নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের ব্যক্তিদের হাসপাতালে যেতে বললেন শাকিব খান ও চমক

Written by

in

রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন
স্কুল অ্যান্ড কলেজে একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় স্তব্ধ গোটা জাতি।  সময়ের সঙ্গে বেড়ে চলছে মৃত্যুর সংখ্যাও।  মঙ্গলবার দুপুর ১টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিমান
বিধ্বস্তের ঘটনায় ২৭ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে, যাদের মধ্যে ২৫ জনই শিশু। এছাড়াও আহত
অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন শতাধিক।

মর্মান্তিক এ ঘটনায় শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েছেন
তারকারাও। দ্রুত হাসপাতালে রক্তদাতাদের যেতে
বলছেন অনেকে। তাদের মধ্যে দুজন চিত্রনায়ক শাকিব খান ও অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক।
নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত দিতে হাসপাতালে যেতে বলেছেন তারা।

সোমবার (২১ জুলাই) রাতে নিজের ভেরিফায়েড
ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্ট করেন শাকিব খান। ওই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘রাজধানীর উত্তরায় আজকের
হৃদয়বিদারক বিমান দুর্ঘটনায় নিহতের পাশাপাশি শতাধিক শিক্ষার্থী মর্মান্তিকভাবে আহত
হয়েছে। তারা অনেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজধানী বিভিন্ন হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে
লড়াই করছে।  এ মুহূর্তে তাদের রক্তের প্রয়োজন।
বিশেষ করে যারা নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের তারা নিচের হাসপাতালগুলোতে দ্রুত চলে আসুন। আপনার
একটু সহানুভূতি পেলে রক্ষা পেতে তাদের জীবন!’

ওই পোস্টে থাকা হাসপাতালগুলোর নাম হলো,
ঢাকা মেডিকেল বার্ন ইউনিট, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ,
কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, উত্তরা উইমেন্স মেডিকেল কলেজ ও মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ।

শাকিব খানের পোস্টে আরও লেখা ছিল, ‘এ দুর্ঘটনায়
যারা প্রাণ হারিয়েছে, তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। শোক সন্তপ্ত পরিবারগুলোকে সমবেদনা
জানাই। যারা আহত হয়েছে, আল্লাহ তাদের সুস্থতা দান করুন। এমন ভয়ানক ঘটনা যেন ভবিষ্যতে
আর না ঘটে, এই কামনা করি, আমিন।’

একই দিন রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে
দেওয়া এক পোস্টে চমক লেখেন, ‘আজ রক্তের কোনো প্রয়োজন নেই। রক্তের প্রয়োজন হলে, যারা
নাম্বার দিয়ে গেছেন তাদের কল করা হবে।  আমরা
গিয়েছিলাম, উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে। আপনারা অনেক মানুষ এসেছেন রক্ত দিতে। অনেক
কৃতজ্ঞতা। এখানে পজিটিভ গ্রুপের রক্ত পর্যাপ্ত পাওয়া গেছে। কিন্তু, নেগেটিভ গ্রুপের
রক্ত ওইভাবে পাওয়া যায়নি।  তাই যারা নেগেটিভ
ব্লাড গ্রুপেররা চলে আসুন। এখন যাদের রক্ত নেওয়া হয়নি, তারা তাদের ফোন নাম্বার দিয়ে
যাবেন।প্রয়োজনে আপনাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।’

যুগান্তর প্রতিবেদন

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *