Blog

  • ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে শর্মিলা ঠাকুরের মন্তব্য, সংকীর্ণ চিন্তাধারা বললেন কঙ্গনা

    ভারতের জাতীয় সংগীত ‘বন্দে মাতরম’ নিয়ে দেশটির বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুরের একটি বক্তব্যের পর তার কড়া প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন অভিনেত্রী ও বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাওয়াত। 

    শর্মিলা ঠাকুর অতি সম্প্রতি বন্দে মাতরমের কিছু অংশ একশ্বরবাদে বিশ্বাসী মানুষের ধর্মীয় অনুভূতির সঙ্গে না মেলার বিষয়টি তুলে ধরলে তার জবাবে শিল্পের স্বাধীন রূপক ব্যবহারের বিষয়টি তুলে ধরেন কঙ্গনা। 

    ভারতীয় বার্তা সংস্থা আইএএনএস-কে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে নিজের অবস্থান ব্যাখ্যা করে শর্মিলা ঠাকুর বলেন, ‘অনেক ধর্মীয় মানুষ আছেন যারা বহু ঈশ্বরে নয়, কেবল এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন। বন্দে মাতরমের একটি স্তবকে একাধিক দেব-দেবীর কথা উল্লেখ করা হয়েছে। যারা এক ঈশ্বরে বিশ্বাস করেন, তাদের জন্য ‘বন্দে কালী’ বা ‘বন্দে দুর্গা’ বলা কিছুটা কঠিন। তাই ভারতের সব ধর্মের মানুষকে একসঙ্গে নিয়ে এগোতে চাইলে গানটির প্রথম দুটি স্তবকই সবচেয়ে উপযুক্ত।’ 

    শর্মিলা ঠাকুরের এই সাক্ষাৎকারের ভিডিওটি নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে শেয়ার করে কঙ্গনা রানাওয়াত লেখেন, ‘বন্দে মাতরম নিয়ে শর্মিলা জি তার আপত্তির কথা সরাসরি তুলে ধরেছেন, বিষয়টিকে আমি সাধুবাদ জানাই। তবে একজন শিল্পী হিসেবে শিল্প বা কবিতার প্রতি তার এমন সংকীর্ণ ও সীমাবদ্ধ চিন্তাধারা দেখে আমি অবাক হয়েছি। যেকোনো কবিতা বা গানে শব্দগুলো রূপক হিসেবে ব্যবহৃত হয়। একজন কবি বা শিল্পী কাঙ্ক্ষিত বার্তা পৌঁছাতে কল্পনার নানা রূপ ফুটিয়ে তোলেন।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি আরও যোগ করেন, ‘বন্দে মাতরম হলো আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের মূল চেতনা। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায় এই গানের মাধ্যমে দেশবাসীকে ভেতরের শক্তিকে জাগিয়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছিলেন। এত বড় একটি শিল্পকর্মকে কীভাবে শুধু ধর্মীয় অনুশীলনের সঙ্গে তুলনা করা যায়?’ 

    স্বামী বিবেকানন্দের একটি উক্তি স্মরণ করিয়ে দিয়ে কঙ্গনা লেখেন, ‘বিবেকানন্দ বলেছিলেন, আমার এমন তরুণ সমাজ প্রয়োজন যাদের শরীর লোহার মতো এবং রগ বজ্রের মতো শক্তিশালী। তিনি কিন্তু সেখানে আবহাওয়ার পূর্বাভাস দিচ্ছিলেন না; তিনি ভেতরের ‘শক্তি’ বা ক্ষমতার জাগরণ চেয়েছিলেন। দয়া করে এই হিন্দু-মুসলিম মানসিকতা থেকে বের হয়ে আসুন। এমনকি ডাক্তাররাও মানুষের শারীরিক সামর্থ্যকে শক্তি বলে থাকেন। চলুন আমরা একে অপরকে আপন করে নিই।’ 

    শর্মিলা ঠাকুরের প্রতি নিজের ভালোবাসা প্রকাশ করে কঙ্গনা আরও লেখেন, ‘আমি আপনাকে অত্যন্ত ভালোবাসি এবং আপনার সেই উষ্ণ ভালোবাসার আলিঙ্গন মিস করি।’ 

    কঙ্গনার এই মন্তব্যের বিষয়ে শর্মিলা ঠাকুরের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ১০০ কোটির প্রস্তাব এলে যা বলেছিলেন সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী

    ১৯৯৬ সালের ৬ সেপ্টেম্বর রাজধানীর ইস্কাটনের বাসায় ঢালিউডের ক্ষণজন্মা নায়ক সালমান শাহর মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এরপর থেকেই তার মৃত্যু আত্মহত্যা নাকি হত্যা— এ নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে নানা প্রশ্ন ও বিতর্ক চলে আসছে। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও বিষয়টি নিয়ে এখনো আলোচনা-সমালোচনা থামেনি।

    এ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ডন গ্রেফতার হওয়ার পর সালমান শাহর মৃত্যুর বিষয়টি নিয়ে আবারও সামনে এসেছে। সম্প্রতি সালমান শাহর মা লন্ডনে বাঙালি প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে দ্রুত বিচার শেষ করার দাবি জানিয়েছেন।

    সালমান শাহর মৃত্যু নিয়ে দ্রুত তদন্ত শেষ করে প্রকৃত ঘটনা উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের বিচারের আওতায় আনার দাবি জানানো হয়েছে পরিবারের পক্ষ থেকে। অন্যদিকে সালমানভক্তদেরও প্রত্যাশা— তিন দশক ধরে চলা এই রহস্যের অবসান ঘটিয়ে একদিন সত্য সবার সামনে চলে আসবে। নব্বই দশকের জনপ্রিয় এ নায়কের মৃত্যুরহস্য নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে চলা নানা আলোচনা-সমালোচনা আর বিতর্ক অবসান ঘটবে। 

    সম্প্রতি সালমান শাহ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ডন গ্রেফতার হওয়ার পর তার পরিবার ও ভক্তরা আবার বিচারের দাবিতে সরব হয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে লন্ডনে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে সালমান শাহর মা নীলা চৌধুরী ছেলের মৃত্যুর পর তাকে দেওয়া কথিত প্রলোভন ও হুমকির বিষয়ে বিস্ফোরক দাবি করেছেন। 

    লন্ডনে সংবাদ সম্মেলনে নীলা চৌধুরী বলেন, সালমানের মৃত্যুর পর মামলা নিয়ে আর না বাড়াবাড়ি করার বিনিময়ে তাকে ১০০ কোটি টাকা দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, ‘১৯৯৬ সালের সেপ্টেম্বরে সালমান মারা যায়। ওই বছরের নভেম্বর কিংবা ডিসেম্বর মাসে জাতীয় পার্টির তৎকালীন একজন মন্ত্রী, যিনি আজিজ মোহাম্মদের বন্ধু ছিলেন, আমার বাসায় এসেছিলেন। তার নাম বলতে চাই না। মনে হয় তিনি এখন আর বেঁচে নেই। ওই ব্যক্তির দেওয়া প্রস্তাবের কথা উল্লেখ করে নীলা চৌধুরী বলেন, তিনি আমাকে বলেছিলেন— ভাবি আপনাকে ১০০ কোটি টাকা দেওয়া হবে। এসব নিয়ে আর বাড়াবাড়ি করবেন না। আপনার বয়স হয়ে যাচ্ছে, এই টাকাগুলো খরচ করেন। আমি তাকে বলেছিলাম— ভাই, আমি ১০০ কোটি টাকা চাই না, আমার ছেলেটাকে এনে দেন।

    সালমানের মায়ের দাবি, তিনি তার ছেলের মৃত্যুর পর শুধু অর্থের প্রস্তাবই নয়, বিভিন্ন সময় তাকে হুমকিও দেওয়া হয়েছিল। তবে কোনো প্রলোভন বা হুমকিই তাকে ছেলের মৃত্যুর সত্য উদ্ঘাটনের দাবি থেকে সরাতে পারেনি।

    সালমান শাহ হত্যা মামলার অন্যতম আসামি ও তার সাবেক স্ত্রী সামিরা প্রসঙ্গে নীলা চৌধুরী বলেন, ‘সামিরা দোষী। ও খুনি। ওর বিচার চাই। খুনি না হলে ও পালাবে কেন? 

    সামিরার শাস্তি চেয়ে তিনি বলেন, আমি শুনেছি সামিরা পালিয়ে ভারতের এলাহাবাদ অথবা হায়দরাবাদে গেছে। ভারত থেকে সালমান শাহর এক ভক্ত আমাকে জানিয়েছে— ‘সে নিশ্চিত হয়ে বলেছে সামিরা ভারতে পালিয়ে গেছে।’ তবে সামিরার বিরুদ্ধে করা এসব অভিযোগের বিষয়ে তার বক্তব্য বা দাবির স্বাধীন সত্যতা সংবাদ সম্মেলনে উপস্থাপিত হয়নি।

    অভিনেত্রী শাবনূরের সঙ্গে সালমান শাহর সম্পর্ক নিয়েও নানা গুঞ্জন প্রসঙ্গে নীলা চৌধুরী বলেন, ‘শাবনূরের সঙ্গে সালমানের কোনো প্রেমের সম্পর্ক ছিল না।’

    তিনি বলেন, ‘সালমান শাবনূরকে নিজের বোনের মতোই দেখত। শাবনূরের সঙ্গে আমার ছেলের কোনো প্রেম ছিল না। শাবনূর আমার ছেলের ওপর নির্ভরশীল ছিল এবং সালমান তাকে সাহায্য করার চেষ্টা করত। সালমানের কোনো বোন ছিল না। তাই সে শাবনূরকে বোনের মতোই দেখত ও স্নেহ করত’ বলেও জানান নীলা চৌধুরী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গোপনে বাগদান করে যে স্বপ্নের কথা জানালেন আয়শা খান

    বলিউডের আলোচিত সিনেমা ‘ধুরন্ধর’খ্যাত অভিনেত্রী আয়শা খানকে নিয়ে সম্প্রতি এক জল্পনাই তৈরি হয়েছে। অনামিকায় হীরের আংটি পরে সামাজিক মাধ্যমে ছবি শেয়ার করে নেওয়ার পর থেকেই ভক্ত-অনুরাগীদের কৌতূহল— সত্যিই কি ‘শরারত’ সুন্দরী খুঁজে পেলেন মনের মানুষ?

    সম্প্রতি এক রহস্যময় পুরুষকে নিয়ে একগুচ্ছ ছবি সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করেছেন অভিনেত্রী আয়শা খান। সেই ছবিতে নজর কেড়েছে একটি হীরের আংটি। সেখান থেকেই প্রশ্ন উঠছে— গোপনে কি বাগদান সেরে ফেলেছেন আয়শা খান?

    ‘ধুরন্ধর’ সিনেমার জনপ্রিয় গান ‘শরারত’-এর সঙ্গে নেচে প্রশংসিত ও জনপ্রিয়তা পান আয়শা খান। গানটিতে তার সঙ্গে ছিলেন ক্রিস্টল ডি’ সুজাও। করাচির এক জাঁকজমকপূর্ণ বিয়ের প্রেক্ষাপটে তৈরি হয়েছিল ‘শরারত’ গানটি। 

    সেই গানের শুটিংয়ের অভিজ্ঞতাও সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে জানিয়েছিলেন আয়শা খান। তিনি বলেছিলেন— দুদিন ধরে চলছিল শুটিং। কাজের চাপ ছিল প্রচণ্ড। তার ওপর সেই সময়ে তার ঋতুস্রাব চলছিল। ফলে শরীর ফোলা ছিল, নিজের চেহারাও তার সেরা অবস্থায় ছিল না।

    আয়শা জানান, দুদিনের মধ্যে প্রচুর কাজ করতে হয়েছিল। সময়ও কম ছিল। টানা নাচের কারণে শরীরের হাড় পর্যন্ত যেন ব্যথা করছিল। শারীরিক ক্লান্তির সঙ্গে আবেগও তাকে চাপে ফেলেছিল। একসময় আর নিজেকে সামলাতে না পেরে কেঁদে ফেলেছিলেন তিনি। তবে সেই কান্না ছিল আনন্দের।

    এর আগে যন্তর-মন্তরের আন্দোলন চলাকালেও খবরে উঠে এসেছিলেন আয়শা খান। তিনি ছাত্রদের সমর্থন করছিলেন। আন্দোলনের রেশ পৌঁছে ছিল মুম্বাই শহর পর্যন্ত। সেখানে আন্দোলনে শামিল হতে গিয়েছিলেন অভিনেত্রী। তখনই মুম্বাই পুলিশ তাকে আটক করেছিল। বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরেছিলেন অভিনেত্রী।

    সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে পোস্ট করা ছবিগুলোতে পুরুষটির মুখ আড়ালেই রেখেছেন আয়শা খান। হীরের আংটি দেখে বাগদানের জল্পনা শুরু হলেও তার ক্যাপশন বলছে ভিন্ন কথা। 

    ছবির নেপথ্যে অন্য কোনো গল্পও থাকতে পারে। মনে করা হচ্ছে, এটি কোনো গহনার সংস্থার হয়ে করা ফটোশুটের অংশ। যদিও আয়শা খান নিজে এখনো এ বিষয়ে কোনো ঘোষণা দেননি। আয়শা শুধু লিখেছেন— একটা স্বপ্ন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান মুকুট জিতলেন মিসবাহ আরশাদ

    ফিলিপাইনে আয়োজিত এক জমকালো অনুষ্ঠানে ‘মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান ২০২৬’র বিজয়ী হয়েছেন মিসবাহ আরশাদ। এর মাধ্যমে চতুর্থ পাকিস্তানি নারী হিসেবে তিনি আসন্ন আন্তর্জাতিক মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় নিজ দেশের প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন। 

    অনুষ্ঠানে মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান ফ্র্যাঞ্চাইজির মালিক জশ ইউগেন নতুন বিজয়ী মিসবাহ আরশাদকে অফিশিয়াল স্যাশ পরিয়ে দেন এবং তার পূর্বসূরি রোমা রিয়াজ মাথায় বিজয়ীর মুকুট তুলে দেন। 

    মনোনয়ন পর্বের চূড়ান্ত প্রশ্নোত্তর পর্বে দুর্দান্ত উত্তর দিয়ে বিচারকদের মন জয় করে নেন মনোবিজ্ঞানের শিক্ষার্থী মিসবাহ। বিচারক মণ্ডলীর সদস্য, ফিলিপিনো সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা বেইলি মে তাকে প্রশ্ন করেন—যদি তার ১০ বছর ও ৮০ বছর বয়সি দুই রূপ একই কক্ষে মুখোমুখি হয়, তবে কার প্রশ্নটি বেশি কঠিন হবে? 

    উত্তরে মিসবাহ জানান, তার ১০ বছর বয়সি রূপটিই সবচেয়ে কঠিন প্রশ্ন করবে, কারণ সে জানতে চাইবে বড় হয়ে তার জীবন কেমন কেটেছে। 

    তিনি বলেন, ‘আমি আমার শৈশবের রূপকে বলব যে জীবনে বহুবার আমি ব্যর্থ হয়েছি, কিন্তু প্রতিবারই নতুন করে ঘুরে দাঁড়িয়েছি। এটি জীবনের এক সুন্দর চক্র, যা শুধু মেনে নেওয়াই নয়, বরং উপভোগ করা উচিত। কারণ আগুন যত উত্তপ্ত হয়, সোনা তত খাঁটি হয়।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আন্তর্জাতিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতায় মিসবাহর অংশগ্রহণ এবারই প্রথম নয়। ইতোপূর্বে তিনি জাপানে ‘মিস ইন্টারন্যাশনাল ২০২৩’ এবং পোল্যান্ডে ‘মিস সুপ্রান্যাশনাল ২০২৪’-এ পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। 

    নিজের এই দীর্ঘ পথচলা নিয়ে তিনি বলেন, ‘ব্যর্থতা দিয়ে জয়ী বা বিজয়ী নির্ধারণ করা যায় না। আসল বিষয় হলো আশা বজায় রাখা এবং প্রতিটি পদক্ষেপে নিজেকে আরও উন্নত করা। মুকুট জয় বড় বিষয় হলেও, এই পথচলায় শেখা শিক্ষা এবং মানুষের সঙ্গে তৈরি হওয়া সম্পর্কই আমার জন্য আসল পুরস্কার।’ 

    পুয়ের্তো রিকোয় অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া ৭৫তম মিস ইউনিভার্স মূল আসরে অংশ নিতে যাবেন মিসবাহ। 

    উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে যাত্রা শুরু করে মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান ফ্র্যাঞ্চাইজি। সে বছর দেশটির প্রথম প্রতিনিধি হিসেবে ইতিহাস গড়ে এল সালভাদরে ‘টপ ২০’-এ জায়গা করে নিয়েছিলেন এরিকা রবিন। এর পরের বছরগুলোতে যথাক্রমে নূর জারমিনা (২০২৪, মেক্সিকো) এবং রোমা রিয়াজ (২০২৫) পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করেন। পরবর্তীতে রোমা রিয়াজ ফ্র্যাঞ্চাইজিটির জাতীয় পরিচালকের দায়িত্ব নেন এবং নতুন প্রতিযোগীদের প্রশিক্ষণ দিতে শুরু করেন। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঐশ্বরিয়ার সঙ্গে প্রথম প্রেমের বিষয়ে মুখ খুললেন অভিষেক

    বলিউডের শাহেনশাহখ্যাত অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনপুত্র অভিষেক বচ্চন ২০০০ সালে ‘রিফিউজি’ সিনেমার মাধ্যমে বলিউডের সফর শুরু করেন। এ সিনেমাটির মূল শুটিং হয়েছিল গুজরাটের কচ্ছ এলাকায়। সেখানেই জীবনের শুরু। আর জয়পুরের সঙ্গে তার ব্যক্তিগত আবেগও জড়িয়ে রয়েছে। তবে জয়পুর ও মুম্বাইয়ের একটি স্টুডিওতে এ সিনেমার কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশের শুটিং হয়েছিল।

    তারকা দম্পতি অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চনের প্রেমের গল্পে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছে ভারতের জয়পুর। কারণ এ শহরেই তাদের প্রেমের শুরু। ২০০৬ সালে ‘উমরাও জান’ সিনেমায় একসঙ্গে কাজ করার সময় তাদের সম্পর্ক তৈরি হয়। সিনেমাটির কিছু অংশের শুটিংও হয়েছিল জয়পুরে।

    এ ছাড়া ২০১৪ সালে প্রথমবার ব্যবসায়ীর ভূমিকায় পা রাখেন অভিষেক বচ্চন। প্রো-কাবাডি লিগের প্রথম মৌসুমের আগে জয়পুর দল কিনে নিয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এত শহর থাকতে জয়পুরকেই কেন বেছে নিয়েছিলেন অভিষেক? সম্প্রতি এক পডকাস্টে সেই উত্তর দিয়েছেন অভিনেতা। জানিয়েছেন তার প্রথম সিনেমার একটি অংশের শুটিং হয়েছিল জয়পুরে। তাই নতুন কিছু শুরু করার জন্য শহরটিকে তার শুভ বলে মনে হয়।

    শুধু কাবাডি ম্যাচে শহর নির্বাচনের ক্ষেত্রেই নয়, দলের নামকরণের মধ্যেও পরিবারের ছোঁয়া রেখেছিলেন অভিষেক। ‘জয়পুর পিংক প্যান্থার্স’-এর নেপথ্যে ছিল অন্য ঘটনা। সেই সময়ে অভিষেকের মেয়ে আরাধ্যার প্রিয় রঙ ছিল গোলাপি। তাই কন্যার পছন্দের কথা মাথায় রেখেই এই নাম রেখেছিলেন তিনি। ২০১১ সালে অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার কন্যা আরাধ্যার জন্ম হয়।

    অভিষেক ও ঐশ্বরিয়ার একসঙ্গে কাজ শুরু যদিও ‘উমরাও জান’-এর আগেই। ২০০০ সালে ‘ঢাই অক্ষর প্রেম কে’ সিনেমায় প্রথম একসঙ্গে দেখা যায় তাদের। অভিষেকের প্রথম সিনেমা ‘রিফিউজি’ মুক্তির কয়েক মাস পরেই সেই সিনেমা মুক্তি পায়। পরে ২০০৩ সালে ‘কুছ না কহো’-তে আবার জুটি বাঁধেন তারা। এর পর ২০০৫ সালে ‘বান্টি অউর বাবলি’ সিনেমার জনপ্রিয় নাচের গান ‘কাজরা রে’-তে একসঙ্গে দেখা যায় অভিষেক ও ঐশ্বরিয়াকে। তাদের সঙ্গে ছিলেন বর্ষীয়ান অভিনেতা অমিতাভ বচ্চনও। ‘উমরাও জান’-এর পর ২০০৬ সালে ‘ধুম ২’ সিনেমাতেও একসঙ্গে অভিনয় করেন এ তারকা জুটি। তারপর মণি রত্নমের সিনেমা ‘গুরু’-তে আবার জুটি বাঁধেন তারা। সিনেমাটি মুক্তির আগে তাদের বাগদানের কথা প্রকাশ্যে আসে। সেই বছরই বিয়ে করেন তারা।

    উল্লেখ্য, দাম্পত্য জীবনের ১৯ বছর পার করেছেন  অভিষেক বচ্চন ও ঐশ্বরিয়া রাই বচ্চন দম্পতি। স্ত্রীকে নিজের ‘আত্মার সঙ্গী’ বলেও উল্লেখ করেছেন অভিষেক। তাদের সম্পর্কের অন্যতম রহস্য হিসেবে তিনি প্রতিদিন স্ত্রীকে তিনবার ‘সরি’ বলার মজার পরামর্শও দিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মাহিরা-ফাহাদকে জাতীয় পুরস্কার দিতে নারাজ পাকিস্তান সরকার

    পাকিস্তানের সিন্ধু প্রদেশের সংস্কৃতি ও পর্যটনমন্ত্রী সৈয়দ জুলফিকার আলী শাহ দাবি করেছেন যে, পাকিস্তানের শীর্ষস্থানীয় দুই অভিনয়শিল্পী মাহিরা খান এবং ফাহাদ মুস্তফাকে সম্মানজনক জাতীয় বেসামরিক পুরস্কার ‘সিতারা-ই-ইমতিয়াজ’-এর জন্য মনোনীত করা হলেও তা প্রত্যাখ্যান করেছে ফেডারেল (কেন্দ্রীয়) সরকার। 

    করাচিতে আয়োজিত আট দিনব্যাপী ‘ওয়েস-ধারী সিন্ধি থিয়েটার ফেস্টিভাল ২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এ কথা বলেন। 

    জুলফিকার শাহ জানান, সিন্ধু সংস্কৃতি বিভাগ থেকে দুই দফায় মাহিরা খান এবং ফাহাদ মুস্তফার নাম সিতারা-ই-ইমতিয়াজের জন্য সুপারিশ করে পাঠানো হয়েছিল। 

    তিনি উল্লেখ করেন, প্রখ্যাত ব্যক্তিত্বদের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটির সুপারিশক্রমেই এই মনোনয়ন দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু কোনো সুস্পষ্ট বা ব্যাখ্যাসহ কারণ দর্শানো ছাড়াই কেন্দ্রীয় সরকার প্রস্তাবটি বাতিল করে দেয়। 

    এ ঘটনায় তিনি প্রশ্ন তোলেন, বিনোদন শিল্পে অসামান্য অবদান রাখা সত্ত্বেও কেন সিন্ধুর দুই গুণী তারকাকে জাতীয় পর্যায়ে মূল্যায়ন করা হলো না। 

    পাকিস্তানের সিন্ধু অঞ্চলের শিল্পীদের সার্বিক অবদানের কথা তুলে ধরে সংস্কৃতিমন্ত্রী বলেন, এই প্রদেশের শিল্পীরা কেবল পাকিস্তানেই নয়, ভারত এবং উপসাগরীয় দেশগুলোতেও নিজেদের গ্রহণযোগ্যতা ও সুনাম তৈরি করেছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, প্রদেশের শিল্পীরা সীমানা পেরিয়ে দেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য তুলে ধরতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন, অথচ তাদের একটি বড় অংশই কেন্দ্র থেকে কাঙ্ক্ষিত স্বীকৃতি পাননি। আন্তর্জাতিক মঞ্চে পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে তিনি বিশেষভাবে মাহিরা খান ও ফাহাদ মুস্তফার অবদানের কথা উল্লেখ করেন। 

    পাকিস্তানের সাংস্কৃতিক খাত ও শিল্পীদের মূল্যায়নে কেন্দ্রীয় সরকারকে আরও গুরুত্ব দেওয়ার আহ্বান জানান সিন্ধুর সংস্কৃতি ও পর্যটনমন্ত্রী জুলফিকার আলী শাহ। তিনি বলেন, সিন্ধুর খ্যাতিমান শিল্পীরা পুরো পাকিস্তানের জন্য সম্মান বয়ে এনেছেন, তাই জাতীয় পর্যায়ে তাদের যথাযথ স্বীকৃতি পাওয়া প্রাপ্য। 

    ‘আমি কেন্দ্রকে আহ্বান জানাব যেন তারা শিল্পীদের এবং দেশের সাংস্কৃতিক খাতকে গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে,’ বলেন তিনি। 

    সিতারা-ই-ইমতিয়াজের মতো মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার না পাওয়ার ঘটনাটি পাকিস্তানের সাংস্কৃতিক ও বিনোদন অঙ্গনে শিল্পীদের প্রতি কেন্দ্রীয় সমর্থনের ঘাটতিকেই ফুটিয়ে তোলে বলে তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন। 

    সূত্র: সামা টিভি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মাত্র ৬ হাজার টাকায় নির্মিত সিনেমার আয় ২৬ কোটি টাকা!

    এতটাই বাজে সিনেমা যে, মানুষ তা দেখতে এখন প্রেক্ষাগৃহে লাইন দিচ্ছে! এমনই এক অভিনব ঘটনার জন্ম দিয়েছে চীনের স্বল্প বাজেটের অ্যানিমেশন সিনেমা ‘নিউ লাই’। 

    একটি গরুর স্বপ্নের অদ্ভুত কাহিনি এবং অত্যন্ত নিম্নমানের গ্রাফিক্সের জন্য নেটদুনিয়ায় ট্রোলের শিকার হয়ে রাতারাতি ভাইরাল হয়ে গেছে সিনেমাটি, আর তাতেই রকেট গতিতে বেড়েছে এর টিকিট বিক্রি। অথচ ছবিটি নির্মাণে ব্যয় হয়েছে মোটে ৪৭ ডলার (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ৫ হাজার ৭০০ টাকা)।

    মুভি ট্র্যাকিং ওয়েবসাইট ‘মাও ইয়ান’-এর তথ্য অনুযায়ী, মুক্তির প্রথম ১০ দিনে ছবিটির আয় ছিল মাত্র ৭,৭০৫ ইউয়ান (প্রায় ১,১৪০ ডলার)। বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ১ লাখ ৩৮ হাজার টাকা। 

    কিন্তু সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তোলপাড় শুরুর পর ইতোমধ্যে চলচ্চিত্রটির মোট আয় ১৪.৯ মিলিয়ন ইউয়ান (বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৬ কোটি ৮৯ লাখ টাকা) ছাড়িয়ে গেছে। এমনকি বর্তমানে প্রেক্ষাগৃহে ‘দ্য ওডিসি’ কিংবা ‘স্পাইডার-ম্যান: ব্র্যান্ড নিউ ডে’-র মতো হলিউড ব্লকবাস্টার ছবির সঙ্গে টেক্কা দিচ্ছে এই স্বল্প বাজেটের সিনেমাটি। 

    চীনের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এক জনপ্রিয় পোস্টে বলা হয়েছে, ‘সিনেমাটি দেখলে আপনি হয়তো ৮০ মিনিটের জন্য অনুশোচনা করবেন, কিন্তু না দেখলে অনুশোচনা থেকে যাবে সারাজীবনের জন্য!’ 

    বর্তমান যুগে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের অ্যালগরিদমে যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই দিয়ে তৈরি কনটেন্টের ছড়াছড়ি, তখন নেটিজেনদের একাংশ এই সিনেমাটিকে একটি ব্যতিক্রমী ‘প্রতিষেধক’ হিসেবে দেখছেন। এর বাজে অ্যানিমেশন কোয়ালিটিকে উপহাসের ছলে ‘হস্তশিল্প’ হিসেবে আখ্যা দিচ্ছেন দর্শকেরা। এটি যে কোনো এআই দিয়ে তৈরি নয়, বরং মানুষের হাতেই তৈরি—সেটিরই প্রমান হিসেবে ক্লিপগুলো শেয়ার করা হচ্ছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    চীনের জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ওয়েইবো-তে ব্যবহারকারীরা ছবিটিকে প্রশংসায় ভাসিয়েছেন। 

    ছবিটি জনপ্রিয় হওয়ার পেছনে আরও এক অদ্ভুত কারণ রয়েছে। চীনে ‘ষাঁড়’ এবং ‘গরু’—দুটোকেই একই চীনা অক্ষর দিয়ে প্রকাশ করা হয়। শেয়ার বাজারের চাঙ্গা ভাবকে বলা হয় ‘বুলিশ মার্জিন’। ফলে চাঙ্গা শেয়ার বাজারের প্রত্যাশায় অনেকে কেবল নামের খাতিরেই সিনেমাটিকে সমর্থন জানাচ্ছেন!

    এক নেটিজেন লিখেছেন, ‘আগামীকাল সূচক যদি ৪,০০০ পয়েন্টে পৌঁছায়, তবে আমি সিনেমা হলে গিয়ে এই সিনেমাকে সমর্থন দিয়ে আসব।’ অন্য একজন মন্তব্য করেন, ‘সিনেমাটি বাজে হলেও নামটা দুর্দান্ত!’ 

    একে তো নামমাত্র বাজেটের সিনেমা, তার ওপর মুক্তির আগে কোনো বড় প্রচারণাও ছিল না। সিনেমাটি এতটা অবহেলিত ছিল যে এর কোনো অফিশিয়াল পোস্টারও প্রকাশ করা হয়নি। এখন হঠাৎ চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বাধ্য হয়ে প্রদর্শনীর সংখ্যা বাড়িয়েছে প্রেক্ষাগৃহগুলো। 

    মজার বিষয় হলো, ছবিটির কোনো পোস্টার না থাকায় অনেক সিনেমা হলের কর্মীরা নিজেরাই হাতে ছবি এঁকে অভিনব পোস্টার বানিয়ে দর্শকদের আকর্ষণ করছেন! 

    চলচ্চিত্র পর্যবেক্ষণকারী এক জনপ্রিয় সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টের মতে, ‘বক্স অফিসের এই রেকর্ড অভূতপূর্ব এবং হয়তো ভবিষ্যতে এর পুনরাবৃত্তি আর দেখা যাবে না।’ 

    তবে সবাই কিন্তু এই অভাবনীয় সাফল্যকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন না। গত সপ্তাহের শেষে চীনের রাষ্ট্রায়ত্ত সংবাদমাধ্যম ‘বেইজিং নিউজ’-এর এক সম্পাদকীয়তে এ বিষয়ে শঙ্কা প্রকাশ করা হয়েছে। সেখানে বলা হয়, এভাবে প্রদর্শনীর সংখ্যা বাড়িয়ে নিচু মানের সিনেমা প্রচার করতে থাকলে প্রেক্ষাগৃহগুলো দর্শকদের ‘বিশ্বাস হারাতে’ পারে।

    বেইজিং নিউজের নিবন্ধে বলা হয়, ‘অতীতে বাজে কাজের জন্য সমালোচিত হওয়া সিনেমাগুলোর মতো ‘নিউ লাই’ ছবিটির মাধ্যমে বাজে চলচ্চিত্রের ক্ষেত্রে দর্শকদের প্রত্যাশার মান আরও এক ধাপ নিচে নেমে গেল।’ 

    এর পাশাপাশি প্রেক্ষাগৃহগুলোকে সচেতন হওয়ার আহ্বান জানিয়ে তারা আরও উল্লেখ করে, ‘সিনেমা হলগুলোর উচিত দর্শকদের জন্য সচেতন অভিভাবক হিসেবে কাজ করা। স্ট্যান্ডার্ডের নিচে থাকা এমন নিম্নমানের সিনেমাকে প্রশ্রয় না দিয়ে শুরুতেই প্রত্যাখ্যান করা।’ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমার শোবারঘর নিয়ে দিবাস্বপ্ন দেখবেন না, রামদেবকে কটাক্ষ কঙ্গনার

    ‘গাটার জেনারেশন’ মন্তব্য নিয়ে ও বিজেপির সংসদ সদস্য ও বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতকে কটাক্ষ করেছেন যোগগুরু তথা ব্যবসায়ী রামদেব। এবার তার মন্তব্যের জবাব দিলেন তিনি।

    বুধবার সামাজিক মাধ্যম ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে রামদেবকে কটাক্ষ করেন ‘কুইন’ সিনেমার অভিনেত্রী।

    সামাজিক মাধ্যমে একটি পোস্টে কঙ্গনা রানাউত লিখেছেন— ‘বাবাজি, আমার যৌবন বা শোবারঘর নিয়ে দিবাস্বপ্ন দেখবেন না। গুজব আর কানাঘুষার ভিত্তিতে যা খুশি ভাবাই যায়! কিন্তু অন্তত আমার বিরুদ্ধে ভুয়া বা প্রতারণামূলক চিকিৎসাদ্রব্য বিক্রির অভিযোগ নেই এবং এর জন্য সুপ্রিম কোর্টের ধমকও খেতে হয়নি। এটি কোনো গুজব বা অনুমান নয়, তথ্য রয়েছে। তাই আমাকে চরিত্রের শিক্ষা দেবেন না। আমার চরিত্র আপনার চেয়ে অনেক ভালো। আমার ক্ষেত্রে কোনো প্রতারণার অভিযোগ ধরা পড়েনি।’

    অভিনেত্রীর ‘গাটার জেনারেশন’ মন্তব্য প্রসঙ্গে এক সাক্ষাৎকারে রামদেব প্রশ্ন তুলেছিলেন— ‘ওর শৈশব কেমন ছিল, যৌবন কেমন ছিল? আগের কীর্তিগুলো কেমন ছিল? আমি এ ধরনের মানুষকে নিয়ে কথা বলতে চাই না। দেশের কোনো যুবককে ‘নর্দমা’ বলা বিকৃত মানসিকতার লক্ষণ। এটা চরম ভুল। তার দলের লোকজনেরও বিষয়টি লক্ষ করা উচিত।’

    সাক্ষাৎকারে রামদেবকে মনে করিয়ে দেওয়া হয়, কঙ্গনা তার যোগাভ্যাসের অনুরাগী এবং নিজেকে সনাতনী বলেও পরিচয় দেন। উত্তরে তিনি বলেন, কেউ আমার যোগের প্রশংসা করলেই কি আমি তার পাপকাজ ঢেকে রাখব? রামদেবের মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর কঙ্গনা যে পালটা জবাব দেবেন, তা নিয়ে জল্পনা ছিলই। শেষ পর্যন্ত ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে নিজের অবস্থান স্পষ্ট করে দিলেন অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ডান কানে কম শুনছেন বিটিএস তারকা ভি, চলছে চিকিৎসা

    দক্ষিণ কোরিয়ার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কিম তাই-হিয়াং—যিনি বিটিএসের ‘ভি’ নামে পরিচিত—জানিয়েছেন যে তিনি তার ডান কানে কম শুনছেন। ফলে চিকিৎসা নেওয়া শুরু করেছেন।

    সম্প্রতি একটি লাইভস্ট্রিমে ভি জানান যে, তিনি দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে এই সমস্যায় ভুগছেন। তিনি বলেন, তার বাম কানের তুলনায় ডান কানে শোনার ক্ষমতা বর্তমানে প্রায় ৩০ শতাংশে নেমে এসেছে। গত জুন ২০২৫-এ সম্পন্ন হওয়া বাধ্যতামূলক সামরিক বাহিনীর দায়িত্ব পালনকালে এই সমস্যাটি আরও গুরুতর আকার ধারণ করে বলে তিনি জানান। 

    ভি স্বীকার করেন, শুরুতে বিষয়টি নিয়ে তিনি তেমন গুরুত্ব দেননি এবং ভেবেছিলেন এটি কেবল ‘মানসিক শক্তির’ বিষয়। তবে বর্তমানে তিনি নিয়মিত ওষুধ সেবন করছেন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী হাসপাতালে যোগাযোগ রাখছেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    চলতি বছর বিটিএস ব্যান্ডের সদস্যরা পুনর্মিলিত হওয়ার পর চার বছরেরও বেশি সময় পর তারা প্রথম ওয়ার্ল্ড ট্যুরে বের হয়েছেন। ব্যান্ডের সকল সদস্যই ইতোমধ্যে তাদের বাধ্যতামূলক ১৮ মাসের সামরিক সেবা বা সমমানের দায়িত্ব সম্পন্ন করেছেন। 

    ভি জানান যে ব্যান্ডের চলমান ‘আরিরাং ওয়ার্ল্ড ট্যুর’ অব্যাহত রাখার পাশাপাশি তিনি এই শারীরিক জটিলতা থেকে সেরে ওঠার জন্য চিকিৎসাসেবা নিচ্ছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিবাহবিচ্ছেদের জন্য নয়, অন্য কোন কারণে আদালতে গেলেন গোবিন্দপত্নী

    বলিউড অভিনেতা গোবিন্দের স্ত্রী সুনীতা আহুজা মুম্বাইয়ের পারিবারিক আদালতে। এমন একটি ভিডিও সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়তেই নেটিজেনদের মাঝে প্রশ্ন উঠতে থাকে— তাহলে কি এবার বিবাহবিচ্ছেদ হচ্ছে গোবিন্দ ও সুনীতার? গত কয়েক দিন ধরেই এ দম্পতির মধ্যে লেগে রয়েছে বাগ্বিতণ্ডা। তাই বিচ্ছেদের জল্পনা ঘনীভূত হয়েছে। কিন্তু সত্যি কোনটি?

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে গোবিন্দের সহকারী শশী সিনহা এ বিষয়ে মুখ খুলেছেন। তিনি জানালেন— বিবাহবিচ্ছেদের মামলা করতে নয়; বরং তা প্রত্যাহার করতেই আদালতে গিয়েছিলেন অভিনেতার স্ত্রী। 

    শশী সিনহা আরও বলেন, স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে ঝগড়া হলেও সম্পর্কের অনেক কিছুই আলোচনার মাধ্যমে মিটে যায়। ব্যক্তিগত বিষয় আদালত পর্যন্ত গড়ানো এবং তা প্রকাশ্যে চলে আসায় তিনি যথেষ্ট হতাশ।

    তিনি বলেন, ‘ঝগড়া তো হতেই পারে! তবে সম্পর্ক চলতেই থাকে।’ কিন্তু বিষয়টি যখন আদালতে পৌঁছে যায়, তখন গোটা পৃথিবী তা জেনে যায়। গোটা পৃথিবীর কি জানার দরকার ছিল? কোনো প্রয়োজন ছিল না। পারিবারিক বিষয় পরিবারের মধ্যেই থাকা উচিত। অনেক কিছুই একসঙ্গে বসে কথা বললে মিটে যায় বলে জানান গোবিন্দের এ সহকারী।

    কিন্তু মামলা প্রত্যাহারই যদি করতে হতো, তাহলে তা দায়ের করা হয়েছিল কেন? এমন প্রশ্নের উত্তরে হতাশা প্রকাশ করে শশী বলেন, এই লোকদেখানোর প্রয়োজন ছিল না।

    সুনীতা আহুজার আদালতে যাওয়া এবং অভিনেতার প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে শশী বলেন, ‘গোবিন্দের এখন কোনো প্রতিক্রিয়া নেই। সবে এ ঘটনা ঘটেছে। এখনই তার কোনো  প্রতিক্রিয়া নেই। ঈশ্বর সবাইকে সুবুদ্ধি দিন। সবাই যেন বিচক্ষণতার সঙ্গে কাজ করেন।

    বিনোদন ডেস্ক