Home / Entertainment / প্রতিদিন চার লাখ টাকার মাদক লাগে নোবেলের!

প্রতিদিন চার লাখ টাকার মাদক লাগে নোবেলের!

ভারতের জি বাংলার ‘সারেগামাপা’ শোর মাধ্যমে খ্যাতি পান বাংলাদেশের গায়ক মাইনুল আহসান নোবেল। তবে বিভিন্ন সময় নানা মন্তব্য ও ঘটনার কারণে সমালোচিত হয়েছেন তিনি।

rnrn

সম্প্রতি এক কলেজের অনুষ্ঠানে ‘মদ্যপ’ অবস্থায় মঞ্চে ওঠাকে কেন্দ্র করে শুরু হয় বিতর্ক। তারপর থেকেই একের পর এক বিতর্কে নাম উঠে এসেছে নোবেলের। 

rnrn

শ্রোতাদের সমালোচনা তো আছেই, পাশাপাশি গায়কের বিরুদ্ধে মুখ খুলেছেন তার স্ত্রী সালসাবিলও। ইতোমধ্যেই নোবেলের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন তিনি। 

rnrn

এবার তার বিরুদ্ধে আরও চাঞ্চল্যকর অভিযোগ তুললেন সালসাবিল। সালসাবেলের দাবি, প্রতি দিন নাকি চার লাখ টাকা মূল্যের মাদক লাগে নোবেলের।

rnrn

মাদকাসক্তি নিয়ে একাধিক অভিযোগ রয়েছে নোবেলের বিরুদ্ধে। এমনকি, সালসাবিলের বিবাহবিচ্ছেদের নেপথ্যেও রয়েছে সেই কারণই। কোনোভাবেই নেশা ছাড়তে রাজি নন তিনি, সাফ জানিয়েছেন নোবেল। এরপরেই নোবেলের সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন সালসাবিল। 

rnrn

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে তার দাবি, এক সময় নোবেল নামাজ পড়ত। মঞ্চে ওঠার আগেও নামাজ পড়া বাদ দিত না। ‘সারেগামাপা’তে সবাইকে বসিয়ে রেখে পর্যন্ত নামাজ পড়েছে।

rnrn

ওই সাক্ষাৎকারে সালসাবিল আরও বলেন, কীভাবে যে তার এত পরিবর্তন ঘটল! আমি নিশ্চিত, ওর কোনও শারীরিক সমস্যা হলে সাধারণ মানুষই ওর জন্য দোয়া করতেন। কিন্তু তার এই সমস্যা মানসিক, আর তার কারণ নেশা।

rnrn

এদিকে মাইনুল আহসান নোবেলকে ডিভোর্স দেওয়ার পর গুমের হুমকি দেওয়া হয়েছে তার সাবেক স্ত্রী সালসাবিল মাহমুদকে। 

rnrn

মাদকের বিষয় সামনে এনে ফেসবুকে দীর্ঘ এক স্ট্যাটাস দিয়েছিলেন সালসাবিল। তিনি দাবি করেন, নোবেলের মাদকাসক্ত হওয়ার পেছনে অনেক ক্ষমতাবান মানুষের অবদান আছে।

rnrn

সেই স্ট্যাটাসের পরই সালসাবিলকে ‘গুমের হুমকি’ দেওয়া হয়। আর সেটি তিনি জানান ফেসবুকে। শুক্রবার ‘গুমের হুমকি’ পাওয়ার বিষয়টি উল্লেখ করে তিনি লিখেছেন— ‘২৪ ঘণ্টা আর ক্ষমতাধর ড্রাগ মাফিয়াদের থেকে শখানেক কল; আমি নাকি কত বড় ভুল করে ফেলেছি আমি নিজেও জানি না। আমাকে গুম করা তাদের দুই মিনিটেরও বিষয় নয়। কোনো আইন তাদের কিছু করতে পারবে না। আইন তারা পকেটে রাখে।

বিনোদন ডেস্ক

Tagged:

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *