Tag: মুখ্যমন্ত্রী

  • বিচ্ছেদ নাকি পুনর্মিলন? বিজয়-সঙ্গীতাকে ঘিরে জল্পনার শেষ কোথায়!

    তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী তথা জনপ্রিয় অভিনেতা জোসেফ বিজয় এবং তার স্ত্রী সংগীতা সোর্নালিঙ্গম আবার নতুন করে খবরের শিরোনামে এসেছেন। 

    আগামী ১৫ জুন তাদের বিবাহবিচ্ছেদ মামলার শুনানি হওয়ার কথা থাকলেও, সাম্প্রতিক কিছু প্রতিবেদন থেকে আভাস মিলছে যে এই দম্পতি নিজেদের মধ্যকার দূরত্ব মিটিয়ে ফেলে পুনর্মিলনের দিকে এগিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করছেন।

    বেশ কিছু গণমাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, বিজয় ও সংগীতার মধ্যেকার সমস্ত ভুল বোঝাবুঝি ও মতবিরোধ শান্তিপূর্ণভাবে মিটিয়ে ফেলার জন্য পর্দার আড়ালে আলোচনা চলছে। যদিও এই বিষয়ে এখনো কোনো পক্ষের তরফ থেকেই আনুষ্ঠানিক নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি, তবে গত কয়েক সপ্তাহে তাদের আবার একসঙ্গে হওয়ার গুঞ্জন বেশ জোরালো হয়ে উঠেছে। 

    কিছু প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছে যে, বিজয়ের মা শোভা চন্দ্রশেখর উভয় পক্ষকে নিজেদের মধ্যে যোগাযোগ বজায় রাখতে এবং একটি সাধারণ সমঝোতায় পৌঁছাতে সক্রিয়ভাবে সাহায্য করছেন। তবে এই দাবির সত্যতা এখনো যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

    এই দম্পতির দাম্পত্য কলহের গুঞ্জন প্রথম শুরু হয় যখন বিজয়ের রাজনৈতিক প্রচারণামূলক কার্যক্রম এবং তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তার শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানসহ বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ পাবলিক ইভেন্টে সংগীতাকে অনুপস্থিত থাকতে দেখা যায়। এর পাশাপাশি সন্তানদের নিয়ে তার দীর্ঘদিন লন্ডনে অবস্থান করার বিষয়টি এই বিচ্ছেদের গুঞ্জনকে আরও উসকে দেয়। 

    জানা গেছে, চলতি বছরের শুরুর দিকে বিশেষ বিবাহ আইনের অধীনে তাদের পারস্পরিক মতপার্থক্যের কথা উল্লেখ করে এই বিবাহবিচ্ছেদের আবেদনটি করা হয়েছিল। তবে এই মামলা নিয়ে এ পর্যন্ত বিজয় বা সংগীতা কেউই প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করেননি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    আগামী ১৫ জুন এই বিবাহবিচ্ছেদ মামলার একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ শুনানি নির্ধারিত রয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলোর দাবি, সাম্প্রতিক সময়ে দুই পক্ষের মধ্যকার আলোচনা এখন সংঘাত থেকে সমঝোতার দিকে মোড় নিয়েছে। যার ফলে আদালতের বাইরেই বিষয়টি মিটমাট হয়ে যাওয়ার জোর সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। তবে মামলার ভবিষ্যৎ নিয়ে এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক বিবৃতি জারি করা হয়নি। 

    কে এই সংগীতা সোর্নালিঙ্গম

    সংগীতা  লন্ডনে বসবাসকারী একটি শ্রীলংকান তামিল পরিবারের সন্তান। ১৯৯৯ সালের আগস্ট মাসে তিনি অভিনেতা বিজয়ের সঙ্গে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন। বিয়ের পর থেকে তিনি মূলত প্রচারমাধ্যমের আড়ালে থাকতেই পছন্দ করতেন। এই দম্পতির ঘরে জেসন সঞ্জয় এবং দিব্যা সাশা নামে দুটি সন্তান রয়েছে। বিগত বছরগুলোতে বিজয়ের বিভিন্ন সিনেমার অনুষ্ঠান এবং পারিবারিক অনুষ্ঠানে সবসময়ই তাকে বিজয়ের পাশে থেকে সমর্থন জোগাতে দেখা গেছে। 

    সূত্র: সিয়াসাত ডেইলি 

    বিনোদন ডেস্ক

  • যে কারণে থালাপতিকে প্রশংসায় ভাসালেন সুপারস্টার রাম চরণ

    আগামী ৪ জুন বিশ্বব্যাপী মুক্তি পেতে যাচ্ছে দক্ষিণী তারকা রাম চরণ এবং জাহ্নবি কাপুর অভিনীত বহুল প্রতীক্ষিত তেলেগু স্পোর্টস অ্যাকশন-ড্রামা ‘পেদ্দি’। সম্প্রতি এই সিনেমার একটি জমকালো প্রি-রিলিজ অনুষ্ঠানে মঞ্চে এসে তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী এবং ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ প্রধান সি. জোসেফ বিজয় ওরফে থালাপতি বিজয়ের উদ্দেশ্যে এক আবেগঘন বার্তা দেন রাম চরণ।

    সিনেমার প্রচারণার মঞ্চ থেকেও বিজয়ের প্রতি রাম চরণের এই বিশেষ সম্মান প্রদর্শন মুহূর্তের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়ে যায়। 

    অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেওয়ার সময় রাম চরণ অত্যন্ত শ্রদ্ধার সঙ্গে বলেন, ‘আমি তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে আন্তরিক অভিনন্দন জানাতে চাই। মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয় মানুষের সেবা করার মহৎ উদ্দেশ্যে নিজের তারকাখ্যাতি বা জনপ্রিয়তার একদম শীর্ষে থাকা অবস্থায় রূপালী পর্দা ছেড়ে এসেছেন। 

    চলচ্চিত্র জগতের একজন মানুষ হিসেবে আমি তার এই সিদ্ধান্তে অত্যন্ত গর্বিত। আমি বিজয় স্যার এবং তামিলনাড়ুর জনগণ—উভয়কেই অভিনন্দন জানাচ্ছি।’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    রাম চরণের এই বক্তব্যের ভিডিওটি এক্স (সাবেক টুইটার) এবং ইনস্টাগ্রামে প্রকাশ পাওয়ার পরপরই বিজয়ের লাখ লাখ ভক্ত তা শেয়ার করতে শুরু করেন। বিজয়ের একটি ফ্যান ক্লাব ভিডিওটি শেয়ার করে ক্যাপশনে লেখে, ‘মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয় গারু মানুষের সেবা করার জন্য পিক স্টারডম পেছনে ফেলে এসেছেন…।’ 

    প্রসঙ্গত, গত ৪ মে তামিলনাড়ুর বিধানসভা নির্বাচনের ফল প্রকাশের পর এক নতুন ইতিহাস রচনা করেন সি. জোসেফ বিজয়। তার দল ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ প্রায় ৬০ বছরের দ্রাবিড়ীয় রাজনৈতিক দুর্গ ভেঙে এককভাবে জয়লাভ করে। 

    এই নির্বাচনে বিজয় নিজে দুটি আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন—‘পেরাম্বুর’ এবং ‘তিরুচিরাপল্লী’ (পূর্ব)। দুটি আসনেই তিনি বিপুল ভোটের ব্যবধানে জয়ী হয়ে তার রাজনৈতিক দূরদর্শিতার প্রমাণ দেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • মায়ের মৃত্যুতে সুপারস্টার অজিত কুমারের পাশে বিজয় ও তৃষা

    তামিল সিনেমার অন্যতম শীর্ষ তারকা অজিত কুমারের মা মোহিনী মণি (৮৯) শনিবার (৩০ মে) বার্ধক্যজনিত কারণে মারা গেছেন। মায়ের মৃত্যুর খবর পেয়ে অজিত কুমারও বিদেশ থেকে দ্রুত চেন্নাইয়ে ফিরে এসেছেন। 

    অভিনেতার এই কঠিন সময়ে তার প্রতি সমবেদনা জানাতে এবং শেষ শ্রদ্ধা নিবেদন করতে অজিতের বাসভবনে ছুটে গেলেন রুপালি পর্দায় তার একসময়ের প্রতিদ্বন্দ্বী আরেক মহাতারকা এবং তামিলনাড়ুর নবনির্বাচিত মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয় এবং অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান। 

    তামিল গণমাধ্যম ‘সান নিউজ’-এর শেয়ার করা একটি ভিডিওতে দেখা যায়, বিজয় এবং তৃষা কৃষ্ণান একসঙ্গে চেন্নাইয়ে অজিত কুমারের বাসভবনে প্রবেশ করছেন। 

    আরেকটি ভিডিওতে দেখা যায়, শোকস্তব্ধ অজিত কুমার নিজেই বাড়ির ভেতরে বিজয়কে স্বাগত জানাচ্ছেন। রূপালী পর্দায় পেশাগত প্রতিদ্বন্দ্বিতা থাকলেও, বাস্তব জীবনের এই কঠিন মুহূর্তে অজিতের পাশে বিজয়ের এভাবে দাঁড়িয়ে থাকাটা অনুরাগীদের গভীরভাবে স্পর্শ করেছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেতার পারিবারিক সূত্র অনুসারে, পালভাক্কামে অজিত কুমারের নিজ বাসভবনেই প্রয়াত মোহিনী মণির শেষকৃত্য সম্পন্ন হবে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ইতোমধ্যে চলচ্চিত্র জগতের বহু তারকা ও শুভাকাঙ্ক্ষী এই প্রবীণের মৃত্যুতে গভীর শোক ও শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি সমবেদনা জানিয়েছেন। 

    এদিকে মায়ের এই আকস্মিক বিয়োগের শোক সামলে ওঠার পাশাপাশি অজিত কুমারের আগামী দিনের চলচ্চিত্র নিয়ে ভক্তদের মাঝে তৈরি হয়েছে তুমুল আগ্রহ। মায়ের মৃত্যুর শোক কাটিয়ে অভিনেতা খুব শিগগিরই তার আগামী প্রজেক্টে ফিরবেন বলে আশা করা হচ্ছে। 

    অজিতের আসন্ন সিনেমার নাম প্রাথমিকভাবে রাখা হয়েছে ‘একে৬৪’ যেটি পরিচালনা করছেন আধিক রবিচন্দ্রন। ‘গুড ব্যাড আগলি’ সিনেমার পর এই পরিচালকের সঙ্গে এটি অজিত কুমারের দ্বিতীয় কাজ হতে যাচ্ছে। হাইভোল্টেজ এই অ্যাকশন এন্টারটেইনার সিনেমাটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা নির্মাতারা খুব শিগগিরই দেবেন বলে জানা গেছে। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজয়-তৃষাকে নিয়ে গণমাধ্যমের ‘রুচিহীন’ প্রশ্নে অভিনেত্রীর কড়া জবাব

    দক্ষিণী সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী মালবিকা মোহনন। সম্প্রতি এই তারকা তামিলনাড়ুর একটি মিডিয়া ইভেন্টে রুপালি পর্দা থেকে তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হওয়া থালাপতি বিজয় ও অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানকে নিয়ে করা কিছু ‘রুচিহীন’ ও ‘চাঞ্চল্যকর’ প্রশ্নের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন। 

    পাশাপাশি বিজয় এবং তার ভ্রমণসূচি ঘিরে তৈরি হওয়া নানা গুঞ্জন নিয়ে প্রশ্ন করা হলে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একটি দীর্ঘ বিবৃতি দিয়ে নিজের অবস্থানও পরিষ্কার করেন এই অভিনেত্রী। 

    ভারতীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে জানা যায়, একটি অনুষ্ঠানে মালবিকাকে বিজয় ও তার বিভিন্ন সফরের বিষয়ে প্রশ্ন করা হয়। একই সঙ্গে বিজয়ের সঙ্গে অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণানের একাধিক ভ্রমণের গুঞ্জন টেনে এনে ইঙ্গিতপূর্ণ প্রশ্ন করেন কয়েকজন সাংবাদিক।

    এই ঘটনার প্রতিক্রিয়া জানিয়ে মালবিকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে লেখেন, ‘আমি গতকাল একটি অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। তামিলনাড়ুর সমস্ত সাংবাদিক এবং সংবাদমাধ্যমের সদস্যদের প্রতি আমার সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা রয়েছে। তবে তাদের মধ্যে কয়েকজন ক্রমাগত কিছু অত্যন্ত রুচিহীন প্রশ্ন করছিলেন, যা সম্পূর্ণ অপ্রয়োজনীয় এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত ছিল।’ 

    বিবৃতিতে মালবিকা থালাপতি বিজয়ের সঙ্গে তার দীর্ঘদিনের সুসম্পর্কের কথা পুনর্ব্যক্ত করেন এবং তার পেশাগত ও ব্যক্তিগত সফরের প্রশংসা করে বলেন, ‘থালাপতি বিজয় এমন একজন মানুষ, যাকে আমি গত সাত বছর ধরে চিনি। তার প্রতি আমার গভীর শ্রদ্ধা রয়েছে এবং তাকে বন্ধু হিসেবে পেয়ে আমি কৃতজ্ঞ। তার এই পথচলা কাছ থেকে দেখা সত্যিই দারুণ এক অভিজ্ঞতা।’ 

    ভবিষ্যতে সাক্ষাৎকার বা যেকোনো পাবলিক ইভেন্টে গণমাধ্যমকে আরও সংবেদনশীল ও পেশাদার হওয়ার আহ্বান জানিয়ে মালবিকা তার বক্তব্য শেষ করেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, ‘আমি সত্যিই কৃতজ্ঞ থাকব যদি ভবিষ্যতে গণমাধ্যমের কার্যক্রম সবার স্বার্থে আরও সম্মানজনক এবং বিবেচনামূলক হয়। ধন্যবাদ।’ 

    মালবিকার এই পোস্টটি ভাইরাল হওয়ার পরপরই নেটিজেন এবং তার ভক্তরা অভিনেত্রীর পাশে এসে দাঁড়িয়েছেন। পরিস্থিতি অত্যন্ত শান্ত অথচ দৃঢ়ভাবে মোকাবেলা করার জন্য অনেকেই অভিনেত্রীর সাহসিকতার প্রশংসা করছেন। 

    উল্লেখ্য, লোকেশ কানাগরাজ পরিচালিত ব্লকবাস্টার হিট সিনেমা ‘মাস্টার’-এ বিজয়ের বিপরীতে অভিনয় করেছিলেন মালবিকা মোহনন। সিনেমাটি বক্স অফিসে তুমুল সফলতা পায়। বর্তমানে থালাপতি বিজয় তামিলনাড়ুর নতুন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তার রাজনৈতিক ক্যারিয়ার নিয়ে ব্যাপক আলোচনায় রয়েছেন। 

    অন্যদিকে বিজয়ের বৈবাহিক বিচ্ছেদের গুঞ্জনের মাঝে বিভিন্ন অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে তৃষা কৃষ্ণানের উপস্থিতি নিয়েও বিনোদন পাড়ায় বেশ চর্চা চলছে। 

    সূত্র: বলিউড হাঙ্গামা 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আপনিই আমাকে মুখ্যমন্ত্রী করেছেন

    পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী শনিবার (১৬ মে) সকালে বিজেপি নেতা তথা বর্ষীয়ান অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তীর নিউটাউনের বাড়িতে হাজির হন। শপথ নেওয়ার পর এই প্রথম আলাদা করে অভিনেতার সঙ্গে বৈঠক করলেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রায় ঘণ্টাখানেক দুই নেতার মধ্যে আলোচনা হয়েছে। পরে মিঠুনের বাড়ি থেকে বেরিয়ে শুভেন্দু জানান, মিঠুন এ রাজ্যে পরিবর্তনের অন্যতম কারিগর। পাল্টা শুভেন্দুকেও প্রশংসায় ভরিয়ে দেন মিঠুন চক্রবর্তী।

    আজ শনিবার থেকে জেলা সফর শুরু করলেন বিজেপির পশ্চিমবঙ্গের এ নতুন মুখ্যমন্ত্রী। প্রথমেই দক্ষিণ২৪ পরগনার ডায়মন্ড হারবারে তার প্রশাসনিক সভা রয়েছে। আগামী ২১ মে ফলতায় পুনর্নির্বাচন। তার আগে জেলার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে সেখানকার আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন শুভেন্দু। 

    তবে দিনের শুরুতেই তিনি পৌঁছে যান মিঠুনের বাড়িতে। শুভেন্দু বলেন, মিঠুনদা এ রাজ্যে বিজেপির জয়ের অন্যতম কারিগর। আমাকে দল মুখ্যমন্ত্রী করেছে। তার পোছনেও ওর হাত রয়েছে। ছয় বছর ধরে রাজ্যে পরিবর্তন আনার জন্য মিঠুনদা অনেক পরিশ্রম করেছেন। নিঃস্বার্থভাবে কাজ করেছেন। উনি আমাকে জানিয়েছিলেন— আমার সঙ্গে দেখা করতে যেতে চান। তিনি বলেন, আমি বলেছি— আপনি আসবেন কেন? আপনার তৈরি করা মুখ্যমন্ত্রী আপনার কাছে আসবে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শুভেন্দুর এ কথা শুনে তাকে জড়িয়ে ধরেন মিঠুন চক্রবর্তী। শুভেন্দু বলেন, মিঠুনদার জনপ্রিয়তা বিজেপির গণ্ডিতে আবদ্ধ নেই। তার বাইরেও রয়েছে। আমি নিজে অষ্টম শ্রেণির পর আর সিনেমা দেখিনি। তবে মিঠুনদা অন্য জায়গায়। তিনি মহাগুরু। আমি ওর আশীর্বাদ নিতে এসেছি।

    মুখ্যমন্ত্রীর মুখে অভিনেতার প্রশংসায় মিঠুন চক্রবর্তী বলেন, শুভেন্দুর চেয়ে ভালো মুখ্যমন্ত্রী আর হয় না। তিনি বলেন, এর থেকে ভালো মুখ্যমন্ত্রী পশ্চিমবঙ্গে হতে পারে না। আমি গ্যারান্টি দিয়ে এ কথা বলছি। শপথ নেওয়ার পর থেকে উনি কাজ করে চলেছেন। আমরা গর্বিত ওর জন্য। ওর পেছনেই রয়েছি।

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের আগে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ঘুরে ঘুরে বিজেপির হয়ে প্রচার করেছিলেন মিঠুন চক্রবর্তী। সেই প্রচার পর্বে বিভিন্ন জায়গায় নানা কাজের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন তিনি। সেই প্রতিশ্রুতি এবার পূরণ করা হবে বলে জানিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেই সংক্রান্ত আলোচনাই হয়েছে দুজনের বৈঠকে। 

    শুভেন্দুকে পাশে নিয়ে মিঠুন বলেন, যেখানে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছি, সব পূরণ করব। মুখ্যমন্ত্রী আমাকে যে কাজ করতে বলেছেন, তা অনুসরণ করব।

    বিনোদন ডেস্ক

  • স্ট্যালিনপুত্রের কাছ থেকে তৃষা পেলেন কোটি টাকার প্রস্তাব

    তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদ বনে যাওয়া থালাপতি বিজয়ের শপথগ্রহণের পর পাঁচ দিন গত হয়েছে। সেদিন মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে শপথ অনুষ্ঠানে একেবারে প্রথম সারিতে বসেছিলেন বিজয়ের আলোচিত ‘প্রেমিকা’ অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান।

    এর মধ্যেই  শুরু হয়েছে দক্ষিণী সিনেমা ইন্ডাস্ট্রির অন্দরমহলের গুঞ্জন— তৃষার জন্যই নাকি প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে দূরত্ব বেড়েছে থালাপতি বিজয়ের। চলছে বিচ্ছেদের মামলা। এর মাঝেই নাকি মুখ্যমন্ত্রীর বিরোধী পক্ষের থেকে মোটা অঙ্কের প্রস্তাব পেলেন অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান।

    গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, এমকে স্ট্যালিনের পুত্র তথা তামিলনাড়ুর সাবেক উপমুখ্যমন্ত্রী উদয়নিধি স্ট্যালিনের তরফে নাকি ১২ কোটি রুপির প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে তৃষা কৃষ্ণানকে। উদয়নিধি একটি সিনেমা তৈরি করছেন, যাতে তিনি তৃষাকে নায়িকা হিসাবে নিতে চান। সেখানেই পারিশ্রমিক হিসাবে ১২ কোটি রুপির প্রস্তাব দিয়েছেন স্ট্যালিনপুত্র। 

    এই অঙ্ক তৃষার প্রাপ্ত পারিশ্রমিকের প্রায় ছয় গুণ বেশি বলে জানা গেছে। ডিএমকেপ্রধান স্ট্যালিনের ছেলে উদয়নিধি রাজনীতির পাশাপাশি তামিল সিনেমার একজন অভিনেতা ও প্রযোজক। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তবে এ মুহূর্তে রাজনীতির কারণে অভিনয় থেকে খানিকটা দূরে আছেন তিনি। জাানা গেছে, আবারও সিনেমা নির্মাণে হাত দিচ্ছেন উদয়নিধি স্ট্যালিন। সেখানেই নায়িকা হিসাবে তার প্রথম পছন্দ অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান। যদিও অভিনেত্রী তার এ প্রস্তাব গ্রহণ করবেন কিনা, সেই নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের মাঝে বিস্তর জল্পনা শুরু হয়েছে। 

    অন্যদিকে তৃষা কৃষ্ণানের সিনেমা ‘করুপ্পু’ মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। বিভিন্ন প্রেক্ষাগৃহে সকালের শোও বরাদ্দ হয়ে গেছে। তবু শেষ মুহূর্তে পিছিয়ে যায় সিনেমাটি মুক্তির তারিখ। ঠিক কবে মুক্তি পাবে তৃষার সেই সিনেমা করুপ্পু, তা অবশ্য জানা যায়নি। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার তৃষার জন্য যে সিদ্ধান্ত দিলেন মুখ্যমন্ত্রী বিজয়

    তামিলের রুপালি পর্দায় সাড়া জাগানো অভিনেতা থালাপতি বিজয় ওরফে চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয় এখন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর মসনদে বসেছেন। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণের পর থেকেই একের পর এক চমকপ্রদ সিদ্ধান্ত নিয়ে সাড়া ফেলছেন তিনি। 

    এবার অভিনেতা সুরিয়া ও তৃষা কৃষ্ণানের নতুন সিনেমা ‘কারুপ্পু’-র জন্য প্রথম প্রদর্শনী চালুর বিশেষ অনুমতি দিলেন বিজয়। 

    সাধারণত তামিলনাড়ুতে সিনেমার প্রথম শো শুরু হওয়ার নির্দিষ্ট সময়সীমা থাকে। কিন্তু মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয়ের বিশেষ অনুমতিতে ‘কারুপ্পু’-র প্রদর্শনী বৃহস্পতিবার (১৪ মে) সকাল ৯টা থেকেই শুরু করার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। 

    এ বিষয়ে ছবিটির প্রযোজনা সংস্থা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স (সাবেক টুইটার)-এ বিজয়কে বিশেষভাবে ধন্যবাদ জানিয়ে একটি পোস্ট করেছে। সেখানে তারা লিখেছে, ‘আমাদের মাননীয় মুখ্যমন্ত্রী জোসেফ বিজয়কে ‘কারুপ্পু’র ৯টার শো প্রদর্শনের বিশেষ অনুমতি দেওয়ার জন্য অসংখ্য ধন্যবাদ।’ 

    এদিকে গত কয়েক সপ্তাহ ধরে অভিনেত্রী তৃষা কৃষ্ণান এবং বিজয়কে নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চলছে নানা জল্পনা। বিশেষ করে গত ১০ মে বিজয়ের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে তৃষার উপস্থিতি সেই জল্পনার আগুনে আরও ঘি ঢেলেছে। 

    ভক্তরা লক্ষ্য করেছেন যে, যেদিন (৪ মে) নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হয় এবং বিজয়ের জয় নিশ্চিত হয়, সেদিনই ছিল এই অভিনেত্রীর জন্মদিন। সময়ের এই কাকতালীয় মিল ভক্তদের মাঝে ব্যাপক আলোচনার খোরাক জোগাচ্ছে। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অন্যদিকে সকাল ৯টার শো চালুর ঘোষণায় ভক্তদের মাঝে মিশ্র ও মজাদার সব প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ কেউ কৌতুক করে লিখেছেন, ‘আপনি ৪টা বা ৬টার শোর জন্যও আবদার করতে পারতেন।’ আবার অনেকে বিজয়ের এই উত্থানে মুগ্ধ হয়ে লিখেছেন, ‘এক সময় নিজের সিনেমার স্পেশাল স্ক্রিনিংয়ের জন্য সরকারের কাছে অনুমতি চাইতেন বিজয়, আর আজ তিনি নিজেই মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে সেই অনুমতি দিচ্ছেন—কী দুর্দান্ত এক যাত্রা!’ 

    কেমন হতে যাচ্ছে ‘কারুপ্পু’? 

    কয়েক দিন আগে মুক্তি পাওয়া ছবির ট্রেইলারটি ভক্ত-অনুরাগীদের মাঝে ইতোমধ্যেই ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। ছবিতে সুরিয়া দ্বৈত চরিত্রে এবং তৃষা অভিনয় করেছেন একজন আইনজীবীর ভূমিকায়। গ্রামীণ অ্যাকশন, রাজনীতি, আদালতের লড়াই এবং অলৌকিক কিছু উপাদানের মিশেলে ছবিটি নির্মিত হয়েছে। 

    সুরিয়ার সাম্প্রতিক কিছু সিনেমা যেমন ‘রেট্রো’ এবং ‘কাঙ্গুভা’ বক্স অফিসে আশানুরূপ ফল না করায়, সুরিয়ার জন্য ‘কারুপ্পু’ একটি বড় কামব্যাক হবে কিনা, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষায় সবাই। 

    সূত্র: নিউজ২৪ 

    বিনোদন ডেস্ক

  • তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রীকে অভিনন্দন জানিয়ে যা বললেন অভিনেতা কমল হাসান

    সদ্যই তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিয়েছেন অভিনেতা থেকে রাজনীতিক বনে যাওয়া থালাপতি বিজয়। শপথ নিয়েই হুমকি দিয়েছেন মুসমানের বিরুদ্ধে কোনো নির্যাতন হলে ইতিহাস গড়ে ফেলবেন তিনি। সেই সঙ্গে মদ বিক্রি বন্ধের ঘোষণাও দিয়েছেন অভিনেতা। তার এ পদক্ষেপে ভূয়সী প্রশংসা করেছেন আরেক দক্ষিণী বর্ষীয়ান অভিনেতা কমল হাসান।

    যদিও গত বছর মদ বিক্রি থেকে তামিলনাড়ু সরকারের আয় ছিল প্রায় ৪৮ হাজার কোটি টাকা। কিন্তু এই বিপুল অঙ্কের রাজস্ব হারানোর ঝুঁকি থাকলেও জনস্বাস্থ্যের কথা চিন্তা করে থালাপতি বিজয়ের এমন সিদ্ধান্তে সাধারণ মানুষের মুখে হাসি ফুটবে বলে মনে করছেন বর্ষীয়ান অভিনেতা কমল হাসান।

    তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব নিয়েই বিজয় ৭১৭টি সরকারি মদের দোকান বন্ধের নির্দেশ দিয়েছেন। নতুন নিয়মানুযায়ী, কোনো ধর্মীয় উপাসনালয় কিংবা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৫০০ মিটারের মধ্যে কোনো মদের দোকান থাকতে পারবে না। মাদকমুক্ত তামিলনাড়ু গড়ার যে প্রতিশ্রুতি তিনি নির্বাচনের আগে দিয়েছিলেন, এটি তারই প্রথম বাস্তবায়ন বলে মনে করা হচ্ছে।

    তামিলনাড়ুতে সরকারি সংস্থার অধীনে বর্তমানে চার হাজার ৭৬৫ মদের দোকান রয়েছে। এর মধ্যে ২৭৬টি ধর্মীয় স্থানের কাছে এবং ১৮৬টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পাশে অবস্থিত। এসব দোকানই এখন বন্ধের তালিকায় রয়েছে।

    সিনেমার দাপুটে অভিনেতা ‘থালাপতি’ এখন সিনেমার রূপ ধরেই মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন শুরু করেছেন। শপথ নেওয়ার ৪৮ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই জনহিতকর কাজে নেমে পড়েছেন চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয়। আর তার নেওয়া প্রথম সাহসী পদক্ষেপেই মুগ্ধ দক্ষিণী সিনেমার কিংবদন্তি অভিনেতা কমল হাসান। বিজয়ের নেওয়া সংস্কারমূলক উদ্যোগের প্রশংসা করে রীতিমতো পঞ্চমুখ তিনি। 

    বিজয়কে অভিনন্দন জানিয়ে এ বর্ষীয়ান অভিনেতা বলেন, ‘তামিল পরিবারগুলোর দীর্ঘদিনের একটি প্রত্যাশা আজ পূরণ হলো। দায়িত্বগ্রহণের পরপরই এটি বিজয়ের অত্যন্ত বলিষ্ঠ একটি পদক্ষেপ। মদ বিক্রি করা কোনো সরকারের কাজ হওয়া উচিত নয়; বরং এটি নিয়ন্ত্রণ করা সরকারের নৈতিক দায়িত্ব। তামিলনাড়ু সরকারকে এ লক্ষ্যেই এগিয়ে যেতে হবে। ৭১৭ সংখ্যাটি তো কেবল শুরু, আমি আশাবাদী ভবিষ্যতে এ সংখ্যা আরও বাড়বে বলে মনে করেন কমল হাসান।

    বিনোদন ডেস্ক

  • তামিলনাড়ুর ইতিহাসে প্রথম খ্রিস্টান মুখ্যমন্ত্রী থালাপতি বিজয়

    ভারতের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ জনবহুল দক্ষিণ ভারতীয় রাজ্য তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে সম্প্রতি এক নতুন যুগের সূচনা হয়েছে। গত রোববার (১০ মে) ৫১ বছর বয়সি জনপ্রিয় চলচ্চিত্র তারকা থেকে রাজনীতিতে আসা থালাপতি বিজয় ওরফে চন্দ্রশেখর জোসেফ বিজয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ গ্রহণ করেছেন। 

    তামিলনাড়ুর ইতিহাসে তিনিই প্রথম খ্রিস্টান ধর্মাবলম্বী মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে এই দায়িত্ব নিলেন। 

    বিজয়ের নবগঠিত দল তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম বা ‘তামিল ভিক্টরি পার্টি’ (টিভিকে) বিধানসভার ২৩৪টি আসনের মধ্যে ১০৮টিতে জয়লাভ করেছে। এর পর কয়েকদিনের নাটকীয়তা শেষে বামপন্থী ও কমিউনিস্ট দল এবং ইন্ডিয়ান ইউনিয়ন মুসলিম লীগের সমর্থনে সরকার গঠন করতে সক্ষম হন তিনি। 

    এই ফলাফলের মাধ্যমে তামিলনাড়ুতে গত প্রায় ছয় দশক ধরে দুই রাজনৈতিক দল ডিএমকে এবং এআইএডিএমকে-এর পর্যায়ক্রমিক ক্ষমতার ধারার অবসান ঘটল।

    পরিচয় ও আদর্শ  

    জনপ্রিয়ভাবে ‘থালাপতি’ (সেনাপতি) নামে পরিচিত বিজয় প্রখ্যাত চলচ্চিত্র পরিচালক এস.এ. চন্দ্রশেখর এবং গায়িকা শোভা চন্দ্রশেখরের সন্তান। তিনি ক্যাথলিক হিসেবে বেড়ে উঠেছেন। তবে নির্বাচনি প্রচারণায় ধর্মীয় পরিচয়ের চেয়ে জনকল্যাণমূলক কাজের ওপর বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। 

    তিনি তার আদর্শিক পথপ্রদর্শক হিসেবে সমাজ সংস্কারক পেরিয়ার ই.ভি. রামাসামি, সি.এন. আন্নাদুরাই, কে. কামরাজ এবং সংবিধান প্রণেতা বি.আর. আম্বেদকরের নাম উল্লেখ করেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ক্যাথলিক প্রকাশনা দ্য নিউ লিডার-এর সম্পাদক ফাদার চার্লস অ্যান্থনিস্বামী বিধানসভা নির্বাচনে বিজয়ের দলের এই জয়কে ‘প্রকৃতপক্ষে ঐতিহাসিক’ বলে অভিহিত করেছেন। 

    তার মতে, নির্বাচনি প্রচারণায় ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) বিজয়ের ধর্মীয় পরিচয়কে লক্ষ্যবস্তু করায় সংখ্যালঘুদের ভোট একীভূত হতে সাহায্য করেছে। তবে বিজয় নিজে সব ধর্মের উপাসনালয় পরিদর্শন করে একটি ধর্মনিরপেক্ষ ভাবমূর্তি বজায় রেখেছেন। 

    বিজয়ের দল আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ রাজনৈতিক অবস্থান নিয়েছে। সেটা হলো তারা ‘দলিত খ্রিস্টান’দের জন্য তফসিলি জাতি মর্যাদার দাবিকে সমর্থন করেছেন। 

    বর্তমানে ভারতীয় আইন অনুযায়ী কেবল হিন্দু, শিখ এবং বৌদ্ধ ধর্মের দলিতরা সরকারি চাকরিজীবী এবং শিক্ষায় এই সংরক্ষণ সুবিধা পান। বিজয় এই সুবিধা খ্রিস্টান ধর্মান্তরিতদের জন্যও বাড়ানোর পক্ষে সোচ্চার। 

    ভারতে ধর্মীয় স্বাধীনতার প্রেক্ষাপট 

    এমন এক সময়ে বিজয়ের এই উত্থান ঘটল যখন ভারতে খ্রিস্টানদের ওপর সহিংসতার হার ক্রমাগত বাড়ছে। ইউনাইটেড খ্রিস্টান ফোরামের তথ্যমতে, ২০২১ সালে ভারতে এই সহিংসতার ঘটনা ছিল ৪৮৬টি। ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়ায় ৮৩৪টিতে এবং গত বছর এই সংখ্যা প্রায় ৯০০-তে পৌঁছেছে। 

    সিনিয়র সাংবাদিক জন দয়াল উল্লেখ করেছেন, বিজয় ভারতের প্রথম খ্রিস্টান মুখ্যমন্ত্রী নন (উত্তর-পূর্ব ভারতে এমন নজির রয়েছে), তবে তামিলনাড়ুর মতো বড় রাজ্যে তার এই বিজয় অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। 

    প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে বিজয়ের এই জয়যাত্রা কেবল তারকার জনপ্রিয়তার ওপর নির্ভর করছে না, বরং একটি অন্তর্ভুক্তিমূলক এবং জনকল্যাণমুখী প্রশাসনের প্রত্যাশাকে সামনে নিয়ে এসেছে। 

    সূত্র: দ্য খ্রিস্টান পোস্ট 

    বিনোদন ডেস্ক

  • তামিলনাড়ুতে সরকার গঠনের পথে বিজয়

    তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে নাটকীয় মোড়। অভিনেতা থালাপতি বিজয় এবং তার দল তামিলাগা ভেট্রি কাজাগাম (টিভিকে)-এর জন্য সরকার গঠনের জটিলতা অবশেষে কাটতে শুরু করেছে। 

    বিধানসভায় সরকার গঠনের লক্ষ্যে টিভিকে-কে নিঃশর্ত সমর্থন দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে থিরুমাভালাভানের নেতৃত্বাধীন দল বিদুথালাই চিরুথাইগাল কাচি (ভিসিকে)। 

    এর ফলে তামিলনাড়ু রাজ্যে প্রথম কোনো জোট সরকার গঠনের পথ প্রশস্ত হলো। 

    এদিকে প্রধান বিরোধী দল এআইএডিএমকে-এর ভেতরে বড় ধরনের বিদ্রোহের খবর পাওয়া গেছে। সূত্রমতে, দলের জ্যেষ্ঠ নেতা সি ভি শানমুগাম দল ত্যাগের পরিকল্পনা করছেন। জানা গেছে, ৩২ জনেরও বেশি বিধায়ক তার পাশে রয়েছেন এবং তাদের একটি বড় অংশ বিজয়কে সমর্থন দেওয়ার বিষয়ে ইতিবাচক। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    শনিবার (৯ মে) পদুচেরির একটি রিসোর্ট থেকে বিধায়করা ফেরার পর চেন্নাইতে শানমুগামের কার্যালয়ে এক জরুরি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে এসপি ভেলুমণি, এমআর বিজয় ভাস্কর, নাথাম বিশ্বনাথন এবং সি বিজয় ভাস্করের মতো প্রভাবশালী নেতারা উপস্থিত ছিলেন। 

    এদিকে শুক্রবার (৮ মে) অভিনেতা থেকে রাজনীতিতে আসা বিজয় তৃতীয়বারের মতো তামিলনাড়ুর রাজ্যপাল আর.ভি. আরলেকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। লোক ভবনে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে তিনি আনুষ্ঠানিকভাবে সরকার গঠনের দাবি জানান।

    এর আগে রাজ্যপাল আরলেকার বিজয়কে মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নেওয়ার আমন্ত্রণ জানাতে অস্বীকৃতি জানিয়েছিলেন। রাজ্যপাল সচিবালয়ের দাবি ছিল, বিধানসভার সংখ্যাগরিষ্ঠতার প্রমাণ বা ১১৮ জন বিধায়কের সমর্থন নিশ্চিত করতে পারেননি বিজয়। 

    গত বুধবার (৬মে) এবং বৃহস্পতিবারের (৭ মে) সাক্ষাতেও একই কারণে বিজয়ের দাবি নাকচ করে দিয়েছিলেন রাজ্যপাল। তবে ভিসিকে-র সমর্থন এবং এআইএডিএমকে-র বিদ্রোহী বিধায়কদের সম্ভাব্য যোগদানের খবরে রাজ্য রাজনীতির সমীকরণ এখন বিজয়ের অনুকূলে বলে মনে করা হচ্ছে। 

    সূত্র: এনডিটিভি 

    বিনোদন ডেস্ক