Tag: রাফিয়াত রশিদ মিথিলা

  • তাহসানের ভক্তদের জন্য আরেক সুখবর

    ঢালিউড অভিনেতা-গায়ক তাহসান খান ও অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ২০১৭ সালে হঠাৎ ভক্তদের চমকে দিয়ে নিজেদের বিচ্ছেদের ঘোষণা দিয়েছেন। বিয়ের প্রায় ১১ বছর পর তাদের সংসারে ভাঙনের খবর অবাক করে দিয়েছে সবাইকে। গায়ক তাহসানের সঙ্গে বিচ্ছেদের দুই বছরের মাথায় টালিউড পরিচালক সৃজিত মুখার্জির গলায় মালা দেন অভিনেত্রী। এরপর মেয়ে আইরাকে সঙ্গে নিয়ে কলকাতায় শ্বশুরবাড়িতে থিতু হন মিথিলা। 

    শনিবার দ্বিতীয়বারের মতো বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হলেন তাহসান খান। জনপ্রিয় মেকওভার আর্টিস্ট রোজা আহমেদের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন তিনি। বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন তাহসান নিজেই।

    এই সংগীতশিল্পীর বিয়ের খবর এখন টপ অব দ্য কান্ট্রিতে পরিণত হয়েছে। এমন সময়ে তাহসান ভক্তদের জন্য আসল আরও এক সুখবর। এক নতুন গান নিয়ে হাজির হচ্ছেন তাহসান। শুধু তাই নয়, গানটির প্রকাশনা অনুষ্ঠানে এটি তৈরির গল্পও শোনাবেন এই শিল্পী।

    তাহসানের সেই নতুন গানের নাম ‘একা ঘর আমার’ বা ‘লোনলি হোম’। স্যাড-রোম্যান্টিক গানটির কথা ও সুরও এই গায়কের নিজের। এতে তার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন সিঁথি সাহা। গানটির একটি মিউজিক ভিডিও নির্মাণ করা হয়েছে বলে জানা গেছে। গানটি নির্মাণ করেছেন চন্দন রায় চৌধুরী। আর সেখানে অভিনয় করেছেন গানের শিল্পীরাই; নির্মাণ করা হয়েছে অনুপম রেকর্ডিং মিডিয়ার প্রযোজনায়। 

    আগামীকাল সোমবার (৬ জানুয়ারি) অনুপম মিউজিক নামের ইউটিউব চ্যানেলে প্রকাশ হবে বলে জানা গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নতুন বছরে ভিন্ন কিছু করার চেষ্টা করব: মিথিলা

    ঢাকা ও কলকাতা-দুই ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতেই কাজ করেন রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। সিনেমা, নাটকের পাশাপাশি ওটিটিতে তাকে দেখা যায়। সম্প্রতি জানা গেছে তার অভিনীত একটি সিনেমা উৎসবে অংশ নিচ্ছে। বর্তমান ব্যস্ততা ও অন্যান্য বিষয় নিয়ে কথা যুগান্তরের সঙ্গে কথা বলেছেন এ অভিনেত্রী।

    যুগান্তর: আপনার অভিনীত ‘কাজলরেখা’ সিনেমা একটি চলচ্চিত্র উৎসবে আমন্ত্রণ পেয়েছে। কেমন লাগছে?

    মিথিলা: সিনেমাটি নেদারল্যান্ডসের রটারডাম আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে অংশ নিচ্ছে। এমন একটি উৎসবে আমার অভিনীত সিনেমা আমন্ত্রণ পেয়েছে, সেজন্য ভীষণ আনন্দিত ও সম্মানিত বোধ করছি। এটি পরিচালনা করেছেন গিয়াস উদ্দিন সেলিম।

    যুগান্তর: উৎসবে আপনি উপস্থিত থাকবেন?

    মিথিলা: যাওয়ার ইচ্ছা আছে। প্রথমবার কোনো উৎসবে আমার অভিনীত সিনেমার প্রদর্শনী হবে। সুযোগ হলে অবশ্যই উপস্থিত থেকে সিনেমাটি দেখব।

    যুগান্তর: দীর্ঘদিন ধরেই পর্দায় আপনি অনুপস্থিত, কারণ কী?

    মিথিলা: এটা সত্যি অনেকদিন ধরেই কাজ করা হচ্ছে না। এর বিশেষ কোনো কারণ নেই। মাত্র কয়েক মাস হলো আমাদের দেশ একটা বড় পরিবর্তনের মধ্য দিয়ে গেল। এসব কারণে সব সেক্টরেই কাজের গতি কমেছে। এখন সব কিছুই স্বাভাবিক হচ্ছে । হাতে অনেক কাজের প্রস্তাব আছে। এদিকে গত বছরে আমার একটি ওয়েব সিরিজ মুক্তি পায় ‘মাইশেলফ অ্যালেন স্বপন’ নামে। এটির দ্বিতীয় কিস্তিও নির্মিত হবে। কিন্তু চলতি বছরে কোনো কাজেই আর যুক্ত হব না। চাকরি সূত্রে আমাকে ডিসেম্বরের পুরোটা সময় দেশের বাইরে থাকতে হবে।

    যুগান্তর: কলকাতার নতুন কোনো কাজে যুক্ত হয়েছেন?

    মিথিলা: না। তবে কলকাতায় আমার অভিনীত দুটি সিনেমা মুক্তির অপেক্ষায় আছে। এ ছাড়াও বেশ লম্বা সময় কলকাতা যাওয়া হয় না। সর্বশেষ গত ঈদে গিয়েছিলাম। সরাসরি উপস্থিত না থেকে কোনো কাজ ফাইনাল করা ঠিক নয়। তাই সেখানের নতুন কোনো কাজেও যুক্ত হচ্ছি না।

    যুগান্তর: আপনার অভিনীত সর্বশেষ কাজগুলোতে ভিন্ন এক মিথিলাকে দেখা গেছে। হঠাৎ করেই চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে ঝুঁকি নেওয়ার কারণ কী?

    মিথিলা: এটা সত্যি আমার শেষ কিছু কাজের প্রত্যেকটি চরিত্রে মনস্তাত্বিক দ্বন্দ্ব ফুটে ওঠে পর্দায়। অন্য শিল্পীদের মতো আমিও চাই নানামাত্রিক চরিত্রে নিজেকে উপস্থাপন করতে। তাই চ্যালেঞ্জিং চরিত্রগুলো বেছে নেওয়া। এমন চরিত্র এখন করতে চাই, যেগুলো আমাকে নতুন কিছু করার চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেবে।

    যুগান্তর: সর্বশেষ চার বছর আগে টিভি নাটকে আপনাকে দেখা গেছে। নাটককে কি বিদায় জানিয়েছেন?

    মিথিলা: নাটকের প্রস্তাব অনেক আসে, কিন্তু যে চরিত্র বা গল্পে প্রস্তাব পাই তা আমি আগেই করে ফেলেছি। তাই আর আগ্রহ পাই না কাজ করতে। এসব কাজ যদি এখন আবার করি দর্শক কতটা পছন্দ করবে সেটা নিয়ে সন্দেহ থেকে যায়। তবে টিভি নাটককে বিদায় জানিয়েছি, বিষয়টি এমন নয়। ভালো গল্প ও চরিত্র পেলে অবশ্যই আবার করব।

    যুগান্তর: নতুন বছরে আপনার প্রত্যাশা ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

    মিথিলা: নতুন বছরে বেশকিছু কাজ হবে। নতুন পরিকল্পনা যোগ হবে। তাই প্রত্যাশা অনেক। এছাড়া আমি একজন পেশাদার উন্নয়নকর্মী। দীর্ঘদিন ধরেই বাচ্চাদের উন্নয়ন নিয়ে ব্র্যাকের সঙ্গে কাজ করছি। সেই কাজটি বরাবরই নিষ্ঠার সঙ্গে করছি, ভবিষতেও সেটাই করতে চাই। এদিকে অভিনয়ের ক্ষেত্রেও নতুন কিছু করার চেষ্টা থাকবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুই বাংলার শিল্পীদের দাম্পত্য টেকে না কেন, প্রশ্ন তসলিমার

    ভারত ও বাংলাদেশ প্রতিবেশী রাষ্ট্র। এই দুই দেশের মধ্যে শিল্প-সংস্কৃতির আদান-প্রদান হাজার বছরের। একটা সময় ছিল যখন দুটো দেশের মধ্যে ছিল না কোনো সীমানা প্রাচীর। একটাই ছিল মানচিত্র। তবে এখন মাঝখানে নাক উঁচিয়ে রয়েছে পাহারার কাঁটাতার। কিন্তু সেই কাঁটাতারের দরজা খুলে বারবার হৃদয়ের ডাকে দুই বাংলার তারকারা সাড়া দিলেও সেটা তেমন একটা সুখকর ছিল না। 

    কবীর সুমন-সাবিনা ইয়াসমিন থেকে অর্ণব-সাহানা, সৃজিত-মিথিলা অনেকেই এমন সম্পর্কে জড়িয়েছেন। পাশাপাশি থাকতে চেয়েছেন। কিন্তু এক ছাদের নিচেই বাকিটা জীবন কাটাতে পারেননি। 

    সম্প্রতি দুই বাংলার তারকাদের বিবাহ-বিচ্ছেদ নিয়ে কথা বললেন নির্বাসিত লেখিকা তসলিমা নাসরিন। দুই বাংলার শিল্পীদের দাম্পত্য দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে না কেন, প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। 

    বিতর্কিত এই লেখিকা সরাসরি কবীর সুমন ও সাবিনা ইয়াসমিনের নাম উল্লেখ করেছেন তার পোস্টে। 

    ২০০০ সাল নাগাদ সাবিনাকে বিয়ে করেছিলেন সুমন। তার কিছু দিন আগে সুমন চট্টোপাধ্যায় থেকে হয়েছিলেন কবীর সুমন। তবে বিয়েটা টেকেনি বেশি দিন। বহু বছর হল বিচ্ছেদ হয়েছে সুমন-সাবিনার। 

    সে প্রসঙ্গ সামনে রেখেই তসলিমা প্রশ্ন তুলেছেন পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় ও রাফিয়াত রশিদ মিথিলার দাম্পত্য জীবন নিয়ে। তবে কি বিচ্ছেদের পথে তারাও!

    সুমন-সাবিনার দাম্পত্য জীবন নিয়ে নানাভাবে জলঘোলা হয়েছে। এখন সুমন আছেন কলকাতায়, সাবিনা ফিরে গেছেন নিজের দেশে। এই ঘটনার বহু বছর পর কূটনৈতিক সীমানা ছাড়িয়ে ফের দু’টি মন এক হয়েছিল। 

    ২০১৯ সালে বিয়েও করেছিলেন সৃজিত মুখোপাধ্যায় ও রাফিয়াত রাশিদ মিথিলা। কিন্তু তাদের সম্পর্কেও কি মেদ জমলো এবার? সেই প্রশ্ন তুলে তসলিমা সামাজিক মাধ্যমে লিখেন, বাংলাদেশ আর পশ্চিমবঙ্গের শিল্পীদের মধ্যে রোমান্টিক বা বৈবাহিক সম্পর্ক কেন টিকছে না? সাবিনা ইয়াসমিন আর কবীর সুমন বিয়ে করলেন। বিরাট হইচই হল। দু’জনে কিছুদিন একসঙ্গে গান গাইলেন। এরপর নিস্তব্ধতা। যে যার মতো যার যার দেশে জীবনযাপন করছেন। সাবিনা আর সুমনের মধ্যে কোনো সম্পর্ক অবশিষ্ট রয়েছে বলে মনে হয় না। 

    তিনি লিখেন, এরপর সৃজিত আর মিথিলা বিয়ে করলেন। বিরাট হইচই হল। দু’জনে কিছু দিন একসঙ্গে চলাফেরা করলেন। এরপর নিস্তব্ধতা। যে যার মতো জীবন-যাপন করছেন। সৃজিত আছেন তার ১০-১২টা সাপ নিয়ে, আর মিথিলা তার কন্যা নিয়ে। মিলন থাকলে বিচ্ছেদ থাকে, এ নতুন কিছু নয়।

    গত কয়েক বছর ধরে কলকাতায় যাতায়াত কমেছে মিথিলার। চাকরির কাজে বেশিরভাগ সময় কাটে তানজানিয়ায়। সৃজিতের কর্মজগৎ কলকাতা-মুম্বাইয়ে মিলেমিশে। বিয়ের আগে সৃজিত তার কর্মজীবনের জন্য যতটা প্রচারের থাকতেন, প্রেম জীবনের জন্যও ততটা। 

    ২০২৩ সালের পর থেকেই মিথিলার সঙ্গে সম্পর্কে জড়িয়েছেন বলে মনে হয়। মেয়েকে নিয়ে কখনও নিজের দেশে, কখনও অন্য মহাদেশে থাকেন মিথিলা। 

    শোনা যায়, সৃজিত নাকি প্রায় সাতটি সাপ নিয়ে সংসার করছেন। মিথিলা মাঝে একবার কলকাতায় ঝটিকা সফরে এসে জানিয়েছিলেন, সৃজিত নাকি তার সাপদের নিয়ে বেশ ব্যস্ত। যদিও বিচ্ছেদের জল্পনা প্রতিবারই উড়িয়ে দিয়েছেন তারা। কলকাতা না থাকার কারণ হিসেবে জানিয়েছেন কর্মব্যস্ততা। 

    এবার তসলিমার মন্তব্যে যেন ফের জোরালো হয়ে উঠলো তাদের বিচ্ছেদের জল্পনা। দুই দেশে নাগরিকের বৈবাহিক সম্পর্ক নিয়ে আশাবাদী তসলিমা শেষে সংযোজন করে লিখেন, দুই দেশের মানুষের মধ্যে হৃদয়ের বন্ধন দৃঢ় হলে অসাম্প্রদায়িকতার নিদর্শন চমৎকার হতে পারত।

    বিনোদন ডেস্ক