Tag: মেহজাবীন চৌধুরী

  • আমার কোনো হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজ আটকানো হয়নি: মেহজাবীন

    জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরীর বিমানবন্দরে অবৈধ পণ্যসহ আটক হওয়া নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে জোর গুঞ্জন চলছে। এটি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত দাবি করে আইনিব্যবস্থা গ্রহণ করেছেন অভিনেত্রী। জানালেন তাকে জড়িয়ে যে মানহানিকর প্রচার চালানো হচ্ছে, তার বিরুদ্ধে ইতোমধ্যে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন তিনি। সোমবার দুপুরে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এক দীর্ঘ পোস্ট দিয়েছেন অভিনেত্রী।

    সামাজিক মাধ্যম ফেসবুক পোস্টে মেহজাবীন চৌধুরী লিখেছেন— সাম্প্রতিক যে ঘটনাটি নিয়ে আমাকে উদ্দেশ্য করে মানহানিকর প্রচার চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে আমি ইতোমধ্যে আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছি। এ প্রসঙ্গে কয়েকটি বিষয় পরিষ্কারভাবে জানাতে চাই। প্রথমত উল্লিখিত কোনো ঘটনায় আমাকে কখনই বিমানবন্দরে থামানো হয়নি। আমার কোনো হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজও আটকানো হয়নি।

    তিনি বলেন,  আমার লাগেজ বা হ্যান্ডব্যাগে উল্লিখিত অভিযোগের কিছু পাওয়ার তো প্রশ্নই ওঠে না। যেসব কথা ছড়ানো হচ্ছে, সে রকম কোনো ঘটনার মুখোমুখি আমি হইনি। বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা আমাকে কোনোরূপ জিজ্ঞাসাবাদও করেননি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেত্রী বলেন, আমাকে জিজ্ঞাসাবাদ করার, আমার লাগেজ থেকে অবৈধ কিছু বের হওয়ার কোনো ছবি, ভিডিও কিংবা কোনো ধরনের প্রমাণ কি আছে?

    ক্ষোভ প্রকাশ করে মেহজাবীন বলেন, দুর্ভাগ্যজনকভাবে মানহানি এখন খুব স্বাভাবিক ব্যাপারে পরিণত হয়েছে। যে খবরটি ছড়ানো হয়েছে, তার নিরিখে একটিও প্রমাণ কেউ দিতে পারেনি যে আমার লাগেজে অবৈধ কিছু পাওয়া গেছে। অথচ ক্লিকবেইটের জন্য আমার ছবি ব্যবহার করা হয়েছে।

    মেহজাবীন লিখেছেন, এ ধরনের ঘটনা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। কারোরই এমন পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়া কাম্য নয়। আমার বিরুদ্ধে এসব অভিযোগ অমূলক এবং আমি আবারও বলছি— এ ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনায় আমাকে জড়িয়ে যা প্রকাশিত হয়েছে, সেই ব্যাপারে আমার কোনোই সংশ্লিষ্টতা নেই।

    এর আগে রোববার সকালে এক পোস্টে মেহজাবীন অভিযোগ করেছিলেন যে, গত কিছু দিন ধরে তাকে নানা বিষয়ে ‘টার্গেট’ করা হচ্ছে। মাস তিনেক আগে পারিবারিক ব্যবসায় অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে একটি আইনি জটিলতায় পড়েছিলেন তিনি, যদিও পরে আদালত থেকে তিনি অব্যাহতি পান।

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি বিতর্কের সূত্রপাত হয় একটি খবরের মাধ্যমে, যেখানে দাবি করা হয়েছিল— গত ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ফেরার পথে মদের বোতলসহ বিমানবন্দরে মেহজাবীন ও তার স্বামী আটক হন। তবে এই তথ্যের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। এই অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতেই মেহজাবীন সরাসরি মানহানির দাবি করে আইনি পথে হাঁটার ঘোষণা দিলেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ১৪ বোতল মদ ইস্যুতে মেহজাবীনের আইনি পদক্ষেপ

    সম্প্রতি লাগেজে মদের বোতল পাওয়ার অভিযোগ ঘিরে আলোচনায় এসেছেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। গত বছরের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে প্রকাশিত কয়েকটি সংবাদে দাবি করা হয়, বিদেশ থেকে ফেরার সময় বিমানবন্দরে তার লাগেজে মদের বোতল পাওয়া যাওয়ায় তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছিল। তবে এ অভিযোগ পুরোপুরি অস্বীকার করেছেন তিনি।

    বিষয়টি নিয়ে সরাসরি সংবাদ সম্মেলন না করলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করেছেন মেহজাবীন। একই সঙ্গে তার বিরুদ্ধে অপপ্রচার চালানো হয়েছে অভিযোগ করে আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন তিনি।

    মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া পোস্টে তিনি বলেন, সম্প্রতি তাকে জড়িয়ে যে মানহানিকর প্রচার চালানো হয়েছে, সে বিষয়ে তিনি ইতোমধ্যে আইনি পদক্ষেপ নিয়েছেন। তার দাবি, উল্লিখিত কোনো ঘটনায় তাকে কখনোই বিমানবন্দরে আটকানো হয়নি। এমনকি তার কোনো হ্যান্ডব্যাগ বা লাগেজও জব্দ করা হয়নি। তার লাগেজে অবৈধ কিছু পাওয়ার প্রশ্নই ওঠে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মেহজাবীন আরও বলেন, যেসব তথ্য ছড়ানো হচ্ছে সেগুলোর কোনো বাস্তব ভিত্তি নেই। বিমানবন্দরের কোনো কর্মকর্তা তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেননি বলেও দাবি করেন তিনি। তিনি প্রশ্ন তোলেন, তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে বা তার লাগেজ থেকে অবৈধ কিছু উদ্ধার হয়েছে—এমন কোনো ছবি, ভিডিও বা প্রমাণ কেউ দেখাতে পারবে কিনা।

    পোস্টে তিনি লেখেন, বর্তমানে মানহানি যেন খুব স্বাভাবিক বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। তার অভিযোগ, কোনো প্রমাণ ছাড়াই ক্লিকবেইট তৈরির উদ্দেশ্যে তার ছবি ব্যবহার করে বিভ্রান্তিকর খবর প্রকাশ করা হয়েছে, যা অত্যন্ত উদ্বেগজনক। 

    নিজের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোকে তিনি সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন উল্লেখ করে বলেন, এ ধরনের ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই।

    উল্লেখ্য, প্রকাশিত কিছু প্রতিবেদনে বলা হয়, গত বছরের আগস্টে বিদেশ থেকে ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ফেরার সময় মেহজাবীন চৌধুরীকে আটক করা হয়েছিল। সেখানে তার লাগেজে ১৪ বোতল মদ পাওয়া গেছে বলে দাবি করা হয়। ওই সময় তার সঙ্গে নির্মাতা ও প্রযোজক স্বামী আদনান আল রাজীব এবং নির্মাতা শঙ্খ দাসগুপ্ত ছিলেন বলেও প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ১৪ বোতল মদসহ আটকের খবর নিয়ে যা বললেন মেহজাবীন

    ছোট ও বড় পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। সম্প্রতি দেশের বেশ কিছু গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়, ২০২৫ সালের ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ঢাকায় ফেরার পথে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে ১৪ বোতল মদসহ  আটক হয়েছিলেন এই অভিনেত্রী। এ সময় তার সঙ্গে আরও ছিলেন স্বামী আদনান আল রাজীব এবং নির্মাতা শঙ্খ দাসগুপ্ত।

    অভিযোগ ওঠে, মদসহ আটক হলেও রহস্যজনক কারণে বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ বিষয়টি গোপন রেখে তাদের ছেড়ে দেন। পরে এই বিষয়টি গণমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক বিতর্ক ও সমালোচনার মুখে পড়েন মেহজাবীন।

    এ নিয়ে এবার মুখ খুলেছেন অভিনেত্রী। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে এই অভিযোগ অস্বীকার করে পাল্টা প্রতিক্রিয়া জানান তিনি। পোস্টে মেহজাবীন পাল্টা অভিযোগ করেন, দীর্ঘদিন ধরেই তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে টার্গেট করা হচ্ছে।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেত্রীর কথায়, ‘কিছুদিন ধরে আমি লক্ষ্য করছি আমাকে নানা বিষয়ে টার্গেট করা হচ্ছে।

    আপনারা অনেকেই জানেন, কিছু দিন আগেও একটি মিথ্যা মামলায় আমাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল।  আদালত সেই মামলা থেকে আমাকে অব্যাহতি দিয়েছেন, সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’

    আমি যখন নতুন করে কাজে মনোনিবেশ করেছি, ঠিক তখনই আবার আমার মানহানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে।’

    প্রযুক্তির অপব্যবহার নিয়ে উদ্বেগের কথা প্রকাশ করে মেহজাবীন আরও লেখেন, ‘সাম্প্রতিক সময়ে এআই (Artificial intelligence, Ai) দিয়ে তৈরি ছবি ও ভিডিওর কারণেও আমার মতো অনেক আর্টিস্টদের প্রায়ই বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে- যা একেবারেই কাম্য নয়।’

    পোস্টে নারীদের বিরুদ্ধে সাইবার টার্গেটিংয়ের প্রবণতা নিয়েও প্রশ্ন তোলেন তিনি।

    সবশেষে শুধুমাত্র কাজ দিয়েই আলোচনায় থাকার আশা ব্যক্ত করে অভিনেত্রী লেখেন, ‘আমি শুধু আমার কাজেই ফোকাস করতে চাই। আমি চাই আমার কাজ নিয়েই আলোচনা হোক। আশা করি, আপনারা সবাই পাশে থাকবেন।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘মেহজাবীনকে টার্গেট করা হচ্ছে’, নেপথ্যে কে?

    পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী দাবি করেছেন, সম্প্রতি একটি মহল পরিকল্পিতভাবে তাকে নানা বিষয়ে ‘টার্গেট’ করছে এবং মানহানির চেষ্টা চালাচ্ছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব অভিযোগ তুলে ধরেন।

    রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) সকালে দেওয়া ওই স্ট্যাটাসে মেহজাবীন লেখেন, কিছুদিন ধরে আমি লক্ষ্য করছি আমাকে নানা বিষয়ে টার্গেট করা হচ্ছে। আপনারা অনেকেই জানেন, কিছুদিন আগেও একটি মিথ্যা মামলায় আমাকে হয়রানির শিকার হতে হয়েছিল। বিজ্ঞ আদালত সেই মামলা থেকে আমাকে অব্যাহতি দিয়েছেন, সত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।

    স্ট্যাটাসে অভিনেত্রী আরও উল্লেখ করেন, আমি যখন নতুন করে কাজে মনোনিবেশ করেছি, ঠিক তখনই আবার আমার মানহানি করার চেষ্টা করা হচ্ছে। পাশাপাশি আরও উল্লেখ করতে চাই, সাম্প্রতিক সময়ে এআই দিয়ে তৈরি ছবি ও ভিডিওর কারণেও আমার মতো অনেক আর্টিস্টদের প্রায়ই বিব্রতকর পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হচ্ছে- যা একেবারেই কাম্য নয়।     

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মেহজাবীন বলেন, নারীরাই আজকাল সহজ টার্গেট হচ্ছে। এর পেছনে কে বা কারা আছে, তা আমার জানা নেই।

    তিনি স্পষ্ট করে জানান, আমি শুধু আমার কাজেই ফোকাস করতে চাই, আমি চাই আমার কাজ নিয়েই আলোচনা হোক। আশা করি আপনারা সবাই পাশে থাকবেন। ধন্যবাদ।

    অভিনেত্রীর এ বক্তব্যের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভক্ত ও সমালোচকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। অনেকেই তার পাশে দাঁড়িয়ে সমর্থন জানিয়েছেন, আবার কেউ কেউ সাম্প্রতিক অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছেন।

    উল্লেখ্য, সম্প্রতি একটি সংবাদমাধ্যমের প্রকাশিত খবরে দাবি করা হয়, গত ১৭ আগস্ট ব্যাংকক থেকে ঢাকায় ফেরার সময় মদের বোতলসহ আটক হয়েছিলেন মেহজাবীন ও তার স্বামী। যদিও বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। এসব অভিযোগ ও গুঞ্জনের প্রেক্ষিতেই নিজের মানহানির দাবি তুলে সরাসরি অবস্থান নিলেন অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিবাহবার্ষিকীতে স্বামীকে নিয়ে মেহজাবীনের উষ্ণ বার্তা

    এক যুগের বেশি বন্ধুত্ব ও প্রেমের পর গত বছরের ১৪ ফেব্রুয়ারি বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও নির্মাতা আদনান আল রাজীব। শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) বিশ্ব ভালোবাসা দিবসের দিনেই তাদের বিয়ের এক বছর পূর্ণ হল। 

    বিশেষ এই দিনে স্বামীর সঙ্গে কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে শেয়ার করেছেন মেহজাবীন। সেই পোস্টের ক্যাপশনে স্বামীকে নিয়ে আবেগঘন বার্তা জানান এই লাক্স তারকা। 

    অভিনেত্রী লেখেন, ‘একসঙ্গে বড় হয়েছি। একসঙ্গে লড়েছি পৃথিবীর সঙ্গে। ১৪ বছরের বন্ধুত্ব-ভালোবাসার পথচলা, তার মধ্যে এক বছর হল আমাদের সংসার। আজও যদি নতুন করে শুরু করার সুযোগ আসে, আমি তোমাকেই বেছে নিতাম, আদনান।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ২০২৫ সালে আজকের দিনে বিয়ের পিঁড়িতে বসার আগে মেহজাবীন ও রাজীবের সম্পর্ক শুরু হয় বন্ধুত্ব দিয়ে। পরবর্তীতে সেই বন্ধুত্ব গড়ায় প্রেমে। এভাবে ১৩ বছর পথচলার পর গত বছর এই জুটি জীবনের নতুন অধ্যায়ে যাত্রা শুরু করেন। 

    উল্লেখ্য, ২০০৯ সালে লাক্স–চ্যানেল আই সুপারস্টার প্রতিযোগিতার মাধ্যমে শোবিজে মেহজাবীনের যাত্রা শুরু। এরপর অভিনয় ও মডেলিংয়ের মাধ্যমে ব্যাপক পরিচিতি পান তিনি। সে সময়েই নির্মাতা ও প্রযোজক আদনান আল রাজীবের সঙ্গে তার পরিচয়। সেখান থেকে বন্ধুত্ব ও প্রেমের পর গাঁটছড়া বেধে আজ তারা একসঙ্গে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আই অ্যাম ভেরি এক্সাইটেড— কেন এ কথা বললেন মেহজাবীন

    বিনোদন জগতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী এ মুহূর্তে ছোট-বড়পর্দায় কিংবা ওটিটি নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন। তবে সব মাধ্যমেই চিত্রনাট্য নির্বাচনে ভীষণ খুঁতখুঁতে অভিনেত্রী । সংখ্যাতত্ত্বের দৌড়ে না হেঁটে তিনি এখন হাঁটছেন গুণগত মান নিয়ে। সম্প্রতি গুণী নির্মাতা শিহাব শাহীনের নতুন একটি প্রজেক্টে যুক্ত হয়েছেন মেহজাবীন চৌধুরী। আর এ কাজটিকে তিনি দেখছেন জীবনে একবারই আসার মতো সুযোগ হিসেবে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে এমন কথাই জানান অভিনেত্রী।

    নিজের কাজ কমিয়ে দেওয়া এবং নতুন কাজে যুক্ত হওয়ার প্রসঙ্গে মেহজাবীন বলেন, আমি যেভাবে আসলে কাজ কমিয়ে ফেলেছি, নতুন কোনো চমক আসলে স্ক্রিপ্টে না থাকলে আমি সেখানে কোনোভাবেই অন-বোর্ড হই না। তো ডেফিনেটলি শিহাব ভাইয়ার রাইটিংয়ে ওরকম একটা চমক খুঁজে পাওয়া গেছে। আমার কাছে মনে হয়েছে, আমার এ রকম একটা ক্যারেক্টার হাতছাড়া করা উচিত হবে না বলে জানান অভিনেত্রী।

    নিজের চরিত্র নিয়ে উচ্ছ্বাস প্রকাশ মেহজাবীন বলেন, ওয়ান্স ইন আ লাইফটাইম— এ ধরনের ক্যারেক্টার আসলে পাওয়া যায়। সো, আই অ্যাম ভেরি এক্সাইটেড! এখন কতটুকু পুল অফ করতে পারব, কতটুকু আমি আসলে সেটাকে বিশ্বাসযোগ্য করতে পারব, আমি কতটুকু এফোর্ট দিতে পারব, ডেফিনেটলি আই উইল ট্রাই মাই লেভেল বেস্ট। বাট বাকি সবকিছু আসলে ফিউচার এবং সময় বলে দেবে।

    তিনি বলেন, আমি একটা জায়গায় খুব ভালো ফিল করছি এখন পর্যন্ত, আমি শিহাব শাহীনের একজন ফ্যান অফ হিজ ওয়ার্ক। তো সেই জায়গা থেকে উনার আন্ডারে কাজ করছি এবং উনি যেভাবে আসলে আর্টিস্টদের ডিরেক্ট করেন, আই অ্যাবসোলিউটলি এনজয় দ্যাট। তো এই কাজ আমি এনজয়ও করব অ্যাজ ওয়েল অ্যাজ কাজটাও হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মেহজাবীনের সঙ্গে কাজ করে নিজেকে ভাগ্যবান মনে করেন প্রীতম

    হালের শ্রোতাপ্রিয় সংগীতশিল্পী ও অভিনেতা প্রীতম হাসান। নিজের কাজ থেকে শুরু করে ব্যক্তিত্বের কারণে বরাবরই আলোচনায় থাকেন তিনি। সামনে অভিনেত্রী মেহজাবীনের সঙ্গে একটি প্রকল্পে দেখা যাবে তাকে। বর্তমানে সেটিরই শুটিংয়ে তিনি ব্যস্ত আছেন। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে সেই কাজসহ আরও নানা বিষয়ে মুখ খুলেছেন প্রীতম। 

    কাজের পাশাপাশি লুকের কারণেও ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে বেশ সমাদৃত গুণি এ তারকা। নিজের লুক সম্পর্কে প্রীতমের সোজাসাপ্টা জবাব, ‘আমার আসলে চেহারা একটু দাড়ি এবং একটু বড় চুল রাখলে খুব ভালো লাগে। এটা সবাই জানে যে আমি আমার বড় চুলটা খুব পছন্দ করি। যে কারণে আমি আসলে সবসময় বড় চুল রাখি।’ 

    ভবিষ্যতেও লুকে খুব একটা বড় পরিবর্তন করবেন না। এখন যেরকম আছেন, সামনেও সেরকমই থাকার সম্ভাবনা বেশি বলে জানান ‘লাগে উড়া ধুরা’, ‘চাঁদ মামা’খ্যাত এই কণ্ঠশিল্পী। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এই মুহূর্তে অভিনেত্রী মেহজাবীনের সঙ্গে জুটি বেঁধে একটি প্রকল্পে কাজ করছেন প্রীতম। প্রকল্পের সহশিল্পীকে প্রশংসায় ভাসিয়ে তিনি বলেন, ‘মেহজাবীনের সঙ্গে কাজ করার এক্সপেরিয়েন্স ইজ ওয়ান্ডারফুল সো ফার। আমরা অনেক রোদে শুটিং করছি, অ্যান্ড শি ইজ আ ওয়ান্ডারফুল হিউম্যান বিং। আমার মনে হয় আমি খুবই লাকি যে তার মতো অভিনেত্রীকে আমি পেয়েছি এ প্রজেক্টের জন্য।’ 

    প্রকল্পটিতে প্রীতম তার চরিত্র সম্পর্কে বলেন, ‘আমরা জেমস বন্ড করতে পারব না, আমরা মাসুদ রানাও হয়তো করতে পারব না। বাট আমরা যেটা করতে পারি, আমরা হয়তোবা নতুন একটা চরিত্রকে তুলে ধরতে পারি।’ এক্ষেত্রে দেশের বাইরের আইকনিক কোনো চরিত্রকে অনুকরণ না করে নতুন কিছু তৈরিতে আগ্রহের কথা জানান তিনি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বড় পর্দায় ফিরছে নিশো-মেহজাবীন জুটি

    ছোটপর্দার জনপ্রিয় জুটি আফরান নিশো-মেহজাবীন চৌধুরী। একসঙ্গে এই দুই অভিনয় শিল্পী অসংখ্য দর্শকপ্রিয় নাটক, ওয়েব সিরিজ ও বিজ্ঞাপনে কাজ করেছেন। গত কয়েক বছরে দুজন সিনেমায়ও কাজ করেছেন। যদিও বড় পর্দায় এখনো একসঙ্গে দেখা যায়নি তাদের। 

    তাদের ভক্তদেরও অনেক দিনের ইচ্ছা, দুজনকে একসঙ্গে রুপালি পর্দায় দেখবে। এবার দর্শকের সেই অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। জানা গেছে, প্রথমবারের মতো বড় পর্দায় জুটি বাঁধতে চলেছেন নিশো ও মেহজাবীন। ‘পুলসিরাত’ শিরোনামের এই ছবিটি পরিচালনা করবেন ভিকি জাহেদ। এটি একটি সাসপেন্স-থ্রিলার ঘরানার সিনেমা হতে যাচ্ছে। 

    যদিও এ বিষয়ে এখনো আনুষ্ঠানিক কোনো ঘোষণা আসেনি, তবে প্রাথমিক প্রস্তুতির কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে বলে জানা গেছে।  সবকিছু  ঠিক থাকলে হয়তো শিগগিরই আনুষ্ঠানিকভাবে ছবিটির কাস্ট, গল্প ও শুটিং সংক্রান্ত বিস্তারিত ঘোষণা করা হবে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    নিশো ও মেহজাবীন জুটির উল্লেখযোগ্য কিছু কাজের মধ্যে ‘পুনর্জন্ম’, ‘শিল্পী’, ‘শুক্লপক্ষ’, ‘মাইনকার চিপায়’, ‘২২শে এপ্রিল’, ‘ঘটনা সত্য’, ‘নীল জলের কাব্য’ ব্যাপক দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিল। যদিও এই জুটির জনপ্রিয় কাজের তালিকা বেশ দীর্ঘই বলা যায়।

    সম্প্রতি আফরান নিশো রেদওয়ান রনি পরিচালিত ‘দম’ সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন। অন্যদিকে, মেহজাবীন চৌধুরী ‘ক্যাকটাস’ নামের একটি ওয়েব সিরিজে কাজ করছেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • তাকে দেখিনি, চিনিও না: আদালতে মেহজাবীন

    হুমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগে করা মামলার শুনানিতে আদালতকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী বলেছেন, মামলার বাদীকে তিনি কখনো দেখেননি, চেনেন না। তাকে হুমকি দেওয়ার প্রশ্নই আসে না।

    সোমবার সকালে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকারের আদালতে এই মামলার শুনানি হয়। হুমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগে করা মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেন আদালত।

    সকাল ১০টার দিকে আদালতে আসেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরী। বেলা ১১টার দিকে তারা এজলাসে ওঠেন।

    মেহজাবীনের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার নীল রঙের জবাব দাখিলের কাগজ বিচারকের সামনে দেন। শুনানিতে তিনি বলেন, এ মামলার বাদীর ঠিকানা ভুয়া, মোবাইল নম্বরও ১২ ডিজিটের। আইনজীবী আরও বলেন, তিনি একজন অভিনেত্রী। এই বাদীকে চেনেন না, তার সঙ্গে কোনো পরিচয় নাই। অতএব হুমকি দেওয়ার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। তার সুনাম ক্ষুণ্ন করার কোনো পরিকল্পনা থাকতে পারে। এ জন্য এই মামলা করা হয়েছে।

    বাদী আমিরুলের পক্ষে আইনজীবী রায়হান গাজী বলেন, আসামিরা ধার্য তারিখে না থাকায় তাদের বিরুদ্ধে পরোয়ানা হয়। আমরা জবাব পাইনি। এই আসামি মামলার বাদীর কাছ থেকে টাকা নিয়েছেন। পরবর্তী সময়ে টাকা ফেরত চাওয়ায় তাকে হুমকি দিয়েছেন।

    এ সময় বিচারক বাদীকে জিজ্ঞাসা করেন, ‘আপনাকে কে হুমকি দিয়েছে?’ বাদী বলেন, ‘ওনারা হাতিরঝিল এলাকায় আমাকে হুমকি দিয়েছে।’ তখন বিচারক বলেন, ‘মেহজাবিন হুমকি দিয়েছে?’ বাদী বলেন, ‘না, তার ভাই হুমকি দিয়েছে। বিভিন্ন অপরিচিত লোক দিয়ে তিনি হুমকি দিয়েছেন।’

    বিচারক জানতে চাইলে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী বলেন, ‘আমরা তাকে (বাদী) কখনোই দেখিনি। তাকে চিনি না। তার সঙ্গে কোনো দিন কথাও হয়নি। বাদী কোনোভাবেই প্রমাণ দিতে পারেননি। বিকাশ-নগদের মাধ্যমে যে ২৭ লাখ টাকা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে এটার বিষয়ে কোনো প্রমাণও নেই।’ এ সময় বিচারক বলেন, এই মামলায় বিষয় ২৭ লাখ টাকা না। এটা হুমকি দেওয়ার মামলা। এখানে বিচার্য বিষয় হচ্ছে আপনারা তাকে হুমকি দিয়েছেন কি না?

    তখন মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই মাথা নেড়ে বলেন, না। বিচারক বলেন, আর ভবিষ্যতে হুমকি দেবেন কি না? তখন মেহজাবীন চৌধুরী বলেন, হুমকি দেওয়ার কোনো প্রশ্নেই আসে না।

    পরে বিচারক এই মামলা থেকে তাদের অব্যাহতি দেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • সেই মামলা থেকে অব্যাহতি পেলেন মেহজাবীন

    পারিবারিক ব্যবসার পার্টনার হিসেবে রাখার বিনিময়ে ২৭ লাখ টাকা আত্মসাত ও হুমকি ধামকি এবং ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে করা মামলায় মডেল ও অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দিয়েছেন আদালত।

    সোমবার (১২ জানুয়ারি) ঢাকার এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার শুনানি শেষে এই আদেশ দেন।

    মেহজাবীনের আইনজীবী তুহিন হাওলাদার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।  

    মামলার অভিযোগে বলা হয়, দীর্ঘদিনের পরিচয়ের সূত্রে মেহজাবীনের নতুন পারিবারিক ব্যবসায় অংশীদার হতে বাদী আমিরুল ইসলাম ২৭ লাখ টাকা দেন। তবে দীর্ঘ সময় পার হলেও ব্যবসায়িক কার্যক্রম শুরু না হওয়ায় টাকা ফেরত চাইলে আসামিরা সময়ক্ষেপণ করতে থাকেন। 

    অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, গত বছরের ১৬ মার্চ (২০২৫) হাতিরঝিল এলাকার একটি রেস্টুরেন্টে বৈঠকের কথা বলে ডেকে নিয়ে মেহজাবীন, তার ভাইসহ অজ্ঞাতনামা কয়েকজন তাকে গালাগালি ও হত্যার হুমকি দেন। পরে বিষয়টি নিয়ে ভাটারা থানায় গেলে পুলিশ আদালতে মামলা করার পরামর্শ দেয়। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এ ঘটনায় আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ফৌজদারী কার্যবিধির ১০৭/ ১১৭(৩) ধারায় মামলা দায়ের করেন।

    আদালত সূত্রে জানা যায়, মামলাটিতে আসামি মেহজাবীন চৌধুরী ও তার ভাই আলিসান চৌধুরীর আদালতে হাজির না হওয়ায় গত ১০ নভেম্বর আদালত তাদের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে ১৬ নভেম্বর সন্ধ্যায় ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ আফরোজা হক তানিয়ার আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের এ আবেদন করেন তারা। শুনানি শেষে আদালত তাদের জামিন মঞ্জুর করেন।

    যুগান্তর প্রতিবেদন