
এবার লোকসভা নির্বাচনে লড়ছেন বলিউডের আলোচতি-সমালোচিত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। এই লোকসভা নির্বাচনেই তিনি প্রত্যক্ষভাবে রাজনীতির ময়দানে যে নামলেন সেটি নয়, হিমাচলের মান্ডি কেন্দ্র থেকে তিনি বিজেপির হয়ে লড়ছেনও বটে।
rnrn
আর তারই প্রচারে সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী জানিয়েছেন, ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী জওহরলাল নেহরু নন, বরং নেতাজি। আর তার এই মন্তব্যের পরই উসকে গেছে বিতর্ক। কেউ তার কথায় হেসেছেন, কেউ আবার সম্মতি জানিয়েছেন। কিন্তু এসবের মাঝেই নিজের কথার স্বপক্ষে প্রমাণ দিলেন বিজেপির প্রার্থী।
rnrn
কঙ্গনা রানাউত এক্সে একটি স্ক্রিনশট পোস্ট করেন। সেখানে দেখা যাচ্ছে এনডিটিভির একটি রিপোর্টে নেতাজি সুভাষচন্দ্র বসু এবং তার আজাদ হিন্দ ফৌজ ও সরকার প্রসঙ্গে লেখা। সেই রিপোর্টের স্ক্রিনশট শেয়ার করে এদিন কঙ্গনা লেখেন, 'যারা আমায় ভারতের প্রথম প্রধানমন্ত্রী নিয়ে জ্ঞান দিচ্ছিলেন তারা দয়া করে এই স্ক্রিনশট পড়ুন। নতুনদের জন্য সাধারণ জ্ঞান আর যারা আমার শিক্ষা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাদের জন্যও রইল এটা।'
rnrn
একই সঙ্গে কঙ্গনা লেখেন, 'আমি একটি ছবি লিখেছি, পরিচালনা করেছি এবং অভিনয় করেছি, নাম এমারজেন্সি। আর এই ছবিটির গল্প আবর্তিত হয়েছে নেতাজি এবং নেহরুর পরিবারকে নিয়ে। তাই প্লিজ এটা নিয়ে আমায় জ্ঞান দেবেন না। আপনার আইকিউ যা তার থেকে অনেকটা বেশি এগিয়ে গিয়ে আমি কথা বলি।'
rnrn
এদিন কঙ্গনা রানাউত একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, নেতাজি আমাদের প্রথম প্রধানমন্ত্রী। অভিনেত্রীর কথায়, 'আমায় একটা কথা বলো। আমরা যখন স্বাধীনতা পাই তখন ভারতের প্রধানমন্ত্রী কোথায় ছিলেন?'
rnrn
কঙ্গনার কথা আংশিক ভাবে ঠিক। কারণ নেতাজি ১৯৪৩ সালের ২১ অক্টোবর আজাদ হিন্দ সরকার তৈরি করেছিলেন। তিনি তখন নিজেকে প্রধানমন্ত্রী, রাষ্ট্রের প্রধান এবং যুদ্ধের নায়ক হিসেবে ঘোষণা করেন। আন্দামান স্বল্পকালের জন্য আজাদ হিন্দ সরকারের অধীনে ছিল। বর্তমান প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং আজাদ হিন্দ সরকারের প্রশংসা করেছেন। নেতাজি এবং তার এই আজাদ হিন্দ ফৌজ এবং সরকার অনেকের কাছে অনুপ্রেরণা ছিল।
বিনোদন ডেস্ক





