Tag: রাজনীতি

  • এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে লইট্টা মাছ রান্নার গন্ধে আকৃষ্ট হলেন রুপা গাঙ্গুলি, অতঃপর…

    অভিনেত্রী থেকে রাজনীতিক— দুই পরিচয়েই সমানভাবে পরিচিত রুপা গাঙ্গুলি। সম্প্রতি নিজের নির্বাচনি এলাকা পরিদর্শনে গিয়ে এক ব্যতিক্রমী ঘটনার জন্ম দিয়েছেন তিনি। রাস্তা দিয়ে যাওয়ার সময় একটি বাড়ি থেকে ভেসে আসা লইট্টা মাছ রান্নার গন্ধে আকৃষ্ট হয়ে সরাসরি সেই বাড়িতে ঢুকে খাবার খেয়েছেন এই সংসদ সদস্য।

    বিআর চোপড়ার জনপ্রিয় টেলিভিশন ধারাবাহিক মহাভারতে দ্রৌপদী চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে সারা ভারতে পরিচিতি পাওয়া রুপা গাঙ্গুলি পরবর্তীতে রাজনীতিতে যোগ দেন। সাম্প্রতিক নির্বাচনে জয়লাভের পর তিনি এখন সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

    ভারতীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, বৃহস্পতিবার নিজের নির্বাচনি এলাকা সোনারপুর দক্ষিণে দলীয় নেতাকর্মীদের সঙ্গে পরিদর্শনে বের হন রুপা গাঙ্গুলি। এ সময় একটি বাড়ির পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় তিনি লইট্টা মাছ রান্নার গন্ধ পান।

    গন্ধে মুগ্ধ হয়ে তিনি সঙ্গে থাকা কর্মীদের কাছে জানতে চান, কোন বাড়ি থেকে রান্নার সুবাস আসছে। পরে বাড়িটি শনাক্ত হলে জানালার কাছে গিয়ে নিজেই বাসার গৃহকর্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন। রান্না হওয়া মাছের বিষয়ে নিশ্চিত হওয়ার পর তিনি মজা করে জানান, লইট্টা মাছ খেতে তার ইচ্ছা করছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গৃহকর্ত্রীও সাদরে তাকে আমন্ত্রণ জানান। এরপর রুপা গাঙ্গুলি বাড়ির ভেতরে প্রবেশ করে সাধারণ আয়োজনেই খাবার গ্রহণ করেন। হাত ধুয়ে স্টিলের প্লেট ও চামচে ভাতের সঙ্গে লইট্টা মাছের তরকারি খেতে বসেন তিনি। 

    পরে এ বিষয়ে প্রতিক্রিয়া জানিয়ে রুপা গাঙ্গুলি বলেন, ‘গন্ধটা দারুণ বেরোচ্ছিল। তাই আর লোভ সামলাতে পারিনি।’ 

    ঘটনাটি স্থানীয়দের মধ্যে বেশ কৌতূহল সৃষ্টি করেছে। একজন সংসদ সদস্যের এমন অনাড়ম্বর আচরণ এবং সাধারণ মানুষের বাড়িতে গিয়ে তাদের সঙ্গে খাবার ভাগ করে নেওয়ার বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও আলোচনার জন্ম দিয়েছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘হতে পারে কোয়েল ভুল সিঁড়িতে পা দিয়েছিলেন’

    রাজ্যসভার সদস্যপদ থেকে অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক-এর পদত্যাগ নিয়ে মন্তব্য করেছেন অভিনেতা ও সংসদ সদস্য রুদ্রনীল ঘোষ। তার মতে, কোয়েল হয়তো এমন একটি পথে পা রেখেছিলেন, যা সম্পর্কে তার ধারণা বাস্তবতার সঙ্গে মেলেনি।

    চলতি বছরের এপ্রিলে তৃণমূল কংগ্রেসের মনোনয়নে রাজ্যসভার সদস্য হিসেবে শপথ নিয়েছিলেন কোয়েল মল্লিক। তবে মাত্র ৬৬ দিনের মাথায় শুক্রবার (১২ জুন) তিনি পদত্যাগ করেন। এ সিদ্ধান্ত ঘিরে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

    শনিবার (১৩ জুন) ‘আবার হাওয়া বদল’ সিনেমার প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিষয়টি নিয়ে নিজের মতামত জানান রুদ্রনীল ঘোষ।

    তিনি বলেন, ‘কোয়েল অত্যন্ত ভদ্র ও সজ্জন একজন মানুষ। মানুষের জানা ও অজানার মাঝখানে অনেক সময় কিছু সিঁড়ি থাকে। হতে পারে তিনি কোনো ভুল সিঁড়িতে পা দিয়েছিলেন। পরে তার মনে হয়েছে, এই সিঁড়ি তো তাকে সেই জায়গায় নিয়ে যাচ্ছে না, যেখানে যাওয়ার কথা ভেবেছিলেন।’

    কোয়েলের সিদ্ধান্তকে সম্মান জানিয়ে রুদ্রনীল আরও বলেন, ‘তিনি একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষ। নিজের বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। আমার কাছে তিনি অত্যন্ত রুচিশীলা, গুণী এবং প্রিয় একজন মানুষ।’

    এদিকে নিজের সিনেমা ‘আবার হাওয়া বদল’ নিয়ে কথা বলতে গিয়ে অতীতের নানা প্রতিবন্ধকতার প্রসঙ্গও তোলেন তিনি। রুদ্রনীলের দাবি, ছবিটি ২০২৫ সালের ডিসেম্বরে মুক্তির পরিকল্পনা থাকলেও তা সম্ভব হয়নি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তার ভাষায়, ‘যারা ছবিটি মুক্তি পেতে দেয়নি, মানুষ এখন তাদের ভুলে গেছে। তারা নিজেরাই নিজেদের অবস্থান নিয়ে দ্বিধায় আছে। কিন্তু এর মধ্যেই ‘আবার হাওয়া বদল’ দর্শকদের সামনে এসেছে। মন খারাপের সময়েও এই সিনেমা মানুষের মুখে হাসি ফোটাবে বলে আমি বিশ্বাস করি।’

    প্রিমিয়ার অনুষ্ঠানে রাজ্যের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক প্রসঙ্গ নিয়েও মন্তব্য করেন রুদ্রনীল। তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ সম্পর্কে তিনি রসিকতার সুরে বলেন, ‘কুণাল ঘোষ আমার কাছে সবসময়ই এক বিস্ময়ের নাম। তার বক্তব্য নিয়ে অনেকেই আলোচনা করেন।’ 

    সাম্প্রতিক ‘ডিম-রাজনীতি’ নিয়েও মন্তব্য করেন এই সংসদ সদস্য। তিনি বলেন, ‘ডিমের ব্যবহার হওয়া উচিত অমলেট বা সেদ্ধ তৈরির জন্য। যেভাবে ডিম নষ্ট করা হচ্ছে, আমি তার বিরোধী। এ ধরনের অপচয় বন্ধ হওয়া উচিত।’ 

    কোয়েল মল্লিকের পদত্যাগ নিয়ে নানা জল্পনা চললেও এ বিষয়ে অভিনেত্রীর পক্ষ থেকে এখনো বিস্তারিত কোনো ব্যাখ্যা প্রকাশ করা হয়নি। তবে রুদ্রনীলের মন্তব্য নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজ্যসভার সদস্যপদ ছাড়তে পারেন অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিক

    গত ফেব্রুয়ারি মাসে রাজ্যসভা নির্বাচনে দলের প্রার্থিতালিকা ঘোষণা করেছিল তৃণমূল কংগ্রেস। সেখানে ছিল জনপ্রিয় অভিনেত্রী কোয়েল মল্লিকের নাম। রাজ্য পুলিশের সাবেক ডিজি রাজীব কুমার, রাজ্যের সাবেক মন্ত্রী বাবুল সুপ্রিয়, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মেনকা গুরুস্বামী ছাড়াও ছিলেন কোয়েল মল্লিক। 

    তবে এর কয়েক দিন আগে তদানীন্তন রাজ্যসরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পের খতিয়ান নিয়ে মল্লিকবাড়িতে গিয়েছিলেন তৃণমূলের অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর এপ্রিল মাসে দিল্লিতে রাজ্যসভার সংসদ সদস্যপদে শপথ নিতে যান অভিনেত্রী। সঙ্গে ছিল তার গোটা পরিবার। 

    কোয়েল মল্লিক রাজনীতিতে যেতে ইচ্ছুক— এমনটি আগে কখনো শোনা যায়নি। ফলে গত এপ্রিল মাসে কোয়েল তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভায় যেতে রাজি হয়েছেন শুনে বেশ বিস্মিত হয়েছিলেন তার ঘনিষ্ঠরা। কেউ কেউ এমনও বলেছিলেন— তার হয়ে অন্য কেউ-ই এ প্রস্তাব গ্রহণ করেছেন। 

    শপথের পর অভিনেত্রী বলেছিলেন— অনেক ভেবে যে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম, তা নয়। এটা তো একটা মহৎ দায়িত্ব, দেশের সেবা, মানুষের সেবা— এর থেকে তো বড় মহৎ কাজ হতে পারে না। সেই জায়গা থেকে আমি নিজেকে ভীষণ ভাগ্যবতী মনে করি যে, আমার নাম মনোনীত হয়েছে এবং আমি এত গুরুত্বপূর্ণ একটা জায়গায় আসতে পেরেছি। 

    কোয়েলের রাজ্যসভার পদ ছাড়ার প্রসঙ্গ উঠতেই সেসব কথা ফিরে আসছে সামাজিক মাধ্যমসহ নানা মহলে। রাজ্যে পালাবদলের পর তৃণমূলে লাগাতার ধস অব্যাহত। অভিনেত্রীও কি সেই পথেরই পথিক? অভিনেত্রী কি দিল্লির পথে রওনা দিয়েছেন? 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এখন পালাবদলের সময়। যাদের হয়ে রাজ্যসভায় গিয়েছিলেন কোয়েল, সেই তৃণমূলে ভাঙন ধরেছে। কিন্তু তৃণমূলের ‘বিদ্রোহী’ সদস্যদের দলে কোয়েল যোগদান করবেন না। সম্মান রেখে রাজনীতি থেকে দূরেই থাকবেন তিনি। অভিনেত্রীকে যারা কাছ থেকে চেনেন, তারা অন্তত এমনই মনে করছেন। প্রসঙ্গত সোমবার (৮ জুন) সকাল থেকে কোয়েলের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি নিশ্চুপ। মেলেনি এ সংক্রান্ত কোনো উত্তর।

    তৃণমূলের একটি সূত্র জানিয়েছিল, কোয়েলের যেহেতু পাঞ্জাবি পরিবারে বিয়ে, তাই তাকে রাজ্যসভায় পাঠিয়ে নাকি ভবানীপুরের পাঞ্জাবি ভোটারদের কাছে বার্তা দিতে চেয়েছিলেন তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু ভোটের ফলে এই অঙ্ক ভ্রান্ত প্রমাণিত হয়েছে। ভবানীপুরে পাঞ্জাবিদের ভোট এমন কিছু বেশি নয়। ফলে কোয়েলকে রাজ্যসভায় পাঠানোটা ‘তেলা মাথায় অতিরিক্ত তেল’ দেওয়ার মতো ঘটনা বলে অনেকে মনে করেন।

    দলের অন্দরে কান পাতলে আর একটা কথাও শোনা যায়। কোয়েলের স্বামী বর্তমানে প্রযোজনা ছাড়াও কিছু রিয়েল এস্টেটের কাজের সঙ্গে যুক্ত। রিয়েল এস্টেট ব্যবসার স্বার্থেই নাকি তিনি কোয়েলকে মমতার অনুরোধ ফেলতে বারণ করেন। কোয়েল-ঘনিষ্ঠ এক অভিনেতা অবশ্য এ সম্ভাবনা উড়িয়ে দেন। 

    এমনকি তৃণমূলের হয়ে রাজ্যসভায় যাওয়ার পরও কোয়েলের অভিনেতা পিতা রঞ্জিত মল্লিক বলেছিলেন, কোয়েল বড় হয়েছে। বুঝদার মেয়ে। ওকে আলাদা করে বলার কিছু নেই। খুবই বুদ্ধি নিয়ে কাজ করে। এ ক্ষেত্রেও তেমনই করবে। বাবা হিসাবে যা যা বলার সেটুকু বলেছি। সৎপথে থেকে ভালো কাজ করুক— এটাই চাওয়া।

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে রাজনীতিতে গিয়েও সরে আসেন অমিতাভ

    বলিউড ‘শাহেনশাহ’ হিসেবে অমিতাভ বচ্চনের সাফল্যের গল্প সবারই জানা। কিন্তু তার জীবনের এমন একটি অধ্যায় রয়েছে, যা নিয়ে আজও আলোচনা হয়। অভিনয়ের জগতে অপ্রতিদ্বন্দ্বী সাফল্যের পর ১৯৮৪ সালে তিনি রাজনীতিতে পা রেখেছিলেন। সেই সিদ্ধান্ত তাকে যেমন বিপুল জনসমর্থন এনে দিয়েছিল, ঠিক তেমনই কয়েক বছরের মধ্যেই বিতর্ক— অভিযোগ ও হতাশার মুখোমুখিও হতে হয়েছিল। পরে নিজেই স্বীকার করেছিলেন, রাজনীতিতে যোগ দেওয়া ছিল তার জীবনের একটি ‘ভুল সিদ্ধান্ত’।

    ১৯৮২ সালে ‘কুলি’ সিনেমার শুটিংয়ের সময় ভয়াবহ দুর্ঘটনার কবলে পড়েন কিংবদন্তি অভিনেতা অমিতাভ বচ্চন। মৃত্যুর সঙ্গে লড়াই করে ফিরে আসেন তিনি। সেই সময় গোটা দেশ তার সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করেছিল। এ ঘটনার পর তার জনপ্রিয়তা আকাশছোঁয়া হয়ে ওঠে। অনেকের মতে, সেই সময় দেশের সবচেয়ে প্রভাবশালী চলচ্চিত্র তারকাদের একজন হয়ে উঠেছিলেন অমিতাভ বচ্চন।

    এর কিছু দিন পরেই ঘটে ভারতের রাজনৈতিক ইতিহাসের এক গুরুত্বপূর্ণ ঘটনা। ১৯৮৪ সালের ৩১ অক্টোবর আততায়ীর গুলিতে নিহত হন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধী। তার মৃত্যুর পর দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি অস্থির হয়ে ওঠে। সেই সময় প্রধানমন্ত্রী হওয়ার পথে এগিয়ে আসেন ইন্দিরাপুত্র রাজিব গান্ধী, যিনি ছিলেন অমিতাভের দীর্ঘদিনের বন্ধু।

    বচ্চন পরিবারের সঙ্গে নেহরু-গান্ধী পরিবারের সম্পর্ক ছিল বহু পুরোনো। অমিতাভের বাবা হরিবংশ রাই বচ্চন ও জওহরলাল নেহরুর মধ্যে ঘনিষ্ঠ বন্ধুত্ব ছিল। অন্যদিকে অমিতাভের মা তেজি বচ্চন ও ইন্দিরা গান্ধীর সম্পর্কও ছিল অত্যন্ত আন্তরিক। সেই পারিবারিক বন্ধন এবং রাজীব গান্ধীর অনুরোধেই তিনি রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। পরে একাধিক সাক্ষাৎকারে অমিতাভ বলেন, এটি ছিল সম্পূর্ণ আবেগের বশে নেওয়া সিদ্ধান্ত। তিনি বন্ধুর পাশে দাঁড়াতে চেয়েছিলেন মাত্র। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    লোকসভা নির্বাচনে উত্তরপ্রদেশের এলাহাবাদ কেন্দ্র থেকে কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে লড়েন অমিতাভ বচ্চন। তার বিপক্ষে ছিলেন বর্ষীয়ান নেতা হেমবতী নন্দন কিন্তু নির্বাচনি প্রচারের সময় থেকেই নিজের অস্বস্তি অনুভব করতে শুরু করেছিলেন অভিনেতা। প্রচারের মাঝপথেই তার মনে হয়েছিল, এ কাজের জন্য তিনি যথেষ্ট প্রস্তুত নন। এমনকি এক রাতে তিনি হাল ছেড়ে দেওয়ার কথাও ভেবেছিলেন। কিন্তু তার মা তাকে লড়াই চালিয়ে যেতে উৎসাহ দেন। 

    বিপুল ব্যবধানে জয়ী হয়ে সংসদে প্রবেশ করেন বিগ বি। সংসদে প্রবেশের পর অমিতাভ চেষ্টা করেছিলেন সক্রিয় সংসদ সদস্য হিসেবে কাজ করতে। 

    এলাহাবাদের উন্নয়ন নিয়ে অভিনেতা অত্যন্ত আগ্রহী ছিলেন। স্থানীয় সমস্যার সমাধান, স্বাস্থ্য পরিষেবা উন্নয়ন এবং বিভিন্ন সামাজিক প্রকল্প নিয়ে কাজ করার চেষ্টা করেন। এমনকি গ্রামের মানুষের জন্য চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দিতে মেডিকেল ভ্যান চালুর উদ্যোগও নিয়েছিলেন। কিন্তু রাজনৈতিক মহলের অনেকেই তাকে ‘বহিরাগত’ হিসেবে দেখতেন। দলের ভেতরেও তার দ্রুত জনপ্রিয়তা অনেকের কাছে অস্বস্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। ধীরে ধীরে তিনি বুঝতে পারেন, রাজনীতি শুধু সদিচ্ছা বা জনপ্রিয়তার ওপর নির্ভর করে না। এখানে রয়েছে জটিল সমীকরণ— ক্ষমতার লড়াই এবং সংগঠনের রাজনীতি। 

    তিনি বলেন, রাজনীতিতে সফল হতে যে ধরনের দক্ষতা প্রয়োজন, তা তার মধ্যে ছিল না। এরই মধ্যে তার জীবনে নেমে আসে সবচেয়ে বড় ঝড়। ১৯৮৭ সালে প্রকাশ্যে আসে বহুল আলোচিত বোফর্স কেলেঙ্কারি। 

    অভিযোগ ওঠে, সুইডিশ অস্ত্র প্রস্তুতকারী সংস্থা বোফর্স ভারতের সঙ্গে চুক্তি করতে গিয়ে ঘুস দিয়েছিল। এ বিতর্কে অমিতাভ বচ্চন এবং তার ভাই অজিতাভ বচ্চনের নামও জড়িয়ে যায়। বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে দাবি করা হয়, তাদের বিদেশি ব্যাংক অ্যাকাউন্টে অর্থ জমা হয়েছে।

    যদিও অমিতাভ প্রথম থেকেই সব অভিযোগ অস্বীকার করেন। পরে লন্ডনে একটি সংবাদপত্রের বিরুদ্ধে মানহানির মামলাও করেন। আদালতে সেই অভিযোগের কোনো ভিত্তি প্রমাণিত হয়নি। বহু বছর পর তদন্তকারী সংস্থাগুলোও তাকে ক্লিনচিট দেয়। এমনকি বোফর্স মামলার এক সুইডিশ হুইসেলব্লোয়ারও পরে বলেন, অমিতাভকে ভুলভাবে এ মামলায় জড়ানো হয়েছিল। তবু এ বিতর্ক তার ভাবমূর্তিতে গভীর আঘাত হানে।

    রাজনীতির এ অভিজ্ঞতা অমিতাভ বচ্চনকে মানসিকভাবে ভেঙে দিয়েছিল। তিনি পরে এই সময়টিকে নিজের জীবনের ‘নরকসম’ অধ্যায় বলে বর্ণনা করেছিলেন। এ বর্ষীয়ান অভিনেতা বলেন, বিনোদন জগতের সমালোচনা বা বিতর্ক সামলানোর অভিজ্ঞতা থাকলেও রাজনৈতিক আক্রমণের প্রকৃতি তিনি বুঝতে পারেননি। ফলে ক্রমশ রাজনীতির প্রতি তার অনীহা বাড়তে থাকে। অবশেষে মাত্র তিন বছরের মাথায়, ১৯৮৭ সালে সংসদ সদস্যপদ থেকে ইস্তফা দেন অমিতাভ বচ্চন। 

    তিনি চলচ্চিত্র জগতে ফিরে আসেন এবং আর কখনো সক্রিয় রাজনীতিতে ফেরেননি। পরবর্তী সময়ে একাধিকবার তিনি বলেছেন— রাজনীতিতে প্রবেশ করা ছিল আবেগপ্রসূত সিদ্ধান্ত এবং সেটি তিনি আর কখনো পুনরাবৃত্তি করবেন না। তবে আজও একটি আক্ষেপ তাকে তাড়া করে বেড়ায়। তিনি স্বীকার করেছেন— নির্বাচনি প্রচারে এলাহাবাদের মানুষকে যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন, সেগুলোর অনেকটাই তিনি পূরণ করতে পারেননি। সেই ব্যর্থতার বোধ এখনো তার মনে রয়ে গেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজেপির মঞ্চে যশ, দলে ফিরছেন অভিনেতা?

    পশ্চিমবঙ্গে রাজনৈতিক পালাবদল হয়েছে। জোড়া ফুলের বদলে ফুটেছে পদ্ম। রাজ্য নতুন হাওয়া বইতেই টালিউড অভিনেতা যশ দাশগুপ্তও মুখ্যমন্ত্রীর কাছে চিঠি পাঠান। একটা সময় সক্রিয়ভাবে বিজেপির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। বিজেপির হয়ে ভোটেও দাঁড়িয়েছিলেন। কিন্তু এসেছিল পরাজয়। 

    সেই থেকে আর অভিনেতাকে সেভাবে রাজনীতির মঞ্চে দেখা যায়নি। এরপর পালাবদল হতেই নিজের অবস্থানের কথা জানিয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে চিঠি পাঠান অভিনেতা। এরপর বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে বিজেপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে দেখা গেল যশ দাশগুপ্তকে।

    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিশ্ব পরিবেশ দিবস উপলক্ষ্যে বিজেপি আয়োজিত অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছেন যশ দাশগুপ্ত। আবারও তিনি ফিরেছেন দলে। মঞ্চ থেকে অভিনেতাকে বলতে শোনা যায়, ‘৪ তারিখের পর থেকে সবাই নিশ্চয়ই খুব ভালো আছেন। আরেকটি জিনিস আমি খবর পেয়েছিলাম। আমার মনে হলো— পশ্চিমবঙ্গে ডিমটা খুব শক্ত হয়ে গেছে।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    যশ দাশগুপ্ত বলেন, যারা যারা বিজেপি করেছেন, তাদের এত বছর কী সংঘর্ষ করতে হয়েছে আমরা সবাই জানি। এখানে যদি এক একটা মানুষকে জিজ্ঞাসা করা হয়, তাহলে সবার কাছে একটা গল্প থাকবে যে, তাদের কীসের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে। কিন্তু আজকের দিনটি খুবই ভালো একটি কাজের জন্য। এরপরই দেখা যায় তিনি গাছ লাগান। নিজে হাতে সেই গাছে পানিও দেন।

    এর আগে যশ দাশগুপ্ত নিরাপত্তা ফিরিয়ে দেওয়ার আর্জি জানিয়ে রাজ্য সরকারকে ইমেইল করেছিলেন। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির টিকিটে হুগলির চণ্ডীতলা কেন্দ্র থেকে লড়ার পর থেকেই টালিউডে কার্যত একঘরে তিনি।

    তবে স্ত্রী নুসরাত জাহান ২০১৯ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত তৃণমূল কংগ্রেসের সংসদ সদস্য ছিলেন। সেই প্রসঙ্গ টেনে অভিনেতা লিখেছিলেন— স্ত্রীর রাজনৈতিক ক্ষেত্রে অন্য শিবিরের হলেও বিজেপির প্রতি তার নিজের আদর্শ থেকে কখনো সরেননি। আদর্শগতভাবে কখনো আপস করেননি তিনি। এমনকি কাজের ক্ষেত্রে বা অন্য কোনো ক্ষেত্রে রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়ে মাথা নত করেননি। তিনি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তাই সুরক্ষা চেয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে চিঠি লিখলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন ভূমি

    বাবা সতীশ পেডনেকর একসময় ছিলেন তুখোড় রাজনীতিবিদ। মহারাষ্ট্রের শ্রমমন্ত্রীও ছিলেন তিনি। সেই পথেই কি হাঁটছেন কন্যা বলিউড অভিনেত্রী ভূমি পেডনেকর? এমন প্রশ্নের মুখোমুখি অভিনেত্রী।

    যে কোনো বিষয় নিয়ে স্পষ্ট মতামত দেন অভিনেত্রী। সামাজিক হোক কিংবা রাজনৈতিক— শক্তিশালী মন্তব্য করতে পিছপা হন না তিনি। তাই প্রশ্ন ওঠে— এবার সত্যি কি তিনি রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন? সম্প্রতি এক অনুষ্ঠানে রাজনীতি নিয়ে প্রশ্ন করতেই দ্রুতই উত্তর দেন ভূমি পেডনেকর। তিনি বলেন, দেখুন, আমার রক্তেই দেশের সেবা রয়েছে। এবার সেটা যেভাবেই হোক, নিজের সিনেমার মাধ্যমেও আমি সেটাই করার চেষ্টা করছি।

    তবে রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার ইচ্ছা উড়িয়ে দেননি অভিনেত্রী। ভূমি পেডনেকর বলেন, আমার কাছে যদি আরও গভীর ভাবে দেশের কাজ করার সুযোগ আসে, তাহলে কেন করব না? 

    নিজের মতাদর্শ নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, খুব সাধারণ একটি আদর্শে বিশ্বাসী আমি। আমি শুধু যতটা সম্ভব দেশের সেবাই করতে চাই।

    উল্লেখ্য, ভূমি পেডনেকর শেষ মুক্তিপ্রাপ্ত ছবি ‘দলদল’। সিনেমাটি ওটিটিতে মুক্তি পায় এবং সাড়া ফেলে। তার আগে ‘ভক্ষক’ নামেও একটি সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি, যেখানে রয়েছে সামাজিক বার্তা। অনুভব সিনহার ‘ভিড়’ সিনেমাতেও অভিনয় করেছিলেন ভূমি পেডনেকর।

    বিনোদন ডেস্ক

  • চুলের রঙ নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্ক! কোরীয় র‌্যাপারের ক্ষমা প্রার্থনা

    আসন্ন তৃতীয় স্থানীয় নির্বাচনকে সামনে রেখে দক্ষিণ কোরিয়ার বিনোদন জগতে তৈরি হলো এক অদ্ভুত ‘রাজনৈতিক রঙ’ বিতর্ক। লাল রঙের পোশাক এবং লাল চুলের ছবি পোস্ট করে নেটিজেনদের তোপের মুখে পড়েছেন দেশটির তরুণ গায়িকা লি ইয়ং-জি। 

    তবে বিতর্ক ডালপালা মেলার আগেই তিনি ক্ষমা চেয়ে পোস্টটি ডিলিট করে দেন। কিন্তু পরিস্থিতি শান্ত হতে না হতেই এ বিষয়ে নিজের ক্ষোভ উগরে দিয়ে এটিকে নতুন করে উসকে দিয়েছেন গায়ক জে কে কিম ডং-উক। 

    বিতর্কের সূত্রপাত রোববার (৩১ মে)। এদিন গায়িকা লি ইয়ং-জি তার ইনস্টাগ্রামে লাল চুল ও লাল রঙের পোশাক পরা একটি সেলফি পোস্ট করেন। ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক হিসেবে তিনি যুক্ত করেছিলেন কর্টিস ব্যান্ডের ‘REDRED’ গানটি। 

    সামনেই দক্ষিণ কোরিয়ায় নির্বাচন থাকায় নেটিজেন ও সমালোচকদের একটি বড় অংশ দাবি করতে থাকেন, এই ‘লাল’ রঙ দিয়ে লি ইয়ং-জি মূলত একটি নির্দিষ্ট রাজনৈতিক দলকে সমর্থন করছেন। 

    কোরিয়ায় সাধারণত নির্বাচনের আগে বিনোদন অঙ্গনের তারকারা আঙুল দিয়ে কোনো প্রতীক দেখানো বা নির্দিষ্ট রঙের পোশাক পরা থেকে বিরত থাকেন, যেন তাদের ঘিরে কোনো রাজনৈতিক পক্ষপাতিত্বের প্রশ্ন না ওঠে। 

    বিতর্ক দানা বাঁধতেই লি ইয়ং-জি দেরি না করে পোস্টটি মুছে ফেলেন এবং কালো চুলে ডাই করা নতুন ছবি পোস্ট করে ক্ষমা প্রার্থনা করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নতুন বার্তা দেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, ‘আমি স্পষ্ট জানতাম এটি একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ সময়, তাও অসচেতনভাবে ছবিটি পোস্ট করে ফেলেছিলাম। আমি অজ্ঞতার অজুহাত দিয়ে লুকিয়ে থাকতে চাই না। নিজের এই অবিবেচকের মতো আচরণের জন্য আমি ক্ষমাপ্রার্থী এবং এটি থেকে আমি শিক্ষা নেব।’ 

    লি ইয়ং-জির দ্রুত ক্ষমা চাওয়ার পর পরিস্থিতি যখন প্রায় শান্ত, তখনই এ বিষয়ে মুখ খোলেন আরেক গায়ক জে কে কিম ডং-উক। নেটপাড়ার এই অতি-সংবেদনশীলতার তীব্র সমালোচনা করে তিনি বলেন, ‘চারিদিকে সব কিছু নিয়েই যেন বাড়াবাড়ি চলছে।’ 

    বডিশেমিং বা এ ধরনের ট্রলিংয়ের মানসিকতাকে আক্রমণ করে তিনি ক্ষোভের সঙ্গে বলেন, ‘এখন কি মানুষ চুলের রঙ নিয়েও এত হুজুগ তুলবে? এটা অত্যন্ত নিম্নমানের মানসিকতা।’ 

    তবে কিম ডং-উক এ মন্তব্যের মাধ্যমে একদিকে লি ইয়ং-জির পাশে দাঁড়ালেও, পরোক্ষভাবে বিতর্কটিকে আবারও যেন আলোচনার কেন্দ্রে নিয়ে আসলেন। 

    উল্লেখ্য, জে কে কিম ডং-উক কোরিয়ার রাজনৈতিক ও সামাজিক বিষয়ে বরাবরই বেশ সরব। গত বছরের ইমপিচমেন্টের রাজনৈতিক আবহাওয়ার সময় তিনি প্রকাশ্যেই ইউন সুক-ইওলের প্রতি সমর্থন জানিয়েছিলেন। এছাড়া সম্প্রতি স্টারবাকসের একটি বিতর্কিত মার্কেটিং ক্যাম্পেইন নিয়েও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে তিনি তার স্পষ্ট মতামত প্রকাশ করেছিলেন। 

    সূত্র: স্টারনিউজ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আপনিই আমাকে মুখ্যমন্ত্রী করেছেন

    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শনিবার (১৬ মে) সকালে বিজেপি নেতা তথা বর্ষীয়ান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর নিউটাউনের বাড়িতে হাজির হন। শপথ নেওয়ার পর এই প্রথম আলাদা করে অভিনেতার সঙ্গে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় ঘণ্টাখানেক দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হয়েছে। পরে মিঠুনের বাড়ি থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু জানান, মিঠুন এ রাজ্যে পরিবর্তনের অন্যতম কারিগর। পাল্টা শুভেন্দুকেও প্রশংসায় ভরিয়ে দেন মিঠুন চক্রবর্তী।

    আজ শনিবার থেকে জেলা সফর শুরু করলেন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের এ নতুন মুখ্যমন্ত্রী। প্রথমেই দক্ষিণ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারে তার প্রশাসনিক সভা রয়েছে। আগামী ২১ মে ফলতায় পুনর্নির্বাচন। তার আগে জেলার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সেখানকার আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন শুভেন্দু। 

    তবে দিনের শুরুতেই তিনি পৌঁছে যান মিঠুনের বাড়িতে। শুভেন্দু বলেন, মিঠুনদা এ রাজ্যে বিজেপির জয়ের অন্যতম কারিগর। আমাকে দল মুখ্যমন্ত্রী করেছে। তার পোছনেও ওর হাত রয়েছে। ছয় বছর ধরে রাজ্যে পরিবর্তন আনার জন্য মিঠুনদা অনেক পরিশ্রম করেছেন। নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছেন। উনি আমাকে জানিয়েছিলেন— আমার সঙ্গে দেখা করতে যেতে চান। তিনি বলেন, আমি বলেছি— আপনি আসবেন কেন? আপনার তৈরি করা মুখ্যমন্ত্রী আপনার কাছে আসবে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শুভেন্দুর এ কথা শুনে তাকে জড়িয়ে ধরেন মিঠুন চক্রবর্তী। শুভেন্দু বলেন, মিঠুনদার জনপ্রিয়তা বিজেপির গণ্ডিতে আবদ্ধ নেই। তার বাইরেও রয়েছে। আমি নিজে অষ্টম শ্রেণির পর আর সিনেমা দেখিনি। তবে মিঠুনদা অন্য জায়গায়। তিনি মহাগুরু। আমি ওর আশীর্বাদ নিতে এসেছি।

    মুখ্যমন্ত্রীর মুখে অভিনেতার প্রশংসায় মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, শুভেন্দুর চেয়ে ভালো মুখ্যমন্ত্রী আর হয় না। তিনি বলেন, এর থেকে ভালো মুখ্যমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে হতে পারে না। আমি গ্যারান্টি দিয়ে এ কথা বলছি। শপথ নেওয়ার পর থেকে উনি কাজ করে চলেছেন। আমরা গর্বিত ওর জন্য। ওর পেছনেই রয়েছি।

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ঘুরে বিজেপির হয়ে প্রচার করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। সেই প্রচার পর্বে বিভিন্ন জায়গায় নানা কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। সেই প্রতিশ্রুতি এবার পূরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সংক্রান্ত আলোচনাই হয়েছে দুজনের বৈঠকে। 

    শুভেন্দুকে পাশে নিয়ে মিঠুন বলেন, যেখানে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সব পূরণ করব। মুখ্যমন্ত্রী আমাকে যে কাজ করতে বলেছেন, তা অনুসরণ করব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • থালাপতি বিজয়ের দেহরক্ষীর রহস্যময় বার্তা

    রুপালি পর্দার পর এবার রাজনীতির ময়দানেও ‘ব্লকবাস্টার’ সাফল্য দেখালেন দক্ষিণী সুপারস্টার থালাপতি বিজয়। তার নবগঠিত রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচনে ১০৮টি আসনে জয়লাভ করে একক বৃহত্তম দল হিসেবে নিজেদের সক্ষমতার জানান দিয়েছে। 

    ২৩৪ সদস্যের বিধানসভায় সরকার গঠনের জন্য প্রয়োজন ১১৮টি আসন, যা থেকে মাত্র ১০টি আসন দূরে অবস্থান করছে বিজয়ের দল।

    নির্বাচনি ফলাফলের পর সরকার গঠন নিয়ে যখন টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে, ঠিক তখনই বিজয়ের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী আরুন সুরেশের একটি ইনস্টাগ্রাম স্টোরি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে।

    ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে তিনি লিখেছেন, ‘মহাবিশ্ব কখনো ভুল করে না। ধৈর্য ধরুন… আরও বড় কোনো লক্ষ্য উন্মোচিত হতে যাচ্ছে। শুভ দিন।’ 

    বিজয়ের অনুসারীরা এই বার্তাকে বিজয়ের মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার আগাম ইঙ্গিত হিসেবেই দেখছেন। রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ‘বড় লক্ষ্য’ হতে পারে কোনো শক্তিশালী জোট গঠন বা সরকার গঠনের চূড়ান্ত ‘নীল নকশা’। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    কেন আটকে আছে সরকার গঠন? 

    ১০৮টি আসন পেয়ে একক বৃহত্তম দল হলেও ম্যাজিক ফিগার ১১৮ ছুঁতে ব্যর্থ হয়েছে বিজয়ের নেতৃত্বাধীন দল টিভিকে। তবে সূত্রের খবর, বিজয় ইতোমধ্যেই ছোট দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছেন।

    প্রসঙ্গত, দুই রাজনৈতিক দল ভিসিকে এবং আইইউএমএল ইতোমধ্যেই বিজয়কে নিঃশর্ত সমর্থন দেওয়ার কথা জানিয়েছে। 

    জোটের সমীকরণে কংগ্রেসের ৫ জন এবং বামপন্থী দলগুলোর সমর্থনে বিজয়ের জোটের শক্তি ১২০-এ পৌঁছানোর সম্ভাবনা রয়েছে, যা তাকে অনায়াসেই সংখ্যাগরিষ্ঠতা এনে দেবে। 

    বিজয়ের পাশে কলিউড 

    বিজয়ের এই অভাবনীয় সাফল্যে উচ্ছ্বসিত তামিল চলচ্চিত্র জগৎ (কলিউড)। অভিনেতা বিশাল সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ লিখেছেন, ‘তামিলনাড়ুতে টিভিকে-কে ছাড়া কোনো জোট কল্পনা করা অসম্ভব এবং বিস্ময়কর।’ এছাড়া খুশবু সুন্দরসহ বহু তারকা বিজয়কে অগ্রিম অভিনন্দন জানিয়েছেন।

    ছয় দশকের পুরোনো দ্রাবিড় রাজনীতির দ্বিমেরু আধিপত্য ভেঙে বিজয়ের এই উত্থানকে ভারতীয় রাজনীতির এক নতুন অধ্যায় হিসেবে দেখা হচ্ছে। রাজভবনের সবুজ সংকেত পেলেই সম্ভবত আজ বা কালকের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে পারেন জোসেফ বিজয় চন্দ্রশেখর ওরফে থালাপতি বিজয়। 

    সূত্র: ইন্ডিয়া ডটকম 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজেপি-তে নাম লেখাবেন জিৎ?

    টালিউড সুপারস্টার জিৎ ক্যারিয়ারে বরাবরই রাজনৈতিক মঞ্চ থেকে দূরত্ব বজায় রেখে চলেছেন। কোনো দলীয় প্রচার বা সভায় তাকে এতদিন দেখা যায়নি, বরং নিজের কাজ ও ব্যক্তিগত পরিসরেই সীমাবদ্ধ থেকেছেন তিনি।

    তবে এই তারকার সাম্প্রতিক কিন্তু কার্যক্রমের ফলে তিনি রাজনীতিতে নাম লেখাবেন কিনা তা নিয়ে নেটপাড়ায় ব্যাপক জল্পনা শুরু হয়েছে। 

    এর আগে বিধানসভা নির্বাচনে ভোট দিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে জিৎ মন্তব্য করেছিলেন, ‘৪ তারিখে কী হচ্ছে দেখে নাও আগে…’। আর ৪ তারিখ ফলাফল প্রকাশের দিন টালিউডের তিনিই প্রথম, যিনি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিজেপিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছিলেন। 

    এবার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানেও দেখা গেল তাকে। 

    শুক্রবার (৮ মে) ভিআইপি নিরাপত্তায় অনুষ্ঠানস্থলে প্রবেশ করতে দেখা যায় জিৎকে। এদিন কলকাতার ব্রিগেড ময়দানে শপথ নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী হন শুভেন্দু অধিকারী। আর সেই অনুষ্ঠানেই উপস্থিত ছিলেন টালিউডের ‘বস’ খ্যাত এই অভিনেতা। অনুষ্ঠানে তার উপস্থিতি ঘিরেই নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সেখানকার ছবি ও ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে, তাহলে কি এবার তার গায়েও রাজনীতির রঙ লাগল? 

    এর আগে বিধানসভা নির্বাচনে ওপার বাংলায় গেরুয়া শিবিরের জয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে মঙ্গলবার (৫ মে) ফেসবুকে বিজেপিকে নিয়ে একটি পোস্ট দিয়েছিলেন জিৎ। সেই পোস্টে অভিনেতা লিখেছিলেন, ‘বাংলার জন্য এটি এক ঐতিহাসিক মুহূর্ত। এই জয়ের জন্য অভিনন্দন। আশা করি, এই পরিবর্তন রাজ্যের উন্নয়ন ও অগ্রগতির নতুন পথ খুলে দেবে।’ 

    এসব থেকেই দুইয়ে দুইয়ে চার মেলানোর চেষ্টা করছে অনেকেই। তবে রাজনীতিতে যোগ দেওয়া বা নির্বাচনে দাঁড়ানো নিয়ে এখনো সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি টালিউড সুপারস্টার। 

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস বাংলা অবলম্বনে 

    বিনোদন ডেস্ক