Tag: শাকিরা

  • বিশ্বকাপের ফাইনাল মঞ্চেও গাইবেন শাকিরা, সঙ্গে থাকবেন যারা

    ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপ উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে কলম্বিয়ান পপতারকা শাকিরা বিশ্বব্যাপী ফুটবলপ্রেমী দর্শকদের মন জয় করে নিয়ে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। এবার সমাপনী অনুষ্ঠানে গান গাইবেন এ পপ সংগীতশিল্পী। বিশ্বকাপ সমাপনী মানে ফুটবল বিশ্বকাপের ফাইনাল। আর এই ফাইনাল ফুটবলের মাঝের বিরতির সময় দর্শককে মাতিয়ে রাখবেন কলম্বিয়ান গায়িকা শাকিরা। 

    কোটি কোটি ফুটবলপ্রেমী দর্শকের টান টান উত্তেজনা। আর সেই মাঠের উত্তেজনাকে কয়েকগুণ বাড়িয়ে দিতে মঞ্চে থাকবেন একঝাঁক বিশ্বসেরা সংগীত তারকা। ফুটবল ও সংগীতের এক অভূতপূর্ব মেলবন্ধনে এবার রচিত হতে যাচ্ছে নতুন এক ইতিহাস। আর সেই ঐতিহাসিক আয়োজনের কথাই জানালেন কলম্বিয়ান পপসম্রাজ্ঞী শাকিরা।

    সম্প্রতি ‘দ্য ক্যাপিটাল ইভনিং শো উইথ জিমি হিল’-এ দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে সংগীতশিল্পী শাকিরা বলেন, আগামী ১৯ জুলাই নিউজার্সির মেটলাইফ স্টেডিয়ামে অনুষ্ঠিতব্য ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের হাফটাইম শো হতে যাচ্ছে ‘একেবারে ঐতিহাসিক’। যেখানে তার সঙ্গে পারফর্ম করবেন জাস্টিন বিবার, ম্যাডোনা, কোরিয়ান ব্যান্ড বিটিএস এবং কোল্ডপ্লে।

    এ পপতারকা বলেন, ‘আমি উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পারফর্ম করেছি। আর এখন ফাইনালেও গান গাইব। আমাকে পুরো বিষয়টি নিয়ে নতুন করে ভাবতে হচ্ছে, যাতে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের চেয়ে ফাইনালের পারফরম্যান্সটা কিছুটা আলাদা ও অনন্য করা যায়।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শাকিরা আরও বলেন, এটি একটি যৌথ ‘হাফটাইম শো’ হতে যাচ্ছে…। এটি সত্যিই ঐতিহাসিক হবে। পাঁচজন শিল্পী থাকছেন এখানে যারা আসলে আমি বাদে বাকি চারজন অসাধারণ শিল্পী। সেখানে ম্যাডোনা থাকাবেন, বিটিএস, বিবার ও কোল্ডপ্লে। 

    তিনি বলেন, আমরা সবাই একসঙ্গে বসব এবং পুরো বিষয়টি কেমন হবে তা ঠিক করব। তবে সত্যি বলতে— আমি নিজেই এটি নিয়ে দারুণ কৌতূহলী। আপনাদের মনে এখন ঠিক যতটা কৌতূহল কাজ করছে, ঠিক ততটাই আমার মনেও।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • বাংলাদেশে এসে যে কারণে কেঁদেছিলেন শাকিরা

    এ মুহূর্তে ফিফা বিশ্বকাপ ২০২৬ বিশ্ব কাঁপে ফুটবলে। আর সেই উন্মাদনাও ছড়িয়ে পড়ে বাংলাদেশের ফুটবলপ্রেমীদের মাঝে। ফুটবল বিশ্বকাপ মানেই মাঠের লড়াইয়ের সঙ্গে কথার লড়াই। বিশ্বকাপের উদ্বোধনী মঞ্চ মাতিয়েছেন কলম্বিয়ান পপতারকা শাকিরা। যার কণ্ঠ আর গ্ল্যামার বিশ্বজুড়ে কোটি ভক্তের মনে ভেসে ওঠে। তার গান নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে সমালোচনার ঝড় ওঠে। 
    বর্তমানে এ পপতারকা একাধিক কারণে খবরের শিরোনামে হয়েছেন। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে— সাম্প্রতিক ফুটবলের উদ্বোধনী মঞ্চে তার পারফরম্যান্স ঘিরে তৈরি হওয়া ‘বডি ডাবল’ ব্যবহারের গুজব। 
    এ ছাড়া স্পেনের কর ফাঁকি-সংক্রান্ত মামলা। স্পেনে বসবাসের সময় কর ফাঁকি দেওয়ার অভিযোগ ও আইনি ঝামেলা শাকিরার ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় বিতর্ক। অভিযোগের মুখে স্পেনের কর কর্তৃপক্ষকে ‘ইনকুইজিশন’ বা ধর্মীয় আদালতের সঙ্গে তুলনা করে তীব্র সমালোচনা করেন এবং আইনি চুক্তি ও জরিমানার মাধ্যমে স্পেনের বার্সেলোনার সেই বিচারের নিষ্পত্তি করেন।
    এ ছাড়া জেরার্ড পিকের সঙ্গে  বিচ্ছেদ এবং স্পেনে তার নিজস্ব স্টেডিয়াম নির্মাণের ঘোষণা নিয়ে ব্যাপক আলোচনা। স্প্যানিশ ফুটবলার জেরার্ড পিকের সঙ্গে বিচ্ছেদের পর তাদের তিক্ততা তুঙ্গে ওঠে। সাবেক সঙ্গীকে ইঙ্গিত করে গানে ঠোঁট মেলানোর কারণে ভক্ত ও সমালোচকদের মাঝে নানা আলোচনা-সমালোচনা তৈরি হয়।
    আর নিজের ওয়ার্ল্ড ট্যুরের সমাপ্তি টানতে স্পেনে সম্পূর্ণ নিজস্ব খরচে একটি অস্থায়ী স্টেডিয়াম তৈরির নজিরবিহীন পরিকল্পনা ঘোষণা করে ভক্তদের মাঝে মিশ্র প্রতিক্রিয়া ও বিতর্কের জন্ম দেন শাকিরা।
    ফুটবল বিশ্বকাপের সংস্কৃতির সঙ্গে মিশে যাওয়া এ কলম্বিয়ান তারকাকে নিয়ে এখন জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। মেক্সিকো সিটিতে অনুষ্ঠিত ফুটবল বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নজরকাড়া পারফরম্যান্সের পর সামাজিক মাধ্যমে একটি অদ্ভুত ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বা কনস্পিরেসি থিওরি ছড়িয়ে পড়ে। অনেক নেটিজেনের দাবি— মঞ্চে স্বয়ং শাকিরা নন; বরং তার কোনো ‘বডি ডাবল’ বা রূপধারী ক্লোন পারফর্ম করেছে। 
    আজ বিশ্বকাপের উন্মাদনার মধ্যে যখন শাকিরার পারফর্ম ও গ্ল্যামার নিয়ে তুমুল আলোচনা, ঠিক তখনই অনেকে হয়তো জানেন না প্রায় দুই দশক আগে এই শাকিরাই বাংলাদেশের প্রত্যন্ত অঞ্চল ঘুরে দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত শিশুদের গল্প শুনেছিলেন। তাদের সঙ্গে হেসেছিলেন, কেঁদেছিলেন এবং তাদের স্বপ্নগুলোকে নিজের হৃদয়ে ধারণ করেছিলেন।
    তাই পপতারকা শাকিরার এ বিশ্ব সমালোচনায় বাংলাদেশের সংগীতপ্রেমীদের কোনো যায় আসে না। পরিচিত মুখ শাকিরাকে ভালোবাসেন বাংলার সংগীতপ্রেমী থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষও। তবে বিশ্বমঞ্চ কাঁপানো পপ সংগীতশিল্পী দুই দশক আগে নীরবে বাংলাদেশ সফর করেছিলেন। ঘূর্ণিঝড় সিডরে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের দুর্দশা দেখে আবেগাপ্লুতও হয়েছিলেন। প্রলয়ঙ্কারী ঘূর্ণিঝড় ‘সিডর’-এর আঘাতে তখন লণ্ডভণ্ড বাংলাদেশের উপকূলীয় অঞ্চল, ঠিক সেই সময়ে অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়াতে এবং জাতিসংঘের শিশু তহবিলের (ইউনিসেফ) বৈশ্বিক শুভেচ্ছাদূত হিসেবে তিন দিনের এক আকস্মিক সফরে বাংলাদেশে এসেছিলেন পপতারকা শাকিরা।
    ২০০৭ সালের ১৬ ডিসেম্বর ঢাকায় পৌঁছানোর পর দ্রুত ছুটে যান বিধ্বস্ত দক্ষিণাঞ্চলের মানুষের কাছে; পটুয়াখালীর সিডর-আক্রান্ত এলাকা ঘুরে দেখেন। সেখানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার, বিশেষ করে শিশুদের সঙ্গে সময় কাটান। ধ্বংসস্তূপের মধ্যেও শিশুদের গল্প শোনেন, তাদের কষ্ট অনুভব করার চেষ্টা করেন। সেখানে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেন।
    সিডরে মা-বাবাকে হারানো ১১ বছর বয়সি নিপা নামে এক মেয়ের মুখে একটি শোকের গান শুনেছিলেন শাকিরা। পরে স্মৃতিচারণ করে তিনি বলেছিলেন— মেয়েটি তাকে বাংলায় একটি গান শুনিয়েছিল, যার অর্থ ছিল— ‘মা, তুমি যেখানেই থাকো, আমাকে একটি চিঠি লেখো।’ সেই কণ্ঠ তিনি কখনো ভুলতে পারবেন না বলেও জানিয়েছিলেন।
    শাকিরা বলেছিলেন, ‘তবে খানিক স্বস্তির ব্যাপার ছিল এখানে যে, এসব দুর্যোগ, দুঃখ আর শোকের মাঝে আমি এই আধা-ধ্বংসপ্রাপ্ত স্কুলটিতে শিশুদের খেলতে, গাইতে আর হাসতে দেখেছি। শিশুদের মুখে ডাক্তার ও নার্স হওয়ার স্বপ্নের কথা শুনে আমার খুব ভালো লেগেছে…, তাদের সবারই ইতিবাচক স্বপ্ন ছিল।’
    সিডরের ভয়াবহতা কাছ থেকে দেখে শাকিরা গভীরভাবে মর্মাহত হন। তিনি বলেছিলেন, পুরো গ্রাম নিশ্চিহ্ন হয়ে যেতে দেখে আমি বিধ্বস্ত হয়ে গিয়েছিলাম। তাদের যা কিছু ছিল, সব শেষ হয়ে গেছে…, এই দৃশ্য আমাকে গভীরভাবে নাড়া দিয়েছে। এতগুলো মানুষের জীবনহানি…, যে মায়েরা তাদের সন্তানদের হারিয়েছেন, তাদের মুখ আমি কখনো ভুলব না।
    সফরের অংশ হিসেবে রাজশাহীতে ইউনিসেফের একটি প্রকল্প পরিদর্শন করেন, যেখানে ‘দুর্গম অঞ্চলের শিশুরা’ রাস্তাঘাট থেকে দূরে বিভিন্ন কেন্দ্রে দিন কাটায়। শাকিরা ১৮ বছর বয়স থেকে শিশুদের নিয়ে কাজ করছেন, যখন তিনি ‘পিয়েস দেসকালসোস’ নামে একটি ফাউন্ডেশন প্রতিষ্ঠা করেন, যার স্প্যানিশ অর্থ ‘খালি পা’।
    শাকিরার এই সফরটি ছিল অনেকটাই আড়ালে। ইউনিসেফের কর্মকর্তারা জানিয়েছিলেন, এটি ছিল শিল্পীর নিজের ইচ্ছা। তিনি প্রচার-প্রচারণার চেয়ে বাংলাদেশকে কাছ থেকে দেখতে এবং মানুষের বাস্তব জীবন জানতে বেশি আগ্রহী ছিলেন। যদিও শিশুদের প্রতি তার এই দায়বদ্ধতা নতুন কিছু নয়।
    বাংলাদেশ সফর শেষে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানিয়ে শাকিরা বলেছিলেন, বাংলাদেশের মানুষ ও শিশুদের প্রতি আরও বেশি মনোযোগ প্রয়োজন। সরকার, আন্তর্জাতিক সংস্থা এবং সাধারণ মানুষের সম্মিলিত সহায়তাই পারে তাদের পাশে দাঁড়াতে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাকিরার বদলে কি বিশ্বকাপ উদ্বোধনীর মঞ্চে ‘বডি ডাবল’ ছিল?

    ২০২৬ বিশ্বকাপ ফুটবলের জমকালো উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে পপ তারকা শাকিরা পারফর্ম করার পর থেকেই ইন্টারনেটে একটি অদ্ভুত গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অনেকেরই দাবি—মেক্সিকো সিটির মঞ্চে শাকিরার বদলে পারফর্ম করেছেন তার কোনো ‘বডি ডাবল’ বা রূপধারী ক্লোন। আসলেই কি তাই? 

    বৃহস্পতিবার (১১ জুন) মেক্সিকো সিটিতে বর্ণিল এক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে পর্দা উঠেছে ২৩তম ফুটবল বিশ্বকাপের। উদ্বোধনী মঞ্চে জে বালভিন, মানা, লিলা ডাউনসের মতো বিশ্বখ্যাত তারকাদের পাশাপাশি বরাবরের মতোই আলো ছড়িয়েছেন কলম্বিয়ান গায়িকা শাকিরা। 

    মজার বিষয় হলো, এই পারফরম্যান্সের মাধ্যমে তিনি বিশ্বকাপের মঞ্চে উপস্থিতির দিক থেকে তার সাবেক সঙ্গী ফুটবলার জেরার্ড পিকেকেও ছাড়িয়ে গেছেন।

    তবে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আতশবাজি কিংবা চোখ ধাঁধানো মিউজিক—কোনোটিই নেটিজেনদের ততটা দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারেনি, যতটা পেরেছে এই নতুন ষড়যন্ত্র তত্ত্ব বা ‘কনস্পিরেসি থিওরি’। 

    অনুষ্ঠান শেষ হওয়ার মাত্র কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এক দল দাবি করতে শুরু করেন যে, বিশ্বকাপের অফিসিয়াল থিম সং ‘দাই দাই’ গেয়ে যিনি মাঠ মাতাচ্ছিলেন, তিনি আসলে শাকিরা নন। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার) এবং টিকটকে এই আলোচনা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। একজন ব্যবহারকারী লিখেছেন, ‘উনি শাকিরা হতেই পারেন না। ‘দাই দাই’ গাওয়ার সময় উনার নাচের স্টেপটা খেয়াল করুন, উনি তাল হারিয়ে ফেলেছেন। এটা নিশ্চিতভাবেই একজন ডাবল (রূপধারী)। শাকিরা সবার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কিন্তু এই দাবির পেছনে নেটিজেনদের যুক্তি বা প্রমাণ কী? যারা এই তত্ত্ব ছড়াচ্ছেন, তাদের মূল বক্তব্য হলো—মঞ্চে তারকাকে দেখতে কিছুটা অন্যরকম লাগছিল।

    সেদিন শাকিরা যখন মাঠে পারফর্ম করতে নামেন, তখন তার পরনে ছিল একটি জমকালো হলুদ পোশাক, সাদা শর্টস, প্ল্যাটফর্ম স্নিকার্স এবং চোখে ছিল একটি বড় ডার্ক সানগ্লাস। এছাড়া অনেক ভক্ত লক্ষ্য করেছেন, তার চুলের রঙও চিরচেনা শেডের চেয়ে কিছুটা আলাদা ছিল। সানগ্লাসে মুখের সিংহভাগ ঢাকা থাকা এবং সচরাচর লুকের চেয়ে একটু ভিন্ন চেহারার কারণেই মূলত টিকটক ও এক্সে জল্পনা-কল্পনার ডালপালা গজাতে শুরু করে। 

    তবে এখন পর্যন্ত শাকিরার জনসংযোগ বা পিআর টিমের পক্ষ থেকে এই গুজব প্রসঙ্গে কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া জানানো হয়নি। তবে একটি ছোট্ট কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ নিখুঁত বিষয় প্রমাণ করে যে, মাঠে থাকা ব্যক্তিটি আসলে স্বয়ং শাকিরা নিজেই ছিলেন। 

    দীর্ঘদিন ধরে শাকিরার বিভিন্ন ছবিতে লক্ষ্য করলে দেখা যায়, তার কপালে একটি ছোট্ট কাটা দাগ (স্কার) রয়েছে। উদাহরণস্বরূপ, চলতি বছরের মে মাসে নিউইয়র্কের একটি ইভেন্ট থেকে বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) তোলা হাই-ডেফিনিশন ছবিগুলোতে এই দাগটি স্পষ্টভাবে দৃশ্যমান। 

    আর আসল সত্য এটাই যে—বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের ক্লোজ-আপ ফুটেজ এবং ছবিগুলোতেও ঠিক একই জায়গায় সেই নিখুঁত কাটা দাগটি দেখা গেছে। তাই গুঞ্জন যতই ডালপালা ছড়াক না কেন, সবকিছু থেকে ধারণা করা হচ্ছে বিশ্বকাপের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানরে কেনো ‘বডি ডাবল’ নয়, স্বয়ং শাকিরাই পারফর্ম করেছেন। 

    সূত্র: ইউরোনিউজ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • কেন সংগীত ছেড়ে খামার জীবন বেছে নিতে চেয়েছিলেন শাকিরা?

    বিশ্বের অন্যতম সফল পপ তারকা শাকিরা একসময় সংগীতজগত থেকে পুরোপুরি বিদায় নেওয়ার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছিলেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তিনি জানান, তখন তিনি এমনকি খামার জীবন বেছে নিয়ে প্রাণিদের নিয়ে শান্ত জীবনে চলে যাওয়ার কথাও ভেবেছিলেন।

    ‘হিপস ডোন্ট লাই’ ও ‘ওয়াকা ওয়াকা’-এর মতো বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় গানের এই শিল্পী বলেন, কয়েক বছর আগে তিনি সংগীত ছেড়ে একটি খামার কেনা এবং সেখানে পশুপাখি লালন-পালনের পরিকল্পনা করেছিলেন।

    শাকিরা বলেন, কয়েক বছর আগে আমি সত্যিই ভাবছিলাম—সব ছেড়ে একটি খামার কিনব, প্রাণী লালন করব এবং সংগীত থেকে অবসর নেব।

    তবে পরে তিনি বুঝতে পারেন, সেই সিদ্ধান্ত ছিল আবেগপ্রবণ এবং কিছুটা অবাস্তব। অতীতের সেই ভাবনার কথা স্মরণ করে শাকিরা বলেন, এখন তিনি অবাক হন যে, এমন চিন্তাও তার মাথায় এসেছিল।  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি আরও জানান, জীবনের একটি পর্যায়ে মানুষ কখনো কখনো নিজের ক্যারিয়ার ও পরিচয় নিয়ে দ্বিধায় পড়ে যায়। কিন্তু পরবর্তীতে তিনি উপলব্ধি করেন, সংগীতে তার এখনও অনেক কিছু দেওয়ার আছে।

    বর্তমানে শাকিরা আবারও বিশ্ব সংগীত অঙ্গনে সক্রিয়ভাবে কাজ করছেন। সম্প্রতি তিনি ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপের থিম সং ‘Dai Dai’-এ অংশ নেন। এর আগে ২০০৬, ২০১০ এবং ২০১৪ বিশ্বকাপেও তিনি অফিসিয়াল সংগীতে যুক্ত ছিলেন।

    এছাড়া আগামী ১৯ জুলাই ফিফা বিশ্বকাপ ফাইনালের হাফটাইম শোতে তিনি সহ-প্রধান পারফর্মার হিসাবে মঞ্চে উঠবেন। তার এই ধারাবাহিক উপস্থিতি প্রমাণ করছে, বিশ্ব সংগীত ও বিনোদন জগতে শাকিরার প্রভাব এখনো অত্যন্ত শক্তিশালী।

    সূত্র- সামা

    বিনোদন ডেস্ক

  • মঞ্চে পড়ে গেলেন শাকিরা

    বিশ্বসংগীতের মঞ্চে ফের চমকে দিলেন কলম্বিয়ান পপস্টার শাকিরা। তবে এবার শুধু কণ্ঠ কিংবা পারফরম্যান্স দিয়ে নয়, আলোচনায় তিনি উঠে এসেছেন নিজের পেশাদারিত্বের নিখুঁত প্রদর্শনের মাধ্যমে। মঞ্চে হঠাৎ পড়ে গেলেও মুহূর্তেই নিজেকে সামলে নিয়ে গান চালিয়ে যান এই তারকা। এই ঘটনা মুহূর্তেই অনলাইনে ব্যাপক ভাইরাল হয়েছে। 

    এই মুহূর্তে নিজের গানে সারা বিশ্বকে মাতাতে বিশ্ব ভ্রমণে বেরিয়েছেন শাকিরা। কনসার্টের নাম ‘লাস মুহেরেস ইয়া নো লোরান’ (বাংলা অর্থ: ‘মেয়েরা আর কাঁদবে না’)। এই সফরের অংশ হিসেবে কানাডার মন্ট্রিলে অনুষ্ঠিত এক লাইভ কনসার্টে ঘটে যায় একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।

    হাজার হাজার দর্শকের উপস্থিতিতে গান পরিবেশনের সময় হঠাৎ করেই স্টেজে পড়ে যান জনপ্রিয় এই গায়িকা। ভিডিও ফুটেজে দেখা গেছে, গানের এক পর্যায়ে ভারসাম্য হারিয়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। উপস্থিত দর্শকদের মধ্যে মুহূর্তেই ছড়িয়ে পড়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা।

    তবে এই পরিস্থিতিতে মাটিতে পড়ে থাকেননি শাকিরা। দ্রুত নিজেকে সামলে নিয়ে উঠে দাঁড়ান এবং পেশাদারিত্বের পরিচয় দিয়ে গান ও নাচ চালিয়ে যান আগের মতোই সাবলীলভাবে। তার এই তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া দেখে অভিভূত হয়ে পড়েন দর্শকরা।

    উল্লেখ্য, বর্তমানে শাকিরার এই কনসার্ট ট্যুর ঘিরে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে বিশ্বজুড়ে। কনসার্টের নামেই বার্তা রয়েছে নারীর আত্মবিশ্বাস ও স্বাধীনতার, আর শাকিরার মঞ্চে ফিরে আসার দৃশ্য যেন সেই বার্তাকেই আরও একবার বাস্তব করে তোলে।

    এই ঘটনার পর সামাজিক মাধ্যমে শাকিরার ভূয়সী প্রশংসা করেন ভক্তরা। অনেকে লেখেন, ‘এটাই একজন সত্যিকারের পারফর্মার।’ কেউ কেউ আবার বলেন, ‘শাকিরা শুধু গায়িকা নন, তিনি অনুপ্রেরণা।’

    শাকিরা বা তার টিমের পক্ষ থেকে ঘটনার বিষয়ে আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য এখনো দেওয়া হয়নি। তবে ভক্তরা আশাবাদী, পুরো সফরই এভাবেই সফলতার সঙ্গে শেষ করবেন তিনি।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • হঠাৎ কেন শাকিরার শরণাপন্ন হলেন দিলজিৎ?

    ভারতের জনপ্রিয় পপতারকা দিলজিৎ দোসাঞ্জ মূলত হিন্দি ও পাঞ্জাবি ভাষায় গান করেন। তবে ইংরেজি ভাষায় তার যত সমস্যা। আন্তর্জাতিক স্তরের ফ্যাশন শো-তে অংশ নিতে গিয়ে ঠিক এই সমস্যায়ই ফাঁসলেন এ পাঞ্জাবি গায়ক। এই বিপদ থেকে উদ্ধার পেতে তিনি শরণাপন্ন হয়েছেন বিশ্বখ্যাত গায়িকা শাকিরার।

    দিলজিৎ গায়িকার কাছে গিয়ে সোজা বললেন, ‘আমি একেবারেই ইংরেজি জানি না। আমায় সাহায্য করবেন?’

    এমনিতেই যে কোনো অনুষ্ঠানের চূড়ান্ত মুহূর্তে নানা ঘটনা ঘটে। এই বিশেষ অনুষ্ঠানেও তেমনটাই ঘটেছিল। সবাই নিজের পোশাক, রূপটান, গয়না নিয়ে পোশাক পরিকল্পকদের সঙ্গে ব্যস্ত। সেই মজার মুহূর্ত ভিডিও করে দেখানোও হচ্ছিল সামাজিক মাধ্যমে। হঠাৎ, অনুষ্ঠানের সঞ্চালিকার চোখ চলে যায় পাঞ্জাবি গায়কের দিকে। তিনি নিজের সাজ নিয়ে নয়, মুঠোফোন নিয়ে ব্যস্ত। ঝুঁকে পড়ে মুঠোফোনের পর্দায় কী যেন দেখছেন!

    তার দিকে ক্যামেরা তাক করতেই দিলজিৎ সঙ্গে সঙ্গে মুঠোফোন দেখিয়ে বলেন, আমি ইংরেজিতে কথা বলতে পারি না! এদিকে সাক্ষাৎকার ইংরেজিতেই দিতে হবে। তাই শেখার চেষ্টা করছি।

    এসময় তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শাকিরা সেই কথা শুনে হেসে ফেলেন। বাকিরাও সাজ ফেলে ঘিরে ধরেন দোসাঞ্জকে। আড্ডা দিতে দিতেই শাকিরার সঙ্গে ছবি তুলতে দেখা গেছে দিলজিৎকে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • হাসপাতাল থেকে ফিরেই ঝড় তুললেন শাকিরা

    কলম্বিয়ান পপতারকা শাকিরা গত সপ্তাহে হঠাৎ অসুস্থ
    হয়ে পড়ায় কয়েকটি
    কনসার্ট স্থগিত করতে হয়।
    তিনি শারীরিক
    জটিলতা নিয়ে ভর্তি হন হাসপাতালে। তবে সুস্থ হয়ে আবারও মঞ্চে ফিরেছেন
    এই পপসম্রাজ্ঞী।
    বুধবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) রাতে নিজ দেশ কলম্বিয়ার রাজধানী
    শহরে
    পারফর্ম করেন তিনি।

    গত বছর মুক্তি পায় শাকিরার ১২তম স্টুডিও অ্যালবামওমেন ডোন্ট ক্রাই এনিমোর সেই অ্যালবামেরই কনসার্ট ট্যুর শুরু করেছেন ৪৮ বছর বয়সি
    এই তারকা।
    এদিন বোগোটার মঞ্চে চিরচেনা
    রূপেই
    হাজির হন শাকিরা। নাচেগানে রীতিমতো ঝড় তোলেন
    এই গায়িকা।

    এর আগে গত ১১ ফেব্রুয়ারি ব্রাজিল থেকে শাকিরা এই কনসার্ট ট্যুর শুরু করেন। তবে
    মাঝে
    পেরুসহ দুটি কনসার্ট মিস হয় তার।

    এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে পারফরম্যান্সের মধ্য দিয়ে শেষ হবে কলম্বিয়াপর্ব। এরপর চিলি আর্জেন্টিনায় পারফর্ম করবেন
    শাকিরা।
    আগামী ৩০ জুন যুক্তরাষ্ট্রের সান ফ্রান্সিসকোতে পারফর্মের মধ্য দিয়ে শেষ হবে
    এই
    ট্যুর। সূত্র: এএফপি

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাকিরা-ভক্তদের জন্য ফের দুঃসংবাদ, কী ঘটেছে পপ তারকার?

    পেরুর রাজাধানী লিমায় আয়োজিত একটি কনসার্ট বাতিল হওয়ার পর আরও একটি দুঃসংবাদ কলম্বিয়ান পপ তারকা শাকিরা ভক্তদের জন্য। এবার স্থগিত হলো তার বহুল প্রতীক্ষিত মেডেলিন কনসার্ট। 

    স্টেজের ছাদে ক্ষতির কারণে নিরাপত্তাজনিত উদ্বেগ দেখা দেওয়ায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

    Las Mujeres Ya No Lloran World Tour-এর অংশ হিসেবে কনসার্টটি ২৪ ফেব্রুয়ারি মেডেলিনের আতানাসিও গিরার্দো স্টেডিয়ামে হওয়ার কথা ছিল।

    তবে ইভেন্ট আয়োজক সংস্থা প্যারামো প্রেজেন্টা নিশ্চিত করেছে যে, স্টেজের ছাদে কাঠামোগত ক্ষতি শাকিরার নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করেছে।

    স্থানীয় সময় শনিবার এক বিবৃতিতে তারা জানায়, ‘শো সেটআপের সময় স্থানীয় প্রযোজনা কোম্পানি কর্তৃক ইনস্টল করা স্টেজের ছাদে ক্ষতি ধরা পড়ে। যা শিল্পীর জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারত’।

    যার ফলে কনসার্টটি স্থগিত হলো। এর পরবর্তী তারিখ পুনঃনির্ধারণ করা হবে এবং নতুন তারিখ শিগগিরই ঘোষণা করা হবে বলেও জানায় প্যারামো প্রেজেন্টা।

    এটি শাকিরার সাম্প্রতিক সময়ের দ্বিতীয় কনসার্ট স্থগিতের ঘটনা। এর আগে পেরুর লিমায় একটি কনসার্ট বাতিল করা হয়। কারণ শাকিরা সেই সময় অ্যাসিডিটি ও পেটের ব্যথায় ভুগছিলেন।

    জানা গেছে, তিনি এখন পুরোদমে সুস্থ হয়ে উঠেছেন এবং আবারও ট্যুর শুরু করেছেন। চলতি মাসের ২৬ ও ২৭ তারিখে বোগোটায় দুটি ব্যাক-টু-ব্যাক কনসার্ট করার কথাও রয়েছে।

    ভক্তদের প্রতিক্রিয়া

    এদিকে শাকিরার Las Mujeres Ya No Lloran World Tour দক্ষিণ আমেরিকায় ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তাই সাম্প্রতিক সময়ে তার এই দুটি কনসার্ট স্থগিতকরণ ভক্তদেরকে দারুণভাবে হতাশ করেছে।

    তবে শাকিরা নিশ্চিত করেছেন যে, তিনি তার সেরা পারফরম্যান্স দেওয়ার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। সূত্র: জিও নিউজ

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্থগিত কনসার্ট, অসহ্য পেট ব্যথা নিয়ে হাসপাতালে শাকিরা

    সদ্যই শুরু হয়েছে কলম্বিয়ান খ্যাতিমান শিল্পী শাকিরার Las Mujeres Ya No Lloran ট্যুর। তবে ট্যুর শুরু করার মাত্র কিছুদিনের মধ্যেই গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লেন এই গায়িকা। শুধু তাই নয়, প্রচণ্ড পেট ব্যথার কারণে তাকে বাধ্য হয়ে হাসপাতালে যেতে হয়েছে। পিছিয়ে দিতে হয়েছে পেরুতে অনুষ্ঠিত হতে চলা কনসার্ট। 

    শনিবার রাতে তাকে হাসপাতালের ইমারজেন্সিতে নেওয়া হয়। বর্তমানে তিনি পর্যবেক্ষণে আছেন, তার চিকিৎসা চলছে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন নিজেই এসব খবর জানিয়েছেন ৪৮ বছরের এই গায়িকা।

    এদিন শাকিরা এক্স হ্যান্ডেল এই তারকা লিখেন, ‘আমি অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি যে গত রাতে আমায় ইমারজেন্সিতে যেতে হয়েছিল পেট ব্যথার জন্য। আমি বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি।’ 

    গায়িকা আরও জানান, ডাক্তাররা তাকে পারফর্ম করতে বারণ করেছেন। ফলে তার এখন সেই অবস্থা নেই যাতে তিনি স্টেজে উঠে পারফর্ম করতে পারেন।

    শাকিরা আরও জানিয়ে দেন এভাবে শো পিছিয়ে দেওয়াতে তিনি ভীষণ দুঃখিত। কারণ তিনি মুখিয়ে ছিলেন তার পেরুর অনুরাগীদের জন্য। তাদের সামনে পারফর্ম করার জন্য। তবে তিনি আশ্বস্ত করেছেন, তার টিম এবং কনসার্টের প্রচারকরা নতুন ডেট কবে ফেলা হবে শোয়ের জন্য সেটা নিয়ে কাজ করা শুরু করে দিয়েছেন।

    এই বিষয়ে তিনি আরও জানান, ‘আমি তোমাদের সবাইকে ভালোবাসি। বিষয়টা বোঝার জন্য ধন্যবাদ।’

    তবে যতই স্বাস্থ্য খারাপ হোক, হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকুন না কেন, শাকিরা জানিয়েছেন যে তিনি আশাবাদী। তিনি শীঘ্রই স্টেজে ফিরবেন। তিনি আশা করছেন, ১৭ ফেব্রুয়ারির মধ্যেই ছাড়া পেয়ে যাবেন। তারপর আবার তিনি তার এই সুরেলা সফর শুরু করে দেবেন। যদিও সবটা ঠিক থাকে তাহলে পুনর্নির্ধারিত সময়ই পেরুতে পারফর্ম করবেন। তারপর কলম্বিয়ায় যাবেন তার পরবর্তী একাধিক শোয়ের জন্য।

    বিনোদন ডেস্ক

  • কলকাতার মেয়ের পোশাক পড়ে মঞ্চ মাতালেন শাকিরা

    কলকাতার ফ্যাশন ডিজাইনার অনামিকা খান্নার কর্মজীবনের শুরু ১৯৯৮ সালে। প্রথম ফ্যাশন স্টুডিওটি দেন কলকাতার আউট্রাম স্ট্রিটে। বলিউডের অভিনেত্রীরা তার পোশাক পরে বিদেশি চলচ্চিত্র উৎসবে হাটেন। ভারতীয় ফ্যাশন জগতে তার নকশা করা পোশাক বেশ জনপ্রিয়ও বটে। 

    কাজের সূত্রে নানা জায়গায় যেতে হলেও তিনি থাকেন কলকাতাতেই। নিজের আন্তর্জাতিক সংস্থাও সামলান কলকাতা থেকেই। কলকাতার পোশাকশিল্পী অনামিকার পোশাক বলিউডের গণ্ডি পেরিয়েছিল আগেই। এবার তারই নকশা করা পোশাক পরলেন জনপ্রিয় পপ তারকা শাকিরা।

    শাকিরাকে এক নামেই চেনেন অধিকাংশ। যারা চেনেন না তারাও বিশ্বকাপ ফুটবলের থিম সং হিসাবে গাওয়া তার ‘ওয়াকা ওয়াকা’ শুনেছেন। দেখেছেন সেই গানের তালে শাকিরার ছন্দময় নাচও। পর পর দু’বার বিশ্বকাপ ফুটবলের জন্য গান গেয়েছেন শাকিরা। দু’টিই জনপ্রিয়তার শিখর ছুঁয়েছিল। শাকিরাকে দেখে ভক্তেরা বলেছিলেন, তিনি ছন্দময় বিদ্যুতের মতো। 

    কলম্বিয়ান এই পপ তারকা এ বছর তার গান নিয়ে বিশ্ব সফরে বেরিয়েছেন। দিন কয়েক আগে ব্রাজিল থেকে শুরু হয়েছে সফরের প্রথম পর্ব। আর শাকিরা কলকাতার অনামিকার পোশাক পরেছেন, তার বিশ্ব সফরের একেবারে শুরুর দিকেই। শাকিরার ছবিসহ সেই খবর দিয়েছেন অনামিকা নিজেই।

    গত ১১ ফেব্রুয়ারি ব্রাজিলের শহর রিও ডি জেনেইরোতে ছিল শাকিরার অনুষ্ঠান। সেখানেই অনামিকার তৈরি গাঢ় লাল রঙের টু-পিস সেট পরেছিলেন শাকিরা। উপরে ব্রালেট, কোমরে ঝালর দেওয়া স্কার্ট আর সেই দু’টিকে একসঙ্গে জুড়েছে যে স্বচ্ছ কাপড়ের টুকরো তাতে বুনে দেওয়া ছোটবড় স্ফটিক। রিওর উজ্জ্বল লাল রঙের মঞ্চে গাঢ় লাল রঙের পোশাকে শাকিরাকে দেখাচ্ছিল আগুনের শিখার মতো।

    এমন নয় অনামিকার পোশাক প্রথম আন্তর্জাতিক কোনো তারকা পরলেন। এর আগে মারিয়া শারাপোভা, জিন লিউয়ের মতো তারকারা অনামিকার পোশাক পরেছেন। বলিউডের অভিনেত্রী এবং শৌখিনী সোনম কাপুর বহুবার কান চলচ্চিত্র উৎসবের লাল গালিচায় হাটার পোশাকের জন্য অনামিকারই শরণাপন্ন হয়েছেন। অনামিকাই প্রথম ভারতীয় পোশাকশিল্পী, যিনি নিজের ইন্টারন্যাশনাল লেবেল তৈরি করেছিলেন। নাম দিয়েছিলেন ‘অনা মিকা’। তা সত্ত্বেও শাকিরার মতো আন্তর্জাতিক শিল্পী এবং তারকার জন্য পোশাক তৈরি করতে পেরে উচ্ছ্বসিত অনামিকা।

    শাকিরার জন্য পোশাকের নকশা করা প্রসঙ্গে অনামিকা এক সাক্ষাৎকারে বলেছেন, পোশাকটি তৈরি করতে ১২০ ঘণ্টা সময় লেগেছে। তবে সেই পরিশ্রম সার্থক। শাকিরা যখন মঞ্চে ওঠেন তখন মঞ্চে ছন্দময়তা আসে। তার ব্যক্তিত্বে একটা অত্যন্ত জোরালো উপস্থিতি রয়েছে। আমরা শাকিরার সেই ছন্দ সেই জোরালো উপস্থিতিকেই পোশাকের আধারে ধরতে চেয়েছি। আন্তর্জাতিক মঞ্চে শাকিরার মতো শিল্পীকে ওই পোশাকে অনুষ্ঠান করতে দেখে আমরা গর্বিত।

    যুগান্তর ডেস্ক