Tag: মেহজাবীন চৌধুরী

  • নজর কাড়া লুকে ধরা দিলেন মেহজাবীন

    দেশের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। একসময়ে টিভি নাটকের নিয়মিত মুখ হলেও এখন ওয়েব ফিল্ম ও সিনেমায় বেশ ব্যস্ত সময় পার করছেন তিনি। নিজের অভিনয় দক্ষতা ছাড়াও ফ্যাশন সেন্সের জন্য ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে অনুকরণীয় এই তারকা অভিনেত্রী। 

    অভিনয়ের পাশাপাশি বিভিন্ন প্রসঙ্গে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সরব থাকা এই তারকা মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) এক নজর কাড়া লুকে নেটিজেনদের সামনে হাজির হন। গোল্ডেন বেনারসি সিল্ক শাড়িতে তার আভিজাত্যমাখা লুক অভিনেত্রীর ভক্তদের রীতিমতো চমকে দিয়েছে। 

    এই শাড়িতে ফটোশুটের বেশকিছু ছবি নিজের ফেসবুকে শেয়ার করে ক্যাপশনে মেহজাবীন লেখেন, ‘একটি বিয়ে খেতে যাই।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে, আধুনিক সাজের সঙ্গে বেনারসি সিল্ক শাড়িতে সুন্দরভাবে আভিজাত্য ফুটিয়ে তোলায় পোস্টের মন্তব্যের ঘরে অনুরাগীদের থেকেও প্রশংসায় ভাসছেন এই লাক্স তারকা

    ২০০৯ সালে ‘লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার’ প্রতিযোগিতায় চ্যাম্পিয়ন হয়ে শোবিজে যাত্রা শুরু করেন মেহজাবীন। পরে মডেলিং থেকে পা রাখেন অভিনয়ে। তিনি ইতোমধ্যে সিনেমাতেও কাজ করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • অনবদ্য লুক ও হেয়ারস্টাইলে নজর কেড়েছেন মেহজাবীন

    একসময়ের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী নাটক-ওটিটির গণ্ডি পেরিয়ে বর্তমানে রুপালি পর্দায় নিজের আধিপত্য দেখিয়ে চলেছেন। অভিনয়ের পাশাপাশি সামাজিক মাধ্যমেও তার সরব উপস্থিতি। তিনি নিয়মিতই নিজের ব্যক্তিগত ও পেশাদার জীবনের বিশেষ মুহূর্তগুলো ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করে নেন।

    শুধু তাই নয়, ফ্যাশন সেন্সেও অনেকটাই এগিয়ে আছেন তিনি। সম্প্রতি একটি অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে এবার নতুন রূপে দেখা দিলেন মেহজাবীন।

    রোববার (২৮ ডিসেম্বর) রাতে বিএফডিএ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠানে উপস্থিত হন মেহজাবীন। সেখান থেকে চলচ্চিত্র বিভাগের শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর সম্মাননাও পান তিনি। এমন সাফল্যের সঙ্গে আলোচনায় চলে এসেছে তার এক নজরকাড়া লুক।

    সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে একগুচ্ছ ছবি ও ভিডিও শেয়ার করে নিয়েছেন মেহজাবীন। সেখানে তাকে দেখা যায়, একটি উজ্জ্বল কালো রঙের লং গাউনে।

    পোশাকটির উপরিভাগে দেখা যায় টাই-আপ ডিটেইল; যার তার পোশাকের আভিজাত্য বাড়িয়ে দিয়েছে। ভাইরাল সেই ভিডিওতে দেখা যায়, এদিন সন্ধ্যায় স্বামী নির্মাতা আদনান আল রাজীবকে নিয়ে উপস্থিত হন মেহজাবীন। সেখানে তাদের উপস্থিতিতে সবার মাঝে উচ্ছ্বাস ছড়িয়ে পড়ে। তবে জমকালো এই আয়োজনে মেহজাবীনের স্টাইলিশ উপস্থিতি ছিল চোখে পড়ার মতো।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তার অনবদ্য লুক ও হেয়ারস্টাইলও নজর কেড়েছে ভক্তদের। সাইড-পার্টেড, নিচের দিকে হালকা কার্ল করা হেয়ার স্টাইল; মেকআপে ছিল গ্লসি টাচ এবং ঠোঁটে মানানসই ডার্ক শেডের লিপস্টিক। কানে পরেছিলেন সাদা মুক্তার ইয়ারিংস। সঙ্গে হাতে ছিল স্টাইলিশ হ্যান্ডব্যাগ— সব মিলিয়ে তার পুরো লুকে ছিল আভিজাত্য ও আধুনিকতার ছোঁয়া। ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেন— ‘বিএফডিএ অ্যাওয়ার্ড নাইট লুক।’  

    মেহজাবীনের সেই ছবিগুলো পোস্ট করার পরপরই ভক্ত-অনুরাগীদের প্রশংসায় ভাসতে শুরু করেন তিনি। কমেন্ট বক্সে এক ভক্ত লিখেছেন, ‘সকাল সকাল মনটা ভালো হয়ে গেল, জাস্ট লুকিং ওয়াও!’ অনেকে তাকে ‘গর্জিয়াস’ বলে অভিহিত করেছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বড়দিন উপলক্ষে যে বার্তা দিলেন মেহজাবীন

    খ্রিষ্টধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব বড়দিনের আবহে নিজেকে নতুনভাবে মেলে ধরলেন জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। ছড়িয়ে দিলেন মুগ্ধতা ও সম্প্রীতির বার্তা। জানালেন ভালোবাসা ও শুভেচ্ছা। 

    বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিশ্বজুড়ে উদযাপিত হচ্ছে বড়দিনের মহোৎসব। এর আগের বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) একগুচ্ছ ছবি প্রকাশ করেছেন মেহজাবীন। ছবিগুলোতে তাকে দেখা যায়, বড়দিনের উৎসবমুখর সাজে। অভিনেত্রীর পরনে ছিল বড়দিনের চিরচেনা লাল রঙের সোয়েটার। মাথায় সবুজ রঙের ক্রিসমাস হ্যাট।

    সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে দেওয়া ছবিতে দেখা যায়, আলোকসজ্জায় মোড়ানো ক্রিসমাস ট্রির পাশে দাঁড়িয়ে নানা ভঙ্গিতে পোজ দিচ্ছেন মেহজাবীন। মিষ্টি হাসিতে বেশ প্রাণবন্ত দেখা যায় তাকে। উৎসবের এই আমেজে তার মায়াবী হাসি মন ছুঁয়ে যায় ভক্ত-অনুরাগীদের।

    বড়দিনের শুভেচ্ছা জানিয়ে ছবির ক্যাপশনে মেহজাবীন লিখেছেন— বড়দিন উদযাপনকারী বন্ধুদের প্রতি ভালোবাসা ও শুভকামনা পাঠাচ্ছি।

    মেহজাবীনের এ শুভেচ্ছাবার্তাকে ধর্মীয় সম্প্রীতির সুন্দর উদাহরণ হিসেবে দেখছেন তার ভক্তরা। পোস্ট দেওয়ার কয়েক মিনিটের মধ্যে হাজার হাজার ভক্ত-অনুরাগী তার ছবির কমান্ডবক্সে প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মালদ্বীপে একান্ত মুহূর্ত উপভোগ করছেন মেহজাবীন-আদনান

    দীর্ঘ ১৩ বছরের গোপন সম্পর্ক ও প্রেমের গুঞ্জনের অবসান ঘটিয়ে চলতি বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে নির্মাতা আদনান আল রাজীবের সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। বিয়ের পর থেকে তাদের সম্পর্ক নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল ও আগ্রহ অব্যাহত রয়েছে।

    বর্তমানে এই দম্পতি সুখের মুহূর্ত উপভোগ করছেন মালদ্বীপে। ব্যস্ত শিডিউল থেকে বিরতি নিয়ে তারা অবস্থান করছেন প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে ভরা এই রিসোর্টে।

    মেহজাবীন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সেখানে কাটানো একান্ত মুহূর্তের কিছু সুন্দর ছবি শেয়ার করেছেন। ছবিতে দেখা যায়, সমুদ্রের নীল জলরাশির পাশে দাঁড়িয়ে তারা একে অপরের সান্নিধ্য উপভোগ করছেন। কেউ নীল দিগন্তের দিকে তাকিয়ে আছেন, আবার কেউ মিষ্টি হাসিতে ভক্তদের মন জিতছেন।

    শুধু সমুদ্রকেন্দ্রিক আনন্দ নয়, তারা সাইকেলিং করেও সময় কাটাচ্ছেন। চোখে রোদ চশমা ও ক্যাজুয়াল পোশাকে রিসোর্টের চারপাশ ঘুরে ঘুরে সাইকেল চালানোর মুহূর্তগুলোও তারা ক্যামেরাবন্দী করেছেন। মেহজাবীনের শেয়ার করা সেই অ্যালবাম সামাজিক মাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর তা দ্রুত ভাইরাল হয়ে যায়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ট্রেন্ডিংয়ে মেহজাবীনের কাপল মোমেন্টস

    ঢালিউডের ছোট ও বড় দুই পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন
    চৌধুরী কাজের
    ব্যস্ততা মাঝে একটু সময় পেলে স্বামী নির্মাতা আদনান আল রাজীবকে নিয়ে উড়াল দেন দূরে কোথাও। এবারও
    তার ব্যতিক্রম নয়;
    তারকা দম্পতি ছুটি কাটাতে গিয়েছিলেন নীল জলরাশির দেশ মালদ্বীপে। সেখানেই বিলাসী অবসর কাটিয়েছেন
    তারকা জুটি।
    সামাজিক মাধ্যমে তাদের সেই আনন্দঘন মুহূর্তের কিছু বিশেষ ছবি শেয়ার করে নিয়েছেন অভিনেত্রী।

    সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট করা ছবিগুলোতে দেখা যায়, মালদ্বীপের রিসোর্টে সুইমিংপুলের নীল জলে ভেসে বেড়াচ্ছে বিশাল এক নাশতার ট্রে। তাতে সাজানো নানা পদের লোভনীয় খাবার। প্রথাগতব্রেকফাস্ট ইন বেডবা বিছানায় শুয়ে নাশতা করার বিষয়টি যে এখন আর তার কাছে আকর্ষণীয় নয়, সেটিই জানালেন মেহজাবীন চৌধুরী। ছবির ক্যাপশনে অভিনেত্রী লিখেছেনবিছানায় নাশতাউহ, ওটা বোরিং।সঙ্গে হ্যাশট্যাগ দিয়েছেনলাক্সারি ট্রাভেল’, ‘ফ্লোটিং ব্রেকফাস্টকাপল মোমেন্টস

    সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের নজর কেড়েছে মেহজাবীনের শেয়ার করাকাপল মোমেন্টস দর্শক-ভক্তরা এটি নিয়ে
    ব্যাপক আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। প্রকাশিত
    একটি ছবিতে মেহজাবীনকে রাজীবের সঙ্গে ফলের জুস হাতে চিয়ার্স করতে দেখা গেছে। দুজনের চোখে রোদচশমা আর মুখে হাসি বুঝিয়ে দিচ্ছেবেশ ফুরফুরে মেজাজেই সময় কাটাচ্ছেন তারা।

    অভিনেত্রীর মালদ্বীপ ভ্রমণের ছবিগুলো মুহূর্তেই সামাজিক মাধ্যমে ভাইরাল
    হয়ে পড়ে।
    নীল সমুদ্র আর প্রিয় মানুষের সান্নিধ্যে মেহজাবীনের এই অবকাশযাপন ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝেও ছড়িয়ে দিয়েছে মুগ্ধতা। প্রিয় তারকা জুটিকে এমন রোমান্টিক মুডে দেখে ভক্তরাও ভালোবাসায় ভরিয়ে দিয়েছেন। এক নেটিজেন  খাবারের প্রাচুর্য দেখে মজার ছলে লিখেছেনসারা বছর ডায়েটিং করার পর একদিন। আরেক নেটিজেন লিখেছেন—বাহ! অনেক সুন্দর লাগছে দুজনকে।  অন্য
    আরেক নেটিজেন লিখেছেন—বাহ
    ! চমৎকার! আপু ভাইয়া।

    কেউবা এই জুটিকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন, ‘খুব চমৎকার পরিবার আপু।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আদালতে মেহজাবীন চৌধুরীর জবাব দাখিলের শুনানি পেছাল

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরীর বিরুদ্ধে হুমকি-ধামকির অভিযোগে দায়ের হওয়া মামলার বিষয়ে জবাব দাখিলের তারিখ পিছিয়ে আগামী ১২ জানুয়ারি ধার্য করেছেন আদালত। 

    বৃহস্পতিবার (১৮ ডিসেম্বর) ঢাকার ৩ নং নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে জবাব দাখিলের জন্য দিন ধার্য ছিল। কিন্তু সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক বদলি জনিত কারণে জবাব দাখিল সংক্রান্ত শুনানি হয়নি। এজন্য পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১২ জানুয়ারি নতুন তারিখ ধার্য করেন। 

    আসামি পক্ষের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট আদালতের বিচারক সাম্প্রতিক সময়ে অন্যত্র বদলি হওয়ায় এই মামলার নির্ধারিত তারিখে শুনানি গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। বিচারক অনুপস্থিত থাকায় মামলার কার্যক্রম স্থগিত থাকে এবং আদালতের প্রচলিত বিধি ও নিয়ম অনুযায়ী মামলাটির শুনানির জন্য একটি নতুন তারিখ নির্ধারণ করা হয়। পরবর্তীতে আদালতে নতুন বিচারক যোগদান করার পর মামলার নথিপত্র পুনরায় উপস্থাপনপূর্বক এই মামলার শুনানি নেওয়া হবে। 

    এ কারণে আদালতের আদেশক্রমে মামলাটি পরবর্তী তারিখ পর্যন্ত মুলতবি রাখা হয় এবং নির্ধারিত তারিখে পক্ষগণকে উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়। নতুন নির্ধারিত তারিখে বিচারক উপস্থিত থাকলে মামলাটির শুনানি অনুষ্ঠিত হবে।

    এর আগে, গত ১৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় আত্মসমর্পণ করে জামিন পান অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরী। ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ আফরোজা হক তানিয়ার আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। 

    বাদীর অভিযোগ থেকে জানা গেছে, দীর্ঘদিন পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে অভিযুক্ত মেহজাবীন চৌধুরী বাদীকে নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখবে বলে নগদ অর্থ এবং বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে মোট ২৭ লাখ টাকা নেন। এরপর মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরুর উদ্যোগ না নেওয়ায় বাদী বিভিন্ন সময় টাকা চাইতে গেলে কালক্ষেপণ করেন। পরবর্তীতে গত ১১ ফেব্রুয়ারি পাওনা টাকা চাইতে গেলে তারা ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আরও বলা হয়, ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরো অজ্ঞাতনামা চার-পাঁচ জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। তারা বলেন, ‘এরপর তুই আমাদের বাসায় টাকা চাইতে যাবি না, তোকে বাসার সামনে পুনরায় দেখলে জানে মেরে ফেলব।’ এসব কথা বলে তারা বাদীকে জীবননাশের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। বিষয়টি সমাধানের জন্য সংশ্লিষ্ট ভাটারা থানায় গেলে থানা কর্তৃপক্ষ আদালতে মামলা দায়ের করার জন্য পরামর্শ দেন।

    এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭ ও ১১৭(৩) ধারায় মামলাটি করেন।

    এ মামলায় গ্রেফতারি পরোয়ানার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর মেহজাবীন চৌধুরী তার ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে জানিয়েছিলেন, অনলাইনে তার নাম ব্যবহার করে ভিত্তিহীন মামলা সংক্রান্ত সংবাদ ছড়ানো হচ্ছে। তিনি সাংবাদিকদের যাচাই-বাছাই করে সংবাদ প্রকাশের অনুরোধও জানান।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • মেহজাবীনের বিরুদ্ধে মামলা করা কে এই আমিরুল?

    পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার প্রলোভন দেখিয়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাৎ, হুমকি-ধমকি ও ভয়ভীতি প্রদানের অভিযোগে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর বিরুদ্ধে মামলা করেছেন এক ব্যক্তি, যিনি নিজেকে আমিরুল ইসলাম হিসেবে পরিচয় দিয়েছেন। তবে স্থানীয়রা তাকে চেনেন না এবং মেহজাবীনও তার সঙ্গে কোনো ব্যবসায়িক সম্পর্কের কথা স্বীকার করেননি।
     
    মামলায় বলা হয়েছে, গত পরশু ঢাকার একটি আদালত মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরীর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। যদিও পরে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন নিয়েছেন এই অভিনেত্রী। 
     
    বাদী আমিরুল ইসলাম সম্পর্কে জানা গেছে, তার বাবার নাম মৃত সাদেক আলী। বর্তমানে তিনি ক্যান্টনমেন্ট থানার মানিকদির নামাপাড়ায় থাকেন এবং তার গ্রামের বাড়ি ফেনী সদরের ফতেহপুরে। তবে মামলার কাগজপত্রে যে নম্বরটি ব্যবহার করা হয়েছে, তা প্রকৃত নয়। সাধারণ মোবাইল নম্বর ১১ ডিজিটের হয়, কিন্তু আমিরুল যে নম্বর দিয়েছেন তা ১২ ডিজিটের, ফলে ফোনে যোগাযোগও সম্ভব হচ্ছে না।
     
    মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে, বাদী দীর্ঘদিন ধরে মেহজাবীনের সঙ্গে পরিচয়ের সুবাদে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে তাকে নতুন পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার প্রতিশ্রুতি দেন। এর বিনিময়ে নগদ ও বিকাশের মাধ্যমে বিভিন্ন সময় মোট ২৭ লাখ টাকা প্রদান করেন। কিন্তু মেহজাবীন ও তার ভাই দীর্ঘদিন ব্যবসা শুরু না করায় টাকা ফেরত চাইলে বারবার ‘আজকে দেব, কালকে দেব’ বলে সময়ক্ষেপণ করা হয়।
     
    মামলার অভিযোগে আমিরুল ইসলাম বলেন, ‘ফেসবুকের মাধ্যমে মেহজাবীনের সঙ্গে আমার পরিচয় হয়। তিন-চার বছর ধরে আমাদের মধ্যে কথাবার্তা চলছিল। ব্যবসায়িক অংশীদারত্বের ভিত্তিতে আমি তাকে প্রায় ২৭ লাখ টাকা দেই। বুটিক ব্যবসা করার কথা বলে তিনি এই টাকা গ্রহণ করেন।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

     
    তিনি আরও অভিযোগ করেন, ‘কয়েক মাস মুনাফা দেওয়ার পর তারা টাকা দেওয়া বন্ধ করে দেন। আমি বসুন্ধরার বাসার সামনে গেলে তার ভাই ও আরও কয়েকজন আমাকে থাপ্পড় মেরে একটি গাড়িতে তুলে নেয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর চোখ খোলার পর আমি নিজেকে হাতিরঝিলে পাই। সেখানে তারা আমাকে হুমকি দেয় যে, সমাজের গণ্যমান্য ব্যক্তি হওয়ায় টাকার জন্য বাসার সামনে গেলে আমাকে মেরে ফেলা হবে।’
     
    এই ঘটনার পর আমিরুল ইসলাম মামলা করার প্রস্তুতি নেন।
     
    এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭/১১৭(৩) ধারায় মামলা করেন। মামলাটিতে আসামিদের আদালতে হাজির হওয়ার দিন ধার্য ছিল। কিন্তু তারা হাজির না হওয়ায় গত ১০ নভেম্বর ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ আফরোজা তানিয়া তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন। একই সঙ্গে গ্রেফতার সংক্রান্ত তামিল প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ১৮ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিল্পীদের বিরুদ্ধে হয়রানিমূলক মামলা বন্ধের আহ্বান ডিপজলের

    অভিনয় শিল্পীদের বিরুদ্ধে ধারাবাহিক হয়রানিমূলক মামলার প্রতিবাদ জানিয়ে শক্ত অবস্থান নিয়েছেন শিল্পী সমিতির সাধারণ সম্পাদক মনোয়ার হোসেন ডিপজল। 

    সোমবার (১৭ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লেখেন, শিল্পীদের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা ও হয়রানি বন্ধ হোক। শিল্পের অগ্রগতির জন্য শিল্পীদের নিরাপত্তা ও সম্মান নিশ্চিত করা অপরিহার্য। 

    রোববার (১৬ নভেম্বর) অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ১৯ বছর বয়সি ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে দায়ের করা একটি মামলায় আদালতে হাজির হয়ে জামিন নেন। মেহজাবীন জানিয়েছেন, এক অজানা ব্যক্তি ২০২৫ সালের মার্চ মাসে আমার ও আমার ১৯ বছর বয়সি ছোট ভাইয়ের বিরুদ্ধে একটি মামলা দায়ের করেছেন। গত ৯ মাসে আমি এই মামলার কোনো তথ্য পাইনি। কারণ, অভিযোগকারী পুলিশকে আমার সঠিক ফোন নম্বর, সঠিক ঠিকানা বা কোনো যাচাইকৃত তথ্য দিতে পারেননি। আমার সঙ্গে ব্যবসা করছিলেন, এমন প্রমাণও দিতে পারেননি। তিনি আমাকে ২৭ লাখ টাকা দিয়েছেন তার কোনো প্রমাণ দিতে পারেননি।   

    এ ঘটনায় ভক্ত-সমর্থকদের মধ্যে ধারণা তৈরি হয়েছে, মামলাটি তাকে হয়রানির উদ্দেশ্যেই করা হয়েছে।  

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে সম্প্রতি ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট (সিএমএম) আদালতের মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট এম মিজবাহ-উর-রহমানের আদালতে ডিপজলের ভক্ত হিসেবে পরিচয় দেওয়া এক নারীর স্বামী তার বিরুদ্ধে একটি ‘হত্যাচেষ্টা মামলা’ করেছেন। আদালত বাদীর জবানবন্দি নিয়ে অভিযোগের বিষয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই) তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন। ডিপজলের সঙ্গে আসামি করা হয়েছে তার সহকারী ফয়সালকে।   

    মামলার অভিযোগে বলা হয়েছে, ডিপজল ও ফয়সালের বিরুদ্ধে মারধর করে অ্যাসিড নিক্ষেপের অভিযোগে গত ৮ জুলাই ৩৫ বছর বয়সি ওই নারী মামলা করেন। আদালত মামলাটি পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগকে (সিআইডি) তদন্তের নির্দেশ দেন। 

    ডিপজলের পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভিত্তিহীন অভিযোগে শুধু হয়রানির জন্য একই ভক্তের পরিবার এসব মামলা করেছে। অথচ ভক্ত যেসব ঘটনার অভিযোগ করেছেন, ওই সময়ে তিনি চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে ছিলেন। এখনো তিনি চিকিৎসার জন্য দেশের বাইরে রয়েছেন। তার শারীরিক অবস্থা ভালো নয়। তিনি ডায়বেটিস, হৃদরোগ, চোখের সমস্যাসহ শারীরিক অসুস্থতায় ভুগছেন। চিকিৎসকের তত্ত্বাবধানে তাকে দীর্ঘ সময় চিকিৎসাধীন থাকতে পরামর্শ দিয়েছেন। এ কারণে চিকিৎসার জন্য তাকে দেশের বাইরে থাকতে হচ্ছে। এই অবস্থায় তাকে হয়রানি ও মানসিক ক্ষতি করার জন্য ওই ভক্ত একের পর এক মামলা করছে, যা তাকে বিপর্যস্ত করে তুলেছে। একজন শিল্পীর বিরুদ্ধে এ ধরনের হয়রানিমূলক মামলা করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। এটা পুরো শিল্পী সমাজের জন্য ভয়, আতঙ্ক ও মানহানিকর। ডিপজলের পরিবারের পক্ষ থেকে বলা হয়, আমরা অনুরোধ করব, শুধু ডিপজল নয়, যে কোনো শিল্পীর বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন অভিযোগে হয়রানিমূলক মামলা কোনোভাবেই কাম্য নয়।  

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • ১৮ ডিসেম্বর মেহজাবীনের জবাব দাখিলের নির্দেশ আদালতের

    প্রাণনাশের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন ও ২৭ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগে মামলায় রোববার (১৬ নভেম্বর) দিনভর নাটকীয়তার পর অবশেষে জামিন পান অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরী।

    রোববার (১৬ নভেম্বর) সন্ধ্যায় ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক আফরোজা হক তানিয়ার আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেন তারা। আদালত শুনানি শেষে তাদের জামিন আবেদন মঞ্জুর করেন।

    বিষয়টি নিশ্চিত করে মেহজাবীনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তুহিন হাওলাদার জানান, আগামী ১৮ ডিসেম্বর মামলাটিতে মেহজাবীনের জবাব দাখিলের জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত।

    মেহজাবীনের আইনজীবী অ্যাডভোকেট তুহিন হাওলাদার বলেন, বাদীর সাথে মেহজাবীনের কোনো পরিচয় নেই। সম্পূর্ণ হয়রানির উদ্দেশ্যে মামলাটি করা হয়েছে। অভিযোগের কোনো প্রমাণও (বাদীপক্ষ) দেখাতে পারেনি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে, এই মামলার বাদী আমিরুল ইসলামকে কেন্দ্র করে তৈরি হয়েছে নতুন রহস্য। যিনি সংবাদ মাধ্যমে মেহজাবীনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারির খবরটি নিশ্চিত করেছিলেন, রোববার বিকাল থেকেই তিনি ‘লাপাত্তা’ বলে জানা গেছে। 

    গণমাধ্যমের অনুসন্ধানে, মামলার নথিতে দেওয়া বাদীর আইনজীবীর ফোন নম্বরটিও ‘সাসপেন্ডেড’ (স্থগিত) পাওয়া যাচ্ছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    জানা গেছে, ব্যবসায় অংশীদার করার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২৭ লাখ টাকা ‘আত্মসাৎ করা ও হত্যার হুমকি দেয়ার’ অভিযোগে মেহজাবীন ও তার ভাইয়ের বিরুদ্ধে গত ১০ নভেম্বর গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। নির্ধারিত তারিখে তারা আদালতে হাজির না হওয়ায় এই পরোয়ানা জারি করা হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মামলা ও গ্রেফতারি পরোয়ানা নিয়ে যা বললেন মেহজাবীন

    আত্মসমর্পণ করে জামিন পেয়েছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এবং তার ভাই আলিসান চৌধুরী। রোববার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩-এর বিচারক আফরোজা তানিয়া শুনানি শেষে তাদের জামিন মঞ্জুর করেন। এদিন আদালতে আত্মসমর্পণ করেন তারা। এ সময় তাদের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

    এর আগে পারিবারিক ব্যবসায় পার্টনার করার আশ্বাস দিয়ে ২৭ লাখ টাকা নেওয়ার পর তা আত্মসাৎ ছাড়াও ভয়ভীতি ও হুমকি দেওয়ার অভিযোগে বাদী আমিরুল ইসলামের করা মামলায় ঢাকার একটি আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন।

    এদিকে সোমবার (১৭ নভেম্বর) সকালে মেহজাবীন তার অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে এ বিষয়ে দীর্ঘ বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি পুরো ঘটনাকে ‘ভিত্তিহীন’ বলে দাবি করেছেন এবং অভিযোগের সপক্ষে কোনো প্রমাণ নেই বলে বিস্তারিত তুলে ধরেছেন। 

    মেহজাবীন তার বিবৃতিতে জানান, ২০২৫ সালের মার্চ মাসে দায়ের করা এই মামলা সম্পর্কে তিনি গত ৯ মাসে কিছুই জানতেন না। কারণ, অভিযোগকারী তার সঠিক ফোন নম্বর বা ঠিকানা পুলিশ বা আদালতকে দেননি। তিনি তার বিরুদ্ধে ওঠা সব অভিযোগ সুনির্দিষ্টভাবে খণ্ডন করেছেন।

    আর্থিক লেনদেনের কোনো প্রমাণ নেই উল্লেখ করে মেহজাবীন বলেন, ‘অভিযোগকারী দাবি করেন ২০১৬ সাল থেকে আমার সাথে ‘ব্যবসা’ করছিলেন। কিন্তু তিনি একটি মেসেজ, হোয়াটসঅ্যাপ বা আমার নম্বরে পাঠানো উত্তর, এমনকি একটি স্ক্রিনশটও দেখাতে পারেননি।’

    আরও পড়ুন

    আর্থিক লেনদেনের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘তিনি (অভিযোগকারী) ২৭ লক্ষ টাকা দেওয়ার দাবি করলেও কোনো ব্যাংক লেনদেন, চেক, বিকাশ লেনদেন, লিখিত চুক্তি, রশিদ বা কোনো সাক্ষীর প্রমাণ দেখাতে পারেননি। একটি কাগজপত্রও নেই।’

    মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে পাওনা টাকা চাইতে গেলে তারা ১৬ মার্চ হাতিরঝিল রোডের পাশে একটি রেস্টুরেন্টে আসতে বলেন। ওইদিন ঘটনাস্থলে গেলে মেহজাবীন ও তার ভাইসহ আরও অজ্ঞাতনামা ৪ থেকে ৫ জন অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে।

    মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত ১১ ফেব্রুয়ারি মেহজাবীন ও তার ভাই বাদীকে হাতিরঝিলের একটি রেস্টুরেন্টে ডেকে নিয়ে হুমকি দেন। হাতিরঝিলে ডেকে আনার ঘটনা ‘সম্পূর্ণ প্রমাণহীন’ উল্লেখ করে অভিনেত্রী বলেন, ‘অভিযোগকারী দাবি অনুসারে, ১১ ফেব্রুয়ারি আমি তাকে চোখ বেঁধে হাতিরঝিলের একটি রেস্টুরেন্টে নিয়ে গিয়েছিলাম… গত নয় মাসে তিনি রেস্টুরেন্ট বা রাস্তার এক সেকেন্ডেরও সিসিটিভি ফুটেজ বা কোনো সাক্ষী দেখাতে পারেননি। হাতিরঝিল ঢাকার সবচেয়ে বেশি সিসিটিভি-নিয়ন্ত্রিত এলাকাগুলোর একটি।’

    গত নয় মাসে কোনো আইনি নোটিশ পাননি বলেও স্পষ্ট করেন মেহজাবীন। বলেন, ‘কোনো পুলিশ স্টেশনের ফোন কল বা কোনো কোর্টের নোটিশ বা ডকুমেন্ট পাইনি। একটি নোটিশ পেলেও আমি অনেক আগে থেকেই আইনি ব্যবস্থা নিতাম।’

    মেহজাবীন এও জানান, মামলার কোনো ভিত্তি না থাকলেও, গ্রেপ্তারি পরোয়ানার খবর পেয়েই তিনি আইনি প্রক্রিয়া মেনে জামিন নিয়েছেন, কারণ তিনি দেশের আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল।

    ‘মিডিয়া ট্রায়াল’ না করার অনুরোধ জানিয়ে মেহজাবীন বলেন, ‘প্রমাণ ছাড়া দায়ের করা মামলা কখনো সত্য হয়ে যায় না। সত্য খুব দ্রুতই আদালতে পরিষ্কার হয়ে যাবে।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, ‘এখনকার দিনে কাউকে অপমান করা, মানহানি করা বা ভাইরাল হওয়ার জন্য অন্যকে ব্যবহার করা খুবই সহজ হয়ে গেছে। এই ব্যক্তির যেই উদ্দেশ্যই থাকুক, আমার বা আমার পরিবারের সুনাম ক্ষুণ্ণ করার চেষ্টা করে সে যা-ই করতে চায়- আমি বিশ্বাস করি সবকিছু খুব দ্রুতই পরিষ্কার হয়ে যাবে।’

    খবরটি প্রকাশ হওয়ার পর থেকে অভিযোগকারী ও তার আইনজীবীর ফোন নম্বর বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে- বলেও জানান মেহজাবীন।

    ১৫ বছরের ক্যারিয়ারের পরিশ্রমের কথা উল্লেখ করে বিবৃতিতে লেখেন, ‘এই পরিশ্রমের পরেও আজ আমাকে এসব ব্যাখ্যা করতে হচ্ছে- এটাই সবচেয়ে দুঃখজনক।’

    যুগান্তর ডেস্ক