Tag: সাদিয়া আয়মান

  • কেন আমার অনুমতি ছাড়া এ রকম ভিডিও করা হলো: সাদিয়া আয়মান

    বর্তমান সময়ের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান অপ্রীতিকর ঘটনার মুখোমুখি হয়েছেন। তার অনুমতি না নিয়েই এক সাংবাদিক গোপনে ভিডিও ধারণ করে সামাজিক যোগাযোমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে দিয়েছেন। 

    এ ভাইরাল ভিডিওটি অভিনেত্রীকে বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখে ফেলেছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে সেই সাংবাদিকের নাম প্রকাশ করে তার শাস্তির দাবি জানিয়েছেন অভিনেত্রী। 

    শুরুতেই দেশের একটি জাতীয় দৈনিকের নাম উল্লেখ করে সাদিয়া আয়মান লিখেছেন, আমাদের প্রত্যেক শিল্পীর জন্য এই সংবাদপত্রটি বিশ্বাসের জায়গা এবং ভরসার জায়গা। প্রতিষ্ঠানটির ভবনে আমরা সবাই সেফ ফিল করি। সেখানেই একটি ইন্টারভিউতে গিয়ে আজ আমি সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রল ও বুলিংয়ের শিকার হচ্ছি।

    এ ঘটনা উল্লেখ করে অভিনেত্রী আর লিখেছেন, ওই সংবাদপত্রের একজন কর্মী আমার ইন্টারভিউ দেওয়ার সময় গোপনে ভিডিও ধারণ করেছে। যখন আমি মাইক্রোফোন ঠিক করছিলাম। ইন্টারভিউতে রেকর্ড করা প্রফেশনাল ভিডিওর বাইরে একজন শিল্পীর অনুমতি ছাড়া গোপন ভিডিও ‘স্বজ্ঞানে’ এডিট করে তার নিজস্ব ফেসবুক পেজে আপলোড করেছে। 

    একদিন পর সেই ভিডিওটি তার নজরে আসে। এ বিষয়ে সাদিয়া আয়মান বলেন, আমি ভিডিওটি একদিন পরে দেখতে পাই। তারপর তাকে জিজ্ঞেস করি— কেন আমার অনুমতি ছাড়া এ রকম ভিডিও করা হলো, আর সেটি প্রকাশ করা হলো? জবাবে সে নানা অজুহাত দেখায়। এরপর আমি যখন বলি, অফিসিয়ালি পদক্ষেপ নেব, তখন সে ভিডিওটি ডিলিট করে দেয়। 

    ভিডিওটি ডিলিট করার পরও বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে উল্লেখ করে এ অভিনেত্রী বলেন, ততক্ষণে ভিডিওটি বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়েছে। নানা বাজে ক্যাপশনে বিভিন্ন পেজ থেকে এডিট করে ভিডিওটি প্রচার করা হচ্ছে। 

    এ ঘটনায় নিজের যে ক্ষতি হয়েছে তার দায়ভার কে নেবে— এমন প্রশ্ন রেখে সাদিয়া বলেন, কাজ করার সময় গোপনে ধারণ করা ভিডিও আপলোড করায় সোশ্যাল মিডিয়ায় আমাকে যে হয়রানির স্বীকার হতে হচ্ছে, যে ক্ষতি হয়েছে, আমার যে মানহানি হয়েছে এর দ্বায়ভার কে নেবে? 

    এর পর সেই প্রতিষ্ঠানের কাছে বিচারের দাবি জানিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ইন্টারভিউ দিতে গিয়ে আপনাদের কর্মীর কারণেই ক্ষতির শিকার হচ্ছি, আমি চাই আপনারা এর সুষ্ঠু বিচার করুন। 

    সবশেষ সাংবাদিকদের উদ্দেশে এ অভিনেত্রী লিখেছেন, সব সাংবাদিক ভাইদের অনুরোধ করব— অন্যায়ের প্রতিবাদে আপনারাও সোচ্চার হন। আপনারাই তো একজন শিল্পীর সম্মান ও তার কাজকে প্রমোট করেন। অনুরোধ রইল– এ বিষয়ে আমাকে কারও ফোন করার প্রয়োজন নেই। এখন পর্যন্ত এটাই আমার অফিসিয়াল স্টেটমেন্ট। পরে কোনো আপডেট জানানোর প্রয়োজন হলে আমার পেজেই জানাব। আমি শিল্পী, আমি শিল্পকর্ম নিয়েই ব্যস্ত থাকতে চাই। ধন্যবাদ, আমার সব দর্শককে, যারা অন্যায়ের প্রতিবাদে সবসময় পাশে থেকেছেন।

    এ ঘটনার কিছুক্ষণ পরই আরও একটি স্ট্যাটাসে সাদিয়া আয়মান নিশ্চিত করেন, সেই সাংবাদিককে প্রতিষ্ঠানের সব ধরনের কাজ থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভক্তদের যেসব আবদার পূরণ করলেন সাদিয়া আয়মান

    সাম্প্রতিক কয়েক বছরে বেশ কিছু নাটকে অভিনয় করে দর্শকের নজর কেড়েছেন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। রোমান্টিক ও ভদ্র চরিত্রগুলোতেই তাকে বেশি দেখা যায়। 

    সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে সোমবার ভক্তদের সঙ্গে ‘আস্ক অর টেল’ নামে এক ভিন্ন খেলায় মেতেছেন সাদিয়া। নেটিজেনরা অনেক মজাও পেয়েছেন। 

    এই খেলার মাধ্যমে নেটিজেনরা সাদিয়াকে যেকোনো কিছু নিয়ে প্রশ্ন করেন। তার উত্তরও দেন অভিনেত্রী। শুধু তাই নয়, সাদিয়ার উদ্দেশে ভক্তদের কোনো অনুরোধ থাকলে সেটিও পূরণ করছেন অভিনেত্রী। সেগুলো নিজের ফেসবুক স্টোরিতে শেয়ারও করছেন তিনি।

    সাদিয়ার উদ্দেশে এক ভক্ত লেখেন- ‘আপনার ওয়ালপেপারটি দেখান’। উত্তরে নিজের ফোনের ওয়ালপেপারের স্ক্রিনশট তুলে ধরেন তিনি।

    এক ভক্ত তাকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘থাইল্যান্ডের সবচেয়ে ভালো জায়গা কোনটা’, উত্তরে সাদিয়া সেই স্থানের ছবি দেখিয়ে ইংরেজিতে লেখেন- ‘আই লাভ ফুকেট অ্যান্ড ভাইবস দেয়ার’।

    এক ভক্তের আবদার, ‘আমার জন্য একটি সেলফি নিন এবং সেটি আপলোড করুন’। তিনি তাই করলেন। ছবি তুলেই আপলোড দিলেন স্টোরিতে।

    ভক্তদের একজন অভিনেত্রীর লেখা একটি কবিতা পড়তে চেয়েছেন। নিজের লেখা চার লাইনের কবিতাটি তুলে ধরেন তিনি। 

    এক ভক্ত সাদিয়াকে প্রশ্ন করেন, মিডিয়াতে আসাটা তার স্বপ্ন ছিল কিনা। উত্তরে সাদিয়া এক শব্দে লেখেন, ‘নেভার’।

    ভক্তদের কেউ কেউ আবার রূপচর্চার পরামর্শও চেয়েছেন অভিনেত্রীর কাছে। তাদের হতাশ করেননি সাদিয়া। আরেক ভক্তের আবদারে গানও শুনিয়েছেন।

    এক ভক্ত সাদিয়াকে প্রশ্ন করেন, ‘আব্বু-আম্মুর মধ্যে কে বেশি আপনাকে ভালোবাসে, বা আদর করে’- উত্তরে সাদিয়া আয়মান লিখেছেন, ‘দুজনেই, তবে আব্বু আমার প্রতি একটু বেশিই উইক’।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আওয়ামী লীগ সরকারের পতন হয়েছে’

    জুলাইয়ে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ ও আওয়ামী লীগের দফায় দফায় হামলায় সহস্রাধিক শিক্ষার্থীর মৃত্যু হয়েছে। এছাড়া আহত হয়েছেন অনেক শিক্ষার্থী। আন্দোলনের সময় শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে মামলা ও গণগ্রেফতারও হয়। আন্দোলন সামাজিকমাধ্যমসহ বিভিন্ন মাধ্যমে সক্রিয় ছিলেন বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ। সেই তালিকায় শোবিজ ইন্ডাস্ট্রির তারকারাও ছিলেন।

    তবে গত ৫ আগস্ট ক্ষমতা ছেড়ে দেশ থেকে শেখ হাসিনা পালিয়ে যান। সম্প্রতি শোবিজে কাজও শুরু হয়েছে। আর বিরতি শেষে শুটিংয়ে ফিরেছেন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। ‘পুতুল পুতুল’ খেলা’ নামে একটি নাটকের শুটিং শেষ করেছেন তিনি।

    এ বিষয়ে গণমাধ্যমকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে সাদিয়া আয়মান বলেন, আন্দোলন, বন্যায় দেশের পরিস্থিতি ভালো ছিল না। পরিস্থিতি বিবেচনা করে ওই সময় কাজ করা সম্ভব হয়নি। সম্প্রতি ফাহমি ভাইয়ের একটি নাটকের কাজ শেষ করলাম। আশা রাখি দর্শকদের কাছে নাটকটি ভালো লাগবে।

    এদিকে শিক্ষা আন্দোলনে বেশ সরব ছিলেন হালের এই ক্রেজ অভিনেতা। কিন্তু আওয়ামী সরকার পতনের আগে আন্দোলনে সমর্থন থাকায় অনেক ধকল পোহাতে হয়েছে তাকে। এমনকি হুমকিও পেয়েছিলেন তিনি। কিন্তু এরপরও সেসব গুরুত্ব না দিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে গেছেন।

    অভিনেত্রী বলেন, ওই সময় লেখালেখি করার কারণে আমার রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড কী, আমি কে, এসব জানতে চাওয়া হয়েছে। মহান আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে, সেই সরকারের পতন হয়েছে। তা যদি না হতো, তাহলে আমিসহ আরও অনেককেই ওরা বিপদে ফেলত। এই সময় অন্তত মানুষ তাদের চিনতে পেরেছে। এমনকি কিছু শিল্পীর মুখোশ উন্মোচন হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আল্লাহর কাছে শুকরিয়া আ.লীগ সরকারের পতন হয়েছে: সাদিয়া আয়মান

    বিরতি শেষে শুটিংয়ে ফিরেছেন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। সম্প্রতি তিনি শেষ করলেন ‘পুতুল পুতুল খেলা’ নামে একটি নাটকের শুটিং। এটি পরিচালনা করেছেন ইফতেখার আহমেদ ফাহমি। 

    কাজ শুরু প্রসঙ্গে সাদিয়া বলেন, ‘আন্দোলন, বন্যায় দেশের পরিস্থিতি খুব একটা ভালো ছিল না। পরিস্থিতি বিবেচনায় কাজ করা হয়নি। ফাহমি ভাইয়ের পরিচালনায় একটি নাটকের শুটিং শেষ করলাম। কাজটি করে বেশ ভালো লেগেছে। আশা রাখি দর্শকদের ভালো লাগবে।’ 

    ছাত্র-জনতার পক্ষে আন্দোলনে সরব থাকায় বেশ ধকল পোহাতে হয়েছে সাদিয়া আয়মানকে। হুমকি পাওয়ার ঘটনাও ঘটেছে এই অভিনেত্রীর জীবনে। তবে এসব কিছুকে গুরুত্ব না দিয়ে অন্যায়ের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করে এসেছেন। 

    আন্দোলনের সময়গুলোর কথা স্মরণ করে তিনি বলেন, ‘সে সময়ে লেখালেখি করায় আমার রাজনৈতিক ব্যাকগ্রাউন্ড কী, আমি কে, এসব জানতে চাওয়া হয়েছে। আল্লাহর কাছে শুকরিয়া যে সেই সরকারের পতন হয়েছে। তা না হলে আমিসহ আরও অনেককেই বিপদে ফেলত ওরা। মানুষ তাদের চিনতে পেরেছে। কিছু শিল্পীর মুখোশ উন্মোচন হয়েছে। তাদের আসল চেহারা প্রকাশ পেয়েছে।’

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের ফাঁস হওয়া কথোপকথন নিয়ে যা বললেন সাদিয়া আয়মান

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের লক্ষে ‘আলো আসবেই’ নামের একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের কথোপকথনের কয়েকটি স্ক্রিনশট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে। তাতে আওয়ামী লীগ নেতা ও দলটির ঘনিষ্ঠ হিসেবে পরিচিত শিল্পীদের কথোপকথন রয়েছে। তারা আন্দোলনের বিরুদ্ধে সরব ছিলেন। এর পর সমালোচনার ঝড় উঠেছে।

    rnrn

    গ্রুপটিতে যাদের নিয়ে নানা রকম মন্তব্য করা হয়েছে, তাদের মধ্যে অন্যতম অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান, যিনি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে সরব ছিলেন। এই অভিনেত্রী ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন, যেখানে তিনি আন্দোলনের বিরুদ্ধে থাকা শিল্পীদের একহাত নেন।

    rnrn

    ফাঁস হওয়া স্ক্রিনশটে দেখা গেছে, সাদিয়ার স্ট্যাটাসের স্ক্রিনশট ‘আলো আসবেই’ গ্রুপে দিয়েছেন অভিনেতা মিলন ভট্টাচার্য। সেখানে তিনি সাদিয়াকে ‘তথাকথিত জনপ্রিয় অভিনেত্রী’ হিসেবে উল্লেখ করেন। এরপর থেকেই অনেকে অভিনেতার বিরুদ্ধে ক্ষোভ ঝেড়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন।

    rnrn

    এবার এর জবাব দিয়েছেন সাদিয়া আয়মানও। মঙ্গলবার দিবাগত রাতে এই অভিনেত্রী নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক স্ট্যাটাসে মিলন ভট্টাচার্যকে ট্যাগ করে লিখেছেন, ‘আপনাকে ধন্যবাদ দাদা, মানুষের মতো দেখতে, শিল্পী নামের শয়তান বেশধারীদের কাছে আমার মতো এই সময়ের তথাকথিত জনপ্রিয় অভিনেত্রীকে চিনিয়েছেন, যে ভুলকে ভুল বলতে জানে, সত্যকে সত্য বলতে জানে। গ্রুপের নাম দিয়েছেন আলো আসবেই- তা বেশ ভালো, তবে আপনারা জানেন আপনাদের নিজেদের জীবনে, মস্তিষ্কে সত্যিকারের আলোর যে ভীষণ প্রয়োজন?’

    rnrn

    উল্লেখ্য, বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিরুদ্ধে লড়াই চালানোর লক্ষ্যে তৎকালীন তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত ও সংসদ সদস্য ফেরদৌসের নেতৃত্বে ‘আলো আসবেই’ নামের ওই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ খোলা হয়। ওই গ্রুপে আওয়ামীপন্থি শিল্পী ও সাংবাদিকেরা যুক্ত ছিলেন। 

    rnrn

    সেই তালিকায় ছিলেন অরুণা বিশ্বাস, সুবর্ণা মুস্তাফা, ফেরদৌস, সোহানা সাবা, জ্যোতিকা জ্যোতি, রিয়াজ আহমেদ, আজিজুল হাকিম, স্বাগতা, বদরুল আনাম সৌদ, শমী কায়সার, তানভীন সুইটি, আশনা হাবীব ভাবনা, শামীমা তুষ্টি, জামশেদ শামীম, ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, সাজু খাদেম, হৃদি হক, ফজলুর রহমান বাবু, দীপান্বিতা মার্টিন, সাইমন সাদিক, জায়েদ খান, লিয়াকত আলী লাকী, নূনা আফরোজ, রোকেয়া প্রাচী, রওনক হাসান, আহসানুল হক মিনু, গুলজার, এসএ হক অলীক প্রমুখ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সত্যি কথা বলতে তো ভয়ের কিছু নেই: সাদিয়া আয়মান

    টেলিভিশন দুনিয়ায় তার পথচলা খুব বেশি দিনের নয়। শিহাব শাহীনের পরিচালনায় ওয়েবফিল্ম ‘মায়াশালিক’ দিয়ে নজর কেড়েছেন সাদিয়া আয়মান। গিয়াস উদ্দিন সেলিমের ‘কাজলরেখা’ সিনেমায় তার অভিনয় প্রশংসিত হয়। বিনোদন জগতে তার যাত্রা স্বল্প সময়ের হলেও সাহসের নিরিখে অনেক সিনিয়র শিল্পীদের ছাড়িয়ে গেছেন এই অভিনেত্রী।

    কোটা সংস্কার আন্দোলন এবং পরবর্তীতে সরকার পদত্যাগের এক দফা দাবিতে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানের সময় যখন বেশিরভাগ শিল্পী ‘ধরি মাছ না ছুঁই পানি’ নীতি অবলম্বন করেছেন, সে সময় ফেসবুকে সরব ছিলেন সাদিয়া আয়মান। বিনোদন জগতের কিছু সিনিয়র শিল্পী যখন ছাত্র হত্যার প্রতিবাদ না করে বিটিভিতে গিয়ে অশ্রু ঝরিয়েছেন, তখন ফেসবুকে সেসব অভিনেতা-অভিনেত্রীদের সমালোচনায় মুখর হয়েছেন তিনি।

    সম্প্রতি একটি ইংরেজি দৈনিককে দেওয়া সাক্ষাৎকারে আন্দোলন নিয়ে ফেসবুকে সরব হওয়ার নেপথ্যের গল্প শোনান সাদিয়া আয়মান। তিনি বলেন, ‘আবু সাঈদ যেদিন মারা গেলেন, সেদিন একটি লেখা পোস্ট করেছিলাম। কাছের মানুষদের অনেকেই বলেছিলেন, এসব পোস্ট করো না, পরে সমস্যা হতে পারে। কিন্তু সত্যি কথা বলতে তো ভয়ের কিছু নেই। সেজন্য সাহস নিয়ে পোস্ট করি। নিজের মনোভাব প্রকাশ করি। আমি আমার জায়গা থেকে সত্য কথা বলেছি। এখন যে রকম মনের কথা সবাই বলতে পারছেন, এটাই হওয়া উচিৎ’।

    পরিবার থেকেও সে সময় তাকে ফেসবুকে পোস্ট করতে নিরুৎসাহিত করা হয়, তবু দমে যাননি সাদিয়া, ‘মা-বাবা ভয় পাচ্ছিলেন। আমাকে বলেছিলেন, যেসব স্ট্যাটাস দিয়েছ, মুছে ফেলো। আমি মা-বাবাকে বুঝিয়েছি, ভুল কিছু তো লিখিনি। সত্যি কথা লিখেছি।’

    বিটিভি ভবনে যাওয়া শিল্পীদের নিয়ে পোস্ট করার কারণ জানিয়ে সাদিয়া আয়মান যোগ করেন, ‘আমি সব নিউজ দেখে শিওর হয়েছিলাম উনারা বিটিভিতে গিয়ে কথা বলেছেন, কেউ কেউ কান্নাকাটিও করেছেন। তারপরই আমি স্ট্যাটাস দিই। তখনো কেউ কেউ স্ট্যাটাস মুছে ফেলতে বলেছিলেন। আমি বলেছিলাম, যদি কান্নাকাটি সত্যি না হয়, তাহলে সরি বলে ডিলিট করে দেবো। কিন্তু পরে তো সবাই জানতে পারে কান্নাকাটি করাটা সত্যি ছিল। সিনিয়র হিসেবে তাদের সবসময় শ্রদ্ধা করি, সম্মান করি। কিন্তু সেখানে গিয়ে তাদের কান্নাকাটির বিষয়টি ভালো লাগেনি।’

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলন সফল হয়েছে। গত ৫ আগস্ট পদত্যাগ করে দেশ ছেড়েছেন শেখ হাসিনা। ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে এখন অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব গ্রহণ করেছে। তাদের কাছে কী প্রত্যাশা, তা জানতে চাইলে তরুণ প্রজন্মের এই অভিনেত্রী বলেন, ‘অনেক প্রত্যাশা। দুর্নীতিমুক্ত দেশ হোক। দুর্নীতিমুক্ত সমাজ হোক। মিথ্যা মামলায় অনেকে শাস্তি পেয়েছেন, অনেকে গুম হয়েছেন। এসবের সঙ্গে যারা জড়িত, তাদের বিচার হোক।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব: সাদিয়া আয়মান

    প্রধানমন্ত্রী পদ থেকে শেখ হাসিনার পদত্যাগের পর দেশজুড়ে উল্লাস করছে সাধারণ মানুষ। তবে এর মধ্যে সংখ্যালঘুদের বাড়িঘরে হামলাসহ বিভিন্ন রাষ্ট্রীয় স্থাপনায় অগ্নিসংযোগের মতো কিছু বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটেছে। শিক্ষার্থীদের আন্দোলনে সংহতি জানানো তরুণ প্রজন্মের অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান এসব বন্ধ করতে অনুরোধ করেছেন।

    আজ সোমবার এক ফেসবুক পোস্টে লুটপাট-অগ্নিসংযোগ বন্ধ করার অনুরোধ জানিয়ে সাদিয়া আয়মান লিখেছেন, ‘প্লিজ আপনারা এরকম লুটপাট আর ধ্বংসযজ্ঞ চালাবেন না । আমরা এরকম বিজয় চাইনি, এরকম বিজয়ের জন্য এতদিন কেউ প্রাণ দেয়নি । আমাদের রাষ্ট্রীয় সম্পদ রক্ষা করা আমাদেরই দায়িত্ব।’

    এর আগে কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে পরিচিতি পাওয়া আলোচিত গণমাধ্যমকর্মী ও আইনজীবী মানজুর আল মতিনও একই অনুরোধ জানান। এক ফেসবুক লাইভে তিনি বলেন, ‘তবে এর মধ্যে বেশকিছু দুশ্চিন্তার খবর আমরা পাচ্ছি। গণভবনে লুটপাট দেখেছি, জাতীয় সংসদ ভবনে লুটপাট দেখেছি। আরও অনেক জায়গাতে হামলার ঘটনা আমরা দেখছি। সংখ্যালঘুদের উপরে হামলার অভিযোগ পাচ্ছি। আমাদের সন্তানদের বিরাট মহান এই আন্দোলনকে দয়া করে কলুষিত করবেন না। এই আন্দোলন একটা বড় অর্জন।’

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলন চলাকালে ফেসবুকে সরব ছিলেন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। আন্দোলনে হতাহত শিক্ষার্থীদের প্রতি সমবেদনা না জানিয়ে বিটিভি ভবনের ক্ষয়ক্ষতি পরিদর্শনে যাওয়া অভিনয়শিল্পীদের সমালোচনা করে ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছিলেন, ‘শেম অন ইউ গাইজ’।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মোবাইল ইন্টারনেট বন্ধ করায় ক্ষুব্ধ সাদিয়া আয়মান

    শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে ফেসবুকে সরব তরুণ প্রজন্মের অভিনয়শিল্পী সাদিয়া আয়মান। কয়েকদিন আগে শিক্ষার্থীদের পাশে না দাঁড়িয়ে বিটিভি ভবন পরিদর্শনে যাওয়ায় ফেরদৌস আহমেদ, শমী কায়সারদের মতো শিল্পীদের প্রতি ফেসবুকে ক্ষোভ ঝেরেছিলেন তিনি।

    এবার মোবাইল ইন্টারনেট ফের বন্ধ করে দেওয়ায় ক্ষুব্ধ হয়েছেন সাদিয়া আয়মান। ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘পারে শুরু ইন্টারনেট-ই বন্ধ করতে! এর আগেও তো বন্ধ করেছে, লাভ হয়েছে কোনো? হয় নাই, হবেও না। সাধারণ মানুষের ক্ষমতার ব্যাপারে তো এতদিনে একটু হলেও ধারণা হওয়ার কথা যে এরা একেকটা আগুন।’

    এর আগে গত ২ আগস্ট বিটিভি ভবন পরিদর্শনে শিল্পীদের উদ্দেশ করে এই অভিনেত্রী ফেসবুকে লিখেছিলেন, ‘একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা বিটিভির প্রাঙ্গণে গিয়ে চোখের পানি ঝরিয়েছেন। অবশ্যই তাদের জীবন ও ক্যারিয়ারের সঙ্গে বিটিভি কেন্দ্রিক স্মৃতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাদের দুঃখ পাওয়াটা হয়তো স্বাভাবিক। কিন্তু! এতোগুলো ছাত্র, ছাত্রী, শিশু, মা, বোন, সাধারণ মানুষ যে মারা গেল তা নিয়ে একবারও কিচ্ছু বললেন না! একবারো দুঃখ প্রকাশ করলেন না। নিজেদের লাভ লস চিন্তা করে, ক্ষমতার স্বার্থে কিংবা কাউকে দেখানোর জন্য আপনারা যে কথাগুলো ক্যামেরার সামনে বলেছেন এগুলো সারাজীবন আর্কাইভে তো থাকবেই, আমাদের মনেও থেকে যাবে। দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আপনাদের প্রতি শ্রদ্ধা হয়তো আর কখনো ফিরে আসবে না।’

    উল্লেখ্য, শিক্ষার্থীদের চলমান আন্দোলন ঘিরে শিল্পীসমাজে বিভক্তি লক্ষ্য করা গেছে। গত শুক্রবার (২ আগস্ট) ফেরদৌস-শমী কায়সারসহ কিছু শিল্পী বিটিভি ভবনে ক্ষয়ক্ষতি দেখতে যান। একই দিনে রাজধানীতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সংহতি জানিয়ে পথে নামেন মামুনুর রশিদ, মোশাররফ করিম, আজমেরি হক বাঁধনসহ দৃশ্যমাধ্যমের একঝাঁক শিল্পী ও কলাকুশলী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিটিভি ভবনে যাওয়া শিল্পীদের ধুয়ে দিলেন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান

    তরুণ প্রজন্মের অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান কোটা সংস্কার আন্দোলনের সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। নিজের ব্যক্তিগত ফেসবুক আইডিতে লাল প্রোফাইল ছবি দিয়েছেন। একইসঙ্গে সমালোচনা করেছেন বিটিভি ভবন পরিদর্শনে যাওয়া শিল্পীদের একাংশের।

    শুক্রবার নিজের ফেসবুক আইডি এবং পেজে প্রথমে যমুনা টিভির একটি কার্ড শেয়ার করে সে শিল্পীদের সমালোচনা করেন সাদিয়া আয়মান। গতকাল বৃহস্পতিবার বিটিভি ভবন পরিদর্শনে গিয়ে অভিনেত্রী শমী কায়সার বলেছিলেন, ‘বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।’ কার্ডটি শেয়ার করে সাদিয়া লিখেছিলেন, ‘শেম অন ইউ গাইজ।’

    নিজের সে মন্তব্যের ব্যাখ্যা দিয়ে শুক্রবার রাত ৯টার কিছু সময় পর দেওয়া এক পোস্টে সাদিয়া আয়মান লিখেছেন, ‘একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা অভিনেত্রীরা বিটিভির প্রাঙ্গণে গিয়ে চোখের পানি ঝরিয়েছেন। অবশ্যই তাদের জীবন ও ক্যারিয়ারের সঙ্গে বিটিভি কেন্দ্রিক স্মৃতি ওতপ্রোতভাবে জড়িত। তাদের দুঃখ পাওয়াটা হয়তো স্বাভাবিক। কিন্তু! এতোগুলো ছাত্র, ছাত্রী, শিশু, মা, বোন, সাধারণ মানুষ যে মারা গেল তা নিয়ে একবারও কিচ্ছু বললেন না! একবারো দুঃখ প্রকাশ করলেন না। একবারো এই মানুষগুলোর হত্যার বিচার চেয়ে কিছু বললেন না। কেন?’

    ক্ষোভ জানিয়ে সে পোস্টে সাদিয়া আরও লিখেছেন, ‘কারণ যারা এই আন্দোলনে প্রাণ হারিয়েছেন তারা আপনাদের কেউ না। তাদের বা তাদের পরিবারের দ্বারা আপনাদের কোনো লাভ হবে না, স্বার্থ হাসিল হবে না এবং ক্ষমতাও পাবেন না। তাই কি? নিজেদের লাভ লস চিন্তা করে, ক্ষমতার স্বার্থে কিংবা কাউকে দেখানোর জন্য আপনারা যে কথাগুলো ক্যামেরার সামনে বলেছেন এগুলো সারাজীবন আর্কাইভে তো থাকবেই, আমাদের মনেও থেকে যাবে। জেনারেশন টু জেনারেশন জানবে ৯০ দশকের যাদের অভিনয় টিভি স্ক্রিনে দেখে আমরা মুগ্ধ হয়েছি এখন তাদের বাস্তব জীবনের কর্ম দেখে আমরা বিস্মিত এবং লজ্জিত! দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে, আপনাদের প্রতি শ্রদ্ধা হয়তো আর কখনো ফিরে আসবে না।’

    উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (১ আগস্ট) সংসদ সদস্য এবং অভিনেতা ফেরদৌস আহমেদ, শমী কায়সার, রোকেয়া প্রাচী, সোহানা সাবাসহ আরও কয়েকজন শিল্পী বিটিভি ভবন পরিদর্শনে গিয়েছিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘শেম অন ইউ গাইজ’, ফেরদৌস-শমী কায়সারদের উদ্দেশে সাদিয়া আয়মান

    কোটা সংস্কার আন্দোলনকে কেন্দ্র করে সহিংসতায় বহু মানুষ প্রাণ হারিয়েছেন। এমন পরিস্থিতিতে দেশের দৃশ্যমাধ্যমের শিল্পীদের মধ্যে বিভক্তি লক্ষ্য করা গেছে। গতকাল বৃহস্পতিবার মামুনুর রশিদ, মোশাররফ করিমসহ একদল অভিনয়শিল্পী এবং নির্মাতা ফার্মগেটে সমাবেশ করে প্রাণহানির বিচার চেয়েছেন।

    অন্যদিকে একই দিনে সংসদ সদস্য ও অভিনেতা ফেরদৌস আহমেদ, অভিনেত্রী শমী কায়সারসহ কিছু শিল্পী বিটিভি ভবন পরিদর্শন করেন। আজ ফেরদৌস-শমীদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যমুনা টিভির কার্ড শেয়ার করে তরুণ অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান লিখেছেন, ‘শেম অন ইউ গাইজ’।

    বিটিভি ভবন পরিদর্শনে গিয়ে সংবাদমাধ্যমকে অভিনেত্রী শমী কায়সার বলেন, ‘বিটিভি প্রাঙ্গণে এসে চোখের পানি ধরে রাখতে পারিনি।’ তার এ মন্তব্য নিয়ে বানানো কার্ডটি নিজের প্রোফাইলে শেয়ার দিয়ে ওই মন্তব্য করেন সাদিয়া।

    উল্লেখ্য, কোটা সংস্কার আন্দোলনে হতাহতের ঘটনায় বিচার দাবি করে বিভিন্ন সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন রাজপথে নেমেছে। তারা মিছিল-সমাবেশের মাধ্যমে সব হত্যার সঠিক তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক