Tag: বিজেপি

  • সবচেয়ে হৃদয়বিদারক কাজ হলো মাতৃত্ব: স্মৃতি ইরানি

    সংসার, সন্তান পালন আর হাইপ্রোফাইল ক্যারিয়ার— দুইয়ের মধ্যে সমতা বজায় রেখে এগিয়ে চলা যে কোনো নারীর জন্যই একটি বিরাট চ্যালেঞ্জ বলে জানিয়েছেন বিজেপি নেত্রী ও জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্মৃতি ইরানি। সম্প্রতি মুম্বাইয়ে আয়োজিত ‘মম পাওয়ার কনফারেন্স ২০২৬’ সম্মেলনে যোগ দিয়ে মাতৃত্বের সেই অম্লমধুর ও কঠিন বাস্তবতার কথা তুলে ধরেন তিনি।

    তিন সন্তানের জননী অভিনেত্রী বলেন, একজন মায়ের জীবন মানে নিঃস্বার্থ ভালোবাসা আর ত্যাগ। কীভাবে দিন-রাত পরিশ্রম করে মায়েরা সন্তানদের বড় করে। অথচ সেই সন্তান বড় হয়ে স্বাধীন হওয়ার পর মায়ের ওপর নির্ভরতা হারিয়ে ফেলে।

    কর্মজীবী মায়েদের লড়াই নিয়ে কথা বলতে গিয়ে স্মৃতি ইরানি বলেন, ক্যারিয়ার ও মাতৃত্ব সামলাতে গিয়ে জীবনের একটি বড় সময় কখন যে কেটে যায়, মায়েরা তা মনেই রাখতে পারেন না। তিনি বলেন, এখানে কি কোনো কর্মজীবী মা আছেন? এসব দায়িত্ব সামলানোর কোনো স্পষ্ট স্মৃতি কি আপনাদের মনে আছে? যদি বিন্দুমাত্র মনে থাকে, তা হলো চ্যালেঞ্জ। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    অভিনেত্রী বলেন, সন্তানকে বড় করতে গিয়ে প্রতিদিন, প্রতিমুহূর্তে কত রকম চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হয়েছে। বাইরে উদয়াস্ত পরিশ্রম করে বাড়ি ফিরে সন্তানকে খাওয়ানো, হোমওয়ার্ক করানো, একই সঙ্গে সংসারের কাজ, রান্না, আবার পরের দিনের জন্য অফিসের প্রেজেন্টেশন— কত রাত যে তারা না ঘুমিয়ে কাটিয়েছেন, তার ইয়ত্তা নেই।

    এ বিজেপি নেত্রী বলেন, মায়েরা নিজেদের সর্বস্ব উজাড় করে দেন সন্তানকে আত্মনির্ভরশীল করে তোলার জন্য। কিন্তু সন্তান যখন স্বাধীন হয়ে যায়, তখনই মায়ের জীবনের আসল ট্র্যাজেডি শুরু হয়। সন্তানকে স্বাবলম্বী করার জন্য মায়েরা জীবনের অর্ধেক সময় ব্যয় করেন। আর যখন তাদের বয়স ৫০-৫৫ বছর হয়, ঠিক তখনই সন্তানরা যার যার নিজস্ব জীবনে ব্যস্ত হয়ে পড়ে।

    স্মৃতি ইরানি বলেন, সবচেয়ে হৃদয়বিদারক কাজ হলো মাতৃত্ব। এটি এমন একটি কাজ, যা তখনই সফলভাবে সম্পন্ন হয় বলে ধরা হয়, যখন সন্তানের আর তার মায়ের কোনো প্রয়োজন থাকে না। আর এটিই একজন মায়ের জন্য সবচেয়ে হৃদয়বিদারক বিষয়। আপনি জীবনের অর্ধেক সময় ব্যয় করলেন যাতে পরবর্তী অর্ধেকে আপনাকে ভুলে যাওয়া হয়। এই ত্যাগের কি কোনো অর্থনৈতিক মূল্য হিসাব করা সম্ভব?

    বিনোদন ডেস্ক

  • ‘জেন-জি’ই দেশের চালিকাশক্তি, তীব্র সমালোচনার মুখে সুর পালটালেন কঙ্গনা

    বিজেপির সংসদ সদস্য ও অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত ‘জেন-জি’ নিয়ে বিতর্কিত মন্তব্যের জেরে তোপের মুখে পড়েছিলেন। আখ্যা দিয়েছিলেন— জেন-জি নাকি ‘নর্দমার প্রজন্ম’। কিন্তু এবার সুর পালটালেন অভিনেত্রী। এবার তিনি বললেন— ‘ জেন-জি’ দেশের চালিকাশক্তি ও সম্পদ’। 

    এর আগে দেশটির প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কেন্দ্র করে একটি বিক্ষোভ কর্মসূচিতে তরুণদের একাংশের আপত্তিকর মন্তব্যের জেরে ক্ষোভ প্রকাশ করেছিলেন অভিনেত্রী-রাজনীতিবিদ কঙ্গনা রানাউত। সেই সময় জেন-জিদের ‘গাটার জেনারেশন’ বা ‘নর্দমার প্রজন্ম’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন তিনি। এমনকি তরুণদের ওই সব ভিডিওকে ‘বমি উদ্রেককারী’ হিসেবেও অভিহিত করেছিলেন কঙ্গনা। সেই মন্তব্য সামাজিক মাধ্যম ও রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়।

    সম্প্রতি গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে আগের অবস্থান থেকে সরে আসেন অভিনেত্রী। এবার কঙ্গনা বলেন, জেন-জি আমাদের দেশের শক্তি এবং জাতির জন্য এক বিশাল সম্পদ। 

    তিনি আরও বলেন, আমাদের তরুণরা যেভাবে দেশের সংস্কৃতি ও পরিচয়ের দূত হিসেবে নিজেদের তুলে ধরছে, তাতে আমরা অত্যন্ত আনন্দিত।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজেপির শপথ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকা প্রসঙ্গে যা বললেন জিৎ

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে নিরঙ্কুশ পেয়ে সরকার গঠন করেছে বিজেপি। তৃণমূল কংগ্রেসকে পরাজিত করে শনিবার (৯ মে) শপথগ্রহণ করেন বিজেপির নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। নতুন মুখ্যমন্ত্রীকে সম্মান আর শুভেচ্ছা জানাতেই আমন্ত্রণে সাড়া দিয়েছিলেন টালিউড অভিনেতা-প্রযোজক জিৎ। এ নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে নেটিজেনদের রোষানলে পড়েন অভিনেতা। 

    শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে সাদা পাঞ্জাবি-চোস্ত আর গেরুয়া উত্তরীয় পরে গিয়েছিলেন এ অভিনেতা-প্রযোজক। তিনি অনুষ্ঠানমঞ্চে পা রাখতেই সাড়া পড়ে যায়। কখনো কোনো রাজনৈতিক দলের প্রচারে যোগ না দেওয়া ‘অরাজনৈতিক’ তারকা কেন রাজনৈতিক মঞ্চে? নেটিজেনদের মাঝে এমন কৌতূহল চরমে ওঠে।

    এবার সেই সমালোচনার জবাব দিলেন জিৎ। একটি গণমাধ্যমের এমন প্রশ্নে সহকারীর মারফত অভিনেতা জিৎ এক লিখিত বার্তা পাঠিয়ে দেন। সেখানে স্পষ্ট করেন তার রাজনৈতিক অবস্থান।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    তিনি বলেন, জয়ী দল এবং নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী তার শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তাকে সম্মান জানিয়ে সেই আমন্ত্রণ গ্রহণ করেছি। সেই সঙ্গে তাকে শুভেচ্ছা জানাতে অনুষ্ঠানে যোগ দিয়েছি।

    এর আগে ভোটের দিন ভোট দিয়ে বেরিয়ে আসার থেকে জল্পনা শুরু— রাজনৈতিক পালাবদল ঘটেছে। সেই সময় সামাজিক মাধ্যমে জিৎ স্বাগত জানিয়েছেন বিজেপি সরকারকে। রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিলেন পদ্ম শিবিরের জয়ী প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। অভিনেতা উপস্থিত সেই অনুষ্ঠানে। ব্যস, জল্পনা তীব্র। ‘অরাজনৈতিক’ তারকা কি অবশেষে রাজনীতির মঞ্চে?

    সেই  প্রশ্নের উত্তরও জিৎ দিয়েছেন। তিনি মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, এর আগে ২০১১ সালে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে শপথগ্রহণ অনুষ্ঠানেও উপস্থিত ছিলেন তিনি। আগের মুখ্যমন্ত্রীও তাকে সমাদরে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। এ অবস্থান থেকেই জিতের আন্তরিক অনুরোধ— তার এ উপস্থিতিতে রাজনৈতিক রঙ না দিলেই খুশি হবেন। কারণ আজও তিনি কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে যুক্ত নন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • জয়ের হাসি নেই কোনো তৃণমূলের তারকা প্রার্থীর, জ্বলে উঠলেন বিজেপির তারারা

    একটা সময়ে তারকার ছটায় জ্বলজ্বল করত তৃণমূলের প্রার্থী তালিকা। সেই নক্ষত্রদের ওপর কেন ভরসা হারালেন সাধারণ মানুষ? কেনই বা উজ্জ্বল হয়ে উঠল বিজেপির তারকা দল? এমনই কি হওয়ার ছিল? 

    তৃণমূলের একজন তারকাও জিতলেন না; কিন্তু বিজেপিতে উজ্জ্বল হয়ে রইলেন নক্ষত্ররা! অনেকে বলতেন, তারকাদের মুখ দেখিয়েই বেশি ভোট জিতেছে ওই দল। সেই তারকায় যে ভরসা হারাচ্ছে দল, ইঙ্গিত আসছিল ঠিকই। 

    এক তৃণমূল ঘনিষ্ঠ তারকা আবার বন্ধুদের মহলে নির্বাচনের কিছু আগেই উল্টো মন্তব্যও করেছিলেন। তারকারাই নাকি আসলে ভরসা হারিয়েছেন। তাই একে একে সরে দাঁড়িয়েছেন তারা। সে যা-ই হোক, এক অংশের সঙ্গে তৃণমূলের দূরত্ব যে বাড়ছিল, তা ২০২৬ বিধানসভা নির্বাচনে প্রার্থী তালিকাই স্পষ্ট করে দিয়েছে। বিদায়ী বিধায়কও নির্বাচনে লড়ার টিকিট পাননি— এমনও দেখা গেছে। তবে ফল প্রকাশের পর যা দেখা গেল, তা হলো নক্ষত্রের ঔজ্জ্বল্যে ধরে রাখা গেল না তৃণমূলের দুর্গ!

    ঘাসফুলভর্তি টালিউডের উজ্জ্বল তারকাপ্রার্থীরা গেরুয়া-ঝড়ের তাণ্ডবে চলে গেলেন পেছনের সারিতে। তৃণমূল কংগ্রেসের একজন তারকাপ্রার্থীও জয়ের হাসি হাসতে পারলেন না। টালি পরিচালক-অভিনেতা রাজ চক্রবর্তী থেকে ব্রাত্য বসু, অভিনেত্রী সায়ন্তিকা বন্দ্যোপাধ্যায় থেকে লাভলী মৈত্র, অভিনেতা সোহম চক্রবর্তী থেকে অদিতি মুন্সী— কে না লড়েছেন তৃণমূলের হয়ে! একদা এই তারকাদের ঘিরেই উজ্জ্বল হয়েছিল তৃণমূল কংগ্রেস। 

    পথসভা থেকে চলচ্চিত্র উৎসব, ভোটপ্রচার থেকে দুর্গাপূজার কার্নিভ্যাল— মঞ্চ আলো করে ছিলেন তারা। মিশে গিয়েছিলেন ক্ষমতার ভরকেন্দ্রে। এখন টালিপাড়ার অন্দরে কান পাতলে উঠে আসছে তাদের মধ্যেই কাউকে কাউকে নিয়ে অভিযোগ। কারও ক্ষেত্রে বা মন্তব্য করতে গিয়ে হয়রান হচ্ছেন সহকর্মীরা। কিন্তু বিজেপিতেও তো তারকারা ছিলেন, তাহলে তাদের প্রতি তো ভরসা হারায়নি জনতার। অন্তত ভোটবাক্স তো তেমনই বলছে। 

    টালিপাড়ায় বহু বছর ধরে কর্মরত এক টেকনিশিয়ান বলেন, ‘তারকাদের ওপরে কেন রাগ হবে, তারা তো বন্ধু মানুষ। কিন্তু তাদের নিজেদের মধ্যে এত ঝগড়া, সেসব অনেকেই পছন্দ করেন না। এর সঙ্গে কাজ করা যাবে না, ওর সঙ্গে বেশি কথা বলা যাবে না— এসব আর বোধহয় কেউ ভালো চোখে দেখছেন না।’

    টালিউড অভিনেত্রী শ্রীলেখা মিত্রও সেই বক্তব্যের সঙ্গে সহমত। অভিনেত্রী বলেন, তৃণমূল এসেই ইন্ডাস্ট্রির ভেতরে দুটি ভাগ করে দিয়েছিল। সব সমস্যা সেখান থেকেই শুরু হয়েছে। সরকারের পক্ষের লোক হলে তবেই সে গ্রহণযোগ্য হবে। কিন্তু রাজনীতি যে কেবল তারকা দিয়ে হয় না, তা মানুষ বুঝে গেছেন। আর তাই বোধহয় এমনভাবে পরাজয়ের মুখোমুখি হলেন তারা। 

    শ্রীলেখা বলেন, রাজনীতি করতে হলে, মানুষের জন্য কাজ করতে মাঠঘাটে নেমে করতে হবে। তখন আর সাজগোজ আর মেকআপ নিয়ে ভাবলে চলে না। তৃণমূলের তারকাদের বিরুদ্ধে তার অভিযোগ— ওরা তো রাজনৈতিক সভাতেও মেকআপ আর্টিস্টদের নিয়ে যায়। মানুষ কি অত বোকা? কেনই বা এসব দেখে আর ভরসা রাখবে তারা? 

    অন্যদিকে পদ্মশিবিরে নতুন করে নক্ষত্রদের উজ্জ্বল আলোয় চোখ ধাঁধিয়ে উঠেছে। অগ্নিমিত্রা পাল থেকে রুদ্রনীল ঘোষ, পাপিয়া অধিকারী থেকে রূপা গঙ্গোপাধ্যায়, হিরণ চট্টোপাধ্যায় থেকে শর্বরী মুখোপাধ্যায়। তাদের কি সবাই পছন্দ করেন? এই প্রশ্ন বার বার ঘুরপাক খাচ্ছে। তাহলে বিজেপিতে যেসব তারকা জিতেছেন, তাদের অধিকাংশই বেশ মন দিয়ে রাজনীতি করছেন। রূপা হোক কিংবা অগ্নিমিত্রা— কেউ-ই মূলত অভিনয় বা ফ্যাশন জগতে আটকে রাখেননি নিজেকে। গুরুগম্ভীর রাজনীতিককে ভোটে দাঁড় করানোর ফল পাচ্ছে বিজেপি— এমনই ফিসফাস এখন টালিপাড়ায়।   

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    গণমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে রূপা গঙ্গোপাধ্যায় বলেন, তা এ ধারণার সঙ্গেই যেন মিলে যাচ্ছে। সোনারপুর দক্ষিণকে উন্নত করার রোডম্যাপ আমার তৈরি। আমার চিত্রগ্রাহকরা আমার ছবি তোলার জন্য ঘোরেননি। তারা এলাকার দুর্দশার ছবি তোলার জন্য ঘুরেছেন। 

    এদিকে তৃণমূলের তারকাপ্রার্থীদের ভোটপ্রচারের ছবি সামাজিক মাধ্যমে পৌঁছাতে দেরি হতো না বলে ব্যঙ্গ করতেন অনেকেই। টালিউড অভিনেতা ঋষি কৌশিক বলেন, এই জয়ের মূলে রয়েছে প্রতিষ্ঠানবিরোধিতা। জনগণ পরিবর্তন চেয়েছিল বলেই এভাবে বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন তারা। এর পাশাপাশি বিজেপি খুব ভেবেচিন্তেই প্রার্থী বাছাই করেছে। যারা রাজনৈতিকভাবে সচেতন, তাদেরই বেছে নেওয়া হয়েছে বলে তিনি মনে করেন। 

    ঋষি কৌশিক বলেন, প্রার্থী হিসেবে তারকাদের বেছে নেওয়ার এই প্রবণতা শুরু করেছে তৃণমূল। কিন্তু বিজেপি সেভাবে কাজ করে না বলেই মনে হয়। তারকা হলেও তাদের ফোকাসটা কোন দিকে, সেটি দেখে নেওয়া হয়। 

    এ অভিনেতা বলেন, টালিউডের শিল্পী হিসেবে জনপ্রিয় হওয়া, আর রাজনৈতিক মঞ্চে কাজ করে জনপ্রিয় হওয়ার মধ্যে ফারাক আছে। আর সেটাই বোধহয় গুলিয়ে ফেলেনি বিজেপি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • বিজেপি ছাড়তেই অভিনেত্রীকে ধর্ষণের হুমকির অভিযোগ

    পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনের প্রথম দফার ভোট ইতোমধ্যে হয়ে গেছে। ২৯ এপ্রিল দ্বিতীয় দফা নির্বাচনের প্রাক্কালে সব জায়গায় চলছে শেষ মুহূর্তের প্রচার। এই সময়ে তৃণমূল কংগ্রেস ও বিজেপির লড়াইয়ের মধ্যেই অভিনেত্রী রূপাঞ্জনা মিত্র বিজেপিকে একহাত নিলেন। 

    ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) ছেড়ে তৃণমূল কংগ্রেসে যোগ দেওয়ার পর থেকে রূপাঞ্জনার দিকে বহু কটূক্তি ধেয়ে এসেছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর মন্তব্যেরও শিকার হয়েছেন তিনি। এসব উড়িয়ে দিলেও ধর্ষণের হুমকি পেয়ে ক্ষুব্ধ প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন তিনি। প্রচারের ফাঁকে লাইভে এসে ক্ষোভ প্রকাশ করে বিজেপিকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন।

    বিজেপির উদ্দেশে রূপাঞ্জনা বলেন, সাচ্চা বাঙালিকে ভয় দেখাতে আসবেন না। আপনারা তো চোখ দিয়েই ধর্ষণ করে দেন। তারপর নির্লজ্জের মতো ধর্ষণ নিয়ে কথা বলেন।

    রূপাঞ্জনার বক্তব্য, রাজনৈতিক মতাদর্শ আলাদা হওয়ার কারণে প্রতিনিয়ত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আপত্তিকর ভাষায় আক্রমণ করা হয়। শুধু তা–ই নয়, রেহাই পাননি রূপাঞ্জনার বয়স্ক মা-ও। পরিবারের ওপর এই আক্রমণ মুখ বুজে সহ্য করতে প্রস্তুত নন তিনি। সামনে দাঁড়িয়ে মন্তব্যগুলো করার জন্য লাইভে এসে বিজেপি সমর্থকদের চ্যালেঞ্জ ছুড়েছেন। বলেছেন, ভার্চ্যুয়ালি মন্তব্যে তো সাহস প্রয়োজন হয় না, মুখোমুখি হলে বোঝা যাবে কার দৌড় কতখানি। 

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    রূপাঞ্জনা দাবি করেন, দীর্ঘ ২৫ বছর অক্লান্ত পরিশ্রম করে ইন্ডাস্ট্রিতে নিজের জমি শক্ত করেছেন। একজন সফল নারী হিসেবে নিজের পরিচিতি তৈরি করেছেন। আর এমন নিম্নমানের মন্তব্য কীভাবে সম্ভব, সে প্রশ্ন তুলেছেন বিজেপির বিরুদ্ধে।

    বিজেপির উদ্দেশে রূপাঞ্জনা আরও বলেন, নারী সুরক্ষা নিয়ে কথা বলেন অথচ একজন নারীকে সোশ্যাল মিডিয়ায় ধর্ষণের হুমকি দিচ্ছেন। এ কথা বলে বোঝা যাচ্ছে, ক্ষমতায় এলে কী পরিণতি হবে।

    এই অভিনেত্রী আরও বলেন, বিজেপির গুণ্ডা কালচার ছাড়া এটি আর কিছুই নয়। আবারও বলছি, সাহস থাকলে সামনে এসে হুমকি দিন। এখন তো অবশ্য কঙ্গনা, মন্দাকিনী থেকে শুরু করে বিহারে ভোজপুরি তারকাদের নিয়ে পার্টি ব্যস্ত। একটা কথা শুনে রাখুন, যারা আমাকে আক্রমণ করেছেন, তাদের বিরুদ্ধে আমি থানায় অভিযোগ দায়ের করছি। পশ্চিমবঙ্গকে কখনোই উত্তর প্রদেশ, মণিপুর বা গুজরাট হতে দেব না।

    বিনোদন ডেস্ক

  • মোস্তাফিজুর ইস্যুতে সালমানকে ‘শাহরুখ’ ভেবে ফাঁসি চাইলেন বিজেপি নেতা

    আইপিএলে মোস্তাফিজুর রহমানকে দলে নেওয়ার ইস্যুকে কেন্দ্র করে বিজেপির কট্টরপন্থি একাংশের তীব্র আক্রমণের মুখে পড়েছেন বলিউড তারকা শাহরুখ খান। এই ঘটনায় তাকে ‘গাদ্দার’ ও ‘দেশদ্রোহী’ আখ্যা দিয়ে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও গালমন্দের মাত্রা দিন দিন বাড়ছে।

    এই বিতর্কের মধ্যেই শাহরুখ খানের ফাঁসি দাবি করে বসেন বিজেপি নেতা ঠাকুর রঘুরাজ সিং। তবে বক্তব্য দিতে গিয়ে তিনি আরও এক ধাপ বিতর্ক তৈরি করেন—শাহরুখের বদলে সালমান খানের নাম উচ্চারণ করে বসেন। খবর ইন্ডিয়া টুডের।

    সম্প্রতি এক বক্তব্যে ঠাকুর রঘুরাজ সিং বলেন, ‘সালমানের সব ভালোবাসা পাকিস্তানের প্রতি। তাকে সেখানেই পাঠিয়ে দেওয়া হোক। ও একজন দেশদ্রোহী, ওকে ফাঁসিতে ঝোলানো উচিত।’ 

    মন্তব্যটি ভাইরাল হলে তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েন তিনি।

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    পরবর্তীতে চাপের মুখে পড়ে রঘুরাজ সিং দাবি করেন, তিনি আসলে শাহরুখ খানকে লক্ষ্য করেই ওই মন্তব্য করতে চেয়েছিলেন। তার ভাষ্য, ‘পাকিস্তান কোনো সমস্যায় পড়লে শাহরুখের দরদ উতলে ওঠে, তিনি সেখানে অর্থ সাহায্যও করেন। কিন্তু বাংলাদেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে তিনি নীরব। আমি মূলত শাহরুখের নামই বলতে চেয়েছিলাম, ভুল করে সালমানের নাম বেরিয়ে গেছে।’

    এর আগেও উত্তরপ্রদেশের বিজেপি নেতা সঙ্গীত সোম শাহরুখ খানকে ‘গাদ্দার’ বলে কটাক্ষ করেছিলেন। এবার সেই বিতর্কে যুক্ত হলেন ঠাকুর রঘুরাজ সিং—যদিও নাম বিভ্রাটের কারণেই তার মন্তব্য নতুন করে আলোচনার কেন্দ্রে উঠে এসেছে।

    বিনোদন ডেস্ক

  • দুর্গাপূজার কার্নিভ্যালে জয়া আহসান কেন, প্রশ্ন বিজেপির

    দুই বাংলার অভিনেত্রী জয়া আহসান সিনেমাপ্রেমী দশর্কদের কাছে
    সমান জনপ্রিয়। কাজ করছেন দুই দেশেই। তবে গত ৫ আগস্টের পর থেকে ওপার বাংলায় জয়ার কাজ
    ও উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠছে। এবার আপত্তি তুললেন বিজেপি নেতা শমীক ভট্টাচার্য। তিনি
    ভারতীয় সিনেমায় বাংলাদেশি শিল্পীর কাজ করা নিয়ে আপত্তি তোলেন।

    এর আগে গত ১৫ জুলাই কলকাতা পৌর করপোরেশনের নারী কাউন্সিলর জুঁই
    বিশ্বাস ভারতীয় সিনেমায় বাংলাদেশি শিল্পীদের কাজ করা নিয়ে আপত্তি তুলেছিলেন। নিজের
    ফেসবুকে জয়ার কাজ করা নিয়ে কড়া ভাষায় সমালোচনা করেছিলেন তৃণমূল নেত্রী। তারও আগে জয়া
    আহসানকে নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিল পশ্চিমবঙ্গের দুই রাজনৈতিক পক্ষ। এবার দুর্গাপূজার কার্নিভ্যালে
    জয়ার উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুললেন ক্ষমতাসীন বিজেপি নেতা।

    গতকাল রোববার পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের আয়োজিত দুর্গাপূজার
    কার্নিভ্যালে জয়ার উপস্থিতি কেন্দ্র করে বিক্ষোভ করেন বর্ধমান জেলার দুর্গাপুরের বিজেপি
    নেতারা। তবে অভিনেত্রীকে বিজেপি বিক্ষোভের মুখোমুখি হতে হয়নি। দুর্গাপূজার কার্নিভ্যালের
    সভাস্থল ছাড়ার পরেই বিক্ষোভ কর্মসূচি করে বিজেপির নেতাকর্মীরা।

    চলমান প্রাকৃতিক দুর্যোগের মধ্যেই পূজার কার্নিভ্যাল ঘিরে জাঁকজমকপূর্ণ
    অনুষ্ঠানের আয়োজন করায় বিজেপি এ বিক্ষোভ কর্মসূচি পালন করে। দুর্গাপুরের চতুর্থ বার্ষিক
    কার্নিভ্যালে জয়া আহসান রবীন্দ্রসংগীত পরিবেশন করেন। অনুষ্ঠান শেষে মঞ্চ ছাড়তেই বিজেপির
    কর্মীরা প্রশ্ন তোলে দুর্গপূজার কার্নিভ্যালে জয়া আহসান কেন? বাংলাদেশি অভিনেত্রীকে
    দুর্গাপুরে কার্নিভ্যালে নিয়ে এসে মা দুর্গাকে অপমান করা হলো বলে অভিযোগ তোলে বিজেপি।

    বিনোদন ডেস্ক

  • ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণাকারী থালাপতি বিজয়ের বিরুদ্ধে মামলা

    বিজেপির বিরুদ্ধে যুদ্ধ ঘোষণা করে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি করা দক্ষিণী সিনেমার অভিনেতা এবং রাজনৈতিক দল তামিলাগা ভেত্রি কাজাগাম (টিভিকে) প্রধান থালাপতি বিজয়ের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে। সম্প্রতি এক সমাবেশের মঞ্চে ভক্তের সঙ্গে তার দেহরক্ষীর দুর্ব্যবহারের অভিযোগে মামলাটি করা হয়।

    বুধবার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে টাইমস অব ইন্ডিয়া। 

    তামিলনাড়ু রাজ্যের পেরাম্বলুর জেলা পুলিশ সুপারিনটেনডেন্ট অফিসে শরৎকুমার অভিযোগটি দায়ের করেন। 

    পুলিশ জানিয়েছে, ভারতীয় দণ্ডবিধির তিনটি ধারায় বিজয় এবং তার নিরাপত্তা কর্মীদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।

    প্রতিবেদনে বলা হয়, ২০২৪ সালে রাজনৈতিক দল টিভিকে প্রতিষ্ঠা করা থালাপতি, তামিলনাড়ুর রাজনীতিতে যখন নিজেকে একজন বড় প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করতে চাইছেন তখন এই ঘটনাটি ঘটেছে। এই মাসের শুরুতে তিনি ঘোষণা করেন ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে মাদুরাই পূর্ব থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন তিনি। এটি ক্ষমতাসীন দ্রাবিড় মুন্নেত্র কাজগমের (ডিএমকে) বিরুদ্ধে এখন পর্যন্ত তার সবচেয়ে সরাসরি লড়াইয়ের ইঙ্গিত।

    মাদুরাইতে দলের দ্বিতীয় রাজ্য সম্মেলনে, ডিএমকে-র ওপর তীব্র আক্রমণ শুরু করেন বিজয়। এটিকে তার প্রধান রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বী বলে অভিহিত করেন এবং ভারতীয় জনতা পার্টিকে টিভিকে-র ‌‘একমাত্র আদর্শিক শত্রু’ হিসেবে চিহ্নিত করেন।

    হাজার হাজার সমর্থকের সামনে জোরে জোরে চিৎকার করে থালাপতি ঘোষণা করেন, ‘টিভিকে কোনও রাজনৈতিক খেলা নয়; এটি একটি আদর্শ। এটি প্রচারের জন্য কোনো বক্তৃতা নয়। এটি ক্ষমতায় থাকাদের জন্য একটি সতর্কীকরণ। টিভিকে এখানে আধিপত্য বিস্তার করতে এসেছে। কোটি কোটি মানুষ আমাদের সাথে আছেন। ২০২৬ সালের নির্বাচন টিভিকে এবং ডিএমকে-র মধ্যে লড়াই।’

    আরও পড়ুন
    আরও পড়ুন

    বিজয় টিভিকে একটি পরিষ্কার, আপসহীন শক্তি হিসেবে উপস্থাপন করার চেষ্টা করে চলেছেন। তিনি বলেন, ‘টিভিকে এমন কোনও দল নয় যারা গোপনে চুক্তি করে, জোট তৈরি করে এবং জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করে। আমরা কাউকে ভয় পাই না। তামিলনাড়ুর জনগণ, নারী ও যুবসমাজ আমাদের সাথে দাঁড়িয়ে আছে।’

    সমাবেশে তিনি শ্রীলংকা থেকে কাচাথিভু দ্বীপ মুক্ত করার এবং তামিলনাড়ুর জেলেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছিলেন, যা রাজ্যের দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক দাবি। 

    তার সাম্প্রতিক রাজনৈতিক ঘটনাবলি বিপুল জনসমাগম ঘটিয়েছে, যা রূপালী পর্দার বাইরেও তার জনপ্রিয়তাকে তুলে ধরেছে। মাদুরাইয়ের সমাবেশকে টিভিকে-র সবচেয়ে বড় সমাবেশ হিসেবে বিবেচনা করা হয়েছিল, যেন এটি ১৯৬৭ এবং ১৯৭৭ সালের ঐতিহাসিক নির্বাচনের প্রতিধ্বনি।

    অভিনেতা থেকে রাজনীতিবিদে পরিণত এই ব্যক্তি মুখ্যমন্ত্রী এমকে স্ট্যালিনের ডিএমকে সরকারেরও তীব্র সমালোচনা করেছেন। সোশ্যাল মিডিয়ায়, তিনি চেন্নাইতে পরিচ্ছন্নতা কর্মীদের গ্রেফতারকে ‘ফ্যাসিবাদী’ এবং ‘অমানবিক’ বলে নিন্দা জানিয়েছেন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রাজনীতি আমার দ্বারা হবে না, গুঞ্জনে পানি ঢেলে বললেন প্রীতি

    বলিউডের এক সময়ের জনপ্রিয় অভিনেত্রী প্রীতি জিনতাকে এখন অভিনয়ে কমই দেখা যায়। তবে নিজের ক্রিকেট দলের হয়ে মাঠে তাকে প্রায়ই দেখা যায়। মাঝে গুঞ্জন উঠেছিলে রাজনীতিতে যোগ দিচ্ছেন তিনি। অবশ্য এবিষয়ে তখন কোনো কথা বলেননি অভিনেত্রী।

    এদিকে মাস তিনেক আগে কংগ্রেসের পক্ষ অভিযোগ তোলা হয়েছিল, প্রীতি জিনতার ১৮ কোটি টাকার ঋণ নাকি মওকুফ করে দিয়েছে ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি)। শুধু তাই নয়, প্রীতি নাকি তার সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট বিজেপির হাতে সঁপে দিয়েছেন- এমন অভিযোগও ওঠে। এরপর বলিউড নায়িকার রাজনীতিতে যোগ দেওয়ার জল্পনা শুরু হয়।

    সম্প্রতি এক্স হ্যান্ডলে প্রীতি জিনতাকে একজন জিজ্ঞেস করেন, ‘আপনি কি ভবিষ্যতে বিজেপিতে যোগ দেবেন? আপনার গত কয়েক মাসের টুইট দেখে তো তেমনটাই মনে হচ্ছে। 

    জবাবে অভিনেত্রী বলেন, ‘সোশাল মিডিয়ায় ব্যবহারকারীদের এটাই একটা সমস্যা। সবাই এত বিচার করতে বসে যান সবকিছু নিয়ে। আমি যেমনটা আগে বলেছি— মন্দিরে, মহাকুম্ভে যাওয়া কিংবা নিজের পরিচয় নিয়ে আমি গর্বিত। তার মানে এই নয় যে, এসব কারণে আমি বিজেপিতে যোগ দেব।’

    প্রীতি বলেন, ‘ভারতের বাইরে থাকার ফলে আমি দেশের প্রকৃত মূল্য উপলব্ধি করতে পেরেছি এবং আর পাঁচজন ভারতীয়র মতোই গর্ববোধ করি আমার দেশকে নিয়ে।’

    রাজনীতিতে না আসার কারণ গত ফেব্রুয়ারি মাসেও জানিয়েছিলেন প্রীতি জিনতা। সেসময় তিনি বলেন, ‘রাজনীতি আমার দ্বারা হবে না। বিগত কয়েক বছরে একাধিক রাজনৈতিক দল আমাকে টিকিট দিতে চেয়েছে। এমনকি রাজ্যসভার আসনের প্রস্তাবও এসেছিল। তবে আমি বিনম্রভাবে প্রত্যাখ্যান করেছি। কারণ, আমার ইচ্ছে নেই। আর আমাকে ‘সৈনিক’ বললেও অতিরঞ্জিত হবে না। কারণ, আমি একজন আর্মি পরিবারের সন্তান। আমার বাবা সৈনিক এবং আমার দাদাও। আর্মি পরিবারের সন্তান হওয়ায় আমাদের মানসিকতা খানিক আলাদা।’

    তিনি আরও বলেন, ‘আমরা নিজেদের উত্তর ভারতীয়, দক্ষিণ ভারতীয় কিংবা হিমাচলী বা বাঙালি বলে ভাবি না, আমাদের পরিচয় শুধুমাত্র ভারতীয়। আর হ্যাঁ, দেশভক্তি আমাদের রক্তে।’ 

    তথ্যসূত্র: সংবাদ প্রতিদিন।

    বিনোদন ডেস্ক

  • রোহিতকে কুকুর বলেছিলেন কঙ্গনা, কংগ্রেস মুখপাত্রের পালটা অভিযোগ

    কংগ্রেসের মুখপাত্র শামা মোহাম্মদ বলেছেন, রোহিত শর্মাকে কুকুর বলে অপমান করেছিলেন কঙ্গনা রানাউত। ভারতের জাতীয় দলের এই ক্রিকেটারকে ‘মোটা-খারাপ অধিনায়ক’ বলে কটাক্ষ করে তুমুল সমালোচনার মুখে পড়েছেন শামা। 

    বিষয়টি নিয়ে কড়া সমালোচনা করতে দেখা যায় কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রী মনসুখ মাণ্ডব্যকে। পাশাপাশি বিজেপির আরও অনেকে কংগ্রেসের এই নেত্রীর দিকে তেড়ে যান।  এরপরই এবার বিজেপিকে একহাত নিতে কঙ্গনার পুরোনো পোস্টকে হাতিয়ার করলেন শামা। 

    ২০২১ সালে কৃষক আন্দোলনের সময় এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করেছিলেন রোহিত। দেশের উন্নয়নে কৃষকদের ভূমিকা উল্লেখ করে তিনি বলেছিলেন, সমস্যার দ্রুত সমাধান করা উচিত। 

    রোহিতের সেই পোস্টেই অত্যন্ত অপমানজনক মন্তব্য করেছিলেন বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা। তার বার্তা ছিল, ‘এই ক্রিকেটারগুলোর কথা শুনে মনে হচ্ছে, এরা ধোবি কা কুত্তা! না ঘর কা না ঘাট কা।’ 

    যদিও রোহিতকে কুকুরের সঙ্গে তুলনা করা সেই পোস্ট কিছুক্ষণ পরই ডিলিট করে দেন বিজেপির বর্তমান এই সংসদ সদস্য।

    কঙ্গনার পুরোনো সেই পোস্টের স্ক্রিনশট তুলে ধরেই এবার আক্রমণ করেছেন শামা। কেন্দ্রীয় ক্রীড়ামন্ত্রীর কাছে তার প্রশ্ন, রোহিতকে নিয়ে এমন অপমানজনক মন্তব্য করার পরে কঙ্গনাকে কী বলেছেন? 

    শামার পোস্ট প্রকাশ্যে আসার পরে মাণ্ডব্য বলেছিলেন, এমন পোস্ট অত্যন্ত লজ্জাজনক। তাই গেরুয়া শিবিরকে পাল্টা জবাব দিতে কঙ্গনার পোস্টকেই হাতিয়ার করলেন শামা।

    প্রসঙ্গত, রোহিতকে নিশানা করে সোশাল মিডিয়ায় শামা লিখেছিলেন, একজন খেলোয়াড় হিসেবে অত্যন্ত মোটা রোহিত শর্মা। ওনার উচিত ওজন কমানো। ভারতের যত ক্রিকেট অধিনায়ক ছিলেন, তাদের সকলের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ব্যক্তিত্বহীন ক্যাপ্টেন হলেন রোহিত।

    এরপরই তোপের মুখে পড়েন শামা মোহাম্মদ। চরম সমালোচনায় তড়িঘড়ি এক্স হ্যান্ডেল থেকে রোহিতকে নিয়ে লেখা বার্তা মুছে ফেলেন তিনি। এরপর কংগ্রেসের তরফ থেকে জানানো হয়, এই মন্তব্য একান্তই শামার ব্যক্তিগত।

    অনলাইন ডেস্ক