Tag: রাজনীতি

  • রাজ চক্রবর্তীর হয়ে ভোটের প্রচারে শুভশ্রী

    আবারও রাজপথে নামলেন টালিউডের ‘লেডি সুপারস্টার’ খ্যাত অভিনেত্রী শুভশ্রী গঙ্গোপাধ্যায়। তবে এবার নিজের জন্য নয়, তার স্বামীর জন্য। ব্যারাকপুর কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী রাজ চক্রবর্তীর হয়ে ভোট চাইতেই রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালে জনসংযোগে অংশ নেন তিনি। 

    ব্যারাকপুরের লালকুঠি থেকে মাধব নিবাস পর্যন্ত আয়োজিত এই রোড শো-কে কেন্দ্র করে কর্মী-সমর্থকদের উন্মাদনা ছিল চোখে পড়ার মতো। 

    রোববার (২৬ এপ্রিল) বিকালের এই প্রচারের শুরুতে এলাকার একটি মন্দিরে পুজা সম্পন্ন করেন শুভশ্রী। এরপর নীল-সাদা শাড়িতে সেজে হুড খোলা জিপে রাজের পাশে বসে প্রচার সারেন তিনি। 

    এই তারকা যুগলকে এতো কাছে পেয়ে উচ্ছ্বসিত হয়ে পড়েন সাধারণ মানুষ ও ভক্তরা। ভিড়ের মাঝে অনেককেই প্রিয় নায়িকার সঙ্গে হাত মেলাতে দেখা যায়। 

    উল্লেখ্য, ২০২১ সালের নির্বাচনেও রাজের জয়ের নেপথ্যে শুভশ্রীর সক্রিয় প্রচার বড় ভূমিকা রেখেছিল। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিন প্রচারের মধ্যেই সাম্প্রতিক একটি ভাইরাল ভিডিও নিয়েও মুখ খোলেন রাজ চক্রবর্তী। ওই ভিডিওতে দেখা গিয়েছিল, এক বৃদ্ধা ভোটার রাজের পা ধুইয়ে দিচ্ছেন, যা নিয়ে বিরোধী পক্ষ কড়া সমালোচনা শুরু করে। 

    এ প্রসঙ্গে রাজ বলেন, ‘আমি এই পরিস্থিতির জন্য প্রস্তুত ছিলাম না। উনি আমাকে সন্তানের মতো এবং নারায়ণের মতো মনে করে ভক্তিভরে পা ধুইয়ে দিয়েছেন। আমি কোনো বাকবিতণ্ডায় যেতে চাই না। গত ৫ বছরে এলাকার ৭০ শতাংশ কাজ আমি করতে পেরেছি, বাকিটাও শেষ করতে চাই।’

    স্বামীর হয়ে রাজনীতির মাঠে থাকলেও এখনই প্রত্যক্ষ রাজনীতিতে আসার কোনো পরিকল্পনা নেই শুভশ্রীর। রাজ জানান, দুই ছোট সন্তান ইউভান ও ইয়ালিনির দেখাশোনা এবং অভিনয়ের ব্যস্ততার কারণে শুভশ্রী রাজনীতির প্রস্তাব বারবার ফিরিয়ে দিয়েছেন। 

    তবে স্ত্রী হিসেবে রাজের প্রতি তার সমর্থন যে অটুট, রোববারের প্রচার মিছিলে অভিনেত্রীর উপস্থিতি তা আরও একবার প্রমাণ করল।

    রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, ব্যারাকপুরে রাজের বিদায়ী বিধায়ক সত্তা এবং শুভশ্রীর জনপ্রিয়তাকে কাজে লাগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস এবারও এই কেন্দ্রে জয়ের পাল্লা ভারী রাখতে চাইছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজনীতিতে আসা অভিনয়শিল্পীদের একহাত নিলেন খরাজ মুখার্জি

    পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচনে চলছে ভোটের লড়াই। এর মধ্যেই প্রথম দফার ভোটগ্রহণ শেষ হয়েছে। দ্বিতীয় দফার ভোট আগামী ২৯ এপ্রিল অনুষ্ঠিত হবে। এই ভোট নিয়ে নিজের শৈশবের স্মৃতিচারণ করে একটি গণমাধ্যমে কথা বলেছেন টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা খরাজ মুখার্জি। 

    তিনি বলেন, প্রথমবার যখন ভোট দিই সেই সময় থেকেই যথেষ্ট রাজনৈতিকভাবে সচেতন মানুষ ছিলাম। কিন্তু বর্তমানে যা হচ্ছে, সেটি দেখেশুনে রাজনীতি থেকে নিজেকে মানসিকভাবে দূরে সরিয়ে নিয়েছি।

    খরাজ মুখার্জি বলেন, ছোট থেকে যখন বড় হয়েছি তখন দেখেছি— রাজনীতি মানে আদর্শের জায়গা। এই পেশায় আসতে গেলে পড়াশোনার প্রয়োজন। বাড়িতে বড়দের দেখেছি—আদর্শের রাজনীতি নিয়ে কথা বলতে। কিন্তু এখন দেখি, সবার শুধু ক্ষমতা আর টাকা চাই। 

    তিনি বলেন, আমার বয়স হয়েছে। অভিনয় করে সংসার চালাই। তাই শৈশবের স্মৃতি যেন ধুয়েমুছে যাচ্ছে এই সময়ের এই অস্থির আদর্শহীন একটা সমাজকে দেখে।

    এ অভিনেতা বলেন, ভোট নিয়ে হিংসা বন্ধ করার অনেক উপায় আছে। পৃথিবীতে যখন সবকিছুই অনলাইনে হচ্ছে, ভোটটা কেন করা যাচ্ছে না অনলাইনে? এই প্রশ্নের উত্তর পাচ্ছি না।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    খরাজ মুখার্জি বলেন, আমার ভোট চাক্ষুষ করা সত্তরের দশকে। তখনো অস্থির অবস্থা ছিল রাজ্যে। কিন্তু এখনকার মতো অবস্থা ছিল না। আসলে ভোটের দিনগুলোয় আগে ছিল ছুটির মেজাজ। আমি ছোটবেলায় বাবার হাত ধরে ভোটকেন্দ্রে যেতাম। পোলিং অফিসাররা আমাকে দেখে বেশ আদরের সঙ্গেই বলতেন— ‘কী বাবু, তুমি ভোট দেবে?’ আমি তখন মাথা নেড়ে বলতাম— ‘হ্যাঁ দেব।’ আমার মন রাখতে তারা ভোটের কালি লাগিয়ে দিতেন আমার নখে। সেটা পেয়েই যেন আলাদা একটা উৎসাহ আসত। মনে হতো আমিও বাবার মতো বড় হয়ে গেলাম। ভোটকেন্দ্রে পোলিং অফিসারদের সঙ্গে গল্প জমিয়ে ফেলতাম। তার মাঝেই বাবার ভোট দেওয়া শেষ।

    তিনি বলেন, আসলে তখন এত হই হট্টগোল, ঝামেলা ও ঝগড়াঝাঁটির বিষয় তো ছিল না। এখন ছোটবেলার সেই সুন্দর স্মৃতি মুছে গেছে। ভোট দিতে যাওয়া মানে যুদ্ধক্ষেত্রে যাওয়া! রাস্তায় বেরোলেই বন্দুকের নল, ভোটকেন্দ্রের বাইরেও উর্দিধারীরা বন্দুক তাক করে বসে থাকে। উনিশ-বিশ হলেই বিপদ। আসলে এখন ব্যাপারটা হলো— নিরীহ মানুষের প্রাণ যায় যাক, ভোটটা ঠিক হতে হবে।

    এ অভিনেতা বলেন, আমাদের সময় ভোটে দেখতাম, পাড়ায় মাইকে মাইকে প্রচার হচ্ছে। জনসভা হচ্ছে রাস্তায়। এখন আমরা সামাজিক মাধ্যম থেকে টেলিভিশন— সর্বত্র ঝগড়া দেখি। ছোটবেলায় একটা জিনিস দেখতাম, রাজনীতির লোকেরা কেউ খেটে খাওয়া কিংবা কেউ পড়াশোনা জানা মানুষ। 

    তিনি বলেন, আর একটা জিনিস ছিল। আগে যারা রাজনীতিতে অভিজ্ঞ তারাই রাজনীতি করতেন। এখন তো অভিনেতারাই রাজনীতিতে—কী যোগ্যতা আছে তাদের? আসলে যে কোনো জিনিস করতে গেলে সেটা শিখতে হয়। কিন্তু শুধু দেশ চালানোর ক্ষেত্রে কোনো শিক্ষার দেখি প্রয়োজন পড়ে না। 

    খরাজ মুখার্জি বলেন, অভিনেতা-অভিনেত্রীরা কী এমন করেছেন, যারা দেশ চালানোর যোগ্যতা রাতারাতি অর্জন করে ফেলেছেন? আসলে আমার আশপাশে এত মানুষকে দেখলাম নেতা, বিধায়ক, মন্ত্রী হতে এখন তো তাদের সতীর্থ বলতেও খারাপ লাগে। আর রাজনৈতিক নেতা-মন্ত্রীরাই বা অভিনেতাদের সাহায্য নেন কেন? প্রশ্ন জাগে। আমি বীতশ্রদ্ধ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ধানের শীষের প্রচারণায় চিত্রনায়িকা শিমলা

    ঢাকাই সিনেমার এক সময়ের দর্শকপ্রিয় নায়িকা শিমলা। ‘ম্যাডাম ফুলি’ সিনেমায় অভিনয় করে যিনি সিনেমাপ্রেমীদের মনে জায়গা করে নেন। এখন অভিনয়ে অনিয়মিত হয়ে পড়লেও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সরাসরি প্রচারণায় নেমে নতুন করে তিনি আলোচনায় এসেছেন। 

    আসন্ন নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের পক্ষে তাকে ভোট চাইতে দেখা গেছে। অভিনেত্রীর সঙ্গে সংগীত ও অভিনয় জগতের আরও কয়েকজন পরিচিত মুখও এতে অংশ নেন। সেখানে শিমলাসহ আরও ছিলেন সংগীতশিল্পী মনির খান, রবি চৌধুরী, অভিনেত্রী রীনা খান ও অভিনেতা শাহেদ। 

    সোমবার (৯ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে ঢাকা-১৭ আসনে এই শিল্পীরা সেখানকার পথচারী, স্থানীয় ব্যবসায়ী ও বাসিন্দাদের কাছে ধানের শীষের পক্ষে প্রচারণা চালান। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ সময় গণমাধ্যমকে শিমলা বলেন, ‘আমি শিমলা, ধানের শীষের জন্য ভোট চাইছি। এখানে অনেকের সঙ্গে কথা বলেছি, তারাও ধানের শীষে ভোট দেওয়ার সম্মতি জানিয়েছেন।’ 

    উল্লেখ্য, ১৯৯৯ সালে ‘ম্যাডাম ফুলি’ ছবির মাধ্যমে ঢাকাই চলচ্চিত্রে শিমলার অভিষেক হয়।  প্রথম ছবিতেই জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার হাতে ওঠে তার। পরবর্তীতে আরও বেশিকিছু ছবিতে অভিনয় করেছেন তিনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘জামায়াতের পক্ষে ভোট চাইছেন শাকিব’ ভিডিও নিয়ে যা জানা গেল

    এবার সম্পূর্ণ ভিন্ন এক কারণে সামাজিক মাধ্যমে আলোচনায় উঠে এসেছেন চিত্রনায়ক শাকিব খান। সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে একটি ফটোকার্ড ছড়িয়ে পড়েছে যাতে দেখা যাচ্ছে, এই সুপারস্টার ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে জামায়াতে ইসলামীর পক্ষে ভোট চাইছেন। 

    একটি জনপ্রিয় বেসরকারি টেলিভিশন চ্যানেলের ভুয়া নামে ছড়িয়ে পড়া ওই কার্ডের সঙ্গে একটি গানের লিংকও শেয়ার করা হয়েছে। সেখানে ক্লিক করলেই ‌‘জামায়াতের ভাইরাল গানে শাকিব খান’ শিরোনামের একটি ভিডিও সামনে আসছে। সেই ভিডিওতে দেখা যায়, জামায়াতের আমির ডা. শফিকুর রহমান ভাষণ দিচ্ছেন, তার পাশে দাঁড়িয়ে আছেন শাকিব খান। সামনে লোকে লোকারণ্য। 

    মূলত এআই প্রযুক্তিতে এই গান ও ভিডিওটি তৈরি করা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, একটি কুচক্রী মহল ভোটারদের প্রভাবিত করার লক্ষ্যে এই ভুয়া ভিডিও তৈরি ও প্রচার করেছে। সম্প্রতি এই একইভাবে সামাজিক মাধ্যমে বিব্রত অবস্থায় পড়তে হয়েছিল শাকিবের ‘তাণ্ডব’ সিনেমার নায়িকা সাবিলা নূরকে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এই অভিনেত্রীর নামেও জামায়াতের পক্ষে একটি ভুয়া ফটোকার্ড ভাইরাল হয়, যেখানে তার একটি বক্তব্যও প্রকাশ করা হয় যেটি অসত্য। বিষয়টি নিয়ে সাবিলা সোমবার (৮ ফেব্রুয়ারি) এক ফেসবুক পোস্টে স্পষ্টভাবে জানান, এসব ভুয়া এবং এ ধরনের বিভ্রান্তিকর ও ভুয়া  প্রচারণার বিষয়ে ভক্তদের সতর্ক থাকার অনুরোধ করেন তিনি। 

    তবে শাকিব খানকে জড়িয়ে এমন মিথ্যা প্রচারণায় অভিনেতা এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো মন্তব্য করেননি। জানা গেছে, এমন ঘটনায় শাকিব খান বেশ বিব্রত এবং শিগগিরই নিজের প্রতিক্রিয়া জানাবেন তিনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘লিচুর বাগানে’র সঙ্গে রাজনীতির মিশ্রণে সামাজিকমাধ্যমে হাস্যরস

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কতকিছু নিয়েই তো নেটিজেনদের মজা করতে দেখা যায়। এবার একটি কার্টুনকে ঘিরে হাস্যরসে মেতেছেন এর ব্যবহারকারীরা। সম্প্রতি জামায়াতে ইসলামী, জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি) ও ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের ১১ দলীয় জোটে নির্বাচনি সমঝোতার দ্বন্দ্ব নিয়ে একটি কার্টুন ছড়িয়ে পড়েছে নেটদুনিয়ায় যা ইতোমধ্যে ভাইরাল। 

    সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া সেই কার্টুনের পটভূমিতে বাজছে শাকিব খান ও সাবিলা নূরের সুপারহিট গান ‘কে দিলো পিরিতের বেড়া লিচুরও বাগানে’। আর কার্টুনটিতে রাজনৈতিক বিতর্ককে মজার ফ্রেমে তুলে ধরা হয়েছে যা অনলাইন দুনিয়ায় ব্যাপক হাস্যরসের সৃষ্টি করেছে। 

    এআই প্রযুক্তি ব্যবহার করে তৈরিকৃত কার্টুনটিতে দেখা যায়, লিচুর বাগানে দাঁড়িয়ে আছেন জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান ও এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। বাগানের মধ্য দিয়ে বয়ে গেছে একটি বেড়া। সেটার অন্যপাশে দাঁড়ানো ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের সিনিয়র নায়েবে আমির মুফতি মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অনলাইনে ভাইরাল হওয়া কার্টুনটি যে নেটিজেনদের ব্যাপক বিনোদনের খোড়াক জুগিয়েছে সেটা তাদের বিভিন্ন মজার মজার মন্তব্য থেকেই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে। অনেকে আবার দলগুলোর মধ্যে তৈরি হওয়া মতানৈক্যের সমালোচনাও করেছে। 

    উল্লেখ্য, প্রত্যাশিত আসনে ছাড় না পেলে ইতোমধ্যেই ১১ দলীয় জোট থেকে বেরিয়ে যাওয়ার আভাস দিয়েছে ইসলামী আন্দোলন। সে নিয়ে টকশো থেকে শুরু করে আলোচনার টেবিল- রাজনীতির বিভিন্ন আঙিনায় কথার ঝড় উঠেছে। সবার মনে এখন একটাই প্রশ্ন, ১১ দলীয় জোটে ইসলামী আন্দোলন কি থাকবে নাকি জোট ভেঙে বেরিয়ে যাবে! রসিকতার ভঙ্গিতে এই বিষয়টিই কার্টুনে ফুটিয়ে তোলা হয়েছে যা ব্যবহারকারীদের ব্যাপক নজর কেড়েছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • তাহসান কি রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন

    বেশ কিছু দিন আগে গান ছাড়ার ঘোষণা দিয়েছেন তাহসান খান। তার আগে ছেড়ে দিয়েছিলেন অভিনয়ও। তবে এরই মধ্যে গুঞ্জন ছড়িয়ে পড়ে তার রাজনীতিতে জড়ানোর। বিষয়টি নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন এই তারকা।

    অস্ট্রেলিয়ায় অবসরের ঘোষণাটা দিয়েছিলেন তাহসান। তবে সেটা এভাবে ছড়িয়ে পড়বে, সেটা ভাবেননি তিনি। তার কথা, ‘অস্ট্রেলিয়ার মেলবোর্নের কনসার্টে যখন গান ছাড়ার কথাটা বলেছি, সে সময় খুব কম মানুষ ছিল। সেটা যে এভাবে সারা দেশে ছড়িয়ে যাবে ভাবিনি। অভিনয় থেকে যেভাবে ধীরে ধীরে বিরতি নিয়েছি, সেভাবে গান থেকেও বিরতি নেব। আমি তো একটু আবেগপ্রবণ, কবি মানুষ। এমনভাবে বলে ফেলেছি যে ছড়িয়ে গেছে। আমার ওই একটা কথার ফলে অনেক কিছু হয়ে গেছে।’

    তাহসানের রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার বিষয়টি চাউর হয় তার অবসরের ঘোষণা দেওয়ার সঙ্গে সঙ্গে। তিনি একটি ধর্মভিত্তিক রাজনীতির দলে যোগ দিয়েছেন, এমন গুঞ্জন উঠেছিল।

    সেটা নজরে পড়েছে তারও। তিনি বলে, ‘একটা জায়গায় দেখলাম, আমার ছবিতে টুপি দিয়ে একটি রাজনৈতিক দলের সঙ্গে জুড়ে দেওয়া হচ্ছে। আমি নাকি রাজনীতি করছি!’

    গেল মাসেও একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে লেকচার দিয়েছেন তাহসান/সংগৃহীত

    যারা এই কাজ করেছেন, তাদের বিষয়ে তাহসান বলেন, ‘আমার কাছে মনে হয় এগুলো পার্ট অব দ্য গেম। একটা খেলার মতো। এখন কিছু মানুষ ভাইরাল হওয়ার নেশায় থাকে। এটা পৃথিবীজুড়েই চলছে। এ কারণে খুব চিন্তা করে কথা বলতে হয়। কোন কথাটা নিয়ে কখন কী হয়ে যাবে, এটা ভাবতে হয়।’

    তাহসান তার গান আর অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যাপনাও চালিয়ে গেছেন। অবসরের পর সেদিকেই বেশি মনোযোগ দেওয়ার বিষয়ে ভাবছেন তাহসান। তিনি জানান, তার মনে হচ্ছে তাকে আরও বেশি পড়তে হবে। তার কথা, ‘প্রত্যেক মানুষের জীবনে নানা অধ্যায় থাকে। প্রথম অধ্যায়ে মনে হয়, কিছুই জানি না। দ্বিতীয় অধ্যায়ে মনে হয়, অনেক জেনে ফেলেছি, আর জানার নেই। আমি ওই অধ্যায়ে ছিলাম। সম্প্রতি মনে হয়েছে, জীবন ও জগৎ সম্পর্কে কিছুই জানি না। আমাকে আরও অনেক পড়াশোনা করতে হবে।’

    তাহসান তার প্রায় কোটি অনুসারী থাকা ফেসবুক পেজ ও ৩৫ লাখেরও বেশি অনুসারী নিয়ে থাকা ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টও ডিঅ্যাক্টিভ করে দিয়েছেন। সে প্রসঙ্গে তিনি জানান, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের বিষাক্ততা থেকে দূরে সরে যেতে চান। 

    তাহসান বলেন, ‘অবসরে যাওয়া মানুষের এসবের প্রয়োজন নেই। আর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অসম্ভব টক্সিক। ভালোটুকুর চেয়ে খারাপের প্রচার এত বেশি যে অনেক দিন থেকেই অসম্ভব বিরক্ত লাগছিল। আমি চাই মানুষ আমাকে আস্তে আস্তে ভুলে যাক। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে থেকে গেলে তো ভুলতে সময় লাগবে।’

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • রাজনৈতিক ইস্যুতে বিভক্ত শিল্পীসমাজ

    ঢাকাই সিনেমার চিত্রনায়িকা নুসরাত ফারিয়া। ১৮ মে থাইল্যান্ড যাবার পথে শাহজালাল বিমানবন্দর থেকে তাকে আটক করে ইমিগ্রেশন পুলিশ। 

    পরবর্তীতে তাকে রাজধানীর ভাটারা থানায় হস্তান্তর করা হয়। সেখান থেকে ডিবি কার্যালয়ে। দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর পর তোলা হয় আদালতে। আদালত তাকে পাঠিয়ে দেন কারাগারে। এরপর ২০ মে জামিন হয় তার। 

    তাকে গ্রেফতার করার কারণ, তার বিরুদ্ধে গৃহিত মামলা। অভিযোগ, জুলাইবিপ্লবে ছাত্র-জনতা হত্যায় স্বৈরাচার হাসিনা ও তার দোসরদের সঙ্গে নুসরাত ফারিয়াও জড়িত। অবশ্য তার বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ আসা অস্বাভাবিক কিছু নয়। কারণ শেখ হাসিনার শাসনামলে হাসিনা তোষণে ব্যস্ত ছিলেন এ নায়িকা। বলেছেন, ‘প্রত্যেক মেয়ের মধ্যে একজন করে শেখ হাসিনা আছেন’। 

    এদিকে নুসরাত ফারিয়াকে গ্রেফতারের পর সামাজিক মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছেন শিল্পীদের একাংশ। তবে একটি পক্ষ বলছে কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ থাকলে বা অপরাধ করলে তাকে শাস্তি পেতেই হবে। শিল্পী হলেই যে আইন তাকে ছাড় দিবে বিষয়টি এমনও নয়। শুধু তাই নয়, ফারিয়ার আগেও রাজনৈতিক মামলা হামলায় পড়েছেন এমন অনেক শিল্পী রয়েছেন। যারা গত ১৬ বছর আওয়ামী সরকারের তোষামোদী করে এসেছেন। 

    জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানে দেশ ছেড়ে পালিয়ে যেতে বাধ্য হন সাবেক প্রধানমন্ত্রী স্বৈরাচার শেখ হাসিনা। তার পলায়নের পর থেকেই আওয়ামী ঘনিষ্ট শিল্পীরা পড়েছেন বিপাকে। অনেকেই আত্মগোপনে চলে যান, কেউবা পালিয়ে গেছেন বিদেশে। আন্দোলন পরবর্তী অনেকের নামে হয়েছে মামলা। ছাত্র-জনতার আন্দোলনকালীন শিল্পীদের মধ্যে কেউ কেউ আন্দোলনে একাত্মতা প্রকাশ করে নেমেছিলেন রাজপথে। আজ তারা বাহ্বা পেলেও, বিপাকে পড়েছেন হাসিনার আশ্রয়ে থাকা শিল্পীরা। তাদের নিয়ে যেমন সমালোচনা হচ্ছে, তেমনি আজ তারা বঞ্চিত হচ্ছেন শোবিজ অঙ্গনে কাজ করা থেকেও। শুধু তাই নয়, আন্দোলনের পক্ষের শিল্পীদের অনেকেই সেসব শিল্পীদের সঙ্গে কাজ করতে অনীহা প্রকাশ করছেন। 

    রাজনৈতিক মারপ্যাচে আওয়ামী ঘনিষ্ট শিল্পীরা পড়ছেন জনতার রোষানলে। শিল্পীদের এমন দুর্ভোগে সামাজিক মাধ্যমে শিল্পী সমাজের একাংশ প্রতিবাদ করলেও, কেউ কেউ রয়েছেন মুখে কুলুপ এঁটে। কারণ, রাজনৈতিক সুবিধাভোগী শিল্পীরা আজ তাদের কর্মের ফল ভোগ করছেন বলেই তাদের মন্তব্য। তাদের মতে, যারা আজ রাজনৈতিক মামলা, হামলার শিকার হচ্ছেন তারা শুধু শিল্পী নয়, রাজনৈতিক সুবিধা নিয়ে নির্দিষ্ট একটি দলের কর্মী হয়েই কাজ করেছেন। তাই ক্ষমতার পালাবদলে আজ তাদের সে হিসাব দেয়া লাগবে এটাই স্বাভাবিক। রাজনৈতিক প্রতিহিংসায় মতাদর্শের পার্থক্যকে কেন্দ্র করে বিগত আওয়ামী সরকারের আমলে কালো তালিকাভুক্ত রাখা হয়েছিল অনেক শিল্পীকে। এটিকেও উদাহরণ হিসাবে তুলে ধরছেন অনেকে। 

    এদিকে সরকার পতনের পর নতুন করে আলোচনায় আসেন ‘মুজিব : একটি জাতির রূপকার’ সিনেমায় অভিনয় করা দু’জন শিল্পী। যাদের মধ্যে রয়েছেন শেখ মুজিবের চরিত্রে অভিনয় করা আরিফিন শুভ ও শেখ হাসিনা চরিত্রের অভিনয় করা নুসরাত ফারিয়া। দু’জনেই তৎকালীন সরকার থেকে এ সিনেমায় অভিনয়ের জন্য বেশ সুযোগ সুবিধাও নিয়েছেন বলে জানা গেছে। আরিফিন শুভ তো প্লটও উপহার পেয়েছিলেন শেখ হাসিনার কাছ থেকে। আন্দোলন পরবর্তী শুভকে সংরক্ষিত কোটায় বরাদ্ধ দেওয়া রাজউকের সেই প্লট বাতিল করা হয়েছে। 

    এ দুজন ছাড়াও আলোচনায় আসেন এ সিনেমায় গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে আরও অভিনয় করেছেন নুসরাত ইমরোজ তিশা (শেখ ফজিলাতুন্নেছা), সাবিলা নূর (শেখ রেহানা), চঞ্চল চৌধুরী (শেখ লুতফর রহমান) প্রমুখ। এ সিনেমাসহ আওয়ামী তোষামোদির জন্য এসব শিল্পীদেরও সামাজিক মাধ্যমে পড়তে হয়েছে সমালোচনার মুখে। নমিনেশন চাওয়া এবং এমপি হওয়া নিয়েও বিপাকে অপু বিশ্বাস এবং ফেরদৌস।  

    এদিকে কোটা সংস্কার আন্দোলন চলাকালীন হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত বিটিভি পরিদর্শক করা, হোয়াটসঅ্যাপে ‘আলো আসবেই’ গ্রুপের স্ক্রিনশট ফাঁস হওয়া এবং গণবিক্ষোভকে উপেক্ষা করে আওয়ামী লীগ সরকারের পক্ষে ছোটপর্দায় শিল্পীদের সংগঠন অভিনয়শিল্পী সংঘের অবস্থান নেওয়ার কারণে শিল্পীদের একাংশ বৈরি পরিস্থিতির মুখোমুখিও হয়েছেন। ছাত্র-জনতার প্রাণহানির ঘটনায় নিরব থাকায় অনেকেই রোষানলে পড়েছেন, আবার অনেকের বিরুদ্ধেই শাস্তির দাবিও উঠেছে। এমতাবস্তায় দেশের শোবিজ অঙ্গনে এখনও বিরাজ করছে অস্থির অবস্থা। শিল্পীদের এ বিভাজন কাজের পরিবেশ নস্ট করছে বলেও মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।

    রিয়েল তন্ময়

  • শিল্পীদের নির্লজ্জভাবে কোনো পক্ষাবলম্বন উচিত নয়: ওমর সানী

    একসময়ের জনপ্রিয় অভিনেতা ওমর সানী বিনোদন জগতের সিনেমা ইন্ডাস্ট্রি থেকে এখন অনেকটাই দূরে সরে গেছেন। তিনি এখন পুরোদস্তুর হোটেল ব্যবসায়ী। ভোজনরসিক হিসাবে নিজেকে পরিচিত করে তুলেছেন। তবে সামাজিক মাধ্যমে বরাবরই তার সরব উপস্থিতি, ভক্ত-অনুরাগীদের নানা তথ্য জানান দেন অভিনেতা। 

    এবার ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানালেন ওমর সানী। সম্প্রতি এক গণমাধ্যমে সাক্ষাৎকারে চলচ্চিত্রাঙ্গনে শিল্পীদের রাজনীতিতে পদার্পণ এবং বর্তমান তরুণ প্রজন্মের আচরণ নিয়ে নিজের খোলামেলা মতামত ব্যক্ত করেন অভিনেতা। ওমর সানী বলেন, শিল্পীদের রাজনীতিতে আসাটা স্বাভাবিক হলেও এ ক্ষেত্রে সংযম ও বিচক্ষণতার পরিচয় দেওয়া অপরিহার্য। 

    পাশাপাশি তরুণ প্রজন্মকে গুরুজন ও আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়ার আহ্বান জানান তিনি। তরুণদের উদ্দেশে ওমর সানী বলেন, তরুণ প্রজন্ম তো যেটা এখন এ মুহূর্তে আছে, তারাও আমাদের জায়গায় আসবে। আমার মনে হয় যে, বড়দের প্রতি, আইনের নিজের প্রতি সম্মানবোধ থাকা উচিত। তাদেরও বোঝা উচিত যে— একদিন আমাকেও তরুণ প্রজন্ম বলবে না। একদিন আমার সন্তানও তরুণ প্রজন্ম হবে। সো এটাই ভাবা উচিত।

    অভিনেতা বলেন, আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হওয়া উচিত। আর শিল্পীরা রাজনীতি করবে। দেখুন আমাদের পার্শ্ববর্তী দেশে তো সব শিল্পীই রাজনীতি করে। তাদের তো কোনো অসুবিধা হয় না। যে শিল্পী বেশি বাড়াবাড়ি করেছে, এই বাড়াবাড়িটা কোনো জায়গায় করা উচিত না। 

    তিনি আরও বলেন, যারা বেশি বাড়াবাড়ি করেছে, তারা শিক্ষা তো পাচ্ছে। কিন্তু কোনো কিছুতেই বাড়াবাড়ি করাটা উচিত না। আমার মনে হয় আমি যে রকম এখনো বলি যে, আমি মুক্ত আকাশে কথা বলতে পারছি। যেটা আগে ১৬ বছরে ছিল না।

    ওমর সানী বলেন, শিল্পীদের নির্লজ্জভাবে কোনো পক্ষাবলম্বন না করে নিজের শিল্পীসত্তাকে গুরুত্ব দেওয়ার ওপর জোর দেওয়া উচিত। তিনি বলেন, আমাদের শিল্পীদের মধ্যে এতটা নির্লজ্জ হওয়া উচিত না। আমাদের ওই নির্লজ্জের জায়গা থেকে বেরিয়ে আসতে হবে। আমরা যে শিল্পী, সেটিই ভাবা উচিত বলে আমি মনে করি। 

    এ অভিনেতা বলেন, আমার মনে হয় যে, দেখেশুনে ও বুঝে তারপর কথা বলা উচিত। খুবই ব্যালেন্স ওয়েতে যদি আমরা শিল্পীরা থাকি। কারণ শিল্পীরা যে অভিনয় করে, তাদের ভালোবাসার মানুষ হিসেবে গ্রহণ করার জন্য আওয়ামী লীগ থেকে আছে, বিএনপির থেকে, জামায়াত, জাতীয় পার্টির থেকে আছে— সব জায়গা থেকেই তো শিল্পীদের ভালোবাসে। তার জন্য শিল্পীদের নির্লজ্জ হওয়া উচিত না।

    ওমর সানী কিছুটা আক্ষেপ প্রকাশ করলেও তা নিজের মধ্যেই রাখতে চান। তিনি বলেন, কিছু জিনিস যদি সবটাই বিলিয়ে দিই, তাহলে তো হবে না। আক্ষেপটা আমার ভেতরেই থাক। হাসিটা এবং ভালো কথাগুলো তোমাদের মাঝে বিলিয়ে দিই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আ.লীগ থেকে বিএনপির ছায়াতলে ডিপজল

    সিনেমার পাশাপাশি রাজনীতির সঙ্গেও জড়িয়ে আছে ঢাকাই চলচ্চিত্রের অভিনেতা ডিপজলের নাম। একসময় বিএনপির রাজনীতি করতেন। গত সরকারের আমলে আওয়ামী লীগের হয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সরব উপস্থিতি ছিল তার।  পালন করছেন বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদকের দায়িত্ব।

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন খল অভিনেতা মনোয়ার হোসেন ডিপজল, তবে সাড়া পাননি। এবার বিজয় দিবস উপলক্ষ্যে বিএনপির ব্যানারে রাজনীতির মাঠে আলোচনায় আসলেন ডিপজল।

    তিনি মহান বিজয় দিবসে সবাইকে শুভেচ্ছা জানিয়ে প্রকাশ করেছেন পোস্টার। আর তাতেই শুরু হয়েছে সমালোচনা। কারণ—রাজনৈতিক দৃষ্টিভঙ্গিতে ডিজাইন করা পোস্টার। আরও সুনির্দিষ্ট করে বললে, আওয়ামী লীগের মনোনয়ন কেনা ও বিএনপির রাজনীতিকে অস্বীকার করে আসা এ তারকার পোস্টারে এখন বিএনপির শীর্ষ তিন নেতার ছবি এবং স্লোগান। তাতে ব্যবহার করেছেন জিয়াউর রহমান, খালেদা জিয়া ও তারেক রহমানের ছবি।

    ক্যাপশনে ডিপজল লিখেছেন, ‘১৬ ডিসেম্বর মহান বিজয় দিবস। যাদের মহান আত্মত্যাগে আমাদের এই স্বাধীনতা, সেই সব বীর শহিদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধাঞ্জলি। লাখো শহিদের রক্তে লেখা, বিজয়ের এই ইতিহাস, মুক্তির বার্তা নিয়ে বারবার ফিরে আসুক ডিসেম্বর মাস।’

    পোস্টারে বিএনপির নেতাদের ছবি ব্যবহার করায় সমালোচনার মুখে পড়েছেন ডিপজল। কারণ, বিগত সরকারের সময় আওয়ামী লীগের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা পালন করেছেন তিনি।

    ২০১৮ সালে একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের সময় ঢাকা-১৪ আসন থেকে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র কেনেন ডিপজল। ২০২১ সালেও ঢাকা-১৪ আসনের উপনির্বাচনে আওয়ামী লীগের মনোনয়নপত্র সংগ্রহ করতে গিয়েছিলেন। গত আগস্টে সরকার পতনের পর তার নামে হয়েছে একাধিক মামলা। অনেকে বলছেন, মামলা থেকে রেহাই পেতেই ভোল পালটেছেন ডিপজল।

    ডিপজলের দল পালটানোর নীতি নতুন কিছু নয়। এর আগে ১৯৯৪ সালে বিএনপির সমর্থন নিয়ে ঢাকার ৯ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর ছিলেন। পরবর্তী সময়ে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় এলে নিজেকে আওয়ামী লীগের কর্মী বলে দাবি করেন তিনি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভাইরাল হওয়া সেই পোস্ট নিয়ে যা বললেন শবনম ফারিয়া

    বিনোদন জগতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া অভিনয় দক্ষতা দিয়ে দর্শকমহলে ব্যাপক পরিচিত পেয়েছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও বেশ সরব তিনি। এ অভিনেত্রীর একটি ভুয়া পোস্ট সম্প্রতি ভাইরাল হয়েছে। যেখানে উল্লেখ করা হয়েছে— হাসিনা সরকার দেশ পরিচালনার সময় অভিনেত্রীকে কোনো পোস্ট ডিলিট করতে হয়নি । 

    এ ঘটনার তিন দিন পর ফারিয়ার ভাইরাল হওয়া ভুয়া পোস্টের ব্যাখ্যা দিয়েছেন তিনি—গত ১৫ বছরে হাসিনা সরকার দেশ পরিচালনার সময় কয়েক হাজার পোস্ট ডিলিট করেছেন। 

    এই ভুয়া পোস্টের ছবি শেয়ার করে অভিনেত্রী লিখেছেন— আমি গত তিন দিন ধরে জ্বরে আক্রান্ত। আমি কোনো পোস্ট করিনি কোনো বিষয়ে। বিশেষ করে রাজনীতিবিষয়ক, এই পোস্ট সম্পূর্ণ এডিটেড। এর সঙ্গে আমার কোনো সম্পৃক্ততা নেই।

    কয়েক হাজার পোস্ট ডিলিট করা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আপনাদের অবস্থা এত খারাপ যে, এখন এডিট করে অন্যদের নামে পোস্ট চালায় নিজেদের কথা বলতে হচ্ছে। শবনম বলেন, আমি এই পোস্ট দিয়েছি ভেবে যারা খুশি, তারা প্লিজ খুশি হইয়েন না। আবার লিখেছে ১৫ বছরে নাকি কোনো পোস্ট ডিলিট করতে হয়নি। গত ১৫ বছরে কয়েক হাজার পোস্ট ডিলিট করতে হয়েছে।

    অভিনেত্রী বলেন, স্ট্যাটাস দেওয়ার ৫ মিনিটে কল চলে আসত— আপা ডিলিট করেন, সমস্যা হবে, অন্যদের মতো তেল মারিনি দেখে কোনো সুযোগ-সুবিধাও পাইনি। তিনি বলেন, আমার আলোও আসেনি। আর এমন কোনো স্টেটমেন্ট দিলে সেটি রাখার সাহসও রাখি।

    বিনোদন ডেস্ক