Tag: বিজেপি

  • শিল্পী হিসেবে বিজেপিতে বাধা পাওয়ার অভিযোগ বাবুল সুপ্রিয়ের

    অভিনেতা হিসেবে পরিচিতি পাওয়া বাবুল সুপ্রিয় এখন পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের মন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। তবে রাজনীতিতে নাম লেখালেও অভিনয় ও সঙ্গীতাঙ্গণে ভূমিকা রেখে চলেছেন তিনি। তবে প্রশ্নটা থেকেই যায়, কীভাবে সামালদেন এত কিছু। শিল্পী হিসেবে কখনও কি বাধার মুখে পড়তে হয়?

    বর্তমানে তৃণমূলে স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারলেও বিজেপিতে অনেক বাধার মুখে পড়তে হয়েছে বলেও জানান বাবুল। এক সাক্ষাৎকারে বাবুল বলেন, ‘এটা তো বুঝতে পারিনি যে বিদেশে আমার শো বন্ধ হয়ে যাবে! অভিনয় এবং গানের ক্ষেত্রে প্রধানমন্ত্রী শুরুতে যে সহযোগিতা করেছিলেন, পরে তা-ই তার বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়াবে, সেটাও বুঝতে পারিনি।’

    বর্তমানে রাজ্যের শাসকদলের সদস্য বাবুল। এখনও কোনো সমস্যায় পড়তে হয় কিনা প্রশ্নে বাবুল বলেন, ‘মাননীয়া দিদি আমাকে কোনও দিন এ রকম কিছু বলেননি। গান বা অভিনয়, যেটাই করতে চাই মন দিয়ে করতে বলেছেন। এটা আমাকে আমার কাজটা আরও ভাল ভাবে করতে অনুপ্রাণিত করে।’

    রাজনীতিবিদ হলেও নিজের কাজে কোনও রকম খুঁত রাখেন না বাবুল। বলেন, ‘আমি যদি তিন দিন অফিস করতাম, তার পর দু’দিন ছুটি নিয়ে অভিনয় করতাম, তা হলে নিশ্চয়ই প্রশ্ন উঠত।’ অভিনয়, রাজনীতি গান ও পরিবার; কিভাবে সময় ম্যানেজ করেন বাবুল- প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘২৪ ঘণ্টা অনেকটা সময়। সারাক্ষণ সোশ্যাল মিডিয়া এবং ফালতু কাজ না করলে ঠিকই সময় বার করে নেওয়া যায়।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • কঙ্গনার নিশানায় পড়েছেন রাহুল গান্ধী

    কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধীকে ‘জিম’ ট্রেনারের সঙ্গে তুলনা করেছেন বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত। রাহুল নাকি সংসদে এসেও নিজের পেশির জোর দেখান বলে জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

    কঙ্গনা রানাউতের নিশানায় পড়েছেন কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী। গতকাল বৃহস্পতিবার সংসদের অন্দরে সরকার ও বিরোধীপক্ষের ধস্তাধস্তি থেকেই এর সূত্রপাত। এর জেরে সংসদের মধ্যেই বিজেপি সংসদ সদস্য প্রতাপচন্দ্র ষড়ঙ্গী আহত হয়েছেন বলে অভিযোগ ওঠে। 

    ষড়ঙ্গীর অভিযোগ, সংসদ ভবনের মকর দ্বারের সামনে তাকে ধাক্কা মেরেছেন লোকসভার বিরোধী দলনেতা রাহুল গান্ধী। যদিও অভিযোগ অস্বীকার করেছেন এ কংগ্রেস নেতা। এ বিষয়ে এবার মুখ খুললেন বিজেপি সংসদ সদস্য তথা অভিনেত্রী কঙ্গনা।

    রাহুলকে কড়া ভাষায় কটাক্ষ করে কঙ্গনা বলেন, খুব লজ্জাজনক। আমাদের একজন সংসদ সদস্যের মাথায় আঘাত লেগেছে, সেলাইও পড়েছে। ওদের (কংগ্রেস) হিংসা আজ সংসদ পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। এমনকি রাহুলকে ‘জিম’-এর প্রশিক্ষকের সঙ্গে তুলনাও করেছেন কঙ্গনা।

    কঙ্গনা তার ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে লিখেছেন— সংসদে বিজেপি সংসদ সদস্যদের ওপর রাহুল গান্ধী হামলা করেছেন। এ লোকটা সংসদে নিজের হাতের পেশি দেখাতে দেখাতে আসেন। যেন কোনো ‘জিম ট্রেনার’। এবার তো লোকজনকে ধাক্কা দিলেন, ঘুষিও মারলেন। রাহুল গান্ধীর কোনো সম্মান নেই।

    ঘটনার সূত্রপাত কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের অম্বেডকর-মন্তব্য থেকে। এ দিনের ঘটনায় মাথায় চোট পেয়েছেন ষড়ঙ্গী। সতীর্থ বিজেপি সংসদ সদস্য এবং লোকসভার কর্মীরা ধরাধরি করে বাইরে আনার পর ষড়ঙ্গীকে দেখতে আসেন রাহুল। তার পর আহত সংসদ সদস্যকে হাসপাতালে পাঠানো হয়। 

    ষড়ঙ্গী বলেন, রাহুল গান্ধী এক সংসদ সদস্যকে ধাক্কা মারেন। তিনি আমার গায়ের ওপর পড়েন। ফলে আমি মাটিতে পড়ে যাই।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘বাবা বিজেপি সর্মথক হলেও শেষকৃত্যে মুসলিম বন্ধুদের সংখ্যাই বেশি ছিল’

    শুধু অভিনয়ের পেশায় নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও সফল মনোজ বাজপেয়ী। তার অভিনয় নিয়ে চর্চা বিস্তর। ব্যক্তিগত জীবন নিয়েও মুখ খুলেছেন অভিনেতা। ভিন্নধর্মে বিয়ে করেছিলেন মনোজ। স্ত্রীর নাম শাবানা রাজা। তবে এই বিয়েতে কখনওই আপত্তি জানায়নি মনোজের পরিবার।

    অভিনেতার বাবা নাকি খুবই উদার মনের মানুষ ছিলেন। তাই নিজের কন্যাকেও সেই ভাবেই মানুষ করছেন মনোজ। বাবা না কি মা, কার ধর্ম মেনে চলবে, সেই সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা কন্যার হাতেই তুলে দিয়েছেন অভিনেতা। মনোজ বা তার স্ত্রী, বিয়ের পরে দু’জনের কেউই ধর্ম পরিবর্তন করেননি। এখনও পরিবারে এক দিকে মনোজ প্রত্যেক দিন হিন্দু ধর্ম মেনে পুজো করেন। অন্য দিকে, শাবানাও মেনে চলেন তার ধর্ম। নিজেদের ভিন্ন ধর্ম নিয়ে দু’জনের মধ্যে কোনো বিবাদ নেই বলে জানান মনোজ।

    সাক্ষাৎকারে অভিনেতা বলেন, ‘আমাদের সব কিছুই খুব সহজ। মানুষের হাতেই সব। মানুষ নিজেই ঠিক করে, তারা এই ধরনের বিষয়কে প্রভাব ফেলতে দেবে কি না।’ অভিনেতার স্পষ্ট বক্তব্য, তার পরিবারে ধর্ম নিয়ে কোনো ভেদাভেদ নেই। তাই শাবানাকে বিয়ে করা নিয়ে কোনো সমস্যাই তৈরি হয়নি।

    অভিনেতা নিজের বাবার সম্পর্কে বলেন, আমার বাবা খুবই আন্তরিক ও বিনয়ী মানুষ। বাবার নিজেরই বহু মুসলিম বন্ধু ছিল। আজ যে রাজনৈতিক দল (বিজেপি) দেশ চালাচ্ছে, বাবা কিন্তু তাদেরও সমর্থক ছিলেন। কিন্তু আপনি অবাক হবেন তার  মুসলিম বন্ধুবান্ধবের সংখ্যা শুনে। তার শেষকৃত্যেও কিন্তু হিন্দু বন্ধুদের তুলনায় বেশি সংখ্যক মুসলিম বন্ধুরাই এসেছিলেন। এ সব দেখেই আসলে আমি বড় হয়েছি।’

    তিনি আরও বলেন, ‘বাড়িতে আমার ও শাবানার মধ্যে কোনো বিবাদ নেই। কোনো লড়াই নেই। আমাদের প্রত্যেকের নিজস্ব বিশ্বাস রয়েছে।’ তথ্যসূত্র: আনন্দবাজার অনলাইন

    বিনোদন ডেস্ক

  • মহানবিকে সম্মান করতে কোনো ধর্ম বাধা হতে পারে না: অভিনেত্রী

    স্বরা ভাস্বর বলিউড সিনেমায় পরিচিত মুখ; রক্ষণশীল রাজনৈতিক দল বিজেপির কট্টর সমালোচক। নিজের কাজ নিয়েই ব্যস্ত থাকেন তিনি। রাজনীতিবিদ ফাহাদ আহমেদকে বিয়ে করেছেন এই অভিনেত্রী।  সনাতন ধর্মের অনুসারী হয়ে মুসলিম যুবককে বিয়ে করায় নানা কটাক্ষের শিকার হয়েছেন তিনি। স্বরা সবসময় সম্প্রীতির আহ্বান জানিয়ে গেছেন ভক্তদের।

    বিজেপির পরোয়া না করে গাইছেন ইসলামের জয়গান। তার মতে মহানবি হজরত মুহাম্মদ (সা.)-কে সম্মান করতে কোনো ধর্ম বাধা হতে পারে না।

    হিন্দু পরিবারে জন্ম স্বরার। বিয়ে করেন ভারতের সমাজবাদী পার্টির যুবনেতা ফাহাদকে। ইসলাম ধর্মের অনুসারীকে বিয়ে করায় কটাক্ষের শিকার হতে হয়েছে তাকে। এবার ফাহাদের হয়ে মহারাষ্ট্রের নির্বাচনি প্রচারে বেরিয়েই সেই কটাক্ষের জবাব দিলেন।

    স্বরা বলেন, মুহাম্মদ (সা.)-কে সম্মান করতে কোনো বিশেষ ধর্মের হতে হয় না। যেকোনো ধর্মে থেকেই সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ঠ এ মানবকে সম্মান করা যায়।

    তিনি বলেন, এটা সত্য যে আমি হিন্দু পরিবারে জন্মেছি, বড় হয়েছি। এটা সত্য যে আমি একজন মুসলিমকে বিয়ে করেছি। কিন্তু আমি এটা পরিষ্কার করে দিতে চাই যে নবি মুহাম্মদ (সা.)-কে সম্মান জানানোর জন্য কোনো ধর্ম বা জাত লাগে না। সেটা কখনও বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে না।

    প্রসঙ্গত, চলতি বছরের জানুয়ারির ৬ তারিখ দীর্ঘদিনের বন্ধু ও প্রেমিক রাজনৈতিক কর্মী ফাহাদ আহমেদের সঙ্গে বিয়ে রেজিস্ট্রার করেন স্বরা। তারপর ১৬ ফেব্রুয়ারি পরিবারকে স্বাক্ষী রেখে বিয়ে সম্পন্ন করেন তারা।

    বিনোদন ডেস্ক

  • এবার নাকি প্রেমে ফিরতে চান কঙ্গনা

    বলিউড অভিনেত্রী ও বিজেপির মান্ডির সংসদ সদস্য কঙ্গনা রানাউত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সবসময় বিতর্কে জড়িয়ে থাকেন। এ নিয়ে নেটিজেনদের মাঝে সমালোচনার ঝড় ওঠে। 

    এ বিতর্কের রানি ফের বিতর্কে জড়াতে অরুচি জানিয়েছে, এবার প্রেমে ফেরা যাক— উদ্যাপনের আবহে বুঝি এমনই ভাবনা কঙ্গনার মনে উঁকি দিয়েছে? এবার ‘তনু ওয়েডস মনু ৩’ ছবিতে থাকার কথা জানিয়েছে একটি প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে। আর কঙ্গনার সঙ্গী অবশ্যই থাকছেন মাধবন।

    কিছুই অসম্ভব নয়। কারণ বিজেপি বিধায়ক কঙ্গনা রানাউতের মর্জি বোঝা দায়। এই তিনি ‘ইমার্জেন্সি’ ছবির কারণে বিতর্কের মধ্যমণি, সেই তিনিই নাকি ফের যাবতীয় তর্ক সরিয়ে রোমান্টিক মেজাজে ফিরতে চলেছেন। সৌজন্যে আনন্দ এলো রাইয়ের ‘তনু ওয়েডস মনু ৩’ ছবি। উৎসবের আবহে প্রযোজনা সংস্থার পক্ষ থেকে এ ঘোষণা স্বাভাবিকভাবেই কঙ্গনার অভিনয়ের অনুরাগীদের মন ভালো করে দিয়েছে।

    কারা থাকবেন ফ্র্যাঞ্চাইজ়ির তৃতীয় পর্বে? পরিচালক-প্রযোজকের পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিক ঘোষণায় জানানো হয়েছে, কঙ্গনার সঙ্গী আর মাধবন অবশ্যই থাকছেন। থাকবেন আগের দুই পর্বের অভিনেতারাও। একই সঙ্গে এই প্রজন্মকে জুড়তে এখনকার কিছু জনপ্রিয় মুখও জায়গা করে নেবেন। তৃতীয় পর্বের গল্প লিখতে আনন্দকে সহযোগিতা করেছেন হিমাংশু শর্মা। 

    এর আগে ২০২৩ সালে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে শোনা গিয়েছিল, ‘তনু ওয়েডস মনু ৩’ আসছে। যদিও আনন্দের মুখ থেকে কোনো কথা কেউ শোনেননি। পাশাপাশি তিনি করবেন না, এমন বক্তব্যও কাউকে জানাননি।

    আরও জানা গেছে, ছবিটি সম্ভবত আগামী বছর শুটিং ফ্লোরে যাবে। তার আগে রাই ‘তেরে ইশক মে’ ছবির শুটিং শেষ করবেন। এ ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করছেন ধনুশ। তবে ‘তনু ওয়েডস মনু ৩’ নিয়ে আনন্দ ঘোষণা করলেও ‘বিতর্কের রানি’র মুখ থেকে এখনো কিছু শোনা যায়নি। বলিউড আপাতত তার বক্তব্য শোনার জন্য মুখিয়ে।

    সম্প্রতি মহাত্মা গান্ধী ও লাল বাহাদুর শাস্ত্রীর জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পোস্ট করে নতুন বিতর্ক উসকে দিয়ে ছিলেন কঙ্গনা রানাউত। এ বিতর্কের রানি শাস্ত্রীর ১২০তম জন্মবার্ষিকীতে শ্রদ্ধা নিবেদন করলেন। কংগ্রেসের দাবি— জাতির জনক হিসেবে মহাত্মা গান্ধীর মর্যাদা হ্রাস পেয়েছে। নিজের ইনস্টাগ্রাম স্টোরিতে পোস্ট করে কঙ্গনা রানাউত লিখেছেন— দেশের কোনো বাবা হয় না, লাল (সন্তান) হয়, ধন্য এই ভারতমাতার সন্তানরা।

    এর পরই শুরু হয় বিতর্ক। ইনস্টাগ্রাম পোস্টে মান্ডির এ সংসদ সদস্য দেশে গান্ধীর স্বচ্ছতার উত্তরাধিকার বহন করার জন্য প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কৃতিত্ব দিয়েছেন। এর ফলে কংগ্রেসের তরফ থেকে একাধিক আক্রমণাত্মক পোস্ট এসেছে কঙ্গনা রানাউতের বিরুদ্ধে। অনেকেই তার মন্তব্যকে অশ্লীল ও নিন্দনীয় বলে অভিহিত করেছেন। 

    কংগ্রেস নেত্রী সুপ্রিয়া শ্রীনাতে এক্স হ্যান্ডেলে লিখেছেন— বিজেপি সংসদ সদস্য কঙ্গনা মহাত্মা গান্ধীর জন্মবার্ষিকীতে তাকে অশ্লীল কটাক্ষ করেছেন। গডসে উপাসকরা বাপু এবং শাস্ত্রীজির মধ্যে পার্থক্য টানেন। নরেন্দ্র মোদি কি তার দলের নতুন গডসে ভক্তকে আন্তরিকভাবে ক্ষমা করবেন? জাতির পিতা আছেন, পুত্র আছেন, শহিদ আছেন— সবারই সম্মান প্রাপ্য। 

    পাঞ্জাবের বর্ষীয়ান বিজেপি নেত্রী মনোরঞ্জন কালিয়াও গান্ধীর জয়ন্তী নিয়ে কঙ্গনার মন্তব্যের সমালোচনা করে বলেছেন, রাজনীতি তার ক্ষেত্র নয়।

    সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করা এক ভিডিওতে কালিয়া বলেন, গান্ধীজির ১৫৫তম জন্মবার্ষিকীতে কঙ্গনা রানাউতের করা মন্তব্যের নিন্দা করছি। স্বল্প রাজনৈতিক জীবনে বিতর্কিত মন্তব্য করার অভ্যাস গড়ে তুলেছেন তিনি। রাজনীতি তার জন্য নয়। রাজনীতি একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। কথা বলার আগে ভাবতে হবে— তার বিতর্কিত মন্তব্য দলের জন্য অশান্তি ডেকে আনছে।

    কৃষি আইন প্রত্যাহারের পক্ষে সওয়াল করেও সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন কঙ্গনা রানাউত। কঙ্গনা যদিও জানিয়েছেন, তার মন্তব্য ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) আদর্শকে প্রতিফলিত করে না।

    এদিকে কঙ্গনা রানাউত অভিনয়ের পাশাপাশি রাজনীতিতেও পা রেখেছেন। ২০২৪ সালের লোকসভা নির্বাচন থেকে রাজনীতির সফর শুরু হয়েছে কঙ্গনা রানাউতের। তবে বিতর্কের কারণে শিরোনামে আসা তার কাছে নতুন কিছু নয়। এ জন্য তাকে ঠোঁটকাটা অভিনেত্রী বলা হয়ে থাকে। বিটাউনেও নানা মন্তব্য করে বিতর্কের মুখে পড়েন তিনি। পরিণতির কথা না ভেবেই একাধিকবার নানা মন্তব্য করে খবরের শিরোনামে উঠে এসেছেন কঙ্গনা। নিজেই স্বীকার করেছেন, তাকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারে— এমন ক্ষমতা কারও নেই।

    একটি সংবাদমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, কেউ আমাকে কখনো কোনোভাবেই নিয়ন্ত্রণ করতে পারে না। এ অধিকার আমি কাউকে দিইনি। আমার নিজের পছন্দ-অপছন্দের জন্য কেউ কথা শোনাবে বা তির্যক মন্তব্য করবে— এমন অধিকার কারও নেই।

    উল্লেখ্য, কঙ্গনা রানাউত পরিচালিত ও অভিনীত ‘ইমার্জেন্সি’ সিনেমা আইনি জটিলতায় পড়ে সেন্সর বোর্ডে আটকা আছে।  সিনেমাটি নিয়ে বেশ কিছু দিন ধরেই বিতর্কে জড়িয়ে পড়েছে সামাজিকমাধ্যমে। ট্রেলার মুক্তির পর থেকেই এটি নিয়ে কয়েকটি শিখ গোষ্ঠী প্রতিবাদ জানায়। এ সিনেমা শিখ ধর্মের অনুসারীদের ভাবাবেগে আঘাত করেছে বলে জানায় শিখ গোষ্ঠী। ফলে সেন্ট্রাল বোর্ড অব ফিল্ম সার্টিফিকেশন (সিবিএফসি) থেকে সবুজ সংকেত পাওয়া যায়নি। ১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত ২১ মাসের জরুরি অবস্থা জারি করা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইন্দিরা গান্ধীর ওপর ভিত্তি করে এ সিনেমা তৈরি করেছিলেন কঙ্গনা রানাউত। 

    ‘ইমার্জেন্সি’ ছবিতে কঙ্গনা রানাউত ছাড়াও থাকছেন অনুপম খের, মহিমা চৌধুরী, মিলিন্দ সোমান, শ্রেয়স তালপাড়ে প্রমুখ। থাকছেন প্রয়াত অভিনেতা সতীশ কৌশিকও। জি স্টুডিওজ এবং মণিকর্নিকা ফিল্মস এ ছবিটি প্রযোজনা করেছে। ভারতের অন্যতম অশান্ত সময়কে তুলে ধরা হয়েছে এ ছবিটিতে। 

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে একটি পোস্টে অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত লিখেছেন, ‘ভারাক্রান্ত মন নিয়ে জানাচ্ছি— আমার পরিচালিত সিনেমা ‘ইমার্জেন্সি’ মুক্তির সময় পিছিয়েছে। এখনো সেন্সর বোর্ডের ছাড়পত্রের অপেক্ষায় রয়েছি। সিনেমাটি আগামীতে কবে মুক্তি পাবে, তা জানিয়ে দেওয়া হবে। বিষয়টি বোঝার জন্য এবং ধৈর্য ধরার জন্য আপনাদের সবাইকে ধন্যবাদ।’

    বিনোদন ডেস্ক

  • পুলিশ ভ্যানে বসে মমতাকে বাংলাদেশের কথা মনে করালেন রুদ্রনীল

    আরজি কর হাসপাতালে এক নারী চিকিৎসককে ধর্ষণের পর হত্যার প্রতিবাদে উত্তাল কলকাতা। পশ্চিমবঙ্গের বিনোদন জগতের অনেক তারকা রাজপথে নেমেছেন। আন্দোলন করতে গিয়ে পুলিশের হাতে আটক হয়েছেন অভিনেতা রুদ্রনীল ঘোষ। পুলিশ ভ্যান থেকে ফেসবুকে এক ভিডিও পোস্ট করে পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জীকে বাংলাদেশের কথা মনে করিয়ে দিয়েছেন তিনি।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম হিন্দুস্তান টাইমস জানায়, আটক হওয়ার পর পুলিশ ভ্যানে বসে একটি ভিডিও ধারণ করেন রুদ্রনীল। সেই ভিডিওতে এই অভিনেতাকে বলতে শোনা যায়, ‘আমরা ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) আন্দোলনে অংশ নিয়েছিলাম। আমাদের বলা হচ্ছে রাস্তা জ্যাম হচ্ছে। তাই আমাদের গ্রেফতার করেছে। বাংলাদেশের মতো ভয় পাচ্ছে মমতা, তাই আমাদের গ্রেপ্তার করে লালবাজারে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আপনারা সবাই রাস্তায় নেমে আসুন।’

    বিজেপির রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত এই অভিনেতা আরও বলেন, ‘প্রথমে ভারতীয় জনতা পার্টির শ্যামবাজার থেকে মঞ্চ ভেঙে দেওয়া হয়। তারা মানুষের আন্দোলনকে, মা-বোনদের আন্দোলনকে বন্ধ করার চেষ্টা করছে। মমতা ব্যানার্জি বাংলাদেশের ভয় নিজে পেয়ে গিয়েছেন। এই বোনটার দাম নাকি ১০ লাখ টাকা।’

    উল্লেখ্য, গত ৮ আগস্ট রাতে আরজি কর মেডিকেল কলেজে ধর্ষণের পর খুন করা হয় এক তরুণী চিকিৎসককে। এই হত্যাকাণ্ড নিয়ে এখন উত্তাল গোটা ভারত। ধর্ষকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং কঠোর আইনের দাবিতে এই আন্দোলনে যোগ দিয়েছেন দেশটির বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষ।

    বিনোদন ডেস্ক

  • শপথ অনুষ্ঠানে নজর কাড়লেন কঙ্গনা, বিরোধীদেরও একহাত নিলেন

    গত কয়েক বছর ধরে ভারতের রাজনীতিতে ক্ষমতাসীন বিজেপির একনিষ্ঠ সমর্থক হিসেবে সামাজিকমাধ্যমে সরব ছিলেন বলিউডের তারকা অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত।  এবার তার পরিচয় ভিন্ন। ঘোর সমর্থক থেকে বিজেপির টিকিটে তিনি এবার বনে গেছেন নির্বাচিত এমপি।  গত মাসে লোকসভা নির্বাচনে হিমাচল প্রদেশের মান্ডি থেকে জয়ী হন কঙ্গনা। আজ সোমবার লোকসভার সদস্য হিসেবে নিয়েছেন তিনি। 

    ভারতে বলিউড অভিনেত্রীদের সংসদীয় রাজনীতিতে আসার ঘটনা নতুন নয়। তবে কঙ্গনা এই সময়ের সবচেয়ে আলোচিত নাম। কৃষক আন্দোলন, নাগরিকত্ব সংশোধন আইন থেকে শুরু করে বির্তকিত সব বিষয়ে বিজেপির প্রতি জোরালো সমর্থন জানিয়ে এসেছেন তিনি। স্বাভাবিকভাবেই কঙ্গনার রাজনীতির অভিষেকে চোখ থাকবে সবার।  এবার শপথ অনুষ্ঠানেও নজর কাড়লেন এই অভিনেত্রী।

    শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে কঙ্গনা বেছে নিয়েছেন সাদা শাড়িতে।  সঙ্গে একই রঙের ব্লাউজ।  কানে ও গলায় সাদা পাথরের সেট। বাহারি রঙয়ের উজ্জ্বল পোশাক এড়িয়ে সাধারণ সাজেই আলো ছড়িয়েছেন তিনি। তবে এদিনও বিরোধীদের ছাড় দেননি কঙ্গনা। বিরোধীদের একহাত নিয়ে কঙ্গনা বলেছেন, শুধু চিৎকার করলে হবে না।  দায়িত্বশীল সমালোচনা করতে হবে।

    শপথ পাঠের পর কঙ্গনা বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যেমন বলেছেন, পুরো দেশ বিরোধীদের আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রত্যাশা করে। এবার বিরোধীরা একটি ভালো বিরোধী হিসাবে প্রমাণিত হবে, তাই এবার তারা কী করে তা দেখা যাক। মাঝে মাঝে শুধু চিৎকার করবে নাকি অন্য কিছু করবে।’

    লোকসভা নির্বাচনে হিমাচল প্রদেশের মান্ডি আসনে কংগ্রেসের বিক্রমাদিত্য সিংকে ৭৪ হাজার ৭৫৫ ভোটের ব্যবধানে হারান কঙ্গনা। এবার দেখার বিষয় আগামী ৫ বছর রাজনীতিক ভূমিকায় কেমন সাফল্য পান অভিনেত্রী কঙ্গনা।
     

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজেপিকে হারিয়ে সায়ন্তিকার চমক

    বরানগর বিধানসভার উপনির্বাচনে জয়ী হয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ আসনে সায়ন্তিকার সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষের। সজল ঘোষকে ৮,০০৮ ভোটে হারিয়ে জয়ী হয়েছেন তিনি। 

    ভোট গণনার শুরু থেকেই সজল-সায়ন্তিকার মধ্যে লড়াই হয়েছে তুমুল। কখনও এগিয়েছিলেন সজল, কখন বা সায়ন্তিকা। তবে শেষ হাসি হেসেছেন তৃণমূল প্রার্থী সায়ন্তিকা । 

    এদিন ভোট গণনা শুরু থেকেই বেশ উচ্ছ্বসিত ছিলেন তৃণমূল প্রার্থী । সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘প্রথম থেকে পিছিয়ে থাকা ভাল। সবাই নয়তো হতাশ হয়ে যাবে। প্রথমে একটু সবাই আনন্দ পাক, শেষে আমরা সব নিয়ে চলে যাব।’ তবে বেলা যত গড়িয়েছে, ফল তৃণমূল প্রার্থী পক্ষে গিয়েছে। ছয় রাউন্ড গণনার পর এগিয়ে যান অভিনেত্রী। 

    এর আগে বিধানসভা নির্বাচনে তাকে বাঁকুড়া থেকে দাঁড় করিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু সেখানে জিততে পারেননি। হারলেও এলাকা ছাড়েননি। রীতিমতো অফিস করে এলাকায় কাজ চালিয়ে গিয়েছেন। তার কথায় ‘আমি হারতে পছন্দ করি না। মনে হয়, সব কিছু করব, যাতে জেতা যায়। বাঁকুড়ার মানুষ জানেন, বিধায়ক যত কাজ করেছেন, আমি তার চেয়ে বেশি কাজ করেছি ওখানে।’

    তবে কাজ করেও লোকসভা ভোটে দলের প্রার্থী তালিকায় তার নাম থাকায় কিছুটা অভিমান ঝরে পড়ে তার গলায়। সেই অভিমানের ক্ষতে প্রলেপ দিতে তাকে বরানগর উপনির্বাচনের প্রার্থী করা হয় । 

    প্রার্থী হয়েই তিনি এলাকা ব্যাপক হারে প্রচার চালিয়েছেন। বিধানসভা এলাকায় ওয়ার্ডে ওয়ার্ডে ঘুরেছেন তিনি। সেই পরিশ্রমের ফল পেলেন অভিনেত্রী। বিধায়ক হিসাবে প্রথমবার বিধানসভায় পা রাখবেন অভিনেত্রী। 

    সায়ন্তিকার বিপরীতে দাঁড়িয়ে ছিলেন বিজেপি প্রার্থী সজল ঘোষ। তার সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই হয়েছে। জিতলে তিনিও প্রথমবার বিধানসভায় পা রাখতেন। অন্য দিকে সিপিএম প্রার্থী তন্ময় ভট্টাচার্য ভূমিপুত্র হলেও এই লড়াইয়ে তৃতীয় স্থানেই থেকে গিয়েছেন তিনি।

    সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস।

    বিনোদন ডেস্ক

  • পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির ভরাডুবি, যা বললেন অভিনেতারা

    ভারতের লোকসভা নির্বাচনের প্রচারে বিজেপির দাবি ছিল, ৪০০ তারা আসন পাবে। শুধু তাই নয়, মোদি তথা বিজেপির দাবি ছিল, দল একাই ৩৭০টিরও বেশি আসন পাবে। কিন্তু সেই স্বপ্ন অধরাই থেকে গেল। সংখ্যাগরিষ্ঠতা দূরের কথা বিজেপি একা ২৫০টি আসনও পায়নি। 

    rnrn

    যার কারণে সরকার গড়তে মোদি-শাহ নির্ভরশীল এনডিএ-এর অন্য শরিকদের ওপরে। পশ্চিমবঙ্গেও বিজেপির আশা ছিল, ভাল রকম জয় হাসিল করবে তারা। সেখানেও ব্যর্থতা। তৃণমূল কংগ্রেসের দখলে ২৯টি আসন। বিজেপির ১২। 

    rnrn

    ২০১৯-এ এই সংখ্যা ছিল ১৮। একই ভাবে বাংলায় বামদল নিশ্চিহ্ন। দেশ এবং রাজ্য মিলিয়ে এই সার্বিক ফলাফলে কতটা খুশি বাংলার বিনোদন দুনিয়ার তথাকথিত বামমনস্করা? জানতে ভারতের একটি গণমাধ্যম যোগাযোগ করেছিল কৌশিক সেন, কমলেশ্বর মুখোপাধ্যায়, বাদশা মৈত্রের সঙ্গে।
    rn 
    rnভোট প্রসঙ্গে জানতে চাইলে অভিনেতা, নাট্য নির্দেশক কৌশিক বলেন, এটা কি বিধানসভা ভোট? যে রাজ্যে বামদলের ফলাফল নিয়ে বক্তব্য রাখব!’  তার যুক্তি, লোকসভা এমন একটি নির্বাচন যা দেশের শাসনব্যবস্থা নির্ধারণ করে। সেই দিক থেকে দেখতে গেলে আমি এই ফলাফলে খুশি।

    rnrn

    কৌশিক দাবি করেন, দেশের তথাকথিত দরিদ্র কৃষক বা মজুর শ্রেণিও যে কতটা সজাগ, এই নির্বাচন দেখিয়ে দিয়েছে। বিজেপি এবং নরেন্দ্র মোদি শুরু থেকে মিথ্যে বলে এসেছেন। প্রধানমন্ত্রী এবং তার দল অযোধ্যায় রামমন্দিরের প্রতিষ্ঠা করেছেন, ভোট জেতার জন্য। 

    rnrn

    তারা দেশে ধর্মের জিগির তুলে ভেদ ছড়াতে চেষ্টা করেছেন। নির্বাচনের জয়লাভের চক্করে এ-ও ভুলে গিয়েছিলেন, ভারত পরধর্মসহিষ্ণু। এখানে জাতিভেদ, ধর্মভেদের স্থান নেই। তারা ভুললেও সে কথা দায়িত্ব নিয়ে মনে করিয়ে দিয়েছেন দেশের জনগণ। 
    rnএজন্য কৌশিক সব দেশবাসীকে তাই শুভেচ্ছা জানিয়েছেন।

    rnrn

    প্রায় একই কথা বলনে, পরিচালক কমলেশ্বর। তার দাবি,  ভারতবর্ষের মানুষ ততটা বিজেপি তথা এনডিএ জোটের ওপরে বিশ্বাস রাখতে পারেননি। পাশাপাশি, পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তৃণমূলের ওপরে ভরসা করেছেন। এগ্জিট পোল মেলেনি। এখন দেখার বিষয় কারা, কী ভাবে কেন্দ্রে সরকার গঠন করবেন।

    rnrn

     বাংলায় বামদল নিশ্চিহ্ন। যাদবপুর কেন্দ্রে সৃজন ভট্টাচার্য কোনো প্রভাব ফেলতে পারেননি শাসকদলের প্রার্থী সায়নী ঘোষের ওপরে। কী কারণে এই বিপর্যয়? প্রশ্নের জবাবে পরিচালক জানান, এর কারণ খুঁজতে গেলে সম্মিলিত বিশ্লেষণ জরুরি। এখানে ব্যক্তিবিশেষের মতামত খুব একটা গ্রহণীয় নয়।

    rnrn

    কৌশিকের কথার রেশ ধরেই নিজের বক্তব্য রেখেছেন অভিনেতা বাদশাও। তিনিও খুশি লোকসভা নির্বাচনের সার্বিক ফলে। 

    rnrn

    তিনি বলেছেন, উত্তরপ্রদেশে যোগী আদিত্যনাথের ‘বুলডোজ়ার’ নীতি যে কাজে এল না, তাতেই আমি খুশি। কখনও ধর্ম তো কখনও জাতিভেদ। এ ভাবে ঘরে ঘরে হিংসা ছড়িয়ে দিতে কোনো কসুর করেননি নরেন্দ্র মোদি এবং তার দল। পাঁচ বছর সেই অন্যায় সহ্য করার পর ইভিএম যন্ত্রে মানুষ তার জবাব দিয়েছে। সত্যিই ভাল লাগছে।

    rnrn

    পাশাপাশি, তিনি শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বাংলার শাসকদলকে। রাজ্যবাসী তাদের ওপরে ভরসা রেখেছে। ফলে, দলের দায়িত্ব আরও বাড়ল বলে তিনি মনে করছেন। রাজ্যে বাম দলের ভূমিকা অবশ্যই তাকে হতাশ করেছে। যদিও পার্লামেন্টে বিভিন্ন রাজ্য থেকে বামদলের প্রার্থী সদস্য হিসেবে যোগ দিতে চলেছেন। এই খবর কিছুটা হলেও তাকে শান্তি দিয়েছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • নেতাজিকে প্রথম প্রধানমন্ত্রী দাবি করে যে প্রমাণ দিলেন কঙ্গনা

    এবার লোকসভা নির্বাচনে লড়ছেন বলিউডের আলোচতি-সমালোচিত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। এই লোকসভা নির্বাচনেই তিনি প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতির ময়দানে যে নামলেন সেটি নয়, হিমাচলের মান্ডি কেন্দ্র থেকে তিনি বিজেপির হয়ে লড়ছেনও বটে। 

    rnrn

    আর তারই প্রচারে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু নন, বরং নেতাজি। আর তার এই মন্তব্যের পরই উসকে গেছে বিতর্ক। কেউ তার কথায় হেসেছেন, কেউ আবার সম্মতি জানিয়েছেন। কিন্তু এসবের মাঝেই নিজের কথার স্বপক্ষে প্রমাণ দিলেন বিজেপির প্রার্থী।

    rnrn

    কঙ্গনা রানাউত এক্সে একটি স্ক্রিনশট পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে এনডিটিভির একটি রিপোর্টে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং তার আজাদ হিন্দ ফৌজ ও সরকার প্রসঙ্গে লেখা। সেই রিপোর্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করে এদিন কঙ্গনা লেখেন, 'যারা আমায় ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নিয়ে জ্ঞান দিচ্ছিলেন তারা দয়া করে এই স্ক্রিনশট পড়ুন। নতুনদের জন্য সাধারণ জ্ঞান আর যারা আমার শিক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাদের জন্যও রইল এটা।'

    rnrn

    একই সঙ্গে কঙ্গনা লেখেন, 'আমি একটি ছবি লিখেছি, পরিচালনা করেছি এবং অভিনয় করেছি, নাম এমারজেন্সি। আর এই ছবিটির গল্প আবর্তিত হয়েছে নেতাজি এবং নেহরুর পরিবারকে নিয়ে। তাই প্লিজ এটা নিয়ে আমায় জ্ঞান দেবেন না। আপনার আইকিউ যা তার থেকে অনেকটা বেশি এগিয়ে গিয়ে আমি কথা বলি।'

    rnrn

    এদিন কঙ্গনা রানাউত একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, নেতাজি আমাদের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। অভিনেত্রীর কথায়, 'আমায় একটা কথা বলো। আমরা যখন স্বাধীনতা পাই তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী কোথায় ছিলেন?'

    rnrn

    কঙ্গনার কথা আংশিক ভাবে ঠিক। কারণ নেতাজি ১৯৪৩ সালের ২১ অক্টোবর আজাদ হিন্দ সরকার তৈরি করেছিলেন। তিনি তখন নিজেকে প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রের প্রধান এবং যুদ্ধের নায়ক হিসেবে ঘোষণা করেন। আন্দামান স্বল্পকালের জন্য আজাদ হিন্দ সরকারের অধীনে ছিল। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং আজাদ হিন্দ সরকারের প্রশংসা করেছেন। নেতাজি এবং তার এই আজাদ হিন্দ ফৌজ এবং সরকার অনেকের কাছে অনুপ্রেরণা ছিল।

    বিনোদন ডেস্ক