Blog

  • ‘মিথ্যা সাময়িক, কিন্তু সত্য চিরস্থায়ী’—শাবনূরের রহস্যময় বার্তা

    ঢাকাই সিনেমার একসময়ের জনপ্রিয় নায়িকা শাবনূরের সম্প্রতি দেওয়া এক ফেসবুক পোস্টের রহস্যময় বার্তা আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নিজের একাধিক ছবি শেয়ার করে ক্যাপশনে মাত্র পাঁচটি শব্দের এই বার্তায় লেখা ছিল—‘মিথ্যা সাময়িক, কিন্তু সত্য চিরস্থায়ী।’ 

    সম্প্রতি সালমান শাহ হত্যা মামলাকে ঘিরে নানা আলোচনা ও শাবনূরকে নিয়ে বিভিন্ন দাবি সামনে আসার মাঝেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অভিনেত্রী এমন রহস্যময় বার্তা দিলেন, যা নেটিজেনদের মাঝে নতুন করে কৌতূহল তৈরি করেছে। 

    তবে এই বার্তায় তিনি কাউকে উদ্দেশ্য করে কিছু বলেননি বা সালমান শাহ হত্যা মামলার প্রসঙ্গও সরাসরি উল্লেখ করেননি। 

    উল্লেখ্য, সালমান শাহর মৃত্যুর সঙ্গে এর আগে নানা সময়ে শাবনূরের সম্পৃক্ততার অভিযোগ উঠেছে। এমনকি কেউ কেউ তাকে গ্রেফতারের দাবিও জানিয়েছেন। এর মধ্যেই সালমান শাহ হত্যা মামলার শুনানি শেষে রাষ্ট্রপক্ষের পাবলিক প্রসিকিউটর ওমর ফারুক ফারুকী গণমাধ্যমকে অভিনেতা ডনের আগের দেওয়া জবানবন্দির বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন। 

    জবানবন্দির বরাত দিয়ে এই পাবলিক প্রসিকিউটর জানান, ঘটনার দিন সালমান শাহর বাসায় সামিরা, আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ আরও কয়েকজন উপস্থিত ছিলেন। তার দাবি, প্রথমে সালমান শাহর নাক-মুখে ক্লোরোফর্ম প্রয়োগ করে তাকে অচেতন করা হয়। পরে অচেতনতা আরও গভীর করতে বিশেষ ইনজেকশন দেওয়া হয়। মৃত্যু নিশ্চিত হওয়ার পর ঘটনাটিকে আত্মহত্যা হিসেবে দেখাতে মরদেহ সিলিং ফ্যানের সঙ্গে দড়ি দিয়ে ঝুলিয়ে দেওয়া হয়।

    ওমর ফারুক ফারুকীর ভাষ্য অনুযায়ী, ডন তার জবানবন্দিতে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত দড়ি নিজের কোমরে বেঁধে সালমান শাহর বাসায় নিয়ে যাওয়ার কথাও স্বীকার করেছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সালমান শাহর মৃত্যুর রহস্য উন্মোচনের দাবি দীর্ঘদিনের। নায়কের ভক্তদের পাশাপাশি বিভিন্ন মহল থেকেও মামলার আসামিদের গ্রেফতার ও ঘটনার প্রকৃত সত্য প্রকাশের দাবি উঠে এসেছে। 

    এসব ব্যাপারে বরাবর নিশ্চুপ থাকলেও মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) ফেসবুকে এই ছোট্ট বাক্য লিখেই যেন না বলা নানা কথা জানালেন এই অভিনেত্রী। 

    যদিও সালমান শাহ হত্যা মামলার সঙ্গে বিভিন্ন সময় অনেকেই শাবনূরের সম্পৃক্ততাও খোঁজার চেষ্টা করলেও নায়কের মা নীলা চৌধুরীর আবার ভিন্নমত। 

    সালমান-শাবনূরকে নিয়ে নব্বইয়ের দশক থেকেই ‘প্রেমঘটিত’ গুঞ্জন ছিল। কিন্তু এই নায়িকা বরাবরই বলে এসেছেন, সালমান শাহকে তিনি ভাইয়ের মতোই দেখতেন। সম্প্রতি সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরীও শাবনূরের এই বক্তব্যকে সমর্থন করে বলেছেন, তার ছেলের সঙ্গে শাবনূরের প্রেমের সম্পর্ক ছিল না; সালমান তাকে বোনের মতোই দেখতেন। 

    প্রসঙ্গত, ঢালিউড ইতিহাসের অন্যতম জনপ্রিয় জুটি ছিলেন সালমান শাহ ও শাবনূর। ‘তুমি আমার’ সিনেমার মাধ্যমে তাদের জুটি শুরু হয়। এরপর ‘সুজন সখী’, ‘বিচার হবে’, ‘বিক্ষোভ’, ‘স্বপ্নের ঠিকানা’, ‘মহামিলন’, ‘তোমাকে চাই’, ‘স্বপ্নের পৃথিবী’, ‘জীবন সংসার’, ‘চাওয়া থেকে পাওয়া’, ‘প্রেম পিয়াসী’, ‘স্বপ্নের নায়ক’ ও ‘আনন্দ অশ্রু’সহ ১৪টি সিনেমায় একসঙ্গে অভিনয় করেন তারা। এই জুটির বেশিরভাগ সিনেমাই ছিল ব্যবসাসফল। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সময়ের সঙ্গে অনেক কিছু পরিবর্তন হয়: অপু বিশ্বাস

    ঢালিউডে বইছে পরিবর্তনের হাওয়া। চলচ্চিত্রে যুক্ত হচ্ছে নতুন প্রযুক্তি ও আধুনিক দৃষ্টিভঙ্গি। এরই ধারাবাহিকতায় দেশের সিনেমায় ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে বলে মনে করেন চিত্রনায়িকা অপু বিশ্বাস। তার মতে, বর্তমান সময়ে চলচ্চিত্রের মান ধরে রাখতে হলে কাজের প্রতি পূর্ণ মনোযোগ, দক্ষতা ও পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করার কোনো বিকল্প নেই।

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নতুন চলচ্চিত্র ও কাজের অভিজ্ঞতা শেয়ার করতে গিয়ে দেশীয় সিনেমার বর্তমান প্রেক্ষাপট ও কারিগরি টিমের কাজের প্রশংসা করেন এই অভিনেত্রী।

    অপু বিশ্বাস বলেন, ‘বাংলাদেশে যারা টেকনিশিয়ান বা কারিগরি পারসন আছেন, তারা অত্যন্ত মেধাবী। নাহলে আমরা বা আমাদের আগের-পরের শিল্পীরা আজকের এই অবস্থানে আসতে পারতেন না। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে তো অনেক কিছু পরিবর্তন হয়। তাই সময়ের চাহিদা মেনে নিজেদের গড়ে তোলা ও আপডেট হওয়াটাও খুব জরুরি।’

    কাজের পেশাদারিত্ব ও নিখুঁত পরিকল্পনার বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করে অভিনেত্রী বলেন, ‘বর্তমানে যেসব টিম কাজ করছে, তারা কাজের ক্ষেত্রে অনেক বেশি প্রফেশনাল। প্রফেশনালিজম বলতে আমি এটাই বোঝাতে চাই যে কাজটাই করা হোক না কেন, সেখানে ডেডিকেশন থাকবে ১০০ পারসেন্ট, কোনো ছাড় থাকবে না।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আগে অনেক সময় দেখা যেত বিভিন্ন সীমাবদ্ধতার কারণে লোকেশন বা অন্যান্য বিষয়ে কম্প্রোমাইজ করতে হতো। কিন্তু এখনকার নতুন টিমগুলো গল্পের প্রয়োজনে কোনো আপস করে না। তাদের এই অদম্য মনোযোগই প্রমাণ করে তারা কতটা পেশাদার। সিনেমাকে আন্তর্জাতিক মানে নিয়ে যেতে এই মানসিকতাই সবচেয়ে বেশি দরকার।’

    তার কথায়, ‘স্বদেশি টিমের সঙ্গে কাজ করার অনুভূতি সবসময়ই স্পেশাল। এখানে কাজের পাশাপাশি একটা আন্তরিকতা থাকে। আর একজন প্রফেশনাল আর্টিস্ট হিসেবে কাজের ভালো-মন্দ কিছুটা মূল্যায়ন করার জাজমেন্ট করার ক্ষমতা আমার তৈরি হয়েছে। সেই অভিজ্ঞতার জায়গা থেকেই বলছি, আমাদের চলচ্চিত্রে পরিবর্তনের এই নতুন ধারাটা সত্যিই প্রশংসনীয়।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আমার হৃদয় চায় উড়ে পাকিস্তানে চলে যাই’

    নিজের ৮০তম জন্মদিনে পাকিস্তানের কাটানো স্মৃতি এবং সেখানকার মানুষের কাছ থেকে পাওয়া অফুরন্ত ভালোবাসার কথা গভীর অনুরাগের সঙ্গে স্মরণ করলেন প্রাক-স্বাধীন ও স্বাধীনোত্তর যুগের জনপ্রিয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী শবনম। 

    ঢাকায় আয়োজিত জন্মদিনের বিশেষ অনুষ্ঠানে ‘দেহলিজ’ খ্যাত এই কিংবদন্তি বাংলাদেশি অভিনেত্রী জানান, তার ভক্তরা ভালোবেসে নিজেদের কন্যাসন্তানদের নামও তার নামে রাখতেন।

    পাকিস্তান চলচ্চিত্রের স্মৃতিকাতরতায় তিনি বলেন, ‘আমি পাকিস্তানকে খুব মিস করি। আমার হৃদয় চায় উড়ে পাকিস্তানে চলে যাই।’ 

    নিজের দীর্ঘ অভিনয় জীবন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে তিনি জানান, তৎকালীন সময়ের প্রায় সব শীর্ষ নায়কের সঙ্গেই কাজ করার সুযোগ হয়েছে তার। তবে প্রবীণ অভিনেতা নাদিমের সঙ্গেই সবচেয়ে বেশি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ৮০তম জন্মদিনে পদার্পণ উপলক্ষে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা অসংখ্য অনুরাগী ও শুভানুধ্যায়ীদের শুভেচ্ছা বার্তায় সিক্ত হন এই বর্ষীয়ান অভিনেত্রী। নন্দিত এই অভিনেত্রী ১৯৪৬ সালের ১৭ আগস্ট জন্মগ্রহণ করেন। 

    উল্লেখ্য, শবনম তার ক্যারিয়ারে উর্দু, বাংলা ও পাঞ্জাবি মিলিয়ে প্রায় ১৬০টি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। বিশেষ করে পাকিস্তানের কিংবদন্তি অভিনেতা নাদিমের সঙ্গে তার অনস্ক্রিন জুটি তৎকালীন সময়ে একের পর এক সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছিল, যা আজও চলচ্চিত্রপ্রেমীদের হৃদয়ে অমলিন। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিশুদের টক্সিক দেখা উচিত নয়: ইয়াশ

    ইয়াশ অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত সিনেমা ‘টক্সিক’-এর ট্রেলারেই অ্যাকশন, সহিংসতা ও ঘনিষ্ঠ দৃশ্যের আভাস পাওয়া গেছে। এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে অভিনেতা ইয়াশ স্পষ্ট করে জানিয়েছেন, সিনেমাটি শিশুদের জন্য নয়।

    তরুণ দর্শকদের সিনেমাটি থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি। যশের মতে, ‘টক্সিক’ প্রাপ্তবয়স্কদের জন্য নির্মিত হয়েছে। তারা নিজেদের পছন্দ অনুযায়ী সিনেমাটি দেখবেন এবং গল্প থেকে কী শিক্ষা নেবেন, সে সিদ্ধান্ত নিজেরাই নিতে পারবেন।

    তিনি আরও জানান, ট্রেলারে সিনেমার সবকিছু দেখানো হয়নি। সিনেমার কিছু তীব্র দৃশ্য ইতোমধ্যে নেতিবাচক প্রতিক্রিয়ার জন্ম দিলেও ইয়াশের দাবি, ‘টক্সিক’-এর গল্প অত্যন্ত বাস্তব ও গভীর।

    রজত শর্মার অনুষ্ঠান ‘আপ কি আদালত’-এ ইয়াশ বলেন, শিশুদের এই সিনেমা দেখা উচিত নয়। তাদের বাড়িতে থাকা উচিত। এটি শিশুদের জন্য নির্মিত হয়নি, বিষয়টি খুবই পরিষ্কার। প্রাপ্তবয়স্করা ভালো-মন্দ বোঝেন। তারা কী দেখতে চান, সিনেমা থেকে কী শিখতে চান এবং জীবনে কী করতে চান না—এসব বিষয়ে নিজেরাই সিদ্ধান্ত নিতে পারেন। তবে সিনেমাটির গল্প খুবই বাস্তব ও গভীর।

    ইয়াশ গল্পের ধরন সম্পর্কে ধারণা পেতে পারেন। শুরু থেকেই এই ট্যাগলাইন সিনেমাটির সঙ্গে রয়েছে এবং এটি স্পষ্ট করে যে ‘টক্সিক’ মূলত প্রাপ্তবয়স্ক দর্শকদের জন্য নির্মিত।

    অভিনেতা আরও বলেন, গল্পকে এমন একটি পর্যায়ে নিয়ে যেতে হবে, যেখানে তার চরিত্রের প্রতিটি দিক গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। গল্পকে কার্যকর করতে চরিত্রটির প্রতিটি স্তর যথাযথভাবে তুলে ধরা প্রয়োজন বলে মনে করেন তিনি। একইসঙ্গে এমন গল্প সততা ও স্বাভাবিকতার সঙ্গে উপস্থাপন করা উচিত বলেও মনে করেন যশ।

    গীতু মোহনদাস পরিচালিত ‘টক্সিক’ সিনেমায় দ্বৈত চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইয়াশ। সিনেমাটিতে তার সঙ্গে রয়েছেন কিয়ারা আদভানি, নয়নতারা, তারা সুতারিয়া, হুমা কুরেশি ও রুক্মিণী বসন্ত।

    আগামী ২৬ আগস্ট প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে সিনেমাটির।

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • লম্বা হওয়ার কারণেও প্রত্যাখ্যাত হয়েছিলেন অমিতাভ বচ্চন

    বলিউডের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন ক্যারিয়ারের শুরুতে নানা প্রতিকূলতার মুখোমুখি হয়েছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি তার চেহারা ও অতিরিক্ত উচ্চতা নিয়েও একসময় সমালোচনা শুনতে হয়েছে। সম্প্রতি ক্যারিয়ারের শুরুর দিকের এমনই এক তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা জানিয়েছেন এই বর্ষীয়ান অভিনেতা।

    ‘কৌন বানেগা ক্রোড়পতি ১৮’-এর বিশেষ এক পর্বে কমনওয়েলথ গেমস ২০২৬-এর স্বর্ণজয়ী অ্যাথলেট লাভলিনা বরগোহাইন, ঝান্ডু কুমার, শর্মিলা ধনকর ও অস্মিতা দের সঙ্গে কথোপকথনের সময় অমিতাভ তার পুরোনো দিনের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন।

    অস্মিতা জানতে চান, প্রশিক্ষণের সময় ভুল করলে যেমন অ্যাথলেটদের কোচদের বকুনি খেতে হয়, তেমনি অমিতাভও কি চলচ্চিত্রের শুটিং সেটে বকুনি খেয়েছেন?

    জবাবে অমিতাভ বচ্চন জানান, ক্যারিয়ারের শুরুতে তাকে অনেক বকাঝকা শুনতে হয়েছে। তিনি বলেন, শুরুর দিকে আমাকে অনেক বকুনি শুনতে হয়েছে। বলা হত, তুমি অভিনয়ের কিছুই জানো না। তুমি অনেক লম্বা, বাড়ি চলে যাও।

    অভিনেতা জানান, পরে যখন তিনি কাজের সুযোগ পেতে শুরু করেন, তখনও তাকে নানা বিষয়ে সংশোধন করা হত। অমিতাভ বলেন, তখন বলা হত, ঠিক আছে, ওখানে দাঁড়াও এবং সংলাপ বলো। এরপর তারা জিজ্ঞেস করত, এভাবে কেউ সংলাপ বলে? তারা আমাকে বকত, ভুল ধরিয়ে দিত এবং সংশোধন করত। এভাবেই ধীরে ধীরে আমি উন্নতি করেছি।

    ক্যারিয়ারের শুরুর দিকে শুটিংয়ে দেরি করায় একবার পরিচালক তাকে সেট থেকে বের করে দিয়েছিলেন বলেও জানান অমিতাভ।

    তিনি বলেন, সাধারণত আমি সময়মতো শুটিংয়ে পৌঁছানোর চেষ্টা করি। একবার আমি দেরি করে ফেলেছিলাম। পরিচালক তখন সেটের বাইরে দাঁড়িয়ে ছিলেন। সে সময় আমার নিজের কোনো গাড়ি ছিল না, তাই অন্য একজনের গাড়িতে করে সেখানে পৌঁছাই। আমাকে দেখেই পরিচালক জানান, শুটিং শেষ করে সবাই চলে গেছে। এরপর তিনি আমাকে সেখান থেকে চলে যেতে বলেন।

    অমিতাভ বচ্চনের দীর্ঘ অভিনয়জীবনের শুরুর দিকের এই অভিজ্ঞতা আবারও তুলে ধরেছে, তারকা হওয়ার আগে তাকে কতটা সংগ্রাম করতে হয়েছে।

    এদিকে কাজের দিক থেকে অমিতাভ বচ্চনকে পরবর্তী সময়ে প্রভাসের সঙ্গে ‘কালকি ২’ সিনেমায় দেখা যাবে। সিনেমাটি ২০২৭ সালের ডিসেম্বরে প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাওয়ার কথা রয়েছে।

    সূত্র: এনডিটিভি

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিচ্ছেদের গুঞ্জনে এক শব্দে জবাব দিলেন আয়েজা খান

    পাকিস্তানের জনপ্রিয় অভিনেত্রী আয়েজা খান তার স্বামী ও অভিনেতা দানিশ তৈমুরের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের গুঞ্জন নিয়ে মুখ খুলেছেন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নানা জল্পনার মধ্যে একটি ফ্যান পেজের পোস্টে মাত্র এক শব্দে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে এসব গুঞ্জনকে উড়িয়ে দিয়েছেন তিনি।

    প্রতিবেদন অনুযায়ী, আয়েজা ওই ফ্যান পেজের পোস্টে ‘ফেক’ (ভুয়া) লিখে মন্তব্য করেন। তার এই সংক্ষিপ্ত প্রতিক্রিয়াকে অনেক ভক্তই দাম্পত্য জীবনে কোনো সমস্যা নেই—এমন ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন।

    সম্প্রতি আয়েজা ও দানিশের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রম ঘিরে নানা প্রশ্নের জন্ম নেয়। বিশেষ করে দানিশের নাটক ‘হামরাহি’র শেষ পর্ব উপলক্ষে করাচিতে আয়োজিত বিশেষ প্রদর্শনীতে আয়েজাকে দেখা না যাওয়ার পর গুঞ্জন আরও জোরালো হয়।

    এরপর গত ৮ আগস্ট দম্পতির নিকাহ বার্ষিকী নিয়েও তারা প্রকাশ্যে কোনো পোস্ট বা শুভেচ্ছা জানাননি বলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ব্যবহারকারীরা লক্ষ্য করেন। এমনকি ১৪ আগস্টের আশপাশেও তাদের কোনো পারিবারিক ছবি বা বিবাহবার্ষিকীসংক্রান্ত পোস্ট না থাকায় অনেকে তাদের সম্পর্ক নিয়ে প্রশ্ন তুলতে শুরু করেন।

    এরই মধ্যে আয়েজা একটি সাদাকালো ছবি পোস্ট করেন। ছবিতে তাকে দুই হাত দিয়ে কান ঢেকে রাখতে এবং কিছুটা নির্লিপ্ত অবস্থায় দেখা যায়। ছবিটি প্রকাশের পর অনেকে এটিকে রহস্যময় বার্তা হিসেবে ব্যাখ্যা করে চলমান গুঞ্জনের সঙ্গে যুক্ত করেন।   

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কেউ কেউ দাবি করেন, আয়েজা ও দানিশ হয়তো দাম্পত্য জীবনে কঠিন সময় পার করছেন। আবার অনেকে তাদের বিচ্ছেদের আশঙ্কাও প্রকাশ করেন। তবে এসব দাবি নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেননি আয়েজা বা দানিশ। তাদের দাম্পত্য জীবনে কোনো সমস্যা রয়েছে—এমন দাবিরও কোনো নিশ্চিত প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

    আয়েজা খান ‘পেয়ারি আফজাল’, ‘মেরে পাস তুম হো’ ও ‘চুপকে চুপকে’র মতো জনপ্রিয় নাটকে অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি পেয়েছেন। অন্যদিকে দানিশ তৈমুরও পাকিস্তানের পরিচিত অভিনেতা। এক দশকেরও বেশি সময় ধরে বিবাহিত এই তারকা দম্পতি সাধারণত ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে তুলনামূলকভাবে গোপনীয়তা বজায় রাখেন।

    তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তাদের কার্যক্রমের ওপর ভিত্তি করে ছড়িয়ে পড়া বিচ্ছেদের গুঞ্জনের বিপরীতে আয়েজার এক শব্দের ‘ফেক’ মন্তব্যই আপাতত তাদের ভক্তদের জন্য সবচেয়ে স্পষ্ট বার্তা হয়ে উঠেছে।

    সূত্র: সামা টিভি অনলাইন 

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুই আয়মানের মধ্যে সম্পর্ক নিয়ে যা জানা গেল

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মানকে কমবেশি সবাই চিনে। সর্বশেষ দেখা গেছে মহিদুল মহিমের নাটক ‘প্রিয় পরিবার’-এ। নাটকটি অন্তর্জালে এসেছে জুনে। এতে তার সঙ্গে অভিনয় করেছেন অভিনেতা ইরফান সাজ্জাদ। 

    এদিকে নাম বিভ্রাটের মুখোমুখি সাদিয়া আয়মান। এর মধ্যে অদ্ভুত এক কাণ্ড ঘটে গেছে। আরও একজন আয়মান সাদিক আছেন। পেশায় শিক্ষা ও সোশ্যাল ইনফ্লুয়েন্সে। নামে মিল আছে। একজন সাদিয়া আয়মান, আরেকজন আয়মান সাদিক। নামের এই মিলের কারণে অনেকেই মনে করেন তারা বাস্তবের ভাইবোন কিংবা একই পরিবারের সদস্য। চলার পথে কিংবা বিভিন্ন সময়ে দুজনেই প্রশ্নের সম্মুখীন হন— তারা একই পরিবারের সদস্য কিনা? তাদের ফেসবুক পোস্টের নিচেও এ ধরনের প্রশ্নসূচক মন্তব্য দেখা যায়।

    যদিও অবাক করার বিষয়— এ দুই আয়মানের মধ্যে এতদিন সরাসরি দেখাই হয়নি! অবশেষে দেখা হলো। সোমবার (১৭ আগস্ট) সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক পেজে সেই মুহূর্তের ছবি পোস্ট করেছেন সাদিয়া আয়মান। সঙ্গে তিনি লিখেছেন— ‘যে মানুষটির সঙ্গে আমার নামের কারণে এত গুঞ্জন, অবশেষে তার সঙ্গে দেখা হলো। দুই আয়মান, অবশেষে একফ্রেমে।’

    সেই ছবিটি পোস্ট করার পর সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে মুহূর্তেই ভাইরাল হয়ে পড়ে। সাদিয়ার পোস্টে ২০ মিনিটেরও কম সময়ে প্রতিক্রিয়া এসেছে ৪ হাজার। মন্তব্য শতাধিক। বোঝাই যাচ্ছে, দুই আয়মানকে ঘিরে নেটিজেনদের আগ্রহ কতটা প্রবল।

    দুই আয়মানকে একসঙ্গে দেখে নেটিজেনরা ভীষণ খুশি। এক নেটিজেন পরামর্শ দিয়ে লিখেছেন— ‘আপনারা দুজন ভাইবোন হয়ে যান।’ আরেক নেটিজেন লিখেছেন— ‘সামনের দুটো দাঁতেও মিল আছে। পুরাই ভাইবোন লাগে’। অন্য আরেক নেটিজেন লিখেছেন—‘রিউমার আর কী, ভাইবোনই তো ভাবতাম’।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • যে কারণে জন্মদিন পালন করতেন না ফারুক

    ঢালিউডের ‘মিয়া ভাই’খ্যাত অভিনেতা আকবর হোসেন পাঠান ওরফে ফারুকের আজ জন্মদিন। ১৯৪৮ সালের ১৮ আগস্ট গাজীপুরে জন্মগ্রহণ করেন তিনি। তার বাবা আজগার হোসেন পাঠানের পাঁচ মেয়ে ও দুই ছেলের মধ্যে ফারুক ছিলেন সবার ছোট। ছাত্রজীবনেই রাজনীতির সঙ্গে জড়িয়ে পড়েন এ অভিনেতা। ১৯৬৬ সালের ঐতিহাসিক ছয় দফা আন্দোলনে সক্রিয় ভূমিকা রাখেন। এরপর ঊনসত্তরের গণ-অভ্যুত্থান, সত্তরের নির্বাচন এবং একাত্তরের মহান মুক্তিযুদ্ধে অংশ নেন তিনি।

    গ্রামীণ পটভূমিকায় তিনি ছিলেন অনন্য এক অভিনেতা। একের পর এক তার দাপুটে অভিনয় জয় করেছিল কোটি দর্শকের মন। সেই নন্দিত অভিনেতা যিনি সবার কাছে পরিচিত ছিলেন ‘মিয়া ভাই’ হিসেবে। আজ জন্মদিনে নায়ক ফারুককে ঘিরে কোনো বিশেষ আয়োজনের খবর পাওয়া যায়নি। অবশ্য বেঁচে থাকাবস্থায় তিনি নিজেও জন্মদিন পালন করতেন না। 

    ১৯৭৫ সালের পর থেকে আর এ দিনটি উদযাপন করতেন না তিনি। কারণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের একনিষ্ঠ ভক্ত ছিলেন ফারুক। রাজনীতিও করেছেন সেই দলের। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট সপরিবারে হত্যার শিকার হন বঙ্গবন্ধু। ওই নৃশংস ঘটনার পর থেকে ১৮ আগস্ট জন্মদিনকে আর আনন্দের মনে করতে পারেননি অভিনেতা।

    দেশ স্বাধীনের পর বীরত্ব নিয়ে ফেরেন ঘরে, মনোযোগ দেন দেশের সাংস্কৃতিক বিকাশে। যদিও মুক্তিযুদ্ধের আগেই প্রথম সিনেমা ‘জলছবি’তে যুক্ত হন তিনি। এইচ আকবর পরিচালিত সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৭১ সালে। এতে তার সঙ্গে জুটি হয়েছিলেন কবরী। এ মুক্তিযোদ্ধা ক্যারিয়ারের শুরুর দিকেই প্রথম জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান। ‘লাঠিয়াল’ সিনেমায় অনবদ্য অভিনয়ের জন্য শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেতার পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি। এরপর আর এ পুরস্কারে আসেনি তার নাম। ২০১৬ সালের জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারে তাকে আজীবন সম্মাননা প্রদান করা হয়।

    ১৯৭৩ সালে খান আতাউর রহমানের ‘আবার তোরা মানুষ হ’ এবং পরের বছর নারায়ণ ঘোষ মিতার ‘আলোর মিছিল’-এ অভিনয় করে নিজেকে প্রমাণ করেন। অতঃপর ১৯৭৫-এ ‘সুজন সখী’ ও ‘লাঠিয়াল’ সিনেমা দুটির মাধ্যমে তিনি দেশব্যাপী জনপ্রিয়তা পান। সবাই তাকে এক নামে চিনতে ‘মিয়া ভাই’ হিসেবে।

    এর ‘মিয়া ভাই’ অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন। ২০১৮ সালের জাতীয় নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসন থেকে নির্বাচিত হন। তবে বেশি দিন ভূমিকা রাখতে পারেননি। দীর্ঘদিন ধরেই ছিলেন অসুস্থ। অবশেষে ২০২৩ সালের ১৫ মে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন মারা যান নন্দিত এ তারকা।

    ফারুক অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমাগুলো মধ্যে — ‘নয়নমনি’, ‘মাটির মায়া’, ‘সূর্যগ্রহণ’, ‘সারেং বৌ’, ‘গোলাপী এখন ট্রেনে’, ‘নদের চাঁদ’, ‘সখী তুমি কার’, ‘দোস্তী’, ‘লাল কাজল’, ‘ঝিনুক মালা’, ‘বিরাজ বৌ’, ‘শিমুল পারুল’, ‘মিয়া ভাই’, ‘পদ্মা মেঘনা যমুনা’, ‘জীবন সংসার’, ‘কোটি টাকার কাবিন’ ইত্যাদি।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • স্টাইলিশ আউটফিটে নজর কাড়লেন অপু বিশ্বাস

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী অপু বিশ্বাস আগের মতো অভিনয়ে নিয়মিত না। তবে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তার ভক্ত-অনুরাগীসহ নেটিজেনদের মাঝে তার সরব উপস্থিতি রয়েছে। 

    সিনেমার শুটিংয়ে বর্তমানে নেপালে রয়েছেন অপু বিশ্বাস। কাজের ফাঁকে ঘুরেছেন পাহাড়ে, উপভোগ করেছেন ঝরনার সৌন্দর্যও। মঙ্গলবার সাতসকালে এ নায়িকা কিছু ছবি প্রকাশ করেছেন সমুদ্রতট থেকে!

    সেই ছবিগুলোতে দেখা গেছে, গায়ে হালকা রোদের ছোঁয়া। কিন্তু ছবিগুলো কোথা থেকে তোলা, তা অবশ্য প্রকাশ করেননি অভিনেত্রী। এ ব্যাপারটি আলোচনায় নয়, বরং আলোচনায় তার আউটফিট। মাথায় ক্যাপ, চোখে রোদচশমা। স্লিভলেস ব্ল্যাক ক্যাজুয়াল টপস; প্রায় পুরো ব্ল্যাক কম্পোজিশনে বেশ নজর কেড়েছেন অপু বিশ্বাস। খোলামেলা চুলে ও হালকা হাসিতে এমন নান্দনিক স্থান উপভোগ করার মুহূর্তগুলো একদম সাবলীলভাবে ফ্রেমবন্দি করেছেন অপু বিশ্বাস।

    ছবি প্রকাশের পরপরই মন্তব্যের ঘরে ভিড় জমাচ্ছেন ভক্ত-অনুরাগীরা। সেই পোস্ট করা ছবিগুলোতে নানা প্রতিক্রিয়ার পাশাপাশি মন্তব্যের ঘরে ভালোবাসা প্রকাশ করছেন তার নেটিজেনরা।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • পূজা চেরির হুঁশিয়ারি

    সম্প্রতি ফেসবুক, ইউটিউবসহ বিভিন্ন সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বিয়ে নিয়ে নানা ধরনের পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। কোথাও তার বিয়ের ছবি ও ভিডিও ব্যবহারের পাশাপাশি বিয়ের তারিখ নিয়েও নানা দাবি করা হচ্ছে। এসব পোস্ট ঘিরে ভক্ত ও দর্শকদের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। তবে ছড়িয়ে পড়া এসব তথ্যের সত্যতা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে।

    বিভ্রান্তিকর খবরে চরম বিরক্তি ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এই চিত্রনায়িকা। সোমবার (১৭ আগস্ট) মধ্যরাতে সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্টে অভিনেত্রী এ নিয়ে কড়া বার্তা দেন; পাশাপাশি আইনি পদক্ষেপের হুঁশিয়ারি দেন।

    পূজা লিখেন, গত কিছুদিন ধরে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে আমার বিয়ে এবং ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে একের পর এক ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর সংবাদ প্রকাশ করা হচ্ছে। কখনো অমুক পেশার কারো সঙ্গে, কখনো অন্য কারো সঙ্গে নাম জড়িয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে নিউজ তৈরি করা হচ্ছে— যা অত্যন্ত বিব্রতকর এবং দুঃখজনক।

    নিজের বাগদান ও বিয়ের প্রস্তুতি প্রসঙ্গে পূজা বলেন, আমি আগেই একটি সাক্ষাৎকারে স্পষ্ট করে বলেছিলাম— আমি এনগেজড এবং পারিবারিকভাবেই আমার বিয়ে ঠিক করা হয়েছে। আমি এটাও নিশ্চিত করেছিলাম— যে যখনই আমার বিয়ের আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন হবে, আমি নিজেই তা প্রকাশ্যে অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে সবাইকে জানাব। লুকানোর কিছু নেই।

    বর্তমানে ক্যামেরার নেপথ্যে থাকার কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি লেখেন, বর্তমানে আমি নিজেকে কিছুটা সময় দিচ্ছি, নতুন কাজের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করছি এবং সেই কারণেই ক্যামেরার সামনে অনুপস্থিত।

    তিনি কড়া ভাষায় বলেন, কোনো তথ্য যাচাই না করে বারবার আমাকে জড়িয়ে এভাবে অসত্য সংবাদ প্রকাশ করার পেছনে উদ্দেশ্য কী, তা আমার বোধগম্য নয়। বারবার বলতে চাই— আমার এখনও বিয়ে হয়নি। যখন হবে, আপনারাই প্রথম জানতে পারবেন।

    তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, অনুমতি ছাড়া কারো ব্যক্তিস্বাধীনতায় হস্তক্ষেপ করা এবং কোনো নাগরিককে নিয়ে ভিত্তিহীন বা মিথ্যা তথ্য প্রচার করা আইনত দণ্ডনীয় অপরাধ। বাংলাদেশের সংবিধানের ৩১ ও ৪৩ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী প্রত্যেক নাগরিকের আইনি সুরক্ষা এবং তার ব্যক্তিগত জীবনের গোপনীয়তা ও সুনাম রক্ষার পূর্ণ অধিকার রয়েছে। সাইবার নিরাপত্তা আইন, ২০২৩-এর ২৫ ধারা অনুযায়ী ইন্টারনেটে বা ডিজিটাল মাধ্যমে ইচ্ছাকৃতভাবে কোনো ব্যক্তি সম্পর্কে মিথ্যা, অপমানজনক বা বিভ্রান্তিকর তথ্য প্রচার করা একটি শাস্তিযোগ্য অপরাধ।

    সবশেষে পূজা লিখেন, আমি সবসময় আপনাদের ভালোবাসা ও গণমাধ্যমের সহযোগিতাকে সম্মান জানিয়ে এসেছি। কিন্তু আমার নীরবতাকে কেউ যদি ভিত্তিহীন সংবাদের সুযোগ বানিয়ে নেয়, তবে আমি নিজের আইনি অধিকার রক্ষায় বাধ্য হব। আশা করি, সাংবাদিক ভাই-বোনেরা ও গণমাধ্যমকর্মীরা বস্তুনিষ্ঠ তথ্য পরিবেশন করবেন এবং অসত্য নিউজ প্রকাশ করা থেকে বিরত থাকবেন।

    বিনোদন ডেস্ক