Tag: সাদিয়া আয়মান

  • যে দম্পতির ওপর ক্ষোভ ঝাড়লেন সাদিয়া আয়মান

    বিনোদন জগতের ছোটপর্দার আলোচিত অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান মাঝে মধ্যেই নিজের ক্যারিয়ার নিয়ে বিভিন্ন ইস্যুতে সামাজিক মাধ্যমে বেশ সক্রিয় থাকেন। সেখানে নানা বিষয়ে কথা বলতে দেখা যায় তাকে। এবার সামাজিক মাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে ক্ষোভ ঝারলেন অভিনেত্রী। কিন্তু কেন?

    গতকাল মঙ্গলবার (১৩ মে) সন্ধ্যা ৬টা ২৫ মিনিটে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে স্ট্যাটাস দিয়ে একটি করপোরেট প্রতিষ্ঠানের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান লিখেছেন— ওরা মানুষ নয়, পশুর চেয়েও অধম। 

    একটি সূত্র জানায়, স্বামী-স্ত্রীর নির্দেশে তাদের গৃহকর্মী একটি বিড়ালছানাকে মেরেছে। সেই বিড়ালটি মৃত্যুশয্যায়, যা সামাজিক মাধ্যমে একটি স্ট্যাটাস দিয়ে জানিয়েছেন মডেল ও অভিনেত্রী পিয়া। ঘটনা ঘটেছে দুপুর ২টা ৩০ মিনিটের দিকে। ইলমার ছোট ভাই স্কুল থেকে ফিরে একটি বিড়ালের করুণ কান্নার শব্দ শুনে তাকে জানায়। আতঙ্কিত ইলমা ছুটে যান উপরের তলায়। গিয়ে দেখেন— প্রতিবেশীর বাসার দরজা খোলা এবং তাদের গৃহকর্মী একটি সাদা বিড়ালছানাকে লোহার রড দিয়ে নির্মমভাবে পেটাচ্ছে। ইলমা ছুটে গিয়ে বিড়ালছানাটিকে রক্ষা করেন। তিনি বুঝতে পারেন―এই নির্যাতনের শিকার বিড়ালটি তারই আদরের বিড়ালছানা। ও কাঁপছিল, কাঁদছিল, চলতে পারছিল না, আর নাক দিয়ে রক্ত ঝরছিল।

    এ বিষয়টি সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল হলে নানা প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়। এ ব্যাপারে একটি করপোরেট প্রতিষ্ঠান পদক্ষেপ নেবে বলে পোস্ট দেয় তার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে। 

    সেটিই শেয়ার করে সাদিয়া আয়মান লিখেছেন— ওরা মানুষ নয়, পশুর চেয়েও অধম। মূলত বিড়ালছানাকে মারার নির্দেশদাতা স্বামী ও স্ত্রীকে উদ্দেশ করেই এমনটি লিখেছেন অভিনেত্রী। সেই সঙ্গে করপোরেট প্রতিষ্ঠানটিকে ধন্যবাদ জানান তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নতুন সিনেমায় সাদিয়া আয়মান

    বর্তমান প্রজন্মের অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। নাটকে বেশ জনপ্রিয়তা রয়েছে তার। তবে সিনেমা দিয়েই তিনি অভিনয়ে পা রাখেন। তার অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘কাজলরেখা’। গিয়াসউদ্দিন সেলিম পরিচালিত এ সিনেমাটি গত বছর প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পায়। এরমধ্যে আর কোনো সিনেমায় নাম লেখাননি এই অভিনেত্রী। নাটকেই থিতু হয়েছেন। 

    তবে এবার জানালেন ক্যারিয়ারের দ্বিতীয় সিনেমার কথা। সবকিছু ঠিক থাকলে ১২ এপ্রিল থেকে নতুন সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নেবেন তিনি। এটি আসছে ঈদুল আযহায় মুক্তির লক্ষ্যে নির্মিত হচ্ছে। তবে সিনেমার নাম ও কে নির্মাণ করছেন এ বিষয়ে কোনো তথ্য এখনই দিতে চাচ্ছেন না এই অভিনেত্রী। 

    সাদিয়া আয়মান বলেন, ‘সিনেমার জন্য নিজেকে এখন প্রস্তুত করছি। এ প্রসঙ্গে এখন কিছু বলতে চাই না। শুধু এটুকু বলতে পারি, বড়পর্দার জন্য কাজ করছি। সম্পূর্ণ কমার্শিয়াল ধাঁচের, এন্টারটেইনিং সিনেমা। এটি পরিবার নিয়ে দেখার মতো গল্প নিয়ে নির্মিত হচ্ছে। সব ঠিক থাকলে কুরবানি ঈদেই এটি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে।’ 

    এদিকে কোরবানির ঈদে মুক্তির জন্য নির্মিতব্য শাকিব খানের ‘তাণ্ডব’ সিনেমার নায়িকা হিসাবেও সাদিয়া আয়মানের নাম আলোচনায় এসেছিলি। তবে এ সিনেমায় তিনি অভিনয় করছেন না, সেটা নিশ্চিত করেছেন অভিনেত্রী।

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • সাফ জয়ীদের অভিনন্দন জানিয়ে যা বললেন তারকারা

    টানা দ্বিতীয়বারের মতো সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপে নেপালকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হওয়া গৌরব অর্জন করেছেন বাংলার বাঘিনীরা। এ উপলক্ষে বাংলাদেশ নারী ফুটবল দলকে সংবর্ধনা দিবেন অর্ন্তবর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। 

    এদিকে শিরোপা নিশ্চিত করার পরপরই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চ্যাম্পিয়নদের অভিনন্দন জানাতে থাকেন দেশের রাজনীতিবিদ থেকে শুরু করে নানা শ্রেণি-পেশার মানুষ। বাঘিনীদের এমন সাফল্যে উচ্ছ্বসিত দেশের বিনোদন অঙ্গনও। এরই মধ্যে তারকাদের কাছ থেকেও ভেসে আসছে প্রশংসা, শুভকামনা।

    সামাজিক মাধ্যমে বেশ কিছু তারকা ইতোমধ্যে সাফ জয়ীদের এই ঐতিহাসিক অর্জন নিয়ে অভিনন্দন জানিয়েছেন। তাদের একজন ছোট পর্দার অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। এক ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘অভিনন্দন বাঘিনীরা! সাফ নারী চ্যাম্পিয়নশিপ ২০২৪ বাংলাদেশের জন্য এক ঐতিহাসিক অর্জন। তোমাদের এই অর্জন শুধু দেশের জন্য নয়, পুরো বিশ্বের নারীদের জন্য এক বড় উদাহরণ।’

    সাদিয়া আরও লেখেন, ‘তোমাদের দলের সাহস, দৃঢ়তা এবং অসাধারণ পারফরম্যান্স আমাদের মুগ্ধ করেছে। তোমাদের এই অদম্য ইচ্ছাশক্তি আর সংগ্রাম দেশের আনাচে কানাচে থাকা প্রত্যেকটি নারীর জন্য অনুপ্রেরণার। তোমরা আবারও জ্বলন্ত উদাহরণ সৃষ্টি করেছো যে, নারীদের ইচ্ছাশক্তি থাকলে কোনো বাধাই তাদের জয় আটকাতে পারেনা। এই জয় আমাদের আরও একবার মনে করিয়ে দিলো “আমরা নারী, আমরাই পারি”। তোমাদের এই সাফল্য দেশের প্রতিটি মেয়ে শিশুকে স্বপ্ন দেখাবে, তাদের সাহস জোগাবে নতুন কিছু করতে। তোমাদের জন্য অনেক অনেক শুভকামনা, সাফল্য তোমাদের বারবার ছুঁয়ে যাক। আরও একবার অভিনন্দন তোমাদের।’

    এছাড়াও পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীও সাফ জয়ীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন। অভিনেত্রী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজ থেকে সাফ জয়ী নারী দলের সদস্য মাতসুসিমা সুমায়ার ট্রফি নিয়ে ঘুমানোর সেই ছবিটি শেয়ার করেন। সেখানে তাদের অভিনন্দন জানিয়ে মেহজাবীন লিখেছেন, ‘চ্যাম্পিয়ন্স! বাংলাদেশের মেয়েরা সাফ নারী চ্যাম্পিয়ন ২০২৪ এ বিজয়ী। অভিনন্দন মেয়েরা।’

    বাঘিনীদের অভিনন্দন জানিয়ে মুখ খুলেছেন জনপ্রিয় নির্মাতা মোস্তফা সরোয়ার ফারুকীও। সাফ নারী দলের সদস্যদের ট্রফি নিয়ে ঘুমানোর কিছুই ছবি পোস্ট করে নিজের অভিমত পোষণ করেছেন তিনি। এক ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘মাস্টার লিওনেল মেসির থেকে উদ্ভাবিত স্টাইলে বাংলার বাঘিনীরা। আসুন, তাদের যথাযথ পুরস্কার দিয়ে সম্মানিত করি। সরকারি পুরস্কার শুধু পুরুষ ক্রিকেট দলের জন্যই হওয়া উচিত নয়, ধন্যবাদ।’

    উল্লেখ্য, গত বুধবার সন্ধ্যায় নেপালের দশরথ স্টেডিয়ামে স্বাগতিক দর্শকদের স্তব্ধ করে সাফের ফাইনালে নেপালকে ২-১ গোলে হারিয়েছে বাংলাদেশ। এর আগে ২০২২ সালে স্বাগতিক নেপালকে হারিয়েই বাংলাদেশের মেয়েরা প্রথমবারের মতো দক্ষিণ এশিয়ার শ্রেষ্ঠত্ব পেয়েছিল। আবারও সেই একই প্রতিপক্ষ এবং একই ভেন্যুতে সাবিনা খাতুনের দল সাফ চ্যাম্পিয়নশিপের টানা দ্বিতীয় শিরোপা জিতলো।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরিচালক রনির সঙ্গে সাদিয়া আয়মানের প্রেমের গুঞ্জন!

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। সম্প্রতি বিতর্কিত এক ফেসবুক লাইভে ভক্তদের বিভ্রান্ত করার অভিযোগে আলোচনায় এসেছিলেন। তবে সে ঘটনার কয়েক দিনের মধ্যেই ফের শিরোনাম হচ্ছেন তিনি। এবার অবশ্য কোনো বিতর্ক নয়, বরং নির্মাতা রেদওয়ান রনির সঙ্গে তার প্রেমের গুঞ্জন দিয়ে ফের আলোচনায় এই অভিনেত্রী।

    গত ২০ অক্টোবর ছিল নির্মাতা রেদওয়ান রনির জন্মদিন। সেখানে এই নির্মাতার পরিবার এবং কাছের বন্ধুবান্ধবদের দেখা গেছে। নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, নুসরাত ইমরোজ তিশা, মেহজাবীন চৌধুরী, আদনান আল রাজীব, আশফাক নিপুন, এলিটা করিমদের তার জন্মদিনের অনুষ্ঠানে দেখা গেছে সাদিয়া আয়মানকেও।

    জন্মদিন অনুষ্ঠানের বেশকিছু ছবি ফেসবুকে পোস্ট করেছেন রনি। পোস্টে ‘অত্যন্ত প্রিয়’ একজনকে জন্মদিনের সারপ্রাইজ পার্টি আয়োজনের জন্য বিশেষ ধন্যবাদ দিয়েছেন এই নির্মাতা।

    রেদওয়ান রনির সেই পোস্টে ভক্তরাও মন্তব্য করেছেন। যেখানে একটি মন্তব্য বিশেষভাবে সকলের নজর কেড়েছে। নির্মাতার উদ্দেশে অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান লিখেছেন, ‘আমার জীবনে যা পেয়েছি, তার মাঝে তুমি সবচেয়ে সেরা।’

    এই পোস্টের পরই তাদের ভক্তরা ধারণা করে নিয়েছেন, রনি-সাদিয়ার মধ্যে প্রেমের সম্পর্ক রয়েছে।

    তবে রেদওয়ান রনি বা সাদিয়া আয়মান এখনো এই বিষয়ে মুখ খোলেননি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমার জীবনে তুমি সবচেয়ে সেরা, কাকে লিখলেন সাদিয়া আয়মান

    বিনোদন জগতে দীর্ঘদিন ধরেই আলোচনা-সমালোচনায় আছেন ঢালিউড নির্মাতা রেদোয়ান রনি ও অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। বেশ রাকঢাক করেই প্রেমসম্পর্ক চালিয়ে যাচ্ছেন তারা। গুঞ্জন যতই ডালপালা মেলুক না কেন, মুখ খুলবেন না এ জুটি। তবে এবার যেন সেই লুকোচুরি প্রেমের সম্পর্কে সিলমোহর দিলেন দুজনেই। যদিও এখনো শুধু ইশারাতেই সীমাবদ্ধ রয়েছে তাদের এ খুনসুটি।

    গত ২০ অক্টোবর ছিল ঢালিউড পরিচালক রেদোয়ান রনির জন্মদিন। আর এদিনই নির্মাতার সঙ্গে সাদিয়ার প্রেমের খবর অনেকটাই স্পষ্ট হলো। রনির জন্মদিন উদযাপনের জন্য এক ছাদের নিচে হাজির হয়েছিলেন বিনোদন জগতের তারকারা।

    এ সময় উপস্থিত ছিলেন নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী, নুসরাত ইমরোজ তিশা, মেহজাবীন চৌধুরী, আদনান আল রাজীব, আশফাক নিপুন, এলিটা করিমসহ অনেকেই। তবে সবার মাঝে একটু বিশেষভাবেই নজর কেড়েছেন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। যাকে পরোক্ষভাবেই ‘প্রিয়তমা’বলেই সম্বোধন করলেন নির্মাতা।

    ইতোমধ্যে জন্মদিন উদযাপনের বেশ কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করেছেন পরিচালক রেদোয়ান রনি। ছবির ক্যাপশনে নির্মাতা লিখেছেন— সোশ্যাল মিডিয়া, মেসেজ এবং ফোনকলে জন্মদিনের ভালোবাসা-শুভেচ্ছা পেয়ে অভিভূত হয়েছি। প্রতিটি ইচ্ছা, সুন্দর শব্দ আর আন্তরিক ভালোবাসা আমার দিনটি বিশেষ করে তুলেছে।

    সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে রনি আরও লিখেছেন—আমি সত্যি দুঃখিত, প্রত্যেককে ব্যক্তিগতভাবে উত্তর দিতে পারিনি। একই সঙ্গে কৃতজ্ঞ— আমার চারপাশে এমন চমৎকার মানুষ থাকার জন্য।

    এসবের মাঝে নিজের ‘প্রিয়তমা’-কে ধন্যবাদ জানাতে ভোলেননি এ পরিচালক। তার প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করে নির্মাতা লিখেছেন— আমার সবচেয়ে ভালো সারপ্রাইজ পার্টির পরিকল্পনা করার জন্য আমার প্রিয়তমাকে বিশেষ ধন্যবাদ! আমি খুব খুশি এবং প্রত্যেকের কাছে কৃতজ্ঞ, আমাকে এত ভালোবাসা ও প্রশংসা করার জন্য।

    রনির সেই পোস্টে ভক্ত-অনুরাগীরাও কমেন্টস করেছেন। তবে একটি কমেন্টস বিশেষভাবে নজর কেড়েছে নেটিজেনদের। নির্মাতার উদ্দেশে সাদিয়া লিখেছেন—‘আমার জীবনে যা পেয়েছি, তার মাঝে তুমি সবচেয়ে সেরা।’

    এতে ভক্তদেরও বুঝতে আর বাকি রইল না যে, প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন সাদিয়া-রনি। অনেক দিনের সেই গুঞ্জনই সত্যি। বলা যায়, নির্মাতা-অভিনেত্রীর মাঝের সমীকরণ বুঝতে খুব একটা বেগ পেতে হয়নি নেটিজেনদের।

    এদিকে বিষয়টি নিয়ে সাদিয়ার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে কোনো বক্তব্য দিতেই নারাজ তিনি। বরং প্রেমের বিষয়টি পুরোপুরি এড়িয়ে গেছেন অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘স্পর্শকাতর বিষয়ে দায়িত্বশীল’ হওয়ার প্রতিশ্রুতি সাদিয়া আয়মানের

    বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে ছাত্রদের সমর্থন জানিয়ে ভক্তদের প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তুলতে গিয়ে নিজের অঙ্গনের মানুষদের বিরাগভাজন হলেও পিছিয়ে যাননি। তবে সম্প্রতি একটি ওয়েব কনটেন্টের ‘অদ্ভুতুড়ে’ প্রমোশন করতে সামাজিক মাধ্যমে তোপের মুখে পড়েছেন তিনি। তার ভক্তরাই বনে গেছেন সমালোচক।

    গত ২১ আগস্ট নিজের ফেসবুক পেজে একটি লাইভে সাদিয়া এমন ভঙ্গী করেন যেন বড় বিপদে পড়েছেন তিনি। ১০ মিনিটের এই লাইভে তার কান্না দেখে শুভাকাঙ্ক্ষীরা দুশিন্তায় পড়েন। তবে কিছু সময়ের মধ্যেই সাদিয়া একটি হরর ওয়েব কনটেন্টের পোস্টার শেয়ার দিতে বিভ্রান্তি কাটে ভক্তদের।

    তবে সেই লাইভের জন্য সাদিয়ার ওপর ক্ষুব্ধ হন নেটিজেনরা। তারা প্রমোশনের নামে ভক্তদের বিভ্রান্ত করায় কাঠগড়ায় তোলেন তাকে। সমালোচনার মুখে পড়ে নিজের ফেসবুক ডিঅ্যাক্টিভেট করে দেন সাদিয়া।

    অবশেষে ফেসবুকে ফিরে শুক্রবার (২৫ অক্টোবর) নিজের লাইভের বিষয়টি খোলাসা করেছেন এই অভিনেত্রী। তিনি লিখেছেন, ‘আমার এই অফিসিয়াল পেজে একটি কন্টেন্ট প্রমোশনের লাইভ নিয়ে আমার উপরে একটু রাগ বা অভিমান হয়েছে বুঝতে পারছি । সত্যিকার অর্থে লাইভ শেষ হওয়ার পর আমার নিজেরও মনে হয়েছে, আরেকটু সতর্ক হয়ে এবং ভিন্নভাবে প্রমোশনটি করা যেতো।’

    বিতর্কিত লাইভের নেপথ্যের গল্প জানিয়ে সাদিয়া লিখেছেন, ‘এই হরর জনরার কন্টেন্ট প্রোমোট করার জন্য লাইভে আসার আইডিয়াটা প্রথমে শোনার পর চ্যানেল কর্তৃপক্ষকে আমি শুরুতে না করলেও, এই চ্যানেল একই ধরনের প্রমোশন এর আগেও করেছে এবং অনেক স্ট্র্যাটেজিক প্ল্যানিং করে এই ক্যাম্পেইন ডিজাইন করেছে বলার পর আমি লাইভে এসে পারফর্ম করি। তবে ১০মিনিটের এই লাইভ শেষ হতে না হতেই বুঝতে পারি, আমার পরিবার, কাছের মানুষেরা আর আমার প্রিয় দর্শকদের দুশ্চিন্তাগ্রস্ত করে দিয়েছি। লাইভ শেষ হওয়ার ২০ মিনিটের মধ্যে পোস্টারও দিয়ে দেয়া হয় যাতে আপনারা বুঝতে পারেন এটা একটি ফিল্মের প্রমোশন ।’

    ভবিষ্যতে এসব বিষয়ে আরও দায়িত্বশীল হওয়ার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তরুণ প্রজন্মের এই অভিনেত্রী, ‘কমেন্ট আর শেয়ারে আমার প্রতি আপনাদের দুশ্চিন্তা এবং ভালবাসার এই প্রকাশ আমাকে ভাবিয়েছে । ভবিষ্যতে এরকম স্পর্শকাতর বিষয়ে আরো দায়িত্বশীল থাকবো। পুরো বিষয়টি নিয়ে আমার দর্শকরা আমার প্রতি যে সহানুভূতি ও ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ দেখিয়েছেন তাতে সত্যিই আমি কৃতজ্ঞ। ভালো থাকবেন। ভালোবাসা রইল।’

    প্রসঙ্গত, অপূর্ব’র বিপরীতে শিহাব শাহিনের ওয়েবফিল্ম ‘মায়াশালিক’ দিয়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান সাদিয়া আয়মান। এরপর ছোটপর্দায় অসংখ্য নাটকে অভিনয় করেছেন তিনি। এর মধ্যে গিয়াসউদ্দিন সেলিমের ‘কাজলরেখা’ সিনেমা দিয়ে বড়পর্দায়ও অভিষেক হয়েছে তার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিতর্কিত সেই লাইভ নিয়ে মুখ খুললেন সাদিয়া আয়মান

    বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ছাত্রদের পক্ষে সরব থাকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। পরে এক সাংবাদিক তার ভিডিও বিনা অনুমতি সামাজিক মাধ্যমে ছাড়ার পর ফেসবুকে সেটার সমালোচনা করে ফের একবার আলোচিত হন তিনি। সেবারও অন্যায়ের বিরুদ্ধে আওয়াজ তোলায় ভক্তরা প্রশংসায় ভাসান তাকে। তবে এবার সেই ভক্তদের মনেই ‘কষ্ট’ দিয়ে বসেছেন।

    একটি ওয়েব ফিল্মের প্রমোশন করতে গিয়ে বিভ্রান্তিকর এক ফেসবুক লাইভ করেন সাদিয়া আয়মান। যেখানে নিজের সমূহ বিপদের কথা বলে লাইভে কান্না করতে দেখা যায় তাকে। তার ১০ মিনিটের সেই ফেসবুক লাইভে ভক্তরাও ঘাবড়ে যান। ভক্তরা মনে করেন, হয়ত সাদিয়া সত্যিই বিপদে পড়েছেন।

    তবে সে লাইভের কিছু সময় পরই ভক্তরা নিশ্চিত হন, আসলে সাদিয়া বিপদে পড়েননি। বরং সেটা ছিল একটি ওয়েব প্রজেক্টের প্রমোশন।

    এরপরই সাদিয়া আয়মানের ওপর ক্ষুব্ধ হন ভক্তরা। প্রচারণার এমন অপকৌশল নিয়ে সমালোচনায় মেতে ওঠেন তারা। অভিনেত্রীর কাণ্ডজ্ঞান নিয়ে একের পর এক প্রশ্ন তুলে কটাক্ষ করতে থাকেন। সমালোচনার মুখে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্ট ডিএক্টিভেট করে ফেলেন সাদিয়া।

    মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) একটি অনলাইন পোর্টালের সঙ্গে আলাপে সাদিয়া পুরো বিষয়টি নিয়ে অপরাধবোধে ভোগার কথা জানান। তিনি বলেন, ‘আমি তো একজন শিল্পী, যেই ওয়েব ফিল্মে কাজ করেছি তারা আমাকে অনুরোধ করে এরকম একটি প্রচারণা চালানোর জন্য। প্রথমে আমি তাদেরকে না বলে দেই। পরে কাজটি করলেও আমার ধারণা ছিল, সাধারণ মানুষ হয়তো বুঝবে, এটা কোনো সিনেমা বা নাটকের প্রচারণার অংশ।’

    ‘ফেসবুক লাইভের পর বুঝলাম মানুষ পুরো বিষয়টি নিয়ে খুব কষ্ট পেয়েছে। যেটা আমাকে খুব আহত করল। আমার নিজের কাছেই এখন খারাপ লাগছে’-যোগ করেন সাদিয়া।

    পুরো ঘটনা নিয়ে সাদিয়ার উপলব্ধি, ‘দেখুন, এরকম কোনো কাজ আমার আদর্শের সঙ্গে যায় না। তবুও প্রোডাকশন হাউজের অনুরোধেই কাজটা করতে হয়েছে। যখন বুঝতে পারলাম, পুরো বিষয়টি আমার ভক্তদের আঘাত করেছে, এরপর থেকেই নিজের কাছে খারাপ লাগছে। মনে হচ্ছে, কাজটা করার আগে আমার অন্তত ১০ বার ভাবা উচিত ছিল।’

    ভবিষ্যতে আর এমন কাজ করবেন না উল্লেখ করে সাদিয়া আয়মান বলেন, ‘আমি জানি, এই ঘটনার পরে অনেক মানুষের ভালোবাসা হারিয়ে ফেলেছি। তবে আমি বিশ্বাস করি, আমার কাজ দিয়ে আবারও সবার ভালোবাসা ফিরিয়ে আনব। আমার ছোট ক্যারিয়ারে এমন ভুল এর আগে হয়নি। তাই আমার মনে হয়, জীবনেও এই ভুল আর কখনো করবো না।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘নাটক কম করো পিও’ সাদিয়াকে ভক্তরা

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে বিতর্কের কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছেন। নাটকের প্রমোশনের উদ্দেশ্যে একটি লাইভে হাজির হয়ে তিনি বলেন, ‘আমি বেশ কিছুদিন ধরে একটি বাজে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি।’ শেষ বিষয়টি মিথ্যাচারে পরিণত হয়।  তার মিথ্যাচারে সমালোচনার ঝড় বয়ে যাচ্ছে। অনেক ভক্তরা তাকে কটাক্ষ করে মন্তব্য করেছেন যে, ‘নাটক কম করো পিও’। 

    সাদিয়া বলেন, ‘গত কয়েকদিন আগে আমি একটা শুট শেষ করে বাসায় ফিরছিলাম, তখন রাস্তায় যাওয়ার পথে দেখি পা থেকে মাথা পর্যন্ত একজন কালো কেউ আমার গাড়ির সামনে চলে আসে। এরপর গাড়ি থামিয়ে নেমে দেখি সেখানে কেউ নেই।’

    তবে এসব সাজানো ছিল নাটকের প্রমোশনের জন্য। বর্তমানে এ অভিনেত্রী আইডি ডিএক্টিভেট করে রেখেছেন। এখন তার এ লাইভ নিয়ে চলছে ব্যাপক সমালোচনা। শামীম আহমেদ নামে একজন সেই লাইভ ভিডিও শেয়ার করে লিখেছেন, ‘এরকম বাজে প্রমোশন আমি জীবনে ও দেখিনি, মানুষ এর ইমোশন নিয়ে খেলে।’

    আরেকজন প্রশ্ন ছুঁড়ে দিয়ে বলেন, ‘পিও সাদিয়া আয়মান মধ্যরাতে এই নাটকটা না করলেও পারতেন। আজকাল প্রোমোশন এতো সস্তা কেন হয়ে যাচ্ছে যে মানুষের আবেগ নিয়ে খেলতে হবে?’

    মাহমুদ আলম সুমনের ভাষ্য, ‘সাদিয়া আয়মান নাটক কম করো পিও, এতো রাতে লাইভে এসে মজা নেওয়ার ইচ্ছে হলে অন্য ভাবেও আসতে পারতা।’ অন্যজন বলেন, ‘প্রমোশনের জন্য এরকম জঘন্য কাজ না করলেও পারতেন আপু। লাইভটা দেখার সময় পুরো ট্রমাটাইজড হয়ে গিয়েছিলাম।’

    দিপ্ত প্লে’র একটি ওয়েব ফিল্মে কাজ করেছেন সাদিয়া আয়মান। ‘বিভাবরী’ শিরোনামের সেই ফিল্মটি শিগগিরই আসছে দীপ্ত প্লে’তে। যেটি মূলত ঢাকার রহস্যজনক কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে। সেই ওয়েব ফিল্মের প্রচারণার কৌশল হিসেবেই সাদিয়ার এই ‘ফেসবুক লাইভ’ নাটক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সাদিয়া আয়মান লাইভ করে মিথ্যা আতঙ্ক ছড়ালেন

    বর্তমানে নাটক ও সিনেমার প্রচারণায় তারকারা নানা অভিনব কৌশল অবলম্বন করছেন। কখনো কখনো এসব প্রচারণা দর্শকদের জন্য বিভ্রান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সম্প্রতি জনপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান ফেসবুক লাইভে এসে এমনই একটি নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি করেছেন, যা অনেকের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।

    সাদিয়া লাইভে এসে এক ভৌতিক ঘটনার বর্ণনা দেন, যার মাধ্যমে তিনি দর্শকদের সিমপ্যাথি অর্জনের চেষ্টা করেন। কিন্তু পরে জানা যায়, এই পুরো ঘটনাটি ছিল সাজানো। এর আগে গায়ক তাহসান ও অভিনেত্রী ফারিণও একই ধরনের নাটকীয় প্রচারণায় অংশ নিয়েছিলেন, যেখানে তারা একটি শপে আটকে পড়ার গল্প বলে দর্শকদের বোকা বানান।

    সোমবার মধ্যরাতে ফেসবুকে একটি লাইভ নিয়ে হাজির হন সাদিয়া আয়মান। সেখানে অভিনেত্রী জানান, আমি বেশ কিছুদিন ধরে একটা বাজে অভিজ্ঞতার মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। আমি জানি না, এটা কেনো হচ্ছে। তবে বিষয়টা কয়েকবার ঘটেছে দেখেই আজকে লাইভে এসেছি।

    এরপর ঘটনার বিস্তারিত তুলে ধরে সাদিয়া বলেন, ‘গত কয়েকদিন আগে আমি একটা শুট শেষ করে বাসায় ফিরছিলাম, তখন রাস্তায় যাওয়ার পথে দেখি পা থেকে মাথা পর্যন্ত একজন কালো কেউ আমার গাড়ির সামনে চলে আসে। এরপর গাড়ি থামিয়ে নেমে দেখি সেখানে কেউ নেই।’

    অভিনেত্রী বলেন, ‘এরপরে আমরা নিরাপদে সেখান থেকে বাসায় চলে আসি। তবে চলে আসার পরেও বাসার বিপরীত দিকে আবারও সেই ব্যক্তিকে দেখতে পাই।’

    এসময় একটু থেমে সাদিয়া বলেন, ‘আমি কথা বলতে কাঁপছি। কিছুক্ষণ আগেও বারান্দা থেকে দেখেছি সেই ব্যক্তি আমার বাড়ির নিচে দাঁড়িয়ে আছে।’

    এরপর মোবাইলটা হাতে নিয়ে বারান্দায় চলে যান এই অভিনেত্রী। সেখানে গিয়ে লাইভে কালো পোশাকে দাঁড়িয়ে থাকা সেই ব্যক্তিকে দেখান সাদিয়া। এসময় পুরো চেহারায় আতঙ্কের ছাপ ছিল অভিনেত্রীর। রীতিমতো কান্না করতে শুরু করেন। বাড়িতে তিনি বাদে আর কেউ নেই উল্লেখ করে সাদিয়া বলেন, ‘দেখুন আপনারা, ওই ব্যক্তি নিচে দাঁড়িয়ে আছে। বাড়িতে আমি বাদে এখন কেউ নেই……’ বলেই কাঁদতে থাকেন অভিনেত্রী।

    একপর্যায়ে বারান্দার দরজা লাগিয়ে রুমে চলে আসেন সাদিয়া আয়মান। এসময়ও তার ফেসবুক লাইভটি চলছিল। লাইভ চলাকালীন অবস্থায় হঠাৎই আঁতকে ওঠেন অভিনেত্রী। একপর্যায়ে ‘ও মাই গড’, ‘ও মাই গড’ বলতে বলতে লাইভটি কেটে দেন তিনি। 

    সাদিয়া আয়মানের লাইভটি শেষ হতেই ফেসবুকজুড়ে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। ভক্তরা অভিনেত্রীকে নিয়ে চিন্তিত হয়ে একের পর এক স্ট্যাটাস দিতে শুরু করেন। সকলেই ধারণা করে নেন, সাদিয়ার সঙ্গে খারাপ কিছু ঘটেছে। 

    তবে এর কিছুক্ষণ পরই ফেসবুক থেকে লাইভটি সরিয়ে নেন সাদিয়া আয়মান। ঘণ্টাখানেক বাদে একটি ওয়েব ফিল্মের পোস্টার শেয়ার করেন তিনি। ভক্তরাও বুঝে নেন, পুরো ঘটনাই ছিল সেই ওয়েব ফিল্মের প্রচারণার অংশ। 

    মুলত দিপ্ত প্লে’র একটি ওয়েব ফিল্মে কাজ করেছেন সাদিয়া আয়মান। ‘বিভাবরী’ শিরোনামের সেই ফিল্মটি শিগগিরই আসছে দীপ্ত প্লে’তে। যেটি মূলত ঢাকার রহস্যজনক কিছু ঘটনাকে কেন্দ্র করে। সেই ওয়েব ফিল্মের প্রচারণার কৌশল হিসেবেই সাদিয়ার এই ‘ফেসবুক লাইভ’ নাটক।

    বিনোদন ডেস্ক

  • গভীর রাতে শাড়ি চেঞ্জের সময় একজন রুমে ঢুকে পড়ে: মৌসুমী

    বর্তমান সময়ের ছোট পর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপ্রীতিকর ঘটনার মুখে পড়েছেন তিনি। তার ঘটনাকে অনুসরণ করে মডেল ও অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দীর্ঘ এক পোস্ট দিয়েছেন।  যেখানে তার সঙ্গে শুটিং সেটে ঘটে যাওয়া এক অপ্রীতিকর ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন।  তিনি জানিয়েছেন, গভীর রাতে শাড়ি চেঞ্জের সময় একজন রুমে ঢুকে পড়ে।  

    অভিনেত্রীর ফেসবুক পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবুহু তুলে ধরা হলো- 

    ‘সুটিং এ একটা ঘটনা শেয়ার করি, প্রায় ৩ বছর আগের কথা পুবাইল সুটিং করছি। বেশ রাত হয়েছে কিন্তু অনেক কাজ বাকি। সাধারণত আমরা যখন শুটিং করি বিশেষ করে আউটডোর, তখন কাজের চাপ থাকে বেশি এবং শুটিং লোকেশন এবং মেকাপ রুম বা চেঞ্জ রুম বেশ দুরে হয়। বারবার দৌড়াদৌড়ি করে কাপড় পাল্টাতে বেশ কষ্ট হয় এবং সময় ও বেশি লাগে। রাত ১২.৩০ প্রায়। আমি যেখানে শুটিং করছিলাম তার পাশেই একটা মাটির ঘর ছিল যে ঘরে লাইটের কিছু জিনিস পত্র রাখা ছিল। 

    পরিচালক আমাকে খুব করে অনুরোধ করলেন বারবার মেকাপ রুমে যেয়ে চেঞ্জ করতে যেই সময় লাগছে সেই সময়টাও নেই , উনি বললেন আমি যদি অনুমতি দেই উনি আমার কাপড়ের ব্যাগটা ঐ মাটির ঘরে আনার ব্যবস্থা করবেন ওখানেই চেঞ্জ করতে পারব কিনা। আমি বললাম ঠিক আছে। যদিও সেই ঘরটা মোটেও আরামদায়ক বা সেইফ নয়। তার উপর দেখি ছিটকানি ও নাই দরজায়। আমি বললাম তাহলে কীভাবে হবে?

    তখন ক্যামেরায় যিনি ছিলেন উনাকে আমি মামা ডাকতাম উনি বললেন মামু তুমি টেনশন নিও না আমি আছি বাইরে পাহারা দিচ্ছি। আমি ওনার কথা বিশ্বাস করে ঐ মাটির ঘরে ঢুকি। সব জানলা বন্ধ করে দেই এবং দরজা চাপিয়ে দেই। আমি নিজেও শুনতে পাচ্ছিলাম ওনারা বাইরেই আছে কথাবার্তা বলছে। পরিচালক তখন সেটে বা অন্য কোথাও। 

    শাড়িটা পরা শুরু করি নাই তখনো। কি যেন মনে করে শাড়িটার ভাঁজ খুলে আমি পুরো শাড়িটা ওড়নার মত কাঁধের উপর রেখে দেই এবং ঠিক তখনি লাইটের একটা ছেলে হুড়মুড় করে ঘরে ঢুকে পড়ে। আমি চিৎকার দিয়ে উঠি ‘এই চেঞ্জ করি’ খুবি অস্বস্তি কর অবস্থা। ছেলেটা প্রচণ্ড ভয় পেয়ে বের হয়ে গেল। সরি আপু আমি জানতাম না আপনি ছিলেন। 

    তখন প্রচণ্ড রাগ হল মামার উপর। চিৎকার দিলাম একটা, আমি শুধুমাত্র সহযোগিতা করার জন্য এমন একটা জায়গায় কাপড় পাল্টাতে রাজি হলাম কারণ আমাকে কথা দেওয়া হয়েছিল বাহিরে একজন দায়িত্ব নিয়ে পাহারা দিবে। কিন্তু ছেলেটা উঠান পার হয়ে ঘরে ঢুকে গেল কেউ ওরে বলল না যে ঘরে আমি আছি। 

    আমি যখন ঘরের ভিতর থেকেই চিৎকার করছি ইউনিটের উপর তাদের দায়িত্বহীনতা নিয়ে তখন সেই মামা (চিত্রগ্রাহক) বিরক্তি নিয়ে বলে উঠলেন ‘আরে বাদ দে তো ও তো ঢুকেই বের হইয়া আসছে এইটুকু সময় আর কি দেখছে।’ ঐ ছেলেটাকে উদ্দেশ্য করে বললো ‘ঐ তুই কিছু দেখছোস?’ বলে অসভ্যর মত হাসতে লাগলো। ছেলেটা কোন উত্তর দিল না। 

    আমার শরীরের যতখানি অংশ দেখা গেছে সেটা তেমন কোন বিষয়ই না আমি নাকি ওভার রিয়্যাক্ট করছি। এইকথা শোনার পর আমি বের হয়ে জীবনের সর্বোচ্চ রিয়্যাক্ট সেদিন করেছি সেটে। আমার কলিগের কাছে আমার ‘সম্ভ্রম’ এতটা তুচ্ছ? পরিবার ছেড়ে দিনের বেশিরভাগ সময় যাদের সাথে কাজ করি তারা এইভাবে তাদের দায়িত্বহীনতা জাস্টিফাই করবে ? 

    সেটের বেশিরভাগ মানুষের কাছে মনে হয়েছে, দায়িত্ব নেওয়ার পরও নির্লজ্জের মত ওনার ঐ খ্যাঁক খ্যাঁক হাসায় আমি যে রিঅ্যাকশন দিয়েছি সেটা বেশি বেশি ছিল। সবাই তার অ্যাকশন কেই জাস্টিফাই করে গেল। কিন্তু পরিচালক আমার চিৎকার শুনে সেখানে এসে পুরো ঘটনা শুনে ঐ চিত্রগ্রাহকে সেট থেকে বের করে দেন। এবং উনি নিজেও ভুল বুঝতে পেরে সরি বলেন। 

    আমি পুরো ঘটনা ওনাকে বলে ওনার কাছে জানতে চেয়েছিলাম, ‘তোমার পরিবারের কোন মেয়ে এমন অবস্থায় পড়লে দায়িত্বরত মানুষটা দায়িত্ব পালন না করে উল্টা যদি এমন করে রসায় রসায় হাসত, তারপর প্রচণ্ড অপমান বোধে যদি তোমার নিজের মেয়ে বা বোন বা তোমার বউ যদি রিয়্যাক্ট করত তুমি কি বলতা তোমার মেয়েকে, মামনি ওভার রিয়্যাক্ট করতেছো কেন ? আমি বেশি অবাক হয়েছিলাম সেটে ঐদিন ঐ চিত্রগ্রাহকের দায়িত্বহীনতা ও অসভ্যতা কে যারা জাস্টিফাই করছিলেন তাদের উপর।  

    এবং আবারো অবাক হয়েছি যারা আয়মান সাদিয়ার ভিডিও দেখে পোস্ট করেছেন ‘ভিডিওতে তো তেমন কিছুই দেখা যায় নাই’ তাদের উপর । যিনি ভিডিওটি পোস্ট করেছেন তার জন্যে আমার কিছুই বলার নাই। উনি ভিডিও ডিলিটও করেছেন। আমি সাধুবাদ জানাই কিন্তু সর্বনাশ যা হওয়ার তো হয়ে গেছে। ভিডিও বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে গেছে এবং মানুষের ট্রলিং। কারণ আমি ওনাকে যতটুকু চিনি উনি একদমই ক্ষতিকারক মানুষ নন। 

    বেশ বন্ধু সুলভ হাস্যোজ্জ্বল এবং প্রচণ্ড পরোপকারী মানুষ। আমি বিশ্বাস করতে চাই না উনি উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে এমন কাজটা করেছেন। লুকিয়ে বা গোপন ক্যামেরায় তো নয়ই। বরং উনি অনুতপ্তই হয়েছেন বলে আমি মনে করি। কিন্তু যারা বলছেন ‘এই ভিডিওতে তেমন কিছুই দেখা যায় নাই তাদের জন্য প্রশ্ন আছে, এই তেমন কিছুই না দেখা ভিডিওটির কারণে যে পরিমাণ নোংরা, অসভ্যতা, বুলিং, বডি সেইম, রেইপ থ্রেট মেয়েটাকে সহ্য করতে হয়েছে বা এখনো হচ্ছে সেটা যদি আপনার পরিবারের কোন মেয়েকে সহ্য করতে হয়, আপনি সেটা দেখার জন্য প্রস্তুত আছেন তো?’

    বিনোদন ডেস্ক