Tag: হত্যা

  • অভিনেত্রী শিমু হত্যা মামলায় আরও ৪ জনের সাক্ষ্য

    চিত্রনায়িকা রাইমা ইসলাম শিমু হত্যার ঘটনায় করা মামলায় চার্জশিটভুক্ত আরও চারজন আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন। মঙ্গলবার ঢাকার চতুর্থ অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ ইসরাত জাহান মুন্নির আদালতে সাক্ষ্য দেন তারা। এদিন তাদের সাক্ষ্য শেষে আদালত পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ২ নভেম্বর দিন ধার্য করেছেন।

    আদালতে সাক্ষ্য দিয়েছেন ব্যবসায়ী জয়নাল আবেদীন, অটোচালক মনির হোসেন, দুই কৃষক শহিদ মিয়া ও মনির হোসেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী রনি মজুমদার বিষয়টি জানিয়েছেন। এখন পর্যন্ত এ মামলায় ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে।

    গত বছরের ২৯ নভেম্বর শিমুর স্বামী সাখাওয়াত আলী নোবেল এবং এসএম ফরহাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত। এদিন দুই আসামিকে কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়।

    ২০২২ সালের ১৭ জানুয়ারি সকাল ১০টার দিকে ঢাকার কেরানীগঞ্জ থেকে অজ্ঞাত হিসেবে শিমুর বস্তাবন্দি লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। তবে তার পরিচয় মিলছিল না। ওই রাতে তার ফিঙ্গারপ্রিন্ট নিয়ে নাম-পরিচয় শনাক্ত করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। 

    পরদিন ১৮ জানুয়ারি কেরানীগঞ্জ মডেল থানায় শিমুর স্বামী নোবেল ও তার বাল্যবন্ধু এসএম ফরহাদের বিরুদ্ধে মামলা করেন শিমুর ভাই হারুনুর রশীদ। ২০ জানুয়ারি মামলার প্রধান দুই আসামি আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেন।

    গত বছরের ৬ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পরিদর্শক মো. শহীদুল ইসলাম উভয়ের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। পরে ১৮ সেপ্টেম্বর সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. রাজিব হাসান মামলার নথি ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কাগজপত্র যাচাই-বাছাই শেষে দুই আসামির উপস্থিতিতে অভিযোগ গ্রহণ করেন।

    স্বামী ও দুই সন্তানকে নিয়ে রাজধানীর কলাবাগান এলাকার বাসায় থাকতেন শিমু। ২০২২ সালের ১৬ জানুয়ারি সকালে বাসা থেকে বেরিয়ে তিনি আর ফেরেননি। তার মোবাইল ফোনও বন্ধ পাওয়া যায়। 

    এ ঘটনায় রাতেই কলাবাগান থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। পরদিন কেরানীগঞ্জের হজরতপুর ব্রিজের কাছে আলিয়াপুর এলাকায় রাস্তার পাশ থেকে শিমুর বস্তাবন্দি খণ্ডিত লাশ উদ্ধার করে পুলিশ।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • চিত্রনায়ক সোহেল হত্যায় সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

    নব্বই দশকের চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য আগামী ৩১ জুলাই দিন ধার্য করেছেন আদালত। বুধবার মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য দিন ধার্য ছিল। 

    এদিন কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির না হওয়ায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল ২-এর বিচারক আলী আহমেদ সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেন। মামলায় এ পর্যন্ত পাঁচজনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

    মামলার আসামিরা হলেন- ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজ, তারেক সাঈদ মামুন, সেলিম খান, হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন, ফারুক আব্বাসী, আদনান সিদ্দিকী, দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন ও আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরী।

    ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীতে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী গুলশান থানায় মামলা করেন। সোহেল চৌধুরী নিহত হওয়ার পরপরই এ হত্যাকাণ্ডে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।

    মামলায় অভিযোগ করা হয়, হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস আগে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে সোহেল চৌধুরীর কথা-কাটাকাটি হয়। এর প্রতিশোধ নিতে সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয়। ঘটনার রাতে সোহেল তার বন্ধুদের নিয়ে ট্রাম্পস ক্লাবে ঢোকার চেষ্টা করেন। তাকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। রাত আড়াইটার দিকে আবারও তিনি ঢোকার চেষ্টা করেন। তখন সোহেলকে লক্ষ্য করে ইমন, মামুন, লিটন, ফারুক ও আদনান গুলি চালান।

    মামলার তদন্ত শেষে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ দাখিল করেন। ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর দুই বছর পর মামলাটির বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ঢাকার দুই নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

    মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসামি আদনান সিদ্দিকী ২০০৩ সালের ১৯ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুলসহ আদেশ দেন।

    বিচারপতি মো. রূহুল কুদ্দুস এবং বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর তৎকালীন ডিভিশন বেঞ্চ শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট রায় দেন। রায়ে রুলটি খারিজ করে দেওয়া হয় এবং হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

    আদালত প্রতিবেদক

  • চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা: সাক্ষ্যগ্রহণ ১৬ জুন

    চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য আগামী ১৬ জুন দিন ধার্য করেছেন আদালত। 

    বুধবার মামলাটি সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য ধার্য ছিল; কিন্তু এদিন কোনো সাক্ষী আদালতে হাজির না হওয়ায় ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক আলী আহমেদ সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য নতুন এ দিন ধার্য করেন। এ মামলায় এখন পর্যন্ত ৫ জনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী শাহীনুর আলম।

    মামলায় আসামিরা হলেন- ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজ, তারেক সাঈদ মামুন, সেলিম খান, হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন, ফারুক আব্বাসী, আদনান সিদ্দিকী, দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন ও আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরী।

    ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীতে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী গুলশান থানায় মামলা করেন। সোহেল চৌধুরী নিহত হওয়ার পরপরই এ হত্যাকাণ্ডে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।

    মামলায় অভিযোগ করা হয়, হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস আগে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে সোহেল চৌধুরীর কথা কাটাকাটি হয়। এর প্রতিশোধ নিতে সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয়। ঘটনার রাতে সোহেল তার বন্ধুদের নিয়ে ট্রাম্পস ক্লাবে ঢোকার চেষ্টা করেন। তাকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। রাত আড়াইটার দিকে আবারো তিনি ঢোকার চেষ্টা করেন। তখন সোহেলকে লক্ষ্য করে ইমন, মামুন, লিটন, ফারুক ও আদনান গুলি চালান।

    মামলাটির তদন্ত শেষে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র দেন। ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর দুই বছর পর মামলাটির বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ঢাকার দুই নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

    মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসামি আদনান সিদ্দিকী ২০০৩ সালের ১৯ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুলসহ আদেশ দেন। 

    বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীস্মদেব চক্রবর্তীর তৎকালীন ডিভিশন বেঞ্চ শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট রায় দেন। রায়ে রুলটি খারিজ করে দেওয়া হয় এবং হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়।

    সবশেষ গত বছরের ২৭ ফেব্রুয়ারি মামলার নথি বিচারিক আদালতে ফেরত আসলে সাক্ষ্য গ্রহণ প্রক্রিয়া শুরুর উদ্যোগ নেন বিচারিক আদালত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হত্যার হুমকি ও নিরাপত্তা নিয়ে মুখ খুললেন সালমান খান

    একাধিকবার বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে হত্যার হুমকি পেয়েছেন বলিউড কিং সালমান খান। পাচ্ছেন একের পর এক খুনের হুমকি। এরপরই সম্প্রতি সালমানকে বিশেষ নিরাপত্তা দিচ্ছে মুম্বাই পুলিশ। 

    rnrn

    সম্প্রতি একের পর এক হুমকির মুখে কীভাবে পরিস্থিতি সামলাচ্ছেন সে বিষয়েই কথা বলেছেন সালমান খান।

    rnrn

    ইন্ডিয়া টিভির শো ‘আপ কি আদালত’-এ হাজির হয়েছিলেন ‘ভাইজান’। সেখানেই সাম্প্রতিক উদ্বেগপূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ে মুখ খুললেন কিসি কা ভাই কিসি কি জান—এর অভিনেতা। 

    rnrn

    বলেন, নিরাপত্তাহীনতায় ভোগার চেয়ে নিরাপত্তার মধ্যে থাকা ভালো। হ্যাঁ, এখন তাই নিরাপত্তার মধ্যেই আমায় থাকতে হচ্ছে। এখন রাস্তায় সাইকেল চালিয়ে একা কোথাও যাওয়া সম্ভব নয়। আর এখন সবচেয়ে বড় সমস্যা, আমি যখন ট্রাফিকের মধ্যে ফেঁসে থাকি, তখন এত নিরাপত্তা, যানবাহন অন্যদের অসুবিধার সৃষ্টি করে। অনেকেই আমাকে দেখেন। আর আমার অসহায় ভক্তরা…। আমাকে প্রতিনিয়ত হুমকি দেওয়া হচ্ছে, সেকারণেই এই নিরাপত্তা। আর আমাকে এখন যা বলা হচ্ছে আমি তাই করছি। 

    rnrn

    সালমান বলেন, ‘আমি এখন নিরাপত্তা নিয়েই সব জায়গায় যাচ্ছি, যদিও এটাও জানি যা ঘটার তাই ঘটবে। আমি শুধু জানি তিনি (সৃষ্টিকর্তার উদ্দেশ্যে) আছেন। তবে তার মানে এটাও নয় যে আমি স্বাধীনভাবে ঘুরতে পারব, পরিস্থিতি তেমন নয়। এখন আমার চারপাশে অনেক শেরা (সালমানের নিরাপত্তারক্ষীর নাম), এত বন্দুক আমার চারপাশে ঘুরছে যে আজকাল আমি নিজেই ভয় পাচ্ছি।’

    rnrn

    সাম্প্রতিক সময়ে একাধিকবার তাকে খুনের হুমকি দেওয়া হয়েছে। প্রকাশ্য সাক্ষাৎকারে লরেন্স বিষ্ণোই জানিয়েছেন খুন করবেন তিনি সালমানকে।

    rnrn

    এমনকি স্বীকার করে নিয়েছেন এর আগেও শার্প শুটার দিয়ে ভাইজানকে খুনের চেষ্টা করা হয়েছে। তবে তা ব্যর্থ হয়। সঙ্গে লরেন্সের দাবি, যদি সালমান বিকানেরে তাদের মন্দিরে গিয়ে ক্ষমা চেয়ে নেন, তাহলে তারা ক্ষমা করার কথা ভেবে দেখবেন।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • ৩০ এপ্রিল হত্যা করা হবে সালমানকে, ফোনে হুমকি!

    ফের হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলিউড ভাইজান সালমান খানকে। মার্চ মাসেই ই-মেইলে এ তারকাকে প্রাণে মেরে ফেলার জন্য হুমকি এসেছিল লরেন্স বিষ্ণোইয়ের গ্যাং থেকে। কিন্তু এবার নিজেকে রকি ভাই দাবি করে সরাসরি মুম্বাই পুলিশের কন্ট্রোল রুমে ফোন করে বলিউড তারকাকে মেরে ফেলার হুমকি দিয়েছেন।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সালমানকে হত্যার হুমকি দেওয়ার পর চিন্তিত মুম্বাই পুলিশ। তারা অভিনেতাদের নিরাপত্তায় কোনো ঘাটতি রাখছে না।

    প্রতিবেদন থেকে জানা যায়, রকি যোধপুরের বাসিন্দা। সে স্বঘোষিত গোরক্ষক। আগামী ৩০ এপ্রিল খুন করা হবে সালমানকে, এমনই হুমকি দিয়েছেন তিনি।

    পুলিশ জানিয়েছে, সোমবার পুলিশ কন্ট্রোল রুমে একটি ফোন আসে। তখন ফোন করা ব্যক্তি নিজেকে রাজস্থানের যোধপুরের রকি ভাই পরিচয় দিয়ে সালমান খানকে ৩০ এপ্রিল প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দেয়। এ ঘটনায় তদন্ত চলছে।

    এদিকে অনেক আগেই পুলিশ কাছে প্রমাণ এসেছে, লরেন্স বিষ্ণোইয়ের গ্যাং অভিনেতাকে হত্যার পরিকল্পনা করছে। এ কারণে তারকাকে ওয়াই প্লা ক্যাটাগরির সুরক্ষা প্রদান করা হচ্ছে। অন্যদিকে সালমানের ব্যক্তিগত দেহরক্ষীরাও তৎপর হয়েছেন।

    প্রসঙ্গত, ১৯৯৮ সালে যোধপুরে সিনেমার শুটিং চলাকালীন দুটি কৃষ্ণসার হরিণ হত্যার অভিযোগ উঠে সালমানের বিরুদ্ধে। তখন থেকেই বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাঁটা হয়ে আছেন বলি নায়ক। এর আগে একাধিকবার তাকে শার্প শ্যুটার দিয়ে হত্যার জন্য চেষ্টা করেছে লরেন্স বিষ্ণোই। ২০১৮ সালে সে প্রকাশ্যে বলেছিল, যোধপুরে সালমানকে হত্যা করব আমরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমানকে হত্যার হুমকি, তদন্তে নতুন মোড়

    সালমান খানকে যে ইমেইলের মাধ্যমে হত্যার হুমকি দেওয়া হয়েছে সেই ইমেইল অ্যাকাউন্ট খুলতে ব্যবহার করা হয়েছে যুক্তরাজ্যের একটি মোবাইল নাম্বার। পুলিশি তদন্তে এমন তথ্য উঠে এসেছে। খবর টাইমস অব ইন্ডিয়ার। 

    rnrn

    শনিবার হুমকির সঙ্গে সঙ্গে সালমানের ব্যবস্থাপক প্রশান্ত গুঞ্জালকর মুম্বাইয়ের বান্দ্রা পুলিশ স্টেশনে অভিযোগ করেছেন। এ মামলায় বান্দ্রা পুলিশ আইপিসির ধারা ৫০৬ (২), ১২০ (বি), এবং ৩৪ অনুযায়ী গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই, গোল্ডি বরাড়, আর রোহিত বরাডের বিরুদ্ধে মামলা করেছে। আপাতত সালমান খানের বাড়ির চারপাশ নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে মুম্বাই পুলিশের পক্ষ থেকে।

    rnrn

    এর আগে এ ঘটনার পর গ্রেফতার করা হয়েছে লরেন্স বিষ্ণোই এবং গোল্ডি ব্রারকে। আপাতত তিহার জেলে রয়েছেন তারা। অভিনেতাকে হুমকির সুরে লরেন্স বলেছিলেন, বিষ্ণোই সম্প্রদায়ের কাছে ক্ষমা চাইতে হবে অভিনেতাকে। তাদের গ্রামের মন্দিরে গিয়ে ক্ষমা চেয়ে আসতে হবে। না হলে খুন করা হবে তাকে। 

    rnrn

    সালমানকে এখন Y+ ক্যাটাগরির সুরক্ষা দেওয়া হয়েছে। গত নভেম্বরে তার ভাই সোহেল খান এবং তার ব্যক্তিগত সিকিউরিটি গার্ড এসে ভেন্যু পর্যবেক্ষণ করে গেছেন; যাতে অভিনেতার নিরাপত্তা নিয়ে কোনো প্রশ্ন না ওঠে।

    rnrn

    এদিকে সালমান খানের কলকাতার শো স্থগিত হয়ে গেল অনির্দিষ্টকালের জন্য। তবে বাতিল হয়নি। এমনই খবর প্রকাশ্যে এলো অর্গানাইজারদের তরফে। তাদের তরফে জানানো হয় নিরাপত্তার কথা ভেবে এই শো স্থগিত করা হয়েছে। মে থেকে জুনের মধ্যে কোনো এক সময়ে এ শো অনুষ্ঠিত হবে। এই শোতে কেবল সালমান নন, বলিউডের একাধিক তাবড় তাবড় অভিনেতার আসার কথা ছিল। এদের মধ্যে আছেন সোনাক্ষী সিনহা, জ্যাকুলিন ফার্নান্দেজ, প্রভু দেবা, আয়ুষ শর্মা প্রমুখ।  

    অনলাইন ডেস্ক

  • দক্ষিণ আফ্রিকায় র‌্যাপ সংগীতশিল্পীকে গুলি করে হত্যা

    দক্ষিণ আফ্রিকার শীর্ষস্থানীয় র‌্যাপ সংগীতশিল্পীকে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। তিনি একেএ নামে পরিচিত ছিলেন। দেশটির পূর্বাঞ্চলীয় শহর ডারবানের একটি রেস্তোরাঁর বাইরে তাকে গুলি করে হত্যা করা হয়। নাম তার কিয়েরনান ফোর্বস।

    শনিবার ফোর্বসের পরিবার এ তথ্য জানিয়েছেন। খবর আলজাজিরার।

    একাধিক দক্ষিণ আফ্রিকান পুরস্কার জিতেছেন সংগীতশিল্পী কিয়েরনান ফোর্বস। যুক্তরাষ্ট্রের ব্ল্যাক এন্টারটেইনমেন্ট টেলিভিশন পুরস্কারের জন্য একাধিকবার মনোনীত হয়েছেন তিনি। এ ছাড়া এমটিভি ইউরোপ সংগীত পুরস্কারের জন্য মনোনীত হয়েছিলেন একেএ।

    একেএর বাবা-মা, টনি ও লিন ফোর্বস টুইটারে এক পোস্টে বলেন, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি— আমাদের প্রিয় পুত্র আর আমাদের মাঝে নেই। সে মৃত্যুবরণ করেছে।

    পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়, তাদের কাছে দুজন সশস্ত্র সন্দেহভাজন ব্যক্তি রাস্তার ওপর পাশ থেকে ভিকটিমদের খুব কাছ থেকে গুলি করে। খুনের কারণ এখনো জানা যায়নি। এ ঘটনার তদন্ত চলছে।

    ৩৫ বছর বয়সি তার একেএর ক্যারিয়ার শুরু করার আগে র‌্যাপ গ্রুপ এন্টিটির মাধ্যমে সংগীতজীবন শুরু করেছিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক