Tag: পরকীয়া

  • কম বয়সি নায়িকার সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত গোবিন্দ, ‘সুগার ড্যাডি’ বলে আখ্যা স্ত্রীর

    এক সময়ের বলিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা গোবিন্দ এখন ইন্ডাস্ট্রি থেকে অনেকটাই দূরে। তবে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেন মাঝে আলোচনায় আছেন তিনি। সম্প্রতি নতুন করে চাউর হয়েছেন পরকীয়া নিয়ে। অভিনেত্রী কোমল রানি স্বর্ণকারের সঙ্গে নাকি নাম জড়িয়েছে অভিনেতার। আবার শোনা যায়, স্বামী গোবিন্দকে ‘সুগার ড্যাডি’ বলেও খোঁচা দিয়েছেন স্ত্রী সুনীতা আহুজা। এ ঘটনায় যখন বড়িপাড়া তোলপাড়, ঠিক তখনই অভিনেতার পক্ষে প্রকাশ্যে সাফাই গাইলেন বলিউডের একসময়ের অভিনেত্রী সোমি আলী। 

    কম বয়সি সহশিল্পীর সঙ্গে অভিনয় করা প্রসঙ্গে অভিনেত্রী বলেন, ‘কম বয়সি নায়িকার সঙ্গে জুটি বাঁধায় গোবিন্দর তো কোনো দোষ নেই। চিচি (গোবিন্দ) ও সুনীতা— উভয়ের প্রতিই আমি শ্রদ্ধাশীল। তিনি বলেন, তবে কম বয়সি অভিনেত্রীর সঙ্গে কোনো অভিনেতার কাজ করার সিদ্ধান্তকে বয়সের মাপকাঠিতে ফেলে বিচার করা ঠিক নয়। কারণ প্রতিভার কোনো এক্সপায়ারি ডেট হয় না।

    এর আগে বিমানবন্দরে অভিনেত্রী কোমল রানির সঙ্গে ক্যামেরাবন্দি হন বর্ষীয়ান অভিনেতা গোবিন্দ। এর পরপরই সামাজিক মাধ্যমে তাদের প্রেমের চর্চা জোরালো হয়। এই বিতর্কের মাঝেই পরোক্ষ খোঁচা দিয়ে গোবিন্দপত্নী বলেন, গোবিন্দর মতো একজন ধনী ‘সুগার ড্যাডি’ আছেন, ভালো পোশাক পরুন। 

    সুনীতা আহুজার এমন বক্তব্যের পর বলিপাড়ায় নতুন করে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে তৈরি হয়েছে নানা আলোচনা-সমালোচনা। তবে স্ত্রী ও নেটিজেনদের সমালোচনার পর গোবিন্দর পাশে দাঁড়ান সোমি আলী। গোবিন্দর সঙ্গে তোলা পুরোনো কিছু ছবি সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশ করেন অভিনেত্রী। 

    সেই পোস্টে তিনি লিখেছেন— আমি ইচ্ছাকৃতভাবেই সোশ্যাল মিডিয়ায় কথাগুলো তুলে ধরলাম। কারণ অন্য কেউ হয়তো এ কথাগুলো বলবে না। গোবিন্দকে আমি ব্যক্তিগত ও পেশাগত— দুভাবেই চিনি। তাই দুদিক বিচার করেই তার সম্পর্কে বলতে পারি। গোবিন্দ হিন্দি সিনেদুনিয়ার অন্যতম সেরা প্রতিভা। এ ইন্ডাস্ট্রিতে থাকাকালীন যাদের সঙ্গে পরিচয় হয়েছে, তাদের মধ্যে অন্যতম বিনয়ী অভিনেতা গোবিন্দ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তারকাদের কারণে কি পরকীয়া স্বাভাবিক হয়ে উঠছে? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা

    যেকোনো সম্পর্কের দুটি মূল ভিত্তি হলো বিশ্বাস ও সম্মান। কিন্তু প্রতারণা হলো সেই উইপোকা, যা সম্পর্কের ভিত্তিকে ভেতর থেকে ফাঁপা করে দেয় এবং একপর্যায়ে তা ভেঙে পড়ে। বর্তমান যুগে পরকীয়াকে বিবাহবিচ্ছেদের অন্যতম কারণ হিসেবে ধরা হলেও তারকারা যেন বিষয়টিকে ধীরে ধীরে স্বাভাবিক করে তুলছেন।

    সম্প্রতি বলিউড অভিনেতা রাম কাপুর বলেছেন, সম্পর্কের কঠিন সময়ে একজন মানুষ ‘ভুল করে’ সঙ্গীর সঙ্গে প্রতারণা করে বসতে পারে। এর আগে ‘টু মাচ’ অনুষ্ঠানে টুইংকেল খান্না ও কাজলের সঙ্গে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক নিয়ে আলোচনার সময় সঞ্চালক বলেছিলেন, ‘রাত গায়ি, বাত গায়ি’ (রাত পোহালেই কথা শেষ)। অনলাইনে এ মন্তব্যের তীব্র সমালোচনা হয়েছিল।

    দশকের পর দশক ধরে তারকাদের প্রেমের গুঞ্জন ট্যাবলয়েডগুলোর খোরাক জুগিয়ে আসছে। কিন্তু কেউ খেয়ালই করেনি যে, এ বিষয়গুলো ধীরে ধীরে পরকীয়া বা প্রতারণার প্রতি সাধারণ মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দিচ্ছে।

    প্রতারণা বা পরকীয়া আসলে কী

    প্রতারণা বা পরকীয়ার বিষয়টি পুরোপুরি সাদা-কালো (স্পষ্ট) নয়। এর সংজ্ঞা একেকজনের কাছে একেক রকম হতে পারে।

    ভারতের এশিয়ান হাসপাতালের কনসালট্যান্ট-ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট ডা. দীপিকা শর্মা বলেন, ‘প্রতারণা বলতে মূলত সম্পর্কের পারস্পরিক নির্ধারিত সীমানা লঙ্ঘন করাকে বোঝায়, যা বিশ্বাসের অমর্যাদা করে। শারীরিক ঘনিষ্ঠতা ছাড়াও পরকীয়া বিভিন্ন রূপ নিতে পারে। যেমন—আবেগের সম্পর্ক, গোপনে রোমান্টিক কথোপকথন, ডেটিং অ্যাপ ব্যবহারের কথা লুকিয়ে রাখা, অনলাইনে ঘনিষ্ঠ সম্পর্কে জড়ানো বা এমন কোনো মেলামেশা গোপন করা, যা সঙ্গীর জানার কথা।’

    ‘অ্যান্ডউইমেট’-এর প্রতিষ্ঠাতা শালিনী সিং জানান, প্রতারণা কেবল শারীরিক ঘনিষ্ঠতার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। তিনি বলেন, ‘মূলত প্রতারণা নির্দিষ্ট কোনো কাজের চেয়েও দুজন মানুষের পারস্পরিক বিশ্বাস ও প্রত্যাশা ভেঙে দেওয়ার সঙ্গে বেশি সম্পর্কিত।’

    প্রতারণা কি আগের চেয়ে বেশি সাধারণ বা গ্রহণযোগ্য হয়ে উঠেছে?

    কোনো বিষয় যদি বারবার চোখের সামনে আসে, তবে এর প্রভাব কমতে থাকে এবং মানুষ বিষয়টির প্রতি সংবেদনশীলতা হারিয়ে ফেলে। প্রতারণার ক্ষেত্রেও এমনটাই ঘটছে। তারকাদের পরকীয়া নিয়ে মজা করা, উপহাস করা বা এমনকি এর পক্ষে যুক্তি দাঁড় করানো মানুষের দৃষ্টিভঙ্গিকে নীরবে প্রভাবিত করছে।

    গেটওয়ে অব হিলিং-এর প্রতিষ্ঠাতা, পরিচালক ও সাইকোথেরাপিস্ট ডা. চাঁদনি তুগনাইত বলেন, ‘তারকাদের বিভিন্ন মন্তব্য এবং হাই-প্রোফাইল পরকীয়ার খবর সমাজে কী স্বাভাবিক ও গ্রহণযোগ্য, সে সম্পর্কে মানুষের ধারণাকে প্রভাবিত করে। যখন জনপ্রিয় কোনো ব্যক্তি বলেন যে পরকীয়া কেবল একটি ভুল ছিল, তখন ধীরে ধীরে এটিকে আরও বেশি গ্রহণযোগ্য হিসেবে দেখা শুরু হতে পারে।’

    এ প্রতিক্রিয়া শুধু প্রতারণার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না, এটি কীভাবে গ্রহণ করা হচ্ছে তার ওপরও নির্ভর করে। এই সাইকোথেরাপিস্ট আরও বলেন, ‘তারকাদের আপস করে নেওয়া বা ক্ষমা করার বিষয়টির সঙ্গে সাধারণ মানুষের প্রত্যাশার সরাসরি কোনো যোগসূত্র নিয়ে আনুষ্ঠানিক গবেষণা নেই। তবে এই প্রবণতা অস্বীকার করার উপায় নেই। যখন একজন নারী তার প্রতারক সঙ্গীকে প্রকাশ্যে ক্ষমা করে দেন, তখন তার মহানুভবতার প্রশংসা করা হয়। কিন্তু একই পরিস্থিতিতে একজন পুরুষ যখন ক্ষোভ প্রকাশ করেন, তখন সেটাকে সম্পূর্ণ স্বাভাবিক হিসেবে ধরে নেওয়া হয়।’

    খ্যাতি কি তারকাদের বাড়তি সুবিধা দেয়?

    যখন কোনো তারকার বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের গুঞ্জন ছড়ায়, তখন মানুষ প্রায়ই পক্ষ নেয়। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের ব্যবহারকারীরা অনেক সময় পুরো ঘটনা না জেনেই প্রতারণাকে বৈধতা দেওয়ার চেষ্টা করেন। অনেক কট্টর ভক্তের কাছে তারকার ব্যক্তিগত ও পেশাগত জীবন আলাদা।

    ডা. শর্মা জানান, ‘নিঃসন্দেহে তারকাদের প্রায়ই সাধারণ মানুষের চেয়ে আলাদা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। যখন খ্যাতি, ক্ষমতা, অর্থ বা প্রতিভাধর কোনো ব্যক্তি তার স্বামী বা স্ত্রীর সঙ্গে প্রতারণার মতো ক্ষতিকর আচরণ করেন, তখন তাদের মর্যাদার কারণে সেই আচরণ অনেক সময় বেশি গ্রহণযোগ্য বলে মনে হতে পারে।’

    ডা. তুগনাইত মনে করেন, যখন কেউ যথেষ্ট বিখ্যাত হন, তখন তার আচরণ বিশ্লেষণের চেয়ে সাফাই গাওয়া হয় বেশি। তিনি বলেন, পরকীয়া পরিণত হয় সম্পর্কের ‘কঠিন সময়ে’, বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক হয়ে যায় ‘জটিল পরিস্থিতি’। আর সাধারণ মানুষের জন্য যে নিয়ম প্রযোজ্য, তা নিঃশব্দে তাদের জন্য অকার্যকর হয়ে যায়।

    আগুনে ঘি ঢালে সংবাদমাধ্যমের খবর। যখন কোনো ঘটনা বিক্রির জন্য রসালো গালগল্প হিসেবে প্রচার করা হয়, তখন এর আসল মানসিক পরিণতিগুলো ঢাকা পড়ে যায়। বিশ্বাসভঙ্গ, শোক ও মানসিক আঘাত প্রায়ই এই কোলাহলে হারিয়ে যায়।

    শালিনী সিং বলেন, ‘পিআর (জনসংযোগ) ন্যারেটিভ, গণমাধ্যমের খবর এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম—সবকিছুই কোনো ঘটনা কীভাবে মানুষের কাছে পৌঁছাবে, তা প্রভাবিত করে। ভক্তদের মনে রাখা উচিত, তারা কেবল ঘটনার একটি সাজানো অংশ দেখছেন। পুরো পরিস্থিতি না জেনে কাউকে সমর্থন বা নিন্দা করতে তাড়াহুড়ো করা উচিত নয়।’

    বর্তমান যুগের যুগলেরা প্রতারণাকে কীভাবে দেখেন

    বিবাহবহির্ভূত সম্পর্ক বা পরকীয়া নতুন কোনো ধারণা নয়। সমাজে এর অস্তিত্ব বরাবরই ছিল। শালিনী সিং বলেন, ‘গত ১০ থেকে ২০ বছরে প্রতারণার বিষয়টি আরও বেশি দৃশ্যমান হয়ে উঠেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মেসেজিং অ্যাপ এবং ২৪ ঘণ্টার সংবাদপ্রবাহের কারণে প্রতারণা নিয়ে এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি খোলামেলা আলোচনা হচ্ছে।’

    ডা. তুগনাইত মনে করেন, বিশ্বাসভঙ্গের কারণে মানুষ এখনো আগের মতোই গভীর কষ্ট পায়, তবে এর ধরন ও কাঠামো বদলে গেছে। তিনি বলেন, ‘প্রতারণা বলতে আসলে কী বোঝায়, তা নিয়ে এখন অনেক বেশি আলোচনা হয়। আর এ অস্পষ্টতার বড় একটি অংশ মানুষ অনলাইন ও তারকা সংস্কৃতি থেকে সরাসরি গ্রহণ করছে।’

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমগুলোতে প্রতারণা নিয়ে বিতর্ক অব্যাহত থাকলেও সম্পর্ক, তারকা সংস্কৃতি এবং ব্যক্তিগত সীমারেখা নিয়ে মানুষের এ পরিবর্তিত দৃষ্টিভঙ্গি বিষয়টিকে নতুন করে সংজ্ঞায়িত করছে।

    অনলাইন ডেস্ক

  • ‘ওম পুরি আমার বোনের জীবন ধ্বংস করেছেন’

    বলিউডের প্রবীণ অভিনেতা আন্নু কাপুর সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে প্রয়াত অভিনেতা ওম পুরির সঙ্গে তার জটিল সম্পর্কের বিষয়ে মুখ খুলেছেন। ওম পুরিকে একজন অসাধারণ অভিনেতা হিসেবে শ্রদ্ধা করলেও ব্যক্তিগত জীবনে নিজের বোনের প্রতি তার অসদাচরণের জন্য তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন তিনি।

    প্রসঙ্গত, আন্নু কাপুরের বোন সীমা কাপুরের সঙ্গে ওম পুরির বিয়ে হয়েছিল। কিন্তু বিয়ের মাত্র কয়েক মাসের মাথায় তা ভেঙে যায়। সম্প্রতি সিদ্ধার্থ কানানের সঙ্গে আলাপকালে আন্নু কাপুর সেই তিক্ত স্মৃতিই রোমন্থন করেন। 

    আন্নু কাপুর বলেন, ‘ওম পুরি ছিলেন একজন কিংবদন্তি অভিনেতা, তার মতো গুণী শিল্পী খুব কমই আছেন। কিন্তু অভিনেতা আর মানুষ তো আলাদা। তিনি যখন কারো স্বামী হলেন, তখন তিনি একজন নারীর সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করলেন। আর আমি সেই নারীর ভাই।’

    তিনি আরও জানান যে, জীবনের শেষ সময়ে যখন ওম পুরি শারীরিকভাবে অত্যন্ত দুর্বল হয়ে পড়েছিলেন, তখন তার প্রথম স্ত্রী সীমা কাপুরই তার সেবা করেছিলেন। 

    আন্নু কাপুরের ভাষায়, ‘সেদিন সীমা পাশে না থাকলে ওম পুরি আরও ১০ বছর আগেই চলে যেতেন। যখন তার শরীর ভেঙে পড়ল, তখন তিনি ফিরে এলেন। এ কারণে আমি আমার বোনের ওপরও অনেক রাগ করেছিলাম।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গত বছর সীমা কাপুরও এক সাক্ষাৎকারে সেই যন্ত্রণার কথা জানিয়েছিলেন। তিনি জানান, বিয়ের পর সব ঠিকই চলছিল, কিন্তু ‘সিটি অব জয়’ সিনেমার কাজ করার সময় সাংবাদিক নন্দিতা পুরির সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন ওম পুরি। 

    সীমা তখন তিন মাসের অন্তঃসত্ত্বা ছিলেন। তিনি বলেন, ‘পুরি সাহেব মদ্যপান করে মাতাল হতেন এবং নন্দিতা ঝামেলা তৈরি করত। এক রাতে অসহ্য হয়ে আমি ঘর ছাড়ার সিদ্ধান্ত নিই।’ 

    তিনি আরও জানান, তাদের সন্তান মারা যাওয়ার পর ওম পুরি তাকে সান্ত্বনা দেওয়ার বদলে তার সেক্রেটারির মাধ্যমে ২৫ হাজার টাকা পাঠিয়েছিলেন, যা সীমা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করেন। 

    আন্নু কাপুর জানান, ওম পুরি তাকে ভয় পেতেন কারণ তিনি সবসময় সোজাসাপ্টা কথা বলেন। তবে এখন তার সেই ক্ষোভ কিছুটা প্রশমিত হয়েছে। আন্নু বলেন, ‘আজ ওম পুরি সাহেব নেই, তার ছেলে আছে। আমি আজও তার ছেলে এবং সাবেক স্ত্রী নন্দিতার মঙ্গলের জন্য প্রার্থনা করি। কারো প্রতি আমার বিদ্বেষ নেই, কিন্তু আফসোস এটাই যে আমার বোন সীমার জীবনটা নষ্ট হয়ে গেল। আজও তার কোনো অবলম্বন নেই।’

    উল্লেখ্য, ১৯৯৩ সালে ওম পুরি নন্দিতা পুরিকে বিয়ে করেন এবং ২০১৭ সালে তার মৃত্যু হয়। মৃত্যুর আগে তিনি সীমার কাছে নিজের ভুলের জন্য ক্ষমা চেয়েছিলেন বলে জানা যায়। 

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরকীয়া নিয়ে স্বামীর পর এবার মুখ খুললেন মৌসুমী হামিদ

    পরকীয়ার অভিযোগ ঘিরে দাম্পত্য ভাঙনের পর এবার নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ। বছর দুয়েক আগে লেখক-নাট্যকার আবু সাইয়িদ রানার সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেও শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদের পথে হাঁটতে হয়েছে তাদের।

    সংসার ভাঙার খবর গণমাধ্যমকে নিজেই নিশ্চিত করেন মৌসুমী। শুরুতে বিষয়টি নিয়ে নীরব থাকলেও পরে মুখ খুলে জানান, বিয়ের আট মাসের মাথায় স্বামীর প্রতারণা প্রথম ধরা পড়ে তার কাছে।

    অভিনেত্রীর কথায়, ‘বিয়ের আট মাসের মাথায় প্রথম প্রতারণা করে। এরপর আরও কয়েকবার রানার প্রতারণা ধরা পড়ে। সংসারের কথা ভেবে আমি ওসব এড়িয়ে যাই। কিন্তু এবারের বিষয়টা বেশ সিরিয়াস, প্রমাণসহ ধরা পড়েছে। তাই এবার আর আমার পক্ষে মানা সম্ভব ছিল না। আমার মনে হয়েছে, যথেষ্ট। আর নয়। এর চেয়ে বরং আলাদা থাকাই ভালো।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অন্যদিকে নিজের বিরুদ্ধে ওঠা পরকীয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন রানা। তিনি জানান, ‘মাস চারেক ধরে আমরা আলাদা থাকছি। একসঙ্গে থাকতে পারছি না, তাই আলাদা থাকা। এর বাইরে আপাতত এ বিষয়ে কিছুই বলতে চাইছি না।’

    ২০২৪ সালের ১২ জানুয়ারি পারিবারিকভাবে বিয়ে করেন রানা ও মৌসুমী। সে সময় মৌসুমী জানিয়েছিলেন, দুই বছরের পরিচয়ের পর দুই পরিবারের সম্মতিতেই তাদের বিয়ের সিদ্ধান্ত হয়।

    বিনোদন অঙ্গনে মৌসুমী হামিদ-এর যাত্রা শুরু ‘লাক্স সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতার মাধ্যমে। এরপর ছোটপর্দায় নিয়মিত কাজ করে জনপ্রিয়তা পান। পাশাপাশি চলচ্চিত্র ও ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও কাজ করে প্রশংসা অর্জন করেছেন এই অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজয়ের সঙ্গে পরকীয়ার গুঞ্জন, এড়িয়ে গেলেন তৃষা

    কিছু দিন আগে থালাপতি বিজয়ের বিরুদ্ধে আইনি বিচ্ছেদের আবেদন করেন তার স্ত্রী সংগীতা সোরনালিঙ্গম। তার পর থেকেই গুঞ্জন, দক্ষিণী অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের সঙ্গে ‘পরকীয়ার’ জেরেই হয়তো বিচ্ছেদের পথে হাঁটছেন বিজয়পত্মী।

    তার ওপর সাম্প্রতিক এক বিয়ের অনুষ্ঠানে বিজয়-তৃষার একসঙ্গে উপস্থিত হওয়া নিয়ে ভক্ত ও সংবাদমাধ্যমের কৌতুহল এখন তুঙ্গে। তবে এ প্রসঙ্গে অভিনেত্রীকে সরাসরি প্রশ্ন করা হলেও কোনো মন্তব্য করেননি তিনি।

    সম্প্রতি চেন্নাই বিমানবন্দরে দেখা যায় অভিনেত্রী তৃষাকে। পরনে ছিল সাদা টি-শার্ট, কালো প্যান্ট এবং ডেনিম জ্যাকেট, চোখে সানগ্লাস। তৃষা যখন বিমানবন্দরের ভেতরে যাচ্ছিলেন, সংবাদকর্মীরা তাকে ঘিরে ধরেন।

    সেখানে উপস্থিত সাংবাদিকরা সরাসরি অভিনেতা বিজয়ের সঙ্গে তার সম্পর্কের গুঞ্জন এবং সম্প্রতি তাদের একসঙ্গে দেখা যাওয়া নিয়ে প্রশ্ন করেন। তবে অত্যন্ত ধীরস্থিরভাবে এবং কোনো উত্তর না দিয়েই দ্রুত সেখান থেকে চলে যান তিনি। পিটিআই-এর শেয়ার করা সেই ভিডিওটি এখন সামাজিক মাধ্যমে বেশ ভাইরাল।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    চলতি মাসের শুরুর দিকে চেন্নাইয়ে কালপাথি সুরেশের ছেলের বিবাহোত্তর সংবর্ধনায় বিজয় এবং তৃষাকে একসঙ্গে দেখা যায়। দুজনেই সোনালী ও ক্রিম রঙের ম্যাচিং পোশাকে হাজির হয়েছিলেন। সেই অনুষ্ঠানের ছবি ও ভিডিও সামনে আসতেই গুঞ্জনের আগুনে ঘি ঢালার মতো অবস্থা হয়।

    এই গুঞ্জন আরও জোরালো হয়েছে বিজয়ের স্ত্রী সংগীতা সোরনালিঙ্গম বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করায়। আবেদনের কারণ হিসেবে তিনি ‘পরকীয়া’র ইঙ্গিত দিয়েছেন বলে বিভিন্ন গণমাধ্যমে খবর চাউর হয়েছে। যদিও সেই অভিনেত্রীর নাম সেখানে উল্লেখ করা হয়নি।

    বিজয় ও তৃষার এই সম্পর্ক নিয়ে ইন্ডাস্ট্রির ভেতরেও চলছে নানা আলোচনা। পরিচালক আর পার্থিবন থেকে শুরু করে বিজয়ের দেহরক্ষী—অনেকেই এ বিষয়ে মন্তব্য করেছেন। তবে বিজয়ের ঘনিষ্ঠ বন্ধু শ্রীমান একটি তত্ত্বে সমর্থন দিয়ে জানিয়েছেন, বিজয় এবং তৃষা কেবলই ভালো বন্ধু হতে পারেন।  

    সূত্র: বলিউড বাবল

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরকীয়ার গুঞ্জন যেন উস্কে দিলেন বিজয়!

    সংসার ভাঙতে চলেছে তামিল সুপারস্টার থালাপতি বিজয়ের। এ অভিনেতার সঙ্গে দীর্ঘ ২৭ বছরের সংসার জীবনে বিচ্ছেদ টানতে গত ডিসেম্বরে তামিলনাড়ুর একটি পারিবারিক আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেছেন তার স্ত্রী সঙ্গীতা সোরনালিঙ্গম। আগামী ২০ এপ্রিল এ বিষয়ে শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে।

    ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভির এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

    বিচ্ছেদের আবেদনে তিনি বিজয়ের বিরুদ্ধে মানসিক নির্যাতন, অবহেলা এবং অন্য এক অভিনেত্রীর সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ তুলেছেন। মূলত বিজয়ের পরকীয়া নিয়ে সঙ্গীতার এই সন্দেহের তীর আরেক তামিল অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের প্রতি। বিজয় ও তৃষা কৃষ্ণান তামিল সিনেমার দর্শকপ্রিয় জুটি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    দীর্ঘ ১৫ বছর পর ‘লিও’ সিনেমায় এই জুটি একসঙ্গে অভিনয়ের পর থেকেই দুজনের পর্দার বাইরের সম্পর্ক নিয়ে নানা গুঞ্জন শুরু হয়। সবশেষ সঙ্গীতার তামিলনাড়ুর আদালতে করা অভিযোগের পর বিষয়টি নতুন করে জল্পনা সৃষ্টি হয়।

    এদিকে ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি চেন্নাইয়ে এক প্রযোজকের ছেলের বিয়ের অনুষ্ঠানে বিজয় ও তৃষাকে একই গাড়িতে করে আসতে এবং একসঙ্গে অনুষ্ঠানে প্রবেশ করতে দেখা যায়। গত ডিসেম্বর মাসে অভিনেতার স্ত্রী আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের আবেদন করেন। তার পর এই প্রথম জনসমক্ষে একসঙ্গে হাজির হলেন বিজয় ও তৃষা।

    ১৯৯৯ সালে এক ব্যক্তিগত অনুষ্ঠানে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন বিজয় ও সঙ্গীতা। দীর্ঘ আড়াই দশক ধরে তারা নিজেদের ব্যক্তিগত জীবনকে প্রচারের আড়ালেই রেখেছিলেন। কিন্তু হঠাৎ করে এই বিচ্ছেদের খবর বিজয়ের রাজনৈতিক ক্যারিয়ার এবং ব্যক্তিগত ভাবমূর্তির ওপর বড়সড় প্রভাব ফেলতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

    গত দুই বছর ধরে অভিনয় থেকে রাজনীতির মাঠে নামা বিজয়ের কোনো কাজ বা রাজনৈতিক কর্মসূচিতে দেখা যায়নি তার স্ত্রী সঙ্গীতাকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজয়-সংগীতার বিচ্ছেদের নেপথ্যে দক্ষিণী অভিনেত্রীর নাম

    দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির মেগাস্টার থালাপতি বিজয় ও সংগীতা স্বর্ণালিঙ্গমের দীর্ঘ ২৬ বছরের সম্পর্কে ছন্দপতন ঘটেছে অনেক আগেই। যদিও তা প্রকাশ্যে এসেছে  শুক্রবার (২৭ ফেব্রুয়ারি)। ইতোমধ্যে আদালতে বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করেছেন বিজয়ের স্ত্রী সংগীতা। স্বামীর বিরুদ্ধে বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কের অভিযোগ এনেছেন তিনি। সেই অভিযোগেই উঠে এসেছে এক অভিনেত্রীর সঙ্গে বিজয়ের পরকীয়ার মতো বিষয়। কিন্তু কে সেই অভিনেত্রী? 

    বর্তমানে এই প্রশ্নই ঘুরপাক খাচ্ছে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মধ্যে। আর এসবের মাঝেই নেটিজেনরা নেটপাড়া ঘেঁটে বের করেছেন দক্ষিণী বিনোদন দুনিয়ার জনপ্রিয় অভিনেত্রীর সঙ্গে বিভিন্ন ছবি। আর তা কেউ নন অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান।

    জানা গেছে, অভিনেত্রী তৃষার সঙ্গেই নাকি সম্পর্কে জড়িয়েছেন বিজয়। ২০২১ সাল থেকে সেই সম্পর্ক চলছে। একসময়ের দক্ষিণী বড়পর্দার হিট জুটি তৃষা-বিজয়। ২০০৪ সালে ‘ঘিল্লি’ সিনেমায় প্রথম জুটি বাঁধেন তারা। এরপর ‘তিরুপাচ্চি’, ‘আথি’ সহ বেশ কিছু সিনেমায় অভিনয় করেন। ২০০৮ সালে তাদের শেষ দেখা গিয়েছিল জুটি হিসেবে পর্দায়। তারপর দীর্ঘ বেশ অনেক বছর তাদের একসঙ্গে পর্দায় দেখা মেলেনি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ২০২৩ সালে আবার ‘লিও’ সিনেমার মাধ্যমে পর্দায় ফেরে পছন্দের সেই জুটি। তবে ‘ঘিল্লি’ সিনেমার সময় থেকেই তাদের নিয়ে প্রেমের গুঞ্জন দানা বেঁধেছিল। যদিও তাতে পানি ঢালেন বিজয় ও তৃষা। তবে তা যে এমন ব্যুমেরাং হয়ে ফিরে আসবে কে তা জানত? 

    নেটপাড়ায় ইতোমধ্যে তৃষা ও বিজয়ের একসঙ্গে সময় কাটানোর নানা ভিডিও ভাইরাল। ‘কোয়ালিটি টাইম’ কাটাতেই দেখা গেছে সেই সিনেমার শুটিংয়ের ‘বিহাইন্ড দ্য সিন’ ভিডিওতে। এখানেই শেষ নয়, ঘনিষ্ঠ বন্ধুর বিয়েতে একসঙ্গে গোয়ায় সময় কাটিয়েছেন তারা। আর সেখান থেকেই নেটপাড়া প্রশ্ন তুলেছে— তাহলে কি তৃষাই এ বিচ্ছেদের মূল কারণ? 

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরকীয়া করে বন্ধুর স্ত্রীকে বিয়ে, সমালোচনার জবাব দিলেন পরমব্রত

    টালিউড অভিনেতা পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়ের অভিনয় দক্ষতার কারণে বেশ জনপ্রিয়। প্রায় সময়ই ভক্ত-অনুরাগীদের ভালোবাসায় সিক্ত হন তিনি। কিন্তু মাঝে ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে নেটিজেনদের থেকে বেশ কটূক্তি ও নেতিবাচক কথার শিকার হতে হয়েছিল এই অভিনেতাকে।  মূলত সংগীতশিল্পী ও বন্ধু অনুপম রায়ের প্রাক্তন স্ত্রী পিয়া চক্রবর্তীকে বিয়ে করার পরই নেটদুনিয়ায় চরম কটূক্তি ও উপহাসের মুখে পড়েন পরমব্রত। 

    বন্ধুর স্ত্রীর সঙ্গে পরকীয়াসহ হাজারো কটু কথা শুনেও দীর্ঘদিন মুখে কুলুপ এঁটেই ছিলেন। অবশেষে সেই সময়ের তিক্ত অভিজ্ঞতা ও সমালোচনার জবাব দিতে এবার মুখ খুললেন পরমব্রত।  সম্প্রতি এক পডকাস্টে উপস্থিত হয়ে এই অভিনেতা জানান, বিয়ের সময় তাকে ও তার স্ত্রীকে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যে ধরনের কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করা হয়েছে তা মোকাবিলায় নিজের চামড়াকে তিনি গণ্ডারের চামড়ায় পরিণত করেছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অনলাইনে নেটিজেনদের থেকে তীর্যক মন্তব্য ও ক্রমাগত ট্রলের কারণে মানসিকভাবে কতটা বিপর্যস্ত ছিলেন উল্লেখ করে অভিনেতা বলেন, ‘বিয়ের পর দেখলাম, একটা বীভৎস কাণ্ড শুরু হলো! ওই সব আমার ওপর প্রভাব ফেলেছিল, মোটামুটি ৪-৫ দিনের জন্য। মানুষ যে ধরনের কথা লেখে বা লিখতে পারে… আমি সেই ন্যায়বোধ বা নীতিবোধের মধ্যে দিয়ে বড় হইনি। ফলে সাংঘাতিক ধাক্কা লেগেছিল।’ 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম নিয়ে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি সম্পর্কে পরমব্রত বলেন, ‘এখানে নেমেছে মানুষ? এতটা? কিন্তু নেমেছে, আমি কী করব? আমার কিছু করার নেই। তখন থেকেই গণ্ডারের চামড়া তৈরি করি। আমি ব্যক্তিগতভাবে কী মনে করি, অর্থাৎ সমাজ বা রাজনীতি নিয়ে আমার কী ধারণা তা শেয়ার করে কাজ নেই। কারণ আমি কোনো দেশ বদলাতে যাচ্ছি না। আর যদি তা নিয়ে লিখি, তাহলে কমেন্ট অফ করে দেব আর দেখবই না।’ 

    পরমব্রত চ্যাটার্জির ঘনিষ্ঠ বন্ধু হিসেবে পরিচিত সংগীতশিল্পী অনুপম রায় ২০১৫ সালে পিয়া চক্রবর্তীকে বিয়ে করেন। ছয় বছর পর দুজনের বিচ্ছেদ হলে পরমব্রতের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে ওঠে পিয়ার। পরবর্তীতে ২০২৩ সালের নভেম্বর নাগাদ নতুন করে পরমব্রতকে বিয়ে করেন পিয়া চক্রবর্তী।  পিয়ার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর অনুপমও গায়িকা প্রশ্মিতা পালকে বিয়ে করে নতুন সংসার বেধেছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কাঁদতে কাঁদতে স্বামীর পরকীয়ার প্রমাণ প্রকাশ করলেন অভিনেত্রী

    পশ্চিমবঙ্গের ছোটপর্দার পরিচিত মুখ রিয়া গাঙ্গুলী বিয়ে করেন পরিচালক অরিন্দম চক্রবর্তীকে। প্রথমে সবকিছু ঠিক থাকলেও পরে তাদের সম্পর্কে নানা সমস্যা দেখা দিতে শুরু করে। আর সে কারণে একসময় রিয়া জানান তিনি অরিন্দমের থেকে বিচ্ছেদ চান। স্বামীর বিরুদ্ধে একাধিক নারী সঙ্গের অভিযোগ তোলেন রিয়া।

    এরপর মানসিক চাপ সামলে নিজের মতো করে দুই সন্তানকে নিয়ে জীবনকে গুছিয়ে নিয়েছিলেন অভিনেত্রী। কিন্তু ফের কিছু দিন আগে অরিন্দম প্রসঙ্গে সামাজিক মাধ্যমে রিয়ার বিস্ফোরক মন্তব্য। তারপর লাইভে এসেও নানা অভিযোগ করেন অভিনেত্রী।

    আর তার সেই লাইভের পরিপ্রেক্ষিতে রিয়ার স্বামী অরিন্দম চক্রবর্তীও একটি লাইভ করেন। সেখানে তিনি রিয়াকে চ্যালেঞ্জ করেন যে, যদি রিয়া প্রমাণ করতে পারেন তিনি অন্য নারীর সঙ্গে লিভ ইন করছেন, তাহলে তিনি চাকরি ছেড়ে দেবেন। তা ছাড়া রিয়ার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ করেন অরিন্দম।

    সেসব নিয়েই এবার লাইভে এসে অনুরাগীদের সঙ্গে কথা বললেন রিয়া। অভিনেত্রী বললেন, এটা হয়তো আমার শেষবারের মতো লাইভে আসা। আমিও চেয়েছিলাম দুটো পরিবার একসঙ্গে আলোচনায় বসে শান্ত ভাবে, ঠান্ডা মাথায় এটা মিটে যাক। আজ থেকে ১২ বছর আগে পথচলা শুরু। তখন আমাদের মধ্যে যে সম্মান, ভালোবাসা ছিল, সেটি আজ আর নেই।

    এদিকে রিয়া তার স্বামীর বর্তমান প্রেমিকার বিরুদ্ধেও নানা তথ্যপ্রমাণ তুলে ধরেন ওই লাইভের মাধ্যমেই। তাকে বারবার লাইভে কাঁদতে দেখা যায়। আবেগপ্রবণ হয়ে পড়েন এসব বলতে বলতে অভিনেত্রী।

    রিয়া বলেন, ‘সে লাইভে এসে বলেছে পরকীয়া যে কেউ করতে পারে। কিন্তু সেটা যেন অন্যের মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষতির কারণ না হয়। এর প্রভাব তো আমার শিশুদের ওপরও পড়ছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নিমরতের সঙ্গে পরকীয়ার গুঞ্জন, ঐশ্বরিয়াকে নিয়ে এ কী বললেন অভিষেক

    বলিউড অভিনেত্রী ও সাবেক বিশ্বসুন্দরী ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও অভিনেতা অভিষেক বচ্চন দম্পতির বিচ্ছেদ সমালোচনা যেন থামছেই না। একসময়ের শীর্ষ অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া, যার রূপে ও গুণে ঘায়েল ছিল লাখো তরুণ। আজ তার সংসার ভাঙনের মুখে। 

    জানা গেছে, একাধিক বলিউড প্রতিবেদনে লেখা হয়েছে অভিনেত্রী নিমরত কৌরের সঙ্গে নাকি বিবাহবহির্ভূত সম্পর্কে জড়িয়েছেন অভিষেক বচ্চন। যার জেরেই নাকি এত কাণ্ড। তবে এখন পর্যন্ত এ প্রসঙ্গে কেউ কোনো কথা না বললেও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন ও অভিষেক বচ্চনের সম্পর্কের মাঝে নিমরত কৌরের যে প্রবেশ ঘটেছে, তা অনুমেয়। 

    গত কয়েক দিন ধরে এমন জল্পনাই চলছে। ‘দসভি’ ছবির শুটিংয়ের সময় থেকেই নাকি অভিষেকের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয় নিমরতের। সেই ছবির প্রচারের সময়ের বেশ কিছু সাক্ষাৎকার বর্তমানে সামাজিকমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। সেই সময় এক সাক্ষাৎকারে বিয়ে নিয়ে মতপ্রকাশ করেছিলেন নিমরত। তিনি বলেন, এতদিন বিয়ে টেকে নাকি? 

    দাম্পত্য নিয়ে অভিষেকের সামনে এমন মন্তব্য করেছিলেন নিমরত কৌর। নিমরত বলেছিলেন—এতদিন কোনো বিয়ে টেকেই না। অভিনেত্রীর এ মন্তব্য শুনে হেসে ওঠেন অভিষেক এবং  ধন্যবাদ জানান।

    সেই সাক্ষাৎকারে হঠাৎই বিয়ে ও দাম্পত্যের প্রসঙ্গ উঠে আসে। সঞ্চালক জানান, তার দাম্পত্যের মেয়াদ দীর্ঘ। সেই শুনে এক প্রকার অবাক হয়ে যান নিমরত। মশকরা করে অভিনেত্রী বলেন, এত দিন কোনো বিয়ে টেকেই না। 

    এ ছাড়া অন্য আরেকটি সাক্ষাৎকারে বিয়ে নিয়ে কথা বলেছিলেন নিমরত কৌর। অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন, তাকে বহু সাক্ষাৎকারে প্রশ্ন করা হয়— এখনো তিনি বিয়ে করেননি কেন? বরং তিনি কেন বিয়ে করতে চান না, সেটি নিয়ে কেউ কখনো প্রশ্ন করে না।

    নিমরত বলেন, তার বিয়ে করার ইচ্ছে নেই— এমন নয়। কিন্তু সঠিক মানুষের সঙ্গে সঠিক সময় এলে তবেই তিনি বিয়ে করবেন। বিয়ে নিয়ে তাই আলাদা করে তার কোনো পরিকল্পনা নেই।

    অন্যদিকে ‘দসভি’ ছবির প্রচারের সময় এক সাক্ষাৎকারে নিমরতের সামনেই ঐশ্বরিয়ার ভূয়সী প্রশংসা করেছিলেন অভিষেক বচ্চন। অভিনেতা বলেছিলেন—জীবনের অতি কঠিন পরিস্থিতি সামাল দিয়েছে ঐশ্বরিয়া। ওর এ বিষয়টি আমি সত্যিই খুব পছন্দ করি। অভিনেতারা খুব আবেগপ্রবণ হয়ে থাকেন। আমরা খুবই সংবেদনশীল। তাই এমন পরিস্থিতি আসে, যখন মনে হয় আমরা রাগে ফেটে পড়ে কিছু একটা বলে ফেলি। কিন্তু ওকে আমি এটা কখনো করতে দেখিনি। ঐশ্বরিয়াকে স্ত্রী হিসাবে পেয়ে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন বলেও জানিয়েছিলেন অভিষেক বচ্চন।

    বিনোদন ডেস্ক