রাহাত ফতেহ আলীর মুখে বাংলা গান, নেপথ্যে ভূমিকা কার?

Written by

in

‘স্পিরিটস অব জুলাই’ প্ল্যাটফর্মে আর্মি স্টেডিয়ামে ‘ইকোস অব রেভল্যুশন’ কনসার্টে রোববার প্রথম দিন গান করেন পাকিস্তানি সংগীতশিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খান। দ্বিতীয় দিনের মতো ঢাকার মিরপুর স্টেডিয়ামে বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগ (বিপিএল) মঞ্চে সোমবার সন্ধ্যায় গেয়েছেন তিনি। তার কণ্ঠে ‘ভালোবাসা আমার পর হয়েছে’ শিরোনামের বাংলা গানটি শুনে স্টেডিয়ামের আগত দর্শক–শ্রোতারা অবাক হয়ে যান। বাংলা গানটি গাওয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন উপমহাদেশের সংগীতের কিংবদন্তি শিল্পী রুনা লায়লা। তিনি মূলত গানটির সুরে করেছেন। 

রাত ৯টায় মঞ্চে উঠে চিরচেনারূপে পাকিস্তানি এই সংগীতশিল্পী বলেন, ‘ভালোবাসা বাংলাদেশ। প্রথমবার বিপিএলে গাইতে পেরে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। বিপিএলের সব দলের জন্য আমার পক্ষ থেকে শুভকামনা।’ 

‘আল্লাহ হু’ গান দিয়ে তার গান শুরু হয়।  পরে গেয়েছেন ‘সানু এক পাল চেইন’ ও ‘খুদা অর মহব্বত’। শেষে তিনি বাংলায় গান গাইতে চান।  রাহাত বলেন, ‘এবার আমি বাংলাদেশের গান গাইব। দুই দেশের জনপ্রিয় শিল্পী রুনা লায়লার সুরে কবির বকুলের লেখা ‘ভালোবাসা আমার পর হয়েছে’ গানটি শোনাব।  তার এই ঘোষণা শুনেই স্টেডিয়ামে আগত দর্শক–শ্রোতারা করতালি দিয়ে তাকে অভিবাদন জানান।

গান শেষে রুনা লায়লা সম্পর্কে রাহাত ফতেহ আলী খান তার অনুভূতি প্রকাশ করেন। তিনি বলেন, ‘রুনা লায়লাজি হচ্ছেন অসাধারণ একজন কিংবদন্তি। বাংলাদেশ এবং পাকিস্তান—দুই দেশে তার তুমুল জনপ্রিয়তা আছে। আমি তাকে খুব সম্মান করি, শ্রদ্ধা করি। তিনি আমাদের অগ্রজ। আমি রুনা লায়লাজির সুরে একটি বাংলা গান গেয়েছি, রাজা কাশিফের সংগীতায়োজনে। আর বাংলা যে উচ্চারণ তা রুনা লায়লাজি আমাকে শিখিয়েছেন। ঠিক করে দিয়েছেন। এসব আমার জীবনের সুন্দর অনুভূতি।’ তিনি আরও বলেন, ‘রুনা লায়লাজির মতো একজন কিংবদন্তির সঙ্গে কাজ করতে পেরে আমি গর্ববোধ করছি।

বিনোদন ডেস্ক

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *