
সরকারি পদ থেকে নিজেকে সরিয়ে নেওয়ার পর সংসদ সদস্যপদ থেকেও পদত্যাগ করেছেন টালিউড অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। বৃহস্পতিবার বিধানসভায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির কাছে গিয়ে পদত্যাগপত্র দিয়েছেন তিনি। তবে এবার তারকা এই সাংসদের পোস্টে উঠে এলো আক্ষেপ ও অভিমানের বার্তা।
rnrn
শনিবার ওপার বাংলার এ অভিনেত্রী ইনস্টা স্টোরিতে বব মার্লের এক জীবনদর্শনের কথা শেয়ার করেছেন। যার সারমর্ম করলে দাঁড়ায়— ‘মানুষ যখন সৎ থাকে, তখনই সবাই তাকে ঘৃণা করে; কিন্তু মুখোশ পরা মানুষেরাই ভালোবাসা পায়।’
rnrn
মিমি যাদবপুর থেকে তৃণমূল প্রার্থী হিসেবে জয়ী হয়েছিলেন। বৃহস্পতিবার বিধানসভা থেকে বেরিয়ে সংসদ সদস্যপদ ছাড়ার কারণ জানিয়েছিলেন টালিউড হার্টথ্রুব। তিনি বলেছিলেন, আমি বিশ্বাস করি রাজনীতি আমার জন্য নয়। কেননা রাজনীতি করলে আমাকে গালাগাল দেওয়ার লাইসেন্স পেয়ে যায় মানুষ। জেনেশুনে কখনো কারও ক্ষতি করিনি আমি। আমি রাজনীতিক নই। আর কখনো রাজনীতিক হবও না। আমি সবসময় একজন কর্মী হিসেবে মানুষের জন্য কাজ করতে চেয়েছি। বিরোধী দলের কারও বিরুদ্ধে কখনো বাজে কথা বলিনি।
rnrn
টালিউড তারকা বলেছিলেন, লোকসভায় কতদিন উপস্থিত থেকেছি আমি, সেসব নিয়ে মানুষের মাথাব্যথা। এক মাস দিল্লিতে থাকলে মানুষ বলবে সংসদ সদস্য দিল্লিতে থাকেন, এখানে তিনি কাজ করেন না। আবার এখানে থাকলে বলা হবে, সংসদে উপস্থিতি কম আমার। সবদিকে ভারসাম্য রাখতে হয়।
rnrn
সেই ঘটনার পর দিন শুক্রবার বিকালে সামাজিক মাধ্যমে সাংসদ খাতের হিসাব দেন যাদবপুরের তৃণমূল সাংসদ। বলেন, সাংসদ ফান্ডের কত টাকা কোথায় ব্যবহার হয়েছে, কোথায় কাজ হয়েছে, সেই তথ্য নির্দিষ্ট পোর্টালেই পেয়ে যাবেন। এক নম্বরে কার নাম রয়েছে, সেটা যাচাই করে নিন। আর সেটাই আমার গর্বের কারণ।
rnrn
২০১৯ সালের লোকসভা ভোটে তৃণমূলের টিকিটে জিতে যাদবপুরের সাংসদ হিসেবে নির্বাচিত হয়েছিলেন তিনি। এই কয়েক বছরে মোট ১৭ কোটি টাকার বেশি কাজ করেছেন সংসদীয় এলাকার জন্য। কোন এলাকায় কত টাকা খরচ হয়েছে? তার হিসাবও দিয়েছেন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে।
বিনোদন ডেস্ক





