Tag: রিয়াজ

  • যেভাবে রিয়াজকে খুঁজে পেয়েছিলেন কিংবদন্তি জসিম

    ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রির ইতিহাসে অ্যাকশনধর্মী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা আবুল খায়ের জসিম উদ্দিন ওরফে জসিম। খলনায়ক হিসেবে সিনেমা জগতে অভিষেক হলেও পরবর্তী সময়ে নায়ক হিসেবেও তুমুল জনপ্রিয়তা পান তিনি। শুধু অভিনয় নয়, নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করার ক্ষেত্রেও ছিল তার আলাদা নজর। 

    ১৯৯৮ সালের ৮ অক্টোবর মাত্র ৫৩ বছর বয়সে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে মারা যান এ কিংবদন্তি অভিনেতা জসিম। তার মৃত্যুর পরও চলচ্চিত্রাঙ্গনে স্মৃতি ধরে রাখা হয়েছে। এফডিসির একটি ফ্লোর ‘জসিম ফ্লোর’ নামে পরিচিত। আজ তার জন্মদিন। ১৯৪৫ সালের ১৪ আগস্ট ঢাকার নবাবগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন এ কিংবদন্তি অভিনেতা। 

    শুধু একজন জনপ্রিয় নায়ক হিসেবেই নয়, একজন মুক্তিযোদ্ধাও— ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ২ নম্বর সেক্টরে মেজর হায়দারের নেতৃত্বে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বাধীনতা এনেছিলেন তিনি।

    অ্যাকশন তারকা ও নতুন প্রতিভার আবিষ্কারক হিসেবেও স্মরণ করা হয় দুর্ধর্ষ খলঅভিনেতা জসিমকে। তার জীবনের অসংখ্য সাফল্যের গল্পের মধ্যে রিয়াজকে খুঁজে পাওয়ার ঘটনাটি যেন একটু আলাদা। কারণ একজন কিংবদন্তির চোখে সেদিন ধরা পড়েছিল আরেক ভবিষ্যৎ তারকার। আর সেই দেখাই বদলে দিয়েছিল রিয়াজের জীবন। তার আবিষ্কারক রিয়াজ আজও সিনেমাপ্রেমীদের কাছে পরিচিত নাম। আর তাই জসিমের জন্মদিনে তার অভিনয়জীবনের পাশাপাশি ফিরে ফিরে আসে সেই গল্প, যেভাবে রিয়াজকে খুঁজে পেয়েছিলেন নায়ক জসিম। তার হাত ধরেই সিনেমা জগতে এসেছিলেন সময়ের আলোচিত অভিনেতা রিয়াজ।  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    প্রায় দুই দশকের চলচ্চিত্রজীবনে দুই শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন জসিম। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘রংবাজ’, ‘দোস্ত দুশমন’, ‘এক মুঠো ভাত’, ‘প্রতিজ্ঞা’, ‘সবুজ সাথী’, ‘লাইলী মজনু’, ‘জনি’, ‘সারেন্ডার’, ‘লালু মাস্তান’, ‘মাস্তান রাজা’, ‘কালিয়া’, ‘স্বামী কেন আসামি’সহ আরও অনেক সিনেমা। 

    চলচ্চিত্রে জসিমের পথচলা সত্তরের দশকের শুরুতে। ১৯৭২ সালে ‘দেবর’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু। পরের বছর ‘রংবাজ’ সিনেমায় অ্যাকশন পরিচালক হিসেবে কাজ করেন তিনি। এরপর দেওয়ান নজরুল পরিচালিত ‘দোস্ত দুশমন’ সিনেমায় খলনায়ক চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি পান জসিম। ‘দোস্ত দুশমন’ ছিল ভারতের জনপ্রিয় সিনেমা ‘শোলে’র আদলে নির্মিত। এতে জসিম অভিনয় করেছিলেন গাফফার চরিত্রে। তার অভিনয় এতটাই প্রশংসিত হয়েছিল যে ‘শোলে’র গব্বর সিং চরিত্রে অভিনয় করা আমজাদ খানও জসিমের অভিনয়ের প্রশংসা করেছিলেন বলে নানা প্রতিবেদনে উঠে আসে।

    তবে খলনায়ক হিসেবেই থেমে থাকেননি জসিম। ‘সবুজ সাথী’ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর একের পর এক অ্যাকশনধর্মী সিনেমায় অভিনয় করে হয়ে ওঠেন দর্শকদের প্রিয় নায়ক। আশির দশকে শাবানা ও রোজিনার সঙ্গে তার জুটি বিশেষ জনপ্রিয়তা পায়। শোষিত-বঞ্চিত মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন সিনেমায় তার চরিত্র দর্শকদের মনে গভীর দাগ কাটে। ব্যক্তিজীবনেও জসিম ছিলেন আলোচিত। তার প্রথম স্ত্রী ছিলেন অভিনেত্রী সুচরিতা। পরে নাসরিনকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের তিন ছেলে রাতুল, রাহুল ও সামি। তিনজনই সংগীতের সঙ্গে যুক্ত।

    এদিকে রিয়াজ তখনো চলচ্চিত্রের মানুষ নন। বিমানবাহিনীতে বিমানচালক হিসেবে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর চাকরি হারিয়ে ঢাকায় চলে আসেন তিনি। তার চাচাতো বোন ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ববিতা। একদিন ববিতার সঙ্গে এফডিসিতে গিয়েছিলেন রিয়াজ। আর সেখানেই তার দিকে চোখ পড়ে জসিমের। ১৯৯৪ সালের সেই ঘটনা বদলে দেয় রিয়াজের জীবন। সুদর্শন তরুণ রিয়াজকে দেখে তার মনে হয়, তাকে চলচ্চিত্রে নেওয়া যেতে পারে। তিনি রিয়াজকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন। তখন অভিনয় সম্পর্কে রিয়াজের কোনো অভিজ্ঞতাই ছিল না। জসিমের প্রস্তাবের পাশাপাশি ববিতার উৎসাহও তাকে চলচ্চিত্রে আসার সাহস জোগায়।

    পরের বছরই জসিমের সঙ্গে ‘বাংলার নায়ক’ সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পান রিয়াজ। মুক্তি পাওয়া সেই সিনেমাটিতে জসিম অভিনয় করেছিলেন ডন চরিত্রে। শাবানা ছিলেন রোকেয়া আর রিয়াজ অভিনয় করেন মুন্না চরিত্রে। সেই সিনেমাটিই হয়ে ওঠে রিয়াজের চলচ্চিত্রে অভিষেক। শুধু অভিনয়ের সুযোগ দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেননি জসিম।  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নবাগত রিয়াজকে অভিনয় ও অ্যাকশনের নানা কৌশলও শেখান তিনি। পরে জসিমকে স্মরণ করে রিয়াজ বলেছিলেন— এফডিসিতে জসিমের শুটিং চলার সময় তিনি ফাইট প্র্যাকটিস করতেন। এমনও হয়েছে, নিজের শুটিং রেখেও জসিম তাকে ফাইট শিখিয়েছেন।

    রিয়াজ আরও বলেন, জসিমের কারণেই তিনি নায়ক রিয়াজ হয়ে উঠতে পেরেছেন। অর্থাৎ জসিমের জীবনে রিয়াজকে আবিষ্কারের ঘটনাটি ছিল শুধু একজন নবাগতকে সুযোগ দেওয়ার বিষয় নয়; পরবর্তী সময়ে সেটি হয়ে ওঠে ঢাকাই চলচ্চিত্রের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার।

    ‘বাংলার নায়ক’র পর অবশ্য নিজের জায়গা তৈরি করতে খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি রিয়াজকে। পরে ‘প্রাণের চেয়ে প্রিয়’সহ একের পর এক সফল সিনেমায় অভিনয় করে নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক হয়ে ওঠেন তিনি। কিন্তু তার সেই দীর্ঘ চলচ্চিত্রযাত্রার প্রথম দরজাটি খুলে দিয়েছিলেন জসিমই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যেভাবে নায়ক রিয়াজকে খুঁজে পেয়েছিলেন কিংবদন্তি জসিম

    ঢালিউড ইন্ডাস্ট্রির ইতিহাসে অ্যাকশনধর্মী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেতা আবুল খায়ের জসিম উদ্দিন ওরফে জসিম। খলনায়ক হিসেবে সিনেমা জগতে অভিষেক হলেও পরবর্তী সময়ে নায়ক হিসেবেও তুমুল জনপ্রিয়তা পান তিনি। শুধু অভিনয় নয়, নতুন প্রতিভা খুঁজে বের করার ক্ষেত্রেও ছিল তার আলাদা নজর। 

    ১৯৯৮ সালের ৮ অক্টোবর মাত্র ৫৩ বছর বয়সে মস্তিষ্কে রক্তক্ষরণজনিত কারণে মারা যান এ কিংবদন্তি অভিনেতা জসিম। তার মৃত্যুর পরও চলচ্চিত্রাঙ্গনে স্মৃতি ধরে রাখা হয়েছে। এফডিসির একটি ফ্লোর ‘জসিম ফ্লোর’ নামে পরিচিত। আজ তার জন্মদিন। ১৯৪৫ সালের ১৪ আগস্ট ঢাকার নবাবগঞ্জে জন্মগ্রহণ করেন এ কিংবদন্তি অভিনেতা। 

    শুধু একজন জনপ্রিয় নায়ক হিসেবেই নয়, একজন মুক্তিযোদ্ধাও— ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে ২ নম্বর সেক্টরে মেজর হায়দারের নেতৃত্বে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করে স্বাধীনতা এনেছিলেন তিনি।

    অ্যাকশন তারকা ও নতুন প্রতিভার আবিষ্কারক হিসেবেও স্মরণ করা হয় দুর্ধর্ষ খলঅভিনেতা জসিমকে। তার জীবনের অসংখ্য সাফল্যের গল্পের মধ্যে রিয়াজকে খুঁজে পাওয়ার ঘটনাটি যেন একটু আলাদা। কারণ একজন কিংবদন্তির চোখে সেদিন ধরা পড়েছিল আরেক ভবিষ্যৎ তারকার। আর সেই দেখাই বদলে দিয়েছিল রিয়াজের জীবন। তার আবিষ্কারক রিয়াজ আজও সিনেমাপ্রেমীদের কাছে পরিচিত নাম। আর তাই জসিমের জন্মদিনে তার অভিনয়জীবনের পাশাপাশি ফিরে ফিরে আসে সেই গল্প, যেভাবে রিয়াজকে খুঁজে পেয়েছিলেন নায়ক জসিম। তার হাত ধরেই সিনেমা জগতে এসেছিলেন সময়ের আলোচিত অভিনেতা রিয়াজ। 

    প্রায় দুই দশকের চলচ্চিত্রজীবনে দুই শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন জসিম। তার অভিনীত উল্লেখযোগ্য সিনেমার মধ্যে রয়েছে ‘রংবাজ’, ‘দোস্ত দুশমন’, ‘এক মুঠো ভাত’, ‘প্রতিজ্ঞা’, ‘সবুজ সাথী’, ‘লাইলী মজনু’, ‘জনি’, ‘সারেন্ডার’, ‘লালু মাস্তান’, ‘মাস্তান রাজা’, ‘কালিয়া’, ‘স্বামী কেন আসামি’সহ আরও অনেক সিনেমা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    চলচ্চিত্রে জসিমের পথচলা সত্তরের দশকের শুরুতে। ১৯৭২ সালে ‘দেবর’ সিনেমার মাধ্যমে অভিনয়ে যাত্রা শুরু। পরের বছর ‘রংবাজ’ সিনেমায় অ্যাকশন পরিচালক হিসেবে কাজ করেন তিনি। এরপর দেওয়ান নজরুল পরিচালিত ‘দোস্ত দুশমন’ সিনেমায় খলনায়ক চরিত্রে অভিনয় করে ব্যাপক পরিচিতি পান জসিম। ‘দোস্ত দুশমন’ ছিল ভারতের জনপ্রিয় সিনেমা ‘শোলে’র আদলে নির্মিত। এতে জসিম অভিনয় করেছিলেন গাফফার চরিত্রে। তার অভিনয় এতটাই প্রশংসিত হয়েছিল যে ‘শোলে’র গব্বর সিং চরিত্রে অভিনয় করা আমজাদ খানও জসিমের অভিনয়ের প্রশংসা করেছিলেন বলে নানা প্রতিবেদনে উঠে আসে।

    তবে খলনায়ক হিসেবেই থেমে থাকেননি জসিম। ‘সবুজ সাথী’ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয়ের মধ্য দিয়ে নায়ক হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন তিনি। এরপর একের পর এক অ্যাকশনধর্মী সিনেমায় অভিনয় করে হয়ে ওঠেন দর্শকদের প্রিয় নায়ক। আশির দশকে শাবানা ও রোজিনার সঙ্গে তার জুটি বিশেষ জনপ্রিয়তা পায়। শোষিত-বঞ্চিত মানুষের প্রতিনিধি হিসেবে বিভিন্ন সিনেমায় তার চরিত্র দর্শকদের মনে গভীর দাগ কাটে। ব্যক্তিজীবনেও জসিম ছিলেন আলোচিত। তার প্রথম স্ত্রী ছিলেন অভিনেত্রী সুচরিতা। পরে নাসরিনকে বিয়ে করেন তিনি। তাদের তিন ছেলে রাতুল, রাহুল ও সামি। তিনজনই সংগীতের সঙ্গে যুক্ত।

    এদিকে রিয়াজ তখনো চলচ্চিত্রের মানুষ নন। বিমানবাহিনীতে বিমানচালক হিসেবে প্রশিক্ষণ নেওয়ার পর চাকরি হারিয়ে ঢাকায় চলে আসেন তিনি। তার চাচাতো বোন ছিলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী ববিতা। একদিন ববিতার সঙ্গে এফডিসিতে গিয়েছিলেন রিয়াজ। আর সেখানেই তার দিকে চোখ পড়ে জসিমের। ১৯৯৪ সালের সেই ঘটনা বদলে দেয় রিয়াজের জীবন। সুদর্শন তরুণ রিয়াজকে দেখে তার মনে হয়, তাকে চলচ্চিত্রে নেওয়া যেতে পারে। তিনি রিয়াজকে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন। তখন অভিনয় সম্পর্কে রিয়াজের কোনো অভিজ্ঞতাই ছিল না। জসিমের প্রস্তাবের পাশাপাশি ববিতার উৎসাহও তাকে চলচ্চিত্রে আসার সাহস জোগায়।

    পরের বছরই জসিমের সঙ্গে ‘বাংলার নায়ক’ সিনেমায় অভিনয়ের সুযোগ পান রিয়াজ। মুক্তি পাওয়া সেই সিনেমাটিতে জসিম অভিনয় করেছিলেন ডন চরিত্রে। শাবানা ছিলেন রোকেয়া আর রিয়াজ অভিনয় করেন মুন্না চরিত্রে। সেই সিনেমাটিই হয়ে ওঠে রিয়াজের চলচ্চিত্রে অভিষেক। শুধু অভিনয়ের সুযোগ দিয়েই দায়িত্ব শেষ করেননি জসিম। 

    নবাগত রিয়াজকে অভিনয় ও অ্যাকশনের নানা কৌশলও শেখান তিনি। পরে জসিমকে স্মরণ করে রিয়াজ বলেছিলেন— এফডিসিতে জসিমের শুটিং চলার সময় তিনি ফাইট প্র্যাকটিস করতেন। এমনও হয়েছে, নিজের শুটিং রেখেও জসিম তাকে ফাইট শিখিয়েছেন।

    রিয়াজ আরও বলেন, জসিমের কারণেই তিনি নায়ক রিয়াজ হয়ে উঠতে পেরেছেন। অর্থাৎ জসিমের জীবনে রিয়াজকে আবিষ্কারের ঘটনাটি ছিল শুধু একজন নবাগতকে সুযোগ দেওয়ার বিষয় নয়; পরবর্তী সময়ে সেটি হয়ে ওঠে ঢাকাই চলচ্চিত্রের ইতিহাসের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কার।

    ‘বাংলার নায়ক’র পর অবশ্য নিজের জায়গা তৈরি করতে খুব বেশি সময় অপেক্ষা করতে হয়নি রিয়াজকে। পরে ‘প্রাণের চেয়ে প্রিয়’সহ একের পর এক সফল সিনেমায় অভিনয় করে নব্বইয়ের দশকের অন্যতম জনপ্রিয় নায়ক হয়ে ওঠেন তিনি। কিন্তু তার সেই দীর্ঘ চলচ্চিত্রযাত্রার প্রথম দরজাটি খুলে দিয়েছিলেন জসিমই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ঢালিউডে যেসব অভিনেতার ফেরার পথ কাঁটায় ঘেরা

    ঢাকাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রি ধুঁকে ধুঁকে চলছে-এটা পুরোনো খবর। অনেক বছর ধরেই সিনেমার হাল ধরার মতো যোগ্য কাউকে যেন খুঁজে পাচ্ছে না সংশ্লিষ্টরা। যদিও ইন্ডাস্ট্রিতে সুদর্শন নায়কের অভাব নেই। কিন্তু হালআমলে অনেকে ‘রাজনীতি’ নামক এক ‘লোভনীয় ব্যবসা’র চর্চা করতে গিয়ে নিজের ক্যারিয়ার হুমকির মুখে ফেলেছেন। 

    অভিনয় থেকে বেশি মনোযোগী হয়ে পড়েছেন রাজনীতিতে। কোনো চিত্রনায়ক যখন রাজনীতিতে জড়িয়ে পড়েন বা নির্দিষ্ট কোনো রাজনৈতিক দলের প্রকাশ্য সমর্থক হয়ে যান, তখন তার দর্শক কিন্তু দু’ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েন। ফলে ওই অভিনেতার ক্যারিয়ার পড়ে হুমকির মুখে। 

    এ তালিকায় রয়েছেন অনেকে। যারা স্বৈরাচার শেখ হাসিনার সব অনৈতিক কর্মকাণ্ডকে সমর্থন করে ক্যারিয়ার নিয়ে বিপাকে পড়েছেন। এদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছেন-ফেরদৌস আহমেদ, রিয়াজ, আরিফিন শুভ, জায়েদ খান, চঞ্চল চৌধুরী, জয় চৌধুরীসহ অনেকেই। দেশের পটপরিবর্তনে এখন কাজ পাচ্ছেন না তারা। অনেকেই রয়েছেন আত্মগোপনে বা আড়ালে। তাদের ফেরার পথ কাঁটায় ভরা।

    ‘বুকের ভিতর আগুন’ সিনেমা দিয়ে ১৯৯৭ সালে সিনেমায় আসেন ফেরদৌস আহমেদ। ক্যারিয়ারে অনেক ব্যবসাসফল সিনেমাও উপহার দিয়েছেন তিনি। অভিনয়ের জন্য চারবার জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও অর্জন করেন। এ অভিনেতা দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের হয়ে নির্বাচন করেন। ঢাকা-১০ আসনের নির্বাচিত সংসদ সদস্য তিনি। স্বৈরাচার হাসিনা ও জুলাই-আগস্ট গণহত্যাকে প্রকাশ্য সমর্থন দেওয়ায় ৫ আগস্টের পর থেকেই আত্মগোপনে এ অভিনেতা। স্বভাবতই তার অভিনয় ক্যারিয়ারের চাকা সহসাই সচল হওয়ার সম্ভাবনা নেই।

    রাজনীতির কারণে এখন পলাতক চিত্রনায়ক রিয়াজ। তিনি বেশ কিছু হিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন। পেয়েছেন জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কারও। তবে বেশ কয়েক বছর ধরেই সিনেমায় নিয়মিত নন। চেষ্টা করেও হতে পারেননি। বরং মনোযোগী হয়েছিলেন রাজনীতির মাঠে। আওয়ামী লীগের রাজনীতি করতেন তিনি। দলীয় কোনো পদ-পদবি না থাকলেও হাসিনার সমর্থনে রাজপথে বেশ সরব ছিলেন। 

    শুধু তাই নয়- ছাত্র-আন্দোলন ঠেকাতে বেশ সক্রিয় ভূমিকা ছিল তার। ৫ আগস্টের পর থেকেই তিনি পলাতক। অভিনয় ক্যারিয়ার তো অনেক আগেই শেষ হয়েছে বলা যায়, বাকিটুকু যা ছিল সে পথেও এখন কাঁটা। শিল্পী ইমেজের শেষটুকুও রাজনীতির দাবায় বিলীন।

    নাটক থেকে সিনেমায় এসে বড়পর্দায় প্রতিষ্ঠা পাওয়ার খুব চেষ্টা করছিলেন আরিফিন শুভ। প্রায় দুই ডজন সিনেমা করলেও কোনো অবস্থান তৈরি করতে পারেননি এ নায়ক। সর্বশেষ তিনি ‘মুজিব: একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় শেখ মুজিবের চরিত্রে রূপদান করেন। আওয়ামী ঘনিষ্ঠ শিল্পী হওয়ায় এর জন্য পারিশ্রমিক নেন মাত্র এক টাকা। শেখ হাসিনা তার আস্থাভাজন স্নেহের শুভর প্রতি খুশি হয়ে তাকে পূর্বাচলে দশ কাটা প্লটও দেন। অবশ্য সেই প্লট বাতিল করেছে রাজউক। 

    শুভর ক্যারিয়ার ধ্বংসের সূচনা এখান থেকেই। ৫ আগস্ট হাসিনা দেশ ছেড়ে পালিয়ে গেলেই কাঁটা ছড়িয়ে পড়ে শুভর অভিনয়ের পথে। কাজ পাচ্ছেন না আর। অবশেষে গোপনে চলে যান ভারত। এখন সেখানেই কাজের খোঁজ করছেন। কবে নাগাদ দেশে আসবেন বা আদৌ আসবেন কি না এ ব্যাপারে বেশ সন্দেহ রয়েছে।

    নাটক ও সিনেমা মিলিয়ে বেশ ভালোই দিন কাটছিল অভিনেতা চঞ্চল চৌধুরীর। ঢাকা-কলকাতা, দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই জমিয়ে কাজ করছিলেন। তার দুর্বলতা একটাই, শেখ হাসিনা। এ স্বৈরাচার শাসকের প্রেমে এতটাই মত্ত ছিলেন চঞ্চল, দেখা হলেই তার পদধূলি মাথায় নিতেন। আবেগে, আয়েশে হাসিনাকে গান শুনিয়ে নিতেন বাহবা। তাই শেখ হাসিনার পতনের পর চঞ্চলের ক্যারিয়ারেরও পতন শুরু হয়েছে। চলার পথে ছড়িয়ে পড়েছে কাঁটা। সেগুলো কীভাবে সরাবেন, কিংবা সরিয়ে কাজে নিয়মিত হতে পারবেন কী তা সময়ই বলে দেবে।

    ঢাকাই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে জায়েদ খানই একমাত্র নায়ক, যার কোনো হিট সিনেমা না থাকলেও সবসময়ই তুমুল আলোচনায় থাকতেন। আর সেটা সোশ্যাল মিডিয়ার কল্যাণে। গত দুই বছরে সমালোচিত কর্মকাণ্ডে সোশ্যাল মিডিয়ায় বেশ চর্চায় ছিলেন তিনি। ২০০৬ সালে ক্যারিয়ার শুরু করা এ অভিনেতার সর্বশেষ সিনেমা ‘সোনার চর’ও প্রেক্ষাগৃহে মুখ থুবড়ে পড়েছিল। অবশ্য অভিনয় নিয়ে এ নায়কের নিজেরও তেমন মাথাব্যথা নেই। তিনি ব্যস্ত ছিলেন সিনেমার রাজনীতি নিয়ে। শিল্পী সমিতির দুবারের নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। 

    এ ছাড়াও আওয়ামী রাজনীতি সমর্থন করতেন। রাজনৈতিক নেতাদের সঙ্গে সখ্য ছিল বেশ। বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মুজিব কোট পরে অংশ নিতেও দেখা যায় তাকে। ৫ আগস্টের পর তার বিরুদ্ধে হয়েছে মামলা। তাই ক্যারিয়ারে তার আর ঘুরে দাঁড়ানোর সম্ভাবনা নেই বললেই চলে। বর্তমানে আমেরিকায় অবস্থান করছেন তিনি।

    ক্যারিয়ারে ফ্লপ নায়কের তকমা পাওয়া অভিনেতা হচ্ছেন জয় চৌধুরী। ২০১২ সালে ‘এক জবান’ সিনেমা দিয়ে অভিষেক হয়। ক্যারিয়ারে নয়টি সিনেমা করলেও সবগুলোই ফ্লপ। সবশেষ মুক্তি পায় তার অভিনীত ‘প্রেম প্রীতির বন্ধন’ নামে একটি সিনেমা। এটিতে তার বিপরীতে ছিলেন অপু বিশ্বাস। সিনেমাটি ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি বেশ সমালোচিতও হয়। অভিনয় নিয়ে তেমন সুবিধা করতে না পারলেও তিনি বনে যান শিল্পীদের নেতা। 

    বর্তমান চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাংগঠনিক সম্পাদকের দায়িত্বে রয়েছেন। সক্রিয়ভাবে কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জড়িত না থাকলেও তিনি নিজেকে আওয়ামী লীগের একজন সমর্থক বলেই দাবি করতেন। আওয়ামী শাসনামলে দলীয় বিভিন্ন অনুষ্ঠানে মুজিব কোট পরে অংশ নিতেও দেখা গেছে তাকে। এদিকে সরকার পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে ভোল পালটে ফেলেন জয়। এখন নিজেকে বিএনপির সমর্থক বলে দাবি করছেন। 

    সম্প্রতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে নিয়ে একটি ফেসবুক পোস্ট করেও নেটিজেনদের রোষানলে পড়েন এ নায়ক। রাজনীতির ভোলবদলে এ অভিনেতার ক্যারিয়ারে এখন কাঁটা বিছানো। চলার পথ খুবই সংকীর্ণ।

    ঢাকাই সিনেমায় আরও এক নায়ক সাইমন সাদিক প্রায় এক যুগ কাজ করছেন। তিনিও আওয়ামীঘনিষ্ঠ অভিনেতা। গত এক দশক ধরে সেটাই দেখা গেছে। কিছু ভালো সিনেমা উপহার দিলেও বর্তমানে আওয়ামী রাজনীতির সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকায় সাইমনের পথচলাও বলা যায় থমকে গেছে। দেশের পটপরিবর্তনে এখন পাচ্ছেন না কাজ।

    এ ছাড়াও নাটক-সিনেমার এমন অনেকেই আছেন যারা শিল্পী হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হলেও, বর্তমানে রাজনীতির কারণে দর্শকপ্রিয়তা হারিয়েছেন। ক্যারিয়ার নিয়ে বিপাকে রয়েছেন। আওয়ামীঘনিষ্ঠ অনেক শিল্পী এখন পলাতক। অনেকেই নেটিজেনদের রোষানলে পড়ে হচ্ছেন হেনস্তার শিকার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রিয়াজকে তুলোধুনো করলেন ফারুকী

    ‘আলো আসবেই’ নামক শোবিজ অঙ্গনে আওয়ামী লীগপন্থি শিল্পীদের তৈরি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপ নিয়ে আলোচনা-সমালোচনার ঝড় বইছে। 

    rnrn

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনকে ‘রাজাকারদের আন্দোলন’ মন্তব্য করে তা প্রতিহতের ডাক দেন চিত্রনায়ক রিয়াজ। প্রোফাইল লাল করা ফেসবুক ব্যবহারকারী ও আন্দোলনকারী ছাত্র-জনতার গায়ে গরম পানি ঢেলে দেখে নেওয়ার হুমকি চিত্রনায়িকা অরুণা বিশ্বাসের। 

    rnrn

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন নিয়ে আওয়ামীপন্থি শিল্পীদের এমন মন্তব্যে ক্ষুব্ধ মনোভাব ব্যক্ত করে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন সংস্কৃতি অঙ্গনের বিশিষ্ট শিল্পী-কলাকুশলীরা। আওয়ামী কুশীলবদের রাজাকার উল্লেখ করে তারা বলেন, নিশ্চয়ই এদের বিচার হবে গণহত্যায় সমর্থক এবং উসকানিদাতা হিসাবে। 

    rnrn

    গত ৫ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখে প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগ করে ভারতে পালিয়ে যান শেখ হাসিনা। তার আগে ছাত্র-জনতার সঙ্গে সংহতি জানিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন শোবিজের একদল তারকাশিল্পী। তাদের নেতৃত্ব দেন চিত্রনায়ক রিয়াজ। আলো আসবেই-হোয়াটসঅ্যাপ গ্র“পে ৩ আগস্ট সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় রিয়াজ লেখেন, বিএনপি-জামায়াত আর রাজাকার পুত্ররা আহ্বান জানাচ্ছে, দেশ বাঁচাতে এগিয়ে আসতে। কোন দেশ সেটা আর বুঝতে বাকি নেই। তাদের বাবারাও ’৭১ সালে দেশ বাঁচানোর ডাক দিয়েছিল। তবে সেটা বাংলাদেশ না, পাকিস্তান। আজ ’৭১ মুছে ফেলার চেষ্টা হচ্ছে ২৪ দিয়ে। আগস্ট মুছে ফেলার চেষ্টা হচ্ছে জুলাই দিয়ে, গুজব ছড়িয়ে রায়েরবাজার বধ্যভূমিকে ’৭১-এর বদলে ২৪ এর বধ্যভূমি বানানোর চেষ্টা চলছে। 

    rnrn

    গ্রুপে অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস শিক্ষার্থীদের গায়ে গরম পানি ঢেলে দিতে বলেছেন। আন্দোলনের পক্ষে যারা প্রোফাইল লাল করেছিলেন তাদের চিনে রাখা এবং পরবর্তী সময়ে ‘সাইজ করার’ হুমকিও দিয়েছেন। 

    rnrn

    নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে ‘হারামজাদা’, বিভিন্ন ব্যক্তিকে ‘রাজাকার’ তকমা দেওয়া, আবার শিল্পীদের স্ট্যাটাস-কর্মকাণ্ড তুলে ধরে তাদের চিহ্নিত করে রাখতে বলেছেন এই অভিনেত্রী। এর মধ্যে ছাত্রদের পক্ষ নেওয়ায় একজন সংগীতশিল্পীকে উদ্দেশ করে অরুণা বিশ্বাসের একটি মেসেজ ছিল, ‘বয়স যদি কম থাকত, পিটাইতে পিটাইতে বাবা ডাক শিখাইতাম।’

    rnrn

    ‘আলো আসবেই’ নামের সেই গ্রুপে অভিনেত্রী জোতিকা জ্যোতি নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে অশ্লীল ভাষায় আক্রমণ করেন। গ্রুপে নানা বিষয়ে মন্তব্য করে সরব ছিলেন ঊর্মিলা শ্রাবন্তী কর, রোকেয়া প্রাচী, সোহানা সাবা। শিল্পীদের মাঠে নামানোর কার্যক্রমে সরব ছিলেন সাজু খাদেম-ফেরদৌস-তানভীন সুইটি ও শামিমা তুষ্টি। 

    rnrn

    ঢাকা-১০ আসনের সাবেক এমপি ও চিত্রনায়ক ফেরদৌসের নেতৃত্বে আগস্টের শুরুতেই রাজপথে নেমে আসেন আওয়ামীপন্থি ওই শিল্পীরা। গ্রুপে সক্রিয় ছিলেন সুবর্ণা মুস্তাফা-বদরুল আনাম সৌদ। গ্রুপের স্ক্রিনশটগুলো ফাঁস হতেই অনেক তারকাই গা-ঢাকা দিয়েছেন। কেউ বা এরই মধ্যে দেশ ছেড়ে চলে গেছেন। অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস আগস্টের শেষের দিকে কানাডা চলে গেছেন। সরকার পতনের পর একপ্রকার ‘নিখোঁজ’ চিত্রনায়ক ফেরদৌস ও রিয়াজ। তাদের সঙ্গে চেষ্টা করেও যোগাযোগ করা যাচ্ছে না। নিজেদের ফোনও বন্ধ রেখেছেন তারা। 

    rnrn

    অভিনেতা মিলন ভট্টাচার্য দাবি করেছেন, দেশের সামগ্রিক পরিস্থিতির প্রভাবের কারণে ওই গ্রুপে কী বলেছেন নিজেও বুঝতে পারছেন না। সেই গ্রুপে নিজের মন্তব্যের জন্য ক্ষমা চেয়ে এই অভিনেতা বলেন, দুঃখিত, সে সময়ে দেশের অস্থির পরিস্থিতির জন্য। কী যে কথা বলেছি, সত্যিই বলছি ‘মাথা ঠিক ছিল না’।

    rnrn

    এদিকে ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের শিল্পীদের এ যুগের রাজাকার মন্তব্য করে বুধবার এক ফেসবুক স্ট্যাটাস দিয়েছেন মোস্তফা সরয়ার ফারুকী। সেখানে তিনি বলেন, ‘এটা নিশ্চয়ই বেদনার যে আমাদের দেশে শিল্পীর সাইনবোর্ড নিয়ে এমন লোকজন ঘুরে বেড়াত যারা গণহত্যায় প্রত্যক্ষ উসকানিদাতা অথবা কেউ কেউ নীরব সমর্থক ছিল। এরা শুধু শিল্পী হিসাবে না, মানুষ হিসাবেও নীচু প্রকৃতির। তিনি বলেন, একাত্তরে জন্ম নিলে এরা রাজাকারের দায়িত্ব পালন করত। ফলে এদের এ যুগের রাজাকার বলতে পারেন। নিশ্চয়ই এদের বিচার হবে গণহত্যায় সমর্থন এবং উসকানি দেওয়ার অপরাধে। 

    rnrn

    আন্দোলনকারীদের উদ্দেশে অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাসের ‘গরম জল দিলেই হবে’ কথায় ঘৃণা উগড়ে দিয়েছেন চিত্রনায়িকা পরীমনি। নিজের ফেসবুক পেজে পরীমনি লিখেছেন, ‘অমানুষ! হিংস্র! লোভী! এত হিংসা নিয়ে কখনই শিল্পী পরিচয় বহন করতে পারেন না আপনি। ধিক আপনাকে। থু…।’
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছাত্র আন্দোলন নিয়ে ফেরদৌস-আরাফাত-রিয়াজের গোপন কথোপকথন ফাঁস

    বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষে-বিপক্ষে শোবিজের দুই দলই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম থেকে শুরু করে রাজপথে সরব ছিলেন। এদের মধ্যে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের বিপক্ষে  নেতৃত্বে ছিলেন ঢাকা-১০ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ও চিত্রনায়ক ফেরদৌস আহমেদ, সাবেক তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ এ আরাফাত ও চিত্রনায়ক রিয়াজ। 

    rnrn

    আন্দোলনের শুরু থেকেই এই দলটি শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে দাঁড়িয়ে আওয়াজ তুলতে সক্রিয় ছিলেন। যে পরিকল্পনা থেকে ‘আলো আসবেই’ নামক একটি হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপে সরব ছিলেন তারা। 

    rnrn

    সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ‘আলো আসবেই’ নামক সেই হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপের কিছু স্ক্রিনশট ফাঁস হয়েছে। যেখানে দেখা গেছে, আন্দোলন চলাকালীন ছাত্রদের নিয়ে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা বলছেন শোবিজেরই কয়েকজন। 

    rnrn

    ভাইরাল হওয়া স্ক্রিনশটে দেখা যাচ্ছে, ওই গ্রুপে অভিনেত্রী অরুণা বিশ্বাস, সোহানা সাবাকে যাদের অবস্থান ছিল গেল জুলাইয়ে ঘটা ছাত্রদের আন্দোলনের বিপক্ষে তারা সেখানে যেভাবেই হোক আন্দোলন থামাতে হবে এমন মতামত দিচ্ছেন। 

    rnrn

    এর মধ্যে একজনকে আন্দোলনে ছাত্রদের ওপর গরম পানি ঢেলে দেওয়ার মতো ভয়ংকর কথা বলতেও শোনা যায়। 

    rnrn

    ওই গ্রুপের বাকি সদস্যদের মধ্য অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি, তানভীন সুইটি, সোহানা সাবা, অরুণা বিশ্বাস, অভিনেতা সাজু খাদেমসহ আরও অনেকেই ছিলেন। 

    rnrn

    বিষয়টি ইতোমধ্যে সামাজিক মাধ্যমে ঝড় উঠেছে। এই গ্রুপে নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীকে নিয়েও কথা হয়। ফলে ফারুকী বিষয়টি স্বাভাবিকভাবে নেননি। এটিকে মানবতাবিরোধী আখ্যা দিয়ে তিনি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সামাজিক মাধ্যমে এর বিচার চেয়েছেন।

    rnrn

    নির্মাতা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী ওই গ্রুপের বেশ কিছু কথোপকথনের স্ক্রিনশট নিজের ফেসবুক প্রোফাইলে শেয়ার করেছেন। একইসঙ্গে আন্দোলনকে ঘিরে কারা মানবতার বিপক্ষ শক্তি ছিল, সেই প্রশ্ন তুলেছেন। 
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘রিয়াজ এখন নিপুণের চামচা হয়ে গেছে, এটা খুব কষ্টের’

    দরজায় কড়া নাড়ছে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির নির্বাচন। আগামী ১৯ এপ্রিল নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও তা পেছানো হয়েছে। ২৭ এপ্রিল এফডিসিতে অনুষ্ঠিত হবে ২০২৪-২৬ মেয়াদের শিল্পী সমিতির নির্বাচন। ইতোমধ্যে নতুন-পুরনো অনেক তারকাই নির্বাচনের প্রস্তুতি সেরে ফেলেছেন।

    rnrn

    এবার নায়িকা নিপুণের প্যানেল থেকে সরে দাঁড়িয়েছেন নানা শাহ। তিনি মিশা-ডিপজল প্যানেলে যোগ দিয়েছেন। তার ভাষ্য— নিপুণ কথা রাখেননি। নিপুণের প্যানেলে গিয়ে ভুল করেছিলেন। এবার নিপুণের পাশাপাশি নায়ক রিয়াজকেও কটাক্ষ করে মন্তব্য করলেন নানা শাহ।

    rnrn

    এই অভিনেতা বলেন, আমার কোনো চাওয়া-পাওয়া নেই। আমি যুদ্ধের সময় দৌড়িয়েছি, তাদের খাবার দিয়েছি। গুলি কাঁধে নিয়ে দৌড়িয়েছি। এগুলো বলে আমার লাভটা কি? আমি আজ এ কারণে বলছি যে, আমাকে আড়াইশ-তিনশ লোকের ভয় দেখিয়ে লাভ নেই। কারণ আমি যুদ্ধ করা একটা মানুষ।

    rnrn

    নায়ক রিয়াজকে উদ্দেশ্য করে নানা শাহ বলেন, রিয়াজকে আমি খুব পছন্দ করি। আমার মনে হয় ও ব্যক্তিত্বহীন একটা ছেলে। নিপুণের পিছে পিছে যখন হাঁটে, তখন আমার মনে হয় সে ব্যক্তিত্বহীন। আর হিরো হিসেবে এখন তাকে চিন্তাই করি না। কারণ হিরো হতে হয় দুই জায়গায়— বাস্তবেও তাকে হিরো হতে হয়। স্ক্রিনে যে হিরো বাস্তবেও সে হিরো। না হলে তাকে হিরো মানায় না। সে এখন নিপুণের চামচা হয়ে গেছে— এটা খুব কষ্টদায়ক! আমি রিয়াজ-ফেরদৌস একসঙ্গে ফিল্মে ঢুকেছি। আমার কল্পনায় আসে না রিয়াজ নিপুণের পিছে পিছে হাঁটবে! রিয়াজের পেছনে নিপুণ হাঁটবে— এটা আমি চাই। ইনশাআল্লাহ এটা হবে। রিয়াজ বুঝতে পারবে।

    rnrn

    এদিকে সম্প্রতি চাউর হয়েছে শিল্পী সমিতির ২০২৪-২৬ মেয়াদের নির্বাচন হবে না। তবে নানা শাহ বলেন, কেউ নির্বাচন বানচাল করতে পারবে না, তা হতে দেওয়া যাবে না। 

    rnrn

    তিনি বলেন, আমি শুনছি নির্বাচন বন্ধ করে দেবে। এসব ফালতু কথা বলে কোনো লাভ নেই। নির্বাচন হবেই। আমরা সব শিল্পী মিলে নির্বাচন করব। কেউ যদি বাধা দেয়, নির্বাচন বানচাল করতে চায় আমরা তাকে বাধা দেব। কিন্তু শিল্পী সমিতির নির্বাচন বন্ধ করতে পারবে না।

    rnrn

    এবারের নির্বাচনে মিশা সওদাগর (সভাপতি পদপ্রার্থী) ও মনোয়ার হোসেন ডিপজল (সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী) থাকবেন এক প্যানেলে। অন্যদিকে মাহমুদ কলি (সভাপতি পদপ্রার্থী) ও নিপুণ আক্তার (সাধারণ সম্পাদক পদপ্রার্থী) থাকবেন আরেক প্যানেলে।

    বিনোদন প্রতিবেদন

  • যে কারণে মনোনয়ন ফরম বিক্রির দিনে আ.লীগ অফিসে রিয়াজ

    দ্বাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনে দলীয় মনোনয়ন ফরম বিক্রিকে কেন্দ্র করে সরগরম হয়ে উঠেছে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কার্যালয়। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টা থেকে গুলিস্তানের বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে কেন্দ্রীয় কার্যালয় থেকে দলীয় মনোনয়ন ফরম কিনতে হুমড়ি খেয়ে পড়েন প্রার্থীরা।

    চিত্রজগতের অপু বিশ্বাস, সোহানা সাবা, নিপুণ আক্তারসহ অনেকেই মনোনয়নপত্র তুলেছেন। এদিন বঙ্গবন্ধু এভিনিউতে চিত্রনায়ক রিয়াজকেও দেখা গেছে।

    চিত্রনায়িকা নিপুণের তোলা মনোনয়নপত্রের সঙ্গে হাসিমুখে ক্যামেরায় ধরা দিয়েছেন রিয়াজ। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, রিয়াজকে নিয়ে বঙ্গবন্ধু এভিনিউয়ে গিয়েছিলেন নিপুণ। তাকে পাশে রেখেই মনোনয়নপত্র তুলেছেন নিপুণ। এ সময় তাদের সঙ্গে আরও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা ছিলেন।

    ২০২২ সালে শিল্পী সমিতির নির্বাচনে ইলিয়াস কাঞ্চন-নিপুণ পরিষদ থেকে সহ-সভাপতি পদে নির্বাচন করেছিলেন রিয়াজ। সেই নির্বাচনে হারলেও পরে কার্যনির্বাহী পরিষদের সদস্য হিসেবে শিল্পী সমিতিতে যুক্ত হন রিয়াজ।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রথমবার উপস্থাপনায় একসঙ্গে রিয়াজ ও তুষ্টি

    প্রথমবার একসঙ্গে উপস্থাপনা করেছেন চিত্রনায়ক রিয়াজ ও অভিনেত্রী শামীমা তুষ্টি। বাংলাদেশ টেলিভিশনের চট্টগ্রাম কেন্দ্রের  জন্য নির্মিত ঈদ বিশেষ ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান ‘তারার মেলা’য় তাদের একসঙ্গে মাইক্রোফোন হাতে দেখা যাবে।

    rnrn

    এরইমধ্যে চট্টগ্রাম কেন্দ্রে অনুষ্ঠানটির রেকর্ডিং সম্পন্ন হয়েছে। জানা গেছে, এ অনুষ্ঠানের বিভিন্ন পর্বে অংশগ্রহণ করেছেন সংগীতশিল্পী আঁখি আলমগীর, ইমরান, কোনাল, অভিনয়শিল্পী নিপুণ, শখসহ অনেকে। 

    rnrn

    এটি উপস্থাপনা প্রসঙ্গে তুষ্টি বলেন, ‘রিয়াজ ভাই নিঃসন্দেহে একজন নন্দিত নায়ক, অভিনেতা। তার সঙ্গে উপস্থাপনা করে ভীষণ ভালো লেগেছে। ধনবাদ নূর আনোয়ার রঞ্জু ভাইকে আমাদের এত চমৎকার একটি অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করার সুযোগ করে দেওয়ার জন্য।’ 

    rnrn

    সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে নিজের বক্তব্যে চিত্রনায়ক রিয়াজ দাবি করেছেন, অশ্লীলতা এ সময়ে নাটকে এসে ঝেঁকে বসেছে। বিশেষ করে ওটিটি প্লাটফরমগুলো বেশিরভাগ কনটেন্ট অশ্লীলতায় ভরপুর। 

    rnrn

    সিনেমার মতো এখন জরুরি হয়ে পড়েছে ওয়েব কনটেন্টের দিকেও সরকারের নজর দেওয়ার। তার মতে, স্বাধীন নির্মাণের নামে যাচ্ছেতাই কনটেন্ট বানানো হচ্ছে। 

    rnrn

    রিয়াজ বলেন, নাটক-ওটিটি কনটেন্টে অশ্লীলতা বাড়ছে। তিনি বলেন, ‘একসময় অশ্লীলতা আমাদের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রিকে গ্রাস করেছিল। সেই সময় এফডিসিতে সন্ধ্যার পর যেতে ভয় লাগত। সেই ভয়টা এখন ফিরে এসেছে। এখন নাটকেও অশ্লীলতা ঢুকে গেছে। এই কনটেন্টগুলো বেশিরভাগই বানাচ্ছেন নাটকের পরিচালকরা। তারা চাইলে টিভি নাটকে অশ্লীলতা পরিপূর্ণভাবে থামাতে পারেন, যাকে আমরা ক্যাপ্টেন অব দ্য শিপ বলি।’

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • যে কারণে সন্ধ্যার পর এফডিসিতে যেতে ভয় লাগে রিয়াজের?

    সন্ধ্যার পর নাকি এফডিসিতে গেলে ভয় লাগে নায়ক রিয়াজের। তিনি বলেন, ‘সন্ধ্যার পর এফডিসি গেলে ভয় লাগে। এর পেছনে অশ্লীলতা দায়ী। এখন নাটকেও ঢুকে গেছে সেই অশ্লীলতা।’

    rnrn

    তিনি বলেন, একটা সময় পরিবারের সবাই মিলে নাটক দেখতাম। কিন্তু এখন সেটি আর হয় না। এর কারণ হিসেবে নাটকের অশ্লীলতাকে দায়ী করেছেন তিনি। 

    rnrn

    তার মতে, বাংলা নাটক ঐতিহ্য হারাতে বসেছে। বর্তমানে নাটকে যেভাবে কাপড় খোলা হয়, তাতে কিছু দিন পর চামড়া খোলা ছাড়া আর কিছু বাকি থাকবে না। 

    rnrn

    গত শনিবার বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে অনুষ্ঠিত ‘নাটকে অশ্লীলতার আগ্রাসন ও আমাদের করণীয়’ শীর্ষক এক মুক্ত আলোচনাসভায় এসব কথা বলেন রিয়াজ।

    rnrn

    আলোচনায় টিভি ও ডিজিটাল মাধ্যমে নাটকে অশ্লীলতার আগ্রাসনের বিরুদ্ধে সবাইকে সরব হওয়ার আহ্বানও জানান রিয়াজ। এ সময় সরকারি হস্তক্ষেপও কামনা করেছেন তিনি। 

    rnrn

    এ ছাড়া নাটকের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয় সেখানে। তাতে যোগ দিয়েছিল ছোটপর্দার প্রযোজকদের সংগঠন টেলিপ্যাব, অভিনয়শিল্পী সংঘ, টেলিভিশন নাট্যকার সংঘ ও ক্যামেরাম্যান অ্যাসোসিয়েশন। ছিলেন কয়েকজন তারকা শিল্পীও।

    বিনোদন প্রতিবেদন

  • প্রতারণার অভিযোগ নিয়ে যা বললেন রিয়াজ

    দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা রিয়াজের নামে এবার লিখিত অভিযোগ এনেছেন নির্মাতা হারুনুর রশীদ কাজল। শনিবার দুপুরে বাংলাদেশ চলচ্চিত্র পরিচালক, প্রযোজক ও পরিবেশক সমিতির কাছে অভিনেতার নামে প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতার অভিযোগ করেন তিনি।   

    rnrn

    এ অভিযোগের ব্যাপারে রিয়াজ মুখ খুলেছেন। তিনি বলেন, ‘আমার কাছে অভিযোগের বিষয়ে একটি তথ্য এসেছে। আমি অভিযোগের কথা শুনেছি। কিন্তু নির্মাতা হারুনুর রশীদ কাজল আমার নাম কেন জড়ালেন সেটা আমি বুঝতে পারছি না। এখানে কোম্পানির সঙ্গে কোম্পানির চুক্তি হয়েছে। আমার সঙ্গে আর্টিস্ট হিসেবে কোম্পানির চুক্তি হয়েছে। এখানে আমি তো কোনো ভুল করিনি। কোম্পানি যদি তার সঙ্গে কোনো চুক্তি বাতিল করেন সেটাতো আমার বিষয় নয়। আমি এখানে কীভাবে এলাম এটা বুঝতে পারছি না।

    rnrn

    আমি শিল্পী। তিনি যদি আমাকে কাজের প্রস্তাব দেন সেটি আমার পছন্দ হলে আমি কাজ করব। আমার কোনো সমস্যা নেই।’

    rnrn

    এদিকে দুই পৃষ্ঠার লিখিত পত্রে অভিযোগকারী হারুনুর রশীদ কাজল নায়ক রিয়াজের বিরুদ্ধে বেশ কিছু অভিযোগ আনেন। তার দাবি অনুযায়ী তিনি অ্যাডপ্লাস বিজ্ঞাপন সংস্থার প্রতিষ্ঠাতা। তার প্রতিষ্ঠান থেকে ‘রংপুর কেমিক্যাল লি.’ থেকে বিজ্ঞাপন নির্মাণের কাজ নেওয়া হয়। সেখানে চিত্রনায়ক রিয়াজকে শুধুমাত্র অভিনয়ের জন্য চুক্তিবদ্ধ করা হয়। কিন্তু রিয়াজ এই নির্মাতার বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অপপ্রচার চালিয়ে বিজ্ঞাপন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তাদের খেপিয়ে তুলে তার নিজের দখলে নিয়ে নেন। যার ফলে রংপুর কেমিক্যাল লি. প্রতিষ্ঠানের থেকে অ্যাডপ্লাস বিজ্ঞাপন সংস্থার চুক্তি বাতিল হয়ে যায়।

    অনলাইন ডেস্ক