Tag: উত্তরায় বিমান বিধ্বস্ত

  • এই ভয়ংকর ঘটনার দায় কে নেবে: পিয়া জান্নাতুল

    মডেল, উদ্যোক্তা, আইনজীবী ও অভিনেত্রী পিয়া জান্নাতুল উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমানবাহিনীর যুদ্ধবিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় ছাত্রছাত্রীদের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন। সেই সঙ্গে ক্ষোভ প্রকাশ করেও তিনি বলেছেন, এই ভয়ংকর ঘটনার দায় কে নেবে, উত্তর দরকার।

    রাজধানীর উত্তরায় গত সোমবার (২১ জুলাই) দুপুর ১টা ৬ মিনিটে দুর্ঘটনায় পড়ে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ যুদ্ধবিমান। বিমানটি উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়। সঙ্গে সঙ্গে বিমান ও স্কুল ভবনটিতে আগুন ধরে যায়।

    অনেক শিশুর প্রাণহানি ও হতাহতের ঘটনায় শোকাহত পুরো দেশ। অন্যদের পাশাপাশি এমন মর্মান্তিক ঘটনায় শোকে মুহ্যমান শোবিজ তারকারাও। বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় শোক জানানোর পাশাপাশি এমন ভয়ংকর ঘটনায় ক্ষোভ জানিয়েছেন মডেল পিয়া জান্নাতুল।

    সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক একটি পোস্টে গতকাল মঙ্গলবার (২২ জুলাই) অভিনেত্রী লিখেছেন, মাইলস্টোন স্কুলে কালকের ভয়ংকর বিমান দুর্ঘটনায় কতগুলো নির্দোষে প্রাণ ঝরে গেল। ছোট ছোট শিশু, শিক্ষক-শিক্ষিকা, মা, পথচারী এক ঝলকে সব পুড়ে শেষ।

    ক্ষোভ জানিয়ে পিয়া জান্নাতুল লিখেছেন, এই ভয়ংকর ঘটনার দায় কে নেবে, সরকার, বিমান কর্তৃপক্ষ? নাকি এটাও অন্য অনেক ঘটনার মতো ধীরে ধীরে ভুলে যাবে সবাই? উত্তর দরকার, দায়িত্ব দরকার, নিরাপত্তা দরকার, শুধু আজকের জন্য না, আমাদের সন্তানদের এবং আমাদের ভবিষ্যতের জন্য বলে জানান অভিনেত্রী।

    উল্লেখ্য, মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে ভয়াবহ যুদ্ধবিমান দুর্ঘটনায় এ পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ জনে। দুর্ঘটনায় আহত হয়ে বিভিন্ন হাসপাতলে ভর্তি আছেন ১৬৫ জন।

    অনলাইন ডেস্ক

  • মাইলস্টোনে বিমান বিধ্বস্ত: গভীর শোক ও সমবেদনা জানালেন জেমস

    রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৩২ জন স্কুলশিক্ষার্থী-শিক্ষক প্রাণ হারিয়েছেন। এ দুর্ঘটনায় শোকাহত গোটা দেশ। হৃদয়বিদারক এই ঘটনায় গভীর শোক ও সমবেদনা জানিয়েছেন দেশের জনপ্রিয় ব্যান্ড তারকা জেমস ও তার দল নগরবাউল।

    নগরবাউল জেমস’–এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে এক শোকবার্তায় জেমস লেখেন, —‘এ ভয়াবহ দুর্ঘটনায় আমরা গভীরভাবে শোকাহত। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের সেই অমূল্য শিক্ষার্থীদের প্রতি আমাদের হৃদয়বিদারক সমবেদনা। আহত শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবার যেভাবে দুঃসহ সময় পার করছেন, আমরা তাদের পাশে আছি।’

    জেমস আরও জানান, ‘বাংলাদেশ সেনাবাহিনী, ফায়ার সার্ভিস ও উদ্ধারকর্মীদের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, যারা সাহসিকতার সঙ্গে দ্রুত পরিস্থিতি মোকাবেলা করেছেন। নিহতদের আত্মার মাগফিরাত, আহতদের দ্রুত আরোগ্য এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারগুলোর জন্য প্রার্থনা করছি।’

    বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র সফরে রয়েছেন জেমস, অংশ নিচ্ছেন একাধিক কনসার্টে। তারই অংশ হিসেবে আগামী ২৫ জুলাই ফিলাডেলফিয়ার একটি আয়োজনে ‘নগরবাউল জেমস লাইভ ইন ফিলাডেলফিয়া’ শীর্ষক কনসার্ট অনুষ্ঠিত হবে। এরপর ২ আগস্ট ভার্জিনিয়ার উডব্রিজ শহরের ‘ফ্রিডম হাই স্কুলে’ হবে আরেকটি কনসার্ট।

    উল্লেখ্য, সোমবার (২১ জুলাই) দুপুর ১টার কিছু পর বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ভবনে বিধ্বস্ত হয়। মুহূর্তেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে পুরো ভবনে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত প্রাণ হারিয়েছেন ৩২ জন, আহত হয়েছেন শতাধিক।

    অনলাইন ডেস্ক

  • শিশুদের জন্য প্রার্থনা কুমার বিশ্বজিতের

    ২০২৩ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি কানাডায় এক সড়ক দুর্ঘটনায় জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কুমার বিশ্বজিতের ছেলে নিবিড় গুরুতর আহত হয়েছিলেন। সেই দুর্ঘটনায় তার তিন বন্ধু মারা গেলেও বেঁচে যান নিবিড়। দীর্ঘদিন ধরে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিলেন তিনি। বর্তমানে রিহ্যাব সেন্টারে থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন নিবিড়। এখন তার শারীরিক অবস্থার ধীরে ধীরে উন্নতির পথে।

    একটি সূত্র জানায়, কুমার বিশ্বজিৎ ছেলের সুস্থ হওয়ার অপেক্ষায় আছেন এবং মাঝে মধ্যে তার সঙ্গে দেখা করতে কানাডায় যান। তিনি দেশবাসীর কাছে ছেলের সুস্থতার জন্য দোয়া চেয়ে বলেন, সুস্থতার অপেক্ষা করছি। অপেক্ষা ছাড়া পথ নেই। সবার কাছে আশীর্বাদ চাই, যেন সব ঠিক হয়ে যায়।

    এ সংগীতশিল্পীর একমাত্র সন্তানের সুস্থতার অপেক্ষায় থাকায় তার পিতৃহৃদয় এবার শোকে আচ্ছন্ন হলো উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান দুর্ঘটনায় মৃতদের জন্য। আহতদের সুস্থতার জন্য প্রার্থনা জানিয়েছেন তিনি।

    সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাসে কুমার বিশ্বজিৎ লিখেছেন মাইলস্টোন ক্যাম্পাসে বিমান দুর্ঘটনায় যারা প্রাণ হারিয়েছেন, তাদের প্রতি গভীর শোক এবং তাদের পরিবারের প্রতি সমবেদনা প্রকাশ করছি। পরম করুণাময়ের কাছে প্রার্থনা কোমলমতি যে নিষ্পাপ শিশুরা আহত হয়ে হাসপাতালে আছে, তাদের আপনি দ্রুত সুস্থতা দান করুন।

    এ সংগীতশিল্পীর শোকবার্তায় উঠেছে ঘটনাটির অভিঘাত কতটা গভীরভাবে তাকে স্পর্শ করেছে। শিল্পীর এ আবেগঘন বার্তায় শামিল হয়েছেন অসংখ্য ভক্ত ও সাধারণ মানুষ।

    উল্লেখ্য, গতকাল (২১ জুলাই) উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজ ক্যাম্পাসে একটি প্রমোশনাল ড্রোন বিমানের পতনে মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটে। এতে ২২ জনের মৃত্যু ও শতাধিক আহত হন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘দয়া করে পাইলটকে দোষ দেবেন না’

    রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন ফ্লাইট লেফটেন্যান্ট মো. তৌকির ইসলাম সাগরসহ ৩১ জন। এই মর্মান্তিক ঘটনার পর পুরো জাতি শোকস্তব্ধ। দুর্ঘটনায় শতাধিক হতাহতের মধ্যে উঠে এসেছে এককথায় বীরোচিত লড়াই করা এই তরুণ পাইলটের নাম।

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জান্নাতুল সুমাইয়া হিমি এক দীর্ঘ ও আবেগঘন ফেসবুক পোস্টে এই দুর্ঘটনা এবং পাইলট তৌকিরকে ঘিরে নিজের প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন। পাঠকদের জন্য তাঁর পোস্টের সারাংশ তুলে ধরা হলো

    হিমি লেখেন, ‘মর্মান্তিক হলেও, দয়া করে পাইলটকে দোষ দেবেন না। তিনি চেষ্টা করেছেন, তিনি সত্যিই চেষ্টা করেছেন। তিনি জানতেন এটা একটি স্কুল, তিনি জানতেন আশপাশে শিশু রয়েছে। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত তিনি লড়েছেন, বিমানের গতি সরিয়ে নিতে চেয়েছেন। তিনি নিজের সবকিছু উজাড় করে দিয়েছেন। তিনি সেই বিমানের সাথেই ঝরে গেছেন।’

    তিনি আরও লেখেন, করেন, ‘বাংলাদেশ বিমান বাহিনীকে সামগ্রিকভাবে অসম্মান করবেন না। তারা আমাদের রক্ষা করে, দেশের জন্য জীবন বাজি রাখে প্রতিদিন। কিন্তু এর মানে এই না যে আমরা চুপ করে থাকবো। আমাদের কঠিন প্রশ্ন করতে হবে। আমাদের স্বচ্ছতা দাবি করার অধিকার আছে। আর যদি কোথাও গাফিলতি থাকে, যদি কারও ভুল সিদ্ধান্ত প্রাণহানির কারণ হয়ে থাকে, তবে তাকে অবশ্যই জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। দোষ দিন না ককপিটে থাকা মানুষটিকে, দোষ দিন তাকে, যে জনবহুল শহরের ওপরে প্রশিক্ষণ ফ্লাইট চালানোর অনুমোদন দিয়েছে। আসল দায়িত্ব সেখানেই।’

    হিমি লেখেন, ‘আর দোষ দিন তাদের, যারা এখনো পর্যন্ত আমাদের পুরোনো যুদ্ধবিমান দিয়ে উড়তে বাধ্য করছে। একটি উন্নয়নশীল দেশ হিসেবে, কেন আমরা এখনো ১৯৬০ সালের নকশায় তৈরি এবং ২০১৩ সালে যার উৎপাদন বন্ধ হয়েছে, সেই চীনে তৈরি F-7 যুদ্ধবিমান ব্যবহার করছি?’

    এই বিমানগুলো ব্যবহারে পাইলটদের পাশাপাশি মানুষের জীবনকেও ঝুঁকিতে ফেলছে বলে অভিযোগ করেছেন হিমিতিনি বলেন, ‘এই বিমানগুলো শুধু পুরোনোই নয়, আধুনিক শহুরে অভিযানের জন্য সম্পূর্ণভাবে অনুপযুক্তএগুলো ব্যবহার করে আমরা শুধু আমাদের পাইলটদের জীবন ঝুঁকিতে ফেলছি না, বরং নিচের অসংখ্য সাধারণ মানুষের জীবনও হুমকির মুখে ঠেলে দিচ্ছিএটা শুধু একটি দুর্ঘটনা নয়, এটা এক বিশাল ব্যর্থতা চিন্তাভাবনার, পরিকল্পনার, এবং নেতৃত্বেরতিনি শহীদ হয়েছেন বীরের মতোস্যালুট জানাই তোমাকে, ভাই ।’

    অনলাইন ডেস্ক

  • এই মুহূর্তে চাকরি, বাড়ি, গাড়ি সবকিছুই অর্থহীন মনে হচ্ছে: আরজে উদয়

    দেশজুড়ে শোকের ছায়া নেমে এসেছে রাজধানীর উত্তরায় ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনার পর। মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান বিধ্বস্ত হয়ে প্রাণ হারিয়েছেন অন্তত ৩১ জন, যাদের অধিকাংশই শিশু। আহত শতাধিক। এমন হৃদয়বিদারক ঘটনায় শুধু নিহতদের পরিবার নয়, স্তব্ধ হয়ে গেছেন দেশের প্রতিটি বাবা-মাও। সন্তানদের নিরাপত্তা নিয়ে তৈরি হয়েছে প্রবল আতঙ্ক।

    এই অনুভূতির প্রকাশ ঘটেছে জনপ্রিয় রেডিও জকি ও ইউটিউবার আরজে উদয়ের লেখায়ও। মঙ্গলবার দুপুরে নিজের মেয়ের সঙ্গে একটি ছবি শেয়ার করে তিনি ফেসবুকে লিখেছেন এমন কিছু কথা, যা আজ লাখো অভিভাবকের মনের কথার প্রতিধ্বনি।

    উদয় লেখেন, ‘আমি ভীত..আমি আতঙ্কিত…সত্যি বলতে এই মুহূর্তে আমার চাকরি, অফিস, সেভিংস, বাড়ি গাড়ি সবকিছুই অর্থহীন মনে হচ্ছে। আমার শুধু মনে হচ্ছে, জীবনের বাকি কটা দিন আমার সন্তানগুলোকে জড়িয়ে ধরে বসে থাকি।’

    এই মুহূর্তে নিজেকে একজন ভীত বাবা আখ্যায়িত করে উদয় আরও লিখেছেন, ‘বিশ্বাস করেন আমার খুব পালিয়ে যেতে ইচ্ছে করছে.. এমন কোথাও যেখানে আমি আমার বাচ্চাগুলোকে একটু নিরাপত্তা দিতে পারবো। আমি সত্যিই নিতে পারছি না! সম্ভবত আমি নিজেকে যতটা সাহসী ভাবতাম অতটা সাহসী নই, এই মুহূর্তে আমি ভয়ানক রকমের একজন ভীত বাবা।’

    উদয়ের এই আবেগঘন পোস্টে অনেকেই মন্তব্য করেছেন, সান্ত্বনা দিয়েছেন তাকে। কেউ লিখেছেন, ‘এই ভয়টা এখন আমাদের সবার,’ কেউ আবার বলছেন, ‘সন্তানদের নিরাপত্তার বিষয়টি নতুন করে ভাবার সময় এসেছে।’

    প্রসঙ্গত, মাইলস্টোন স্কুলে ঘটনার সময় শতাধিক শিক্ষার্থী ক্লাসে উপস্থিত ছিল। যে ভবনে বিমানটি বিধ্বস্ত হয়, সেখানে সরাসরি আঘাত পেয়েছে বহু শিক্ষার্থী। এক মুহূর্তে সবকিছু যেন তছনছ হয়ে যায়। এই ঘটনার রেশ শুধু ভুক্তভোগীদের মাঝে নয়, দেশের হাজারো পরিবারে আতঙ্ক ও অনিশ্চয়তার ছাপ ফেলে গেছে

    অনলাইন ডেস্ক

  • মাইলস্টোন স্কুলের দুর্ঘটনায় আমি স্তম্ভিত: মিথিলা

    রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় গোটা দেশ শোকাহত। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে এত প্রাণঘাতী বিমান দুর্ঘটনার নজির বাংলাদেশে আর দেখা যায়নি। এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৩১, আহত দেড় শতাধিক। হাসপাতালগুলোতে চলছে আহতদের চিকিৎসা। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে সারা দেশে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার পর থেকেই শোক প্রকাশ করছেন দেশের তারকারা ও সাধারণ মানুষ। অভিনেত্রী ও মডেল রাফিয়াত রশিদ মিথিলা এক ফেসবুক পোস্টে জানান, তিনি এ ঘটনায় গভীরভাবে মর্মাহত।

    মিথিলা লেখেন, ‘মাইলস্টোন স্কুলের দুর্ঘটনায় আমি স্তম্ভিত। এই হৃদয় বিদারক ঘটনায় প্রাণ হারানো ছোট ছোট বাচ্চাগুলোর পরিবারকে সমবেদনা জানানোর ভাষা আমার নেই। প্রতিটি শিশু, তাদের বাবা-মা পরিবার ও শিক্ষকদের জন্য আমরা সবাই দোয়া প্রার্থনা করি।’

    প্রসঙ্গত, সোমবার দুপুর ১টার কিছু পর উত্তরার আকাশে উড্ডয়নরত বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়। মুহূর্তেই আগুন ধরে যায় স্কুল ভবন ও বিমানে। যেখানে বিমানটি পড়ে, সেই ভবনে বহু শিক্ষার্থী ক্লাসে উপস্থিত ছিল। এদের অনেকেই প্রাণ হারিয়েছে, বাকিরা গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি।

    এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা যেন গোটা জাতিকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। এখনো অনেক পরিবার প্রিয়জনকে খুঁজে ফিরছে। ঘটনায় শোক প্রকাশের পাশাপাশি জনগণের নিরাপত্তা ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে।

    অনলাইন ডেস্ক

  • নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের ব্যক্তিদের হাসপাতালে যেতে বললেন শাকিব খান ও চমক

    রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন
    স্কুল অ্যান্ড কলেজে একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় স্তব্ধ গোটা জাতি।  সময়ের সঙ্গে বেড়ে চলছে মৃত্যুর সংখ্যাও।  মঙ্গলবার দুপুর ১টায় এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিমান
    বিধ্বস্তের ঘটনায় ২৭ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে, যাদের মধ্যে ২৫ জনই শিশু। এছাড়াও আহত
    অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন শতাধিক।

    মর্মান্তিক এ ঘটনায় শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েছেন
    তারকারাও। দ্রুত হাসপাতালে রক্তদাতাদের যেতে
    বলছেন অনেকে। তাদের মধ্যে দুজন চিত্রনায়ক শাকিব খান ও অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক।
    নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের ব্যক্তিদের রক্ত দিতে হাসপাতালে যেতে বলেছেন তারা।

    সোমবার (২১ জুলাই) রাতে নিজের ভেরিফায়েড
    ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি পোস্ট করেন শাকিব খান। ওই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘রাজধানীর উত্তরায় আজকের
    হৃদয়বিদারক বিমান দুর্ঘটনায় নিহতের পাশাপাশি শতাধিক শিক্ষার্থী মর্মান্তিকভাবে আহত
    হয়েছে। তারা অনেকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় রাজধানী বিভিন্ন হাসপাতালে জীবন-মৃত্যুর সঙ্গে
    লড়াই করছে।  এ মুহূর্তে তাদের রক্তের প্রয়োজন।
    বিশেষ করে যারা নেগেটিভ ব্লাড গ্রুপের তারা নিচের হাসপাতালগুলোতে দ্রুত চলে আসুন। আপনার
    একটু সহানুভূতি পেলে রক্ষা পেতে তাদের জীবন!’

    ওই পোস্টে থাকা হাসপাতালগুলোর নাম হলো,
    ঢাকা মেডিকেল বার্ন ইউনিট, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল, উত্তরা আধুনিক মেডিকেল কলেজ,
    কুয়েত মৈত্রী হাসপাতাল, উত্তরা উইমেন্স মেডিকেল কলেজ ও মনসুর আলী মেডিকেল কলেজ।

    শাকিব খানের পোস্টে আরও লেখা ছিল, ‘এ দুর্ঘটনায়
    যারা প্রাণ হারিয়েছে, তাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করছি। শোক সন্তপ্ত পরিবারগুলোকে সমবেদনা
    জানাই। যারা আহত হয়েছে, আল্লাহ তাদের সুস্থতা দান করুন। এমন ভয়ানক ঘটনা যেন ভবিষ্যতে
    আর না ঘটে, এই কামনা করি, আমিন।’

    একই দিন রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে
    দেওয়া এক পোস্টে চমক লেখেন, ‘আজ রক্তের কোনো প্রয়োজন নেই। রক্তের প্রয়োজন হলে, যারা
    নাম্বার দিয়ে গেছেন তাদের কল করা হবে।  আমরা
    গিয়েছিলাম, উত্তরা ক্রিসেন্ট হাসপাতালে। আপনারা অনেক মানুষ এসেছেন রক্ত দিতে। অনেক
    কৃতজ্ঞতা। এখানে পজিটিভ গ্রুপের রক্ত পর্যাপ্ত পাওয়া গেছে। কিন্তু, নেগেটিভ গ্রুপের
    রক্ত ওইভাবে পাওয়া যায়নি।  তাই যারা নেগেটিভ
    ব্লাড গ্রুপেররা চলে আসুন। এখন যাদের রক্ত নেওয়া হয়নি, তারা তাদের ফোন নাম্বার দিয়ে
    যাবেন।প্রয়োজনে আপনাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হবে।’

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • ‘মাইলস্টোনের ধোঁয়া দলা পাকিয়ে আছে’

    রাজধানীর উত্তরার দিয়াবাড়িতে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে একটি প্রশিক্ষণ
    বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় স্তব্ধ গোটা জাতি। বহু হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।  এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায়
    ২৭ জনের মৃত্যুর খবর মিলেছে, যাদের মধ্যে ২৫ জনই শিশু। এছাড়াও আহত অবস্থায় হাসপাতালে
    চিকিৎসাধীন আছেন শতাধিক।

    মর্মান্তিক এ ঘটনা সারা দেশে শোকের মাতম সৃষ্টি করেছে। কোমলমতি শিশুদের
    এমন মৃত্যুর ঘটনা কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছেন না দেশের মানুষ। শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েছেন
    তারকারাও।  তাদেরই একজন অভিনেত্রী শাহানাজ খুশি।

    মঙ্গলবার (২২ জুলাই) সকালের দিকে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্ট
    থেকে বিমান বিধ্বস্ত নিয়ে একটি পোস্ট দেন এ অভিনেত্রী। পোস্টে তিনি লেখেন, ‘আমার ধারণা,
    কোনো মানুষ কাল রাতে ঘুমাতে পারে নাই। সব মা-বাবা ও অনুভূতি সম্পন্ন মানুষ অসহায়ভাবে
    জেগে ছিল। সবার গলার কাছে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের কালো ধোঁয়া দলা পাকিয়ে আছে,
    সেটা না পারা যায় গিলতে, না পারা যায় সহ্য করতে!’

    তিনি আরও লেখেন, ‘ঢাকা শহরে সন্তান জন্ম দেয়া মা-বাবা সবচেয়ে বড় অসহায়।কেউ
    কল্পনাও করতে পারে না সে মা-বাবার সার্বক্ষণিক যুদ্ধ। যে মা-বাবার অর্থনৈতিক হিসাব
    কষে চলতে হয়, রিকশা/সিএনজি/ বাসে চড়তে হয়, তাদের জীবন আরও দ্বিগুণ কঠিন। বাচ্চার জন্মের
    পর থেকেই ভাবতে হয়, কোন স্কুলে পড়াতে পারব, কীভাবে ভর্তি করব, বাসা সেখান থেকে কতটা
    দূরে, যাওয়া আসা কীভাবে হবে, উপার্জনের সঙ্গে মিলবে কিনা- সব ইত্যাদি বিষয় বিশদভাবে।’

    শাহানাজ খুশি লেখেন, ‘ভর্তি করতে পারলে এক রকম, না পারলে অন্যরকম কষ্ট।
    স্কুল, কোচিং বিজনেস, সামাজিকতা, ঘরকন্না সব মিলিয়ে জীবনের সব দুয়ার বন্ধ হয়ে যায়।সন্তানের
    যাবতীয় প্রয়োজনেই তখন হয় মা বাবার সূর্যোদয়-সূর্যাস্ত। পিতামাতা হবার যে অপার স্বপ্নের
    আনন্দ, স্কুল-কলেজ- কোচিং এর টাকা গুনতে গুনতে ঝাপসা সব হয়ে যায়। সব মা বাবাকেই যুদ্ধ
    করতে হয়, কিন্তু ঢাকা শহরের মা বাবার জীবনে সন্তান ছাড়া দম নেবার কোনো জায়গা নাই।
    তাদের নানান দুর্ভাবনার মধ্যে কিছুক্ষণের ভাবনার থেকে মুক্তির জায়গা হল স্কুল। সেখানে
    বাচ্চাদের দিয়েই কেউ কাজে ছুটে যায়,বাজারে যায়, ঘড়ির কাঁটার সাথে দৌড়ে সব দায়িত্ব
    শেষ করার চেষ্টা করে, অতঃপর আবার দৌড় স্কুলে-কোচিং এ
    ……..এ বাঁচার মানে
    কেউ বুঝবে না! কেউ জানে না মা- বাবার সন্তানেই কোনো পূর্ণতা অথবা সন্তানেই কি অপার
    শূন্যতা! অল্প কিছুদিনে মধ্যে বরাবরের মতোই সবাই সব কিছু ভুলে যাবে। স্বাভাবিক ভাবেই
    চলবে সব।  শুধু মা বাবার বুকেই জ্বলবে এই আগুন
    আমৃত্যু!’

    পোস্টের শেষে এই অভিনেত্রী লেখেন, ‘মাইলস্টোন স্কুলের স্বপ্ন পোড়া ধোঁয়া
    তাদের নিঃশ্বাস থেকে, চোখ থেকে কোনো দিন সরবে না! আহা রে আমাদের কলিজা ছেঁড়া ধন! হায়
    রে আমাদের মা-বাবার হবার আজন্ম অসহায়ত্ব!’

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • আহতদের জন্য রক্তের আহ্বান তারকাদের

    রাজধানীর উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় শোকস্তবদ্ধ পুরো দেশ। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্যমতে, বিমানটি আকাশ থেকে নেমে ভবনের ওপর আছড়ে পড়ে, ফলে ভবনের একাংশ ধসে পড়ে এবং চারদিকে তৈরি হয় আতঙ্ক, কান্না ও হাহাকার। 

    এই ঘটনায় এখন পর্যন্ত ১৯ জনের প্রাণহানি ও ২০০ অধিক আহতের খবর পাওয়া গেছে। দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধারকাজ চলছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ফায়ার সার্ভিস সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাজ করছে।

    এই মর্মান্তিক ঘটনার পর পরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে শোক ও প্রার্থনায় মগ্ন হন সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে তারকারাও। কণ্ঠশিল্পী কনকচাঁপা ফেসবুকে লিখেছেন, ‘রাজধানীর উত্তরা মাইলস্টোন কলেজের ওপর বিমানবাহিনীর প্রশিক্ষণরত বিমান দুর্ঘটনায় হতাহত সকলের প্রতি গভীর শোক ও সমবেদনা জ্ঞাপন করছি। স্কুলের শিক্ষার্থী, অভিভাবক, শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী, পথচারী এবং বিমানের সাথে সংশ্লিষ্ট পাইলট ও সম্পৃক্ত সকলের জন্য আন্তরিক সমবেদনা ও সহমর্মিতা জানাচ্ছি। আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করছি।’

    আরেক কণ্ঠ তারকা আঁখি আলমগীর লিখেছেন, ‘মাইলস্টোন কলেজ দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসের ওপর প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ায় আমি আতঙ্কিত। আহা, কী অসহায় আমরা। আল্লাহ সবাইকে ক্ষমা করুন, সহায় হোন।’

    অভিনেত্রী সোহানা সাবা খানিকটা হতবাক হয়ে গেছেন এই খবরে। তিনি হতাশা নিয়ে লিখেছেন, ‘আমার ধারণাই ছিলো না যে ঢাকার মতো জনবহুল এলাকায় বিমান চালানো প্রাক্টিস করা হয়!’

    অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী বলেন, ‘উত্তরার দিয়াবাড়িতে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় আমি অত্যন্ত মর্মাহত ও বিস্মিত। সবার জন্য প্রার্থনা করছি। আল্লাহ সবাইকে হেফাজতে রাখুন।’

    অভিনেতা সাইফ খান নিজের উদ্বেগ প্রকাশ করে লেখেন, ‘আজ উত্তরা দিয়াবাড়ি এলাকায় মাইলস্টোন কলেজ ক্যাম্পাসের পাশে ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনা ঘটেছে। একটি বিমান ভবনের ওপর ক্র্যাশ করে, পুরো ভবন আংশিক ধসে পড়েছে। চারপাশে আতঙ্ক, কান্না আর অস্থিরতা। সবাইকে অনুরোধ করছি অপ্রয়োজনে ভিড় না করে নিরাপদ দূরত্বে থেকে উদ্ধারকাজে সহায়তা করুন।’

    অভিনেতা তৌসিফ মাহবুব রক্তদানে এগিয়ে আসার অনুরোধ জানিয়ে বলেন, ‘যারা উত্তরার আশপাশে আছেন, রক্ত দিতে পারবেন, তারা আশপাশের হাসপাতালে চলে যান।’

    নাট্যশিল্পী সাদিয়া আয়মান জানান, ‘উত্তরা আধুনিক হাসপাতাল ও মনসুর আলী মেডিকেলে প্রচুর রক্তদাতার প্রয়োজন। প্লিজ এগিয়ে আসেন!’

    অভিনেত্রী সামিরা খান মাহি লিখেছেন, ‘আজ এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান মাইলস্টোন কলেজের দিয়াবাড়ি ক্যাম্পাসে বিধ্বস্ত হয়েছে। প্রাথমিক খবরে জানা গেছে, বহু ছাত্র-ছাত্রী হতাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। আল্লাহ তুমি সবাইকে হেফাজতে রাখো।’

    গায়িকা পড়শি লিখেছেন, ‘উত্তরা মাইলস্টোন স্কুলে ট্রেনিং বিমান বিধ্বস্ত। সকল শিক্ষার্থীসহ যারা আক্রান্ত হয়েছেন সবার জন্য প্রার্থনা করছি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • সেই দুই শিশুর পরিবারের সন্ধানে তমা মির্জার ফেসবুক পোস্ট

    উত্তরার মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিমানবাহিনীর একটি প্রশিক্ষণ বিমান বিধ্বস্ত হওয়ার ঘটনায় গোটা দেশ শোকস্তব্ধ। এ দুর্ঘটনায় বহু শিক্ষার্থী প্রাণ হারিয়েছে এবং আহত হয়েছেন অনেকে। আহতদের অন্তত ৩০ জন বর্তমানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে।

    ঘটনার পর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটিতে ভিড় করেছেন অভিভাবক, স্বজন ও স্থানীয় বাসিন্দারা। অনেক শিশু-শিক্ষার্থী নিরাপদে সরিয়ে নেওয়া হলেও এখনো অনেকের পরিচয় নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এ অবস্থায় দুই নিখোঁজ শিশুর পরিবারের খোঁজ করছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারপ্রাপ্ত অভিনেত্রী তমা মির্জা।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শিশুদের পরিচয় শনাক্তে একাধিক পোস্ট দিয়েছেন তমা। একটি পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘এই বাচ্চাটা কে, কেউ চিনলে জানাবেন প্লিজ। ও আমার স্কুল ফ্রেন্ডের ভাইয়ের অফিসে আছে। সেফ আছে, তবে ও নিজের ঠিকানা বা পরিচয় কিছুই বলতে পারছে না। কেউ চিনতে পারলে হাবিব ভাইয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।’

    আরেকটি পোস্টে তিনি জানান, ‘এই শিশুটিকে কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতাল থেকে ঢাকা বার্ন ইউনিটে আনা হচ্ছে। এখনো কোনো অভিভাবকের খোঁজ মেলেনি। কেউ যদি চিনে থাকেন, তাহলে দয়া করে ০১৮১১৬৯৬০৩৩ নম্বরে যোগাযোগ করুন।’

    তমা মির্জার শেয়ার করা তথ্য অনুযায়ী, দুই শিশুই মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের বাংলা মিডিয়ামের তৃতীয় শ্রেণির শিক্ষার্থী। বার্ন ইউনিটে নেওয়া শিশুটির নাম মো. জুনায়েত হাসান এবং নিরাপদে রাখা অপর শিশুটির নাম মোছা. আসমাউল হুসনা জায়রা।

    আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর (আইএসপিআর) জানিয়েছে, বিমানবাহিনীর এফ-৭ বিজেআই মডেলের প্রশিক্ষণ বিমানটি দুপুর ১টা ৬ মিনিটে উড্ডয়ন করে। ফায়ার সার্ভিসের তথ্য অনুযায়ী, মাত্র ১২ মিনিট পর ১টা ১৮ মিনিটে সেটি মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়।

    এখন পর্যন্ত ১৯ জনের মৃত্যুর খবর নিশ্চিত হয়েছে। আহতদের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। দুর্ঘটনাস্থলে উদ্ধার কাজ চালাচ্ছে ফায়ার সার্ভিসের একাধিক ইউনিট।

    অনলাইন ডেস্ক