Tag: মিস ইউনিভার্স

  • মুকুট, প্রাইভেট জেট ছাড়াও যেসব সুবিধা পান একজন মিস ইউনিভার্স

    থাইল্যান্ডের ব্যাংকক ও ফুকেটে চলছে মিস ইউনিভার্সের ৭৪তম আসর। বিশ্বের কোটি মানুষ কৌতূহল নিয়ে অপেক্ষা করছেন সেই মুহূর্তের জন্য, যখন মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ তানজিয়া জামান মিথিলা জাতীয় মর্যাদা নিয়ে মঞ্চে উজ্জ্বল হবেন। তবে মঞ্চে আলোচনায় থাকা কেবলই শুরু। আসল রোমাঞ্চ শুরু হয়, যখন বিজয়ীর জীবনে এক বছরের জন্য প্রবেশ করে ‘স্বপ্নের জীবন’।

    নগদ টাকা

    মঞ্চে বিজয়ী হওয়ার পর প্রথম উপহার হিসেবে আসে নগদ আড়াই লাখ ডলার। বাংলাদেশি টাকায় যা ৩ কোটিরও বেশি। এক কথায়, এক বছরের জন্য আর্থিক নিরাপত্তা এবং স্বপ্ন পূরণের শক্তি।

    বিলাসবহুল নিউইয়র্ক অ্যাপার্টমেন্ট

    মিস ইউনিভার্সের বিজয়ী এক বছরের জন্য নিউইয়র্ক সিটির একটি বিলাসবহুল অ্যাপার্টমেন্টে থাকবেন। শুধু থাকাই নয়, এখানে প্রতিটি বিস্তারিত—অফিস, জীবনযাপন, মিডিয়া আয়োজন—সবই মিস ইউনিভার্স কর্তৃপক্ষের তত্ত্বাবধানে।

    ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ

    সবচেয়ে রোমাঞ্চকর হলো ব্যক্তিগত উড়োজাহাজ। এই উড়োজাহাজে বিশ্বের যে কোনো প্রান্তে ভ্রমণ করা যায়। হোটেল বুকিং, খাওয়া, ফটোশুট, প্রেস মিট—সবই আগে থেকে মিস ইউনিভার্সের পক্ষ থেকে নিশ্চিত। তবে শর্ত আছে, প্রতিটি সফরে অবশ্যই কিছু দাতব্য কাজের সঙ্গে যুক্ত হতে হবে।

    চমকপ্রদ মুকুট ‘ফোর্স অব গুড’

    বিজয়ী শুধু আর্থিক সুবিধা বা বিলাসবহুল জীবনই পান না, একটি মূল্যবান মুকুটও। ২০২৫ সালের মুকুটটির নাম ‘ফোর্স অব গুড’। এতে আছে ১১০ ক্যারেট নীলকান্তমণি এবং ৪৮ ক্যারেট সাদা হীরা, যার মূল্য প্রায় ৫.৭৫ মিলিয়ন ডলার বা ৬৭ কোটি ১৭ লাখ টাকা। তবে এই মুকুটটি স্থায়ী নয়; এক বছর পরে পরের বিজয়ীর হাতে তুলে দিতে হয়। স্থায়ী স্মৃতি হিসেবে একটি রেপ্লিকা মুকুট দেওয়া হয়, যার মূল্যও ১৫–২০ হাজার ডলার। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    স্বপ্নের জীবনযাত্রা

    এই এক বছরের সময়, মিস ইউনিভার্সের বিজয়ী কোনো রান্না, পোশাক বা ভ্রমণ নিয়ে চিন্তা করতে হয় না। প্রতিটি মুহূর্ত—একটি স্বপ্নের মতো জীবনযাত্রা। ব্যক্তিগত উড়োজাহাজে বিশ্বের যেকোনো প্রান্তে ভ্রমণ, বিলাসবহুল আবাসন, মিডিয়া সম্মেলন এবং দাতব্য কাজের এক চমকপ্রদ মিশ্রণ।

    মিস ইউনিভার্স হওয়া কেবল মঞ্চে নয়, বরং এক বছরের জন্য স্বপ্নের রাজ্যে প্রবেশের চাবিকাঠি। একটি বছর যেখানে প্রতিটি মুহূর্ত পরিকল্পিত, সুরক্ষিত, বিলাসবহুল এবং দাতব্য কাজের মাধ্যমে সামাজিক দায়বদ্ধতাপূর্ণ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আলোচিত সেই পোশাক পরার কারণ জানালেন মিথিলা

    বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ সুন্দরী প্রতিযোগিতা ‘মিস ইউনিভার্স’-এর ৭৪তম আসরে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করছেন মডেল ও অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা। গত সেপ্টেম্বরে ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২৫’-এর মুকুট জয়ের পর দেশের পতাকা হাতে তিনি অক্টোবরের শেষ দিকে প্রতিযোগিতার মূল মঞ্চ থাইল্যান্ডে পৌঁছেছেন।

    থাইল্যান্ড থেকে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নেটিজেনদের চলমান বিতর্ককে কেন্দ্র করে মিথিলা একটি ভিডিও বার্তা দিয়েছেন। ভিডিওতে তিনি দেশের মানুষের প্রতি তার তীব্র হতাশা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এবং প্রতিযোগিতার কঠিন বাস্তবতা তুলে ধরেছেন।

    ভিডিওতে মিথিলা বলেন, আমাকে অন্যান্য দেশের মানুষ ট্রল করলে আমার কিছু আসে যায় না, কিন্তু আমাদের দেশের মানুষ তো দেখতেছে আমি কী কষ্ট করতেছি। একটা এত বড় দেশ, এত বড় দেশ থেকে যদি একজন ভালো কন্টেস্ট্যান্ট এসে চেষ্টা করে, এত কষ্ট, এত ডিসিপ্লিন, টাইমলি সবকিছু করা, এত এফোর্ট, এত কিছু শিখে, এত কিছু করেও যদি নিজের দেশের মানুষের থেকে অ্যাপ্রিসিয়েশন না পায়, তাহলে তো এটা খুবই কষ্টের। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিকিনি পরা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আর আমি কতবার বলব, আমি যদি বিকিনি না পরি, তাহলে আমি টপ থার্টিতেই যেতে পারব না। তো আপনারা তো চান যে আমি জিতি। তো জিততে হলে আমাকে তাহলে তো বিকিনি পরতে হবে। এখানে আসলে রিলিজিয়নের কিছু নেই। এখানে আমাকে জিততে হলে, বাংলাদেশকে যদি জেতাতে হয়, তাহলে আমাকে পরতে হবে।

    মিথিলা আরও বলেন, এই জায়গাটা কিন্তু অনেক বড় একটা জায়গা। এতগুলো মানুষের সঙ্গে কম্পিটিশন এবং সবাই ভালো। এখানে কেউ খারাপ না, সবাই ভালো। তো এদের সঙ্গে কম্পিট করতে হলে আমাকে কিন্তু অনেক ভালো করতে হবে, আমার দেশের মানুষকেও অনেক আগায় আসতে হবে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘ওয়াশরুম ভিডিও’ প্রসঙ্গে মুখ খুললেন মিথিলা

    ‘মিস ইউনিভার্স’-এর ৭৪তম আসর। এবারের আসরে ১২১টি দেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে সগৌরবে প্রতিনিধিত্ব করছে বাংলাদেশের তানজিয়া জামান মিথিলা। থাইল্যান্ডে শুরু হওয়া এ আসরে ইতোমধ্যে ভোটের তালিকায় ২য় অবস্থানে উঠে এসেছেন মিথিলা। 

    আগামী ২১ নভেম্বর থাইল্যান্ডের কেন্দ্রীয় শহর পাক ক্রেটে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে ‘মিস ইউনিভার্স’-এর ৭৪তম আসরের জমকালো গ্র্যান্ড ফিনালে। 

    গত সেপ্টেম্বরে ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২৫’-এর মুকুট জেতার পর দেশের পতাকা হাতে গত অক্টোবরের শেষ দিকে তিনি থাইল্যান্ডে মূল মঞ্চে উড়ে গিয়েছেন।

    তবে মূল প্রতিযোগিতায় নামার আগে পুরোনো একটি ভিডিও নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ফের বিতর্কের মুখে পড়লেন এই মডেল। পুরোনো সেই বিতর্কিত ‘ওয়াশরুম ভিডিও’ প্রসঙ্গে সম্প্রতি লাইভে এসে মুখ খুলেছেন মিথিলা। নেটিজেনদের ক্রমাগত নেতিবাচক প্রচারণায় তিনি রীতিমতো বিব্রত।

    লাইভে মিথিলা প্রথমে স্বীকার করেন যে ঘটনাটি বহু বছর আগেরপ্রায় সাত থেকে আট বছর পুরোনো। তিনি দাবি করেন, যখন ঘটনাটি ঘটেছিল, তখন তারা সবাই ছোট ছিলেন এবং এটি একটি ‘প্র্যাঙ্ক’ হিসেবে দেখানো হয়েছিল।

    বিতর্কিত ভিডিওটি নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি আপনাদের প্রথমে যেটা বলতে চাই, যখন ঘটনাটি ঘটেছিল, তখন আমরা ছোট ছিলাম। ওই ঘটনাটা যখন ভাইরাল হয়, একদল মানুষ বলে, আমি সেক্সুয়ালি তাকে হ্যারাস করেছি। তার আগে বলি, যে মানুষটা ওয়াশরুমে ছিল, সে কিন্তু আমাদের বন্ধু ছিল। আমরা জিনিসটাকে প্র্যাঙ্কের মতো করে দেখিয়েছিলাম।’

    তিনি বলেন, ‘আমি শুধু ওখানে ছিলাম, ওখানে আপনারা আমাকে দোষ দিতে পারেন না। আপনারা যেহেতু জিনিসটাকে এত বড় করেছেন। ফেসবুকে অনেকবার বলেছি, আমাকে দয়া করে ক্ষমা করে দিয়েন। আমি ছোট ছিলাম বুঝিনি, বোকার মতো কাজটা করেছি।’

    নেটিজেনদের তিনি বলেন, ‘আপনারা ৭/৮ বছরের পুরোনো ভিডিওতে আমাকে নিয়ে নেগেটিভ পাবলিসিটি করছেন। আমাকে নেগেটিভ পাবলিসিটি করলে (প্রতিযোগিতায়) জিততে পারবো না, আমাকে জেতাবে না এরা।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • ভোটে এগিয়ে মিথিলা, ইতিহাসের পথে বাংলাদেশ

    আগামী ২১ নভেম্বর থাইল্যান্ডের কেন্দ্রীয় শহর পাক ক্রেটে অনুষ্ঠিত হবে ‌‘মিস ইউনিভার্স’-এর ৭৪তম আসরের জমকালো গ্র্যান্ড ফিনালে। এর মধ্যেই বিশ্বের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ এ সুন্দরী প্রতিযোগিতায় ১২১ দেশের প্রতিযোগীদের নিয়ে কার্যক্রম শুরু হয়ে গেছে। এ আসরে বাংলাদেশ থেকে প্রতিনিধিত্ব করছেন মডেল ও অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা। 

    এর মধ্যেই সব প্রতিযোগীকে নিয়ে বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের বাছাই প্রক্রিয়া শুরু করেছে আয়োজক কর্তৃপক্ষ। নানা বিভাগে শুরু হয়েছে ভোটিং। ‘পিপলস চয়েজ’ বিভাগে ১ নম্বরে চলে এসেছে বাংলাদেশের তানজিয়া জামান মিথিলার নাম। এর আগে ৩ নম্বরে অবস্থান করছিলেন এ মডেল। পিপলস চয়েজ-এ ভোটিং চলবে আগামী ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত।

    ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ’ তাদের অফিসিয়াল পেজে এ খবর জানিয়ে একটি বার্তা প্রকাশ করেছে। 

    সেখানে বলা হয়েছে— ‘আমরা পেরেছি বাংলাদেশ। এখন বাংলাদেশ এক নম্বরে। ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশের জন্য ভোটদান অব্যাহত রাখুন। অপ্রতিরোধ্য বাংলাদেশ।’

    এ প্রতিযোগিতায় মঞ্চে এক নতুন ইতিহাস গড়ার পথে এগিয়ে গেছেন মিথিলা। হাতছানি দিচ্ছে ‘মিস ইউনিভার্স’ খেতাব অর্জনের। আগামী ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত অভিনেত্রী যদি ভোটের হিসাবে শীর্ষে থাকতে পারেন, তবে তিনিই সরাসরি ‘মিস ইউনিভার্স’ শিরোপা জয় করবেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তবে প্রতিযোগিতা চলাকালীন অন্যান্য দেশের প্রতিযোগীদের সঙ্গে ভোটের এই সংখ্যা ওঠানামা করছে। তাই চূড়ান্ত ফল এখনই নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়। মিথিলার ভক্ত-অনুরাগীরা তাকে এ অবস্থানে ধরে রাখার জন্য নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন এবং অন্যদের ভোট দিতে আহ্বান জানাচ্ছেন।

    উল্লেখ্য, ‘মিস ইউনিভার্স’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ২ নভেম্বর থাইল্যান্ডে পৌঁছান ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২৫’-এর মুকুট জয় করা মডেল-অভিনেত্রী তানজিয়া জামান মিথিলা। দেশের পতাকা নিয়ে মুকুট জয়ের প্রত্যাশায় একের পর এক ধাপ উতরে যাচ্ছেন তিনি। 

    এর আগে বাংলাদেশ থেকে ২০১৯ সালে শিরীন শিলা এবং ২০২৪ সালে আনিকা আলম মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ হিসেবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। তবে মিথিলার এই অর্জন দেশের মিস ইউনিভার্স ইতিহাসে নতুন এক মাইলফলক স্থাপন করতে চলেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • চিলির সুন্দরীকে টপকে দ্বিতীয় স্থানে বাংলাদেশের মিথিলা

    থাইল্যান্ডে ১২১টি দেশের সুন্দরীদের নিয়ে শুরু হয়েছে ‘মিস ইউনিভার্স’-এর ৭৪তম আসর। প্রতিযোগীদের জন্য বিভিন্ন ধরনের কার্যক্রমের আয়োজন করেছে আয়োজক সংস্থা। একই সঙ্গে চলছে ভোটও। ‘পিপলস চয়েস’ ক্যাটাগরিতে বাংলাদেশের প্রতিনিধি তানজিয়া জামান মিথিলা চমক দেখিয়েছেন।

    বৃহস্পতিবার (১৩ নভেম্বর) পর্যন্ত মিথিলা ২ লাখ ৮১ হাজারেরও বেশি ভোট পেয়ে দ্বিতীয় স্থানে অবস্থান করছেন। তিনি চিলির সুন্দরী ইন্না মলকে পেছনে ফেলে দিয়েছেন। এই তালিকায় প্রথম স্থানে রয়েছেন ইন্দোনেশিয়ার আহতিসা মানালো। তাকে পেছনে ফেলতে মিথিলার আরও ২৯ হাজার ভোট প্রয়োজন। মিথিলা তার দেশবাসীর কাছে ভোট দিয়ে জয় অর্জনের আহ্বান জানিয়েছেন।

    মিথিলা তার ফেসবুক পোস্টে লিখেছেন, ‘বাংলাদেশের ১০ লক্ষ মানুষ যদি প্রতিদিন ১০টা করে ভোট দেয় তাহলে ৭ দিনে কয়েক কোটি ভোট হবে। ১০টা ভোট দিতে সময় লাগে মাত্র ১০-১২ মিনিট। ১৮-১৯ কোটি মানুষের দেশে শুধুমাত্র ভোটের অভাবে যদি বাংলাদেশের প্রতিনিধি হেরে যায়, এটা কি মেনে নেওয়া যায়?’ 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    ভোট চলবে ১৯ নভেম্বর পর্যন্ত। আশা করা যাচ্ছে, আজকালের মধ্যেই মিথিলা আরও ভোট পেয়ে শীর্ষে পৌঁছাবেন।

    পিপলস চয়েস ছাড়াও মিথিলা ‘বেস্ট ন্যাশনাল কস্টিউম’ (প্রথম), ‘মিস কনজেনিয়ালিটি’ (দ্বিতীয়), ‘বেস্ট ইভিনিং গাউন’ (দ্বিতীয়) এবং ‘বেস্ট স্কিন’ (তৃতীয়) ক্যাটাগরিতেও এগিয়ে আছেন।

    ফুকেটের ইভেন্ট শেষ করে বর্তমানে মিথিলা পাতায়ায় রয়েছেন। ‘মিস ইউনিভার্স’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে ২ নভেম্বর থাইল্যান্ডে পৌঁছান ‘মিস ইউনিভার্স বাংলাদেশ ২০২৫’ মুকুটজয়ী এই মডেল ও অভিনেত্রী। নিজেকে নিয়ে তিনি অনেক সাফল্যের প্রত্যাশী।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বর্ণবৈষম্যের শিকার হয়ে যা বললেন মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান

    আসন্ন মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় পাকিস্তানের প্রতিনিধিত্ব করছেন রোমা রিয়াজ। সম্প্রতি নিজের ত্বকের রঙ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নানা সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি। তবে এসব সমালোচনার জবাবে রোমা জানিয়েছেন, তার ত্বকের রঙেই পাকিস্তানের আসল পরিচয়—এই মাটির মতোই তার ত্বকের রং।

    নিজের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্টে প্রকাশিত এক সংক্ষিপ্ত ভিডিও বার্তায় রোমা বলেন, ‘আমার ত্বক পাকিস্তানের মাটির রঙের মতো—যে রঙে আমাদের মায়েরা ঘর বেঁধেছেন, পরিবার গড়েছেন, আর বুকভরা ভালোবাসা নিয়ে দেশকে ধারণ করেছেন। যারা কখনও শুনেছেন, তুমি বেশি কালো, বেশি সাহসী বা অন্যরকম, তাদের বলছি—তোমরাও পাকিস্তানের মুখ।’

    রোমা আরও বলেন, রংবৈষম্য বা কালারিজম বহু সমাজে গভীরভাবে প্রোথিত একটি সমস্যা। ‘কালারিজম আমাদের শিখিয়েছে ফর্সা ত্বককে উদ্যাপন করতে, অথচ ভুলিয়ে দিয়েছে আমাদের শিকড় কোথায়। কিন্তু আমি সেই দক্ষিণ এশীয় নারীদের নতুন প্রজন্মের প্রতিনিধি, যারা আর সংকীর্ণ সৌন্দর্যের ধারণায় বিশ্বাস করে না,’ বলেন তিনি।

    তিনি জোর দিয়ে বলেন, নিজের জাতিগত বৈশিষ্ট্যের জন্য কখনও ক্ষমা চাইবেন না। ‘আমি পাকিস্তানি—আমার শিকড়ে, আমার মূল্যবোধে, আর আমার ত্বকের প্রতিটি রঙে,’ বলেন রোমা। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    সৌন্দর্য সম্পর্কে নিজের দৃষ্টিভঙ্গি তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, ‘সৌন্দর্য কোনো নির্দিষ্ট ত্বকের রং বা বৈশিষ্ট্যের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি বৈচিত্র্য, আত্মবিশ্বাস ও মানবতার প্রতিফলন।’

    উর্দু ভাষায় নিজের সমালোচকদের উদ্দেশে রোমা আহ্বান জানান ঐক্য ও ইতিবাচকতার প্রতি মনোযোগ দিতে।

    শেষে তিনি বলেন, ‘আমাদের আরও ভালো হতে হবে, কারণ যদি আমরা নিজেদের মানুষকেই ভালোবাসতে না পারি, তাহলে প্রতিনিধিত্বের কোনো মূল্য থাকে না।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • মিস ইউনিভার্সে বিতর্কের ঝড়, বর্জন করলেন অনেক প্রতিযোগী

    ৭৪তম মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতা এখন তুমুল বিতর্কের কেন্দ্রে। কারণ, থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত এ আয়োজনে এক কর্মকর্তা প্রকাশ্যে মিস মেক্সিকো ফাতিমা বোস্ককে অপমান করায় প্রতিবাদস্বরূপ মঞ্চ ছেড়ে চলে গেছেন বেশ কয়েকজন প্রতিযোগী। তাদের মধ্যে বর্তমান মিস ইউনিভার্স ভিক্টোরিয়া কায়ার থেইলভিগও আছেন।

    মঙ্গলবার (৪ নভেম্বর) প্রতিযোগিতার প্রাক্-ইভেন্টে ঘটনাটি ঘটে।  মিস ইউনিভার্স থাইল্যান্ডের পরিচালক নাওয়াত ইটসারাগ্রিসিল, যিনি আয়োজক দেশের পক্ষ থেকে দায়িত্বে ছিলেন, ফেসবুক লাইভে ফাতিমাকে তিরস্কার করেন। কারণ, মিস মেক্সিকো নাকি থাইল্যান্ডকে প্রচার করে এমন কোনো কনটেন্ট পোস্ট করেননি। নাওয়াতের মুখ থেকে বের হয় অপমানজনক শব্দ—তিনি ফাতিমাকে ‘বোকা’ বলে উল্লেখ করেন। চার মিনিটেরও কম সময়ের এই ঘটনাটি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও আকারে ছড়িয়ে পড়তেই তীব্র প্রতিক্রিয়া শুরু হয়।

    নাওয়াত বলেন, ‘মেক্সিকো, তুমি কোথায়? শুনেছি তুমি থাইল্যান্ড-সম্পর্কিত কোনো কিছু সমর্থন করছ না, এটা কি সত্যি?’ এরপর তিনি দাবি করেন, ফাতিমা নাকি থাইল্যান্ডের আয়োজক দলের কথা না শুনে মিস মেক্সিকো সংগঠনের নির্দেশ অনুসরণ করছেন। উত্তরে ফাতিমা শান্তভাবে বলেন, ‘আমি কথা বলছি। কিন্তু আপনি আমাকে একজন নারী হিসেবে সম্মান করছেন না।’

    এ উত্তরে ক্ষুব্ধ হয়ে নাওয়াত নিরাপত্তাকর্মী ডেকে ফাতিমাকে বাইরে বের করে দিতে বলেন। কিন্তু দৃশ্যটি অন্য দিকে মোড় নেয়। অন্যান্য প্রতিযোগী একে একে মিস মেক্সিকোর পাশে দাঁড়ান। কেউ সরাসরি নাওয়াতের উদ্দেশে প্রতিবাদ জানান, কেউ আবার অনুষ্ঠান ছেড়ে বেরিয়ে যান।

    মিস ডেনমার্ক ও বর্তমান মিস ইউনিভার্স ভিক্টোরিয়া কায়ার থেইলভিগ বলেন, ‘এটা নারীর অধিকারের প্রশ্ন। এভাবে কাউকে অপমান করা সম্পূর্ণ অগ্রহণযোগ্য। এ জন্যই আমি আমার কোট তুলে নিচ্ছি এবং এই অনুষ্ঠান ছেড়ে যাচ্ছি।’

    ঘটনার পর মিস ইউনিভার্স সংস্থা এক বিবৃতিতে নাওয়াতের আচরণকে ‘অগ্রহণযোগ্য’ বলে নিন্দা জানায় এবং তার দায়িত্ব সীমিত করার ঘোষণা দেয়। সংস্থার প্রেসিডেন্ট রাউল রোচা এক ভিডিও বার্তায় বলেন, ‘আমি কখনোই নারীর মর্যাদা ও সম্মানের মূল্যবোধ লঙ্ঘিত হতে দেব না। নাওয়াত ভুলে গেছেন, একজন আয়োজকের আসল দায়িত্ব অতিথিদের সম্মান জানানো, তাদের পাশে থাকা এবং মানবিক সদাচরণ নিশ্চিত করা।’ তিনি আরও জানান, সংগঠনটি প্রয়োজনে নাওয়াতের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে।

    বিতর্কের মধ্যেই প্রতিযোগিতা চলতে থাকে। বুধবার ব্যাংককে অনুষ্ঠিত হয় আরেকটি আনুষ্ঠানিক পর্ব। ফাইনাল রাউন্ড হবে ২১ নভেম্বর। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    এদিকে নাওয়াত পরে ক্ষমা চেয়ে বলেন, ‘আমি প্রচণ্ড চাপের মধ্যে ছিলাম। কেউ যদি কষ্ট পেয়ে থাকেন, আমি আন্তরিকভাবে দুঃখিত। বিশেষ করে সেদিন উপস্থিত থাকা প্রায় ৭৫ প্রতিযোগীর কাছে আমি ক্ষমা চাইছি।’

    অন্যদিকে মিস মেক্সিকো ফাতিমা নিজের অবস্থানে অনড় থেকে বলেন, ‘আমি কথা বলতে ভয় পাই না। আমি এখানে এসেছি নারীদের প্রতিনিধি হয়ে, আমাদের অধিকার রক্ষার কথা বলার জন্য। আমি কোনো পুতুল নই, যে শুধু সাজবে আর চুপ করে থাকবে। আমি আমার দেশের মেয়েদের হয়ে কথা বলব, এটাই আমার লক্ষ্য।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • মিস ইউনিভার্স আমিরাত কে এই মরিয়ম মোহাম্মদ?

    সংযুক্ত আরব আমিরাতের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় দেশটির প্রতিনিধিত্ব করতে যাচ্ছেন এক তরুণী । ২৬ বছর বয়সী মরিয়ম মোহাম্মদ কঠোর বাছাই প্রক্রিয়া পেরিয়ে নির্বাচিত হয়েছেন মিস ইউনিভার্স ইউএই ২০২৫ হিসেবে। আগামী মাসে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হবে এই বৈশ্বিক সৌন্দর্য প্রতিযোগিতা।

    মরিয়ম বলেন, ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত আমাকে বড় স্বপ্ন দেখতে শিখিয়েছে। আমি এমন নারীদের কণ্ঠ হতে চাই যারা উচ্চাকাঙ্ক্ষী, কৌতূহলী এবং দৃঢ়প্রতিজ্ঞ। মিস ইউনিভার্স ইউএই কেবল সৌন্দর্যের প্রতিযোগিতা নয়, এটি প্রভাব সৃষ্টির একটি মঞ্চ।’

    অস্ট্রেলিয়ার সিডনি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জনের পর বর্তমানে তিনি ইএসএমওড দুবাই-এ ফ্যাশন ডিজাইন নিয়ে পড়াশোনা করছেন। একাধারে তিনি শিক্ষার্থী, ডিজাইনার ও সমাজসেবক। তার লক্ষ্য—বিশ্বে দারিদ্র্য হ্রাস ও নারীর ক্ষমতায়ন।

    মরিয়ম ইতোমধ্যেই টেকসই ফ্যাশনের নকশা তৈরি করেছেন এবং অংশ নিয়েছেন নানা মানবিক উদ্যোগে—যেমন রামাদান আমান ও দ্য গিভিং ফ্যামিলি ইনিশিয়েটিভ। আন্তর্জাতিক নারী উদ্যোক্তা কর্মসূচিতেও তিনি ইউএই-এর প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

    তার শখের বিষয়েও রয়েছে ঐতিহ্য ও আধুনিকতার এক অনন্য সংমিশ্রণ—বাজপাখি পালন ও উট চড়া থেকে শুরু করে টেকসই ফ্যাশন ও বৈশ্বিক সংস্কৃতি বিনিময় পর্যন্ত। মরিয়ম বলেন, ‘আমার দেশ যেমন ঐতিহ্যের প্রতি শ্রদ্ধাশীল, তেমনি ভবিষ্যতের দিকেও অগ্রসর। আমি চাই এই ভারসাম্যটাই বিশ্বকে দেখাতে।’

    এবারের আসরে মরিয়ম দ্বিতীয় মিস ইউনিভার্স ইউএই হিসেবে মুকুট অর্জন করেছেন। এর আগে ২০২৪ সালে কোসোভো-জন্মগ্রহণকারী ও দীর্ঘদিনের দুবাই-নিবাসী মডেল এমিলিয়া ডোব্রেভা ইউএই-এর হয়ে অংশ নিয়েছিলেন।

    মিস ইউনিভার্স ইউএই কর্তৃপক্ষের ভাষায়, ‘মরিয়ম বিশ্বমঞ্চে ইউএই-এর ক্ষমতায়ন, টেকসই উন্নয়ন ও উদ্ভাবনের গল্প তুলে ধরবেন, প্রমাণ করবেন যে আমিরাতি নারীরা শুধু ঐতিহ্যের ধারক নন, তারা আগামী দিনের নেতৃত্বও দিচ্ছেন।’

    থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় এবারের প্রতিযোগিতায় মরিয়ম মোহাম্মদ শুধু নিজের নয় বরং পুরো সংযুক্ত আরব আমিরাতের নারীদের আশা-আকাঙ্ক্ষার প্রতীক হয়ে উঠতে চলেছেন।

    অনলাইন ডেস্ক

  • মিস ইউনিভার্স খেতাব জিততে চান মারিয়াম ও রোমা

    নিজ দেশের খেতাব জিতে এবার মিস ইউনিভার্স-২০২৫ খেতাবও জিততে চান মারিয়াম মুহাম্মদ নামে সংযুক্ত আরব আমিরাতের এক শিক্ষার্থী। নিজেকে তিনি ‘নারীদের কণ্ঠস্বর’ হিসেবে উপস্থাপন করতে চান। খবরটি খালিজ টাইমসের উদ্ধৃতি দিয়ে দ্য নিউজ প্রকাশ করেছে।

    ২৬ বছর বয়সি ফ্যাশন শিক্ষার্থী মারিয়াম শতাধিক প্রতিযোগীর মধ্য থেকে কঠোর প্রক্রিয়ার পর সম্প্রতি মিস ইউনিভার্স ইউএই নির্বাচিত হন। তিনি আগামী মাসে থাইল্যান্ডে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় সংযুক্ত আরব আমিরাতকে প্রথমবারের মতো প্রতিনিধিত্ব করবেন।

    মারিয়াম বলেন, ‘ইউএই আমাকে বড় স্বপ্ন দেখার আত্মবিশ্বাস দিয়েছে। আমি এমন নারীদের জন্য কণ্ঠস্বর হতে চাই যারা উচ্চাকাঙ্ক্ষী, কৌতূহলী এবং প্রেরণাদায়ক। মিস ইউনিভার্স ইউএই শুধু সৌন্দর্যের প্রতীক নয়, এটি প্রভাবের ক্ষেত্রও।’

    সিডনির বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করা মারিয়াম বর্তমানে ESMOD দুবাই-এ ফ্যাশন ডিজাইন অধ্যয়ন করছেন। একাডেমিয়া, শিল্প এবং সমাজসেবাকে মিলিয়ে তিনি দারিদ্র্য নির্মূল, নারী ক্ষমতায়ন, ভালোবাসা ও শান্তির সম্প্রদায় গড়ে তোলার কাজ করে যাচ্ছেন।

    তিনি টেকসই ফ্যাশন ডিজাইন করেছেন, রমজান আমান এবং দ্য গিভিং ফ্যামিলি ইনিশিয়েটিভের মতো দাতব্য কার্যক্রমে অংশ নিয়েছেন এবং আন্তর্জাতিক নারী উদ্যোক্তা প্রোগ্রামেও সংযুক্ত আরব আমিরাতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    মারিয়ামের আগ্রহগুলো ঐতিহ্য ও আধুনিকতার সংমিশ্রণ প্রকাশ করে; ব্যালকনিতে চিতাবাঘ শিকার এবং উটের রাইড থেকে শুরু করে টেকসই ফ্যাশন ও বৈশ্বিক সাংস্কৃতিক বিনিময়—তিনি ঐতিহ্য ও আধুনিকতাকে একত্রিত করে ইউএই-এর মূল্যবোধকে অনুপ্রেরণা এবং দৃঢ়তার সঙ্গে বহন করছেন।

    মারিয়াম যখন মিস ইউনিভার্স ২০২৫ প্রতিযোগিতার জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছেন, তখন তিনি নতুন প্রজন্মের সংযুক্ত আরব আমিরাতের নারীদের জন্য প্রেরণার প্রতীক হতে চান। তিনি বিশ্ববাসীর কাছে ইউএই-এর ক্ষমতায়ন, টেকসই উন্নয়ন এবং উদ্ভাবনের গল্প তুলে ধরার অঙ্গীকার করেছেন।

    মিস ইউনিভার্স ইউএই-এর জাতীয় পরিচালক পপি কাপেলা বলেন, ‘মারিয়ামকে বিজয়ী হিসেবে নির্বাচন করতে পেরে আমরা অত্যন্ত খুশি। তিনি তার বাকচাতুর্য, দৃষ্টি এবং সংযুক্ত আরব আমিরাতের ঐতিহ্য, ক্ষমতায়ন ও বৈশ্বিক দৃষ্টিভঙ্গি উপস্থাপনের ক্ষমতা দিয়ে নিজেকে আলাদা করেছেন।’

    পপি আরও বলেন, ‘তার একান্ত শিক্ষাগত উৎকর্ষ, নারীর ক্ষমতায়ন ও দারিদ্র্য নির্মূলের প্রতি প্রতিশ্রুতি এবং ইউএই সংস্কৃতির প্রতি গভীর গর্ব তাকে বিশ্ব মঞ্চে দেশের পতাকা বহনের জন্য আদর্শ প্রার্থী করেছে।’

    তিনি জানান, প্রতিযোগিতায় দেশব্যাপী ৯৫০-এরও বেশি আবেদন জমা পড়েছিল। ‘মিস ইউনিভার্স ইউএই ২০২৫-এর যাত্রা ছিল স্বচ্ছ, ন্যায়সঙ্গত এবং কঠোর, যা প্রতিটি ফাইনালিস্টকে নিজ প্রতিভা প্রদর্শনের সুযোগ দিয়েছে। প্রতিটি নারী অসাধারণ প্রতিভা, বুদ্ধিমত্তা ও হৃদয় নিয়ে প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছে এবং তারা সবাই নিজেদের দিক থেকে বিজয়ী।’

    পাকিস্তানের প্রতিনিধি: রোমা রিয়াজ

    এদিকে, পাকিস্তান থেকে মিস ইউনিভার্স প্রতিযোগিতায় প্রতিনিধিত্ব করবেন রোমা রিয়াজ।

    মিস ইউনিভার্স পাকিস্তান ঘোষণা করেন যে, রোমা তার সঙ্গে দেশের গর্ব, দৃঢ়তা এবং সৌন্দর্য বহন করবেন। তিনি ইনস্টাগ্রামে উদযাপনমূলক পোস্টে লিখেছেন, ‘এই মুকুট শুধু আমার নয়, এটি সেই সকল মেয়েদের, যারা সীমার বাইরে স্বপ্ন দেখার সাহস রাখে। মিস ইউনিভার্স মঞ্চে পাকিস্তানের সৌন্দর্য, শক্তি ও হৃদয় তুলে ধরতে পেরে আমি গর্বিত।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • মিস ইউনিভার্স হিসাবে সমাজে আমার দায়বদ্ধতা বেশি

    ‘মিস ইউনিভার্স ২০২৪’-এ মেক্সিকোতে লাল-সবুজের পতাকা উড়িয়েছেন বাংলাদেশের আনিকা আলম। তিনি একজন মেকাপ আর্টিস্ট। বর্তমানে জাতিসংঘের টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা বিশেষ করে ‘জিরো হাঙ্গার’ নিয়ে কাজ করছেন। পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়নও নিয়ে সোচ্চার। যুগান্তরের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি।

    যুগান্তর: মিস ইউনিভার্স মঞ্চে বাংলাদেশের হয়ে অংশ নেওয়ার অনুভূতি কেমন?

    আনিকা আলম: এটা আসলেই বোঝানো কঠিন। এটি পৃথিবীর সব থেকে প্রেস্টিজিয়াস বিউটি প্যাজেন্ট। এ প্ল্যাটফর্মে আমি আমার দেশকে রিপ্রেজেন্ট করতে পেরেছি, এর থেকে আর গর্বের বিষয় হতে পারে না। বিশ্বমঞ্চে বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করতে পেরে আমি আনন্দিত।

    যুগান্তর: প্রতিযোগিতার মঞ্চে আপনার জার্নি কেমন ছিল?

    আনিকা আলম: জীবনে এ রকম সুযোগ এবং অভিজ্ঞতা একবারই আসে। ওখান থেকে এতকিছু শিখেছি যা অল্প কথায় বলা কঠিন। কিন্তু একটা ঘটনা বলতে পারি, আমার ইন্টারভিউর দিনে যখন প্রশ্ন করা হয় তখন সবাই বাংলাদেশ নিয়ে অনেক আগ্রহ দেখাল, বাংলাদেশ কেমন, দেশের কালচার, মানুষ নিয়ে অনেকেই অনেক কিছু জানতে চেয়েছেন। বাংলাদেশ নিয়ে মানুষের এত আগ্রহ সত্যিই আমাকে অনেক মুগ্ধ করেছে।

    যুগান্তর: ‘মিস ইউনিভার্স’ টাইটেল ব্যবহার করে অনেকেই সমাজকর্মী, রাজনীতিবিদ, উদ্যোক্তা আবার কেউ মিডিয়াকর্মী হয়েছেন। আপনি এ টাইটেল কীভাবে ব্যবহার করতে চান?

    আনিকা আলম: আমি ‘জিরো হাঙ্গার’ নিয়ে কাজ করছি, সেটা চালিয়ে যেতে চাই। পাশাপাশি ওমেন এম্পাওয়ারমেন্ট নিয়ে কাজ করতে চাই। একজন মেকআপ আর্টিস্ট হিসাবে সুবিধাবঞ্চিত মেয়েদের মেকআপ শিখিয়ে তাদের এ পেশায় সহযোগিতা করতে চাই। তারা যেন সেলফ ডিপেন্ডেন্ট হতে পারে। পাশাপাশি নিজেকে একজন প্রতিষ্ঠিত মডেল হিসাবে গড়ে তুলতে চাই।

    যুগান্তর: শিল্পীদের সামাজিক দায় থাকে। আপনি কী মনে করেন?

    আনিকা আলম: অবশ্যই, আমার মনে হয় শুধু শিল্পী হিসাবে নয়, প্রতিটি মানুষেরই সমাজের প্রতি দায়বদ্ধতা আছে। অনেকের থেকে আমার দায়বদ্ধতা একটু বেশি। আমি ‘মিস ইউনিভার্স’ প্রতিযোগিতার টাইটেল ব্যবহার করে সেটার বেস্ট আউটকাম আমার সমাজকে দিতে চাই।

    যুগান্তর: কোন দায় থেকে ‘জিরো হাঙ্গার’ নিয়ে কাজ করছেন?

    আনিকা আলম: জাতিসংঘ কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত ১৭টি টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যের মধ্যে একটি ‘জিরো হাঙ্গার’। বাংলাদেশে একটা মানুষকেও যেন না খেয়ে থাকতে না হয়, এ লক্ষ্যেই আমার কাজ করা। আমি আরও অনেককেই এ বিষয় নিয়ে কাজ করতে ইন্সপায়ার করতে চাই।

    যুগান্তর: নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে আপনার পরিকল্পনা কী?

    আনিকা আলম: নারীর ক্ষমতায়ন নিয়ে আমার অনেক পরিকল্পনা আছে। প্রথমে যেটা নিয়ে কাজ করতে চাই, সুবিধাবঞ্চিত মেয়েদের মেকআপ কোর্স করিয়ে তাদের এ পেশায় সাহায্য করা। যেন তারা সমাজে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে পারে।

    রিয়েল তন্ময়