Tag: মডেল

  • ‘সোনার বাংলাদেশ, আমরা তোমাদের ভুলব না’

    মডেল-অভিনেত্রী জেসিয়া ইসলাম কম্বোডিয়ায় মিস গ্র্যান্ড ইন্টারন্যাশনাল প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছেন। বাংলাদেশি এই মডেলের পোশাকে এবার উঠে এল ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান। 

    নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছবি পোস্ট করে খবরটি নিজেই জানিয়েছেন জেসিয়া।

    ১ অক্টোবর এই প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে কম্বোডিয়া যান জেসিয়া। তিনি জানান, এই আয়োজনের জন্য দুই মাস আগে থেকে পরিকল্পনা করেন।

    কম্বোডিয়া যাওয়ার পর থেকেই নিজের ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে ছবি ও ভিডিও অনুরাগীদের সঙ্গে ভাগাভাগি করে নিয়েছেন জেসিয়া।

    এবার তার পোশাকে উঠে এল ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান। ‘সোনার বাংলাদেশ, আমরা তোমাদের ভুলব না’—এমন ক্যাপশন দিয়ে তার পোশাকে ব্যবহৃত হ্যাশট্যাগগুলো তুলে ধরেছেন।

    জেসিয়া জানান, তিনি ‘কোটা আন্দোলন’, ‘মুক্তি’, ‘ছাত্র জনতা’, ‘মুক্ত বাংলা’, ‘কোটা বাতিল’, ‘সমান অধিকার’ ইত্যাদি হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করেছেন। তার পোস্টের নিচে মন্তব্যের ঘরে প্রশংসা করেছেন অনেক অনুরাগী।

    এর আগে এই প্রতিযোগিতা নিয়ে জেসিয়া বলেছিলেন, ‘এটি আমার তৃতীয় আন্তর্জাতিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ। এর আগে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে ভিয়েতনামে ‘মিস চার্ম’ প্রতিযোগিতায় অংশ নিয়েছিলাম। এ ধরনের আয়োজনে অংশ নেওয়ার প্রধান উদ্দেশ্য হলো, আমার বাংলাদেশকে সুন্দরভাবে উপস্থাপন করা। আমার অংশগ্রহণের মাধ্যমে বাংলাদেশের নামটাই উচ্চারিত হয়। সবাই যেন বাংলাদেশকে মনে রাখে, এটাই স্বপ্ন।’

    এদিকে ২৫ অক্টোবর শেষ হওয়া এই প্রতিযোগিতায় গ্র্যান্ড ফিনালেতে বিজয়ী হয়েছেন ভারতের মডেল র্যাচেল রুপ্তা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • আসিফের গানে মডেল শিরিন শিলা

    আসিফ আকবরের গানে মডেল হলেন চিত্রনায়িকা শিরিন শিলা। শিলার বিপরীতে রয়েছেন অমিত হাসান। 

    নতুন গানের শিরোনাম ‘আমার হবি তুই’। কথা ও সুরে বাহাউদ্দীন রিমন এবং সংগীত আয়োজন করেছেন জাবেদ আহমেদ কিসলু। সিনেমাটোগ্রাফিতে ইয়াসিন বিন আরিয়ান এবং কোরিওগ্রাফার রোহান বেলাল। ভিডিও পরিচালনা করেছেন সামছুল হুদা।

    শুক্রবার রাজধানীর অদূরে পুবাইলে গানটির ভিডিও ধারণ করা হয়েছে। শিগগিরই দর্শকের সামনে গানচিত্রটি আনা হবে বলে জানালেন পরিচালক।

    নতুন এই মিউজিক ভিডিও নিয়ে শিরিন শিলা বলেন, ‘সদ্যই আমার বিয়ে হয়েছে। তাই কিছুটা সময় ছুটির মেজাজে কাটাতে চেয়েছিলাম। আসিফ আকবর ভাইয়ের গানের ভিডিওর মডেল হওয়ার অফার দিলে না করতে পারিনি। গানটি শুনেই আমার ভালো লেগে যায়। আমাদের আগের গানটি দর্শকপ্রিয়তা পেয়েছিল। এ গানটি দর্শক পছন্দ করবে আশা করি। আর আসিফ ভাই আমার খুব প্রিয় একজন শিল্পী, তার গানে কাজ করতে পারাটা আনন্দের।’

    গত ১০ অক্টোবর ছয় বছরের প্রেমের পর বিয়ে করেছেন শিরিন শিলা। তার বরের নাম আবিদুল মোহাইমিন সাজিল। পেশায় তিনি একজন ফার্মাসিস্ট।

    বিনোদন ডেস্ক

  • টয়ার নজরকাড়া লুকে মুগ্ধ নেটিজেনরা

    বিনোদন জগতের ছোটপর্দার জনপ্রিয় অভিনেত্রী ও মডেল মুমতাহিনা চৌধুরী টয়া। নাচের মাধ্যমে এ জগতে প্রবেশ করলেও অভিনয়ের মাধ্যমে পরিচিতি পান তিনি। বিজ্ঞাপন ও নাটকে কাজ করে অল্প সময়ের মধ্যেই দর্শকদের মনে জায়গা করে নেন টয়া।

    এ ছাড়া বিনোদন জগতে কাজের পাশাপাশি ঘোরাঘুরি করতেও বেশ পছন্দ করেন এ মডেল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে চোখ রাখলেই তার আঁচ পাওয়া যায়। এবার অভিনেত্রীর নজরকাড়া লুকে মুগ্ধ হয়েছেন নেটিজেনরা। গতকাল শুক্রবার (১৮ অক্টোবর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুকে সি বিচের কয়েকটি ছবি শেয়ার করেছেন টয়া। সেখানে নজরকাড়া লুকে ধরা দিয়েছেন এ অভিনেত্রী। ক্যাপশনে টয়া লিখেছেন— অন্য সৈকত অবকাশ উদ্ভাসিত।

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের পোস্ট করা ছবিতে দেখা যায়, অভিনেত্রী টয়ার পরনে রয়েছে সাদা ও নীলের কম্বিনেশনের ফ্লোরাল প্রিন্টের একটি গাউন। সৈকতে খোলা চুলে বেশ খোশ মেজাজেই ক্যামেরায় ধরা দিয়েছেন তিনি। টয়ার এমন রূপ ঝড় তুলেছে ভক্তদের হৃদয়ে।

    এ ছবিগুলো পোস্ট করা মাত্রই অভিনেত্রীর কমেন্ট বক্সে মন্তব্যের বন্যা বয়ে গেছে নেটিজেনদের। এক নেটিজেন লিখেছেন— আমার সব সময়ই প্রিয় টয়া। আরেক নেটিজেন লিখেছেন— তোমাকে দেখতে অনেক বেশি সুন্দর লাগছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শাকিবকে চান শখ

    আনিকা কবির শখ বিজ্ঞাপনের মডেল হয়ে তারকা বনে যান। পরবর্তীতে নাটকে নিয়মিত হন তিনি। ‘বলো না তুমি আমার’ ও ‘অল্প অল্প প্রেমের গল্প’ নামে দুটি সিনেমাতেও দেখা যায় তাকে। তবে চলচ্চিত্রে নিয়মিত হননি এই সুন্দরী।

    বিয়ে ও সন্তানের জন্মের পর মিডিয়া থেকে দূরে সরে যান শখ। ফিরেছেন নাটকে অভিনয়ের মাধ্যমে। আবারও শোবিজে তার ব্যস্ততা বেড়েছে।

    গত মাসে ‘অদ্ভুত পরিবার’ নামে এক ধারাবাহিকে কাজ শেষ করেছেন এই অভিনেত্রী।

    এদিকে সিনেমা করলে নায়ক হিসাবে কাকে চান এমন প্রশ্নে শখ বলেন, সিনেমার জন্য অবশ্যই নায়ক হিসেবে শাকিব খানকেই চাই। কারণ শাকিব ভাই সুপারস্টার। তার সঙ্গে আমার একবার পর্দা ভাগাভাগি হয়েছে, দর্শকরা অনেক পছন্দও করেছে, মনে হয় এবারও পছন্দ করবে, অন্য আঙ্গিকে। একজন শিল্পী হিসেবে বলব, আমি সবার সঙ্গেই কাজ করতে চাই।

    এছাড়া নাটকের জুটি প্রসঙ্গে শখের ভাষ্য, মিডিয়াতে এখন সিন্ডিকেট বলতে ব্যাপার আছে। সে জায়গা থেকে আমাকে যদি কেউ জিজ্ঞাসা করে, আমি কেমন সমস্যার সম্মুখীন হই, আমি বলব যে আমি কোনো সমস্যা ফেস করি না। সিন্ডিকেটের কথাটি আমি এ জন্যই তুলছি, সব শিল্পীরা এখন জোড়ায় জোড়ায় কাজ করছে। তাতে অনেক সময় দর্শকরা কনফিউজড হয়ে যায়। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • গভীর রাতে শাড়ি চেঞ্জের সময় একজন রুমে ঢুকে পড়ে: মৌসুমী

    বর্তমান সময়ের ছোট পর্দার দর্শকপ্রিয় অভিনেত্রী সাদিয়া আয়মান। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপ্রীতিকর ঘটনার মুখে পড়েছেন তিনি। তার ঘটনাকে অনুসরণ করে মডেল ও অভিনেত্রী মৌসুমী হামিদ সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে দীর্ঘ এক পোস্ট দিয়েছেন।  যেখানে তার সঙ্গে শুটিং সেটে ঘটে যাওয়া এক অপ্রীতিকর ঘটনার কথা তুলে ধরেছেন।  তিনি জানিয়েছেন, গভীর রাতে শাড়ি চেঞ্জের সময় একজন রুমে ঢুকে পড়ে।  

    অভিনেত্রীর ফেসবুক পোস্টটি পাঠকদের জন্য হুবুহু তুলে ধরা হলো- 

    ‘সুটিং এ একটা ঘটনা শেয়ার করি, প্রায় ৩ বছর আগের কথা পুবাইল সুটিং করছি। বেশ রাত হয়েছে কিন্তু অনেক কাজ বাকি। সাধারণত আমরা যখন শুটিং করি বিশেষ করে আউটডোর, তখন কাজের চাপ থাকে বেশি এবং শুটিং লোকেশন এবং মেকাপ রুম বা চেঞ্জ রুম বেশ দুরে হয়। বারবার দৌড়াদৌড়ি করে কাপড় পাল্টাতে বেশ কষ্ট হয় এবং সময় ও বেশি লাগে। রাত ১২.৩০ প্রায়। আমি যেখানে শুটিং করছিলাম তার পাশেই একটা মাটির ঘর ছিল যে ঘরে লাইটের কিছু জিনিস পত্র রাখা ছিল। 

    পরিচালক আমাকে খুব করে অনুরোধ করলেন বারবার মেকাপ রুমে যেয়ে চেঞ্জ করতে যেই সময় লাগছে সেই সময়টাও নেই , উনি বললেন আমি যদি অনুমতি দেই উনি আমার কাপড়ের ব্যাগটা ঐ মাটির ঘরে আনার ব্যবস্থা করবেন ওখানেই চেঞ্জ করতে পারব কিনা। আমি বললাম ঠিক আছে। যদিও সেই ঘরটা মোটেও আরামদায়ক বা সেইফ নয়। তার উপর দেখি ছিটকানি ও নাই দরজায়। আমি বললাম তাহলে কীভাবে হবে?

    তখন ক্যামেরায় যিনি ছিলেন উনাকে আমি মামা ডাকতাম উনি বললেন মামু তুমি টেনশন নিও না আমি আছি বাইরে পাহারা দিচ্ছি। আমি ওনার কথা বিশ্বাস করে ঐ মাটির ঘরে ঢুকি। সব জানলা বন্ধ করে দেই এবং দরজা চাপিয়ে দেই। আমি নিজেও শুনতে পাচ্ছিলাম ওনারা বাইরেই আছে কথাবার্তা বলছে। পরিচালক তখন সেটে বা অন্য কোথাও। 

    শাড়িটা পরা শুরু করি নাই তখনো। কি যেন মনে করে শাড়িটার ভাঁজ খুলে আমি পুরো শাড়িটা ওড়নার মত কাঁধের উপর রেখে দেই এবং ঠিক তখনি লাইটের একটা ছেলে হুড়মুড় করে ঘরে ঢুকে পড়ে। আমি চিৎকার দিয়ে উঠি ‘এই চেঞ্জ করি’ খুবি অস্বস্তি কর অবস্থা। ছেলেটা প্রচণ্ড ভয় পেয়ে বের হয়ে গেল। সরি আপু আমি জানতাম না আপনি ছিলেন। 

    তখন প্রচণ্ড রাগ হল মামার উপর। চিৎকার দিলাম একটা, আমি শুধুমাত্র সহযোগিতা করার জন্য এমন একটা জায়গায় কাপড় পাল্টাতে রাজি হলাম কারণ আমাকে কথা দেওয়া হয়েছিল বাহিরে একজন দায়িত্ব নিয়ে পাহারা দিবে। কিন্তু ছেলেটা উঠান পার হয়ে ঘরে ঢুকে গেল কেউ ওরে বলল না যে ঘরে আমি আছি। 

    আমি যখন ঘরের ভিতর থেকেই চিৎকার করছি ইউনিটের উপর তাদের দায়িত্বহীনতা নিয়ে তখন সেই মামা (চিত্রগ্রাহক) বিরক্তি নিয়ে বলে উঠলেন ‘আরে বাদ দে তো ও তো ঢুকেই বের হইয়া আসছে এইটুকু সময় আর কি দেখছে।’ ঐ ছেলেটাকে উদ্দেশ্য করে বললো ‘ঐ তুই কিছু দেখছোস?’ বলে অসভ্যর মত হাসতে লাগলো। ছেলেটা কোন উত্তর দিল না। 

    আমার শরীরের যতখানি অংশ দেখা গেছে সেটা তেমন কোন বিষয়ই না আমি নাকি ওভার রিয়্যাক্ট করছি। এইকথা শোনার পর আমি বের হয়ে জীবনের সর্বোচ্চ রিয়্যাক্ট সেদিন করেছি সেটে। আমার কলিগের কাছে আমার ‘সম্ভ্রম’ এতটা তুচ্ছ? পরিবার ছেড়ে দিনের বেশিরভাগ সময় যাদের সাথে কাজ করি তারা এইভাবে তাদের দায়িত্বহীনতা জাস্টিফাই করবে ? 

    সেটের বেশিরভাগ মানুষের কাছে মনে হয়েছে, দায়িত্ব নেওয়ার পরও নির্লজ্জের মত ওনার ঐ খ্যাঁক খ্যাঁক হাসায় আমি যে রিঅ্যাকশন দিয়েছি সেটা বেশি বেশি ছিল। সবাই তার অ্যাকশন কেই জাস্টিফাই করে গেল। কিন্তু পরিচালক আমার চিৎকার শুনে সেখানে এসে পুরো ঘটনা শুনে ঐ চিত্রগ্রাহকে সেট থেকে বের করে দেন। এবং উনি নিজেও ভুল বুঝতে পেরে সরি বলেন। 

    আমি পুরো ঘটনা ওনাকে বলে ওনার কাছে জানতে চেয়েছিলাম, ‘তোমার পরিবারের কোন মেয়ে এমন অবস্থায় পড়লে দায়িত্বরত মানুষটা দায়িত্ব পালন না করে উল্টা যদি এমন করে রসায় রসায় হাসত, তারপর প্রচণ্ড অপমান বোধে যদি তোমার নিজের মেয়ে বা বোন বা তোমার বউ যদি রিয়্যাক্ট করত তুমি কি বলতা তোমার মেয়েকে, মামনি ওভার রিয়্যাক্ট করতেছো কেন ? আমি বেশি অবাক হয়েছিলাম সেটে ঐদিন ঐ চিত্রগ্রাহকের দায়িত্বহীনতা ও অসভ্যতা কে যারা জাস্টিফাই করছিলেন তাদের উপর।  

    এবং আবারো অবাক হয়েছি যারা আয়মান সাদিয়ার ভিডিও দেখে পোস্ট করেছেন ‘ভিডিওতে তো তেমন কিছুই দেখা যায় নাই’ তাদের উপর । যিনি ভিডিওটি পোস্ট করেছেন তার জন্যে আমার কিছুই বলার নাই। উনি ভিডিও ডিলিটও করেছেন। আমি সাধুবাদ জানাই কিন্তু সর্বনাশ যা হওয়ার তো হয়ে গেছে। ভিডিও বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে গেছে এবং মানুষের ট্রলিং। কারণ আমি ওনাকে যতটুকু চিনি উনি একদমই ক্ষতিকারক মানুষ নন। 

    বেশ বন্ধু সুলভ হাস্যোজ্জ্বল এবং প্রচণ্ড পরোপকারী মানুষ। আমি বিশ্বাস করতে চাই না উনি উদ্দেশ্য প্রণোদিত হয়ে এমন কাজটা করেছেন। লুকিয়ে বা গোপন ক্যামেরায় তো নয়ই। বরং উনি অনুতপ্তই হয়েছেন বলে আমি মনে করি। কিন্তু যারা বলছেন ‘এই ভিডিওতে তেমন কিছুই দেখা যায় নাই তাদের জন্য প্রশ্ন আছে, এই তেমন কিছুই না দেখা ভিডিওটির কারণে যে পরিমাণ নোংরা, অসভ্যতা, বুলিং, বডি সেইম, রেইপ থ্রেট মেয়েটাকে সহ্য করতে হয়েছে বা এখনো হচ্ছে সেটা যদি আপনার পরিবারের কোন মেয়েকে সহ্য করতে হয়, আপনি সেটা দেখার জন্য প্রস্তুত আছেন তো?’

    বিনোদন ডেস্ক

  • কোটি টাকা দেনমোহরে বিয়ে করলেন সানাই, পাত্র কে?

    মডেল ও অভিনেত্রী সানাই মাহবুব আবারও বিয়ের পিড়িতে বসেছেন। রোববার পারিবারিকভাবে তার বিবাহ সম্পন্ন হয়েছে। 

    পাত্র সোহেল এফ খান (৪৫) সুইডেন প্রবাসী ব্যবসায়ী। তাদের বিয়ের দেনমোহরের অঙ্ককে বলা চলে রেকর্ড।

    সোমবার গণমাধ্যমকে বিয়ের খবর নিশ্চিত করেছেন সানাই নিজেই। বিয়ের প্রমাণ হিসেবে ছবি চাইলে অবশ্য তিনি সেসব দেখাতে রাজি হননি। 

    তবে শিগগির লাইভে এসে বিয়ের ব্যাপারে সবাইকে জানাবেন বলে নিশ্চিত করেন। তার বিয়ের দেনমোহর ছিল ১ কোটি ১ লাখ ১ টাকা।

    এত টাকা দেনমোহরের কত টাকা উসুল? জানতে চাইলে সানাই বলেন, ‘এক টাকাও উসুল করা হয়নি। পুরোটাই বাকি।’ 

    পাত্র সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন, সোহেলের বাড়ি কুমিল্লা। এক বছর হলো আমাদের পরিচয়। যদিও একে প্রেম বলা যাবে না। পরিচয়ের পর আমাদের মধ্যে একটা ভালো বোঝাপড়া, একটা বন্ধুত্ব তৈরি হয়েছে। নিয়মিত যোগাযোগ এবং দেখা হতো। একপর্যায়ে আমরা বিয়ের সিদ্ধান্ত নিই। দুপরিবারের উপস্থিতিতে ঘরোয়াভাবে আমাদের বিয়ে হয়েছে। সবাই আমাদের জন্য দোয়া করবেন।

    এর আগে ২০২২ সালের ২৭ মার্চ আবু সালেহ মুসা নামে এক ব্যাংকারকে বিয়ে করেছিলেন আলোচিত এই মডেল-অভিনেত্রী। তবে সেই সংসার বেশিদিন টেকেনি। এক বছরের মাথায় তাদের বিচ্ছেদ হয়ে যায়। এরপর সানাই চাকরিতে মন দেন। অনেক দিন ধরেই বিনোদন অঙ্গনে তিনি অনিয়মিত।

    ব্যক্তিগত ছবি ও ভিডিও প্রকাশের মাধ্যমে আলোচনায় আসা এ মডেল ২০১৮ সালে ব্রেস্ট ইমপ্ল্যান্ট করে আলোচিত হন। এরপর ২০১৯ সালে এক মন্ত্রীকে বিয়ের ঘোষণা দিয়ে ফের আলোচনায় আসেন। 

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিয়ের দুদিনের মাথায় মনোবিদের কাছে ছুটেছিলেন ফারহান-শিবানী

    টানা তিন বছর প্রেম করার পর ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন বলিউড অভিনেতা ফারহান আখতার ও গায়িকা-মডেল শিবানী দন্ডেকর। কিন্তু বিয়ের দুদিন পরেই মনোবিদের কাছে ছুটতে হয় এ তারকা দম্পতিকে। কী এমন হয়েছিল তাদের সংসারে?

    আনন্দবাজার প্রতিবেদন সূত্রে জানা যায়, বলিউডের ‘পাওয়ার কাপল’ ফারহান আখতার ও শিবানী দন্ডেকর। দীর্ঘ তিন বছর সম্পর্কে থাকার ২০২২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে গাঁটছড়া বেঁধেছিলেন তারা। কিন্তু বিয়ের দদিন পরেই মনোবিদের কাছে ছুটতে হয় এ তারকা দম্পতিকে। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে নেপথ্য ঘটনা প্রকাশ্যে আনেন ফারহান ও শিবানী।

    বাগদান পর্ব সারার পর থেকেই মনোবিদের কাছে যাওয়া শুরু করেন তারা। শিবানী বলেন, বাগদান সারার ছয় মাস পর থেকেই তারা ‘কাপল্স থেরাপি’ নেওয়া শুরু করেন মনোবিদের কাছ থেকে। শিবানী বলেন, আমরা পরস্পরকে জোর করিনি। বিষয়টি বেশ আধুনিক মনে হয়েছিল। কোনো এক সোমবার আমাদের বিয়ে হয়েছিল। আর তার দুদিন পরেই মনোবিদের সঙ্গে আমরা দেখা করি।

    হাসতে হাসতে সেই ঘটনায় ফারহানপত্নী বলেন, আমাদের দেখে মনোবিদ অবাক হয়ে গিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন— ‘আরে তোমরা তো সদ্য বিয়ে করেছ। ২৪ ঘণ্টা আগেই তো তোমাদের বিয়ে হয়েছে।’

    শরীরচর্চা কেন্দ্রে যাওয়ার মতোই মনোবিদের কাছে যাওয়া প্রয়োজনীয় বলে মনে করেন শিবানী। পেশায় গায়িকা তথা মডেল এ বিষয়ে বলেন, বিষয়টা শরীরচর্চা কেন্দ্রে যাওয়ার মতোই। মন ভালো রাখার জন্য চেষ্টা চালিয়ে যেতে হবে। এমনও হয়েছে— মনোবিদের কাছে গিয়ে কিছুই বলিনি। সবাই চুপচাপ বসে থেকেছি পরস্পরের দিকে তাকিয়ে। আবার এমনও হয়েছে, মনোবিদের কাছে গিয়ে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে গেছে। কিন্তু কথা শেষ হয়নি। সব রকমের অভিজ্ঞতাই হয়েছে।

    প্রতিটি দাম্পত্যে বিভিন্ন বিষয়ে কলহ লেগেই থাকে। ব্যতিক্রমী নন ফারহান ও শিবানীও। নিজেদের মধ্যে ঝগড়া হলে কী করেন, তা-ও জানিয়েছেন শিবানী। তার কথায়— কোনো বিষয়ে কথা কাটাকাটি হলে আমরা মনোবিদের কাছে যাওয়ার অপেক্ষা করি। যদিও আমি চাই, তখনই বিষয়টাকে যেভাবে হোক নিজেরা কথা বলে মিটিয়ে নিতে। কিন্তু ফারহান বলেন, একটু অপেক্ষা করে যাও। পরের দিন মনোবিদের কাছে গিয়ে আমরা এ বিষয়ে আলোচনা করব।

    উল্লেখ্য, আগামীতে ফারহানকে দেখা যাবে ‘১২০ বাহাদুর’ ছবিতে। এ ছাড়া তিনি ‘ডন ৩’ ছবির পরিচালনা করছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘প্রেম হচ্ছে বিশাল অনুপ্রেরণা’

    মডেল ও অভিনয়শিল্পী রুকাইয়া জাহান চমক কয়েকমাস আগে হঠাৎ বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আনেন। বিয়ের খবর প্রকাশিত হতে না হতে চমক ও তার স্বামী আজমান নাসিরকে নিয়ে চর্চা হতে থাকে। এর মধ্যে কেউ কেউ বলেন, নাসিরের এটি তৃতীয় বিয়ে আর চমকের দ্বিতীয়। 

    rnrn

    বিয়ে প্রসঙ্গে নাসির তার অবস্থান আগে পরিষ্কার করলেও এত দিন কিছুই বলেননি চমক। 

    rnrn

    মঙ্গলবার কথা প্রসঙ্গে চমক বললেন, সবাই এত কিছু লিখছিল, এটা আমার মোটেও পছন্দ হচ্ছিল না।  এটা তো আমার একান্ত ব্যক্তিগত।

    rnrn

    তিন মাস আগেও বিয়ের খবর নিজে থেকে কাউকে জানাতে চাননি চমক। যখন খবরটি ছড়িয়ে পড়ে, তখন স্বামীকে নিয়ে কথা বলেন চমক। 

    rnrn

    তখন তিনি বলেছিলেন, মানুষটার সম্পদ বলতে কিছুই নেই, অতীতও খুব একটা মধুর নয়! কিন্তু রাজার মতো একটা মন আছে, যেখানে সে আমাকে রানির মতো রেখেছে। আমি সুখী। এ মুহূর্তে আমার মতো সুখী কজন আছে জানি না। আবার এই সুখ কত দিন টিকবে তাও জানি না।

    rnrn

    চমক বললেন, আমরা একসঙ্গে আছি। আমার কিন্তু আগে কোনো বিয়ে হয়নি, তারপরও এটা নিয়ে কথা হচ্ছিল শুধু শুধু। এটা ঠিক, আমার একটা সিরিয়াস প্রেম ছিল। এরপর আরও দুই–তিনটা প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়েছি।

    rnrn

    চমকের অভিনয়জীবন চার বছর হতে চলেছে। নাটক, বিজ্ঞাপনচিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি একটি চলচ্চিত্রও বানিয়েছেন। প্রেমকে কাজের অনুপ্রেরণা হিসেবে মনে করেন চমক। 

    rnrn

    তিনি বললেন, আমরা শিল্পী, জীবনে দুই–তিনটা প্রেম থাকবে না, এটা হতেই পারে না। প্রেম হচ্ছে বিশাল অনুপ্রেরণা। প্রেম থেকে আমরা শিখি, প্রেমে কষ্ট পেলে সেখান থেকেও শিখি, আরও আসে অনুপ্রেরণা। আমার যদি কাউকে ভালো লাগে, তিনি যদি ক্রিমিনালও হন, তার খারাপ দিকটা ঠিক করে প্রেমের সম্পর্কে থাকতে পেরে ভালো লাগে।

    rnrn

    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • হংকংয়ের জনপ্রিয় মডেল ব্যাংককে খুন

    থাইল্যান্ডের ব্যাংককে নিজ বাসায় খুন হয়েছেন হংকংয়ের জনপ্রিয় মডেল গোয়েন্ডলিন ক্রেটন। গত ১৮ জুলাই ছুরিকাঘাতে হত্যা করা হয় ২৪ বছর বয়সি এই মডেলকে। খবর ব্যাংকক পোস্টের।

    rnrn

    এ প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ক্রেটনকে নয়বার ছুরিকাঘাত করা হয়েছে। এ হত্যাকাণ্ডে পুলিশের সন্দেহ তিনজনের দিকে। তার মধ্যে একজন ক্রেটনের স্বামী। বাকি দুইজন প্রতিবেশি, যারা ক্রেটনের স্বামীর চিৎকার শুনে ছুটে যান। পরে তারা ক্রেটনকে হাসপাতালে নিয়ে যান। হাসপাতালে যাওয়ার পর ক্রেটনের স্বামী অসংলগ্ন আচরণ করতে থাকেন।

    rnrn

    পুলিশকে তিনি জানান, ক্রেটন মানসিক অবসাদে ভুগছিলেন এবং আত্মহত্যার চেষ্টা করেছেন। তবে চিকিৎসকরা বলছেন—এটি আত্মহত্যা নয়, তাকে খুন করা হয়েছে। তবে ক্রেটনের স্বামীর নাম গোপন রাখা হয়েছে।

    rnrn

    পুলিশ বলছে, হত্যার ঘটনাকে আড়াল করতে নাটক সাজিয়েছেন ক্রেটনের স্বামী।

    rnrn

    ক্রেটন ২০১৮ সাল থেকে মডেলিং করছেন। হংকংয়ে কয়েক বছর মডেলিংয়ের পর ব্যাংককে থাকা শুরু করেন। 
    rn 

    বিনোদন ডেস্ক

  • আলোচিত মডেল হান্ট ‘ফেস অব বাংলাদেশ’র খেতাব জিতলেন জারিফ, দিল ও আকলিমা

    রীতিমতো নজরকাড়া পোশাক ও দারুণ কোরিওগ্রাফি আবার চমৎকার সঙ্গীতায়োজনে আলোকসজ্জিত রানওয়েতে উদীয়মান এই মডেলদের উপস্থিতি, হাঁটা ও চূড়ান্তপর্বের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় হান্ট ফেস অব বাংলাদেশ এর চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠান। 

    rnrn

    এ আয়োজনে আর্কা ফ্যাশন উইকের প্রথম দিনে আলোচিত মডেল হান্ট ফেস অব বাংলাদেশ এর খেতাব জিতলেন জারিফ শাবাব, দিল আফরোজ হাসান ও আকলিমা আতিকা।

    rnrn

    ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠেয় ফেস অব এশিয়ায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন তারা। 

    rnrn

    বৃহস্পতিবার রাজধানী গুলশানে আলোকি কনভেনশন সেন্টারে আর্কা ফ্যাশন উইকের অংশ হিসেবে আলোচিত মডেল হান্ট ফেস অব বাংলাদেশ এর চূড়ান্ত পর্ব অনুষ্ঠিত হয়েছে।

    rnrn

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের অক্টোবর মাসে দক্ষিণ কোরিয়ায় অনুষ্ঠেয় ফেস অব এশিয়ায় বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করবেন এখানকার বিজয়ীরা। ফেস অফ বাংলাদেশের চূড়ান্ত পর্বে সম্মানিত বিচারকেরা বিজয়ী হিসেবে নির্বাচিত করেন পুরুষদের মধ্যে জারিফ শাবাবকে। আর নারীদের মধ্যে দুজন যুগ্মভাবে অর্জন করেন বিজয়ীর খেতাব। তারা হলেন দিল আফরোজ হাসান ও আকলিমা আতিকা।

    rnrn

    এশিয়া মডেল ফেস্টিভ্যাল আসলে তিনদিনের একটি বর্ণাঢ্য অনুষ্ঠান। এখানে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের মডেলদের অংশগ্রহণে অনুষ্ঠিত হয় ফেস অব এশিয়া। এখানে অংশ নিয়ে বিভিন্ন দেশের মডেলরা তাদের অভিজ্ঞতা ভাগ করে নিতে পারেন। এই ইভেন্ট প্রতিবছর দক্ষিণ কোরিয়ার সংস্কৃতি, ক্রীড়া ও পর্যটন মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে। 

    rnrn

    এই বৈশ্বিক সংস্কৃতি উৎসব এশিয়ার পপ সংস্কৃতি, শিল্প ও এশিয়ার মডেল, ফ্যাশন আর বিউটি ইন্ডাস্ট্রিকে এশিয়াব্যাপী প্রসারে বিশেষ ভূমিকা রাখার পাশাপাশি এশিয়ার মডেল ও শিল্পীদের বৈশ্বিক ব্র্যান্ডের সঙ্গে পরিচিত করিয়ে দেয়। ফেস অব বাংলাদেশ হচ্ছে দক্ষিণ কোরিয়ায় এশিয়া মডেল ফেস্টিভ্যালের ফেস অব এশিয়ার আঞ্চলিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতা। 

    rnrn

    এই ফেস অব বাংলাদেশ আসলে এমন একটি মডেল হান্ট, যার মাধ্যমে বাংলাদেশের সৌন্দর্য, সংস্কৃতি এবং মূল্যবোধের প্রতিনিধিত্ব করেন এমন তরণ তরুণীদেরকে খুঁজে বের করা যায়। এর লক্ষ্য বাংলাদেশি মডেলদের বৈচিত্র্য ও প্রতিভা প্রদর্শন করা এবং তাদের মডেলিং ও বিনোদন শিল্পে এগিয়ে যাওয়ার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম দেওয়া।

    rnrn

    এই বছর ফেস অব বাংলাদেশ-এর জন্য আমাদের দেশের ৭ জন নারী ও ৮ জন পুরুষ প্রতিযোগী অংশ নিয়েছেন।

    rnrn

    উল্লেখ্য,পুরো মডেল হান্ট কার্যক্রমটি আর এই প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় রানওয়ে ডিরেক্টর ও কোরিওগ্রাফার আজরা মাহমুদের প্রতিষ্ঠান আজরা মাহমুদ ট্যালেন্ট ক্যাম্প অর্থাৎ এএমটিসি এর তত্ত্বাধানে। নির্বাচিত প্রতিযোগীদেরকে মডেলিংয়ের সর্বক্ষেত্রে নিবিড় প্রশিক্ষণ দেওয়ার কাজটিও এএমটিসিই করেছে।

    rnrn

    এই প্রতিযোগিতায় বিচারকের দায়িত্ব পালন করেন ছয়জন বিশিষ্ট ব্যক্তি, যারা ফ্যাশন অঙ্গনে নিজ নিজ ক্ষেত্রে স্বনামধন্য।

    rnrn

    তুমুল বর্ষণের পরেও লোকে লোকারণ্য হয়ে ওঠে ফ্যাশন রানওয়ের তাবু। সন্ধ্যা ৭টায় উপস্থিত সকলের হর্ষধ্বনি ও করতালির মাঝে শুরু হয় প্রতিযোগিতার পর্বগুলো। প্রথমেই ছিল ফিটনেস ও হেলথ রাউন্ড।

    rnrn

    প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ৭ জন নারী মডেল। তারা হলেন মাহবুবা রহমান লাবণ্য, জান্নাতুল ইমরোজ, মারিয়া আক্তার মৃদুলা, নিশাত তাসনিম ও রেহনুমা তাবাসসুম এশা, দিল আফরোজ হাসান ও আকলিমা আতিকা। সুন্দর হাসির জন্য বেস্ট স্মাইলের খেতাব পেয়েছেন মারিয়া আক্তার মৃদুলা। বেশ প্রতিদ্বন্দ্বিতামূলক এ প্রতিযোগিতায় যৌথভাবে ফেস অব বাংলাদেশের খেতাব জেতেন দিল আফরোজ হাসান ও আকলিমা আতিকা।

    rnrn

    ফেস অব বাংলাদেশ প্রতিযোগিতায় প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী পুরুষ মডেলরা হলেন দীপংকর চন্দ্র মন্ডল, জারিফ শাবাব, শায়ের আহমেদ, শামসুল আলম, প্লাবন সিনহা, আব্দুল্লাহ নুমের, ওহিন ইরান ও আয়মান শরীফ। চমৎকার হেয়ারস্টাইলের জন্য বেস্ট হেয়ার খেতাব পান আব্দুল্লাহ নুমের আর বেস্ট স্কিন খেতাব দেওয়া হয় প্লাবন সিনহাকে। পুরুষদের মধ্যে চূড়ান্ত পর্যায়ে বিজয়ী হন জারিফ শাবাব। উপস্থিত সকলের উচ্ছ্বসিত করতালির মাঝে ঘোষণা আসে, পিপলস চয়েস অ্যাওয়ার্ডও তিনিই জিতেছেন। প্রতিযোগিতার প্রথমে ছিল হেলথ ও ফিটনেস রাউন্ড। দ্বিতীয় রাউন্ডে প্রতিযোগীরা ফিউশনওয়্যার পরে হেঁটেছেন। 

    rnrn

    দেশের সুপরিচিত ডিজাইনার লেবেল বাটারফ্লাই বাই সাগুফতার পোশাক পরেছেন মেয়েরা এখানে। আর ছেলেদের পোশাক নেওয়া হয়েছে ও টু থেকে। এরপরেই আসে চূড়ান্ত রাউন্ড যেখানে ফরমাল পোশাক পরেছেন সকলে। মেয়েদের আউটফিটগুলো দেশের বিলাসবহুল ডিজাইনার লেবেল সানায়া কতুরের। আর ছেলেদের পোশাক এসেছে ফিট এলিগেন্স থেকে।
    rn 

    যুগান্তর ডেস্ক