Tag: হত্যা

  • রোকেয়া ও অরুণার বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টা মামলা

    নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ের কাচঁপুর এলাকায় নোয়াগাঁও ইউনিয়নের লাধুর চর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে রুহুল আমিনকে গুলি করে পঙ্গু করার ঘটনায় রোকেয়া প্রাচী ও অরুণা বিশ্বাসকে আসামি করে হত্যাচেষ্টার মামলা দায়ের করা হয়েছে। 

    রোববার রাতে আহত রুহুল আমিন নিজেই বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় এ মামলা দায়ের করেন। মামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নারায়ণগঞ্জ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (খ-অঞ্চল) শেখ বিল্লাল হোসেন।

    এ দুজন ছাড়াও সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, বোন শেখ রেহেনা ও ছেলে সজিব ওয়াজেদ জয়কে আসামি করে ১৭৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। এতে ১৭৯ জনের নাম উল্লেখ এবং ৫০-৬০ জন অজ্ঞাত আসামি করা হয়।

    মামলায় উল্লেখ করা হয়, গত ২০ জুলাই সোনারগাঁয়ের কাচঁপুরে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে চলাকালে বাদীকে কাঁচপুর এলাকায় গুলি করে মারাত্মকভাবে আহত করা হয়। বর্তমানে তিনি পঙ্গুত্ব বরণ করে আছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শত শত শহিদ, শত শত গুম, মানুষের কান্না মিডিয়ায় তুলে ধরুন: ফারুকী

    ছাত্র-জনতার এক রক্তক্ষয়ী গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে পতন হয়েছে শেখ হাসিনা সরকারের। গত ১৬ জুলাই থেকে রাজপথে অনেক ছাত্র-জনতা অকাতরে প্রাণ দিয়েছেন। গুলিতে কারও খুলি উড়ে গেছে, কারও বুক এফোঁড়-ওফোঁড় হয়েছে। হতাহতদের স্বজনের আহাজারিতে ভারী হয়েছে হাসপাতাল। আত্মত্যাগের এই গল্পগুলো তুলে ধরতে গণমাধ্যমের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন চলচ্চিত্র পরিচালক মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।

    গতকাল মঙ্গলবার এক ফেসবুক পোস্টে দেশের সব সংবাদপত্রকে উদ্দেশ করে ফারুকী লিখেছেন, ’হ্যালো বাংলাদেশী বাংলা এবং ইংরেজী পত্রিকা। এই যে শত শত শহীদ, শত শত গুম, মানুষের কান্না- এগুলো আপনাদের পাতায় তুলে ধরেন। ফ্যাসিবাদ-বিরোধী আন্দোলনে তাদের আত্মত্যাগই আজকে আমাকে এবং আপনাদের কথা বলার স্বাধীনতা এনে দিয়েছে।’

    যাদের আত্মত্যাগের বিনিময়ে বাকস্বাধীনতা পেয়েছে গণমাধ্যম, তাদের গল্প ছড়িয়ে দেওয়ার মাধ্যমে ঋণ স্বীকারের আকুতি এই চিত্র পরিচালকের, ‘(আন্দোলনকারীদের) সেই ঋণ শোধ হবে না কোনোভাবেই, কিন্তু তাদের গল্পগুলা তুলে ধরার মাধ্যমে, তাদের হাহাকার লিপিবদ্ধ করার মাধ্যমে আমরা এই ঋণ স্বীকার করতে পারি।’ 

    আন্দোলনে যারা সর্বোচ্চ ত্যাগ করেছেন, দলমত নির্বিশেষে তাদের গল্প তুলে ধরার আরজি ফারুকীর, ‘নির্যাতিত সেই মানুষগুলো কোন দলের সেটা বিবেচনায় না নিয়েই এই কাজটা করেন!’

    বিনোদন ডেস্ক

  • একের পরে এক ‘হুমকি’ নিয়ে যা বললেন অভিনেত্রী বাঁধন

    কোটা সংস্কার আন্দোলনে শিক্ষার্থীদের পাশে ছিলেন আজমেরী হক বাঁধন। আন্দোলনরত ছাত্র আবু সাঈদের মৃত্যুর পরই রাস্তায় নেমেছিলেন অভিনেত্রী। শেখ হাসিনার পদত্যাগ দাবিতে যে আন্দোলন হয়েছিল, সেখানেও যোগ দিয়েছিলেন বাঁধন। 

    rnrn

    আর এজন্যই নাকি একের পরে এক খুন ও অ্যাসিড মারার হুমকি পেয়েছেন তিনি। সোমবার নিজের ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক ভিডিওতে সেই অভিজ্ঞতা জানিয়েছেন বাঁধন।

    rnrn

    ছাত্রদের ওপর চালানো গুলির ঘটনার পরের দিনই ফেসবুক প্রোফাইলের ছবি ব্ল্যাক করে দিয়েছিলেন বাঁধন। তারপর থেকেই নাকি নানা ধরনের বার্তা আসতে থাকে তার কাছে। 

    rnrn

    বাঁধন বলেন, ‘ফেসবুকে প্রোফাইল ও কভার ফটোর কালার কালো করার পরেই বলা হতে থাকে, আমি সরকারের বিরুদ্ধে। এর পর আমি একটি স্ট্যাটাস দিয়ে বলি, নাগরিক হিসেবে আমি এ দেশে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। এটা লেখার পর থেকে নানা মহলের ফোন পাই। আমাকে এ নিয়ে বেশি কথা বলতেও নিষেধ করা হয়।’

    rnrn

    এর পরেও গত ১ আগস্ট রাজপথে নামেন বাঁধন। তাকে গ্রেফতার করা হতে পারে বলেও হুমকি দেওয়া হয় তখন। ভিডিওতে বাঁধন বলেন, ‘বলা হয়েছিল, আমাকে গ্রেফতার করা হবে, কারণ আমি রাষ্ট্রদ্রোহমূলক কাজ করেছি। এগুলো বলেও যখন লাভ হচ্ছিল না, তখন বলা হয় আমাকে গুলি করা হবে। এমনও বলা হয় যে, আমাকে অ্যাসিড ছুড়ে মারা হবে। আমি তো অভিনয় করি। তাই আমাকে মেরে ফেলে কোনো লাভ হবে না! বরং অ্যাসিড ছোড়ার কথা বললে আমি হয়তো ভয় পাব। এমনকি এও বলা হয়েছে যে, রাস্তায় আমাকে পোশাক খুলে উলঙ্গ করে দেওয়া হবে, আমার বাড়িতে হামলা করা হবে।’

    rnrn

    এসব হুমকির পরই বাড়ির নিরাপত্তা বাড়িয়েছেন বলেও জানান বাঁধন। 

    rnrn

    এদিকে এতসব বিপদ দেখেও বাঁধনকে আন্দোলনে শামিল হতে বলেন তার বাবা। অভিনেত্রীর কথায়, ‘বাবা বলেন যে, শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আমার থাকা উচিত। কিন্তু হুমকি আসার পর থেকে বাবাও ভয় পেয়েছিলেন। মা এবং আমার মেয়ে খুব কান্নাকাটি করেছিল। ৪ আগস্ট কারফিউ শুরু হওয়ার পর রাতে আমি নিজেও অনেক কান্নাকাটি করেছিলাম। ভেবেছিলাম, তিনি (শেখ হাসিনা) হয়তো সবাইকে মেরে ফেলবেন, কিন্তু নিজে পালাবেন না।’

    rnrn

    মা-বাবা ভয় পাওয়ায় বোরকা পরে বের হবার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বাঁধন। তিনি বলেন, ‘আমাকে চিনতে পারলে তো আমার ওপর হামলা করবে। তাই ৫ আগস্ট বোরকা পরে অনেকটা দূর পর্যন্ত চলে যাই। রাস্তায় নেমে দেখি লাখ লাখ মানুষ। তখন বুঝতে পারি, ওরা  আর মানুষকে কিছু করতে পারবে না। তার কিছুক্ষণ পরেই তো আমরা সবটা জানতে পারি। সেনাপ্রধান বক্তব্য রাখেন। আনন্দে বোরকা খুলে পতাকা জড়িয়ে ধরি।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • হলিউড অভিনেতাকে গুলি করে হত্যা

    হলিউডের অভিনেতা জনি ওয়াক্টরকে গুলি করে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। দুর্বৃত্তদের গুলিতে প্রাণ হারিয়েছেন জনপ্রিয় আমেরিকান শো ‘জেনারেল হসপিটাল’-এর অভিনেতা। তার বয়স হয়েছিল ৩৭ বছর।

    সূত্রের খবর, চোরেরা চুরি করতে গিয়ে অভিনেতাকে খুন করেছে। জনপ্রিয় অভিনেতাকে খুনের ঘটনা ঘটে ২৫ মে। 

    এক সাক্ষাত্‍কারে জনি ওয়াক্টরের মা স্কারলেট ওয়াক্টর জানিয়েছেন, তার সন্তানকে হত‍্যা করেছে তিন দুষ্কৃতকারী।

    জানা গেছে, সেদিন ভোরে বন্ধুদের সঙ্গে বেড়াতে যাচ্ছিলেন জনি। এসময় তার এক বন্ধুর নজর যায় অভিনেতার গাড়ির দিকে। তিনজন অজানা ব্যক্তি গাড়ির কাছে ঘোরাঘুরি করছিল। অভিনেতার গাড়ি থেকে ক্যাটালিটিক কনভার্টার চুরি করার চেষ্টা করছিল তারা। তখনই দুষ্কৃতকারীরা অভিনেতাকে গুলি করে।

    অভিনেতার মায়ের অভিযোগ, চোরদের চুরি করতে দেখেও তার ছেলে কিছু বলেননি। তাও তাকে হত্যা করা হয়েছে।

    অভিনেতাকে গুলি করার পর ওই তিন দুষ্কৃতকারী ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। জনপ্রিয় অভিনেতার মর্মান্তিক মৃত্যুতে হলিউডের বহু অভিনেতা শোক প্রকাশ করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বলিউড অভিনেত্রীসহ পুরো পরিবারকে হত্যা, বাবার মৃত্যুদণ্ড

    ২০১১ সালের ৭ ফেব্রুয়ারি নিখোঁজ হন বলিউড অভিনেত্রী লায়লা খান ও তার পরিবারের পাঁচ সদস্য। প্রায় এক বছর পর ২০১২ সালের জুলাই মাসে ইগতপুরীতে অভিনেত্রীর ফার্ম হাউসের একটি গর্ত থেকে উদ্ধার হয় পচা-গলা মৃতদেহ। তাদের হত্যা করেছিলেন লায়লার সৎবাবা পারভেজ তাক। অবশেষে প্রায় ১৩ বছর পর এই হত্যাকাণ্ডের রায় দিয়েছেন মুম্বাইয়ের একটি আদালত।

    rnrn

    হত্যাকাণ্ডে দোষী সাব্যস্ত হওয়া লায়লার সৎবাবা পারভেজ তাককে মৃত্যুদণ্ডের নির্দেশও দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (২৪ মে) মুম্বাইয়ের সেশন কোর্ট এ রায় দেন আদালত।

    rnrn

    পুলিশ জানিয়েছে, ২০১০ সালে আজমিনা, রেশমা ও জারা দুবাই গিয়েছিল এবং সেলিনার তৃতীয় স্বামী পারভেজ তাক পরিচিত এক আরব নাগরিকের সঙ্গে কাজ করতেন। তাক ও পরিবারের মধ্যে সম্পর্ক তিক্ত হয়ে ওঠে, যখন তারা ভারতে ফিরে আসার পর তাদের উপার্জন তাকের সঙ্গে ভাগ করে নিতে অস্বীকার করেন। 

    rnrn

    পরে ২০১১ সালের ফেব্রুয়ারিতে মুম্বাই থেকে নিখোঁজ হন লায়লা খান, তার বোন আজমিনা, যমজ ভাইবোন ইমরান-জারা, আরেক আত্মীয় রেশমা ও তার মা সেলিনা। পরে লায়লার বাবা (বায়োলজিক্যাল) নাদির শাহ প্যাটেল মুম্বাইয়ের ওশিওয়ারা থানায় মামলা করেন।

    rnrn

    আদালতে জমা দেওয়া চার্জশিটে, ক্রাইম ব্রাঞ্চ উল্লেখ করেছে, দুবাই ভ্রমণ থেকে প্রাপ্ত অর্থ ভাগ করতে অস্বীকার করায় তাক ক্ষুব্ধ হয়েছিলেন এবং সেই থেকেই ছক কষে সৎ ছেলেমেয়ে এবং স্ত্রীকে ইগাতপুরী ফার্ম হাউজে হত্যা এবং তাদের সম্পত্তি দখলের ষড়যন্ত্র করেন। 

    rnrn

    পুলিশের ডায়রির এক ওয়ান্টেড অভিযুক্ত শাকির হুসেন ওয়ানিকে নিজের পরিকল্পনামাফিক ফার্ম হাউজে প্রহরী হিসেবে নিয়োগ করেন লায়লার সৎ বাবা। পরিবার নিয়ে খামারবাড়িতে পৌঁছানোর পর, সেলিনার সঙ্গে তাকের তর্ক হয়েছিল, যার পর তিনি তাকে একটি ভোঁতা বস্তু দিয়ে আঘাত করেছিলেন, যার ফলে তার মৃত্যু হয়েছিল। পরিবারের অন্য সদস্যরা সাহায্যের জন্য ছুটে এলে চৌকিদারের সাহায্যে ইমরানকে বেধড়ক মারধর করেন তাক। এরপর ছুরি ও রড দিয়ে পরিবারের বাকি পাঁচ সদস্যকে হত্যা করেন, সমস্ত দেহ ফার্ম হাউসেই পুঁতে দেন এবং প্রমাণ লোপাট করার জন্য বাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেন।

    rnrn

    ক্রাইম ব্রাঞ্চ পরবর্তীকালে ফার্ম হাউস থেকে ছয়টি কঙ্কাল উদ্ধার করে। লায়লা মীরা রোডের ফ্ল্যাটের পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দিয়ে রেখেছিলেন মায়ের দ্বিতীয় স্বামী আসিফ শেখকে। অপর সৎবাবার সঙ্গে লায়লার সুসম্পর্ক সহ্য হয়নি তাকের। 

    rnrn

    প্রসঙ্গত, ২০০২ সালে কন্নড় ভাষার ‘মেকআপ’ সিনেমার মাধ্যমে রুপালি পর্দায় পা রাখেন লায়লা। ২০০৮ সালে ‘ওয়াফা: আ ডেডলি লাভ স্টোরি’ সিনেমায় অভিনয় করেন তিনি। সিনেমায় তার বিপরীতে অভিনয় করেন রাজেশ খান্না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রকাশ্যে মডেলকে গুলি করে হত্যা

    সাবেক মিস ইকুয়েডর প্রতিযোগী ল্যান্ডি প্যারাগাকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। গত ২৮ এপ্রিল ইকুয়েডরের কুইভেডোরের একটি রেস্তোরাঁয় গুলি করে হত্যা করা হয় তাকে। তার বয়স হয়েছিল ২৩ বছর। 

    জানা গেছে, কুখ্যাত গ্যাং বসের সঙ্গে সম্পর্ক ছিল ল্যান্ডির। তাদের সম্পর্কের বিষয়টি গোপন রাখার চেষ্টা করেছিলেন তিনি। তবে শেষ রক্ষা হলো না। ধারণা করা হচ্ছে গ্যাং বসের সঙ্গে সম্পর্ক থাকার কারণেই হত্যা করা হয়েছে এই মডেলকে। নৃশংস এই হত্যাকাণ্ড সিসিটিভি ক্যামেরায় ধরা পড়েছে।

    পুলিশ জানায়, সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গেছে একটি রেস্তোরাঁয় বসে অপেক্ষা করছিলেন ল্যান্ডি। তখন দুই বন্দুকধারী খাবারের দোকানে ঢুকে তাকে লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া শুরু করলে মেঝেতে লুটিয়ে পড়েন ল্যান্ডি। মডেলের গায়ে গুলি লাগার পরই ঘটনাস্থল থেকে দ্রুত পালিয়ে যান দুই বন্দুকধারী।

    উল্লেখ্য, ২০২২ সালে মিস ইকুয়েডর প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলেন ল্যান্ডি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক মিলিয়নেরও বেশি অনুসারী রয়েছে তার। গেল বছরের ডিসেম্বরে মাদক পাচারকারী হিসেবে ল্যান্ডির নাম ওঠে পুলিশের খাতায়।

    সূত্র: ডেইল মেইল

    বিনোদন ডেস্ক

  • হত্যার হুমকি দেওয়ায় ফ্ল্যাট ছেড়ে দিচ্ছেন সালমান খান

    বার বার হত্যার হুমকি দেওয়ায় উদ্বিঘ্ন ভারতীয় সুপারস্টার সালমান খান। তাইতো নিরাপদ জীবন যাপনে মুম্বাইয়ের বান্দ্রারের ফ্ল্যাট ছেড়ে চলে যাচ্ছেন তারকা অভিনেতা। 

    rnrn

    সম্প্রতি অভিনেতার বান্দ্রার ফ্ল্যাটে গুলি করেন দুই বন্দুকধারী। যদিও পুলিশের হাতে ধরা পড়েছেন তারা। এই ঘটনার দায় স্বীকার করে নিয়েছে কুখ্যাত এই সন্ত্রাসীরা। 

    rnrn

    তারপর থেকেই সালমান খানকে বাড়তি নিরাপত্তা দিয়েছে মহারাষ্ট্র সরকার। তার জন্য চিন্তায় খান পরিবার। নিরাপদে থাকতে বান্দ্রারার ফ্ল্যাট ছেড়ে রায়গড় জেলার পানভেলেতে চলে যাচ্ছেন তিনি। 

    rnrn

    অভিনেতার ঘনিষ্ঠ সূত্রের দাবি, এমনিতেই নিজের বাগানবাড়িতে সময় কাটাতে যেতেন। কিন্তু, সম্প্রতি যেভাবে তার নিরাপত্তা বেড়েছে, তার কারণে শহরবাসীর যাতে কোনও অসুবিধা না হয় সে জন্য এই সিদ্ধান্ত। এ ছাড়াও ‘বিগ বস্’-এর শুটিং ফ্লোর থেকেও কাছে হওয়ায় পাকাপাকি সেখানেই থাকার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সালমান। পরিবারের সবার কথা ভেবেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন অভিনেতা। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • সালমানের বাড়িতে গুলি চালানোর পর এবার হুমকি দিয়ে চিঠি!

    বলিউড অভিনেতা সালমান খানের বাড়ির বাইরে চার রাউন্ড গুলি চালিয়ে চম্পট দেন দুই অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তি। তার পর থেকেই হই হই রব বান্দ্রার গ্যালাক্সি অ্যাপার্টমেন্টে। এ ঘটনায় নড়েচড়ে বসেছে মুম্বাই পুলিশ। প্রয়োজনীয় পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছেন মহারাষ্ট্রের মুখ্যমন্ত্রী একনাথ শিন্ডে। 

    rnrn

    তবে কে বা কারা এ ঘটনার পেছনে রয়েছে, তা জানতে তদন্ত শুরু করেছিল পুলিশ। এর মধ্যে বেলা বাড়তেই এলো হুমকির চিঠি। গোটা ঘটনার দায় স্বীকার করে নিয়েছে বিষ্ণোই গ্যাং। তারা শুধু ঘটনার দায় স্বীকারই করেনি, সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিয়ে রীতিমতো হুমকি দিয়েছে অভিনেতাকে।

    rnrn

    গত বছর থেকেই ক্রমাগত প্রাণনাশের হুমকি পাচ্ছেন সালমান খান। লরেন্স বিষ্ণোই এর আগে হুমকি দিয়েছেন সালমানকে প্রাণে মেরে ফেলার। এ মুহূর্তে জেলবন্দি গ্যাংস্টার লরেন্স বিষ্ণোই । একটি সামাজিক মাধ্যমের পাতায় হুমকি পোস্ট দিলেন তার ভাই আনমোল বিষ্ণোই। 

    rnrn

    তিনি লিখেছেন, ‘আমাদের ওপর হওয়া অত্যাচারের নিষ্পত্তি চাই। যদি তুমি সরাসরি যুদ্ধের ময়দানে নামতে চাও, তা-ই সই। আজ যা হয়েছে, তা শুধুই একটা ঝলক ছিল সালমান খান। যাতে তুমি বুঝতে পার, আমরা কত দূর যেতে পারি। এটাই ছিল তোমাকে দেওয়া শেষ সুযোগ। এর পর গুলিটা তোমার বাড়ির বাইরে চলবে না… দাউদ ও ছোটা শাকিল নামের যে দুজনকে তুমি ভগবান মানো, সেই নামের দুটি কুকুর পুষেছি বাড়িতে। বাকি বেশি কথা বলার লোক আমি নই। জয় শ্রী রাম।’

    rnrn

    ১৯৯৮ সালে কৃষ্ণসার হরিণ শিকারকাণ্ডে সালমানের নাম জড়িয়েছিল। এর ‘বদলা নিতে’ সালমানকে খুনের হুমকি দেয় লরেন্স বিষ্ণোই গোষ্ঠী। গত বছর জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ) জানিয়েছিল, জেলবন্দি গ্যাংস্টার বিষ্ণোই যে ১০ জনকে ‘খতম তালিকা’য় রেখেছেন, তাদের মধ্যে প্রথমেই রয়েছে সালমানের নাম। তার পর থেকেই সালমানকে নানাভাবে ভয় দেখানোর চেষ্টা করেছেন এই গ্যাংস্টার। এবার প্রায় অভিনেতার বাড়িতে হামলা করার মতো ঘটনা ঘটিয়ে ফেললেন তারা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সোহেল চৌধুরী হত্যা: আজিজ মোহাম্মদ ভাইসহ ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা

    নব্বই দশকের জনপ্রিয় চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় বিতর্কিত ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজসহ ৯ জনের মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করেছে রাষ্ট্রপক্ষ।

    মঙ্গলবার ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক আলী আহমেদের আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ ও আসামিপক্ষ যুক্তি উপস্থাপন করেন। যুক্তি উপস্থাপন শেষে রাষ্ট্রপক্ষের কৌঁসুলি সাদিয়া আফরিন শেলি সব আসামির মৃত্যুদণ্ড প্রত্যাশা করেন। তবে আসামিপক্ষের আইনজীবী ফারুক আহম্মেদ আসামিরা খালাস পাবেন বলে প্রত্যাশা করেন। এরপর আদালত অধিকতর যুক্তি উপস্থাপনের জন্য ৩ এপ্রিল দিন ধার্য করেন।

    মামলায় আসামিরা হলেন- ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজ, তারেক সাঈদ মামুন, সেলিম খান, হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন, ফারুক আব্বাসী, আদনান সিদ্দিকী, দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন ও আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরী।

    ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীতে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী গুলশান থানায় মামলা করেন। সোহেল চৌধুরী নিহত হওয়ার পরপরই এ হত্যাকাণ্ডে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।

    মামলায় অভিযোগ করা হয়, হত্যাকাণ্ডের কয়েক মাস আগে আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সঙ্গে সোহেল চৌধুরীর কথা কাটাকাটি হয়। এর প্রতিশোধ নিতে সোহেল চৌধুরীকে হত্যা করা হয়। ঘটনার রাতে সোহেল তার বন্ধুদের নিয়ে ট্রাম্পস ক্লাবে ঢোকার চেষ্টা করেন। তাকে ভেতরে ঢুকতে বাধা দেওয়া হয়। রাত আড়াইটার দিকে আবারো তিনি ঢোকার চেষ্টা করেন। তখন সোহেলকে লক্ষ্য করে ইমন, মামুন, লিটন, ফারুক ও আদনান গুলি চালান।

    মামলার তদন্ত শেষে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর দুই বছর পর মামলাটির বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ঢাকার দুই নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

    মামলা দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসামি আদনান সিদ্দিকী ২০০৩ সালের ১৯ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুলসহ আদেশ দেন।

    বিচারপতি মো. রুহুল কুদ্দুস ও বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর তৎকালীন ডিভিশন বেঞ্চ শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট রায় দেন। রায়ে রুলটি খারিজ করে দেওয়া হয় এবং হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়। মামলায় এ পর্যন্ত দশজনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।
     

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • চিত্রনায়ক সোহেল হত্যা: নিরাপত্তা প্রহরীর সাক্ষ্য

    নব্বই দশকের চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী হত্যা মামলায় তপন লাল দত্ত নামে এক নিরাপত্তা প্রহরী সাক্ষ্য দিয়েছেন।

    রোববার (২৬ নভেম্বর) ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-২-এর বিচারক আলী আহমেদের আদালতে তিনি সাক্ষ্য দেন। এরপর আসামি পক্ষের আইনজীবীরা তাকে জেরা করেন। আদালত পরবর্তী সাক্ষ্য গ্রহণের জন্য ১২ ডিসেম্বর নতুন দিন ধার্য করেন। মামলায় এ পর্যন্ত দশজনের সাক্ষ্য শেষ হয়েছে।

    এ মামলায় আসামিরা হলেন- ট্রাম্পস ক্লাবের মালিক আফাকুল ইসলাম ওরফে বান্টি ইসলাম, ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাই ওরফে আব্দুল আজিজ, তারেক সাঈদ মামুন, সেলিম খান, হারুন অর রশীদ ওরফে লেদার লিটন, ফারুক আব্বাসী, আদনান সিদ্দিকী, দুই শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন ও আশিষ রায় চৌধুরী ওরফে বোতল চৌধুরী।

    ১৯৯৮ সালের ১৭ ডিসেম্বর রাজধানীর বনানীতে ট্রাম্পস ক্লাবের নিচে সোহেল চৌধুরীকে গুলি করে হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় তার ভাই তৌহিদুল ইসলাম চৌধুরী গুলশান থানায় মামলা করেন। সোহেল চৌধুরী নিহত হওয়ার পরপরই এ হত্যাকাণ্ডে চলচ্চিত্র প্রযোজক ও ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের সম্পৃক্ততার অভিযোগ ওঠে।

    মামলার তদন্ত শেষে ১৯৯৯ সালের ৩০ জুলাই গোয়েন্দা পুলিশের সহকারী পুলিশ কমিশনার আবুল কাশেম ব্যাপারী ৯ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেন। ২০০১ সালের ৩০ অক্টোবর ঢাকার তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন। এর দুই বছর পর মামলাটির বিচার দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ঢাকার দুই নম্বর দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানো হয়।

    মামলা দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনালে পাঠানোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসামি আদনান সিদ্দিকী ২০০৩ সালের ১৯ নভেম্বর হাইকোর্টে রিট করেন। এ পরিপ্রেক্ষিতে হাইকোর্ট ২০০৪ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করে রুলসহ আদেশ দেন।

    বিচারপতি মো. রূহুল কুদ্দুস এবং বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তীর তৎকালীন ডিভিশন বেঞ্চ শুনানি শেষে ২০১৫ সালের ৫ আগস্ট রায় দেন। রায়ে রুলটি খারিজ করে দেওয়া হয় এবং হাইকোর্টের দেওয়া স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার করা হয়।
     

    বিনোদন ডেস্ক