
দেশের নজরুল সংগীতের বরেণ্য শিল্পী ফেরদৌস আরা। শুধু গায়কী দিয়ে নয়, নজরুল গবেষণায় ও নজরুলগীতির স্বরলিপি করণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছেন জনপ্রিয় এ শিল্পী। আজ বিদ্রোহী কবির ১২৫তম জন্মজয়ন্তী। দিনটি উপলক্ষে আজকের ‘হ্যালো…’ বিভাগে কথা বলেছেন এই সংগীতশিল্পী।
rnrn
নজরুলের জন্মবার্ষিকী নিয়ে ব্যস্ততা কেমন?
rnrn
আজ সংস্কৃতি মন্ত্রণালয় থেকে নজরুল ইন্সটিটিউট যে অনুষ্ঠানটি করছে জাতীয় জাদুঘরে সেখানে গান গাইব। ইন্ডিয়ান হাই কমিশনের একটা অনুষ্ঠান আছে। ২৬ মে সকালে ভারতের আসানসোল কেএনইউ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অনুষ্ঠানে গাই গাইবো। এছাড়াও সেখানে অনেক অর্গানাইজেশনের মাধ্যমে অনুষ্ঠান আয়োজন করা হয়েছে সেগুলোতেও গাইব। তারপর জুলাই মাসে আসামের গুয়াহাটিতে একটা অনুষ্ঠান আছে, তারপর কানাডায়।
rnrn
নজরুল সংগীতে আগ্রহ কীভাবে তৈরি হয়েছিল আপনার মধ্যে?
rnrn
এটা খুব স্বতঃস্ফূর্তভাবে হয়েছে। কখন যে হয়েছে বলতে পারব না। একটা সময় বুঝতে পারি, যে গান আমাকে বেশি টানে সেটি হচ্ছে নজরুল সংগীত।
rnrn
অনেক নজরুল সংগীত শিল্পী আপনাকে অনুসরণ করেন। আপনার গায়কীতে কী কী বৈশিষ্ট্য লক্ষ্য করেছেন?
rnrn
গায়কীর বিষয়টি হচ্ছে আধ্যাত্মিক, স্রষ্টা প্রদত্ত। এটা আপনার উপলব্ধি থেকে যে ভাব প্রকাশ, সংগীতে যে গভীরতা, যে ভাবটা ভেতরে লালন করছেন সেই ভাবটাই সংগীতের মাধ্যমে প্রকাশ পায়। বেসিক্যালি গায়কীটা পেয়েছি আমার পিতার কাছ থেকে। আমার বিশেষত্বটাই হচ্ছে গায়কী।
rnrn
নজরুলসংগীতে কোনো অপূর্ণতা রয়েছে?
rnrn
আমার সৌভাগ্য যে, এবার নজরুলের ১২৫তম জন্মজয়ন্তী পেয়েছি। অনেক কিছুই ভাবনায় রয়েছে, অনেক কর্মই করার ইচ্ছে আছে। জীবনে অনেক চেষ্টা করেছি মানুষকে দিয়ে যেতে। সেই চেষ্টা থেকে ‘একক কণ্ঠে হাজার গান’ বলে আমার একটা রেকর্ডিং করে যাচ্ছি শুদ্ধ বাণী ও প্রমিত সুরে নজরুলের গানগুলো প্রচার প্রসার করে যাওয়ার।
rnrn
আপনার উপলব্ধি থেকে নজরুলকে নিয়ে কী বলবেন?
rnrn
কাজী নজরুল ইসলাম অল্প সময়ের মধ্যেই সংগীতকে এতো বেশি সমৃদ্ধশালী করেছেন, তার সৃষ্টি দিয়ে গেছেন যা অন্য কোন কবির মধ্যে নেই। নজরুল সবসময় অসাম্প্রদায়িক থেকেছেন জীবনের ক্ষেত্রে এবং লিখনির ক্ষেত্রে। কোন কবি প্রত্যেক মুহূর্তে গান লিখতে পারেননি যা কবি নজরুল লিখে দেখিয়েছেন। তিনি অসাম্প্রদায়িকতার চূড়ান্ত পর্যায়ে গিয়েও মানুষের কথা বলে গিয়েছেন।
rn
rnরিয়েল তন্ময়
আনন্দনগর প্রতিবেদন





