হয়ে গেছে, তারা এখন চুপ কেন? আবার এক অনুরাগী উল্টো সুরে লিখেছেন— আমি বুঝতেই পারি না, আপনি এত দুর্বল কেন? কেন অভিষেককে আনফলো করে নিজের মতো এগিয়ে যেতে পারছেন না?

    বিনোদন ডেস্ক

  • ৩৩ বছর পর হলেও কথা রেখেছেন অমিতাভ-রজনী

    একজন বলিউডের মেগাস্টার, আরেকজন দক্ষিণের। ভারতীয় সিনেমার ইতিহাসে সবচেয়ে বড় দুই সুপারস্টারও তারা। ক্যারিয়ারের শুরুতে একসঙ্গে কাজও করেছেন কয়েকটি হিট চলচ্চিত্রে। এরপর কাটে গেছে ৩৩ বছর আর একসঙ্গে পর্দায় ফেরা হয়নি এই কিংবদন্তি দুই অভিনেতাকে।

    তবে দীর্ঘ এ বিরতির পর জনপ্রিয় দুই তারকাকে পাওয়া গেল এক সিনেমায়। টি জে জ্ঞানভেল পরিচালিত ‘ভেটাইয়ান’ মুক্তি পেয়েছে গত বৃহস্পতিবার। পর্দায় দুই তারকার পুনর্মিলন ছাড়াও ভক্তদের জন্য ছিল আনন্দের আরও একটি উপলক্ষ, গতকাল শুক্রবার ছিল অমিতাভের ৮২তম জন্মদিন।

    রজনীকান্তের দিনকাল ভালো যাচ্ছিল না। গতানুগতিক বাণিজ্যিক সিনেমা করে তিনি অতি অনুমানযোগ্য হয়ে পড়েছিলেন।সেখান থেকে গত বছর নেলসন দীলিপকুমারের ‘জেলার’ দিয়ে নতুনভাবে শুরু হয় এই দক্ষিণি তারকার, ‘ভেটাইয়ান’-এ সে সিনেমার ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন। মুক্তির প্রথম দিন ছবিটি ৩০ কোটি রুপি আয় করেছে, যা রজনীকান্তের সিনেমা হিসেবে খুব বেশি নয়।

    এ ছবিতে রজনীকান্তসুলভ মসলা কিছুটা কম থাকায় ব্যবসা কম হয়েছে। এতে অনেক রজনীভক্ত হতাশ হলেও সমালোচকেরা খুশি। ৭৩ বছর বয়সে এসে নিজের ১৭০তম সিনেমায় এই তারকা নিজেকে যেভাবে ভাঙছেন, সেটার তারিফ করেছেন তারা।

    ‘ভেটাইয়ান’ পুলিশি তদন্ত ধরনের সিনেমা। এক শিক্ষিকা ধর্ষণের শিকার হয়। সেই ঘটনার তদন্ত শুরু করে এসপি আথিয়ান ওরফে আথি (রজনীকান্ত)। কিন্তু তদন্ত করতে গিয়ে এনকাউন্টারের সময় তার হাতে মারা যায় এক নিরপরাধ ব্যক্তি। ঘটনা মোড় নেয় ভিন্ন দিকে।

    এ সিনেমায় মূলত নির্মাতা টি জে জ্ঞানভেল পুলিশের বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড নিয়ে বার্তা দিতে চেয়েছেন। গত কয়েক মাসে ভারত আর জি কর মেডিকেলের ঘটনা নিয়ে উত্তপ্ত ছিল। সমালোচকেরা মনে করেন, বাস্তবঘেঁষা গল্প হওয়ায় ছবিটি তরুণ প্রজন্মও পছন্দ করবে।

    রজনীর সামনে অস্ত্র, শত শত লড়াকু কিছুই যথেষ্ট নয়—এ ধারণা থেকে বেরিয়ে এসে তাকে সিনেমার একটি চরিত্র হিসেবে তুলে ধরেছেন নির্মাতা। অযৌক্তিক অ্যাকশনের চেয়ে তিনি বরং জোর দিয়েছেন চিত্রনাট্যে, যার প্রশংসা করেছেন আরেক জনপ্রিয় তামিল নির্মাতা কার্তিক শুভরাজ।

    রজনীকান্ত, অমিতাভ বচ্চন ছাড়াও এ ছবিতে নির্মাতা কার্যত তারকার সমাবেশ ঘটিয়েছেন। আছেন ফাহাদ ফাসিল, রান্না দুগ্গাবতি, মঞ্জু ওয়ারিয়রের মতো তারকারা। তবে ভালো চিত্রনাট্য, ব্যতিক্রমী রজনীকান্ত থাকার পরও ‘ভেটাইয়ান’ অসাধারণ ছবি না হয়ে ওঠার কারণও এটি। এত বড় বড় তারকা থাকলেও সবার চরিত্র ঠিকঠাক লেখা হয়নি। এর ফলে নিজেদের সেরাটা দিতে পারেননি তারা।

    সমালোচকেরা বলছেন, তিন দশকের বেশি সময় পর রজনীকান্ত ও অমিতাভের পর্দায় উপস্থিতি আরও স্মরণীয় হতে পারত। তবে অল্প সময় পর্দায় থেকেও ঠিকই নিজের ছাপ রেখেছেন ‘বিগ বি’।

    তবে এসব সমালোচনা থাকলেও বক্স অফিস বিশ্লেষকদের ধারণা, ৩০০ কোটি রুপি বাজেটের ‘ভেটাইয়ান’ হেসেখেলে লাভের মুখ দেখবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গোপনে বিয়ে করেছিলেন জয়া-অমিতাভ

    বলিউড শাহেনশাহ অমিতাভ বচ্চন ও অভিনেত্রী জয়া ভাদুড়ি কয়েক বছর সম্পর্কে ছিলেন। সেই সময় জনপ্রিয় অভিনেত্রী ছিলেন জয়া ভাদুড়ি। অমিতাভ বচ্চনের চেয়ে বড় তারকা ছিলেন তিনি। যদিও পরে ‘জাঞ্জির’-এর সাফল্যের পর ইন্ডাস্ট্রিতে বিগবি নিজের অবস্থান শক্ত করেন। এরপর প্রেমে জড়িয়ে বিয়ে করে ফেলেন তারা। পরে ১৯৭৩ সালে গোপনে বিয়ে করেন অমিতাভ ও জয়া ভাদুড়ি।

    এ দম্পতির বিয়ের পর সমালোচকরা অমিতাভ বচ্চনকে নানাভাবে হেয়প্রতিপন্ন করেন। চারদিকে থেকে সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি। এ সময় জয়া ভাদুড়ির বাবা নিজেই একটি খবরের মাধ্যমে বিয়ে নিয়ে তার প্রতিক্রিয়া জানান। জয়া বচ্চনের বাবা তরুণ কুমার ভাদুড়ি ছিলেন একজন সাংবাদিক ও লেখক। তিনি বলেছিলেন—হঠাৎ করেই অমিতাভ বচ্চনকে বিয়ে করার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন জয়া। 

    নিউজ ১৮-এর প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, জয়ার বাবা তরুণ কুমার ভাদুড়ি ১৯৮৯ সালে ‘ইলাস্ট্রেটেড উইকলি অব ইন্ডিয়া’-তে একটি খবর লিখেছিলেন— কিছু বাজে লোক আছে, যারা বলে— অমিতাভ জয়াকে বিয়ে করেছেন কারণ তিনি একজন বড় তারকা ছিলেন, যা একদমই ভুল। তিনি ‘জঞ্জির’-র সাফল্যের জন্য অপেক্ষা করেছিলেন। তবে এটি না হলেও জয়া তাকে বিয়ে করতেন— আমি নিশ্চিত।

    তিনি আরও বলেন, আমার মেয়ে খুব শক্তিশালী প্রকৃতির একজন মানুষ। নিজের সিদ্ধান্ত নিতে পারতেন। বিয়ের সময় অমিতাভ জয়ার মাকে ফোন করেছিলেন। মুম্বাইতে গিয়ে তাদের বিয়েতে অংশগ্রহণের অনুরোধ করেছিলেন। 

    জয়া বচ্চনের বাবা আরও লিখেছেন— ‘গোপন বিয়ের প্রস্তুতির জন্য আমরা পরের দিন ৩ জুন ১৯৭৫-এ মুম্বাই পৌঁছেছিলাম। পুরো বিষয়টি কীভাবে গোপন রাখা হয়েছিল তা এখন আর বলার দরকার নেই। মালাবার হিলে আমাদের পরিবারের এক বন্ধুর বাড়িতে বিয়ে হয়েছিল।

    এ সময় জয়া বচ্চনের মা তার মেয়েকে বাঙালি রীতি অনুযায়ী বিয়ে দিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু সেই সময় মুম্বাইয়ে এত দ্রুত একজন বাঙালি পুরোহিত খুঁজে পাওয়া কঠিন ছিল। 

    জয়ার বাবা লিখেছেন— বাঙালি বিয়ে দীর্ঘ। তবে খুব আকর্ষণীয়। বহুকষ্টে পাওয়া বাঙালি পুরোহিত প্রথমে বাঙালি ব্রাহ্মণ জয়াকে অব্রাহ্মণ অমিতাভের বিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব নিতে রাজি ছিল না। অনেক চেষ্টার পর বিষয়টি মিটে যায়। স্পষ্টতই পুরোহিত চাননি তাদের বিয়ে হোক। তিনি তার প্রতিবাদ নথিভুক্ত করেন। 

    জয়ার বাবা তরুণ কুমার ভাদুড়ি আরও লিখেছেন— অমিতাভ বচ্চন কাউকে আঘাত না করেই সব রীতিনীতি গ্রহণ করেছিলেন। পর দিন সকাল পর্যন্ত চলল বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা। 

    কিন্তু জয়ার সঙ্গে অমিতাভের বিয়ের বিপক্ষে ছিলেন— জয়ার বাবা এই গুজব অস্বীকার করে লিখেছেন— আমাকে একটি কারণ বলুন? কেন আমি এবং আমার স্ত্রী— জয়া ও অমিতাভের সম্পর্কের বিরুদ্ধে থাকব? অমিতাভ খুব আদরের ছেলে। চলচ্চিত্রে আসার জন্য তাকে অনেক কষ্ট করতে হয়েছে। প্রাথমিক ব্যর্থতায় তিনি বিচলিত হননি।

    বিনোদন ডেস্ক