Tag: মাদক

  • গ্ল্যামার থেকে মাদক মামলায় জড়ানো প্রজ্ঞা মার্টিনের ক্যারিয়ারের উত্থান-পতন

    ২০০৯ সালে দক্ষিণ ভারতের তারকা অভিনেতা মোহনলালের ‘সাগর অ্যালিয়াস জ্যাকি রিলোডেড’ সিনেমার মাধ্যমে যখন এক কিশোরী বড় পর্দায় পা রাখেন, তখন অনেকেই তাকে ভবিষ্যতের তারকা হিসেবে দেখেছিলেন। সেই কিশোরী আর কেউ নন, দক্ষিণী সিনেমার আজকের পরিচিত মুখ প্রজ্ঞা মার্টিন। তবে তার এই দীর্ঘ পথচলা কখনোই মসৃণ ছিল না।

    রুপালি পর্দায় অভিষেকে মোহনলালের সঙ্গে অভিনীত প্রজ্ঞার এই সিনেমাটি মূলত ১৯৮৭ সালের সিনেমা ‘ইরুপাথাম নোত্তানডু’-এর স্পিন-অফ। যদিও এটি প্রত্যাশা অনুযায়ী সাফল্য পায়নি, তবু ছোট একটি চরিত্রে অভিনয় করেও দর্শকের নজর কাড়েন প্রজ্ঞা মার্টিন। পরবর্তীতে তিনি মালয়ালম তারকা দুলকার সালমান ও পৃথ্বীরাজ সুকুমারনের সঙ্গেও চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন।

    মাত্র পাঁচ বছর বয়স থেকেই ভরতনাট্যম, কুচিপুড়ি এবং মোহিনীঅট্টমের মতো ধ্রুপদী নৃত্যে তালিম নেওয়া শুরু করেন প্রজ্ঞা। স্কুলে পড়ার সময় অভিনয়ের জন্য রাজ্য পর্যায়ে পুরস্কার পাওয়ার পরই তিনি নিশ্চিত হন, রূপালী পর্দাই তার গন্তব্য। যদিও প্রথম দিকে মডেলিং নিয়ে তার খুব একটা আগ্রহ ছিল না।

    ক্যারিয়ারের টার্নিং পয়েন্ট: ‘পিসাসু’ 

    প্রজ্ঞার ক্যারিয়ারে নাটকীয় মোড় আসে তামিল পরিচালক মিসকিনের হাত ধরে। একটি বিজ্ঞাপনে তাকে দেখে মুগ্ধ হয়ে মিসকিন তাকে ‘পিসাসু’ (২০১৪) সিনেমায় ভূতের চরিত্রে কাস্টিং করেন।  সিনেমাটি তাকে রাতারাতি জনপ্রিয়তা এনে দেয়। এরপর একে একে ‘রামলীলা’, ‘কাত্তাপানাইলে ঋত্বিক রোশন’ এবং সুরিয়ার বিপরীতে তামিল অ্যান্থলজি ‘নভরাসা’-তে অভিনয় করে তিনি নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    উত্থান-পতন ও সাম্প্রতিক বিতর্ক 

    তবে সাফল্যের পাশাপাশি প্রজ্ঞাকে ক্যারিয়ারে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে তার অভিনীত সিনেমাগুলো বক্স অফিসে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি। এর মধ্যেই ২০২৪ সালের অক্টোবরে একটি মাদক মামলায় কুখ্যাত গ্যাংস্টার ওমপ্রকাশের সঙ্গে তার নাম জড়িয়ে পড়লে তিনি বিতর্কের মুখে পড়েন।

    যদিও প্রজ্ঞা শুরু থেকেই এই অভিযোগ অস্বীকার করে আসছিলেন, তবুও পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদের মুখে পড়তে হয় এই অভিনেত্রীকে। তবে স্বস্তির বিষয় হলো, যথাযথ তদন্ত শেষে গত ১২ অক্টোবর পুলিশ তাকে এই মামলা থেকে ক্লিন চিট বা নির্দোষ ঘোষণা করে। মামলা থেকে মুক্তি পাওয়ার পর আবার নতুনভাবে ক্যারিয়ার গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন প্রজ্ঞা। যদিও আগের মতো নিয়মিত সিনেমায় দেখা যায় না তাকে, তবু অভিনয় থেকে পুরোপুরি সরে যাননি।

    বিতর্ক কাটিয়ে প্রজ্ঞা আবারও তার অভিনয় জীবনে পূর্ণ মনোযোগ দিতে পারবেন বলেই তার ভক্তদের প্রত্যাশা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবারও ফেঁসে যাচ্ছেন নায়িকা পরীমনি!

    ২০২১ সালে বোটক্লাবকাণ্ডে সংবাদ সম্মেলনে কান্নাকাটি করেছিলেন ঢাকাই সিনেমার আলোচিত নায়িকা পরীমনি। শুধু তাই নয়, ক্লাবের পরিচালক নাসির উদ্দিন মাহমুদের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ এনে মামলাও করেছিলেন। কিন্তু পরবর্তীতে বোটক্লাবের ঘটনায় পরীমনি নিজেই ফেঁসে যান। 

    সম্প্রতি নিজের বাসার গৃহকর্মীকে মারধরের অভিযোগ উঠে এই নায়িকার বিরুদ্ধে। এ নিয়ে থানায় অভিযোগও দায়ের করা হয়। বিষয়টি নিয়ে গণমাধ্যমে খবর প্রকাশ হলে শুক্রবার রাতে ফেসবুক লাইভে আসেন পরীমনি। সেখানে তিনি মারধরের শিকার পিংকীকে নিজের গৃহকর্মী বলে অস্বীকার করেন এবং তিনি মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন।  কিন্তু বোটক্লাবকাণ্ডের মতো এবারও তার বক্তব্যের কোনো সত্যতা পাওয়া যায়নি। 

    পুলিশ বলছে, নায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে গৃহকর্মী পিংকীকে মারধরের সত্যতা মিলেছে। 

    গত বৃহস্পতিবার পরীমনির গৃহকর্মী পিংকী আক্তার ভাটারা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, পরীমনি তার এক বছরের দত্তক কন্যাসন্তানকে খাবার খাওয়ানোর ঘটনাকে কেন্দ্র করে গৃহকর্মী পিংকী আক্তারকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন। 

    ভাটারা থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মাজহারুল ইসলাম শনিবার যুগান্তরকে বলেন, চিত্রনায়িকা পরীমনির বিরুদ্ধে তার গৃহকর্মীর দেওয়া অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে। পিংকী আক্তার নামে ওই গৃহকর্মী যে অভিযোগ দিয়েছিলেন তা জিডি হিসেবে রেকর্ড করা হয়েছে। ঘটনার তদন্ত চলমান রয়েছে। 

    গৃহকর্মী পিংকী আক্তারের বাড়ি নেত্রকোনায়।  অভিযোগে তিনি বলেন, একটি এজেন্সির মাধ্যমে এক মাস আগে তিনি পরীমনির বাসায় কাজ নেন। তার দায়িত্ব ছিল পরীমনির এক বছর বয়সি মেয়ের দেখাশোনা করা এবং তাকে খাবার খাওয়ানো। ওই বাচ্চাকে প্রতি দুই ঘণ্টা পরপর খাওয়ানোর নিয়ম। পাশাপাশি বাসার অন্যান্য কাজও করতেন পিংকী। গত ২ এপ্রিল গৃহকর্মী পিংকী পরীমনির বাচ্চাটিকে পাশে বসিয়ে বাজারের লিস্ট করছিলেন। এ সময় বাচ্চা কান্না শুরু করলে পরিমনির পরিচিত সৌরভ নামে এক ব্যক্তি বাচ্চাকে ‘সলিড খাবার’ দেওয়ার পরামর্শ দেন। 

    পিংকী বলেন, সলিড খাবার দেওয়ার সময় না হওয়ায় আমি বাচ্চার জন্য দুধ তৈরি করছিলাম। এমন সময় পরীমনি মেকআপ রুম থেকে বেরিয়ে আমাকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল ও একপর্যায়ে বেধড়ক মারধর করেন। তিনি একের পর এক আমার মাথায় মারতে থাকেন। তার মারধরে আমি তিনবার ফ্লোরে পড়ে যাই। এরপর তিনি আমার বাম চোখে অনেক জোরে একটি থাপ্পড় মারেন। এতে আমার চোখ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। 

    মারধরের একপর্যায়ে পিংকী অচেতন হয়ে যান। কিন্তু তাকে হাসপাতালে পাঠানোর ব্যবস্থা করা হয়নি। পিংকী আক্তারের অভিযোগ, প্রায় এক ঘণ্টা পর তার জ্ঞান ফিরে। এরপর জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করলে পুলিশ তাকে উদ্ধার করে। এরপর পিংকী কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতালে গিয়ে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। 

    এদিকে গৃহকর্মীর থানায় অভিযোগ দায়েরের ঘটনায় গতকাল রাতে ফেসবুক লাইভে বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেন পরীমনি। তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ আইনিভাবে মোকাবিলার কথা জানিয়েছেন তিনি। 

    পাশাপাশি বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রকাশ করায় গণমাধ্যমের ওপর ক্ষোভ প্রকাশ করেন তিনি। থানার সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে তাকে নিয়ে গণমাধ্যম যেভাবে খবর প্রকাশ করেছে, এতে তিনি মিডিয়া ট্রায়ালের শিকার হয়েছেন বলেও অভিযোগ করেন।

    তিনি বলেন, আমি যদি অন্যায় করি ডেফিনেটলি আমার শাস্তি পাওয়া উচিত।

    একইভাবে ২০২১ সালেও বোটক্লাবকাণ্ডে সংবাদ সম্মেলনে কান্নাকাটি করেন পরীমনি। তখন তিনি ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ করেন।  

    এই অভিযোগে ২০২১ সালের ৯ জুন রাতে সাভার থানার ঢাকা বোট ক্লাবে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে ১৪ জুন ব্যবসায়ী নাসির উদ্দিনের বিরুদ্ধে মামলা করেছিলেন নায়িকা পরীমনি। সেই মামলার তদন্ত তদারক কর্মকর্তা ছিলেন সাকলায়েন। তদন্তের সময় পরীমনির সঙ্গে সম্পর্কের অভিযোগ ওঠার পর তাকে বদলি করা হয়েছিল এবং তদন্ত কমিটি গঠিত হয়েছিল।

    পরীমনির বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ১৮ জুলাই নাসির উদ্দিন মাহমুদ হত্যাচেষ্টা, মারধর, ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখানোর অভিযোগে আদালতে মামলা করেন। যদিও পরীমনি প্রথমে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেন, কিন্তু তদন্তে সত্যতা মেলে।

    এছাড়াও ২০২১ সালের ৪ আগস্ট পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান চালায় র‌্যাব। তখন ফেসবুক লাইভে পরীমনিকে কান্নাকাটি করতে দেখা যায় এবং অভিযানকে বেআইনি বলতে শোনা যায়। এরপর সেদিন তার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণে বিদেশি মদ উদ্ধার করে র‌্যাব এবং তাকে গ্রেফতার করে। এ মামলায় তিন দফায় মোট সাত দিন তাকে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। গ্রেফতারের ২৭ দিন পর ১ সেপ্টেম্বর পরীমনি কারাগার থেকে জামিনে মুক্ত হন।

    উল্লেখ্য, পরীমনি এই মামলাগুলো বর্তমানে আদালতে চলমান রয়েছে। চলতি বছরের শুরুর দিকে মামলার শুনানিতে হাজির না হওয়ায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেন আদালত। এরপর আদালতে তার জামিনদার হন তরুণ গায়ক শেখ সাদী। এই গায়কের সঙ্গেও পরীমনি সম্পর্কের গুঞ্জন চলছে। ফেসবুকের বিভিন্ন পোস্ট ও ছবিতেও তার ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি। 

    এদিকে, গৃহকর্মীকে মারধরের ঘটনায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পরীমনির গ্রেফতারের দাবি জোরালো হচ্ছে। পুলিশের প্রাথমিক তদন্তে মারধরের সত্যতা মেলায় মামলার তালিকা দীর্ঘ হচ্ছে এই আলোচিত অভিনেত্রীর। 

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • মাদককাণ্ডে নাম আসা নিয়ে যা বললেন তানজিন তিশা

    ছোট পর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী তানজিন তিশা। এখন পর্যন্ত শতাধিক নাটকে অভিনয় করেছেন।অভিনয় দক্ষতায় দর্শকদের মনে জায়গা করে নেওয়া এই অভিনেত্রী সম্প্রতি মাদককাণ্ডে জড়ানোর অভিযোগে সমালোচনার মুখে পড়েন।তানজিন তিশাসহ চারজন অভিনেত্রীর নাম উঠে আসে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের বিশেষ অনুসন্ধানে, যা নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা করেছেন নেটিজেনরা।

    সমালোচনার মুখে সম্প্রতি কালচারাল জার্নালিস্টস ফোরাম অব বাংলাদেশের (সিজেএফবি) ২৩তম বিশেষ সম্মাননা পুরস্কার অনুষ্ঠানে ইঙ্গিতপূর্ণ মন্তব্য করেছেন তানজিন তিশা।

    তানজিন তিশার মাদক সম্পৃক্ততায় যুক্ত থাকার বিষয়ে নিউজ করায় সাংবাদিকদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘কিছু সাংবাদিক ভাইদের বলতে চাই, যে যাচাই-বাছাই না করে সত্য মিথ্যা না জেনে নিউজ করবেন না।’

    তিনি বলেন, ‘মাঝেমধ্যেই যখন একজন আর্টিস্টকে নিয়ে একটা লেখেন তখন আপনাদের একটা বার মাথায় আসে না যে, একজন শিল্পীর এটা পেশা কিন্তু তার পেছনে তার একটা ব্যক্তিগত জীবন আছে। যে ব্যক্তিগত জীবনে তার পরিবার আছে, তার সমাজ আছে, বাবা-মা আছে, ভাইবোন আছে।’

    অভিনেত্রী বলেন, ‘আসলে তাদের ওপরে কী যায় সেই ব্যাপারটা যদি আমরা একটা বার চিন্তা করি, তাহলে অনেক নেগেটিভ হেডলাইন, অনেক নেগেটিভ নিউজ, অনেক কিছু আমরা আসলে আটকাতে পারবো।’

    তিশা আরও বলেন, ‘একজন শিল্পী যখন নেতিবাচক শিরোনামের শিকার হন, তখন তার পরিবার ও সামাজিক জীবনে কী প্রভাব পড়ে, সেটা অনেকেই ভাবেন না। আমাদের উচিত এসবের প্রতি সংবেদনশীল হওয়া।’

    অনুষ্ঠানে পাওয়া সিজেএফবি অ্যাওয়ার্ডটি তানজিন তিশা তার প্রয়াত বাবাকে উৎসর্গ করেন। এ সময় আবেগতাড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘তিন বছর আগে আমি বাবাকে হারিয়েছি, এটা এখনও বিশ্বাস করতে খুব কষ্ট হয়। তবে এখন এটা শুনে শান্তি অনুভব করি এটা চিন্তা করে যে, বাবা হয়ত এখন বেঁচে থাকলে এ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের টক্সিক ব্যাপারগুলো দেখতে হতো। আমি আমার বাবাকে কখনও অ্যাওয়ার্ড উৎসর্গ করিনি। এই অ্যাওয়ার্ড বাবা তোমার জন্য।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • মাদক মামলায় তেলেগু অভিনেত্রী হেমা গ্রেফতার

    বেঙ্গালুরুর মাদক মামলায় তেলেগু সিনেমার জনপ্রিয় অভিনেত্রী হেমাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। সোমবার জিজ্ঞাসাবাদের পর তাকে গ্রেফতার করে ভারতের সেন্ট্রাল ক্রাইম ব্রাঞ্চ (সিসিবি)। 

    rnrn

    সেমাবার ভারতীয় গণমাধ্যম এনডিটিভি এমন প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। 
    rnএকটি সূত্রের বরাত দিয়ে সংবাদমাধ্যমটির প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, গত ১৯ মে অনুষ্ঠিত বেঙ্গালুরুর নিষিদ্ধ মাদক সেবন করার মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে হেমাকে। জন্মদিনের আড়ালে ওইদিন চলছিল মাদক সেবনের আসর। তাই সে পার্টিতে হেমাসহ যোগ দিতে শুরু করেন অন্ধ্রপ্রদেশ, তেলেঙ্গানা ও  বেঙ্গালুরুর আমন্ত্রিত অতিথিরা।

    rnrn

    এ ছাড়া এ পার্টিতে ১০৩ জন ব্যক্তি অংশগ্রহণ করেছিলেন। তাদের মধ্যে ৭৩ জন পুরুষ ও ৩০ জন নারী ছিলেন।
    rnগোপন সংবাদ পেয়ে এ পার্টিতে অভিযান চালায় সিসিবি। পার্টিতে যোগ দেওয়া অতিথিদের রক্তের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। হেমাসহ ৮৬ জনের রক্ত পরীক্ষার রিপোর্টে মাদক গ্রহণের তথ্য পাওয়া যায়। 

    rnrn

    পার্টিতে অভিযান চালিয়ে পুলিশ এমডিএমএ পিল, এমডিএমএ ক্রিস্টাল, হাইড্রো ক্যানাবিস (গাঁজা), কোকেন, হাই-এন্ড কারস, সাউন্ড এবং লাইটিংসহ ডিজে সরঞ্জাম জব্দ করে; যার মূল্য এক কোটি ৫০ লাখ রুপি।

    rnrn

    জানা গেছে, পরিচয় গোপন রাখতে বোরকা পরে হাজির হয়েছিলেন তিনি। কিন্তু জিজ্ঞাসাবাদে তার জবাব সন্তোষজনক না হওয়ায় তাকে গ্রেফতার করে সিসিবি।

    rnrn

    আশির দশকের শেষের দিকে চলচ্চিত্রে পা রাখেন হেমা। দীর্ঘ অভিনয় ক্যারিয়ারে আড়াই শতাধিক সিনেমায় অভিনয় করেছেন তিনি। কমেডিয়ান হিসেবেও খ্যাতি রয়েছে ৫৭ বছর বয়সি হেমার।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পরীমনির বিরুদ্ধে মাদক মামলার বিচার চলবে

    রাজধানীর বনানী থানায় চিত্রনায়িকা পরীমনির (শামসুন্নাহার স্মৃতি) বিরুদ্ধে দায়ের করা মাদক মামলা বাতিলের আবেদন পর্যবেক্ষণসহ নিষ্পত্তি করে দিয়েছেন হাইকোর্ট। ফলে তার বিরুদ্ধে মাদক মামলা চলবে বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা। 

    বৃহস্পতিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. আমিনুল ইসলামের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ রায় দেন।

    ২০২২ সালের ৫ জানুয়ারি ঢাকার বিশেষ জজ আদালত ১০-এর বিচারক নজরুল ইসলাম এ মামলায় তিনজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে আদেশ দেন। বিচার শুরু হওয়া অপর দুই আসামি হলেন পরীমনির সহযোগী আশরাফুল ইসলাম দিপু ও মো. কবীর হাওলাদার।

    চার্জ শুনানিকালে তিন আসামি আদালতে উপস্থিত হন। আসামিপক্ষে আইনজীবীরা অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। রাষ্ট্রপক্ষ থেকে আসামিদের বিরুদ্ধে চার্জগঠনের প্রার্থনা করা হয়।

    উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত অব্যাহতির আবেদন নাকচ করেন। এর পর আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ পড়ে শোনানো হয়। এর পর তাদের জিজ্ঞাসা করা হয়, তারা দোষী না নির্দোষ। এ সময় আসামিরা নিজেদের নির্দোষ দাবি করে ন্যায়বিচার চান। এর পর আদালত চার্জ গঠনের আদেশ দেন।

    পরে পরীমনি হাইকোর্টে মামলা বাতিলের আবেদন করেন। হাইকোর্ট একই সালের ১ মার্চ মামলার কার্যক্রমের ওপর স্থগিতাদেশ দিয়ে রুলসহ আদেশ দেন। রুলে এ মামলা কেন বাতিল করা হবে না তা জানতে চেয়েছেন হাইকোর্ট।

    এ রুলের ওপর গত বছরের ২৪ আগস্ট শুনানি শেষ হয়। আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী জেডআই খান পান্না, সৈয়দা নাসরিন ও মো. শাহীনুজ্জামান। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন সহকারী অ্যাটর্নি মো. সারওয়ার হোসেন বাপ্পি।

    ২০২১ সালের  ৪ আগস্ট বিকালে রাজধানীর বনানীর ১২ নম্বর সড়কে পরীমনির বাসায় অভিযান চালায় র্যাব। এ সময় ওই বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য জব্দ করা হয়। মাদকের মামলায় পরীমনির ৫ আগস্ট চার দিন ও ১০ আগস্ট দুদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। ১৩ আগস্ট রিমান্ড শেষে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

    এর পর ১৯ আগস্ট আরও একদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত। রিমান্ড শেষে গত ২১ আগস্ট আবার তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। একই বছরের ৩১ আগস্ট ঢাকা মহানগর দায়রা জজ কেএম ইমরুল কায়েশ তার জামিন মঞ্জুর করেন। পরের দিন তিনি কারামুক্ত হন।

    ২০২১ সালের ৪ অক্টোবর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা সিআইডি পুলিশের পরিদর্শক কাজী গোলাম মোস্তফা পরীমনিসহ তিনজনের বিরুদ্ধে চার্জশিট জমা দেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শিল্পী ঋতুরাজের বিরুদ্ধে মাদকের মামলায় অভিযোগপত্র

    কণ্ঠশিল্পী ঋতুরাজ বৈদ্যের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে করা মামলায় আদালতে অভিযোগপত্র দেওয়া হয়েছে। গত ১৭ এপ্রিল গুলশান-২ এর রূপায়ন টাওয়ারের সামনে থেকে মদ্যপ অবস্থায় তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

    সোমবার অভিযোগপত্র দেওয়ার বিষয়টি জানা গেছে। যদিও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা গুলশান থানার এসআই মো. এছকান্দার আলী সরদার গত ১২ জুন ঢাকার মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন। 

    অভিযোগপত্র জমা হওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আদালত পুলিশের কর্মকর্তা এসআই জালাল উদ্দিন।

    অভিযোগপত্রে বলা হয়, ওই দিন রাত ১০টার দিকে গুলশান-২ নাম্বারের রূপায়ন টাওয়ারের সামনে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মাহমুদুর রহমানের সরকারি গাড়ি ভাঙচুর করেন ঋতুরাজ। এ সময় গাড়িতে ছিলেন চালক অতুলচন্দ্র মণ্ডল।

    এতে আরও বলা হয়, ঋতুরাজ মদ্যপ অবস্থায় হেঁটে গাড়ির সামনে গিয়ে ফ্ল্যাগ স্ট্যান্ড, বাম পাশের লুকিং গ্লাস ও হেডলাইট ভেঙে ফেলেন। তখন তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে দেখা যায়, তিনি সম্পূর্ণ মদ্যপ অবস্থায় আছেন।

    পরে তাকে দ্রুত ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। জরুরি বিভাগে ভর্তি করলে চিকিৎসক প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে তাকে ওয়াশ করেন।
    ওই ঘটনায় গুলশান থানার এসআই হোসনে মোবারক বাদী হয়ে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা করেন।

    ১৮ এপ্রিল ঋতুরাজকে আদালতে হাজির করে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এছকান্দার আলী সরদার। পরে ঢাকা মহানগর হাকিম রাজেশ চৌধুরী তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। 

    গত ২৫ এপ্রিল এক হাজার টাকা মুচলেকায় জামিন পান ঋতুরাজ। কোক স্টুডিও বাংলায় ‘বুলবুলি’ গান গেয়ে জনপ্রিয়তা পান শিল্পী ঋতুরাজ বৈদ্য।

    যুগান্তর প্রতিবেদন

  • আরিয়ানকে না ফাঁসানোর জন্য শাহরুখের কাছে টাকা চাওয়ার বিষয়ে যা জানাল সিবিআই

    শাহরুখপুত্র আরিয়ানের বিরুদ্ধে বিদেশি মাদক পাচারকারীর সঙ্গে যোগাযোগ রাখাসহ বিপুল পরিমাণে মাদক কেনার অভিযোগ উঠেছিল। 

    ২০২১ সালের অক্টোবরে মুম্বাই উপকূলে এক প্রমোদতরী থেকে বলিউড সুপারস্টার শাহরুখ খানের ছেলে আরিয়ানকে মাদক মামলায় গ্রেফতার করেছিল নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো। 

    সেই সময় নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো তথা এনসিবির জোনাল হেড ছিলেন সমীর ওয়াংখেড়ে। তার নেতৃত্বেই প্রমোদতরীতে অভিযান চালিয়েছিল এনসিবি। 

    কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা বলছে, আরিয়ানকে ওই মাদকের ঘটনায় না ফাঁসানোর শর্তে শাহরখ খানের কাছে ২৫ কোটি টাকা হাতাতে চেয়েছিলেন এনসিবির সাক্ষীরা। পরে ১৮ কোটি টাকায় রফা হয়েছিল।

    জানা গেছে, সেই এনসিবির অভিযানে সাক্ষী হিসেবে গিয়েছিলেন কেপি গোসাভি। পরে গোসাভি ১৮ কোটি টাকার মধ্যে ৫০ লাখ টাকা ঘুস নিয়েছিলেন। পরবর্তীতে যদিও সেই টাকা ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছিল বলে জানাচ্ছে সিবিআই। 

    ২০২১ সালের ৩ অক্টোবরের অভিযানের পর এনসিবি দাবি করেছিল, ১৩ গ্রাম কোকেন, পাঁচ গ্রাম মেফেড্রোন, ২১ গ্রাম গাঁজা, ২২টি এমডিএমএ ট্যাবলেট বাজেয়াপ্ত করেছিল তারা। 

    আরিয়ান খান, আরবাজ খান এবং মুনমুন ধামেচাকে গ্রেফতার করেছিল পুলিশ। পরে এ মামলায় আরও ১৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। একটি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাটকে ভিত্তি করে এনসিবি অভিযোগ করেছিল, আরিয়ান খান বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশ।

    তবে পরবর্তীতে আদালতে এ অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে কোনো সঠিক তথ্যপ্রমাণ পেশ করতে পারেননি সমীর ওয়াংখেড়েরা। পরে বিশেষ তদন্তকারী দল গঠন করা হয়েছিল এ মামলায়। 

    ১৪ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট গঠন করা হলেও আরিয়ানকে ক্লিনচিট দেওয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল- আরিয়ানের কাছে কোনো মাদক পাওয়া যায়নি। এদিকে সমীর ওয়াংখেড়েকে চেন্নাইয়ের ট্যাক্সপেয়ার সার্ভিসে বদলি করে দেওয়া হয়।

    বিনোদন ডেস্ক

  • প্রতিদিন চার লাখ টাকার মাদক লাগে নোবেলের!

    ভারতের জি বাংলার ‘সারেগামাপা’ শোর মাধ্যমে খ্যাতি পান বাংলাদেশের গায়ক মাইনুল আহসান নোবেল। তবে বিভিন্ন সময় নানা মন্তব্য ও ঘটনার কারণে সমালোচিত হয়েছেন তিনি।

    rnrn

    সম্প্রতি এক কলেজের অনুষ্ঠানে ‘মদ্যপ’ অবস্থায় মঞ্চে ওঠাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় বিতর্ক। তারপর থেকেই একের পর এক বিতর্কে নাম উঠে এসেছে নোবেলের। 

    rnrn

    শ্রোতাদের সমালোচনা তো আছেই, পাশাপাশি গায়কের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন তার স্ত্রী সালসাবিলও। ইতোমধ্যেই নোবেলের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। 

    rnrn

    এবার তার বিরুদ্ধে আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন সালসাবিল। সালসাবেলের দাবি, প্রতি দিন নাকি চার লাখ টাকা মূল্যের মাদক লাগে নোবেলের।

    rnrn

    মাদকাসক্তি নিয়ে একাধিক অভিযোগ রয়েছে নোবেলের বিরুদ্ধে। এমনকি, সালসাবিলের বিবাহবিচ্ছেদের নেপথ্যেও রয়েছে সেই কারণই। কোনোভাবেই নেশা ছাড়তে রাজি নন তিনি, সাফ জানিয়েছেন নোবেল। এরপরেই নোবেলের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সালসাবিল। 

    rnrn

    সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তার দাবি, এক সময় নোবেল নামাজ পড়ত। মঞ্চে ওঠার আগেও নামাজ পড়া বাদ দিত না। ‘সারেগামাপা’তে সবাইকে বসিয়ে রেখে পর্যন্ত নামাজ পড়েছে।

    rnrn

    ওই সাক্ষাৎকারে সালসাবিল আরও বলেন, কীভাবে যে তার এত পরিবর্তন ঘটল! আমি নিশ্চিত, ওর কোনও শারীরিক সমস্যা হলে সাধারণ মানুষই ওর জন্য দোয়া করতেন। কিন্তু তার এই সমস্যা মানসিক, আর তার কারণ নেশা।

    rnrn

    এদিকে মাইনুল আহসান নোবেলকে ডিভোর্স দেওয়ার পর গুমের হুমকি দেওয়া হয়েছে তার সাবেক স্ত্রী সালসাবিল মাহমুদকে। 

    rnrn

    মাদকের বিষয় সামনে এনে ফেসবুকে দীর্ঘ এক স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন সালসাবিল। তিনি দাবি করেন, নোবেলের মাদকাসক্ত হওয়ার পেছনে অনেক ক্ষমতাবান মানুষের অবদান আছে।

    rnrn

    সেই স্ট্যাটাসের পরই সালসাবিলকে ‘গুমের হুমকি’ দেওয়া হয়। আর সেটি তিনি জানান ফেসবুকে। শুক্রবার ‘গুমের হুমকি’ পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন— ‘২৪ ঘণ্টা আর ক্ষমতাধর ড্রাগ মাফিয়াদের থেকে শখানেক কল; আমি নাকি কত বড় ভুল করে ফেলেছি আমি নিজেও জানি না। আমাকে গুম করা তাদের দুই মিনিটেরও বিষয় নয়। কোনো আইন তাদের কিছু করতে পারবে না। আইন তারা পকেটে রাখে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আমিরাতে কারাবাসের ভয়ংকর অভিজ্ঞতা জানালেন বলিউড অভিনেত্রী

    বোনের সঙ্গে ঝগড়ার সূত্র ধরে মাদক মামলায় ফাঁসানো হয় বলিউড অভিনেত্রী ক্রিসান পেরেইরাকে। প্রায় এক মাস মাদক মামলায় সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজায় কারাবাস করেন তিনি। 

    rnrn

    বুধবার বিকালে শারজার জেল থেকে ছাড়া পেয়েছেন অভিনেত্রী। ট্রফির মধ্যে চরস জাতীয় মাদকদ্রব্য বহন করে শারজার বিমানবন্দরে ধরা পড়েছিলেন তিনি। ১ এপ্রিল তাকে গ্রেফতার করা হয়। শারজার কারাবাসে প্রায় এক মাসের অভিজ্ঞতা জানালেন ক্রিসান।

    rnrn

    অভিনেত্রী বলেন, 'পোশাক ধোওয়ার সাবান দিয়ে শ্যাম্পু করেছি, বাথরুমের জল দিয়ে কফি তৈরি করেছি। আর যে কী কী পরিস্থিতির সম্মুখীন হতে হলো তা কল্পনাও করতে পারবেন না।’

    rnrn

    এরই সঙ্গে অভিনেত্রী তার পরিস্থিতি বর্ণনা করতে গিয়ে বলেন, ‘হিন্দি সিনেমা দেখতে দেখতে কখনো চোখ দিয়ে জল গড়িয়ে পড়েছে। উপলব্ধি করেছি— উচ্চাকাঙ্ক্ষার জন্যই আমার এ পরিস্থিতি। আমাদের সংস্কৃতি আর চেনামুখগুলো দেখে মাঝে মাঝে একাই হেসে উঠতাম। এই ইন্ডাস্ট্রির অংশ হতে পেরে আমি খুবই গর্বিত।’

    rnrn

    ক্রিসান যে নির্দোষ সে কথা বিশ্বাস করেছেন তার আত্মীয়স্বজন, পুলিশ এবং অন্যরা। তাই সবাইকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন অভিনেত্রী। 

    rnrn

    ক্রিসান বলেন, 'যারা আমার জন্য টুইট করেছেন, আমার পাশে দাঁড়িয়েছেন, তাদের কাছে আমি সারাজীবন কৃতজ্ঞ থাকব। আমায় একটা নোংরা খেলায় ফাঁসানো হয়েছে।'

    rnrn

    ক্রিসানকে মাদকচক্রে ফাঁসানোর অপরাধে গ্রেফতার হয়েছেন মুম্বাইয়ের বাসিন্দা অ্যান্থনি পল (৩৫) এবং তার সহকারী রাজেশ বাভোটে (৩৫)। পল মালাড এলাকায় একটি বেকারির দোকান চালান। 

    rnrn

    ঘটনার সূত্রপাত বছর কয়েক আগে, কোভিড মহামারির সময়। একই ভবনে থাকতেন ক্রিসান পেরেইরার মা প্রমীলা পেরেইরা ও অ্যান্থনি পলের বোন। একবার অ্যান্থনি পলের বোনের সঙ্গে পোষা কুকুর নিয়ে ঝগড়া হয় ক্রিসানের মা প্রমীলার। এর পরই প্রতিশোধ নেওয়ার পরিকল্পনা করেন অ্যান্থনি। মাদক দিয়ে ফাঁসিয়ে দেন প্রমীলার মেয়ে ‘সড়ক টু’ অভিনেত্রী ক্রিসানকে। এই মাদক মামলায় এক মাস সংযুক্ত আরব আমিরাতের শারজায় আটক ছিলেন ভারতীয় এ অভিনেত্রী।

    বিনোদন ডেস্ক