Tag: রাফিয়াত রশিদ মিথিলা

  • নামের পাশে নতুন উপাধি যুক্ত হলো মিথিলার

    রাফিয়াত রশিদ মিথিলা এখন আর শুধু অভিনেত্রী নন; তার নামের পাশে যোগ হয়েছে ‘ডক্টর’ উপাধি। সম্প্রতি জেনেভা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তিনি পিএইচডি থিসিস সফলভাবে শেষ করেছেন। এই সাফল্য তার জন্য অত্যন্ত আবেগাপ্লুত ও গর্বের বিষয়, যা মিথিলা নিজেই ফেসবুকে ঘোষণা করেছেন।

    ২৬ আগস্ট নিজের ফেসবুক ওয়ালে মিথিলা এই খবর প্রকাশ করেন। পোস্টে দেখা যায় জেনেভা বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাসে তিনি দাঁড়িয়ে আছেন, আরেকটি ছবিতে প্রদর্শিত হয়েছে তার থিসিস পেপার।

    পোস্টে মিথিলা লিখেছেন, ‘জেনেভা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমার পিএইচডি থিসিস সফলতার সঙ্গে শেষ করতে পেরে আমি আবেগে আপ্লুত এবং গর্বিত বোধ করছি। পাঁচ বছরের একটি যাত্রার সমাপ্তি হলো যা ছিল একইসঙ্গে কষ্টের ও আনন্দের। আমার জন্য এই পথ চলার অর্থ হলো নিজের ফুলটাইম ক্যারিয়ার, মাঝে মাঝে অভিনয় করা এবং পারিবারিক দায়িত্বের সাথে তাল মিলিয়ে এই ডিগ্রি অর্জনের চ্যালেঞ্জ গ্রহণ করা।

    তিনি এরপর লিখেছেন, ‘এই অভিজ্ঞতাটি চূড়ান্ত মাস্টারক্লাস। নিজেকে আমি কীভাবে হ্যান্ডেল করতে পারি সে সম্পর্কে গভীরভাবে বুঝতে শিখেছি। পরিবার, বন্ধুবান্ধব এবং সহকর্মীদের প্রতি আমি কৃতজ্ঞ এবং ঋণী, যাদের সমর্থনে আমার এই যাত্রা সহজ হয়েছে।’

    একদম শেষে এই অভিনেত্রী খানিকটা বেশি উচ্ছ্বাস নিয়ে লিখেছেন, ‘আজ থেকে আমি আনুষ্ঠানিকভাবে এবং গর্বের সাথে আমার নামের পাশে ‘ডক্টর’ উপাধি যুক্ত করতে পারবো। এই উপাধি অর্জনের জন্য আমি অক্লান্ত পরিশ্রম করেছি।’

    বলা প্রয়োজন, রাফিয়াত রশিদ মিথিলা নিজের একাডেমিক ক্যারিয়ারের সাফল্যের পাশাপাশি অভিনয়েও সময় দেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি অনেক সময়ই বলেছেন, শুধুমাত্র ভালোবাসা থেকেই তিনি অভিনয়টা করেন। কয়েকদিন আগেই মেয়ে আইরার সঙ্গে একটি প্রসাধনীর বিজ্ঞাপনে দেখা গেছে তাকে। মা-মেয়ে দুজনেই এই কাজের জন্য প্রশংসিত হয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মিথিলাকন্যা আইরাকে নিয়ে আবেগঘন পোস্ট সৃজিতের

    টালিউড পরিচালক সৃজিত মুখার্জি সম্পর্কে আইরার বাবা। সে কারণে মিডিয়ায় মেয়ের প্রথম কাজে ভীষণ খুশি তিনি। মেয়েকে পর্দায় দেখে প্রথমে নিজের চোখকেই বিশ্বাস করতে পারেননি তিনি। ‘আমার রকস্টার’—এভাবেই তাহসান-মিথিলাকন্যা আইরাকে ডাকলেন পরিচালক। সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে পরিচালক বলেন, দেখতে দেখতে বড় হয়ে গেল। আমি কি বুড়ো হচ্ছি জানি না। তবে চোখের সামনে সময় উড়ে গেল। 

    একটি বিজ্ঞাপনে মায়ের সঙ্গে একফ্রেমে হাজির হয়েছে সাবেক তাহসান-মিথিলা দম্পতির একমাত্র কন্যা ছোট্ট আইরা। সেই ভিডিওটি নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করেছেন সৃজিত মুখার্জি। সেই ভিডিওটি ভাইরাল হয়েছে।

    যদিও মিথিলা-সৃজিত দাম্পত্য নিয়ে নানা গুঞ্জন শোনা যায়, তবে আইরার সঙ্গে সৃজিতের সম্পর্কের উষ্ণতা অটুট রয়েছে। ভবিষ্যতে কি পরিচালক হিসেবে আইরাকে নিজের সিনেমায় নেবেন? এমন প্রশ্নে উত্তরে সৃজিত বলেন, আমার কোনো সিনেমায় যদি চরিত্রের সঙ্গে মানিয়ে যায়, অবশ্যই ওকে নিতে চাইব।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও তাহসান খান দম্পতির মেয়ে আইরা ছোট থেকেই নির্মাতা সৃজিত মুখার্জির ভীষণ আদরের। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়শই মেয়ের সঙ্গে নানা মুহূর্ত শেয়ার করে নিতে দেখা যায় এ নির্মতাকে।

    প্রসঙ্গত, গায়ক-অভিনেতা তাহসান রহমান খানের সঙ্গে মিথিলার বিয়ে হয়েছিল ২০০৬। এরপর তাদের সংসারে আসে আইরা তাহরিম খান। তবে ২০১৭ সালে বিচ্ছেদের পর তাহসান-মিথিলা যৌথভাবেই মেয়ের দায়িত্ব পালন করে আসছেন। অন্যদিকে, বিচ্ছেদের দুই বছর পর সৃজিতের সঙ্গে মিথিলার বিয়ে হয়। আর সেই সূত্র ধরেই আইরার সঙ্গে সৃজিতের বন্ধুত্ব গড়ে উঠে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মাইলস্টোন স্কুলের দুর্ঘটনায় আমি স্তম্ভিত: মিথিলা

    রাজধানীর উত্তরায় মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজে বিমান বিধ্বস্তের ঘটনায় গোটা দেশ শোকাহত। স্বাধীনতা-পরবর্তী সময়ে এত প্রাণঘাতী বিমান দুর্ঘটনার নজির বাংলাদেশে আর দেখা যায়নি। এখন পর্যন্ত নিহতের সংখ্যা ৩১, আহত দেড় শতাধিক। হাসপাতালগুলোতে চলছে আহতদের চিকিৎসা। এই হৃদয়বিদারক ঘটনায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে সারা দেশে।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঘটনার পর থেকেই শোক প্রকাশ করছেন দেশের তারকারা ও সাধারণ মানুষ। অভিনেত্রী ও মডেল রাফিয়াত রশিদ মিথিলা এক ফেসবুক পোস্টে জানান, তিনি এ ঘটনায় গভীরভাবে মর্মাহত।

    মিথিলা লেখেন, ‘মাইলস্টোন স্কুলের দুর্ঘটনায় আমি স্তম্ভিত। এই হৃদয় বিদারক ঘটনায় প্রাণ হারানো ছোট ছোট বাচ্চাগুলোর পরিবারকে সমবেদনা জানানোর ভাষা আমার নেই। প্রতিটি শিশু, তাদের বাবা-মা পরিবার ও শিক্ষকদের জন্য আমরা সবাই দোয়া প্রার্থনা করি।’

    প্রসঙ্গত, সোমবার দুপুর ১টার কিছু পর উত্তরার আকাশে উড্ডয়নরত বাংলাদেশ বিমানবাহিনীর একটি যুদ্ধবিমান নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে মাইলস্টোন স্কুল অ্যান্ড কলেজের একটি ভবনে বিধ্বস্ত হয়। মুহূর্তেই আগুন ধরে যায় স্কুল ভবন ও বিমানে। যেখানে বিমানটি পড়ে, সেই ভবনে বহু শিক্ষার্থী ক্লাসে উপস্থিত ছিল। এদের অনেকেই প্রাণ হারিয়েছে, বাকিরা গুরুতর আহত অবস্থায় হাসপাতালে ভর্তি।

    এই মর্মান্তিক দুর্ঘটনা যেন গোটা জাতিকে স্তব্ধ করে দিয়েছে। এখনো অনেক পরিবার প্রিয়জনকে খুঁজে ফিরছে। ঘটনায় শোক প্রকাশের পাশাপাশি জনগণের নিরাপত্তা ও দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবিও উঠছে বিভিন্ন মহল থেকে।

    অনলাইন ডেস্ক

  • বিচ্ছেদের ৮ বছর পর ‘ভুল বুঝতে পারলেন’ মিথিলা

    জনপ্রিয় তারকা জুটি তাহসান খান ও রাফিয়াত রশিদ মিথিলার সম্পর্ক বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকে শুরু হয়েছিল। ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট তারা বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের ঘরে একমাত্র কন্যাসন্তান আইরা তাহরিম খান ২০১৩ সালে জন্ম নেয়। ‘আদর্শ দম্পতি’ হিসেবে পরিচিত ছিল ভক্তদের মধ্যে। ২০১৭ সালের মে মাসে তাদের বিচ্ছেদ অনেকেই হতাশ করেছিল। আট বছর পর বিচ্ছেদ নিয়ে কথা বলেছেন মিথিলা। তিনি বলেন, তখন অনেক অল্পবয়সী এবং তরুণী মা ছিলেন। ভালো মন্দ বিচার করার শক্তি তার ছিল না। একটি পডকাস্ট অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

    মিথিলা জানান, বিচ্ছেদের চূড়ান্ত ঘোষণার আগে তারা প্রায় দুই বছর আলাদা ছিলেন এবং এ সময়ে তিনি তাহসানের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়াটা মানতেই পারছিলেন না।

    এই অভিনেত্রী আরও বলেন, তাহসানের সঙ্গে সেপারেশনে থাকার সময় ভেবেছিলেন শেষ পর্যন্ত হয়তো বিচ্ছেদ হবে না, সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঠিক হয়নি।

    আরও পড়ুন:

    তিনি বলেন, যে কোনো বিচ্ছেদ বা যে কোনো সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া সহজ না খুবই কঠিন। বন্ধু বা এটা যে কোনো ক্ষেত্রে হতে পারে। আমি ছিলাম তখন অনেক অল্পবয়সী এবং তরুণী মা। আমি যে কোনো একটা ভালো মন্দ বিচার করবো বা কোনো একটা সিদ্ধান্তে আসব, সেটার শক্তিই আমার ছিল না। কারণ আমার একটা ১ বছরের বাচ্চা। আমার মানসিক অবস্থা ভালো ছিল না, যেখানে আমি কোনো একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারবো নিজের জীবনের।

    অভিনেত্রী জানান, ২৩ বছর বয়স থেকে আমি আমার জীবনকে একভাবে ভেবে এসেছিলাম। হঠাৎ করে জীবনটা সম্পূর্ণভাবে পরিবর্তন হয়ে গেছে। আমি আমার শ্বশুরবাড়ির মানুষদের সঙ্গে থেকেছি। একে তো আমার বাচ্চা আছে তারপর আমি জানলাম সেই জায়গাটা আমার ভবিষ্যত না। আমি তখন চাকরি করতাম, কিন্তু আমার একটা গাড়িও ছিল না। কিন্তু আমার তো অভ্যাস ছিল গাড়িতে করে বাইরে যাওয়ার, আমার বাচ্চার অভ্যাস ছিল গাড়িতে চড়ার।

    মিথিলা বলেন, মেয়েদের নিজেদের আসলে জায়গা থাকে না। শ্বশুরবাড়ি আবার বাবার বাড়ি, থ্যাঙ্কফুলি এখন আমার নিজের জায়গা আছে। মেয়েদের সবার আগে যেটা দরকার সেটা হলো অর্থনৈতিক স্বাধীনতা। এ অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া জীবনের অন্য সব সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তাহসানের সঙ্গে বিচ্ছেদ দুই বছর ধরে মানতেই পারছিলেন না মিথিলা

    জনপ্রিয় তারকা জুটি তাহসান খান ও রাফিয়াত রশিদ মিথিলার বিচ্ছেদ ছিল বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনের অন্যতম আলোচিত ঘটনা। দীর্ঘ ১১ বছরের সফল দাম্পত্য জীবন শেষে ২০১৭ সালে তাদের বিচ্ছেদের ঘোষণা আসে, যা ভক্তদের কাছে ছিল অপ্রত্যাশিত। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে মিথিলা ৮ বছর আগের বিচ্ছেদ নিয়ে কথা বলেছেন। আক্ষেপের সুর শোনা যায় তার কথা। 

    মিথিলা জানান, বিচ্ছেদের চূড়ান্ত ঘোষণার আগে তারা প্রায় দুই বছর আলাদা ছিলেন এবং এই সময়ে তিনি তাহসানের সঙ্গে সম্পর্ক ভেঙে যাওয়াটা মানতেই পারছিলেন না। 

    তাহসান ও মিথিলার সম্পর্ক বিশ্ববিদ্যালয় জীবন থেকে শুরু হয়েছিল, এবং ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট তারা বিয়েবন্ধনে আবদ্ধ হন। তাদের ঘরে একমাত্র কন্যাসন্তান আইরা তাহরিম খান ২০১৩ সালে জন্ম নেয়। দীর্ঘ সময় ধরে তাদের জুটি ভক্তদের কাছে ‘আদর্শ দম্পতি’ হিসেবে পরিচিত ছিল। তাই যখন ২০১৭ সালের মে মাসে তাদের আনুষ্ঠানিক বিচ্ছেদ হয়, তখন অনেকেই হতাশ হয়েছিলেন।

    বিচ্ছেদের ৮ বছর পর ওই পডকাস্ট অনুষ্ঠানে মিথিলা বলেন, তাহসানের সঙ্গে সেপারেশনে থাকার সময় ভেবেছিলেন শেষ পর্যন্ত হয়তো বিচ্ছেদ হবে না, সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু শেষ পর্যন্ত ঠিক হয়নি।

    তিনি বলেন, ‘যে কোনো বিচ্ছেদ বা যে কোনো সম্পর্ক ভেঙে যাওয়া সহজ না খুবই কঠিন। বন্ধু বা এটা যে কোনো ক্ষেত্রে হতে পারে। আমি ছিলাম তখন অনেক অল্পবয়সী এবং তরুণী মা। আমি যে কোনো একটা ভালো মন্দ বিচার করবো বা কোনো একটা সিদ্ধান্তে আসবো, সেটার শক্তিই আমার ছিল না। কারণ আমার একটা ১ বছরের বাচ্চা। আমার মানসিক অবস্থা ভালো ছিল না, যেখানে আমি কোনো একটা সিদ্ধান্ত নিতে পারবো নিজের জীবনের।

    অভিনেত্রী জানান, ২৩ বছর বয়স থেকে আমি আমার জীবনকে একভাবে ভেবে এসেছিলাম। হঠাৎ করে জীবনটা সম্পূর্ণভাবে পরিবর্তন হয়ে গেছে। আমি আমার শ্বশুরবাড়ির মানুষদের সঙ্গে থেকেছি। একে তো আমার বাচ্চা আছে তারপর আমি জানলাম সেই জায়গাটা আমার ভবিষ্যত না। আমি তখন চাকরি করতাম, কিন্তু আমার একটা গাড়িও ছিল না। কিন্তু আমার তো অভ্যাস ছিল গাড়িতে করে বাইরে যাওয়ার, আমার বাচ্চার অভ্যাস ছিল গাড়িতে চড়ার।

    মিথিলা বলেন, মেয়েদের নিজেদের আসলে জায়গা থাকে না। শ্বশুরবাড়ি আবার বাবার বাড়ি, থ্যাঙ্কফুলি এখন আমার নিজের জায়গা আছে। মেয়েদের সবার আগে যেটা দরকার সেটা হলো অর্থনৈতিক স্বাধীনতা। এই অর্থনৈতিক স্বাধীনতা ছাড়া জীবনের অন্য সব সিদ্ধান্ত নেওয়া কঠিন হয়।

    মিথিলা ভেবেছিলেন হয়তো শেষ পর্যন্ত বিচ্ছেদ হবে না, সব ঠিক হয়ে যাবে। কিন্তু সেটা বিচ্ছেদেই গড়ায়। মিথিলা বলেন, ‘এখন হয়তো মেয়েরা অনেক বেশি সিদ্ধান্ত নিতে পারছে, কারণ এখন মেয়েরা অনেক বেশি অর্থনৈতিক স্বাধীনতা পাচ্ছে। আমাকে ছোটবেলা থেকে মা বলেছে যা-ই করো নিজের পায়ে দাঁড়াবে। ফলে বিয়ের পরেও আমি আমার পড়াশোনা, চাকরি সব চালিয়ে গেছি। 

    তিনি বলেন, তবে তখন আমি অতটা অর্থনৈতিকভাবে স্বাধীন ছিলাম না যে একা একা অতটা ভাবতে পারবো, বাচ্চা মানুষ করতে পারবো। সেটার জন্য সময় লেগেছে। ২০১৫ সালে আমরা সেপারেশনে গেছি, তারপরে আরো দু বছর গেছে। আমি অপেক্ষা করেছি, ভেবেছি যে এটা ঠিক হয়ে যাবে। মানসিকভাবে এটা মেনেই নিতে পারছি না। ২০১৭ সালে এসে সিদ্ধান্ত নিতে পারলাম যে আমাদের মনে হয় এই সম্পর্কটা  আসলেই কাজ করবে না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ছবিতে ভাইরাল সৃজিতপত্নী মিথিলা, যা জানা গেল

    দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল রাফিয়াত রশিদ মিথিলা বিনোদন জগতের বাইরেও তার একাডেমিক ক্যারিয়ার নিয়ে রয়েছে বেশ সুপরিচিতি। এ ছাড়া লেখালেখিসহ নানা উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডেও নিজেকে জড়িয়ে রেখেছেন অভিনেত্রী।
    সম্প্রতি অনেকটাই লাইমলাইটের বাইরে এ মিথিলা। গত ঈদুল ফিতরে মুক্তি পাওয়া ‘মাইশেলফ অ্যালেন স্বপন’ সিরিজের দ্বিতীয় মৌসুমেও দেখা যায় তাকে। সে ওয়েব কনটেন্টটিতে তার অভিনয় দর্শকদের মন কেড়েছিল, ছিলেন আলোচনায়।  তবে এখন আবার অনেকটাই আড়ালে অভিনেত্রী। যদিও তার ব্যক্তিজীবন তথা প্রেম-বিয়ে নিয়ে অনুরাগীদের কৌতূহল-চর্চা কম নয়।
    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে কিছু ছবি ভাইরাল হয়েছে, যা মিথিলার ছবি বলে চালিয়ে দিচ্ছেন নেটিজেনরা।  সেখানে দেখা যায়, হালকা ব্রাউন রঙের শাড়ি ও সাদা ব্লাউস পরে সেলফিসহ নানা ভঙ্গিতে দেখা যায় এক নারীকে, যাকে স্পষ্টত মিথিলার মতোই দেখতে পাওয়া যায়। এরপর নেটিজেনরা তোলেন আলোচনার ঝড়।
    এদিকে রিউমার স্ক্যানার টিমের অনুসন্ধানে উঠে আসে ভিন্ন এক সত্য। প্রচারিত ছবিগুলো আদতে রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার নয়। এগুলো এআই প্রযুক্তির কারসাজি তথা— ডিপফেকের শিকার অভিনেত্রী।
    রিউমার স্ক্যানার জানায়, ইন্টারনেট থেকে ভারতীয় এক অভিনেত্রীর ছবি সংগ্রহ করে তাতে প্রযুক্তির সাহায্যে রাফিয়াথ রশিদ মিথিলার মুখমণ্ডল প্রতিস্থাপন করে ছবিগুলো ছড়িয়ে দেওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে ‘Jina’ নামে একটি ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে গত ১৪ জুন প্রকাশিত ছবির সঙ্গে আলোচিত এ ছবির মিল পাওয়া যায়, এতেই প্রমাণিত হয়, ওই নারীর মুখমণ্ডলে পার্থক্য ছাড়া অন্য সব উপাদানে মিল খুঁজে পাওয়া যায়।
    কলকতায় বসবাসকারী জিনা তরফদার নামে ওই নারী একজন অভিনেত্রী। মূল ছবিগুলো তারই। তাই এককথায় বলা যায়, অভিনেত্রী মিথিলা দাবিতে ইন্টারনেটে প্রচারিত ছবিগুলো সম্পূর্ণ নকল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মন ভালো নেই মিথিলার, দ্বিতীয় সংসারেও বাজছে বিচ্ছেদের ঘণ্টা

    দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। ঢাকা ও কলকাতা ইন্ডাস্ট্রি-দুই জায়গাতেই তিনি সমান জনপ্রিয়। কাজ করেছেন টিভি নাটক, সিনেমা ও ওটিটি কনটেন্টে। সর্বশেষ দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছিল তার অভিনীত ‘কাজলরেখা’ নামে একটি সিনেমা। 

    এদিকে গত ঈদুল ফিতরে ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও হাজির হয়েছিলেন তিনি। ‘মাইশেলফ অ্যালেন স্বপন’ সিরিজটির দ্বিতীয় মৌসুম দিয়ে তাক লাগিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তবে অভিনয়ের বাইরে ব্যক্তি জীবনে খুব একটা ভালো নেই মিথিলা। কারণ তার দ্বিতীয় সংসার নিয়েও শুরু হয়েছে নানা গুঞ্জন। শোনা যাচ্ছে, সংসার ভাঙনের কথাও। 

    মিথিলার প্রথম স্বামী ছিলেন জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী তাহসান খান। ২০০৬ সালের ৩ আগস্ট বিয়ে করেন তারা। সুখী দাম্পত্য জীবনের মাঝেই তাদের ভাঙনের কথা শোনা যায়। বিবাহবিচ্ছেদ হয় ২০১৭ সালের জুলাই মাসে। এরপর ২০১৯ সালে ৬ ডিসেম্বর কলকাতার নির্মাতা সৃজিত মুর্খাজিকে বিয়ে করেন মিথিলা। তবে তার এ সংসার নিয়ে কলকাতার গণমাধ্যম বলছে, ‘অন্য নারীতে ফের মজেছেন সৃজিত। ঠিকঠাক নেই তাদের দাম্পত্য জীবন।’ তবে এ নিয়ে সৃজিত-মিথিলা কেউই কোনো কথা বলতে চান না। দুজনেই মুখে কুলুপ এঁটেছেন। 

    কিন্তু ভারতীয় গণমাধ্যম মোটেও চুপ নেই। তারা সৃজিত-মিথিলার বিরহের কথা নিয়মিতই প্রকাশ করছে। বলা হচ্ছে, ‘কখনোই এক নারীতে থিতু ছিলেন না নির্মাতা সৃজিত। একাধিক নায়িকার সঙ্গে তার নাম জড়িয়েছে। এবার নতুন আরেক নারীর সঙ্গে মন মজিয়েছেন তিনি।’ 

    সম্প্রতি আলেকজান্দ্রা টেলরের সঙ্গে সৃজিতের ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক মাধ্যমে। যা দেখে নেটিজেনরা ভাবছেন এই নির্মাতার বুকে আবারও নতুন নারী ঘর বেঁধেছেন। নির্মাতাও তার প্রেমে হাবুডুবু খাচ্ছেন। 

    তবে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন সৃজিত। প্রেমের সম্পর্কের কথা অস্বীকার করে তিনি বলেন,  ‘প্রেম নয়, আলেকজান্দ্রা আমার খুব ভালো বন্ধু।’ তাহলে কি এই নারীকে নিয়ে নতুন কোন সিনেমার কথা ভাবছেন নির্মাতা? উত্তরে তিনি বলেন, ‘অনেক কিছু নিয়েই আলোচনা চলছে আমাদের মধ্যে। তবে ওর জন্য নির্দিষ্ট করে কোনো চরিত্র এখনো ভাবিনি।’ 

    এদিকে সৃজিতের এসব কথায় পাত্তা দিচ্ছেন না নেটিজেনদের কেউ কেউ। ভাবছেন নিশ্চয়ই আলেকজান্দ্রা টেলরের সঙ্গে ডুবে ডুবে জল খাচ্ছেন পরিচালক। সৃজিত-মিথিলার সংসার ভাঙনের গুঞ্জন নতুন নয়। এর আগেও একাধিকবার এমন খবর চাউর হয়েছিল। তবে এবারের ঘটনা অনেকটাই ভিন্ন বলে মনে করছেন নেটিজেনরা। অনেক নারীতে আসক্ত নির্মাতা সৃজিত বাঁধা পড়েছিলেন মিথিলার আঁচলে। অবশেষে সে আচল ছিঁড়ে কি তিনি অন্য নারীর বুকে আশ্রয় খুঁজছেন!

    আনন্দনগর প্রতিবেদক

  • ওটিটিতে তিন নায়িকার লড়াই

    ঈদসহ যেকোনো উৎসবেই শোবিজ অঙ্গন থাকে সরগরম। শুরু হয় শিল্পীদের ব্যস্ততার ধুম। দর্শকরাও অপেক্ষায় থাকেন প্রিয় তারকার কাজের জন্য। নতুন সব টিভি নাটক, ওটিটি কনটেন্ট, গান ও সিনেমা মুক্তি পায় উৎসবে। 

    বিনোদনের সবচেয়ে বড় মাধ্যম সিনেমা। তাই ঈদের সিনেমা নিয়ে আওয়াজ একটু বেশিই হয়। তবে আলোচনার বাইরে নয় ওটিটি কনটেন্ট। সিনেমার পরেই পেইড ভার্সনের ওটিটি কনটেন্টগুলোর দিকেও নজর থাকে দর্শকদের। এবারও তার ব্যতিক্রম নয়। এ ঈদেও ভিন্ন ভিন্ন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাচ্ছে নতুন তিন কনটেন্ট। যা নিয়ে লড়াই করবেন দেশের জনপ্রিয় তিন নায়িকা। তাদের মধ্যে রয়েছেন জয়া আহসান, রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও তাসনিয়া ফারিণ। 

    দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। ঢাকা ও কলকাতা- দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই তিনি সমানতালে কাজ করছেন। এবারের ঈদে আসছে তার অভিনীত ‘জিম্মি’ নামে একটি ওয়েব সিরিজ। এ সিরিজ দিয়ে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে প্রথমবার কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে তাকে। এটি পরিচালনা করেছেন আশফাক নিপুন। ২৮ মার্চ হইচই নামে একটি প্ল্যাটফর্মে সিরিজটি মুক্তি পাবে। 

    নির্মাতা সূত্রে জানা গেছে, লোভের কাছে যেন জিম্মি হয়ে পড়া এক নারীর গল্প নিয়ে নির্মিত হয়েছে সিরিজটি। যেখানে দেখা যাবে, ১০ বছর ধরে কোনো প্রমোশন পায় না সরকারের নিম্নপদস্থ এক কর্মচারী। স্বামীকে নিয়ে তার টানাপোড়েনের সংসার। হঠাৎ একদিন অফিসের স্টোর রুমে বাক্সভর্তি টাকা পায় সে। এই টাকা নিয়ে শুরু হয় তার নতুন টানাপোড়েন। 

    এ প্রসঙ্গে জয়া বলেন, ‘আমি নতুন কোনো কাজ করার আগে তিনটি বিষয় সবসময় খেয়াল করি। সেটা হলো গল্প, চরিত্র ও পরিচালক। এ সিরিজের ক্ষেত্রে এগুলো সব মনমতো মিলে গিয়েছিল। পাশাপাশি ঈদে মুক্তি পাচ্ছে আমার অভিনীত প্রথম ওয়েব সিরিজ, সবমিলিয়ে আমার জন্য বিষয়টা বেশ রোমাঞ্চের।’ 

    এতে আরও অভিনয় করেছেন ইরেশ যাকের, শাহরিয়ার নাজিম জয়, প্রান্তর দস্তিদার প্রমুখ।

    অন্যদিকে দেশের আরেক জনপ্রিয় একজন অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলাও ঢাকা-কলকাতা, দুই ইন্ডাস্ট্রিতেই নিয়মিত কাজ করছেন। গত ভালোবাসা দিবসে দেশের প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেয়েছে তার অভিনীত সিনেমা ‘জলে জ্বলে তারা’। এবার ঈদেও থাকছেন। তবে সিনেমা নয়, তিনি আসছেন তার অভিনীত আলোচিত্র সিরিজ ‘মাইশেলফ অ্যালেন স্বপন’র দ্বিতীয় সিজন নিয়ে। ২০২৩ সালে মুক্তি পায় এর প্রথম সিজন। 

    এটি নির্মাণ করেছেন শিহাব শাহীন। সিরিজটিতে অ্যালেন স্বপনের  চরিত্রে অভিনয় করেছেন নাসির উদ্দিন খান। প্রথম সিজনের শেষ দৃশ্যে দেখা গিয়েছিল, মুখ ঢেকে রাখা এক ব্যক্তির সঙ্গে কথা বলছে স্বপন। কে সে? কেনইবা স্বপনকে খুঁজছে মানুষটি? আরো অনেক প্রশ্ন দেখা দিয়েছিল দর্শকের মনে। সেসব প্রশ্নের উত্তর মিলবে এ সিজনে। এটি ঈদ উপলক্ষ্যে একটি ওটিটি প্ল্যাটফর্মে মুক্তি পাচ্ছে। তবে এখনও তারিখ এবং প্ল্যাটফর্ম চুড়ান্ত হয়নি। 

    সিরিজ প্রসঙ্গে মিথিলা বলেন, ‘প্রথম সিজনের মতো এবারও আমরা দারুণ একটি গল্প নিয়ে হাজির হব। আশা করছি এবারও দর্শক সিরিজটি খুব পছন্দ করবেন। কারণ টিমের প্রতিটি লোক দারুণ দক্ষতার সঙ্গে কাজ করছেন। তবে এখনই সিরিজে আমার অভিনীত চরিত্র ও গল্প নিয়ে কিছুই জানাতে চাই না। এতে মজা নষ্ট হয়ে যাবে।’ 

    এদিকে একাধিক নাটক ও সিনেমার পাশাপাশি ঈদে ওটিটি প্ল্যাটফর্মেও হাজির থাকছেন অভিনেত্রী তাসনিয়া ফারিণ। ঈদে তিনি আসছেন ‘হাউ সুইট’ নামে একটি ওয়েবফিল্ম নিয়ে। এটি পরিচালনা করেছেন কাজল আরেফিন অমি। এতে ফারিণ জনপ্রিয় অভিনেতা জিয়াউল ফারুক অপূর্বর সঙ্গে জুটি বেঁধেছেন। 

    সম্প্রতি এর ট্রেলার প্রকাশ হয়েছে। যেখানে দেখা যায়, বিয়ের সাজে পালিয়ে আসা তরুণী সুইটির ধাক্কায় শখের ফটোগ্রাফার আদনানের ক্যামেরা পড়ে যায় নদীতে। ক্ষতিপূরণের জন্য সুইটির পেছনে ছোটে সে। একের পর এক অপ্রত্যাশিত ঘটনা সামনে আসে তাদের। সমান্তরালে উঁকি দেয় আদনান-সুইটির প্রেমও। এটি ওটিটি প্ল্যাটফর্ম বঙ্গতে মুক্তি পাবে। তবে তারিখ এখনও চূড়ান্ত হয়নি। 

    এ প্রসঙ্গে তাসনিয়া ফারিণ বলেন, ‘এটি খুব মিষ্টি একটি প্রেমের গল্প। নির্মাতা ও অপূর্ব ভাইয়ের সঙ্গে আগেও কাজ হয়েছে। তাই এবারের অভিজ্ঞতাও ভালো। আশা করি ঈদ উৎসবে এটি দর্শকদের আনন্দ বাড়াবে।’

    রিয়েল তন্ময়

  • কলেজ জীবনের বন্ধুকে নিয়ে যা বললেন মিথিলা

    পশ্চিমবঙ্গের নির্মাতা সৃজিত মুখোপাধ্যায়কে বিয়ের পর কলকাতাতে থিতু হলেও বাংলাদেশের শোবিজ অঙ্গনে আগের মতোই পদচারণা বজায় রেখেছেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা।  দেশের বেশকিছু ওটিটিতে তার অভিনয় দারুণ প্রশংসা কুড়িয়েছে। আগামীকাল ভালোবাসা দিবসে মুক্তি পাবে মিথিলার সিনেমা ‘জ্বলে জ্বলে তারা’।

    সরকারি অনুদানের এই সিনেমাটির পরিচালনা করেছেন অরুণ চৌধুরী। এতে মিথিলার বিপরীতে অভিনয় করেছেন এফ এস নাঈম। এর আগে নাটকে নাঈমের সঙ্গে তাকে দেখা গেলেও সিনেমায় এবারই প্রথম।  সিনেমাটির প্রচারণা নিয়ে তারা বর্তমানে ব্যস্ত সময় পার করছেন। 

    এদিকে নাঈমের সঙ্গে মিথিলার সম্পর্ক দীর্ঘদিনের। কলেজ জীবনের বন্ধু তারা। 

    বন্ধু সম্পর্কে মিথিলা বলেন, নাঈম এ সিনেমায় মাঝির চরিত্রে অভিনয় করেছেন। নাঈম আমার কলেজজীবনের বন্ধু। ওর সঙ্গে নাটকে অভিনয় করেছি। সিনেমায় দু’জনে প্রথম কাজ করলাম। আমাদের পরিচয় বহু বছর আগে থেকে। নাঈম গোছানো মানুষ। কঠোর পরিশ্রম করতে পারে। নাঈম একজন ভালো মানুষ, সিরিয়াস টাইপের মানুষ।

    ‘জ্বলে জ্বলে তারা’ সিনেমাটিতে মিথিলা নদীপারের মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন। যার কিছুই নেই, নদীর পাড়ে সার্কাস দেখিয়ে তার জীবন চলে। 

    চরিত্রটি সম্পর্কে মিথিলা বলেন, একেবারেই অন্যরকম গল্প। ভিন্ন একটি চরিত্র। এমন গল্পে ও চরিত্রে আগে কখনও আমাকে দেখা যায়নি। শুটিং করেছি কালীগঙ্গা নদীর পারে। নদীতেও দৃশ্য ছিল আমার। নৌকায় করে সেসব দৃশ্যের কাজ হয়েছে। 

    চরিত্রটি ফুটিয়ে তোলা নিজের পক্ষে অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল বলে জানিয়েছেন মিথিলা। অভিনেত্রী বলেন, অনেক চ্যালেঞ্জিং ছিল। কেননা নৌকার দৃশ্যগুলো সত্যিই চ্যালেঞ্জিং ছিল। অনেক দিন ধরে শুটিং করেছি। রোদের মধ্যে শুটিং করতে কষ্ট হয়েছে। তারপরও শিল্পের প্রয়োজনে কাজ করেছি। তারা চরিত্রটি নিজের ভেতরে ধারণ করাটাও কঠিন ছিল। এমন জীবন কখনও দেখিনি। সেটিই পর্দায় ফুটিয়ে তোলার জন্য কাজ করতে হয়েছে।

    সিনেমাটিতে আরও অভিনয় করেছেন ফজলুর রহমান বাবু, মুনিরা মিঠু, আজাদ আবুল কালাম, শাহেদ আলী প্রমুখ।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • তাহসানের বিয়ে নিয়ে যা বললেন মিথিলা

    দেশের জনপ্রিয় সঙ্গীতশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান খান দ্বিতীয়বারের মতো সংসার পেতেছেন।  চলতি বছরের শুরুতে মেকওভার শিল্পী রোজা আহমেদকে বিয়ে করেন তিনি।

    এর আগে অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলার সঙ্গে দীর্ঘ ১১ বছরের দাম্পত্য সম্পর্ক ছিল তাহসানের। তবে ২০১৭ সালে তাদের বিবাহ বিচ্ছেদ হয়। এরপর ২০১৯ সালের ডিসেম্বরে মিথিলা পশ্চিমবঙ্গের খ্যাতনামা পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায়কে বিয়ে করেন। 

    অন্যদিকে মিথিলার সঙ্গে বিচ্ছেদের পর দীর্ঘদিন কোনো সম্পর্কে জড়াননি তাহসান। এই তারকাকে আবার সংসার জীবনে দেখার জন্য অনেকদিন ধরেই অপেক্ষা করছিলেন তার ভক্তরা। অবশেষে ২০২৫ সালের শুরুতে তিনি জীবনের দ্বিতীয় ইনিংস শুরু করেছেন। 

    তাহসানের বিয়ের পর মিথিলাকে নিয়ে আবার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনা-সমালোচনা শুরু হয়। সাবেক স্বামীর বিয়ের পর মিথিলার প্রতিক্রিয়া জানতে ভক্তরা অধীর আগ্রহে ছিলেন। তবে সাবেক স্বামীর বিয়ে নিয়ে পুরোপুরি নীরব ছিলেন মিথিলা। তাহসানের নতুন বিয়েতে কোনো শুভেচ্ছাবার্তাও পাঠাননি তিনি।

    যদিও সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তাহসানের বিয়ে নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়েন মিথিলা। তবে বিষয়টি নিয়ে কথা বলতে অপরাগতা জানাতে দেখা গেছে এ অভিনেত্রীকে। 

    মিথিলা বলেন, বিয়ে নিয়ে আমার কিছুই বলার নাই। এটা নিয়ে কথা বলতেও চাই না। এটা যার যার ব্যক্তিগত বিষয়, এটা আমারও কোনো ব্যক্তিগত বিষয় না যে আমি কথা বলবো। যার জীবনের ঘটনা, এটা তার ব্যক্তিগত বিষয়। এখানে আমার কিছুই বলার থাকতে পারে না।

    এর আগে মিথিলা এক সাক্ষাৎকারে বলেছিলেন, বিচ্ছেদ হয়ে গেলেও তাহসানের সঙ্গে তার বন্ধুত্ব রয়েছে। অভিনেত্রী মনে করেন, সন্তান থাকলে তার স্বার্থ আগে দেখতে হবে। সন্তানের মানসিক স্বাস্থ্য সর্বাগ্রে। 

    অভিনেত্রীর কথায়, আমি আয়রাকে দেখতে পেলাম না অথচ আমি আর তাহসান লড়াই করলাম, এই ইগোর যুদ্ধে তো বাচ্চার ক্ষতি হবে। তাই তাহসানের সঙ্গে এখনো আমার বন্ধুত্ব রয়েছে। আমাদের প্রায়ই কথা হয় মেয়েকে নিয়ে।

    যুগান্তর ডেস্ক