পরকীয়া করে বন্ধুর স্ত্রীকে বিয়ে, সমালোচনার জবাব দিলেন পরমব্রত

Written by

in

টালিউড অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয় দক্ষতার কারণে বেশ জনপ্রিয়। প্রায় সময়ই ভক্ত-অনুরাগীদের ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি। কিন্তু মাঝে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নেটিজেনদের থেকে বেশ কটূক্তি ও নেতিবাচক কথার শিকার হতে হয়েছিল এই অভিনেতাকে।  মূলত সংগীতশিল্পী ও বন্ধু অনুপম রায়ের প্রাক্তন স্ত্রী পিয়া চক্রবর্তীকে বিয়ে করার পরই নেটদুনিয়ায় চরম কটূক্তি ও উপহাসের মুখে পড়েন পরমব্রত। 

বন্ধুর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়াসহ হাজারো কটু কথা শুনেও দীর্ঘদিন মুখে কুলুপ এঁটেই ছিলেন। অবশেষে সেই সময়ের তিক্ত অভিজ্ঞতা ও সমালোচনার জবাব দিতে এবার মুখ খুললেন পরমব্রত।  সম্প্রতি এক পডকাস্টে উপস্থিত হয়ে এই অভিনেতা জানান, বিয়ের সময় তাকে ও তার স্ত্রীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে ধরনের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়েছে তা মোকাবিলায় নিজের চামড়াকে তিনি গণ্ডারের চামড়ায় পরিণত করেছেন। 

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

অনলাইনে নেটিজেনদের থেকে তীর্যক মন্তব্য ও ক্রমাগত ট্রলের কারণে মানসিকভাবে কতটা বিপর্যস্ত ছিলেন উল্লেখ করে অভিনেতা বলেন, ‘বিয়ের পর দেখলাম, একটা বীভৎস কাণ্ড শুরু হলো! ওই সব আমার ওপর প্রভাব ফেলেছিল, মোটামুটি ৪-৫ দিনের জন্য। মানুষ যে ধরনের কথা লেখে বা লিখতে পারে… আমি সেই ন্যায়বোধ বা নীতিবোধের মধ্যে দিয়ে বড় হইনি। ফলে সাংঘাতিক ধাক্কা লেগেছিল।’ 

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে পরমব্রত বলেন, ‘এখানে নেমেছে মানুষ? এতটা? কিন্তু নেমেছে, আমি কী করব? আমার কিছু করার নেই। তখন থেকেই গণ্ডারের চামড়া তৈরি করি। আমি ব্যক্তিগতভাবে কী মনে করি, অর্থাৎ সমাজ বা রাজনীতি নিয়ে আমার কী ধারণা তা শেয়ার করে কাজ নেই। কারণ আমি কোনো দেশ বদলাতে যাচ্ছি না। আর যদি তা নিয়ে লিখি, তাহলে কমেন্ট অফ করে দেব আর দেখবই না।’ 

পরমব্রত চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে পরিচিত সংগীতশিল্পী অনুপম রায় ২০১৫ সালে পিয়া চক্রবর্তীকে বিয়ে করেন। ছয় বছর পর দুজনের বিচ্ছেদ হলে পরমব্রতের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে পিয়ার। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের নভেম্বর নাগাদ নতুন করে পরমব্রতকে বিয়ে করেন পিয়া চক্রবর্তী।  পিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অনুপমও গায়িকা প্রশ্মিতা পালকে বিয়ে করে নতুন সংসার বেধেছেন। 

বিনোদন ডেস্ক

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *