Home / Entertainment / সাইফের অস্ত্রোপচার সফল হলেও দুশ্চিন্তায় চিকিৎসকরা

সাইফের অস্ত্রোপচার সফল হলেও দুশ্চিন্তায় চিকিৎসকরা

বলিউড অভিনেতা নবাব সাইফ আলি খান গত বুধবার গভীর রাতে নিজ বাড়িতে দুষ্কৃতকারীর হাতে আক্রান্ত হওয়ার পর এখন মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে শয্যাশায়ী। তাকে অস্ত্রোপচার করানো হয়েছে। সফল অস্ত্রোপচারের পর তাকে আইসিইউ থেকে জেনারেল বেডে নেওয়া হয়েছে। তবে শারীরিক অবস্থার উন্নতি হলেও মেরুদণ্ডের আঘাতপ্রাপ্ত স্থানে ক্ষত হওয়ার শঙ্কা রয়েছে। এ মুহূর্তে তাই লীলাবতী হাসপাতালেই চিকিৎসকের নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে অভিনেতাকে।

আনন্দবাজার অনলাইনের প্রতিবেদন সূত্রে জানা গেছে, হামলাকারীর ছয়বার ছুরিকাঘাতের মধ্যে মেরুদণ্ড ও ঘাড়ের দুটি জখম গুরুতর। লীলাবতী হাসপাতালের অ্যানেস্থেসিয়োলজিস্ট নিশা গান্ধী বলেছেন,  ‘সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেম’ থেকে মাত্র ২ মিলিমিটার দূরে ছুরিকাঘাত করেছিল দুষ্কৃতকারী। মেরুদণ্ডে আঘাতের কারণে সেরিব্রোস্পাইনাল তরল ক্ষরণ হয়েছে, যা এখন দুশ্চিন্তার কারণ।

তিনি আরও বলেন, সেরিব্রোস্পাইনাল তরল ক্ষরণ হওয়ায় ক্ষতস্থানে ঘা শুকিয়ে যাওয়ার শঙ্কা রয়েছে। যদিও রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে রাখা হয়েছে। চলাফেরা করতে নিষেধ করা হয়েছে। তারপরও এ মুহূর্তে তিনি সামান্য হাঁটাচলা করছেন।

অভিনেতার হাসপাতাল ছাড়া পাওয়ার বিষয়ে এখনো কোনো সমাধানে আসতে পারেননি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকরা। সাইফের শারীরিক পরিস্থিতি আরও কিছু সময় পর্যবেক্ষণ করে তবেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।

উল্লেখ্য,  গত বুধবার গভীর রাতে অভিনেতা সাইফ আলির নিজ বাড়ির বাইরের একটি পাইপ বেয়ে ফ্ল্যাটে ঢোকে হামলাকারী। গভীর রাতে সাইফ ও তার স্ত্রী বলিউড অভিনেত্রী কারিনা কাপুরের দুই সন্তান তৈমুর ও জেহরের রুমে ঢোকে। হামলাকারীর উপস্থিতি টের পেয়ে বাড়ির পরিচারিকা  ইলিয়ামা ফিলিপ আলিয়াস লিমা চিৎকার করে ঘুমিয়ে থাকা পরিবারের সদস্যদের জাগিয়ে তোলেন। 

লিমা চিৎকার করায় হামলাকারী প্রথমে তাকেই ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। ডান হাতের কবজিতে আহত হওয়ায় লিমার চিৎকার শুনে পাশের রুম থেকে বেরিয়ে আসেন সাইফ। সঠিক সময়ে দুই সন্তান ও পরিচারিকাকে বাঁচাতে সিনেমার নায়কের মতোই সাইফ ঝাঁপিয়ে পড়েন হামলাকারীর ওপর। এতে হামলাকারী ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে ছয়বার আঘাত করেন অভিনেতাকে।

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *