ভারতে নেওয়া হলো কারিনাকে, সঙ্গে যেতে পারেননি বাবা কায়সার হামিদ

Written by

in

লিভারজনিত জটিলতায় গুরুতর অসুস্থ কনটেন্ট ক্রিয়েটর ও অভিনেত্রী কারিনা কায়সার। তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ভারতের চেন্নাই নেয়া হয়েছে। সোমবার (১১ মে) রাত ১১টার দিকে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে চেন্নাইয়ের উদ্দেশে রওনা দেন তিনি। জানা গেছে, ভোর রাতের দিকে কারিনাকে চেন্নাইয়ের একটি হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

কারিনার সঙ্গে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে রয়েছেন তার মা ও দুই ভাই। তবে আপাতত দেশে থেকেই গেছেন তার বাবা, জাতীয় ফুটবল দলের সাবেক তারকা কায়সার হামিদ। চিকিৎসার ব্যয় সামলাতে প্রয়োজনীয় অর্থের ব্যবস্থা করতেই তাকে দেশে থাকতে হচ্ছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

গণমাধ্যমে কায়সার হামিদ বলেন, দেশে এখনো তার কিছু গুরুত্বপূর্ণ কাজ বাকি রয়েছে। পাশাপাশি ব্যয়বহুল চিকিৎসার খরচ জোগাড় করতেও সময় লাগছে। তাই এই মুহূর্তে মেয়ের সঙ্গে যেতে পারেননি তিনি। তবে পরিবারের অন্য সদস্যরা কারিনার সঙ্গেই রয়েছেন। মেয়ের সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়াও চেয়েছেন সাবেক এই ফুটবলার।

এর আগে সোমবার দুপুরে তিনি জানিয়েছিলেন, চেন্নাই থেকে বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্স আসছে এবং পরিবারের সদস্যদের ভিসাও হাতে এসেছে। তবে হাসপাতালের বিল, চিকিৎসা ও এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের খরচ মেটাতে পরিবারকে বড় ধরনের আর্থিক চাপে পড়তে হয়েছে। এজন্য ফিক্সড ডিপোজিট ভাঙার পাশাপাশি জমি বিক্রির উদ্যোগও নিয়েছেন তারা।   

আরও পড়ুন
আরও পড়ুন

গত শুক্রবার রাত থেকে রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে লাইফ সাপোর্টে আছেন কারিনা। পরিবার সূত্র জানায়, কয়েক দিন ধরেই তিনি অসুস্থ ছিলেন। পরে অবস্থার দ্রুত অবনতি হলে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। চিকিৎসকেরা জানান, তার শরীরে সংক্রমণ রয়েছে এবং তিনি হেপাটাইটিস এ-তে আক্রান্ত। আগে থেকেই তার ফ্যাটি লিভারের সমস্যা ছিল। পরে জটিলতা বাড়তে বাড়তে লিভার ফেইলিউর দেখা দিলে তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়। 

কারিনার বর্তমান শারীরিক অবস্থা সম্পর্কে কায়সার হামিদ জানিয়েছেন, অবস্থার খুব একটা পরিবর্তন হয়নি। তবে চিকিৎসকেরা তার রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পেরেছেন।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রাণবন্ত উপস্থিতির মাধ্যমে জনপ্রিয়তা পাওয়া কারিনা কায়সার সাম্প্রতিক সময়ে অভিনয় ও চিত্রনাট্য লেখার কাজেও ব্যস্ত ছিলেন। তার উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে ইন্টার্নশিপ ও ৩৬-২৪-৩৬।

বিনোদন ডেস্ক

Comments

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *