Tag: হুমকি

  • কোটি টাকা চেয়ে সালমান খানকে হুমকি, যুবক গ্রেফতার

    বলিউড সুপারস্টার সালমান খানের কাছে কোটি টাকা চেয়ে ফের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে। অজ্ঞাতপরিচয়ে একজন মুঠোবার্তায় সালমানকে হত্যার হুমকি দেন। এ ঘটনার ২৪ ঘণ্টা পর এক যুবককে মুম্বাই থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ।

    এর আগে গত বুধবার মুম্বাই পুলিশের ট্রাফিক কন্ট্রোল রুমে সালমানের নামে নতুন করে হুমকি আসে। অজ্ঞাত পরিচয় নম্বর থেকে সালমানকে মেরে ফেলার হুমকি দেওয়া হয়। বাঁচতে চাইলে সালমানকে ২ কোটি রুপি দিতে হবে বলে দাবি করা হয়।

    এরপর তা নিয়ে তদন্তে নামে পুলিশ। এ ঘটনায় সেদিন রাতেই বান্দ্রা এলাকার বাসিন্দা আজম মোহাম্মাদ মোস্তফা নামে একজনকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    তবে সময়টা একেবারেই ভালো যাচ্ছে না বলিউড অভিনেতা সালমান খানের। জীবন হারানোর চিন্তায় এক বড় আতঙ্কে দিনাতিপাত করছেন ভাইজান। একের পর এক হত্যার হুমকি! আর তা যেন এখন সালমানের নিত্যদিনের বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

    এর আগে সালমান খান ও এনসিপি নেতা জিশান সিদ্দিকিকে হত্যার হুমকি দেওয়ার অভিযোগে উত্তর প্রদেশের নয়ডা থেকে ২০ বছর বয়সি এক যুবককে গ্রেফতার করেছে মুম্বাইয়ের পুলিশ। গত সোমবার ওই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফলোয়ারদের যে হুমকি দিলেন সোহানা সাবা

    সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার নিয়ে ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন আওয়ামীপন্থি অভিনয় শিল্পীদের নিয়ে গঠিত ‘আলো আসবেই’ গ্রুপ কাণ্ডে আলোচিত ছিলেন অভিনেত্রী সোহানা সাবা। 

    তিনি বিভিন্ন সময় আওয়ামী লীগের ব্যানারে প্রচার-প্রচারণায় অংশগ্রহণ করে নেটিজেনদের সমালোচনার মুখে পড়েন। 

    গত ৫ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশ থেকে পালিয়ে যাওয়ার পর থেকেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিভিন্ন সময় পরোক্ষভাবে দেওয়া স্ট্যাটাসে সমালোচকদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিয়েছেন সোহানা সাবা। 

    সম্প্রতি এক স্ট্যাটাসে এই অভিনেত্রী জানান, তিনি এমন কিছু করেননি। বরং তার আইডি হ্যাক করার চেষ্টা থেকে এসব করা হচ্ছে।

    অপর একটি স্ট্যাটাসে কিছু মানুষকে উদ্দেশ করে সাবা লেখেন- ‘কিছু অভাগা, যারা গত ১৮ বছর ধরে আমাকে ফলো করে আসছেন, ইনবক্সে নক করছেন আর ফ্রেন্ডলিস্টে একটু জায়গা পেতে আমাকে রিকোয়েস্ট করে আসছেন— তারা আমার হ্যাকড আইডি থেকে পাওয়া গ্রুপ ইনভাইটেশন পেয়ে যারপর নাই পুলোকিত!’

    অভিনেত্রী লেখেন- তাদের ছ্যাঁচড়ামির বড় প্রমাণ দিতে তারা রিকোয়েস্টের স্ক্রিনশট পোস্ট করে হেভি লাইক কমেন্ট কামানোর ব্যাপারে উৎসাহী। হ্যাঁ ভাই, হ্যাঁ আপনি অনেক বড় ‘লায়েক’!

    সবশেষ অভিনেত্রীর সংযোজন- ‘যদিও আমি নিশ্চিত, আমার ভাই অথবা এরকম অনেক সুদর্শন ও সুশিক্ষিত সুপুরুষ হলে এটুকুতে নিজের আত্মসম্মান খোয়াতে যেত না! সে যাই হোক।’

    আরও একটি পোস্টে সবাইকে সতর্ক করে সোহানা সাবা লেখেন, ‘আপনার কিছু বলার থাকলে অবশ্যই বলবেন, অবশ্যই লিখবেন। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া ওয়ালে লিখবেন। আমার কমেন্ট বক্সে এসে লিখে নিজের লাইক-কমেন্ট- শেয়ার বাড়াতে চাইলে আপনাকে কট করে কেটে দেব।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমান খানের বাবাকে হুমকি

    বলিউড অভিনেতা সালমন খানের বাবা সেলিম খানকে হুমকি দিলেন এক ব্যক্তি। বিষ্ণোই গ্যাংয়ের লরেন্স বিষ্ণোইয়ের নাম করে হুমকি দিয়েছেন তিনি। বান্দ্রা পুলিশের পক্ষ থেকে এদিন এক বাইক আরোহীকে আটক করা হয়। অভিযোগ উঠেছে সেই ব্যক্তিই নাকি ভাইজানের বাবা তথা বর্ষীয়ান চিত্রনাট্যকার সেলিম খানকে খুনের হুমকি দিয়েছেন। যদিও পুলিশের অনুমান এটা নিছকই ভয় দেখানোর জন্যই।

    পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, বুধবার সকালে যখন কার্টার রোডে একটু হাঁটতে বেরিয়েছিলেন তখনই এক ব্যক্তি স্কুটারে করে আসেন। সঙ্গে এক মহিলাও ছিলেন। তারা সেলিম খানের কাছে এসে গাড়ি থামান এবং হুমকির সুরে বলেন, লরেন্স বিষ্ণোইকে পাঠাব নাকি? আর সঙ্গে সঙ্গেই সেখান থেকে পালিয়ে যান। সেলিম খান জানিয়েছেন, মহিলা ওই স্কুটারে ছিলেন তবে মুখ ঢাকা ছিল বোরখা দিয়ে।

    জানা গেছে, স্কুটারটি কার্টার রোড থেকে ব্যান্ডস্ট্যান্ড রোডের দিকে যাচ্ছিল। উল্লিখিত কথাটা বলেই তারা ইউ টার্ন নিয়ে বেরিয়ে যান। এ ঘটনার পরই পুলিশের দ্বারস্থ হন সেলিম খান। এবং অভিযোগ দেওয়ার করেন। তিনি ওই স্কুটারের নম্বরপ্লেট থেকে কেবল ৪টি সংখ্যা মনে রাখতে পেরেছিলেন, যা হল ৭৪৪৪। আর সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই এদিন পুলিশ সেই ব্যক্তিকে আটক করে। এমনটা বান্দ্রা থানার এক পুলিশ কর্মী জানিয়েছেন। একাধিক ধারায় তাদের নামে মামলা রুজু করা হয়েছে। সিসিটিভি ফুটেজও দেখছে পুলিশ।

    তবে কেবল এদিনের এ ঘটনা নয়, দুদিন আগেই একজন বাইক আরোহী দ্রুত গতিতে বাইক চালিয়ে সালমান খানের গাড়ির কনভয়ে ঢোকার চেষ্টা করেন। এমনকি এর আগেও সেলিম খানকে হুমকি দেওয়া হয়েছে। শুধুই কি তাই ১৪ এপ্রিল তো দুই ব্যক্তি বাইকে করে এসে সালমানের বাড়ি উদ্দেশ্য করে গুলি চালিয়ে যান। সেই ঘটনার পর একাধিক ব্যক্তিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এবং প্রায় ১৮০০ পাতার একটি চার্জশিট ফাইল করা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভালো নেই আরিফিন শুভ!

    ঢাকাই সিনেমার নায়ক আরিফিন শুভর ব্যক্তি জীবন ও ক্যারিয়ারে যেন শনির দশা শুরু হয়েছে। কদিন আগেই সংসারে বিচ্ছেদের খবর প্রকাশ্যে আনেন। তারপর থেকেই খুব একটা ভালো নেই এ অভিনেতা। এরই মধ্যে আওয়ামী সরকারের আমলে পাওয়া দশ কাঠা প্লটও হারাতে বসেছেন। 

    rnrn

    এক টাকার বিনিময়ে শেখ মুজিবের বায়োপিক ‘মুজিব : একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় অভিনয় করে ও মুজিবকন্যা শেখ হাসিনাকে খুশি করে বিশেষ কোটায় পুর্বাচলে প্লট বাগিয়ে নেন। সম্প্রতি সেই প্লট বাতিলের কথা জানা গেছে। এ যেন ‘আমও গেল ছালাও গেল’ অবস্থা। 

    rnrn

    আওয়ামীঘেঁষা শিল্পী হিসাবে শেখ হাসিনা সরকারের বিরুদ্ধে সংঘটিত ছাত্র আন্দোলনেও তিনি চুপ ছিলেন। তাই ছাত্র আন্দোলনে ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা পালিয়ে যাওয়ার পর থেকেই অভিনয় ক্যারিয়ার নিয়েও হুমকির মুখে পড়ের শুভ। পড়েন সাধারণ জনগণের রোষানলে। শেখ মুজিবের বায়োপিকের জন্য তিনি এতদিন গর্ব করেছেন, সেই বায়োপিকই হয়ে উঠল শুভর ক্যারিয়ারে সবচেয়ে বড় শত্রু! 

    rnrn

    নেটিজেনরা বলছেন, একজন শিল্পী হিসাবে জনগণের পক্ষে ও ন্যায়ের সঙ্গে থাকা উচিত ছিল তার। কিন্তু তিনি সেটা করেননি। বরং ছাত্র আন্দোলন চলাকালীন নিজের কয়েক মাস আগের পুরোনো ডিভোর্সের প্রসঙ্গ সামনে এনে ছাত্র আন্দোলনের আলোচনাকে ভিন্ন খাতে প্রবাহ করতে চেয়েছিলেন।

    rnrn

    প্রসঙ্গত, বিভিন্ন সময়ে সংরক্ষিত কোটায় বরাদ্দ দেওয়া প্লট বাতিলের উদ্যোগ নিয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার। এরই মধ্যে ‘মুজিব’ সিনেমায় শেখ মুজিবের চরিত্রে অভিনয় করা অভিনেতা আরিফিন শুভকে সংরক্ষিত কোটায় বরাদ্দ দেওয়া রাজউকের প্লটটি বাতিলের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। তার সঙ্গে সিনেমাটির প্রযোজক লিটন হায়দারের ৩ কাঠা প্লটও বাতিল হচ্ছে। সম্প্রতি গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ পর্যায় থেকে এ-সংক্রান্ত

    rnrn

    নির্দেশনা পাওয়ার পর রাজধানী উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (রাজউক) ও জাতীয় গৃহায়ণ কর্তৃপক্ষ প্লট বরাদ্দের তালিকা তৈরি করেছে। আরিফিন শুভর প্লট বাতিলের বিষয়টি নিশ্চিত করে রাজউকের চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল (অব.) মো. ছিদ্দিকুর রহমান সরকার বলেন, ‘মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে আমরা তালিকা প্রণয়নের কাজ শুরু করেছি। তবে কী পরিমাণ প্লট বাতিল হবে, তা এখনই বলা যাচ্ছে না। মূলত যেগুলো রেজিস্ট্রেশন হয়নি, এমন শতাধিক প্লটের তালিকা তৈরি করা হয়েছে, যা বোর্ড সভায় উপস্থাপন করে বরাদ্দ বাতিল করা হবে।’
    rn 

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • স্ক্রিনশট ফাঁসের হুমকি দিলেন নাজনীন চুমকি

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনকে কেন্দ্র করে বার্তা আদান-প্রদানের বহুল পরিচিত মাধ্যম হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে ‘আলো আসবেই’ নামক গ্রুপটির ফাঁস হওয়া স্ক্রিনশট নিয়ে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনার সৃষ্টি হয় দেশের শোবিজ অঙ্গনে। স্ক্রিনশটগুলো ফাঁস হওয়ার পর অনেক অভিনয়শিল্পীদেরই আসল চেহারা ফুটে উঠেছে স্পষ্টভাবে।

    ফাঁস হওয়া স্ক্রিনশটগুলোতে দেখা যায়, সাবেক সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ, রিয়াজ ও সাবেক তথ্যপ্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত নেতৃত্বে আওয়ামীপন্থি তারকারা ছাত্রদের বিপক্ষে অবস্থান নিয়ে গোপনে ছক কষছিল। তার অংশ হিসেবে ছাত্রদের ওপর ভয়ংকর সব পরিকল্পনার কথা উঠে আসে। এরই মধ্যে অভিনেত্রী মনিরা মিঠু দাবি করেন, আলো আসবেই গ্রুপের মত আরও একটি গ্রুপ রয়েছে।

    বুধবার বিষয়টি নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি দীর্ঘ পোস্ট দেন মনিরা। সেখানে তিনি অভিযুক্ত করেন অভিনেত্রী নাজনীন হাসান চুমকিকে। সে অংশে মনিরা উল্লেখ করেন, শিল্পী সংঘের সেক্রেটারি নাজনীন হাসান চুমকির নাকি সারারাত ঘুম হারাম হয়ে গিয়েছিল যে, কীভাবে আমি এই অশ্লীল ভিডিও আপলোড দিলাম। কারণ ভিডিওর এক জায়গায় ড. এজাজ ভাই কমলা খাচ্ছিলেন আর ‘বিচি’ শব্দটা উচ্চারণ করেছিলেন।

    মনিরা লেখেন, অ্যাক্টর ইকুইটির সেই গোপন গ্রুপের একজন সদস্য আমাকে কিছু স্ক্রিন শট পাঠান আমি যেন দ্রুত ভিডিওটি ডিলিট করি।

    স্ক্রিনশটে দেখি সুজাত শিমুল আমাকে তুমুল গালাগাল করছেন। আমি অবাক হয়ে দেখলাম যে, শিল্পী সংঘের কোনো সিনিয়র সদস্য সুজাত শিমুলকে বলেন নাই যে, একটি ভিডিওর জন্য মিঠু আপাকে এইভাবে গালাগাল করছো কেন? নাজনীন হাসান চুমকি তো আমাকে ব্যক্তিগতভাবে বলতে পারতেন যে, মিঠু আপা ভিডিওটি শ্রুতিমধুর না, মুছে ফেলেন। কারণ তার সঙ্গে আমার কোনো ধরনের বিবাদ ছিল না।’

    মনিরা মিঠুর এসব অভিযোগের পর মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী নাজনীন হাসান চুমকি। সঙ্গে মনিরা মিঠুকে পালটা হুমকিও দেন তিনি। সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখেছেন, থিয়েটার, ধারাবাহিক নাটক, ক্লাব ৯২-৯৪, পাঠচক্র, অফিস, বিদ্যালয়, বিশ্ববিদ্যালয় ইত্যাদির ন্যায় অভিনয়শিল্পী সংঘ বাংলাদেশের কমিটির সদস্যদের নিয়ে মেসেঞ্জার ও হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ ছিল এবং আছে। খুব স্বাভাবিক, থাকে এবং থাকবেই। সেটাকে কিনা ‘আলো আসবেই’ এর তুলনা করলেন স্বনামধন্য ও শ্রদ্ধেয় মুনিরা মিঠু আপা!

    নাজনীন লেখেন, সেখানকার কথোপকথন এই কমিটির একজন সদস্য তাকে স্ক্রিনশট পাঠাল (শুধু আমার এবং সুজাত শিমুল ভাইয়ের) সেটার ভিত্তিতে তিনি আজ যে বিশাল স্ট্যাটাস দিলেন। সেই স্ট্যাটাসকে আবার নিউজ করল কিছু নিউজপেপার। উক্ত নিউজপেপারগুলো একবারও আমার বা সুজাত শিমুলের সঙ্গে কথা বলারও প্রয়োজন মনে করল না! এটা খুবই দুঃখজনক।

    এই অভিনেত্রী আরও লেখেন, যাইহোক, ১০ মে ২০২৪, বেলা ১০ টা ২৫ মিনিটে অর্থাৎ ৪ মাস পূর্বে মিঠু আপা বারবার আমাকে নক করে এই একই বিষয় নিয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টা যাবৎ অনেক কথা বলেছিলেন, লিখেছিলেন এবং ভয়েস টেক্সটও পাঠিয়েছিলেন। দুজন সহকর্মীর ভুল বোঝাবুঝির অবসান ও সুসম্পর্ক পুনঃবহাল হয়েছিল।

    শেষে হুমকি দিয়ে অভিনেত্রী লেখেন, কিন্তু আজ এই স্ট্যাটাস ও নিউজগুলো পড়ার পর সেইসব কথোপকথনের স্ক্রিনশট ও ভয়েস টেক্সট (আমার কাছে এখনও সযতনে আছে) প্রকাশ করে দিলে কার সম্মান বাড়বে সেটাই ভাবছি।

    এদিকে চুমকীর পোস্টের মন্তব্যের ঘরে মনিরা মিঠু উত্তর দিয়েছেন। 

    উত্তরে তিনি লিখেন, চুমকি, হ্যাঁ, আমি তোমাকে ভয়েস দিয়েছিলাম, টেক্সট দিয়েছিলাম এবং ফোন করেছিলাম। কিন্তু তুমি বলেছিলে তোমার স্বামী বাসায় তাই ফোন ধরবে না। হ্যাঁ নিশ্চই, তুমি সেই টেক্সটগুলো ভয়েসগুলো প্রকাশ করতে পারো। আমার বিন্দুমাত্র আপত্তি নেই। আর সেইখানে সুজাত শিমুলের গালি ছিল একদম কবিতার মতোই, তুমি আমাকে গালি দাওনাই, তোমার ভাষা খারাপ ছিল না কিন্তু আর কারোর গালি আমার চোখে পড়ে নাই সেইখানে আমি কেন মিথ্যা বলব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • একের পরে এক ‘হুমকি’ নিয়ে যা বললেন অভিনেত্রী বাঁধন

    কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলেন আজমেরী হক বাঁধন। আন্দোলনরত ছাত্র আবু সাঈদের মৃত্যুর পরই রাস্তায় নেমেছিলেন অভিনেত্রী। শেখ হাসিনার পদত্যাগ দাবিতে যে আন্দোলন হয়েছিল, সেখানেও যোগ দিয়েছিলেন বাঁধন। 

    rnrn

    আর এজন্যই নাকি একের পরে এক খুন ও অ্যাসিড মারার হুমকি পেয়েছেন তিনি। সোমবার নিজের ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক ভিডিওতে সেই অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন বাঁধন।

    rnrn

    ছাত্রদের ওপর চালানো গুলির ঘটনার পরের দিনই ফেসবুক প্রোফাইলের ছবি ব্ল্যাক করে দিয়েছিলেন বাঁধন। তারপর থেকেই নাকি নানা ধরনের বার্তা আসতে থাকে তার কাছে। 

    rnrn

    বাঁধন বলেন, ‘ফেসবুকে প্রোফাইল ও কভার ফটোর কালার কালো করার পরেই বলা হতে থাকে, আমি সরকারের বিরুদ্ধে। এর পর আমি একটি স্ট্যাটাস দিয়ে বলি, নাগরিক হিসেবে আমি এ দেশে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এটা লেখার পর থেকে নানা মহলের ফোন পাই। আমাকে এ নিয়ে বেশি কথা বলতেও নিষেধ করা হয়।’

    rnrn

    এর পরেও গত ১ আগস্ট রাজপথে নামেন বাঁধন। তাকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলেও হুমকি দেওয়া হয় তখন। ভিডিওতে বাঁধন বলেন, ‘বলা হয়েছিল, আমাকে গ্রেফতার করা হবে, কারণ আমি রাষ্ট্রদ্রোহমূলক কাজ করেছি। এগুলো বলেও যখন লাভ হচ্ছিল না, তখন বলা হয় আমাকে গুলি করা হবে। এমনও বলা হয় যে, আমাকে অ্যাসিড ছুড়ে মারা হবে। আমি তো অভিনয় করি। তাই আমাকে মেরে ফেলে কোনো লাভ হবে না! বরং অ্যাসিড ছোড়ার কথা বললে আমি হয়তো ভয় পাব। এমনকি এও বলা হয়েছে যে, রাস্তায় আমাকে পোশাক খুলে উলঙ্গ করে দেওয়া হবে, আমার বাড়িতে হামলা করা হবে।’

    rnrn

    এসব হুমকির পরই বাড়ির নিরাপত্তা বাড়িয়েছেন বলেও জানান বাঁধন। 

    rnrn

    এদিকে এতসব বিপদ দেখেও বাঁধনকে আন্দোলনে শামিল হতে বলেন তার বাবা। অভিনেত্রীর কথায়, ‘বাবা বলেন যে, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আমার থাকা উচিত। কিন্তু হুমকি আসার পর থেকে বাবাও ভয় পেয়েছিলেন। মা এবং আমার মেয়ে খুব কান্নাকাটি করেছিল। ৪ আগস্ট কারফিউ শুরু হওয়ার পর রাতে আমি নিজেও অনেক কান্নাকাটি করেছিলাম। ভেবেছিলাম, তিনি (শেখ হাসিনা) হয়তো সবাইকে মেরে ফেলবেন, কিন্তু নিজে পালাবেন না।’

    rnrn

    মা-বাবা ভয় পাওয়ায় বোরকা পরে বের হবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাঁধন। তিনি বলেন, ‘আমাকে চিনতে পারলে তো আমার ওপর হামলা করবে। তাই ৫ আগস্ট বোরকা পরে অনেকটা দূর পর্যন্ত চলে যাই। রাস্তায় নেমে দেখি লাখ লাখ মানুষ। তখন বুঝতে পারি, ওরা  আর মানুষকে কিছু করতে পারবে না। তার কিছুক্ষণ পরেই তো আমরা সবটা জানতে পারি। সেনাপ্রধান বক্তব্য রাখেন। আনন্দে বোরকা খুলে পতাকা জড়িয়ে ধরি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘জাহিরকে দেখে নেব’ বিয়ের পরই সোনাক্ষীর স্বামীকে ‘হুমকি’ হানির!

    রাত তখন দেড়টা। জাহির-সোনাক্ষীর রিসেপশন ভেন্যু থেকে বেরিয়েই পাপারাজ্জিদের ছোটাছুটি দেখে চড়াও হলেন হানি সিং! তার প্রশ্ন, এত রাতে এখানে কী করছো? এরপরই ক্যামেরার সামনে নবদম্পতির উদ্দেশে তিনি যা বললেন, তা নেটপাড়ায় ভাইরাল।

    আনন্দবাজার জানায়, রোববার সকালে বিমানবন্দরে নেমেই হানি বলেন, ‘মদ্যপান না করেই সোনাক্ষীর বিয়েতে নাচব?’ তার পর সন্ধ্যাবেলা বেগনি কোর্ট, চেক প্যান্ট, চোখে রোদচশমা পরে অনুষ্ঠানকক্ষে ঢোকেন। 

    বেশ কয়েক বছর আগে সোনাক্ষীর সঙ্গে ‘দেশি কলাকর’ মিউজক ভিডিও করেন হানি। তুমুল জনপ্রিয় হয় সেই ভিডিও। তার পর থেকে গাঢ় হয় তাদের বন্ধুত্ব। তাই কাছের বান্ধবীর এমন এক দিনে নিজে থেকেই জাহির ও সোনাক্ষীর জন্য বেশ কিছু গান গাইলেন হানি। 

    তবু রিসেপশনের অনুষ্ঠান শেষে অবশ্য একেবারে অন্য মেজাজে ধরা দিলেন তিনি। 

    ক্যামেরা সামনে দেখেই খানিক হুমকির সুরে বলেন,‘সোনাক্ষীকে খুশি না রাখলে, জাহির দেখে নেব তোমাকে।’ যদিও গোটা বিষয়টা মজার ছলেই করেছেন তিনি। তবু নেটপাড়ার একাংশ অবশ্য হানির এ হেন মন্তব্য নিয়ে হাসাহাসি শুরু করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমানের হুমকি, যেভাবে ‘অন্ধকার সময়’ কাটিয়ে ওঠেন ঐশ্বরিয়ার প্রেমিক

    সালমানের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর বিবেকের সঙ্গে সম্পর্কে জড়ান বলিউড অভিনেত্রী ঐশ্বরিয়া রাই বচন। এ নিয়েই সালমানের সঙ্গে বিবেকের টানাপোড়েনের সূত্রপাত।সেটি একপর্যায়ে শত্রুতায় রূপ নেয়। 

    rnrn

    ভারতের গণমাধ্যম আনন্দবাজারের খবরে বলা হয়েছে, বিবেক জানিয়েছিলেন— সালমান ফোন করে তাকে হুমকি দিচ্ছেন। এ নিয়ে পরে সালমানের কাছে একটি অ্যাওয়ার্ড শোতে ক্ষমাও চান বিবেক। সেই সময়ে কীভাবে একের পর এক কাজ হারিয়েছিলেন, তার কথাও জানান বিবেক।

    rnrn

    এর আগে এক সংবাদমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে বিবেক বলেছিলেন—‘সাথিয়া’, ‘প্রিন্স’, ‘মাস্তি’– একের পর এক সুপারহিট ছবি করার পরও  অনেক দিন তাকে বলিউড থেকে দূরে থাকতে হয়েছিল। টানা ১৪ মাস বাড়িতে বসে থাকতে হয়েছিল। হাতে তার কোনো কাজও ছিল না। বহু অবাঞ্ছিত বিষয় আমাকে সহ্য করতে হয়েছিল। এই সময়কে জীবনের সবচেয়ে অন্ধকার দিক হিসেবেও তিনি মনে করেন।

    rnrn

    প্রতিবেদনে আরও বলা হয়েছে, ক্যারিয়ারের মধ্যগগনে পৌঁছেও থমকে গিয়েছিলেন অভিনেতা বিবেক ওবেরয়। ‘সাথিয়া’, ‘প্রিন্স’, ‘মাস্তি’— একের পর এক সফল ছবির পরও অনেক দিন বলিউড থেকে দূরে থাকতে হয়েছিল তাকে।
    rn 
    rnএদিকে বিটাউনে তার সঙ্গে সালমান খানের কলহের কথা প্রায় সবারই জানা। ভাইজানের থেকে হুমকিও পেয়েছিলেন তিনি । এ বিষয়ে এবার মুখ খুললেন বিবেক ওবেরয়ের বাবা সুরেশ ওবেরয়। কঠিন সময়ে কীভাবে নিজেকে সামলেছিলেন বিবেক, সে কথা খোলাখুলি জানালেন তিনি। 

    rnrn

    এ অভিনেতা বলেন, ‘ওর শক্তি আছে বলেই এ বিপথ কাটিয়ে উঠতে পেরেছে। অন্য কেউ হলে মদ্যপ হয়ে পড়ে থাকত অথবা মাদকাসক্ত হয়ে পড়ত। ইন্ডাস্ট্রির  সবাই ওর বিরুদ্ধে চলে গিয়েছিল। সংবাদমাধ্যমের মানুষ— এমনকি অভিনেতারাও ওর বিপরীতে ছিল না। খুব তাড়াতাড়ি কেউ সাফল্য পেয়ে গেলে অন্যরা সেটা মেনে নিতেই পারে না।‘

    বিনোদন ডেস্ক

  • হত্যার হুমকি দেওয়ায় ফ্ল্যাট ছেড়ে দিচ্ছেন সালমান খান

    বার বার হত্যার হুমকি দেওয়ায় উদ্বিঘ্ন ভারতীয় সুপারস্টার সালমান খান। তাইতো নিরাপদ জীবন যাপনে মুম্বাইয়ের বান্দ্রারের ফ্ল্যাট ছেড়ে চলে যাচ্ছেন তারকা অভিনেতা। 

    rnrn

    সম্প্রতি অভিনেতার বান্দ্রার ফ্ল্যাটে গুলি করেন দুই বন্দুকধারী। যদিও পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন তারা। এই ঘটনার দায় স্বীকার করে নিয়েছে কুখ্যাত এই সন্ত্রাসীরা। 

    rnrn

    তারপর থেকেই সালমান খানকে বাড়তি নিরাপত্তা দিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার। তার জন্য চিন্তায় খান পরিবার। নিরাপদে থাকতে বান্দ্রারার ফ্ল্যাট ছেড়ে রায়গড় জেলার পানভেলেতে চলে যাচ্ছেন তিনি। 

    rnrn

    অভিনেতার ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, এমনিতেই নিজের বাগানবাড়িতে সময় কাটাতে যেতেন। কিন্তু, সম্প্রতি যেভাবে তার নিরাপত্তা বেড়েছে, তার কারণে শহরবাসীর যাতে কোনও অসুবিধা না হয় সে জন্য এই সিদ্ধান্ত। এ ছাড়াও ‘বিগ বস্’-এর শুটিং ফ্লোর থেকেও কাছে হওয়ায় পাকাপাকি সেখানেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সালমান। পরিবারের সবার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অভিনেতা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমানের বাড়িতে গুলি চালানোর পর এবার হুমকি দিয়ে চিঠি!

    বলিউড অভিনেতা সালমান খানের বাড়ির বাইরে চার রাউন্ড গুলি চালিয়ে চম্পট দেন দুই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। তার পর থেকেই হই হই রব বান্দ্রার গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে। এ ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে মুম্বাই পুলিশ। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে। 

    rnrn

    তবে কে বা কারা এ ঘটনার পেছনে রয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছিল পুলিশ। এর মধ্যে বেলা বাড়তেই এলো হুমকির চিঠি। গোটা ঘটনার দায় স্বীকার করে নিয়েছে বিষ্ণোই গ্যাং। তারা শুধু ঘটনার দায় স্বীকারই করেনি, সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে রীতিমতো হুমকি দিয়েছে অভিনেতাকে।

    rnrn

    গত বছর থেকেই ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন সালমান খান। লরেন্স বিষ্ণোই এর আগে হুমকি দিয়েছেন সালমানকে প্রাণে মেরে ফেলার। এ মুহূর্তে জেলবন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই । একটি সামাজিক মাধ্যমের পাতায় হুমকি পোস্ট দিলেন তার ভাই আনমোল বিষ্ণোই। 

    rnrn

    তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের ওপর হওয়া অত্যাচারের নিষ্পত্তি চাই। যদি তুমি সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে নামতে চাও, তা-ই সই। আজ যা হয়েছে, তা শুধুই একটা ঝলক ছিল সালমান খান। যাতে তুমি বুঝতে পার, আমরা কত দূর যেতে পারি। এটাই ছিল তোমাকে দেওয়া শেষ সুযোগ। এর পর গুলিটা তোমার বাড়ির বাইরে চলবে না… দাউদ ও ছোটা শাকিল নামের যে দুজনকে তুমি ভগবান মানো, সেই নামের দুটি কুকুর পুষেছি বাড়িতে। বাকি বেশি কথা বলার লোক আমি নই। জয় শ্রী রাম।’

    rnrn

    ১৯৯৮ সালে কৃষ্ণসার হরিণ শিকারকাণ্ডে সালমানের নাম জড়িয়েছিল। এর ‘বদলা নিতে’ সালমানকে খুনের হুমকি দেয় লরেন্স বিষ্ণোই গোষ্ঠী। গত বছর জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) জানিয়েছিল, জেলবন্দি গ্যাংস্টার বিষ্ণোই যে ১০ জনকে ‘খতম তালিকা’য় রেখেছেন, তাদের মধ্যে প্রথমেই রয়েছে সালমানের নাম। তার পর থেকেই সালমানকে নানাভাবে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেছেন এই গ্যাংস্টার। এবার প্রায় অভিনেতার বাড়িতে হামলা করার মতো ঘটনা ঘটিয়ে ফেললেন তারা।

    বিনোদন ডেস্ক