
বেশ নিয়মিতভাবেই পর্দায় এসেছেন আদর আজাদ-পূজা। এ নায়কের বেশির ভাগ সিনেমার প্রযোজকও তিনি। এবার ঈদে তিনি ‘লিপস্টিক’ নিয়ে পর্দায় আসছেন। তার ধারণা, হলপ্রাপ্তির দিক দিয়ে ২ নম্বর অবস্থান হবে সিনেমাটির। তবে সেটা হয়নি। দুই সংখ্যার ঘরেও যেতে পারেনি ছবিটি।
rnrn
ভীষণ ভেঙে পড়েছেন আদর। জানালেন, একটি মহল তার বিরুদ্ধে উঠে পড়ে লেগেছে। এমনকি তিনি অভিযোগ এনেছেন ‘দরদ’ ছবির গল্প মিলে যাওয়ায় এমনটা করা হয়েছে তার সঙ্গে। আর এতেই চটেছেন দরদের পরিচালক অনন্য মামুন। দিয়েছেন পাল্টা চ্যালেঞ্জও। জানিয়েছেন, কেউ নকল প্রমাণ করতে পারলে কোটি টাকা পুরস্কার দেবেন।
rnrn
জানা যায়, এবারের ঈদে সর্বাধিক ১২৬ সিনেমা হলে মুক্তি পাচ্ছে শাকিব খানের ‘রাজকুমার’ ছবিটি। এর পর প্রেক্ষাগৃহপ্রাপ্তির তালিকায় রয়েছে ‘ওমর’ ছবিটি, এটি ২১ প্রেক্ষাগৃহে মুক্তির বিষয় চূড়ান্ত করেছে সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান। অন্যদিকে আদর আজাদ অভিনীত ও প্রযোজিত ‘লিপস্টিক’ ছবিটি মাত্র সাতটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাচ্ছে বলে জানালেন তিনি নিজে।
rnrn
মায়ের জমানো টাকায় ছবি বানানো এই নায়ক প্রত্যাশিত প্রেক্ষাগৃহ না পেয়ে কাঁদলেন। আদর আজাদের দাবি, ‘তিন দিন আগেও তার ছবিটি প্রেক্ষাগৃহপ্রাপ্তির সংখ্যায় যেখানে থাকার কথা, তা হয়ে ওঠেনি। বিভিন্ন কারণে তা হয়নি। এমনকি সেন্সর বোর্ডসহ বিভিন্ন জায়গায় ছবিটি একটা পক্ষ আটকে দিতেও চেয়েছে।’
rnrn
তার ভাষ্য, ‘আমি ঈদে আসব বলেছিও, তাই আসতে হবেও। কিন্তু এখন ১৩–১৪টি ছবি মুক্তি যখন পাচ্ছে, তখন সবাই পেশিশক্তি, টাকার গরম, রাজনৈতিকসহ সব ক্ষমতা দেখাচ্ছে। দিন শেষে আমি পরিবারের জন্য যা করছি, আমার পরিবার আমার জন্য যা কিছু করছে, সব উৎসর্গ করে ছবিটা করছি। আমি এখন হল না পেলে কই যাব! আমার সব টাকা, মায়ের জমানো টাকা এই ছবির পেছনে লগ্নি করা। আমার গাড়িও বিক্রি করে দিয়েছি!’
rnrn
কান্নাজড়িত কণ্ঠে আদর আজাদ বললেন, ‘আমার গাড়ি বিক্রির টাকার চেয়েও মায়ের অনেক দিনের জমানো টাকায় এই লিপস্টিক ছবিটি। কিন্তু বিষয়টা তো সেটা নয়, আমি একটা সুস্থ প্রতিযোগিতা চেয়েছি। আমার ছবিটা ঈদে সুন্দরভাবে মুক্তি পায়, সেটার একটা পরিবেশ চাইছিলাম। শুধু আমার আশপাশে কোনো ক্ষমতাবান বড় ভাই নেই বলে কি পিছিয়ে গেলাম! আমি তো ভালো একটা ছবি বানিয়েছি। আমি কি দেখাতে পারব না ছবিটা? আমি এমনও ভাবতেছি, ঈদে ছবিটা যদি রিলিজ না করতে পারি, তাহলে তিন মাসের মধ্যে আমি আত্মহত্যা করব।’
rnrn
দরদের সঙ্গে মিলের বিষয়েটি ইঙ্গিত দিয়ে আদর বলেন, ‘যে জায়গায় আমি তিনদিন আগ পর্যন্ত জানি আমার এত হল, কী পরিমাণ হল পাচ্ছি। সেটা ঘটেনি, বিভিন্নভাবে হয়ে ওঠেনি। আমার জোরে ছবিটা আমি বানিয়েছি। এখনো টুইস্ট পার্ট হচ্ছে আমার গল্পের সঙ্গে আরেকটা সিনেমার গল্পের মিল আছে। আমরা যখন গল্পের শুটিং শুরু করেছি, তখনো কিন্তু সেই গল্পের শুটিং শুরু হয়নি’।
rnrn
এদিকে, এখন দরদের পরিচালক অনন্য মামুন রয়েছেন আরব আমিরাতে। সেখান থেকে এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘আমার দরদ সিনেমা যদি কোনো অংশ নকল প্রমাণ করতে পারেন তাহলে এক কোটি টাকা পুরস্কার দেব। আমার গল্প কোনো আব্দুল্লাহ জহির বাবু লিখে নাই।’ পাশাপাশি না জেনে এমন অভিযোগ তোলায় আদরকেও ‘সাবধান হয়ে যেতে’ বলেন মামুন।
বিনোদন ডেস্ক







