Tag: মেহজাবীন চৌধুরী

  • মেহজাবীনের পথেই হাঁটলেন বোন মালাইকা

    নাটকের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর পথ ধরে নাটকে নাম লেখালেন তার ছোট বোন মালাইকা চৌধুরী। ‘সন্ধিক্ষণ’ নামের একটি নাটকে দেখা যাবে এই সুদর্শনীকে। অভিনেতা ফারহান আহমেদ জোভানের সঙ্গে অভিনয় করছেন তিনি। 

    চমকপ্রদ খবর হলো, এ নাটকের গল্প ভাবনা মেহজাবীন চৌধুরীর। এটি রচনা ও পরিচালনা করছেন মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ। 

    বৃহস্পতিবার (১৭ অক্টোবর) থেকে নাটকের শুটিং শুরু হয়েছে। মালাইকাকে নিয়ে নাটক নির্মাণ প্রসঙ্গে মুহাম্মদ মোস্তফা কামাল রাজ বলেন, ‘মেহজাবীনের বোন বলেই যে তাকে সুযোগ দিয়েছি বিষয়টি তেমন নয়। মেহজাবীনের কাছ থেকে যে গল্পটি পেয়েছি, তাতে নতুন একটি মেয়েকে মানাবে বলে মনে হয়েছে আমার। এক্ষেত্রে মালাইকার নামটি মাথায় এসেছে আগে। তার মধ্যে অভিনয়ের প্রতিভা আছে। শুটিংয়ে তাকে পরিশ্রমী মনে হচ্ছে। আমার বিশ্বাস, মালাইকা দর্শকদের মন জয় করতে সক্ষম হবে।’

    মালাইকা চৌধুরী এর আগে আদনান আল রাজীবের নির্দেশনায় একটি বিজ্ঞাপনচিত্রের মডেল হয়েছেন। গত ফেব্রুয়ারিতে হিমালয়া ন্যাচারাল গ্লো রোজ ফেসওয়াশের বিজ্ঞাপনটি প্রকাশ্যে আসে।

    নাটকে অভিষেক হওয়ায় বেশ উচ্ছ্বসিত মালাইকা চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘শুটিং করে ভালো লাগছে। আমার বড় বোনের গল্প ও রাজ ভাইয়ার নির্মাণ দুইয়ের সম্মিলন ঘটবে জেনে এই নাটকে অভিনয় করতে রাজি হয়েছি। সহশিল্পী হিসেবে জোভান ভাই দারুন সহযোগিতা করছেন আমাকে। দর্শকরা আমার অভিনয় দেখার পর কেমন প্রতিক্রিয়া জানান সেসব জানতে মুখিয়ে থাকবো।’ চলতি বছরেই ইউটিউবে সিনেমাওয়ালা চ‍্যানেল মুক্তি পাবে নাটকটি।

    আনন্দ নগর প্রতিবেদক

  • এইচএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণদের যে বার্তা দিলেন মেহজাবীন

    এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের অভিনন্দন জানিয়েছেন শোবিজ অঙ্গনের জনপ্রিয় মুখ ও বর্তমান সময়ের আলোচিত অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। একই সঙ্গে তিনি তাদেরকে ভবিষ্যতে আরও বড় স্বপ্নের দিকে এগিয়ে যাওয়ার আহ্বানও জানিয়েছেন।

    মঙ্গলবার দুপুরে সামাজিক মাধ্যম ফেসবুকে অভিনেত্রীর ভেরিফায়েড পেজে এই বার্তা দেন তিনি।

    পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন, যারা এইচএসসি পরীক্ষায় ভালো ফল পেয়েছেন, তাদের অভিনন্দন! আপনার পরিশ্রমকে উদযাপন করুন এবং ভবিষ্যতে আরও বড় স্বপ্নের দিকে এগিয়ে যান।

    যারা প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল পাননি তারা হতাশ হবেন না উল্লেখ করে মেহজাবীন বলেন, আর যারা প্রত্যাশা অনুযায়ী ফল পাননি, হতাশ হবেন না। এটি কেবল একটি অধ্যায়, সামনে আরও অনেক সুযোগ অপেক্ষা করছে। বিশ্বাস রাখুন, কঠোর পরিশ্রম চালিয়ে যান, সফলতা আপনার হবে।

    সেই পোস্টে ভক্ত-অনুরাগীরা অভিনেত্রীর সঙ্গে একাত্মতা প্রকাশ করেছেন। দেলোয়ার নামে একজন লিখেছেন, সকল এসএসসি পরীক্ষার জন্য দোয়া ও ভালোবাসা রইলো আগামী দিনের জন্য দেশের জন্য তারা যেন কিছু একটা করতে পারে।

    সোহেল রানা নামে আরেক ভক্ত লিখেছেন, এসএসসি পরীক্ষার্থীদের জন্য শুভকামনা রইল মেহজাবিন আপুর ভালবাসা ও আমাদের সব বাংলাদেশি ভাইদের ভালোবাসা তোমাদের সঙ্গে থাকবে। আরেকজনের লিখেছেন, অনেক সুন্দর কথা বলছেন আপু ভালোবাসা অবিরাম আপনার জন্য।

    প্রসঙ্গত আজ সকালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে। এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে পাসের হার ৭৭ দশমিক ৭৮ শতাংশ। আর এইচএসসি নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৭৫ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘আমি এতটা সাহসী নই’ কেন বললেন মেহজাবীন

    ‘সাবা’ নিয়ে প্রবাসী, আন্তর্জাতিক দর্শক ও সমালোচকদের আগ্রহ ছিল অনেক বেশি। এতে পক্ষাঘাতগ্রস্ত এক মায়ের প্রতি যত্নশীল মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছেন মেহজাবীন। এই চরিত্রে অভিনয়ের সময় তিনি আবেগাপ্লুত হয়েছেন। সিনেমাটি দেখেও অনেক দর্শক কেঁদেছেন।

    সিনেমাটি প্রথমবারের মতো টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে জায়গা করে নিয়েছে। ‘সাবা’র প্রিমিয়ারে পরে বিভিন্ন দেশের গণমাধ্যমের মুখোমুখি হন অভিনেতা-অভিনেত্রীরা।

    গণমাধ্যমে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মেহজাবীন বলেন, আমি সব সময়ই অপেক্ষা করেছি এ রকম একটি চরিত্রের জন্য, যে চরিত্রটি ভার বহন করে। যেটা হবে একেবারেই আলাদা। যে চরিত্রে দর্শক আগে আমাকে দেখেননি, সেটাই বলবেন দর্শক। পরে পরিচালক মাকসুদের প্রস্তাব ও সিনেমাটি নিয়ে আত্মবিশ্বাস আমাকে আকৃষ্ট করেছে।

    চিত্রনাট্য পড়ে কি আপনার মনে হয়েছিল এই চরিত্রটিই আপনার জন্য? জবাবে মেহজাবীন বলেন, অনেকটাই সে রকম। ১২ বছর ধরে আমি বিভিন্ন রকম নাটকের চরিত্রে অভিনয় করেছি; কিন্তু আমি এই সময়ে কখনই সিনেমার গল্প পছন্দ করিনি। 

    মেহজাবীন বলেন, এ ধরনের চরিত্রে আমি আগে অভিনয় করিনি। যে কারণে সাবা চরিত্রটি ছিল আমার জন্য একেবারেই নতুন অভিজ্ঞতা। এই চরিত্র আমার জন্য প্রথম এবং নতুন অভিজ্ঞতা।

    অভিনেত্রী বলেন, এটা একই সঙ্গে আমার পরিচালকের শাশুড়ির কথা, চিত্রনাট্যকারের মায়ের গল্প। যে কারণে অনেক গভীরভাবে চরিত্র সম্পর্ককে আলোচনা করতে পেরেছি।

    ‘সাবা’ হয়ে ওঠার পেছনের গল্প নিয়ে মেহজাবীন বললেন, সাবার চিত্রনাট্য পড়ে অন্যরকম অনুভূতি হয়। সাবা এমন একটা মেয়ে, যে অনেক সাহসী। সিনেমাটি দেখলেই বুঝবেন। আমি কিন্তু ব্যক্তিগত জীবনে এতটা সাহসী নই। এটা আগেই বলে রাখলাম। পরে আমাকে চরিত্রের জন্য সাহসী ভূমিকা নিতে হয়েছে। আসলে বাস্তবে আমি এতটা সাহসী নই।

    কোলাইডারের এই সাক্ষাৎকারে আরও উপস্থিত ছিলেন সিনেমার পরিচালক মাকসুদ হোসাইন, অভিনেতা মোস্তফা মন্ওয়ার। এবার টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের গুরুত্বপূর্ণ বিভাগ ডিসকভারি প্রোগ্রামে নির্বাচিত হয়েছিল সিনেমাটি। এই বিভাগে আরও ২৩টি সিনেমা জায়গা করে নেয়। 

    পরিচালক মাকসুদ জানান, সিনেমাটি এবার বুসান চলচ্চিত্র উৎসবে এশিয়ান প্রিমিয়ার হবে। আগামীকাল থেকে ২৯তম বুসান উৎসব চলবে ১১ অক্টোবর পর্যন্ত। উৎসবে অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে তাদের।

    বিনোদন প্রতিবেদন

  • সুখবর দিলেন মেহজাবীন

    বর্তমান সময় শোবিজ অঙ্গনের সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের মধ্যে একজন মেহজাবীন চৌধুরী। বিশেষ করে ছোট পর্দায় তিনি অসাধারণ অভিনয় দক্ষতা দিয়ে ভক্তদের মনে জায়গা করে নিয়েছেন। 

    সম্প্রতি তার অভিনীত প্রথম চলচ্চিত্র ‘সাবা’ বেশ সাড়া ফেলেছে। ইতিমধ্যে সিনেমাটি টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হয়েছে। সেখানেও প্রশংসিত হয়েছে ছবিটি। এবার জানা গেল মেহজাবীনের জন্য আরও এক সুখবর। 

    ‘সাবা’ অফিসিয়ালি সিলেক্ট হয়েছে বুসান চলচ্চিত্র উৎসবের জন্য। সিনেমাটির জায়গা হয়েছে উৎসবের ‘এ উইন্ডো অন এশিয়ান সিনেমা’ ক্যাটাগরিতে। 

    এই খুশির খবরটি মেহজাবীন নিজেই জানিয়েছেন ভক্তদের। এই ক্যাটাগরিতে ভারত, যুক্তরাষ্ট্র, থাইল্যান্ড, নেপাল, সিঙ্গাপুর, ইরানসহ বিশ্বের আরও বেশকিছু দেশের মোট ২৮ সিনেমা রয়েছে। যাদের সঙ্গে প্রতিযোগিতা করতে হবে ‘সাবা’কে। 

    উৎসবটি চলবে অক্টোবরের ২ থেকে ১১ তারিখ পর্যন্ত। ‘সাবা’ প্রথম প্রদর্শিত হবে অক্টোবরের ৪, ৭ ও ৮ তারিখ। মেহজাবীনের প্রথম এ সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন মাকসুদ হোসেন। 

    এ নিয়ে মেহজাবীন বলেন, ‘সাবা’ নারীকেন্দ্রিক একটি গল্পের সিনেমা। এবার এ সিনেমাটি বুসান চলচ্চিত্র উৎসবে প্রদর্শিত হতে চলেছে। বিষয়টি আমার জন্য অত্যন্ত আনন্দের। আশা করছি এখানেও ছবিটি দেখে মুগ্ধ হবেন সবাই। 

    ‘সাবা’র পরিচালক মাকসুদ হোসেন গ্লোবাল মিডিয়া মেকার্সসহ বেশকিছু গুরুত্বপূর্ণ চলচ্চিত্র কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেছেন। সেইসঙ্গে ‘সাবা’সহ নিজের পরিচালিত আরও একটি সিনেমা নিয়ে ভারত ও বিভিন্ন আন্তর্জাতিক ফিল্ম বাজারের কো-প্রোডাকশনে অংশ নিয়েছেন। 

    ছবিটির গল্প লিখেছেন ত্রিলোরা খান ও নির্মাতা নিজে। মেহজাবীন ছাড়াও ‘সাবা’ সিনেমায় আরও অভিনয় করেছেন মোস্তফা মনোয়ার এবং রোকেয়া প্রাচীর মতো অভিনয়শিল্পীরা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • টরন্টোয় শান্তি ও সৌরভের বার্তা ছড়িয়ে দিলেন মেহজাবীন

    বিশ্বখ্যাত টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের (টিআইএফএফ) এবারের আসরে বাংলাদেশি সিনেমার প্রতিনিধিত্ব করছেন একমাত্র অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। দেশের এমন পরিবর্তিত সময়ে মেহজাবীন ফুলের সৌরভ ছড়াচ্ছেন টরন্টোয়! যে সৌরভ ছড়িয়ে পড়েছে সোশ্যাল হ্যান্ডেলে অভিনেত্রীর ভেরিফায়েড পেইজে।

    টরন্টোয় উৎসবস্থলে গিয়ে মেহজাবীনের দেখা হয়ে গেল তারই পছন্দের অভিনেত্রী নওমি ওয়াটসের সঙ্গে। ব্রিটিশ এই অভিনেত্রীর পুরনো ভক্ত মেহজাবীন। দেখা হওয়ার পর ভক্তসুলভ ছবি তুলতে ভুললেন না। অতঃপর যথারীতি সেটি সোশ্যাল হ্যান্ডেলে প্রকাশ করেন। 

    পরনে কালো পোশাক আর মিষ্টি রোদে দারুণ এক দ্যুতি ছড়িয়ে দিলেন মেহজাবীন। একগুচ্ছ সাদা লিলি ফুল হাতে যেন শান্তি ও সৌরভের বার্তা ছড়িয়ে দিলেন টরন্টো শহরে। 

    ৮ সেপ্টেম্বরের শো শেষে তোলা এ ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন- ‘নওমি ওয়াটসের সঙ্গে টিআইএফএফ-এ ফ্যানগার্ল মোমেন্ট।’ যেখানে তিনি নিজে ‘ভক্ত বালিকা’ বলে সম্বোধন করেছেন।

    ছবির নিচে মন্তব্যের ঘরে প্রশংসায় ভাসছেন মেহজাবীন। খবর পাওয়া গেছে, প্রতিটি শো’র পর মুহুর্মুহু করতালিতে সিক্ত হচ্ছে ‘সাবা’ টিম।

    মেহজাবীন বলেন, ‘সাবা’ অর্থ সকাল, সকালের মৃদু বাতাস। মেহজাবীনের আশা, গল্প, চরিত্র, নির্মাণ, সহশিল্পী ও নেপথ্যের মেধাবী কলাকুশলীদের সঙ্গে অভিনয়ের সুযোগসহ সব মিলিয়ে ‘সাবা’ আমার জীবনে সবসময়ই বিশেষ একটি নাম হয়ে থাকবে।

    এদিকে শুধু অভিনয় নয়, ‘সাবা’ সিনেমাটি প্রযোজনাও করেছেন মেহজাবীন চৌধুরী। প্রযোজকের তালিকায় তার পাশাপাশি আছেন আরিফুর রহমান, তামিম আব্দুল মজিদ, ত্রিলোরা খান, মাকসুদ হোসেন ও বরকত হোসেন পলাশ। চিত্রগ্রহণ করেছেন বরকত হোসেন পলাশ। আবহ সংগীতে আম্মান আব্বাসি।

    ‘সাবা’ সিনেমায় নাম ভূমিকায় দেখা যাচ্ছে মেহজাবীনকে। এতে আরও অভিনয় করেছেন রোকেয়া প্রাচী ও মোস্তফা মনওয়ার। সিনেমাটির গল্প ও চিত্রনাট্য লিখেছেন ত্রিলোরা খান ও মাকসুদ হোসেন।

    উৎসবের ডিসকভারি প্রোগ্রামে স্থান পেয়েছে তার অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘সাবা’। এটি নির্মাণ করেছেন মাকসুদ হোসেন। ৭ সেপ্টেম্বর বিশ্ব প্রিমিয়ার হয়েছে ‘সাবা’র। এরপর ৮ সেপ্টেম্বর আরও একটি শো হয়েছে। যাতে সরাসরি অংশ নিয়ে সিনেমাটি প্রসঙ্গে কথা বলেছেন মেহজাবীন চৌধুরী। এ সময় পাশে ছিলেন সিনেমার অন্যতম অভিনেতা মোস্তফা মনওয়ার এবং নির্মাতা মাকসুদ হোসেন। 

    ১৪ সেপ্টেম্বর আরও একটি শো আছে ‘সাবা’র।

    টরন্টো উৎসবের ডিসকভারি প্রোগ্রামে বিভিন্ন দেশের নবাগত ও উদীয়মান পরিচালকদের প্রথম ও দ্বিতীয় পূর্ণদৈর্ঘ্য কাহিনিচিত্র জায়গা পেয়ে থাকে। এবারের আসরে নির্বাচিত হয়েছে ‘সাবা’সহ ২৪টি চলচ্চিত্র। এরমধ্যে ২০টির ওয়ার্ল্ড প্রিমিয়ার হবে। এবারের উৎসব চলবে ১৫ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • টরন্টোয় ডিসকভারি প্রোগ্রামে সাবা, ভোট চাইলেন মেহজাবীন

    টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ডিসকভারি প্রোগ্রামে নির্বাচিত হয়েছে ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী অভিনীত প্রথম সিনেমা ‘সাবা’। 

    সম্প্রতি সামাজিক মাধ্যমে এক পোস্ট দিয়ে মাকসুদ হোসেনের পরিচালিত এই সিনেমাটিতে টিআইএফএফ এর উৎসবে ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন মেহজাবীন। 

    ওই পোস্টে অভিনেত্রী লিখেছেন, অত্যন্ত অভিভূত যে ‘সাবা’ ফিউচার ফিল্ম থেকে টিফ-এ ভালো সাড়া পাচ্ছে। আমি এটা দেখে আনন্দিত যে বাজেটের মধ্যে তৈরি মৌলিক গল্পের সিনেমা ও সিরিজগুলো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে প্রশংসিত হচ্ছে। 

    এ অভিনেত্রী বলেন, আমি এবং আমার টিম বিশ্ব মঞ্চে একটি বাংলাদেশি চলচ্চিত্র প্রদর্শন করতে পেরে গর্বিত। এটি হল সবচেয়ে বড় প্ল্যাটফর্ম যেখানে আমি একজন শিল্পী হিসাবে পা দিয়েছি, এটি আমাকে মনে করিয়ে দেয় যে আমাদের অর্জন করার জন্য এখনও অনেক কিছু আছে।

    মেহজাবীন লিখেন, সাবা টিম, সমস্ত বাংলাদেশি নির্মাতা ও শিল্পীরা যারা অক্লান্ত পরিশ্রম করে আন্তর্জাতিক মহলে পরিচয় করিয়ে দিয়েছেন তাদের জন্য উচ্ছ্বাস প্রকাশ করছি। তাদের প্রত্যেককে ধন্যবাদ জানাতে চাই যারা আমাদের প্রথম তিনটি শোতে অংশ নিয়েছেন এবং নিজেদের অনুভূতি ও ভাবনাগুলো আমাদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন।

    পোস্টের শেষে অভিনেত্রী জানান, তাদের দল ১৪ তারিখ সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে চূড়ান্ত স্ক্রিনিংয়ে অংশ নেবে। পাশাপাশি সাবাকে ভোট দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেছেন। 

    উল্লেখ্য, কান চলচ্চিত্র উৎসবের পর বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ উৎসব হলো টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব। প্রতি বছর সেপ্টেম্বর মাসে টরন্টোতে ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল অনুষ্ঠিত হয়। 

    এটি ১৯৭৬ সালে ফেস্টিভ্যাল অফ ফেস্টিভ্যাল হিসাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, অন্যান্য ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল থেকে চলচ্চিত্র প্রদর্শনের লক্ষ্যে এবং তখন থেকে এটি বিশ্বের অন্যতম বৃহত্তম বার্ষিক চলচ্চিত্র প্রদর্শনীতে পরিণত হয়েছে। ১৯৯৫ সালে এর নামকরণ করা হয় টরন্টো আন্তর্জাতিক ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল।

    বিনোদন ডেস্ক

  • টরন্টোতে মেহজাবীন চৌধুরীর ‘ফ্যান গার্ল’ মোমেন্ট

    নিজের প্রথম সিনেমা ‘সাবা’র জন্য এখন কানাডার টরন্টোতে অবস্থান করছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। সেখানে ব্রিটিশ অভিনেত্রী নাওমি ওয়াটসের সঙ্গে দেখা হয়েছে তার। নাওমির সঙ্গে ভক্তসুলভ ছবি তুলে তা সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন মেহজাবীন।

    নাওমির সঙ্গে ছবি নিজের ভেরিফায়েড পেজে শেয়ার করে মেহজাবীন ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘নাওমি ওয়াটসের সঙ্গে টিআইএফএফ-এ ফ্যানগার্ল মোমেন্ট।’

    নাওমি ওয়াটস ‘টোয়েন্টি ওয়ান গ্রাম’, ‘সেন্ট ভিনসেন্ট’, ‘দ্য রিং’, ‘দ্য ইম্পসিবল’, ‘কিং কং’, ‘বার্ডম্যান’সহ বহু জনপ্রিয় ইংরেজি ভাষার সিনেমায় অভিনয় করেছেন। এর মধ্যে ‘দ্য রিং’ এবং ‘দ্য ইম্পসিবল’ সিনেমার জন্য অস্কারের সেরা অভিনেত্রীর মনোনয়নও পেয়েছিলেন।

    প্রসঙ্গত, টরন্টো আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের ডিসকভারি প্রোগ্রামে স্থান পেয়েছে মেহজাবীনের প্রথম সিনেমা ‘সাবা’। এটি নির্মাণ করেছেন মাকসুদ হোসেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার কোটা আন্দোলন নিয়ে সরব মেহজাবীন, যা বললেন

    এবার কোনো সংস্কারের দাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিয়ে সরব হয়েছেন টেলিভিশনের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। কাজ ও পরিবারের বাইরে রাষ্ট্র এবং সমাজ নিয়ে যার খুব একটা মাথাব্যথা নেই। তিনি এবার শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন কড়া প্রতিবাদী হয়ে। তুলে ধরলেন কুরআন-হাদিসের তথ্যও।

    rnrn

    বৃহস্পতিবার নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দীর্ঘ এক লেখা পোস্ট করেছেন। মেহজাবীনের পুরো লেখাটি যুগান্তরের পাঠকদের জন্য তুলে ধরা হলো-

    rnrn

    ছোটবেলা থেকে জেনেছি, পরিবার-সমাজ-রাষ্ট্র নারীর গায়ে হাত তোলা সমর্থন করে না। আমাদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থও কখনও নারীর প্রতি সহিংসতা শেখায়নি। পবিত্র কুরআনে বলা হয়েছে, ‘তোমরা নারীদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করো’। হাদিসে বলা হয়েছে, ‘তোমাদের মধ্যে সর্বাধিক ভালো মানুষ তারাই, যারা নারীদের সঙ্গে সদাচরণ করে’। 

    rnrn

    অথচ আমাদের দুর্ভাগ্য, গণমাধ্যম বা সামাজিকমাধ্যমে আজকাল এর ভিন্ন চিত্র, মর্মান্তিক সব ভিডিও দেখতে হচ্ছে। একজন নয়, দুইজন নয়, আমারই অসংখ্য বোনের ওপর নির্বিকার ভঙ্গিতে হামলা চালানো হচ্ছে, রক্তাক্ত করা হচ্ছে। কী নির্মম, কী নৃশংস! ন্যায়-অন্যায়ের প্রসঙ্গে পরে আসছি। তবে আমার অবস্থান থেকে বলব- সর্বোচ্চ কোনো যুক্তির অজুহাতেও নারীর প্রতি এই সহিংসতা মেনে নেওয়া যায় না। ‘না’ মানে ‘না’; কখনও না। ছাত্র-ছাত্রীরা কি-ই বা করেছিল? তারা তাদের অধিকারের ব্যাপারে সোচ্চার হয়েছিল। কোটা সংস্কারের দাবি তুলেছিল। তাই তো? একটি গণতান্ত্রিক দেশে স্বাধিকারের দাবি যে কেউ তুলতে পারে। কিন্তু তাই বলে নারীর গায়ে হাত তোলা, ‘আবু সাঈদ’-এর মতো সম্ভাবনাময় তরুণকে হত্যা করা- এসব কি সভ্যতার পর্যায়ে পড়ে? সমাধানের অন্য কোনো উপায় কি ছিল না? গুলি কেন করতে হলো? 

    rnrn

    পরিস্থিতি হয়তো আজ কিংবা কাল স্বাভাবিক হয়ে যাবে। কিন্তু যে মায়ের বুক খালি হলো, যে পরিবারের মুখের হাসি চলে গেল, আমরা কি সেই শূন্যতা অন্য কিছুর বিনিময়ে পূর্ণ করতে পারব? কখনও না। তাছাড়া ইতিহাস সাক্ষী, শক্তি যত বড়ই হোক, ছাত্র সমাজের ওপর চড়াও হয়ে যুগে যুগে কেউ কখনও কিছুই অর্জন করতে পারেনি। তাহলে কেন এই ব্যর্থ আস্ফালন? মহান স্বাধীনতা যুদ্ধ কিংবা আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধাদের আমরা সবসময়ই বুকের ভেতর লালন করি। আমরা গর্ব করি বীর মুক্তিযোদ্ধারা নিজেদের প্রাণের বিনিময়ে আমাদের একটি স্বাধীন দেশ উপহার দিয়েছিলেন। কিন্তু এই দেশে নিজের মনের ভাব প্রকাশ করা যাবে না, অধিকারের দাবি তোলা যাবে না, সবকিছুর ঊর্ধ্বে যোগ্যতার পরিচয়টাকেই সবচেয়ে বড় করে দেখা যাবে না, প্রশাসনের চাওয়া-পাওয়ার বিরুদ্ধে গেলেই হামলার শিকার হতে হবে, অকাতরে অকাল প্রাণ বিলিয়ে দিতে হবে-এমন বাংলাদেশের স্বপ্ন কি আমাদের বীর মুক্তিযোদ্ধারা দেখেছিলেন? আমার মনে হয় না।

    rnrn

    দ্রব্যমূল্যর ঊর্ধ্বগতি, প্রশ্নপত্র ফাঁস থেকে দুর্নীতি-প্রায় সব ইস্যুতেই তো আমরা চুপ থাকি। রক্ষক ভক্ষক হয়ে গেলেও আমরা নীরবে সয়ে যাই। অপেক্ষা করি, হয়তো একটা না একটা সমাধান আসবে। আজ না হলেও দুদিন পরে আসবে। অন্যান্য ইস্যুতে আমরা সামাজিকমাধ্যমেও এতটা সোচ্চার হই না। তাহলে ইদানীং কেন হচ্ছি? কেন কোটা সংস্কার ইস্যুতে দলমত নির্বিশেষে আমাদের মতো সাধারণ জনগণ সরকারের পদক্ষেপের নিন্দা করছি? কারণ একটাই, কোটা সংস্কার এখন সময়ের দাবি। যত দ্রুত সম্ভব এর সমাধান জরুরি। ভুলে গেলে চলবে না, আমরা এই সাধারণ জনগণই কিন্তু মেট্রোরেল, পদ্মা সেতু, উড়াল সেতু ইত্যাদি সরকারের অনেক যুগান্তকারী সাফল্যে গর্বিত হয়ে হাততালি দিয়েছিলাম। গালভরা প্রশংসা করেছিলাম। সামাজিকমাধ্যমে সরব হয়েছিলাম। নিশ্চয়ই ছাত্র-ছাত্রীদের দাবি মেনে কোটা সংস্কার হবার পর আমরা পুনরায় সরকারের পাশে দাঁড়াব। এক পক্ষ হয়ে দেশের সব সমস্যার সমাধান করার জন্য সরকারকে সহযোগিতা করব। সবাই মিলে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাব।
    rn  
    rnঅর্থাৎ সব কথার শেষ কথা, ছাত্ররা আগামী দিনের ভবিষ্যৎ। দমিয়ে না রেখে তাদের যৌক্তিক দাবিতে সমর্থন দেওয়ার জন্য মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও সর্বোচ্চ আদালতের কাছে আমি মেহজাবীন চৌধুরী আকুল আবেদন করছি। আমার বিশ্বাস, আমরা নিরাশ হবো না।

    যুগান্তর ডেস্ক

  • ছেলেদের নিয়ে যে আক্ষেপ মেহজাবীনের 

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। বর্তমানে নাটকে তাকে খুব একটা দেখা যায় না। সম্প্রতি ওটিটি প্ল্যাটফরমে বেশ সক্রিয়। অভিনেত্রী জানিয়েছেন, নাটকে নতুনদের সুযোগ করে দিতেই তার এমন সিদ্ধান্ত। 

    rnrn

    এদিকে বর্তমানে টিভি নাটকে বেশ কিছু নতুন মুখ দেখা গেছে। তবে অসংখ্য অভিনেত্রী উঠে এলেও নতুন অভিনেতাদের সংকট অনুভব করছেন মেহজাবীন। আর এটা নিয়েই তার আক্ষেপ। সম্প্রতি এ অভিনেত্রী বলেন, আমি মাঝেমধ্যে ভাবি— নতুন মেয়েরা আসছে, ছেলেরা আসছে না।

    rnrn

    নতুন পুরুষ অভিনয়শিল্পী কম আসছে। আমাদের তো নতুন অভিনেতাও দরকার। এদিকে বর্তমানে টিভি নাটকে বেশ কিছু নতুন মুখ দেখা গেছে। 

    rnrn

    এদের মধ্যে কাকে ভালো লাগে? প্রশ্নোত্তরে মেহজাবীন বলেন, অনেকেই কাজ করছেন। আমার মনে হয়, সাদিয়া আয়মান, তটিনী (তানজিম সাইয়ারা), নিহা (নাজনীন) এই তিনজনকে নিয়ে গত ঈদে এবং ভালোবাসা দিবসে আলোচনা হয়েছে। এ মুহূর্তে ওয়েব সিরিজ ও চলচ্চিত্র নিয়েই ব্যস্ত আছেন মেহজাবীন। 
    rnসম্প্রতি দেশীয় ওটিটি প্ল্যাটফরম আই স্ক্রিনে মুক্তি পেয়েছে মেহজাবীন চৌধুরী অভিনীত ওয়েব সিরিজ ‘আমি কী তুমি’। ভিকি জাহেদের পরিচালনায় আট পর্বের সিরিজটিতে বিভিন্ন চরিত্রে রয়েছেন শ্যামল মাওলা, জুনায়েদ বোগদাদী, ফজলুর রহমান বাবু প্রমুখ। 
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক